২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আজ রাতে মুখোমুখি হওয়ার কথা ফুটবল পরাশক্তি ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ডের। মায়ামির ঐতিহ্যবাহী হার্ড রক স্টেডিয়ামে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটি ঘিরে যখন বিশ্বজুড়ে কোটি ফুটবলপ্রেমীর উন্মাদনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই মায়ামির আকাশে ঘনিয়ে এসেছে বৈরী আবহাওয়ার কালো মেঘ। তীব্র বজ্রঝড়ের আশঙ্কায় ম্যাচটি মাঠেড়ানো নিয়ে এক চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় রেফরির বাঁশি বাজার কথা থাকলেও আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, ঠিক ওই সময়েই স্টেডিয়াম ও এর আশপাশের এলাকায় হানা দিতে পারে প্রবল বজ্রঝড়। ফলে ম্যাচটি শুরু হতেই কেবল বিলম্ব হবে না, বরং খেলা চলাকালেও যেকোনো সময় তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্তা সংস্থা ফিফার কঠোর নিয়ম অনুযায়ী, স্টেডিয়ামের ৮ মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে বজ্রপাত শনাক্ত হওয়া মাত্রই খেলা স্থগিত করতে হয়। শুধু তাই নয়, শেষ বজ্রপাতের পর আকাশ শান্ত হলেও অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ম্যাচটি লম্বা সময়ের জন্য ঝুলে যেতে পারে।চলতি বিশ্বকাপেই অবশ্য এমন নাটকীয় পরিস্থিতি একবার দেখা গেছে। ফিলাডেলফিয়ায় ফ্রান্স ও ইরাকের মধ্যকার ম্যাচটি বজ্রঝড়ের কারণে দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখতে হয়েছিল। পরবর্তীতে আকাশ পরিষ্কার হলে ফুটবলাররা নতুন করে ওয়ার্মআপ বা গা গরম করে মাঠে নেমেছিলেন।আজকের ম্যাচে সম্ভাব্য এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মাথায় রেখেই নিজেদের পরিকল্পনা সাজিয়েছে স্কটল্যান্ড। দলের প্রধান কোচ স্টিভ ক্লার্ক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ম্যাচ বিলম্ব হলে মানসিক ও কৌশলগতভাবে তা কীভাবে সামলাতে হবে, সেই বিশেষ ছক তাদের রয়েছে। পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, তার দল মাঠের লড়াইয়ের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। গ্রুপ 'সি' থেকে নকআউটের টিকিট কাটতে স্কটল্যান্ডের এই ম্যাচ থেকে অন্তত ১টি পয়েন্ট প্রয়োজন। তবে হেরে গেলেও তারা পুরোপুরি বিদায় নেবে না, সেক্ষেত্রে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ম্যাচগুলোর সমীকরণের দিকে।অন্যদিকে, ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এই ম্যাচের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো ইনজুরির ধাক্কা সামলে সেলেসাওদের সেরা তারকা নেইমারের মাঠে ফেরার তীব্র সম্ভাবনা। নেইমার ম্যাজিক দেখার জন্য যখন কোটি চোখ আজ রাতে মায়ামির দিকে নিবদ্ধ, তখন স্কটল্যান্ড শিবিরে রয়েছে ইনজুরির ধাক্কা; এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তারা পাচ্ছে না নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার অ্যারন হিকিকে। সব মিলিয়ে, আজ মাঠের ভেতরের ফুটবল লড়াইয়ের চেয়েও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রকৃতির খামখেয়ালিপনা। আকাশ পরিষ্কার থাকলে দর্শকরা পাবেন এক জমজমাট ফুটবল যুদ্ধ, আর বজ্রঝড় নামলে ফুটবলার ও সমর্থকদের পোহাতে হবে দীর্ঘ অপেক্ষার প্রহর।
চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ে এসে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে বেইজিংয়ের চাউমিং রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছান তিনি। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।চীনের ‘জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমস’ (জিএসিসি)-এর মন্ত্রী এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কমিটির সেক্রেটারি সুন মেইজুন রেলওয়ে স্টেশনে তারেক রহমানকে অভ্যর্থনা জানান।এসময় শিশু-কিশোররা প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণীর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেয়। আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি চাউমিং রেলওয়ে স্টেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।রেলস্টেশন থেকে থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রা সহকারে চীনের দিয়াওইউতাই গেস্ট হাউসে (রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন) নিয়ে যাওয়া হয়। বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণীসহ সফর সঙ্গীরা এই গেস্ট হাউসেই থাকবেন।এর আগে স্থানীয় সময় বেলা ১টা ৫৮ মিনিটে দালিয়ান উত্তর রেলওয়ে স্টেশন থেকে হাই স্পিড ট্রেনযোগে (বুলেট ট্রেন) বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন- পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি প্রমুখ।বেইজিংয়ে আসার আগে সকালে চীনের দালিয়ানে 'ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে' স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোসে’ বার্ষিক সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।সোমবার মালয়েশিয়ায় দুইদিনের সফর শেষ করে সফরসঙ্গীদের নিয়ে চীনের দালিয়ানে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার প্রধানের দায়িত্ব নিয়ে মালয়েশিয়া ও চীনে এটা তার প্রথম সফর।
চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ে এসে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে বেইজিংয়ের চাউমিং রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছান তিনি। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।চীনের ‘জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমস’ (জিএসিসি)-এর মন্ত্রী এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কমিটির সেক্রেটারি সুন মেইজুন রেলওয়ে স্টেশনে তারেক রহমানকে অভ্যর্থনা জানান।এসময় শিশু-কিশোররা প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণীর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেয়। আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি চাউমিং রেলওয়ে স্টেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।রেলস্টেশন থেকে থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রা সহকারে চীনের দিয়াওইউতাই গেস্ট হাউসে (রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন) নিয়ে যাওয়া হয়। বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণীসহ সফর সঙ্গীরা এই গেস্ট হাউসেই থাকবেন।এর আগে স্থানীয় সময় বেলা ১টা ৫৮ মিনিটে দালিয়ান উত্তর রেলওয়ে স্টেশন থেকে হাই স্পিড ট্রেনযোগে (বুলেট ট্রেন) বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন- পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি প্রমুখ।বেইজিংয়ে আসার আগে সকালে চীনের দালিয়ানে 'ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে' স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোসে’ বার্ষিক সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।সোমবার মালয়েশিয়ায় দুইদিনের সফর শেষ করে সফরসঙ্গীদের নিয়ে চীনের দালিয়ানে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার প্রধানের দায়িত্ব নিয়ে মালয়েশিয়া ও চীনে এটা তার প্রথম সফর।
২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আজ রাতে মুখোমুখি হওয়ার কথা ফুটবল পরাশক্তি ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ডের। মায়ামির ঐতিহ্যবাহী হার্ড রক স্টেডিয়ামে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটি ঘিরে যখন বিশ্বজুড়ে কোটি ফুটবলপ্রেমীর উন্মাদনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই মায়ামির আকাশে ঘনিয়ে এসেছে বৈরী আবহাওয়ার কালো মেঘ। তীব্র বজ্রঝড়ের আশঙ্কায় ম্যাচটি মাঠেড়ানো নিয়ে এক চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় রেফরির বাঁশি বাজার কথা থাকলেও আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, ঠিক ওই সময়েই স্টেডিয়াম ও এর আশপাশের এলাকায় হানা দিতে পারে প্রবল বজ্রঝড়। ফলে ম্যাচটি শুরু হতেই কেবল বিলম্ব হবে না, বরং খেলা চলাকালেও যেকোনো সময় তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্তা সংস্থা ফিফার কঠোর নিয়ম অনুযায়ী, স্টেডিয়ামের ৮ মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে বজ্রপাত শনাক্ত হওয়া মাত্রই খেলা স্থগিত করতে হয়। শুধু তাই নয়, শেষ বজ্রপাতের পর আকাশ শান্ত হলেও অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ম্যাচটি লম্বা সময়ের জন্য ঝুলে যেতে পারে।চলতি বিশ্বকাপেই অবশ্য এমন নাটকীয় পরিস্থিতি একবার দেখা গেছে। ফিলাডেলফিয়ায় ফ্রান্স ও ইরাকের মধ্যকার ম্যাচটি বজ্রঝড়ের কারণে দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখতে হয়েছিল। পরবর্তীতে আকাশ পরিষ্কার হলে ফুটবলাররা নতুন করে ওয়ার্মআপ বা গা গরম করে মাঠে নেমেছিলেন।আজকের ম্যাচে সম্ভাব্য এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মাথায় রেখেই নিজেদের পরিকল্পনা সাজিয়েছে স্কটল্যান্ড। দলের প্রধান কোচ স্টিভ ক্লার্ক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ম্যাচ বিলম্ব হলে মানসিক ও কৌশলগতভাবে তা কীভাবে সামলাতে হবে, সেই বিশেষ ছক তাদের রয়েছে। পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, তার দল মাঠের লড়াইয়ের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। গ্রুপ 'সি' থেকে নকআউটের টিকিট কাটতে স্কটল্যান্ডের এই ম্যাচ থেকে অন্তত ১টি পয়েন্ট প্রয়োজন। তবে হেরে গেলেও তারা পুরোপুরি বিদায় নেবে না, সেক্ষেত্রে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ম্যাচগুলোর সমীকরণের দিকে।অন্যদিকে, ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এই ম্যাচের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো ইনজুরির ধাক্কা সামলে সেলেসাওদের সেরা তারকা নেইমারের মাঠে ফেরার তীব্র সম্ভাবনা। নেইমার ম্যাজিক দেখার জন্য যখন কোটি চোখ আজ রাতে মায়ামির দিকে নিবদ্ধ, তখন স্কটল্যান্ড শিবিরে রয়েছে ইনজুরির ধাক্কা; এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তারা পাচ্ছে না নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার অ্যারন হিকিকে। সব মিলিয়ে, আজ মাঠের ভেতরের ফুটবল লড়াইয়ের চেয়েও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রকৃতির খামখেয়ালিপনা। আকাশ পরিষ্কার থাকলে দর্শকরা পাবেন এক জমজমাট ফুটবল যুদ্ধ, আর বজ্রঝড় নামলে ফুটবলার ও সমর্থকদের পোহাতে হবে দীর্ঘ অপেক্ষার প্রহর।
ভারতের মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা ‘পদ্ম পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে বসেছিল তারকার মেলা। গত মঙ্গলবার (২৩ জুন)দিল্লিতে ঝমকালো অনুষ্ঠানে সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়িকা অলকা ইয়াগনিককে ‘পদ্মভূষণ’ সম্মানে ভূষিত করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তবে পুরস্কার প্রাপ্তির আনন্দের মাঝে গায়িকার শারীরিক অবস্থা দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনুরাগীরা।সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অনুষ্ঠানের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অলকা ইয়াগনিক শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ। একা হেঁটে মঞ্চে যাওয়ার মতো শক্তি পাচ্ছিলেন না। পরে একজন নারী স্বেচ্ছাসেবী এগিয়ে এসে তাঁকে ধরে মঞ্চের দিকে নিয়ে যান। ২০২৪ সালে অলকা ‘সেন্সোরিনিউরাল হিয়ারিং লস’ (শ্রবণশক্তি হ্রাস পাওয়া) নামক একটি বিরল রোগে আক্রান্ত হন। এই সমস্যার কারণে তাঁর কানের কার্যক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে বর্তমানে গান গাওয়া বন্ধ রেখেছেন। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে অলকা জানিয়েছিলেন, সুরকারেরা এখনও তাঁকে গানের প্রস্তাব দেন। কিন্তু অসুস্থতার কারণে কোনো কাজ নিতে পারছেন না।নব্বই এবং দুই হাজার দশকের শুরুর দিকে ভারতীয় চলচ্চিত্র সংগীতের একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল অলকা ইয়াগনিকের। দীর্ঘ চার দশকের ক্যারিয়ারে তিনি উপহার দিয়েছেন হাজারো কালজয়ী গান। ‘রাজা হিন্দুস্তানি’, ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘কাহো না পেয়ার হ্যায়’ থেকে শুরু করে অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমার গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি এখন পর্যন্ত রেকর্ড সংখ্যক ৭ বার শ্রেষ্ঠ নারী প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে ‘ফিল্মফেয়ার পুরস্কার’ এবং ২ বার ভারতের ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ পেয়েছেন।
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়েছে। বেড়ে এখন ৩৬ হাজার ১০৩ দশমিক ৮৯ মিলিয়ন বা ৩৬ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, ২৪ জুন পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ১০৩ দশমিক ৮৯ মিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৫৫২ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।এর আগে গত ২৩ জুন পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৫ হাজার ৭৯৮ দশমিক ১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ৩১ হাজার ২৪৪ দশমিক ২২ মিলিয়ন ডলার। নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।
৩ ঘন্টা আগে
মহররম মাসের ১০ তারিখ, অর্থাৎ আশুরার দিন মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ দিনে রোজা রাখার প্রতি বিশেষ উৎসাহ দিয়েছেন রাসুলুল্লাহ (স.)। হাদিসে এসেছে, আশুরার রোজা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ মাফের কারণ হয়। (সহিহ মুসলিম: ১১৬২)তবে অনেকের মনে একটি প্রশ্ন জাগে- যাদের রমজানের ফরজ রোজা কাজা রয়েছে, তারা কি সেই কাজা আদায় না করে আশুরার নফল রোজা রাখতে পারবেন?কাজা রোজা থাকা অবস্থায় আশুরার রোজাজমহুর (অধিকাংশ) আলেমের মতে, রমজানের কাজা রোজা বাকি থাকলেও আশুরার রোজা রাখা বৈধ। কারণ কোরআনে কাজা রোজা আদায়ের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন বেঁধে দেওয়া হয়নি; বরং পরবর্তী রমজানের আগে সুবিধাজনক সময়ে তা আদায়ের সুযোগ রাখা হয়েছে।আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ অসুস্থ বা সফরে থাকলে সে অন্য সময় সেই সংখ্যা পূরণ করবে।’ (সুরা বাকারা: ১৮৫)এ আয়াত থেকে বোঝা যায়, রমজানের কাজা রোজা আদায়ের সময় প্রশস্ত। তাই আশুরার মতো নির্দিষ্ট ফজিলতপূর্ণ দিনে নফল রোজা রাখা জায়েজ।ফকিহরা উল্লেখ করেছেন, অযথা বিলম্ব না করে পরবর্তী রমজান আসার আগেই কাজা রোজা আদায় করা উচিত। ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা ও আইয়ামে তাশরিক ছাড়া বছরের যেকোনো দিন রমজানের কাজা রোজা আদায় করা যায়।সমসাময়িক আলেম শায়খ মুহাম্মাদ সালিহ আল-মুনাজ্জিদ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আশুরা বা আরাফার দিনে রোজা পালন করে এবং তার ওপর রমজানের কাজা রোজা বাকি থাকে, তার রোজা সহিহ হবে।’ (ইসলাম কিউএ)তবে এ কথাও মনে রাখতে হবে যে, ফরজ ইবাদতের মর্যাদা নফল ইবাদতের চেয়ে অনেক বেশি। তাই সুযোগ থাকলে কাজা রোজা দ্রুত আদায় করে নেওয়াই উত্তম।এক নিয়তে কাজা ও আশুরার রোজা রাখা যাবে?অনেকেই জানতে চান, একই রোজায় রমজানের কাজা ও আশুরার ফজিলত উভয়ের নিয়ত করা যাবে কি না।এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। একদল আলেমের মতে, কেউ যদি আশুরার দিনে কাজা রোজার নিয়ত করেন, তাহলে তার ফরজ কাজা আদায় হয়ে যাবে এবং আশুরার দিনের বিশেষ ফজিলত লাভেরও আশা করা যায়।শায়খ সালিহ আল-মুনাজ্জিদও এ মতকে সমর্থন করেছেন। (ইসলাম কিউএ)তবে কিছু আলেমের মতে, ফরজ ও নফল ইবাদতের নিয়ত পৃথক হওয়াই উত্তম। তাই আশুরার নির্দিষ্ট ফজিলত নিশ্চিতভাবে অর্জন করতে চাইলে আলাদা নফল নিয়তে রোজা রাখা অধিক সতর্কতার পথ।কোনটি অগ্রাধিকার পাবে?ফিকহবিদরা উল্লেখ করেছেন, আশুরার রোজা একটি নির্দিষ্ট সময়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ সময় চলে গেলে বছরের বাকি সময়ে তা আদায়ের সুযোগ থাকে না। অন্যদিকে রমজানের কাজা রোজা পরবর্তী রমজানের আগে যেকোনো সময় আদায় করা যায়।এ কারণে অনেক আলেম আশুরার দিনে রোজা রাখার গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেছেন। তবে কারও যদি অনেক কাজা রোজা বাকি থাকে বা কাজা আদায়ে অবহেলার আশঙ্কা থাকে, তাহলে তার জন্য আগে কাজা রোজা পূরণ করাই অধিক উপযোগী।আশুরার রোজা যেভাবে রাখবেনরাসুলুল্লাহ (স.) ইহুদিদের সঙ্গে সাদৃশ্য পরিহারের জন্য আশুরার সঙ্গে আরও একদিন রোজা রাখতে উৎসাহ দিয়েছেন।হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘তোমরা আশুরার দিন রোজা রাখো এবং ইহুদিদের বিরোধিতা করো। তোমরা এর সঙ্গে একদিন আগে বা একদিন পরে রোজা রাখো।’ (মুসনাদে আহমদ)অন্য হাদিসে তিনি বলেন, ‘আমি যদি আগামী বছর জীবিত থাকি, তবে নবম তারিখও রোজা রাখব।’ (সহিহ মুসলিম: ১১৩৪)তাই ৯ ও ১০ মহররম অথবা ১০ ও ১১ মহররম রোজা রাখা উত্তম।এ ছাড়া আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘রমজানের পর সর্বোত্তম রোজা হলো আল্লাহর মাস মহররমের রোজা।’ (সহিহ মুসলিম: ১১৬৩)অতএব, রমজানের কাজা রোজা বাকি থাকলেও আশুরার রোজা রাখতে শরিয়তে কোনো বাধা নেই। কেউ নফল নিয়তে আশুরার রোজা রাখতে পারেন, আবার কেউ কাজা রোজার নিয়ত করেও এ দিনের বরকত ও ফজিলত লাভের আশা করতে পারেন। তবে ফরজ দায়িত্ব হিসেবে কাজা রোজা দ্রুত আদায় করে নেওয়াই অধিক গুরুত্বপূর্ণ। আশুরার রোজা এমন একটি সুন্নত, যা গুনাহ মাফের একটি মহৎ উপলক্ষ এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের একটি মূল্যবান সুযোগ।তথ্যসূত্র: সহিহ মুসলিম: ১১৩৪, ১১৬২, ১১৬৩; সুরা বাকারা: ১৮৫, মুসনাদে আহমদ, ইসলাম কিউএ, আল-মাজমু (ইমাম নববি), ফতোয়ায়ে শামি, ফতোয়ায়ে আলমগিরি
আপনি অনেকের জন্য অনেককিছু করেন, কিন্তু দিনশেষে তাদের কেউ আপনাকে গুরুত্ব দেয় না। এমনটা হলে ভাববেন না যে আপনি একা। আপনার মতো এমন অনেকেই রয়েছেন। আসলে মানুষ আপনাকে কতটা গুরুত্ব দেবে, তা অনেকটাই নির্ভর করে আপনি আপনার সময়, শক্তি এবং বাউন্ডারি কতটা ভালোভাবে রক্ষা করেন, তার ওপর। আপনার করা কিছু কাজ তাদের সামনে আপনাকে গুরুত্বহীন করে তোলার জন্য যথেষ্ট। মিলিয়ে দেখুন তো, আপনিও এই কাজগুলো করেন কি না?সবসময় সহজলভ্য থাকাসবসময় “হ্যাঁ” বলা, নিজের পরিকল্পনা পরিবর্তন করা বা কারো প্রয়োজনে সবকিছু ফেলে ছুটে যাওয়া- এসব কারণে মানুষ ভাবতে শুরু করে আপনার সময়ের কোনো মূল্য নেই। সবসময় সহজলভ্য থাকলে অন্যরা আপনার সহজলভ্যতাকে একটি স্বাভাবিক বিষয় হিসেবে ধরে নেয়। তাই সবকিছুতে হ্যাঁ বলা বন্ধ করুন। অন্যের উপকার অবশ্যই করবেন, তবে নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ত করে নয়। আপনার সময়েরও যে মূল্য রয়েছে, এটা অন্যদের বুঝতে দিতে হবে। তাই সব সময় সহজলভ্য থাকা বন্ধ করুন।একপাক্ষিক দিয়ে যাওয়াআপনি যদি এমন কারো জন্য ক্রমাগত নিজেকে ক্লান্ত করেন যে আপনার প্রয়োজনকে উপেক্ষা করে, তাহলে আপনার অতিরিক্ত প্রচেষ্টা আর উপহার থাকে না। এটি মানুষের কাছে কেবল একটি প্রত্যাশিত সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। আপনার ত্যাগ যখন দৈনন্দিন রুটিনের অংশ হয়ে যায়, তখন মানুষ দ্রুতই সেদিকে লক্ষ্য করা বন্ধ করে দেয়। আপনি তখন আর কেবল সাহায্যই করছেন না; আপনি সক্রিয়ভাবে তাদের আপনাকে সহজলভ্য বলে ধরে নিতে শেখাচ্ছেন। এটি একটি বিষাক্ত, একতরফা চক্র তৈরি করে যা আপনাকে সম্পূর্ণ অদৃশ্য এবং ক্লান্ত বোধ করায়। সুস্থ সম্পর্ক একটি দ্বিমুখী পথ। যদি তারা বিনিময়ে এক ফোঁটাও যত্ন না দিয়ে কেবলই গ্রহণ করে, তবে তা শোষণ। নিজের শান্তি রক্ষা করুন এবং একটি সীমারেখা টেনে দিন।কোনো বাউন্ডারি না রাখাযে কেউ আপনার যেকোনো বিষয়ে নাক গলাতে পারে? অধিকাংশ মানুষ আসলে অন্যের জীবনে নাক গলানোর সুযোগ খুঁজতে থাকে। নিজের হীনমন্যতা কিংবা অযোগ্যতা ঢাকতে তারা আপনাকে নানা উপায়ে ছোট করে নিজেকে বড় দেখানোর চেষ্টা করতে থাকবে। এখন কথা হলো, আপনি তাদের সেই সুযোগটা দিচ্ছেন কি না? মানুষ যখন দেখবে যে চাইলেই তারা আপনার ব্যক্তিগত সীমানা অতিক্রম করতে পারছে, তখন আর আপনাকে আলাদা করে গুরুত্ব দেবে না। তাই নিজেকে গুরুত্বহীন হিসেবে দেখতে চাইলে এবং অন্যের কাছে সম্মান বজায় রাখতে চাইলে যে কাউকে আপনার জীবনে নাক গলাতে দেওয়া বন্ধ করুন।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।