নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে আমির ডা.শফিকুর রহমান।শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১টা ৪৪ মিনিটের দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন।তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনীতি একটি দীর্ঘ পথ। আমাদের পথ এখন পরিষ্কার—মানুষের আস্থা অর্জন করা, ক্ষমতাকে জবাবদিহির আওতায় আনা এবং দায়িত্বশীলভাবে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। শুরু থেকে আমরা একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতিতে এখনও অটল। আমরা সামগ্রিক ফলাফলকে স্বীকৃতি দিচ্ছি এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।পোস্টে তিনি লেখেন, বিগত মাসগুলোতে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, সেই অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবক ও সমর্থকদের প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনাদের মধ্যে অনেকে নিজের সময়, শক্তি ও বিশ্বাস উৎসর্গ করেছেন। অনেকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। আপনাদের এই সাহসিকতা আমাদের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে।
১ মাস আগে
মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবুল হাশেম। সোমবার ১৯ জানুয়ারি বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল শেষে বক্তৃতা করার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় বেসরকারি মান্নান হার্ট ফাউন্ডেশনে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।তার আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে ঘটনাস্থলে।কুষ্টিয়া শহর জামায়াতের আমীর এনামুল হক বলেন, 'আমির হামজাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পৌরসভা চত্বর থেকে সদর উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি শহরের সড়ক প্রদক্ষিণ করে একতারা মোড় এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। সেখানে জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি অসুস্থ বোধ করেন। এ সময় তাকে নিকটস্থ একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি হার্ট অ্যাটাক করেছিলেন বলে জানান জামায়াতের এই নেতা'।
২ মাস আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশের রাজনীতিতে হঠাৎই নতুন করে শুরু হয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে’ চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যুক্ত না থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ভোটের সমীকরণ অনেকটাই বদলে গেছে। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামপন্থি দলগুলোর মধ্যে যে ‘বৃহত্তর ঐক্য’ বা ‘এক বাক্স নীতি’ কার্যকরের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তাতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। দীর্ঘ আলোচনা ও দরকষাকষির পরও জামায়াত নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী ঐক্যে শেষ পর্যন্ত যোগ দেয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। যদিও ইসলামী আন্দোলনের এই সিদ্ধান্ত রাজনীতির মাঠে কাকে লাভবান করবে, তা নির্ভর করছে নির্বাচনের প্রচার ও জনমতের ওপর। ইসলামী আন্দোলন জোটে না থাকায় সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হতে পারে বিএনপি। যদিও ‘১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে’ থাকা দলগুলোর শীর্ষ নেতারা বলছেন, চরমোনাই পীরের দল তাদের জোটে না থাকা ভোটের সমীকরণে খুব একটা প্রভাব ফেলবে না। আর রাজনীতিতে শেষ বলে কথা নেই।ভোটের মাঠে ইসলামপন্থিদের মধ্যে বিভাজনের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী বিএনপি হবে বলে মনে করেন অধ্যাপক শামছুল আলম। তিনি বলেন, ‘ধারণা করা হয় যে, দেশে ১৫-২০ শতাংশ ভোট সরাসরি ডানপন্থি বা ধর্মীয় দলগুলোর অনুকূলে থাকে। এখন যদি জামায়াত জোট এবং ইসলামী আন্দোলন আলাদাভাবে লড়ে, তবে এই ভোটগুলো ভাগ হয়ে যাবে। এতে করে তাদের এককভাবে আসন জেতার সম্ভাবনা নাটকীয়ভাবে কমে গেল।
২ মাস আগে