বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ও বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ড শাওমি বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নতুন স্মার্টফোন রেডমি ১৭ উন্মোচন করেছে। ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনীয় মুহূর্তে নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে ডিভাইসটি তৈরি করা হয়েছে। ডিভাইসে ৭,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ব্যাটারি ও কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭আই ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাটারি সহনশীলতা ও স্থায়িত্বকে আরও সমৃদ্ধ করবে। এছাড়াও, স্মার্টফোনে প্রিমিয়াম লুক দেওয়ার জন্য ডায়নামিক আরজিবি লাইট ব্যবহার করা হয়েছে।প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনের সাথে তালমিলিয়ে চলতে, রেডমি ১৭-এ ৭,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ও এই সেগমেন্টের শক্তিশালী ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের নির্বিঘ্নে ভিডিও স্ট্রিম, অনলাইন ক্লাস ও গেমিংয়ের সুবিধা নিশ্চিত করবে। একইসাথে, ডিভাইসটি একবার ফুল চার্জে ব্যবহারকারীদের দুই দিনেরও বেশি সময় পর্যন্ত কানেক্টেড রাখতে সক্ষম হবে। এছাড়াও, স্মার্টফোনটিতে ৪৫ ওয়াট টার্বো চার্জিংয়ের সুবিধা রয়েছে, যা ৪৫ মিনিটে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ সম্পন্ন করে। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের সময় বাঁচার পাশাপাশি, তারা ঘন ঘন চার্জিংয়ের দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।রেডমি ১৭-এ ৬.৯ ইঞ্চির ডিসপ্লের পাশাপাশি, ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট ব্যবহার করা হয়েছে, যা স্ক্রলিং, ব্রাউজিং ও বিনোদনের ক্ষেত্রে অনবদ্য ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। প্রতিদিনের অনাকাঙ্ক্ষিত স্ক্র্যাচ ও ড্রপ থেকে ফোনকে সুরক্ষিত রাখতে এর ডিসপ্লেতে শক্তিশালী কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭আই ব্যবহার করা হয়েছে।স্মার্টফোনে শক্তিশালী মিডিয়াটেক হেলিও জি৯১-আলট্রা প্রসেসর ও শাওমি হাইপারওএস ৩ ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রতিদিনের ব্যবহার, বিনোদন ও মাল্টিটাস্কিংয়ে চার বছর পর্যন্ত স্মুথ ও নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, রেডমি ১৭-এ ৫০ মেগাপিক্সেল এআই ডুয়েল ক্যামেরা সিস্টেম রয়েছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা প্রতিদিনের অর্থবহ মুহূর্তগুলো ধারণ করতে পারবেন। এছাড়াও, ডিভাইসকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলতে এতে আইপি৬৪ ডাস্ট অ্যান্ড স্প্ল্যাশ রেজিজট্যান্স রেটিং ব্যবহার করা হয়েছে।এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “বর্তমান প্রজন্মের ব্যবহারকারীদের জন্য একটি শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে রেডমি ১৭ তৈরি করা হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ, কর্নিং গরিলা গ্লাস প্রোটেকশন, ফাস্ট চার্জিং, টেকসই ফিচার, নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী পারফরম্যান্স এবং প্রিমিয়াম ডিজাইনের সমন্বয়ে এই ডিভাইস তৈরি করা হয়েছে; যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এখনকার দ্রুততম লাইফস্টাইলের সাথে তালমিলিয়ে চলতে পারবেন; এবং একইসাথে, কোনোপ্রকার ছাড় না দিয়েও প্রতিদিনের কাজ আত্মবিশ্বাসের সাথে সম্পন্ন করতে পারবেন।”ওক গ্রিন, ডিপ ব্লু, ও ব্ল্যাক, এই তিনটি অনন্য রঙে পাওয়া যাচ্ছে রেডমি ১৭। ডিভাইসটি ৪ জিবি + ১২৮ জিবি ও ৬ জিবি + ১২৮ জিবি, দুইটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে, যার দাম ২২, ৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য) ও ২৪,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য) টাকা মাত্র।অনবদ্য ব্যাটারি সক্ষমতা, ফাস্ট চার্জিং, নির্ভরযোগ্য স্থায়িত্ব ও প্রতিদিনের স্মুথ পারফরম্যান্সের নিশ্চিত করতে তৈরি রেডমি ১৭ এখন দেশজুড়ে সকল শাওমি অথোরাইজড স্টোর ও রিটেইল পার্টনারদের কাছে পাওয়া যাচ্ছে।আরও বিস্তারিত জানতে https://www.mi.com/bd/ ভিজিট করুন বা শাওমি বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/XiaomiBangladesh ফলো করুন।
২ দিন আগে
উত্তর গোলার্ধের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বুধবার (১২ আগস্ট) ঘটতে যাচ্ছে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। বিশ্বের প্রায় ১০০ কোটি মানুষ এই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখার সুযোগ পেলেও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশসহ এশিয়ার বড় একটি অংশ থেকে এটি দেখা যাবে না।জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের পথ আর্কটিক অঞ্চল থেকে শুরু হয়ে গ্রিনল্যান্ড ও আইসল্যান্ডের ওপর দিয়ে স্পেন পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। স্পেনের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সূর্য প্রায় ২ মিনিট ১৮ সেকেন্ডের জন্য চাঁদের ছায়ায় পুরোপুরি ঢেকে যাবে।এ ছাড়া লন্ডন, প্যারিসসহ পশ্চিম ইউরোপ, উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকা এবং উত্তর আমেরিকার কিছু অঞ্চল থেকে গ্রহণটির আংশিক দৃশ্য দেখা যাবে। তবে বাংলাদেশ সূর্যগ্রহণের দৃশ্যমান সীমানার বাইরে থাকায় দেশের আকাশে এদিন গ্রহণের কোনো দৃশ্য দেখা যাবে না।জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঢাকা থেকে পরবর্তী সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে ২০২৭ সালের ২ আগস্ট। তবে সেটিও হবে আংশিক সূর্যগ্রহণ এবং এর সর্বোচ্চ পর্যায়ে সূর্যের মাত্র ৩ দশমিক ৩ শতাংশ অংশ চাঁদের আড়ালে থাকবে। ওই দিন স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১২ মিনিটে ঢাকায় গ্রহণটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে।আগামী দুই দশকে ঢাকা থেকে আরও কয়েকটি আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। এর মধ্যে ২০৩৪ সালের ২০ মার্চের গ্রহণটি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। ওই দিন ঢাকার আকাশে সূর্যের প্রায় ৫৮ শতাংশ অংশ চাঁদের আড়ালে চলে যাবে। এছাড়া ২০৩১ সালে প্রায় ৪২ শতাংশ, ২০৩৫ সালে ৪৩ শতাংশ এবং ২০৪২ সালে প্রায় ৪৫ শতাংশ সূর্য ঢেকে যেতে দেখা যাবে।বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ১২ আগস্টের বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ ঘিরে জ্যোতির্বিজ্ঞানপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। তবে বাংলাদেশিদের এই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগামী বছরের আগস্ট পর্যন্ত।
৩ দিন আগে
আগামী বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে মনিটাইজেশনে নতুন নিয়ম আনতে চলেছে ইউটিউব। নতুন নিয়মে বিজ্ঞাপন ও ইউটিউব প্রিমিয়াম থেকে আয় করতে আগের তুলনায় দ্বিগুণ দর্শকসংখ্যা বা দেখার সময় প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মটি। ফলে ২০২৭ সাল ইউটিউব নির্মাতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বছর হতে যাচ্ছে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিজ্ঞাপনের আয় পেতে গত এক বছরে অন্তত ৮ হাজার ঘণ্টা ভিডিও দেখার সময় থাকতে হবে। এছাড়া বিকল্প হিসেবে গত ৯০ দিনে ২ কোটি যোগ্য শর্টস ভিডিও ভিউ থাকতে হবে। বর্তমানে এই সীমা ৪ হাজার ঘণ্টা ওয়াচটাইম এবং ৯০ দিনে ১ কোটি শর্টস ভিউ। তবে সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা অন্তত ১ হাজার থাকার শর্ত আগের মতোই বহাল থাকছে।এতে নতুন নির্মাতাদের পাশাপাশি পূর্বে ইউটিউবের মনিটাইজেশন থাকা নির্মাতাদের ওপরও নতুন নিয়মের প্রভাব পড়বে। শর্টস ভিডিও থেকে প্রতি মাসে বিজ্ঞাপন ও সাবস্ক্রিপশন আয় পেতে ৯০ দিনের মধ্যে অন্তত ১ কোটি যোগ্য ভিউ ধরে রাখতে হবে। কোনো চ্যানেলের শর্টস ভিউ এই সীমার নিচে নেমে গেলে শর্টস থেকে আয় বন্ধ হয়ে যাবে। তবে চ্যানেলটি মনিটাইজেশনের আওতায় থাকবে। পরবর্তীতে ভিউ আবার নির্ধারিত সীমায় পৌঁছালে শর্টস থেকে আয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যাবে।ইউটিউব জানিয়েছে, যারা ইতিমধ্যে শর্টস থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আয় করছেন, তাদের ওপর নতুন নিয়মের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। তবে কতগুলো চ্যানেল নতুন নির্ধারিত সীমার নিচে রয়েছে, সে সংখ্যা জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি। তবে ছোট নির্মাতাদের জন্যও কিছু সুবিধা রাখছে ইউটিউব। ইউটিউব শপিং, ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ এবং জনপ্রিয় নতুন ধারা তৈরির জন্য অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব সুবিধার অর্থের পরিমাণ ও বিস্তারিত নিয়ম এখনো জানায়নি ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মটি।যেভাবে ইউটিউব মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করবেনতবে আশার কথা হলো- কম স্তরের বেলায় মনিটাইজেশনের শর্তে কোনো পরিবর্তন আসছে না। ৫০০ গ্রাহক, ৯০ দিনে অন্তত তিনটি প্রকাশিত ভিডিও এবং ৩ হাজার ঘণ্টা ভিডিও দেখার সময় বা ৩০ লাখ শর্টস ভিউ থাকলে নির্মাতারা এই কর্মসূচির প্রাথমিক স্তরে যুক্ত হতে পারবেন। তবে এই স্তরে বিজ্ঞাপন বা ইউটিউব প্রিমিয়াম থেকে আয় করা যাবে না।ইউটিউব প্রিমিয়াম লাইট নিয়েও নতুন পরিকল্পনা রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। যেসব দেশে ইউটিউব প্রিমিয়াম চালু আছে, সেসব দেশে প্রিমিয়াম লাইট চালুর পরিকল্পনা করছে ইউটিউব। এই সেবার গ্রাহকদের সাবস্ক্রিপশন আয়ের একটি অংশ নির্মাতাদের জন্য রাখা হবে। ইউটিউব জানিয়েছে, প্রিমিয়াম লাইট থেকে পাওয়া নিট সাবস্ক্রিপশন আয়ের ৬০ শতাংশ নির্মাতাদের জন্য নির্ধারিত তহবিলে যাবে। পূর্ণ ইউটিউব প্রিমিয়ামের ক্ষেত্রে এই হার ৩০ শতাংশ। দর্শকেরা কোন নির্মাতার ভিডিও কতটা দেখছেন, তার ওপর ভিত্তি করে অর্থ বণ্টন করা হবে।উল্লেখ্য, গত ২০১৮ সালের পর এবারই প্রথম বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে প্ল্যাটফর্মটি। বিশেষ করে ছোট ভিডিও বা শর্টসের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে প্রতিদিন ইউটিউবে ২০ হাজার কোটির বেশি শর্টস দেখা হয়। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ৭ হাজার কোটি।তথ্যসূত্র: ইউটিউব অফিসিয়াল ব্লগ।
৪ দিন আগে
বর্তমানে স্মার্ট ফোন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু অনেকেই না বুঝেই ফোনে গুচ্ছ গুচ্ছ অ্যাপ ইনস্টল করে ফেলেন। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে পাওয়া গেলেই যে অ্যাপটি নিরাপদ- তা কিন্তু নয়। কোন অ্যাপ প্রয়োজনীয়, আর কোনটি থেকে বিপদ ঘটতে পারে, তা বোঝা খুবই জরুরি।সম্প্রতি এমন কিছু অ্যাপের তালিকা প্রকাশ হয়েছে, যেগুলো দ্রুত ফোন থেকে রিমুভ করার জন্য ব্যবহারকারীদের সতর্ক করা হয়েছে। কারণ এই অ্যাপগুলো হ্যাকারদের হাতে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য তুলে দিতে পারে এবং আপনার ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণও হারানোর ঝুঁকি থাকে। ফলে এ সব অ্যাপ অতি দ্রুত মুছে ফেলার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এমন অনেক ভুয়ো অ্যাপ নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে রয়েছে যেগুলি একঝলক দেখলে বোঝার উপায় নেই যে, আসল না নকল। আর সেই সব অ্যাপের মাধ্যমেই ক্ষতিকর ম্যালঅয়্যার ছড়িয়ে দিচ্ছে হ্যাকারেরা। না বুঝে এমন কোনো অ্যাপ ইনস্টল করে ফেললেই আপনার ফোন বা ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ অন্যের হাতে চলে যেতে পারে। ফলে এ সব অ্যাপের মাধ্যমে গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য যে কোনো মুহূর্তে বেহাত হয়ে যেতে পারে।কোন কোন অ্যাপ ক্ষতিকারক?১. সেক্স ক্র্যাপ্তকাররেন্সি অ্যাপএই অ্যাপটি এখন পর্যন্ত গুগল প্লে স্টোর থেকে অন্তত ১০ হাজার বার ডাউনলোড হয়েছে। যদিও এটি দেখতে একটি সাধারণ ক্রিপ্টো অ্যাপের মতো, কিন্তু বাস্তবে এটি একটি ম্যালওয়্যার।সাইবার বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এটি ব্যবহারকারীদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলার জন্য তৈরি।২. টিকটক ক্লোন অ্যাপএটি আসল টিকটক নয়, এর নকল সংস্করণ! অনেকেই না বুঝে এটি ইনস্টল করে ফেলেছেন। এই অ্যাপটি আপনার ব্যাঙ্ক ও অনলাইন লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য হ্যাক করে ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সাইবার নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ।৩. হোয়াটসঅ্যাপ স্টিকার মেকার ও আর্ট ফিল্টারএই দুই অ্যাপও ক্ষতিকর। এগুলোর মাধ্যমে আপনার ফোনের ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও, লোকেশন বা কনট্যাক্ট লিস্ট চুরি হয়ে যেতে পারে। এরই মধ্যে এই অ্যাপগুলোতে ম্যালওয়্যারের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে।৪. জিপিএস লোকেশন ফাইন্ডার, আর্ট গার্লস ওয়ালপেপার এইচডি, স্মার্ট কিউআর ক্রিয়েটরএই অ্যাপগুলোও ভীষণভাবে বিপজ্জনক। এগুলোর মাধ্যমে ফোনে ম্যালওয়্যার প্রবেশ করে আপনার ওপর নজরদারি চালানো হতে পারে।নতুন কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার আগে যেসব বিষয়গুলো খেয়াল রাখা প্রয়োজন.নতুন যে কোনও অ্যাপ ইনস্টল করার আগে দেখে নিতে হবে, সেই অ্যাপটির উৎস কী। অর্থাৎ ডেভেলপারের নাম, তৈরির সময় আর কী কী ফিচার রয়েছে। অনেক সময়ে একই নামে একাধিক অ্যাপ থাকে প্লে স্টোরে। সে ক্ষেত্রে দেখে নিতে হবে, ব্যবহারকারীরা কী মতামত দিচ্ছেন, কত বার অ্যাপটি ইনস্টল করা হয়েছে, কোনো আপত্তিকর ছবি বা ভিডিও লিঙ্ক এর সঙ্গে রয়েছে কি না। তেমন হলে সতর্ক হতে হবে। অ্যাপটি ইনস্টল করার সময়ে যদি দেখেন আপনার ফোনের অডিও, ভিডিও, ক্যামেরা, লোকেশন ও আরও কিছু ব্যক্তিগত তথ্যের অনুমতি চাইছে, তা হলে সেই অ্যাপটি ইনস্টল করবেন না।
৬ দিন আগে