ইতালির মেস্ত্রে শহরে অবস্থানরত জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া লাইভে তিনি এ অভিযোগ করেন।বাঁধন অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) প্রবাসী কর্মীদের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন বাঙালি তাকে শারীরিকভাবে হয়রানি করেছেন। তার দাবি, তারা তার শরীরে পানি ও কোক ছুড়ে মারে, ফোন ফেলে দেয় এবং কানের পাশে আঘাত করে।ফেসবুক লাইভে বাঁধন বলেন, আমি এখানে আমার ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাদের অনেক বাঙালি ভাই এসে আমাকে ‘ফিজিক্যালি হ্যারাস’ করেছে। আমার শরীরে পানি, কোক ছুড়ে মেরেছে। এতে আমি একদম ভিজে যাই।হামলার সময় তার সঙ্গে ভাইয়ের ছোট বাচ্চাও ছিল জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, তারা আমার শরীরে হাত তুলেছে, আমার ফোন ফেলে দিয়েছে। আমার কানের পাশে আঘাত করেছে।বাঁধনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করে এবং নিজেদের বঙ্গবন্ধুর সৈনিক দাবি করে। তারা তাকে জোর করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে বাধ্য করে এবং সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে লাইভ ও আপলোড করে।লাইভে তিনি আরও বলেন, আমি বলবো, আপনাদের এই অসংলগ্ন আচরণ থেকে আপনাদের বেরিয়ে আসা উচিত ছিল। আপনারা তা করতে পারেন নাই। আপনারা ভেবেছেন, এভাবে করেই হয়তো পরবর্তীকালে নিজেদের জায়গাটা ফের সুগঠিত করতে পারবেন। সেটা আমার মনে হচ্ছে না।জানা গেছে, রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমা নিয়ে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে ভাই ও ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে ইতালিতে গেছেন বাঁধন।ইতিহাস গড়ে সিনেমাটি ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রতিযোগিতামূলক ‘অরিজন্তি’ বিভাগে প্রদর্শিত হয়েছে। স্থানীয় সময় বেলা সোয়া ২টায়, বাংলাদেশ সময় ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় সালা দারসেনা থিয়েটারে সিনেমাটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়।সিনেমাটির মুখ্য চার নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাইনীন করিম, রিকিতা নন্দিনী শিমু, সুনেরাহ বিনতে কামাল ও আজমেরী হক বাঁধন। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রুবাইয়াত হোসেন।
৭ ঘন্টা আগে
হতে পারে এটি চিত্রনায়িকা পরীমণির আরও একটি ‘মহৎ কাজ’। যদিও এ প্রসঙ্গে কথা বলতে নারাজ। খোলাসা করলে কৌতূহল কাটতো বটে, তবে তার নীরবতা যে জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিল! সোমবার সকালে, সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ পরীমণির। তা দেখেই চক্ষু চড়কগাছ নেটিজেনদের। কারণ, নায়িকার কোলে দেখা গেছে এক ফুটফুটে সদ্যোজাতকে।সেই ছবি পোস্ট করে নায়িকা লেখেন, “তিন নাম্বার জন ডান। আলহামদুলিল্লাহ।” ব্যস! এমন ছবি আর ক্যাপশনের পর নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি আবার মা হলেন এই অভিনেত্রী?নিজের সন্তানদের তো বটেই, এমনিতেও শিশুপ্রেমী এই চিত্রনায়িকা। এর আগে বহুবার বলেছেন, একাধিক সন্তানের মা হতে চান; কখনো বলেছেন- ১০০ সন্তানের মা হতে চান। হয়তো এমন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোচ্ছেন নায়িকা। ভক্তদের মনেও প্রশ্ন তবে কি ফের দত্তক নিলেন পরীমণি?চিত্রনায়ক শরিফুল রাজের সঙ্গে বেশ কয়েক বছরের সম্পর্কের পর তাদের ঘরে আসে প্রথম সন্তান শাহীম মোহাম্মদ পূণ্য। এরপর রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদ হলে ছেলেকে একাই সামলাতে থাকে 'মা' পরীমণি। তার বছর কয়েক পর নেন কন্যা সন্তানের দত্তক। নাম রাখেন সাফিরা সুলতানা প্রিয়ম।বর্তমানে দুই সন্তানকে নিয়ে একা হাতেই বড় করছেন এই অভিনেত্রী। কাজের পাশাপাশি বাকি সবটুকু সময় সন্তানদের সঙ্গেই কাটান তিনি এবং মাঝেমধ্যেই তাদের সঙ্গে কাটানো সুন্দর মুহূর্তগুলো ভাগ করে নেন। শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, গাড়িতে বসে চোখে রোদচশমা পরে পরিপাটি সাজে আছেন পরীমণি, আর তার কোলে এক শিশু। ছবিটি পোস্ট করার পরপরই মন্তব্যের ঘরে ভিড় জমাচ্ছেন ভক্তরা। সাধারণ দর্শক থেকে শুরু করে অনুরাগীরা অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি প্রশ্ন তুলছেন শিশুটির পরিচয় নিয়ে।পরে শিশুটির পরিচয় ও ক্যাপশনের সত্যতা জানতে এই অভিনেত্রীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। প্রসঙ্গটি না তুলতেই কলটি কেটে দেন তিনি। ফলে রহস্যময় শিশুটিকে ঘিরে তৈরি হওয়া ধোঁয়াশা আরও ঘনীভূত হতে থাকল। যদিও নেটিজেনদের অনুমান ওখানেই আটকে যে- নতুন কোনো সন্তান দত্তক নিলেন পরীমণি।
১ দিন আগে
বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম সালমান শাহ। তিনি যেন আসলেন আর জয় করে নিলেন কোটি ভক্তের হৃদয়। বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের বাঁক ঘোরানো তুমুল জনপ্রিয় অভিনেতা ও ফ্যাশন আইকন ছিলেন সালমান শাহ। ঢালিউড সিনেমার অমর নায়কও তিনি।তার অকালপ্রয়াণের তিন দশক পরও সেই ভালোবাসায় এতটুকু ভাটা পড়েনি। বরং সময়ের সঙ্গে সালমান শাহ হয়ে উঠেছেন বাংলা চলচ্চিত্রের নস্টালজিয়ার অন্যতম নাম। তার সিনেমা মানে নব্বইয়ের দশকের রোমান্টিকতা, তারুণ্যের আবেগ আর দর্শকের ভালোবাসায় ভরা এক স্বর্ণালি অধ্যায়।আজ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এই স্বপ্নের নায়ককে হারানোর ২৯ বছর।মাত্র ২৫ বছর বয়সেই ১৯৯৬ সালের আজকের এই দিনে অসংখ্য ভক্তকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান সালমান শাহ। তার মৃত্যুবার্ষিকী এলেই যেন বিশেষ শহরের দাড়িয়া পাড়ার নানার বাসাতে তার ভক্তদের আসা যাওয়াটা একটু একটু করে বাড়তেই থাকে। কারণ এই বাসাতেই অর্থাৎ এই ‘সালমান শাহ হাউজ’-এ কেটেছে সালমানের ছোটবেলা।দূরন্ত সময়টা তিনি সেখানেই কাটিয়েছেন। জানালেন তার মামা কুমকুম। বাংলাদেশের সিনেমার ইতিহাস সৃষ্টিকারী নায়ক সালমান শাহ। দেখতে দেখতে তার মৃত্যুর ৩০ বছর পেরিয়ে গেছে। মৃত্যুর এত বছর পরও তিনি এখনো আকাশচুম্বী জনপ্রিয়, এখনো দর্শকের প্রিয় নায়ক তিনিই। এখনো টিভি পর্দায় তার সিনেমা প্রচার হলে দর্শক আগ্রহ নিয়ে দেখেন। এখনো তার অভিনীত সিনেমার গান টিভিতে প্রচার হলে দর্শক তা এড়িয়ে যেতে পারেন না। ডিজিটাল ম্যাপ দেখুনএমনও দেখা গেছে পাশাপাশি দুটি চ্যানেলের একটিতে নতুন কোনো সিনেমা প্রচার হচ্ছে, আবার অন্যটিতে সালমান শাহ’র সিনেমা। তখন দর্শক যেন সালমান শাহ’র সিনেমা দেখার প্রতিই বেশি আগ্রহ প্রকাশ করেন। আবার শুধুমাত্র সালমান শাহ’র সিনেমার ক্ষেত্রেই এমন দেখা গেছে যে, সিনেমা প্রচারের সময় নারী পুরুষ দর্শক শুধু সালমান শাহ’র পারফর্ম্যান্সই বেশি উপভোগ করেন। তার সঙ্গে কে আছেন তা কখনোই জরুরি কোনো বিষয় নয় দর্শকের কাছে।মৃত্যুর এত বছর পরও সালমান শুধুমাত্র তার দুর্দান্ত অভিনয় এবং ফ্যাশনে ভিন্নমাত্রা দিয়েই আজো দর্শকের হৃদয়ে গেঁথে আছেন। সবার প্রিয় নায়ক সালমান শাহ’র জন্ম ১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায়। তার পিতার নাম কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মাতা নীলা চৌধুরী। সালমানের দাদার বাড়ি সিলেট শহরের শেখঘাটে আর নানার বাড়ি দারিয়া পাড়ায়।যে বাড়ির নাম এখন ‘সালমান শাহ হাউজ’। তার নানা তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এ অভিনয় করেছিলেন। অভিনয়ে সালমানও তাই সেই নানার কারণেই আসা। স্কুলে পড়ার সময় সালমান বন্ধুমহলে সংগীতশিল্পী হিসেবে বেশ পরিচিত ছিলেন। ১৯৮৬ সালে ছায়ানট থেকে পল্লীগীতিতে পাস করেছিলেন তিনি। চলচ্চিত্রে আসার আগেই ১৯৯২ সালের ১২ আগস্ট বিয়ে করেন। স্ত্রী ছিলেন সামিরা হক।যদিও বা সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমায় অভিনয় করেই আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পান সালমান শাহ। কিন্তু তার আগেই তিনি নাটকে অভিনয় করেন। মঈনুল আহসান সাবেরের লেখা ধারাবাহিক ‘পাথর সময়’-এ একটি চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে সালমান শাহ’র অভিনয় জীবন শুরু হয়। ওই নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে তৌকীর আহমেদ অভিনয় করলেও সালমান শাহ’র চরিত্রটি ছিল যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তীতে আরো বেশকিছু নাটকে অভিনয় করেও দারুণ প্রশংসিত হয়েছিলেন সালমান। সিনেমার পাশাপাশি নাটকেও তার উপস্থিতি দর্শকের মধ্যে ভীষণ সাড়া ফেলেছিল। স্মার্ট টিভি বাছুনযদিও বা মৌসুমীর সঙ্গে সিনেমাতে সালমানের অভিষেক হয়। পরবর্তীতে মৌসুমীর সঙ্গে আরো দুটি সিনেমা ‘স্নেহ’, ‘অন্তরে অন্তরে’তে অভিনয় করলেও আর কোনো সিনেমাতে তাদের দেখা যায়নি। শাবনূরের সঙ্গেই বেশি সিনেমাতে অভিনয় করেছেন সালমান শাহ। যে জুটিকে এখনো সিনেমার অন্যতম সেরা জুটি হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়।সালমান শাহের সঙ্গে জুটি হয়ে আরো অভিনয় করেছিলেন শাবনাজ, শাহনাজ, লিমা, শিল্পী, শ্যামা, সোনিয়া, বৃষ্টি, সাবরিনা ও কাঞ্চি।সালমানের মৃত্যুর এত বছর পরও পরবর্তীতে বাংলা সিনেমাতে অনেক নায়কের আবির্ভাব হলেও অভিনয় আর ফ্যাশন দিয়ে আর কোনো নায়ক আজ পর্যন্ত সালমান শাহর জনপ্রিয়তাকে ছাপিয়ে যেতে পারেনি, অনেক চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিচালকের ভাষ্যমতে সালমান শাহ ছিলেন ধুমকেতুর মতো, এলেন দেখলেন জয় করলেন আবার চলেও গেলেন।কোনো নায়কের মৃত্যুর এতো বছর পরেও ভক্তদের হৃদয়ে এতটা ভালোবাসা নিয়ে বেঁচে থাকার দৃষ্টান্ত পৃথিবীর আর কোনো দেশের কোনো নায়কের ক্ষেত্রে দেখা যায়নি। যে সময়টাতে সালমান চলে গেলেন, সেই সময়টাতে যারা ছোট ছিলেন, তাদের কাছেও ছোটবেলার গল্পের বিষয় ছিলেন সালমান শাহ। তারাও মনে মনে স্বপ্ন দেখেন, ইস! যদি একবার ফিরে আসতেন সালমান শাহ। কিন্তু মৃত্যুই সত্য, যে চলে যাবার সে চলেই যায় আর ফিরে আসেনা কোনোদিন।
২ দিন আগে
ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় জুটি সালমান শাহ ও শাবনূর। পর্দায় তাদের রসায়ন দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল। তবে একসময় তাদের সম্পর্ক নিয়ে বাস্তব জীবনেও নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি ‘শাবনূরকে বিয়ে করেছেন সালমান শাহ’এমন খবরও প্রকাশিত হয়েছিল বিভিন্ন পত্রিকায়।তৎকালীন সেই গুঞ্জনের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছিলেন সালমান শাহ। ১৯৯৬ সালের ১৯ জুলাই ঢাকার একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শাবনূরের সঙ্গে তার বিয়ের খবর নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন তিনি। এ সময় তার পাশে ছিলেন বাবা এ কিউ চৌধুরী।মূলত প্রযোজক সমিতির নিষেধাজ্ঞা এবং নিজের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে অবস্থান জানাতেই ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই শাবনূরের সঙ্গে বিয়ের গুঞ্জনের প্রসঙ্গ ওঠে।সালমান শাহ জানান, কয়েকটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় তাকে ও শাবনূরকে নিয়ে বিয়ের গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তবে বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেন তিনি। শাবনূরকে ছোট বোনের মতো জানেন এবং স্নেহ করেন বলেও জানান এই অভিনেতা। পাশাপাশি নিজের বৈবাহিক অবস্থানও স্পষ্ট করে তিনি বলেন, তিনি বিবাহিত।ছেলের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে শাবনূরকে ঘিরে ছড়ানো গুঞ্জন নিয়ে কথা বলেন সালমান শাহর বাবা এ কিউ চৌধুরীও।তিনি বলেন, আমি আমার সন্তানকে জানি। শাবনূরকেও আমি চিনি। সালমান এ কাজ করতেই পারে না। নিশ্চয়ই কেউ ওর বিরুদ্ধে চক্রান্তে নেমেছে।অর্থাৎ, শাবনূরকে বিয়ে করার যে খবর তখন ছড়িয়েছিল, সেটিকে পুরোপুরি গুজব ও ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখেছিলেন সালমান শাহর বাবা।এর আগে ১৯৯৬ সালের এপ্রিল মাসে প্রযোজক সমিতি সালমান শাহকে দুই সপ্তাহের জন্য এফডিসিতে নিষিদ্ধ করেছিল। আগে জানলে টাকা দিয়ে পুরস্কার কিনতাম এমন একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ওই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল বলে সে সময়ের সংবাদ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
৫ দিন আগে