দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।শনিবার (২০ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী নুসরাত জাহান জেরিন জানান, বৃষ্টির কারণে ওই চার জেলায় নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে অন্তত তিন দিন স্থায়ী স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী পাঁচদিন দেশের অভ্যন্তরে রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন উজানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এ অবস্থায় গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল থাকলেও আগামী ৫ দিনে এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। সেই সঙ্গে আগামী ৩ দিন গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং পরবর্তী ২ দিন তা বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ময়মনসিংহ বিভাগের সোমেশ্বরী, জিঞ্জিরাম ও কংস নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাশি ভুগাই নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। পাশাপাশি এই সময়ে নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলায় এসব নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।এছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট বিভাগের সারিগোয়াইন ও খোয়াই নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি যাদুকাটা, মনু ও ধলাই নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। আগামী ৩ দিনে এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় পূর্বাঞ্চলীয় ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় চট্টগ্রাম বিভাগের মুহুরী ও সাঙ্গু নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সঙ্গে সেলোনিয়া গোমতী, ফেনী, হালদা ও মাতামুহুরী নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় আবারও হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ইরান।ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ডের বরাতে আল জাজিরা জানায়, ইসরায়েলের ‘চুক্তি লঙ্ঘনের’ জবাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বিবৃতিতে বলা হয়, ‘হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে। এটি শত্রুপক্ষের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রথম প্রতিক্রিয়া। যদি আগ্রাসন অব্যাহত থাকে, তাহলে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে যাতে শত্রুপক্ষকে তার বাধ্যবাধকতা মানতে বাধ্য করা যায়।’ইরানের খাতাম আল আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর এই বিবৃতিটি রাষ্ট্রীয় টিভিতে প্রচার করে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।
বর্হিবিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে পরিচিত করতে নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘শক্তিশালী’ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।শনিবার বিকালে আর্মি স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশকে একটা ‘স্ট্রং’ বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, বাংলাদেশকে একটা ‘ফেমাস কান্ট্রি’ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।“এটা করতে হবে কাদেরকে? তোমাদেরকে (ক্ষুদে খেলোয়াড়দের) করতে হবে। কেন? কারণ এটা তোমাদের ভবিষ্যৎ, কারণ এটা তোমাদের বাংলাদেশ। আমরা কি বলি? করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।”প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬ এর জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তরুণদের পরামর্শ দিয়ে তারেক রহমান বলেন, “খেলা ছেড়ে দিলে হবে না…সব সময় খেলতে হবে, কালকে বিকালে কিন্তু মাঠে মাঠে খেলতে হবে। ফুটবল খেলতে হবে, সাঁতার কাটতে হবে…যার যেটা খেলা ভালো লাগে, সেটা খেলতে হবে। যে গান করতে চায়, যে মিউজিক বাজাতে চায়, যে রং করতে চায়, যে ছবি আঁকতে চায়, যে কেরাত প্রতিযোগিতা করতে চায়, সবার ব্যবস্থা আমরা করব।“কাজেই তোমাদের কোনো ভয় নাই। তোমারদের কনফিডেন্ট বাচ্চা হিসেবে, কনফিডেন্ট মানুষ হিসেবে তোমাদেরকে বেড়ে উঠতে হবে।”একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে দক্ষ মানুষ হিসেবে তৈরি হওয়ার ওপর জোর দিয়ে সরকারপ্রধান ছোটবেলায় নিজের ম্যাকানো খেলার গল্প বলেন।বেলা ২টায় বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে জাতীয় পর্যায়ে বালক ও বালিকা বিভাগরে চূড়ান্ত খেলা হয়।আচারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ৪-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার জোরগাছা ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।অন্যদিকে বালক বিভাগে ময়মনসিংহের ত্রিশালের দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।খুদে ফুটবলারদের উৎসাহিত করতে মাঠে বাইরে বসে খেলা দেখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খেলা শেষে তিনি চ্যাম্পিয়ান ও রানার্স আপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন।গত ৬ এপ্রিল শুরু হয়ে প্রায় আড়াই মাস ধরে দেশের ৬৫ হাজার ৩৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ১১ লাখের বেশি ছাত্র এবং ১১ লাখের বেশি ছাত্রী এ ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে।‘প্রাইম মিনিস্টার কাপ চালু হবে’প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার প্ল্যানিং হচ্ছে শুধু প্রাইমারি স্কুল না, একই খেলার প্রতিযোগিতা আমরা মাধ্যমিকেও শুরু করব। এই বছর মাধ্যমিকে এবং আগামী বছর প্রাইমারি থেকে প্রাইম মিস্টার কাপ চালু করব।”“কাজেই তোমাদেরকে এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে, ভালো প্রস্তুতি নিতে হবে।”গত দেড় মাসে প্রাথমিক স্কুল পর্যায়ে এক লাখ ২৩ হাজার খেলা হয়েছে তুলে ধরে এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি বর্তমান কর্তৃপক্ষ, যারা এই খেলার আয়োজন করেছেন ওনাদেরকে আমি বলব যে, আপনারা গিনেস বুক কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেন যাতে আমাদের এই ঘটনাগুলো তারা গিনেস বুকে দিতে পারে।”‘শুধু খেললে চলবে না’প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ছোট বন্ধুরা তোমাদেরকে শুধু খেললে চলবে না। আমি জানি, অনেকে আছে যারা খেলতে পারো, একই সাথে পড়ালেখা করতে পারো, অন্যান্য প্রতিভাও আছে। কেউ গান গাইতে পারো, কেউ কবিতা লেখতে পারো, কেউ কোরআন তেলোয়াত করতে পারো।“আমি (বলব) তোমরা শুধু খেলাধুলো না, পড়ালেখা বলো, সংস্কৃতি বলো সব কিছুতে পারদর্শী হতে হবে। তোমারা যদি সব কিছুতে পারদর্শী হতে পারো আমরা একটা সু্ন্দর ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।”তিনি বলেন, “কদিন পরে তোমরা যখন বড় হবে…আমরা তো বুড়ো হয়ে যাচ্ছি। তোমাদেরকেই কিন্তু বড় হয়ে বাংলাদেশ চালাতে হবে। পারবে?“গ্যালারি যারা আছো, আমাদের থেকে ভালোভাবে চালাতে পারবে? কে কে পারবে হাত তোলো।”শিক্ষার্থীরা অনেকে হাত তুললে প্রধানমন্ত্রী তাদের ‘ভেরিগুড’ বলে অভিনন্দন জানান।তারেক রহমান বলেন, “আজকে ওয়ার্ল্ড কাপ হচ্ছে, সেই ওয়ার্ল্ড কাপে এখানে রোনালদো খেলছে, এখানে মেসি খেলছে, এমবাপে খেলছে। কিন্তু তোমাদের মধ্যে থেকে এরকম খেলোয়াড় তৈরি হতে হবে।”অলিম্পিক নিয়ে লক্ষ্য ঠিক করার কথা তুলে ধরেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি কুড়ি স্পোর্টসের কথাও বলেন।“আমরা যেটা প্ল্যান করেছিলাম যে আমরা যদি দেশ পরিচালনা করার সুযোগ পাই, তাহলে আমরা আমাদের ছোট বন্ধুদের জন্য যেমন খেলাধুলার আয়োজন করব। যেমন ছোট বন্ধুরা যাতে সবুজ মাঠে খেলতে পারে, তার জন্য নতুন নতুন মাঠ বের করব। আমরা ইনশাল্লাহ সেই কাজগুলো শুরু করেছি। আমাদেরকে অনেক দূর যেতে হবে।”প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেখো ক্রিকেট দিয়ে এখন সারা বিশ্বে বাংলাদেশকে চেনে এবং বাংলাদেশের ক্রিকেট টিমকে চিনে বলে সারা বিশ্বের মানুষ বাংলাদেশকেও চিনে।“কাজেই শুধু ক্রিকেট দিয়ে নয় ফুটবল দিয়ে বাংলাদেশকে চিনবে ইনশাল্লাহ, সুইমিং দিয়ে আমাদেরকে চিনবে ইনশাআল্লাহ, হকি দিয়ে আমাদেরকে চিনবে ইনশাআল্লাহ, টেনিস দিয়ে আমাদেরকে চিনবে ইনশাআল্লাহ। সব রকম খেলা দিয়েও বাংলাদেশকে তোমরা সারা বিশ্বের কাছে পরিচিত করবে। সারা বিশ্বে তোমরা বাংলাদেশ দেশের অ্যাম্বাসেডর হবে।”অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিহউল্লাহ, এ কে এম শামসুল ইসলাম, জাহেদ উর রহমান ও মাহদী আমিন, সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান লিটন ও আবুল হোসেন খান, ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তাবিথ আউয়াল, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
বিশ্বকাপের দুটি গ্রুপ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে ব্রাজিলের। দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে সেলেসাওরা। কিন্তু স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে উদ্বেগ ব্রাজিলের ক্যাম্পে।আগামী বুধবার স্কটিশদের সঙ্গে ড্র করলেই শীর্ষ দুইয়ে থাকা নিশ্চিত হবে ব্রাজিলের। আর জিতলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া প্রায় নিশ্চিত। কিন্তু এই ম্যাচে তিন খেলোয়াড়কে নিয়ে শঙ্কা থাকছে। আর একটি হলুদ কার্ড পেলে নিষেধাজ্ঞায় কপাল পুড়বে তাদের।মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ ও হাইতির বিপক্ষে জয়ের পর ইবানেজ, কাসেমিরো ও ডগলাস সান্তোসের প্রত্যেকে একটি করে হলুদ কার্ড দেখেছেন। আরেকবার কার্ড পেলে নিষেধাজ্ঞার শাস্তি পেতে হবে তাদের।বিশ্বকাপে ম্যাচের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ফিফা হলুদ কার্ড ও শাস্তির নিয়মে একটি বড় পরিবর্তন এনেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড়দের জমে থাকা হলুদ কার্ড এখন থেকে দুটি ধাপে মুছে ফেলা হবে। গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার পর যখন নকআউট পর্ব বা দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে, তখন আগের কার্ডগুলো বাতিল হয়ে যাবে। কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেও খেলোয়াড়দের কার্ডের হিসাব আবার নতুন করে শুরু হবে।তবে কোনো খেলোয়াড় যদি গ্রুপের শেষ ম্যাচে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পান, তবে প্রথম নকআউট রাউন্ডে নিষিদ্ধ থাকবেন তিনি।
চলছে ফিফা বিশ্বকাপ। ক্রীড়ার এই মহাযজ্ঞের উত্তাপে কাঁপছে গোটা দুনিয়া। সেই উন্মাদনা থেকে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। মাঠে দল না থাকলেও সমর্থনে ভাগ হয়ে গেছে দুই পরাশক্তি—ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার পতাকায় রঙিন চারপাশ।এই ফুটবল আবহে শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও সরব। প্রিয় দল-খেলোয়াড় নিয়ে মন্তব্য করছেন, দিচ্ছেন নানা প্রতিক্রিয়া। তবে সবার থেকে একটু ভিন্নভাবে নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী।আজ শনিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি শেয়ার করেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী মহাতারকা লিওনেল মেসি–এর একটি স্কেচ। নিখুঁত আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেছেন মেসির চুল, দাড়ি, চোখ—এমনকি তার স্বাভাবিক হাসিটিও।আর এই পোস্টের ক্যাপশনে চঞ্চল লিখেছেন, ‘আমি মেসির একটা ছবি আঁকব—এটা দেখে মেসি ভক্তরা খুশি হতেই পারেন। আঁকলাম। প্রিয় খেলোয়াড় বলে কথা! এখন লাইক-শেয়ার আপনার ব্যাপার।’স্কেচটি পোস্ট করার পরপরই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পড়ে। সেইসঙ্গে ভক্ত-সমর্থকরা প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন অভিনেতাকে। কেউ লিখেছেন, ‘আপনি দুই বাংলার খ্যাতিমান অভিনেতা, পাশাপাশি একজন প্রতিভাবান চিত্রশিল্পীও।’ আবার কেউ তুলনা টেনেছেন, ‘মেসি যেমন ফুটবলে সেরা, আপনি তেমন অভিনয়ে।’অভিনয়ের পাশাপাশি গান ও আঁকাআঁকিতেও সমান দক্ষ চঞ্চল চৌধুরী। নিয়মিতই প্রিয়জন ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ছবি এঁকে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন তিনি। ইতোমধ্যে সত্যজিৎ রায়, তারিক আনাম খান, বাপ্পা মজুমদার, সালাহউদ্দিন লাভলু, রায়হান রাফী, তাসনিয়া ফারিণ ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়–সহ অনেকের প্রতিকৃতি তার ডিজিটাল তুলিতে ধরা পড়েছে।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শনিবার (২০ জুন) থেকে সারা দেশে মূল্যবান এই ধাতু সবশেষ নির্ধারিত নতুন কম দামে বিক্রি হচ্ছে।শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে সোনার দাম এক লাফে ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমায় বাজুস। নতুন দাম অনুযায়ী, আজ থেকে দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়ছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। গতকালের এই বড় ছাড়ের পর আজ জুয়েলারি দোকানগুলোতে নতুন এই দামই কার্যকর রয়েছে।এছাড়া অন্যান্য মানের সোনার দামও সমানতালে কমেছে। আজ বাজারে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা গ্রাহকেরা কিনতে পারছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকায়। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম বহাল থাকবে। অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট আগেই যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে কোনো ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
৫ ঘন্টা আগে
পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে ফিরতে শুরু করেছেন হজযাত্রীরা। শুক্রবার (২০ জুন) পর্যন্ত ১৫৬টি ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজার ৬৯৭ জন হাজি।হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৭৮টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ৫৬টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। একই সঙ্গে চলতি হজ মৌসুমে সৌদি আরবে ৫৪ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে হজ অফিস।হজ অফিস জানায়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৫৭ হাজার ৩৭৮ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।এয়ারলাইন্সভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৭৮টি ফ্লাইটে ২৭ হাজার ৩৬৩ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ৫৬টি ফ্লাইটে ২১ হাজার ৬৫২ জন, ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ৪ হাজার ১০ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাকি হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন।এদিকে চলতি হজ মৌসুমে সৌদি আরবে ৩৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারীসহ ৫৪ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।হজ বুলেটিন অনুযায়ী, ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১১ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিকেল সেন্টারগুলো ৬৬ হাজার ২৪৯ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ১৯৮ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।
ভোজনরসিকদের জন্য নতুন ও ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে দেশের বাজারে এসেছে জনপ্রিয় গ্লোবাল ব্র্যান্ড কেএফসির নতুন সংযোজন ‘কারি ক্রাঞ্চ’। বাংলাদেশে কেএফসির একমাত্র ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘ট্রান্সকম ফুডস লিমিটেড’। যারা ২০০৬ সাল থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তারা এই নতুন স্বাদের খাবারটি নিয়ে এলো।নতুন এই ‘কারি ক্রাঞ্চ’-এর মূল আকর্ষণ হলো কেএফসির সিগনেচার হট অ্যান্ড ক্রিস্পি চিকেন। এর সাথে যুক্ত হয়েছে সুগন্ধি কারি পাতা এবং বিশেষ ‘চেট্টিনাড’ মশলার মিশ্রণ। এই অনন্য উপাদানের সমন্বয়ে ফ্রাইড চিকেন হয়ে উঠেছে আরও বেশি ফ্লেভারফুল, যা ভোজনরসিকদের জন্য ভিন্নধর্মী এক অভিজ্ঞতার সুযোগ তৈরি করবে।নতুন এই আয়োজন সম্পর্কে ট্রান্সকম ফুডস লিমিটেডের সিইও অমিত দেব থাপা বলেন, যারা দেশীয় চেনা স্বাদের সাথে আধুনিক ফিউশনের মেলবন্ধন পছন্দ করেন, তাদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে কেএফসির এই কারি ক্রাঞ্চ। বিভিন্ন স্পাইসি মশলা ও সিজনিংয়ের অনন্য সমন্বয়ে তৈরি এই চিকেনের প্রতিটি কামড়েই অতুলনীয় স্বাদের অভিজ্ঞতা পাওয়া যাবে।বর্তমানে দেশের সকল কেএফসি আউটলেটে এই খাবারটি পাওয়া যাচ্ছে। গ্রাহকরা ডাইন-ইন, টেকঅ্যাওয়ে অথবা হোম ডেলিভারি সুবিধার মাধ্যমে এটি উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া কেএফসির অ্যাপ এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্ম (kfcbd.com/menu/curry-crunch) থেকেও সহজে অর্ডার করা যাবে।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।