বাংলাদেশের সংগীতপ্রেমীদের মন মাতাতে আবারও ঢাকায় এসেছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় গায়ক আতিফ আসলাম। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে একটি সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন তিনি। সেখানে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন জনপ্রিয় এ গায়ক।সংবাদ সম্মেলনে এক সংবাদকর্মী আতিফ আসলামের কাছে জানতে চান, বাংলাদেশের খাবার তার কেমন লাগে? কোন খাবার বেশি প্রিয়? জবাবে গায়ক বলেন, ‘খিচুড়ি। আর আপনাদের একটা চা আছে, সেটা খুবই মজা। এছাড়া আপনাদের বিরিয়ানিরও তুলনা হয় না।’ আতিফ আসলাম বলেন, ‘আমি পৃথিবীর যেখানেই যাই, বাংলাদেশের খাবারের প্রশংসা করি। যখনই আমাকে মানুষ জিজ্ঞেস করে, চাইনিজ, থাই এসব খাবার প্রিয় কিনা? আমি সোজা বলে দিই, একবার আপনারা বাংলাদেশ গিয়ে সেখানকার খাবার খেয়ে দেখুন। তারপর আমাকে বলুন।’ বহু বছর আগে একটি সংগীত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লার সঙ্গে অংশ নেন আতিফ। সে প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে আতিফ বলেন, রুনা লায়লা ম্যামের সঙ্গে একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলাম। আমরা দুজনেই বিচারকের আসনে ছিলাম। তো, প্রসঙ্গক্রমে তিনি গান ধরেন ‘ও লাল মেরি’, খুবই জনপ্রিয় গান। অবশ্যই তিনি অসাধারণ শিল্পী, একজন কিংবদন্তি। তার সঙ্গে কাজ করতে পেরে দারুণ লেগেছে। পাকিস্তানের মানুষ আতিফের বাংলাদেশে কোনো আত্মীয় রয়েছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আপনারা সবাই আমার আত্মীয়। আমার কাছে পরিবারের মতোই। তবে হ্যাঁ, আক্ষরিক অর্থে বলতে গেলে এখানে কাজের সুবাদেই টুকটাক পরিচয়। এর বেশি কিছু নেই।’শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে ঢাকার মাদানি এভিনিউর কোর্টসাইডে হবে আতিফ আসলামের কনসার্ট। এতে তিনি ছাড়াও গান পরিবেশনা করবে বাংলাদেশের ব্যান্ড ‘মেঘদল’ ও ‘লেভেল ফাইভ’।
১ দিন আগে
বাংলাদেশের সংগীতপ্রেমীদের মন মাতাতে আবারও ঢাকায় এসেছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় গায়ক আতিফ আসলাম। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে একটি সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন তিনি। সেখানে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন জনপ্রিয় এ গায়ক।সংবাদ সম্মেলনে এক সংবাদকর্মী আতিফ আসলামের কাছে জানতে চান, বাংলাদেশের খাবার তার কেমন লাগে? কোন খাবার বেশি প্রিয়? জবাবে গায়ক বলেন, ‘খিচুড়ি। আর আপনাদের একটা চা আছে, সেটা খুবই মজা। এছাড়া আপনাদের বিরিয়ানিরও তুলনা হয় না।’ আতিফ আসলাম বলেন, ‘আমি পৃথিবীর যেখানেই যাই, বাংলাদেশের খাবারের প্রশংসা করি। যখনই আমাকে মানুষ জিজ্ঞেস করে, চাইনিজ, থাই এসব খাবার প্রিয় কিনা? আমি সোজা বলে দিই, একবার আপনারা বাংলাদেশ গিয়ে সেখানকার খাবার খেয়ে দেখুন। তারপর আমাকে বলুন।’ বহু বছর আগে একটি সংগীত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লার সঙ্গে অংশ নেন আতিফ। সে প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে আতিফ বলেন, রুনা লায়লা ম্যামের সঙ্গে একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলাম। আমরা দুজনেই বিচারকের আসনে ছিলাম। তো, প্রসঙ্গক্রমে তিনি গান ধরেন ‘ও লাল মেরি’, খুবই জনপ্রিয় গান। অবশ্যই তিনি অসাধারণ শিল্পী, একজন কিংবদন্তি। তার সঙ্গে কাজ করতে পেরে দারুণ লেগেছে। পাকিস্তানের মানুষ আতিফের বাংলাদেশে কোনো আত্মীয় রয়েছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আপনারা সবাই আমার আত্মীয়। আমার কাছে পরিবারের মতোই। তবে হ্যাঁ, আক্ষরিক অর্থে বলতে গেলে এখানে কাজের সুবাদেই টুকটাক পরিচয়। এর বেশি কিছু নেই।’শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে ঢাকার মাদানি এভিনিউর কোর্টসাইডে হবে আতিফ আসলামের কনসার্ট। এতে তিনি ছাড়াও গান পরিবেশনা করবে বাংলাদেশের ব্যান্ড ‘মেঘদল’ ও ‘লেভেল ফাইভ’।
১ দিন আগে
দিল্লিতে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। সম্প্রতি এক পোস্টে ভারত সরকারের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানান তিনি। পোস্টটি প্রকাশের পর নেটিজেনদের একাংশ অভিযোগ করেন, নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী কথা বলেছেন প্রীতি। সমালোচনার মুখে চুপ থাকার পাত্রী নন অভিনেত্রী। সমালোচকদের কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছেন এই তারকা।প্রীতি তাঁর পোস্টে লেখেন, ‘শিক্ষার্থীদের সমর্থন করা এবং শিক্ষার সংস্কার দাবি করা অত্যন্ত জরুরি, যা তরুণদের ভবিষ্যতের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন যেন কোনো দেশবিরোধী গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে, সেদিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।’শিক্ষার্থীদের ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘অনলাইনে এত ঘৃণা ও বিভাজন দেখে আমার মনে প্রশ্ন জাগছে— দেশের ভেতরের ও বাইরের কিছু অপশক্তি কি আমাদের শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ও হতাশাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে কাজ করা শুরু করেছে?’সরকারের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রীতি লেখেন, ‘আমি সবসময় কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাস করি। পাশাপাশি আমাদের গণতন্ত্র, আইনশৃঙ্খলা এবং সরকারের ওপর আস্থা রাখি। তাই আন্তরিকভাবে আশা করি, উভয় পক্ষ অর্থপূর্ণ ও গঠনমূলক আলোচনায় বসবে। আন্দোলনের মাধ্যমে যেকোনো ধরনের অপশক্তিকে ছেঁটে ফেলতে হবে, যাতে আমাদের যুবসমাজ ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হয়। জয় হিন্দ।’পোস্টটি প্রকাশের পর মন্তব্যের ঘরে ক্ষোভ উগরে দেন নেটিজেনরা। একজন লেখেন, ‘বিজেপির কাছ থেকে কি স্ক্রিপ্ট পেয়েছেন?’ জবাবে কড়া ভাষায় প্রীতি লেখেন, ‘না। আমি আমার স্ক্রিপ্ট নিজেই লিখি। আপনার মন্তব্যে আমি মজা পেতে পারতাম, কিন্তু আপনি তো বানানটাই ঠিকমতো লিখতে পারেননি! তাই আপনি চুপ থাকুন।’অন্য একজন লেখেন, ‘স্ক্রিপ্ট পেয়ে গেছেন?’ পাল্টা জবাবে প্রীতি বলেন, ‘স্ক্রিপ্ট চলচ্চিত্রে পাওয়া যায়, বাস্তব জীবনে নয়! এটা আপনার তথ্যের জন্য জানিয়ে রাখলাম।’দীর্ঘদিন পর শিগগির বড়পর্দায় ফিরছেন প্রীতি। সানি দেওল ও শাবানা আজমির সঙ্গে ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ সিনেমার মাধ্যমে প্রত্যাবর্তন করবেন তিনি।
১ দিন আগে
দিল্লিতে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। সম্প্রতি এক পোস্টে ভারত সরকারের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানান তিনি। পোস্টটি প্রকাশের পর নেটিজেনদের একাংশ অভিযোগ করেন, নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী কথা বলেছেন প্রীতি। সমালোচনার মুখে চুপ থাকার পাত্রী নন অভিনেত্রী। সমালোচকদের কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছেন এই তারকা।প্রীতি তাঁর পোস্টে লেখেন, ‘শিক্ষার্থীদের সমর্থন করা এবং শিক্ষার সংস্কার দাবি করা অত্যন্ত জরুরি, যা তরুণদের ভবিষ্যতের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন যেন কোনো দেশবিরোধী গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে, সেদিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।’শিক্ষার্থীদের ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘অনলাইনে এত ঘৃণা ও বিভাজন দেখে আমার মনে প্রশ্ন জাগছে— দেশের ভেতরের ও বাইরের কিছু অপশক্তি কি আমাদের শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ও হতাশাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে কাজ করা শুরু করেছে?’সরকারের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রীতি লেখেন, ‘আমি সবসময় কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাস করি। পাশাপাশি আমাদের গণতন্ত্র, আইনশৃঙ্খলা এবং সরকারের ওপর আস্থা রাখি। তাই আন্তরিকভাবে আশা করি, উভয় পক্ষ অর্থপূর্ণ ও গঠনমূলক আলোচনায় বসবে। আন্দোলনের মাধ্যমে যেকোনো ধরনের অপশক্তিকে ছেঁটে ফেলতে হবে, যাতে আমাদের যুবসমাজ ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হয়। জয় হিন্দ।’পোস্টটি প্রকাশের পর মন্তব্যের ঘরে ক্ষোভ উগরে দেন নেটিজেনরা। একজন লেখেন, ‘বিজেপির কাছ থেকে কি স্ক্রিপ্ট পেয়েছেন?’ জবাবে কড়া ভাষায় প্রীতি লেখেন, ‘না। আমি আমার স্ক্রিপ্ট নিজেই লিখি। আপনার মন্তব্যে আমি মজা পেতে পারতাম, কিন্তু আপনি তো বানানটাই ঠিকমতো লিখতে পারেননি! তাই আপনি চুপ থাকুন।’অন্য একজন লেখেন, ‘স্ক্রিপ্ট পেয়ে গেছেন?’ পাল্টা জবাবে প্রীতি বলেন, ‘স্ক্রিপ্ট চলচ্চিত্রে পাওয়া যায়, বাস্তব জীবনে নয়! এটা আপনার তথ্যের জন্য জানিয়ে রাখলাম।’দীর্ঘদিন পর শিগগির বড়পর্দায় ফিরছেন প্রীতি। সানি দেওল ও শাবানা আজমির সঙ্গে ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ সিনেমার মাধ্যমে প্রত্যাবর্তন করবেন তিনি।
১ দিন আগে