বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে সীমান্ত পথে নারী-পুরুষ-শিশুদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার মধ্যেই ভারত এখন ‘অবৈধ বাংলাদেশিদের’ দেশে ফেরত পাঠাতে ঢাকার ‘দ্রুত’ সহযোগিতা চাইছে।দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, বাংলাদেশে ঝুলে থাকা নাগরিকত্ব যাচাইয়ের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির প্রত্যাশা করে দিল্লি, যাতে ‘অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের’ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা যায়।' বলেন, ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারী যে কোনো বিদেশি নাগরিককে আইন অনুযায়ী অবশ্যই তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে কথা বলছিলেন জয়সওয়াল। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের মন্তব্য নিয়ে একটি প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।মুখপাত্র বলেন, “আমরা গত কয়েক দিন ধরে এই ধরনের (পুশব্যাক) কিছু মন্তব্য লক্ষ্য করেছি। এই মন্তব্যগুলোকে ভারত থেকে অবৈধ বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসনের মূল ইস্যুর প্রেক্ষিতে দেখা উচিত। এর জন্য অবশ্যই বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রয়োজন।”“আমরা আশা করি বাংলাদেশ এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে, যাতে ভারতে থাকা অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থার মাধ্যমে এবং সুচারুভাবে পরিচালিত হতে পারে।”ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের অগাস্টে আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের অবনতি হয়।এরপর ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন অবৈধ অভিবাসীদের আটক করে তাদের ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে সীমান্ত পথে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া শুরু হয়।এখন পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় বিজয়ের পর ভারত থেকে বাংলাদেশে আবার ‘পুশব্যাক’ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে। রাজ্যের প্রভাবশালী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী এর আগেও একাধিকবার ‘অবৈধ বাংলাদেশিদের’ বাংলাদেশের দিকে ঠেলে পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন।সম্প্রতি আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাও বাংলাদেশ নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন।১৫ এপ্রিল এবিপি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “আমি সবসময় ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি যেন ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নত না হয়। সে ক্ষেত্রে বিএসএফ ও সেনা সীমান্তে পাহারায় থাকে। তার ফলে অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাদেশ থেকে আসতে পারে না। যখন সম্পর্ক ভালো থাকে, সেই সময়টা আসামের কাছে ।'বাংলাদেশসাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের প্রসঙ্গ টেনে আনেন হিমন্ত৷ তিনি বলেন, “ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি, ইউনূসের সময় যে পরিস্থিতি ছিল, সেটাই যেন এখন থাকে।''তার এই বক্তব্য নিয়ে ঢাকায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনারকে তলবও করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান মঙ্গলবার বলেন, “যখন আসামের মুখ্যমন্ত্রী কথাটি বলেছিলেন, স্বীকার করেছিলেন তিনি কিছু কাজ (পুশব্যাক) করেছেন, আপনারা দেখেছেন, আমরা সেটাতে কড়া প্রতিবাদ দিয়েছি। সে বিষয়ে যা যা ব্যবস্থা আমরা নেব।”পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ওই বক্তব্যে জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, “এই ধরনের মন্তব্যের প্রেক্ষাপটটি বোঝা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ; আমাদের মূল সমস্যার দিকেই নজর দেওয়া উচিত। আমি ইতোমধ্যে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের তথ্য ভাগ করেছি, যা তাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছে, যাতে তাদের মসৃণভাবে প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়।“আপনারা জানেন যে আমাদের নীতি হল, দেশের মাটিতে অবৈধভাবে বসবাসকারী যে কোনো বিদেশি নাগরিককে আমাদের আইন, পদ্ধতি এবং প্রতিষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা ও সমঝোতা অনুযায়ী অবশ্যই নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে হবে। আমরা প্রত্যাশা করি, বাংলাদেশ নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্ন করবে, যাতে অবৈধ অভিবাসীদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াটি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।”তার দাবি, ২ হাজার ৮৬০টির বেশি নাগরিকত্ব যাচাইয়ের মামলা বাংলাদেশের কাছে ঝুলে রয়েছে, যার মধ্যে বেশ কিছু মামলা পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে পড়ে আছে।সূত্র: দ্য হিন্দু, এএনআই, দ্য প্রিন্ট
বগুড়াকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে দেশের চার জেলায় পাঁচটি নতুন উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১২০তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নতুন উপজেলাগুলো হলো— বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলাকে ভাগ করে ‘মোকামতলা’, কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলাকে ভাগ করে ‘মাতামুহুরী’, ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলাকে ভাগ করে ‘রুহিয়া’ ও ‘ভুল্লী’ এবং লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলাকে ভাগ করে ‘চন্দ্রগঞ্জ’ উপজেলা।
বগুড়াকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে দেশের চার জেলায় পাঁচটি নতুন উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১২০তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নতুন উপজেলাগুলো হলো— বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলাকে ভাগ করে ‘মোকামতলা’, কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলাকে ভাগ করে ‘মাতামুহুরী’, ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলাকে ভাগ করে ‘রুহিয়া’ ও ‘ভুল্লী’ এবং লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলাকে ভাগ করে ‘চন্দ্রগঞ্জ’ উপজেলা।
বিপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে এক ক্রিকেটারসহ পাঁচজনকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের নাম প্রকাশ করেছে। বিসিবি জানিয়েছে, আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ধারা ভাঙার কারণে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করেছে। তারা হলেন— চট্টগ্রাম রয়্যালসের ম্যানেজার মোহাম্মদ লাবলুর রহমান, নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সহ-স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ তাওহিদুল হক তাওহিদ, ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিক এবং ক্রিকেট সংগঠক সামিনুর রহমান। এই পাঁচ জনের বিরুদ্ধে ২০২৬ বিপিএলে দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ইন্টেগ্রিটি ইউনিট (বিসিবিআইইউ) পরিচালিত ২০২৬ বিপিএল ঘিরে দুর্নীতিমূলক আচরণ, জুয়া কার্যক্রম, দুর্নীতি দমন, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার বিষয়গুলো উঠে আসে। তদন্তে কথিত জুয়া সংক্রান্তি কার্যক্রম, দুর্নীতিমূলক প্রস্তাব ও নীতিমালার ৪.৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জারি করা ডিমান্ড নোটিশ মানতে ব্যর্থতা, সংশ্লিষ্ট গোপন যোগাযোগ মুছে ফেলা এবং মনোনীত দুর্নীতি দমন কর্মকর্তাকে (ড্যাকো) সহায়তা না করার অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত ছিল। ২০২৫ সালের বিপিএল চলাকালেই ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিসিবির তৎকালীন সভাপতি ফারুক আহমেদ একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করেন। দীর্ঘ সময় অনুসন্ধানের পর কমিটি বিসিবির কাছে প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার একটি বিশাল তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্ট এরপর তুলে দেওয়া হয় বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শালকে। এরপর যাচাই বাছাই করে কয়েকজন ক্রিকেটার এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার প্রমাণ পান। মিরপুরে আজ সংবাদ সম্মেলনে তামিম বলেন, পাঁচজন ক্রিকেটারকে এই অপরাধের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। ৫ জন ক্রিকেটার বড়ো ধরনের শাস্তি পেতে যাচ্ছেন।’
শাকিব খান অভিনীত ‘প্রিন্স : ওয়ান্স আপন এই টাইম ইন ঢাকা’ সিনেমার সার্টিফিকেশন সনদ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড। একই সঙ্গে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত সিনেমাটি দেশের কোনো প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শন করা যাবে না বলে জানানো হয়েছে। তথ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, সার্টিফিকেশনবিহীন গান ও দৃশ্য সংযোজন করে সিনেমাটি প্রদর্শনের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বোর্ডের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত কপিতে থাকা ধূমপান ও মাদক সেবনের সতর্কবার্তা পরিবর্তন করে মুদ্রণ যোগ্য ফন্টে প্রদর্শনের অভিযোগও পাওয়া গেছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, সিনেমাটিতে ‘তোমাকে ছাড়া’ নামের একক গান সিরিজের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং ভারতের একটি মরুভূমিতে রামদা দিয়ে নির্বিচারে মানুষ হত্যার দৃশ্য প্রদর্শন করা হয়েছে। এছাড়া বোর্ড কর্তৃক পূর্বে কর্তন করা কিছু দৃশ্য পুনরায় সংযোজন করার অভিযোগও আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চাপাতি দিয়ে হাত কর্তন, গলার রগ কেটে ফেলার মতো সহিংস দৃশ্য এবং নারীদের অশালীন পোশাক ও অরুচিকর অঙ্গভঙ্গির দৃশ্য। এসব অনিয়মের কারণেই চলচ্চিত্রটির সার্টিফিকেশন সনদ স্থগিত করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
আগামী ১২ মে থেকে ঈদুল আজহা পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন। এক ভিডিয়ো বার্তায় হেলাল উদ্দিন বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে আমরা সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১১টা পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা রাখতে সরকারের কাছে আবেদন করেছিলাম। সরকার রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে। পাশাপাশি আমরা যেন অতিরিক্ত আলোকসজ্জ্বা বা বিদ্যুৎ ব্যবহার না করি, সেই নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি সংকটের কারণে গত ৩ এপ্রিল থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের নির্দেশনা দেয় সরকার। এরপর ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে ৫ এপ্রিল থেকে একঘণ্টা বাড়িয়ে দোকান বন্ধের সময় সন্ধ্যা ৭টা করা হয়।
২০ ঘন্টা আগে
ঈদুল আজহা আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য ও ত্যাগের এক মহত্তম পরীক্ষা। বিশ্বনবি হজরত মুহাম্মদ (সে.)-এর পবিত্র জীবনে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে এমন কিছু অনন্য শিক্ষা রয়েছে, যা আজও মুসলিম উম্মাহর জন্য পথপ্রদর্শক। নবিজি (সে.)-এর সুন্নাহ থেকে বাছাইকৃত ৭টি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নিচে তুলে ধরা হলো-।১. ত্যাগের ঐতিহ্য ও নিঃশর্ত আনুগত্য।কোরবানির মূল দর্শন হলো হজরত ইবরাহিম (আল.) ও ইসমাইল (আর.)-এর অসীম ত্যাগের মহিমা। মহানবী (সে.) তাঁর উম্মতকে এই শেকড়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে একে একটি বিশেষ ঐতিহ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সাহাবিরা যখন কোরবানির তাৎপর্য জানতে চান, তিনি বলেন,-কোরবানি কোনো লৌকিক প্রথা নয়, বরং আল্লাহর নির্দেশের সামনে নিজের ইচ্ছাকে বিসর্জন দেওয়াই এর মূল শিক্ষা।২. মানবিক মর্যাদা ও সাম্যের ঘোষণা।রসুলুল্লাহ (সসেএই বার্তার মাধ্যমে তিনি জাতি-বর্ণ নির্বিশেষে মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠার চিরন্তন শিক্ষা দিয়েছেন।৩. সামর্থ্যহীন উম্মতের প্রতি মমতা।রসুলুল্লাহ (স.)-এর সে এক অনন্য নজির পাওয়া যায় তাঁর কোরবানিতে। তিনি উম্মত প্রেমেরপ্রতিবছরউম্মতের প্রতি এই গভীর মমতা শিখিয়ে দেয় যে, উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ভাগ করে নেওয়াই প্রকৃত সার্থকতা।৪. পশুদের প্রতি দয়া ও ইহসান।ইসলামে পশুর প্রতি নিষ্ঠুরতা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। নবিজি (সব.) জবেহ করার সময় পশুকে কষ্ট না দেওয়ার সুস্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বিশ্বনবি-।৫. সামাজিক সংহতি ও গোশ্ত বলেন,কোরবানির মাধ্যমে নবিজি (সা.) সামাজিক ঐক্যের এক সুশৃঙ্খল কাঠামো তৈরি করেছেন। তিনি কোরবানির নয়, বণ্টন সম্পর্কে বলেছেন,-সহিহ বুখারি :ঘোষণা।ফকিহদের মতে, রাসুলুল্লাহকে৬. বাহ্যিকতার চেয়ে তাকওয়ার গুরুত্বমহানবী (সব.) বারবার শিখিয়েছেন যে, কোরবানির মূল চাবিকাঠি হলো বিশুদ্ধ নিয়ত। পশুর আকার বা মাংসের প্রাচুর্য নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টিই এখানে মুখ্য। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে ঘোষণা করেন-লোক-দেখানো প্রতিযোগিতার বদলে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য উৎসর্গ করাই প্রকৃত কোরবানি।৭. ইবাদত ও শৃঙ্খলার সমন্বয়।রসুলুল্লাহ (সমতা।এই শৃঙ্খলার মাধ্যমে তিনি আল্লাহর দেওয়া নেয়ামতের প্রতি গভীর শুকরিয়া ও চরম ধৈর্যের শিক্ষা দিয়েছেন। এটি মুমিনের জীবনে সময়ের শৃঙ্খলা এবং ইবাদতের প্রতি একাগ্রতার গুরুত্ব বোঝায়রসুলুল্লাহ (সে প্রতিবছর
সিদ্ধ ডিম। সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর এই খাবারটি সব বয়সের মানুষের জন্যই উপকারী। পুষ্টিবিদদের মতে, দুধের পাশাপাশি ডিমকেও ধরা হয় উচ্চমানের প্রোটিনের ‘গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড’ হিসেবে।পুষ্টির দিক থেকে কতটা সমৃদ্ধ?একটি বড়ো সিদ্ধ ডিমে থাকে প্রায় ৭৭ ক্যালোরি, ৬.৩ গ্রাম উচ্চমানের প্রোটিন, ৫.৩ গ্রাম ফ্যাট এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। এছাড়াও এতে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ভিটামিন এ ও ডি। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো : লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা চোখের সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।কেন খাবেন সিদ্ধ ডিম?ওজন নিয়ন্ত্রণে বড়ো হলো :গর্ভাবস্থায় উপকারী : প্রোটিন ও ভিটামিন ডি ভ্রূণের হাড় ও দাঁতের গঠন এবং সার্বিক বিকাশে সহায়তা করে।মস্তিষ্কের কার্যকারিতা সহায়ক : ডিমে থাকা কোলিন মস্তিষ্কের বিকাশ ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।চোখের সুরক্ষায় উপকারী : ডিমের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান বয়সজনিত চোখের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।সহজ ও পুষ্টিকর বিধায় : ব্যস্ত জীবনে দ্রুত পুষ্টি পেতে সিদ্ধ ডিম হতে পারে আদর্শ খাবার।কিছু সতর্কতা :ডিমে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকায় অতিরিক্ত খেলে ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল বাড়তে পারে। তাই পরিমিত খাওয়াই উত্তম। বিশেষ করে যাদের কার্যকর : বা উচ্চ কোলেস্টেরল আছে, তাদের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।