পদ্মা ব্যারেজের পাশাপাশি সরকার তিস্তা ব্যারেজও নির্মাণ করবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বুধবার (২০ মে) বিকালে গাজীপুরে এক সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের সকলের সামনে আজকে আমি পরিষ্কার একটি কথা বলে যাই, ইনশাআল্লাহ বিএনপি সরকার পদ্মা ব্যারেজের কাজেও হাত দেবে, তিস্তা ব্যারেজের কাজেও হাত দেবে।”গাজীপুরের সাতাইশ চৌরাস্তায় জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন সরকারপ্রধানদক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ ও অর্থনীতি রক্ষায় এবং শুষ্ক মৌসুমে পানিসঙ্কট দূর করতে সাড়ে ৩৪ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন করেছে সরকার।বিএনপি সরকার গঠনের পর গেল ১১ মে তৃতীয় একনেক বৈঠকে এই প্রকল্প অনুমোদনের মাধ্যমে প্রথম মেগা প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হল। ২০৩৩ সালের জুনের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেব বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, “যারা বড় বড় কথা বলছে, তাদের উদ্দেশ্যে পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, এই যে আজকে এখানে দুর্যোগমন্ত্রী (আসাদুল হাবিব দুলু) বসে আছেন, এই লোকটার নেতৃত্বেই তিস্তায় বিএনপি কর্মসূচি পালন করেছে; যা বাংলাদেশে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল করে নাই। তারা হয়ত বড় বড় কথা বলেছে, গরম গরম কথা বলেছে।কিন্তু কাজ যদি কেউ করে থাকে, ডেলিভারি যদি কেউ করে থাকে, পরিস্থিতি যদি কেউ তৈরি করে থাকে সেটা বিএনপিই করেছে।পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ কেন জরুরি, তার ব্যাখ্যা দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, “আপনারা পত্রিকায় দেখেছেন কয়েকদিন আগে আমরা একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে উত্তরাঞ্চল, দক্ষিণাঞ্চলে বিশেষ করে রাজবাড়ীতে আমরা পদ্মা নদীতে ব্যারাজ তৈরি করব। পদ্মা ব্যারেজ এইজন্য আমরা তৈরি করব যে সীমান্তের ওপারে তারা (ভারত) ব্যারাজ তৈরি করার মাধ্যমে বিভিন্নভাবে পানি নিচ্ছে।কিন্তু আমাদের কাছে যে পানিটি আসছে শুকনা মৌসুমে, হয়ত আমরা কম পাচ্ছি। ফলে যেটা হচ্ছে নদীতে পানির স্রোত কমে যাওয়ায় অনেক সমস্যা হচ্ছে। আস্তে আস্তে আশপাশগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে। আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন, ছোটবেলায় আমরা দেখেছি পদ্মা নদীর এপার থেকে ওপার দেখা যায় না। এখনো দেখা যায় না। তবে তখন পানি ছিল এখন পানি শূন্য।তিনি বলেন, “পদ্মা ব্যারাজটি আমরা এই জন্য করতে চাচ্ছি, যেন বর্ষা এবং শুকনা মৌসুমে কৃষকই হোক বা যে কোন মানুষ তারা যাতে পানি পায়।আরেকটা বিপদজনক ব্যাপার হচ্ছে, এই ফারাক্কা বাঁধ হওয়ার কারণে যেটি হচ্ছে ধীরে ধীরে, যেহেতু পানির পরিমাণ কম…সেজন্য ধীরে ধীরে যেটি হচ্ছে সমুদ্রের পানি দক্ষিণ অঞ্চলে ঢুকছে। ফলে সুন্দরবনসহ ওই সকল অঞ্চলে যেই সমস্যাগুলো আছে, লবণাক্ত পানি বেশি পরিমাণে ভিতরে চলে আসার কারণে গাছপালা নষ্ট হচ্ছে, বিভিন্ন পশু বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে ।
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৪০৮ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।বুধবার (২০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা, সিলেট ও খুলনা বিভাগে একজন করে মোট ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ২ জন এবং ঢাকা বিভাগে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বুধবার পর্যন্ত সারাদেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৪৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে।এদিকে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৩৮ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ২৭০ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বুধবার পর্যন্ত মোট ৫৭ হাজার ৮৫৬ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৮ হাজার ৬৭ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৮টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মামুন আল মোর্শেদ চৌধুরী।বুধবার (২০ মে) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তিনি।তিনি বলেন, সম্প্রতি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদুল আজহা উদযাপন নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলো কাজ করছে।আগামী ২৮ মে দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত এ উৎসবে মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে তাদের প্রিয় বস্তু অর্থাৎ পশু কোরবানি করে থাকেন। ঈদুল আজহার দিন ঈদগাহ ও মসজিদে মুসল্লিরা দুই রাকাত ঈদের ওয়াজিব নামাজ আদায় করেন।প্রধান জামাত ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।প্রধান জামাতে সাধারণত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, কূটনীতিকসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ অংশ নিয়ে থাকেন।
শেষ দিনে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৩ উইকেট, পাকিস্তানের সামনে সমীকরণ ছিল ১২১ রানের। পঞ্চম দিন সকালে পাকিস্তান শুরুটা করেছিল বেশ ভালো। তাতে বাংলাদেশ শিবিরে শঙ্কা জেগেছিল, পাকিস্তান বিশ্বরেকর্ড না গড়ে ফেলে। তবে শেষমেষ বাংলাদেশ তা হতে দেয়নি। ১২ বলের এদিক ওদিকে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে সিরিজ নিজেদের নামে লিখে নিয়েছে, পাকিস্তানকে করেছে হোয়াইটওয়াশ। গড়ে ফেলেছে ইতিহাসও! ইতিহাসে এ পর্যন্ত ৮৩টি টেস্ট সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। তবে একাধিক ম্যাচের সিরিজে কখনোই একই প্রতিপক্ষকে দুবার হোয়াইটওয়াশের স্বাদ নিতে পারেনি। এমনকি ‘প্রিয় প্রতিপক্ষ’ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও নয়। সে কীর্তিটা গড়তে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাকিস্তানকেই বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ। ২০২৪ সালের পর ২০২৬ সালের সিরিজেও পাকিস্তানকে করল হোয়াইটওয়াশ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ‘রাগ করলা, কথাটা ঠিক না বেঠিক?’ ডায়ালগটি এখন সবার মুখে মুখে। ফেসবুক, টিকটক কিংবা ইউটিউবের পাতা ওল্টালেই চোখে পড়ছে এই দৃশ্য। সাধারণ নেটিজেন থেকে শুরু করে নামী তারকারাও এখন মেতেছেন এই ট্রেন্ডে। তবে এ ডায়ালগ দিয়ে নেট দুনিয়া কাঁপানো ব্যক্তিটি আসলে কে, তা নিয়ে উৎসুক জনতার কৌতূহলের শেষ নেই। অনেকেই তাকে কবিরাজ ভাবলেও জানা গেছে তিনি মূলত একজন পেশাদার অভিনেতা, যার নাম ঈমান আলী।জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ঈমান আলী কবিরাজের ছদ্মবেশে ক্যামেরার সামনে এসেছিলেন। প্রায় দুই থেকে আড়াই দশক আগে ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে সপরিবারে লালমনিরহাট জেলা থেকে গাজীপুরে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি। সেই থেকে গাজীপুরেই স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি তীব্র ঝোঁক ছিল তার। একটা সময় সেই শখটাই ডালপালা মেলে পেশায় রূপ নেয়। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অভিনয়কে জীবিকা নির্বাহের প্রধান মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছেন। বিভিন্ন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও নাট্যদলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সামাজিক সচেতনতামূলক এবং হাস্যরসাত্মক ভিডিওতে অভিনয় করেন তিনি। সম্প্রতি একটি ফেসবুক ও ইউটিউব নাটকের দৃশ্যে কবিরাজের চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পান ঈমান আলী। সেখানে তার অদ্ভুত বাচনভঙ্গি, চোখের ইশারা আর বিশেষ কায়দায় বলা ‘রাগ করলা, কথাটা ঠিক না বেঠিক?’ সংলাপটি রাতারাতি লুফে নেয় নেট দুনিয়া। মুহূর্তের মধ্যেই লাখ লাখ ভিউ এবং শেয়ারের বন্যায় এটি ভাইরাল কনটেন্টে পরিণত হয়।হঠাৎ এমন আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ও দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া নিয়ে ঈমান আলী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অভিনয়ের মাধ্যমে সারা দেশের মানুষের কাছে পরিচিত হওয়ার একটা সুপ্ত ইচ্ছা আমার সবসময় ছিল। সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় আজ সেই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার, আমি কিন্তু পেশাদার কোনো কবিরাজ নই। অভিনয়ের খাতিরে আমি শুধু চরিত্রটাকে ফুটিয়ে তুলেছি। আমাকে কবিরাজ ভেবে অনেকেই ভুল করছেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি সম্পূর্ণ অভিনয় ছিল এবং এটি শুধুমাত্র মানুষকে বিনোদন দেওয়ার উদ্দেশ্যেই তৈরি করা হয়েছিল। আমি যতদিন বেঁচে থাকবো, এভাবেই মানুষকে বিনোদন দেওয়ার চেষ্টা করে যাব।’ভাইরাল ঈমান আলী সম্পর্কে প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অভিনয়ের সাথে জড়িত এবং ভীষণ মিশুক একজন মানুষ। তবে এই একটি ডায়ালগ তাকে রাতারাতি পুরো দেশের মানুষের কাছে পরিচিত করে তুলেছে।
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমানো হয়েছে। ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৩ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।বুধবার (২০ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠনটি। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৫ হাজার ২৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা। এর আগে, সবশেষ গত ১৬ মে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা।
১৭ ঘন্টা আগে
পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে এখন পর্যন্ত ১৭৭টি ফ্লাইটে মোট ৬৮ হাজার ৭৩২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালের আইটি হেল্পডেস্কের বুধবার (২০ মে) প্রকাশিত দৈনিক বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বুলেটিন অনুযায়ী, এবারের হজযাত্রীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৮ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। মৃত্যুর ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৩ জন মক্কায় এবং ৫ জন মদিনায় ইন্তেকাল করেন। ফ্লাইট পরিচালনার তথ্যে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৯০টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৬৫টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করবেন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন হজযাত্রী রয়েছেন।
উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন একটি জটিল ক্রনিক অসুখ। এই রোগে আক্রান্ত হলে কিছু মেনে চলা জরুরি হয়ে পড়ে। নয়তো এর জেরে দ্রুত অন্যান্য স্বাস্থ্য জটিলতা দেখা দিতে পারে। সমস্যা হলো, আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের কিছু ভুলের কারণেই ব্লাড প্রেশার বাড়ে। রক্তচাপ বাড়ার পেছনে রোজকার জীবনের কোন অভ্যাসগুলো দায়ী? চলুন জানা যাক- ঘুম না হওয়াঅনেকেই দিনে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টারও কম সময় ঘুমান। এই ভুলেই বাড়ে বিপদ। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীর ও মস্তিষ্কের ওপর চাপ বাড়ে। দেহে স্ট্রেস হরমোনের প্রভাব বৃদ্ধি পায়। ফলে রক্তচাপ বাড়ে। তাই প্রতিদিন অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। এতে ব্লাডপ্রেশার কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। স্ট্রেসআপনি কি অতিরিক্ত স্ট্রেস নেন? সারাদিন চাপের মধ্যে থাকেন। তাহলে কিন্তু রক্তচাপ কিছুতেই কমবে না। কেননা দুশ্চিন্তা করলে দেহে স্ট্রেস হরমোন বাড়বে। আর সেটি বাড়াবে রক্তচাপ। তাই কাজের চাপ কমান। মাথা ঠান্ডা রাখতে চেষ্টা করুন। তাহলেই সুস্থ থাকতে পারবেন। লবণ খাওয়া রক্তচাপের সবচেয়ে বড়ো শত্রু লবণ। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে অবশ্যই লবণ থেকে দূরে থাকতে হবে। দৈনিক ৩-৪ গ্রামের বেশি লবণ খাওয়া যাবে না। ভাতের সঙ্গে বাড়তি লবণ খাওয়ার অভ্যাস বাড়িয়ে দেয় রক্তচাপ। অতিরিক্ত ওজন অনেকেরই ওজন স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকে। শরীরে মেদ বেশি থাকলে প্রেশার বাড়তে পারে। পাশাপাশি সুগার বৃদ্ধির সম্ভাবনাও প্রবল হতে পারে। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে ওজন কমান। এতে অন্যান্য রোগ থেকেও দূরে থাকতে পারবেন। ফাস্টফুড, প্রসেসড ফুড খাওয়া? অনেকেই হয়ত এখন লবণ কম খান। কিন্তু নিয়মিত ফাস্ট ফুড, প্রসেসড ফুড, আচার, চিপসের মতো খাবার খান। এসব খাবারে প্রচুর পরিমাণ লবণ থাকে। যার জেরে বাড়ে ব্লাড প্রেশার। তাই সুস্থ থাকতে এই খাবার থেকে দূরে থাকাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। ব্লাড প্রেশার দীর্ঘদিন বেশির দিকে থাকলে কিডনি খারাপ হতে পারে। স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। চোখের হাল বিগড়ে যেতে পারে। তাই সময় থাকতে সচেতন হন।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।