সাত দিনের সফরে জাপান গেলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান। সফরসঙ্গী হিসেবে তার সঙ্গে আছেন, জামায়াতে ইসলামির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এমপি এবং আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান এমপি। শনিবার (২ মে) রাত ৩টায় তিনি জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।জামায়াতে ইসলামির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার রাত ৩টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি ফ্লাইটে তিনি রওনা হন। সাত দিনের এই সফরে ডা. শফিকুর রহমান জাপানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন। আগামী ৯ মে তার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
৪ দিন আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিজেদের ‘মুক্তিযুদ্ধের দল’ হিসেবে দাবি করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এবং রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এস টি এম আজহারুল ইসলাম। বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে অধিবেশন চলাকালে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন। সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি দাবি করে তারা মুক্তিযুদ্ধের দল। অথচ দলটি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর। আর মুক্তিযুদ্ধ হয় ১৯৭১ সালে। তাহলে মুক্তিযুদ্ধের দল কীভাবে বিএনপি হতে পারে? তিনি আরও বলেন, বিএনপি একটি বড়ো রাজনৈতিক দল। তাদের নারী নেত্রীরা রাজপথে আন্দোলন করেছেন এবং তাদের অনেক ভূমিকাও আছে। কিন্তু সংরক্ষিত নারী আসনে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানা মহিলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদককে আপনারা মনোনয়ন দিয়েছেন। এ সময় তিনি প্রশ্ন রাখেন, কেন? এটা কি আপনাদের দীনতার কারণে নাকি আপনারা কোনো মহিলা খুঁজে পাচ্ছেন না? আপনারা কি কোনো শক্তিকে খুশি করতে চান? তাদের সহযোগিতায় ক্ষমতায় থাকতে চান। এ প্রশ্নের জবাব আপনারাই দেবেন। এছাড়া ‘জান্নাতের টিকিট বিক্রি’ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমরা নাকি জান্নাতের টিকিট বিক্রি করি। অবশ্যই আমরা জান্নাতে যেতে চাই। আমাদের আন্দোলন জান্নাত। আপনারা কি জান্নাতে যেতে চান না?
৬ দিন আগে
নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে আমির ডা.শফিকুর রহমান।শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১টা ৪৪ মিনিটের দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন।তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনীতি একটি দীর্ঘ পথ। আমাদের পথ এখন পরিষ্কার—মানুষের আস্থা অর্জন করা, ক্ষমতাকে জবাবদিহির আওতায় আনা এবং দায়িত্বশীলভাবে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। শুরু থেকে আমরা একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতিতে এখনও অটল। আমরা সামগ্রিক ফলাফলকে স্বীকৃতি দিচ্ছি এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।পোস্টে তিনি লেখেন, বিগত মাসগুলোতে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, সেই অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবক ও সমর্থকদের প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনাদের মধ্যে অনেকে নিজের সময়, শক্তি ও বিশ্বাস উৎসর্গ করেছেন। অনেকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। আপনাদের এই সাহসিকতা আমাদের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে।
২ মাস আগে