রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পরবর্তী পরিস্থিতিতে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম। শুক্রবার (২৪ জুলাই) এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। শনিবার (২৫ জুলাই) সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ ত্যাগ করায় সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।গতকাল শুক্রবার মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগে করলে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, রোববার সকাল ১১টা ৩০ মিনিট ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ সাভারে জাতীয় স্মৃতি সৌধে বীর শহীদদের জাতীয় স্মৃতি স্তম্ভের পুস্তক অর্পণ করবেন এবং সাড়ে ১২টা ৩০ মিনিট শেরে বাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জিয়ারত করবেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণহানি বেড়ে ৮১৬ জনে দাঁড়িয়েছে।শনিবার (২৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। তবে হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর নতুন করে হাম ও উপসর্গের রোগী ৬৯১ জন জন।গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৭৮ জনের শরীরে। এ নিয়ে মোট হাম আক্রান্ত ১৫ হাজার ২৭২ জন। আর হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে ৬১৩ জনের শরীরে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬৩ জন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৫৩৫ জন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পরবর্তী পরিস্থিতিতে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম। শুক্রবার (২৪ জুলাই) এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। শনিবার (২৫ জুলাই) সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ ত্যাগ করায় সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।গতকাল শুক্রবার মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগে করলে সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, রোববার সকাল ১১টা ৩০ মিনিট ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ সাভারে জাতীয় স্মৃতি সৌধে বীর শহীদদের জাতীয় স্মৃতি স্তম্ভের পুস্তক অর্পণ করবেন এবং সাড়ে ১২টা ৩০ মিনিট শেরে বাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জিয়ারত করবেন।
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে প্রকাশিত আরেকটি তারকা তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছেন ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে। এতে সবচেয়ে দ্রুততম খেলোয়াড়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছেন তিনি।স্পেনের কাছে সেমিফাইনালে ২-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় ফ্রান্স। পরে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৬-৪ গোলে হারলেও জোড়া গোল করেন এমবাপে। সেই দুই গোলেই টুর্নামেন্টে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১০-এ, ফলে গোল্ডেন বুট নিশ্চিত হয় এই তারকার।বিশ্বকাপে মোট ২২ গোল করে তিনি আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনেও উঠে এসেছেন। এবার ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে প্রকাশিত আরেকটি ক্যাটাগরিতেও এক নম্বরে জায়গা করে নিলেন এই ফরাসি তারকা।ঘণ্টায় ৩৭.৬১ কিলোমিটার গতিতে দৌড়ে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে দ্রুততম খেলোয়াড় হয়েছেন এমবাপে। সুইডেনের অ্যান্থনি এলাঙ্গাকে পেছনে ফেলেছেন তিনি, যার গতি ছিল ঘণ্টায় ৩৭.১৬ কিলোমিটার। নেদারল্যান্ডসের মিকি ফন দে ফেন ঘণ্টায় ৩৬.৭৭ কিলোমিটার গতিতে দৌড়ে এই তালিকায় তিনে। শীর্ষ দশে এমবাপে ছাড়াও ফ্রান্সের আরও দুজন আছেন। ব্র্যাডলি বার্কোলা ঘণ্টায় ৩৬.৩২ কিলোমিটার দৌড়ে সাতে। ঘণ্টায় ৩৬.১৭ কিলোমিটার গতিতে দৌড়ে থিও হার্নান্দেজ নবম স্থানে।অস্ট্রেলিয়ার জর্ডান বস ঘণ্টায় ৩৬.৬৭ কিলোমিটার গতি তুলে চতুর্থ। ম্যানসিটির স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডের সবচেয়ে দ্রুতগতির দৌড় ছিল ঘণ্টায় ৩৬.৫২ কিলোমিটার। তিনি এই তালিকায় পঞ্চম স্থানে।
দক্ষিণী সুপারস্টার থালাপতি বিজয় বিদায় নিচ্ছেন রুপালি জগৎ থেকে। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বড় পর্দায় মুক্তি পাবে বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগান’। তামিল সিনেমার এই কিংবদন্তির বিদায়ী সিনেমা দেখতে রীতিমতো তোলপাড় পড়েছে ভক্ত মহলে।দীর্ঘদিন ধরেই জটিলতার ঘেরাটোপে বন্দি ছিল থালাপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগান’। বারবার আটকে যাচ্ছিল প্যান-ইন্ডিয়ান সিনেমাটির প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি। তখন থেকেই বিনোদন দুনিয়ায় গুঞ্জন চলছিল—কবে মুক্তি পাচ্ছে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয়ের শেষ সিনেমা।রাজনীতিতে পুরোপুরি যোগ দেওয়ার আগে ‘জন নায়াগান’ বিজয় ঘোষণা দেন, এটিই হতে যাচ্ছে তার ক্যারিয়ারের শেষ সিনেমা। এর মাঝেই গত ৯ এপ্রিল নির্বাচনের ঠিক আগে সিনেমাটির একটি এইচডি প্রিন্ট অনলাইনে ফাঁস হয়ে যায়। পুলিশ জড়িতদের গ্রেপ্তার করলেও নির্মাতাদের জটিলতা আরও বেড়ে গিয়েছিল। এইচ বিনোথ পরিচালিত এই বহুল আলোচিত অ্যাকশন-ড্রামাটি মুক্তির আগেই বক্স অফিসে সুনামি এনে দিয়েছে।বলিউডে আসছে জম্বি মহাযুদ্ধ, শেষ হাসি কে হাসবেনবলিউড লাইফ সূত্রে জানা গেছে, অগ্রিম টিকিট বিক্রির দ্বিতীয় দিন সোমবার (২১ জুলাই) বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে বিশাল উদ্দীপনা। ভারতে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ৬ লাখেরও বেশি টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। মঙ্গলবারের হিসাব অনুযায়ী, সিনেমাটি এরই মধ্যে অগ্রিম বুকিং থেকে আয় করে নিয়েছে প্রায় ১৫ কোটি টাকা। প্রথম উইকএন্ডের জন্য বিশ্বব্যাপী প্রি-সেল বুকিং ২৭ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। কোনো ধরনের প্রচার ছাড়াই সিনেমার জন্য এই উন্মাদনা অবিশ্বাস্য। পুরো ভারতজুড়ে ৮ হাজার শো নির্ধারণ করা হয়েছে। হল মালিকরা টিকিট নিয়ে ভক্তদের চাপ সামলাতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছেন।অনিরুদ্ধ রবিচন্দরের দুর্দান্ত সংগীতে নির্মিত এই থ্রিলারে থালাপতি ছাড়াও অভিনয় করেছেন পূজা হেগড়ে, মামিতা বাইজু, ববি দেওল, প্রকাশ রাজের মতো শক্তিশালী তারকারা। তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের দুর্দান্ত জয়ের পর তার এই শেষ সিনেমা নিয়ে উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। বিজয়ের ক্যারিয়ারের এই ঐতিহাসিক বিদায়ী সিনেমাটি বছরের অন্যতম সেরা ওপেনিং রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বলেই ধারণা।
কয়েকদিন ধরে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে বিরামহীন বৃষ্টি হচ্ছে। কখনো ভারী, কখনো হালকা। বৃষ্টি তছনছ করে দিয়েছে এ অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি। ডুবেছে শত শত একর ফসলি জমি, ভেসে গেছে মাছ। হতাহতও হয়েছেন প্রায় অর্ধশত কৃষক। কৃষি এবং মৎস্য বিভাগের প্রাথমিক জরিপ বলছে, বিভাগের ছয় জেলায় এ দুই সেক্টরে এখন পর্যন্ত মোট ক্ষতির পরিমাণ ৩৮ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। যার মধ্যে শুধু কৃষিপণ্যের ক্ষতি প্রায় ১৮ কোটি টাকার। আরও ২০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে মৎস্য খাতে। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার সোনাতলা গ্রামের আব্দুর রহিম বলেন, ‘মাছচাষিদের স্বপ্ন পানিতে ভেসে গেছে।’ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অবিরাম বর্ষণে বিভাগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নদীতীরবর্তী এবং নিম্নাঞ্চল। এতে পাকা ধান, শাকসবজি, রোপা আমন বীজতলা এবং উদ্যান ফসল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক এলাকার নিচু জমিতে পানি জমে যাওয়ায় সদ্য রোপণ করা চারা পচে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। মাঠের পর মাঠ সবজিক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাজারে।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশাল খামারবাড়ির হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ৯ জুলাই থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিপাত ও নদনদীর পানি বৃদ্ধিতে বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় ৪১ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ২৯ হাজার ৯১৯ মেট্রিক টন ফসল নষ্ট হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ১৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ফসলের ক্ষতি হয়েছে বরগুনা জেলায়। যেখানে ৬ হাজার ৭০৯ হেক্টর জমির ফসল পানিতে ডুবে আছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি পিরোজপুরে, কারণ এ জেলায় ছোট খামারের সংখ্যা বেশি, যেগুলো ভেসে গেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, পিরোজপুরে ২৫ হাজার ৮০০ কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সবচেয়ে কম বরগুনায় ১ হাজার ১২৫ কৃষকের ক্ষতি হয়েছে।অন্যদিকে, বরিশাল মৎস্য ভবনের তথ্য বলছে, কৃষির পাশাপাশি মৎস্য খাতেও ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে। বরিশাল ও ঝালকাঠি বাদে বিভাগের বাকি ছয় জেলায় মৎস্য খাতে এখন পর্যন্ত ২০ কোটি ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করেছে মৎস্য বিভাগ। এর মধ্যে ১৪৪টি ইউনিয়নে ৬ হাজার ৪৬৯ মাছের পুকুর ও খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৪৫৫ হেক্টর পুকুর, ঘের ও অন্যান্য জলাশয় প্লাবিত হয়ে ৭৪৭ টন মাছ এবং ৯৩ লাখ মাছের পোনা, ৪৫ মেট্রিক টন চিংড়ি ভেসে গেছে। বরিশাল আঞ্চলিক মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এসব পুকুর ও ঘেরে চাষকৃত রুই, কাতল, মৃগেল, মাগুর, কইসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বৃষ্টি এবং জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে। অনেক চাষি বৃষ্টির মধ্যে ঘেরের চারপাশে নেট দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বৃষ্টির পরিমাণ এত বেশি ছিল যে, অনেকেই নেট দিয়েও রক্ষা করতে পারেননি।মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, মৎস্য খাতে ক্ষতির পাশাপাশি বিভাগে প্রাণ হারিয়েছেন পাঁচজন জেলে। আহত হয়েছেন ২৫ জন। তারা সবাই পটুয়াখালীর বাসিন্দা। তারা সবাই দুর্যোগকালীন নদী এবং সমুদ্রে মাছ শিকার করতে গিয়ে হতাহত হয়েছেন।বর্ষা মৌসুমের শুরুতে এমন ক্ষতির কারণে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের কৃষক এবং কৃষি উদ্যোক্তারা। অনেকের স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে। এখন লাভের পরিবর্তে দেনা কীভাবে শোধ করবেন, তা নিয়ে ভাবছেন দরিদ্র কৃষক আর উদ্যোক্তারা। বরিশাল সদর উপজেলার চাঁদপুরা ইউনিয়নের কৃষক রিয়াজ বলেন, ‘ধান কাটার সময়ের আগেই ক্ষেত ডুবে গেছে। এখন আধাপাকা ধান কাটতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন এবং চালের মান খারাপ হবে।’ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা ও সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতির কাজ চলছে। অন্যদিকে, মৎস্য খাতে ক্ষতিগ্রস্ত চাষি, উদ্যোক্তা এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তালিকা এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সরকারি বরাদ্দ পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষিদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
২ দিন আগে
একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় কামনা থাকে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। কোরআন ও সহিহ হাদিসে এমন কিছু আমলের কথা এসেছে, যেগুলো আল্লাহর বিশেষ সন্তুষ্টির কারণ। কিছু হাদিসে আরও এসেছে, নির্দিষ্ট কিছু আমলের ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ তাঁর শান ও মর্যাদার উপযোগীভাবে হাসেন। এই হাসির প্রকৃত ধরন একমাত্র আল্লাহই জানেন। তাই এ বিষয়ে কোরআন ও সুন্নাহয় যা এসেছে, তা-ই বিশ্বাস করা মুসলমানের কর্তব্য। এর বেশি কোনো ব্যাখ্যা বা তুলনা করা ঠিক নয়।১. মেহমানকে নিজের চেয়ে অগ্রাধিকার দেওয়ামদিনার এক আনসারি সাহাবির ঘরে খাবার ছিল খুবই অল্প। এমন সময় এক ক্ষুধার্ত মেহমান এলে তিনি ও তাঁর স্ত্রী নিজেদের অংশটুকুও মেহমানের জন্য রেখে দেন। বাতি নিভিয়ে এমনভাবে বসেছিলেন, যেন মনে হয় সবাই একসঙ্গে খাচ্ছেন। অথচ তাঁরা সেদিন না খেয়েই রাত কাটান।পরদিন রাসুলুল্লাহ (স.) তাঁদের উদ্দেশে বলেন, ‘গত রাতে তোমরা মেহমানের সঙ্গে যে আচরণ করেছ, তা দেখে আল্লাহ হেসেছেন (অথবা সন্তুষ্ট হয়েছেন)।’ (সহিহ বুখারি: ৩৭৯৮)মুফাসসিরদের মতে, আনসারদের এই আত্মত্যাগের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই সুরা হাশরের ৯ নম্বর আয়াত নাজিল হয়, যেখানে তাদের মহানুভবতার প্রশংসা করা হয়েছে।
টুথব্রাশ আমাদের মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। প্রতিদিন দাঁত ও মাড়ি পরিষ্কার করার সময় আমরা এটি ব্যবহার করি।তবে নিয়মিত ব্যবহারের ফলে টুথব্রাশের ব্রিসলের ওপর নানা জীবাণু, প্লাক ও খাদ্যকণা জমে যায় এবং ধীরে ধীরে ব্রিসল ক্ষয় হতে থাকে। এ কারণেই ডেন্টাল বিশেষজ্ঞরা সাধারণত প্রতি ৩-৪ মাস অন্তর টুথব্রাশ পরিবর্তনের পরামর্শ দেন।শুধু ব্রাশের ক্ষয় নয়, আরো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণে টুথব্রাশ বদলানো প্রয়োজন। চলুন, জেনে নিই-ব্রাশের কার্যকারিতা কমে যাওয়ানিয়মিত ব্যবহারের ফলে টুথব্রাশের ব্রিসল ধীরে ধীরে বেঁকে যায় ও নষ্ট হয়। এতে দাঁতের ওপর জমে থাকা প্লাক, খাদ্যের অবশিষ্টাংশ ও জীবাণু ঠিকমতো পরিষ্কার করা সম্ভব হয় না। ভালোভাবে দাঁত পরিষ্কারের জন্য শক্ত ও সঠিক আকৃতির ব্রিসল প্রয়োজন। তাই ব্রাশের কার্যকারিতা কমে গেলে তা পরিবর্তন করা জরুরি। কারো ক্ষেত্রে যদি ব্রাশ দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে ১-২ মাস অন্তর বদলানোও ভালো।জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া জমে যাওয়াপ্রতিদিন ব্যবহৃত টুথব্রাশে সময়ের সঙ্গে জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙাস জমে যেতে পারে। বিশেষ করে যদি ব্রাশ ভেজা অবস্থায় রাখা হয় বা ঠিকমতো শুকাতে না দেওয়া হয়। এই জীবাণু পুনরায় মুখে প্রবেশ করে দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট সময় পর টুথব্রাশ বদলানো প্রয়োজন।মাড়ি ও দাঁতের ক্ষতির ঝুঁকিপুরনো ও নষ্ট ব্রিসলযুক্ত টুথব্রাশ মাড়িতে আঘাত করতে পারে। এর ফলে মাড়ি থেকে রক্তপাত, প্রদাহ বা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। নতুন ও নরম ব্রিসলযুক্ত টুথব্রাশ মাড়ির জন্য নিরাপদ এবং দাঁত পরিষ্কার করতেও বেশি কার্যকর।রোগ থেকে সেরে ওঠার পরজ্বর, সর্দি-কাশি বা ফ্লুর মতো কোনো সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠলে পুরনো টুথব্রাশ পরিবর্তন করা উচিত। কারণ ব্যবহৃত ব্রাশে রোগের জীবাণু থেকে যেতে পারে, যা আবার সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই অনেক দন্তচিকিৎসক অসুস্থতার পর দ্রুত টুথব্রাশ বদলানোর পরামর্শ দেন।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
দাম বাড়লেও ফিচারে বড় চমক নিয়ে আসছে গুগলের নতুন পিক্সেল ১১ সিরিজ। আগামী ১২ আগস্ট আয়োজিত বার্ষিক মেইড বাই গুগল ইভেন্টে এই নতুন স্মার্টফোন সিরিজ লঞ্চ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই অনলাইনে ফোনগুলোর ৩৬টি অফিসিয়াল রেন্ডার ফাঁস হয়েছে, যেখানে নতুন ডিভাইসগুলোর ডিজাইন, আকর্ষণীয় রঙ এবং সম্ভাব্য ফিচারের ঝলক মিলেছে।ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের এই নতুন সিরিজে মোট চারটি প্রিমিয়াম মডেল বাজারে আসছে। মডেলগুলো হলো পিক্সেল ১১, পিক্সেল ১১ প্রো, পিক্সেল ১১ প্রো এক্সএল এবং পিক্সেল ১১ প্রো ফোল্ড।আসন্ন এই স্মার্টফোনগুলো বেশ কয়েকটি আকর্ষণীয় রঙে বাজারে আসতে পারে। ফাঁস হওয়া ডেটা থেকে জানা গেছে, পিক্সেল ১১ মডেলটি নীল, সবুজ, মিডনাইট এবং গোলাপি রঙে পাওয়া যাবে। অন্যদিকে পিক্সেল ১১ প্রো ও পিক্সেল ১১ প্রো এক্সএলের ক্ষেত্রে সবুজ, হালকা সবুজ, মিডনাইট এবং কোরাল রেড ফিনিশ থাকতে পারে। প্রো মডেলগুলোতে তুলনামূলকভাবে আরও প্রিমিয়াম ও মিনিমাল ডিজাইন দেখতে পাওয়া যাবে।ডিজাইন ও ফিচারের দিক থেকেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। নতুন এই মডেলে গুগল তাদের পরিচিত পিল-আকৃতির ক্যামেরা আইল্যান্ড, মাঝখানে পাঞ্চ-হোল সেলফি ক্যামেরা এবং ফ্ল্যাট অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেমের ডিজাইন বজায় রাখছে। সব মডেলেই ওয়াইড, আল্ট্রা-ওয়াইড এবং পেরিস্কোপ টেলিফটোসহ ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা থাকার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।তবে এই সিরিজের সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি আসতে পারে এর প্রসেসরে। পিক্সেল ১১ সিরিজে গুগলের নতুন টেন্সর জি৬ চিপসেট থাকতে পারে, যা টিএসএমসি-র তৈরি প্রথম টু-ন্যানোমিটার প্রসেসর বলে জানা যাচ্ছে। এ ছাড়া এতে টাইটান এম থ্রি সিকিউরিটি চিপ, মিডিয়াটেক এম ৯০ মডেম এবং নতুন পাওয়ার ভিআর জিপিইউ যুক্ত করা হতে পারে।