ঢাকা টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ০২:১১:০০
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ওল কচুর যত গুণ
গলা চুলকানোর ভয়ে অনেকেই ওল কচু খেতে চান না। তবে সঠিকভাবে রান্না করলে এই পরিচিত কন্দজাতীয় সবজি শরীরের জন্য নানা উপকারে আসতে পারে। হজমের সমস্যা থেকে শুরু করে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ—ওল কচুর রয়েছে নানা গুণ।
বাঙালির খাদ্যতালিকায় পরিচিত একটি সবজি হলো ওল কচু। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই খাবারটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি শরীর সুস্থ রাখতেও নানা ভাবে সাহায্য করতে পারে। গলায় অস্বস্তির কারণে অনেকেই এটি এড়িয়ে চললেও সঠিক নিয়মে রান্না করলে সেই সমস্যা কমানো সম্ভব।
বিশেষ করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ওল কচু উপকারী হতে পারে বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া রয়েছে আরও কয়েকটি উপকার।
হজমে সাহায্য করে
ওল কচুতে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য আঁশ রয়েছে। এটি হজমে সাহায্য করে এবং পরিপাকতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও কমাতে সহায়ক হতে পারে এই সবজি।
অর্শের অস্বস্তি কমাতে পারে
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমলে অর্শের অস্বস্তিও কমতে পারে। ওল কচু খেলে মল নরম হতে সাহায্য করে, ফলে অর্শের যন্ত্রণা ও অস্বস্তি থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে।
হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সহায়ক
ওল কচুতে থাকা উপকারী চর্বিজাতীয় উপাদান ও রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। এ ছাড়া এতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে উপকারী
ওল কচুর শর্করা বৃদ্ধির সূচক তুলনামূলক কম। এতে থাকা কিছু পুষ্টি উপাদান শরীরে ইনসুলিন উৎপাদনে সাহায্য করতে পারে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা সহজে বাড়ে না। এ কারণে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ওল কচু উপকারী হতে পারে।
বাড়াতে পারে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
ওল কচুতে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ছয় এবং তামা। এসব উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে থাকা প্রদাহনাশক উপাদান শরীরের প্রদাহ কমাতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
গলা চুলকানো এড়াতে যা করবেন
ওল কচুতে থাকা ক্যালসিয়াম অক্সালেটের কারণে অনেকের গলায় চুলকানি বা অস্বস্তি হতে পারে। তবে রান্নার সময় লেবুর রস বা তেঁতুল ব্যবহার করলে এবং ভালোভাবে সেদ্ধ করে রান্না করলে এই সমস্যা কমানো সম্ভব।