চট্টগ্রামের রাউজানে প্রকাশ্য দিবালোকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডে অন্তত ছয়জন অংশ নেয়, যার মধ্যে দুজনের হাতে পিস্তল ছিল।শনিবার (১৩ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার চুয়েট সংলগ্ন পাহাড়তলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাকসুদুল হক চৌধুরী রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি রাঙ্গুনিয়া আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে পাহাড়তলী বাজার এলাকায় অবস্থান করছিলেন মাকসুদুল চৌধুরী। এ সময় ছয়জনের একটি দল তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে দুজন খুব কাছ থেকে তাঁর মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে সরাসরি গুলি করে। পরে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান এই যুবদল নেতা।প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হামলাকারীদের একজনের পরনে টি-শার্ট ও জিন্স প্যান্ট ছিল এবং তার হাতে পিস্তল দেখা গেছে। এই নৃশংস ঘটনার পর ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. জুনায়েত কাউছার বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে ছয়জনকে শনাক্ত করা গেছে। এর মধ্যে দুজনের হাতে পিস্তল ছিল। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, দুপুর দেড়টার দিকে মাসুদ চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সুনির্দিষ্ট তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সামাজিক, মানবিক বাজেট দেওয়ার পরেও একটি খবরে দেখলাম মানুষের ক্ষতিকারক দিকগুলোর বিষয়ে দাম বাড়ানো হয় এই বাজেটে। এই কারণে এ বাজেট বিরোধী দলের পছন্দ নয়। তাহলে এবারের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছেন? লক্ষ্য বুঝতে পেরেছেন? তাদের লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো নয়। তাদের উদ্দেশ্য একটাই, তাদের লক্ষ্য একটাই। সেটা হচ্ছে দেশের পথে অশান্তি তৈরি করা। মানুষকে বিভ্রান্ত করা।বাজেট নিয়ে বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেট দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত কোনো পণ্যের দাম বাড়েনি। বরং ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, কর বাড়ানো হয়েছে শুধু মদ ও সিগারেটের ওপর। কারণ এগুলো মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু বিরোধী দল সেটি নিয়েও সমালোচনা করছে। তাদের উদ্দেশ্য জনগণ ভালোভাবেই বুঝতে পারছে।শনিবার (১৩ জুন) কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী এলাকায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক পাতলী খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনকালে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।‘করবো কাজ, গড়ব দেশ’—এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে কৃষক, নারী, শিক্ষার্থী ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের জন্য। সরকার দেশের ২০ কোটি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।বেলা ১১টার দিকে নিজ হাতে মাটি কেটে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে দেশের জন্য কাজ করব—এমন প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম। আজ সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথেই এগিয়ে যাচ্ছি। পাতলী খাল পুনঃখনন শুধু একটি প্রকল্প নয়, এটি কৃষি, সেচ ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সামাজিক, মানবিক বাজেট দেওয়ার পরেও একটি খবরে দেখলাম মানুষের ক্ষতিকারক দিকগুলোর বিষয়ে দাম বাড়ানো হয় এই বাজেটে। এই কারণে এ বাজেট বিরোধী দলের পছন্দ নয়। তাহলে এবারের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছেন? লক্ষ্য বুঝতে পেরেছেন? তাদের লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো নয়। তাদের উদ্দেশ্য একটাই, তাদের লক্ষ্য একটাই। সেটা হচ্ছে দেশের পথে অশান্তি তৈরি করা। মানুষকে বিভ্রান্ত করা।বাজেট নিয়ে বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেট দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত কোনো পণ্যের দাম বাড়েনি। বরং ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, কর বাড়ানো হয়েছে শুধু মদ ও সিগারেটের ওপর। কারণ এগুলো মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু বিরোধী দল সেটি নিয়েও সমালোচনা করছে। তাদের উদ্দেশ্য জনগণ ভালোভাবেই বুঝতে পারছে।শনিবার (১৩ জুন) কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী এলাকায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক পাতলী খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনকালে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।‘করবো কাজ, গড়ব দেশ’—এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে কৃষক, নারী, শিক্ষার্থী ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের জন্য। সরকার দেশের ২০ কোটি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।বেলা ১১টার দিকে নিজ হাতে মাটি কেটে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে দেশের জন্য কাজ করব—এমন প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম। আজ সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথেই এগিয়ে যাচ্ছি। পাতলী খাল পুনঃখনন শুধু একটি প্রকল্প নয়, এটি কৃষি, সেচ ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘সি’-এর বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ফুটবল পরাশক্তি ব্রাজিল ও আফ্রিকার অন্যতম শক্তিশালী দল মরক্কো। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এই ম্যাচকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে।ম্যাচের আগে স্পোর্টসকাস্টিংয়ের সুপারকম্পিউটার বিশ্লেষণে ব্রাজিলকে স্পষ্ট ফেভারিট হিসেবে দেখানো হয়েছে। মডেলটির হিসাব অনুযায়ী, ব্রাজিলের জয়ের সম্ভাবনা ৫৫.৩ শতাংশ, যেখানে মরক্কোর জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ১৯.২ শতাংশ। অন্যদিকে ড্র হওয়ার সম্ভাবনা ধরা হয়েছে ২৫.৪ শতাংশ।বিশ্লেষণে সবচেয়ে সম্ভাব্য ফলাফল হিসেবে উঠে এসেছে ব্রাজিলের ১-০ গোলের জয়। এই স্কোরলাইনের সম্ভাবনা ১৪.৭ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২-০ ব্যবধানে ব্রাজিলের জয়ের সম্ভাবনাও উল্লেখযোগ্য।নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তিরর অধীনে ব্রাজিলের আক্রমণভাগে আছেন তারকা ফুটবলার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া, ইগরে থিয়াগো ও এন্দ্রিকের মতো তারকারা। তাদের উপস্থিতি ব্রাজিলকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।অন্যদিকে মরক্কোও সহজ প্রতিপক্ষ নয়। ২০২২ বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে সেমিফাইনালে ওঠা দলটি এবারও আত্মবিশ্বাসী। দলের অন্যতম ভরসা আশরাফ হাকিমি ও সুফিয়ান আমরাবাত। তবে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের ফিটনেস নিয়ে শঙ্কা থাকায় মরক্কো কিছুটা চাপে রয়েছে।সুপারকম্পিউটারের মতে, ম্যাচটিতে গোলসংখ্যা কম হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ফলে ব্রাজিলের জয় এবং ২.৫ গোলের নিচে ম্যাচ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে শক্তিশালী পূর্বাভাস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।সবশেষে পরিসংখ্যান ও সম্ভাবনার বিচারে ব্রাজিল এগিয়ে থাকলেও বিশ্বকাপের মঞ্চে চমক দেখানোর সামর্থ্য মরক্কোর রয়েছে। তবে সুপারকম্পিউটারের পূর্বাভাস বলছে, এই লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসতে পারে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।
বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নিলেও ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে দেশের কোটি দর্শকের মতোই উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন দেশের তারকা অঙ্গন। এর মাঝেই নাম চলে আসে ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের। অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেও ফুটবলের প্রতি তার ভালোবাসা বরাবরই আলোচনায় থাকে।সম্প্রতি প্রিয় দল ও প্রিয় খেলোয়াড় সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে অপু বিশ্বাস জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ব্রাজিলের সমর্থক। পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে দুই ফুটবল তারকার প্রতিও তার বিশেষ পছন্দ রয়েছে।গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি নেইমারকে অনেক পছন্দ করি। তার খেলা, মাঠের উপস্থিতি সবকিছুই আমার ভালো লাগে। আর ব্যক্তিত্বের দিক থেকে মেসিকে আমার পছন্দ।”নিজে ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক হলেও তার ছেলে আব্রাম খান জয় সমর্থন করে আর্জেন্টিনাকে। বিষয়টি নিয়ে হাস্যরসের সুরে অপু বলেন, “আমি ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক। যারা খেলা বোঝে তারা ব্রাজিল করে। ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের খেলায় আলাদা একটা ছন্দ আছে। তবে শুধু ব্রাজিলের সমর্থক হলে তো চলবে না, অন্য দলের সমর্থকও দরকার। তা না হলে খেলা দেখে মজা থাকবে না। আমার ছেলে জয় আর্জেন্টিনা করে, সে মেসির ভক্ত।”বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেবল একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং একটি উৎসব হিসেবেই দেখেন এই অভিনেত্রী। বিশ্বকাপের সময় পরিবারের সঙ্গে রাত জেগে খেলা দেখার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।অপু বিশ্বাস বলেন, “বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই উত্তেজনায় ভরপুর এক পরিবেশ। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ঈদের মতো একটা আমেজ তৈরি হয়। অনেক সময় রান্নাবান্না শেষ করে টেলিভিশনের সামনে বসে যাই। রাত দুইটা-তিনটা বেজে গেলেও দেখা যায় আমরা খেলা দেখছি।”
৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ‘বড় হলেও বাস্তবায়নযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। তবে এ বিশাল বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দূরদর্শিতা, দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে সংগঠনটি।শনিবার (১৩ জুন) বাজেট পরবর্তী তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এফবিসিসিআই এ কথা জানিয়েছে। এফবিসিসিআই জানায়, বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির পথে যাত্রার জন্য এই বাজেটের আকার অবাস্তব নয়। তবে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ এই বাজেট বাস্তবায়নে সরকারকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে। এবারের বাজেটে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছে সংগঠনটি।প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার বিশাল রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যাকে সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে এফবিসিসিআই। বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) সংস্কার আনা জরুরি বলে মনে করে সংগঠনটি।বাজেট ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এক লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকার অতিরিক্ত ঋণ নিলে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।এতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে এফবিসিসিআই। সংগঠনটির মতে, স্থানীয় ব্যাংকের পরিবর্তে যতটা সম্ভব সুলভ সুদে বৈদেশিক উৎস থেকে অর্থায়নের দিকে নজর দেওয়া উচিত।বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ সহজ করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার ‘স্টিমুলাস প্যাকেজ ২০২৬’ ঘোষণাকে সাধুবাদ জানিয়েছে এফবিসিসিআই। এছাড়া শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে আগাম আয়কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশ করা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যেমন- চাল, ডাল, তেল ও মসলা আমদানিতে কর হ্রাসের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে তারা। স্টার্টআপ ও নারী উদ্যোক্তাদের জন্য কর অব্যাহতি এবং বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাবকেও স্বাগত জানানো হয়েছে।ডিজিটাল বাংলাদেশ ও দক্ষ জনশক্তি গড়ার লক্ষ্যে ল্যাপটপ, ডেস্কটপসহ কম্পিউটার সামগ্রী আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাবকে সরকারের একটি ‘অনন্য প্রয়াস’ হিসেবে অভিহিত করেছে এফবিসিসিআই। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎসাহিত করতে সৌর বিদ্যুৎ খাতে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত শূন্য শতাংশ কর হার এবং ইলেকট্রিক যানবাহন আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাবকে প্রশংসনীয় বলেছে সংগঠনটি।সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করা হলেও বর্তমান মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় এটি আরও বাড়ানো এবং সর্বোচ্চ কর হার ৩৫ শতাংশের পরিবর্তে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে এফবিসিসিআই। তবে রডসহ নির্মাণ সামগ্রীর ওপর ভ্যাট বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।
৭ ঘন্টা আগে
হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ জন বাংলাদেশি হাজি। হজ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে ৫০ জন হজযাত্রী ও হাজি মারা গেছেন।শুক্রবার (১২ জুন) দিনগত রাত ৩টা পর্যন্ত ১২৩টি ফিরতি ফ্লাইটে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৩ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫০ হাজার ১০ জন দেশে ফিরেছেন।ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালে আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গত ২৬ মে সৌদি আরবে হজ অনুষ্ঠিত হয়।পোর্টালে জানানো হয়, সর্বশেষ গত ১১ জুন বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী সুলতানা রাজিয়া চৌধুরী (৬৭) মদিনায় মারা গেছেন। তার বাড়ি সিলেট সদরে।সৌদি আরবে মৃত্যুবরণ করা বাংলাদেশি হজযাত্রীদের মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ ও ১৭ জন নারী। এদের মধ্যে মক্কায় ৩৫, মদিনায় ১৪ ও জেদ্দায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।বুলেটিন অনুযায়ী, দেশে ফেরা ৫৪ হাজার ৩২৩ জন হাজির মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৩ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫০ হাজার ১০ জন রয়েছেন।এসব হাজি দেশে ফেরাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৫৮টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৪৮টি এবং ফ্লাইনাস ২১টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।হজ বুলেটিনে আরও জানানো হয়, সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানীয় হাসপাতালে মোট ৪১০ জন হাজি চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। বর্তমানে ১৮ জন হাজি বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।এবার বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করেছেন। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালন করেন। হজযাত্রীদের সৌদি আরবগামী প্রথম ফ্লাইট ছিল ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে। অন্যদিকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে ৩০ মে, যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।
বিবাহ একটি সামাজিক ও আইনি বন্ধন, যা শুধু ভরণ-পোষণ বা সংসারের দায়িত্বের ওপর নির্ভর করে না; বরং এটি টিকে থাকে দুইজন মানুষের পারস্পরিক মানসিক বোঝাপড়ার ওপর। দাম্পত্য জীবনে মানসিক শান্তি ও সুন্দর সম্পর্কের জন্য জ্যোতিষশাস্ত্র মতে বিবাহের পূর্বে যোটক বা রাশির বিচার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বিপরীতমুখী স্বভাবের মানুষের মধ্যে বনিবনা হওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। সম্পর্কের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে কোন রাশির সাথে কোন রাশির বিবাহ এড়িয়ে চলা উচিত, তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো-মেষ ও বৃষ: মেষ রাশির জাতক-জাতিকারা স্বাধীনচেতা স্বভাবের হওয়ায় বৃষ রাশির সঙ্গে তাদের মিল হওয়া কঠিন।বৃষ ও ধনু: বৃষ রাশির মানুষরা লক্ষ্যে স্থির ও সৎ থাকেন, অন্যদিকে ধনু রাশি তাদের থেকে ভিন্ন প্রকৃতির হওয়ায় এই জুটি অযোগ্য বলে বিবেচিত।মিথুন ও মকর: এই দুটি রাশির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী, তাই এদের সম্পর্ক খুব একটা সুখকর হয় না।কর্কট ও কুম্ভ: কর্কট রাশি অত্যন্ত আবেগপ্রবণ, কিন্তু কুম্ভ রাশির ব্যক্তিদের মধ্যে আবেগের আধিক্য কম থাকে, যা মানসিক দূরত্বের কারণ হতে পারে।সিংহ ও বৃশ্চিক: সিংহ রাশির জাতকরা মানসিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী ও স্বাধীনচেতা, তারা অন্যের বশ্যতা স্বীকার করতে চান না, তাই বৃশ্চিক রাশির সাথে তাদের বিবাদ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।কন্যা ও ধনু: কন্যা রাশির মানুষের পরোপকারী স্বভাবের সাথে ধনু রাশির প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতার বড় ধরনের অমিল দেখা যায়।তুলা ও কন্যা: তুলা রাশির মানুষ নিজের চিন্তা-ভাবনায় বেশি মশগুল থাকেন, যা কন্যা রাশির সেবাধর্মী মানসিকতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।বৃশ্চিক ও মেষ: বৃশ্চিক রাশির মানুষরা নরম মনের জীবনসঙ্গী পছন্দ করেন, যা মেষ রাশির ক্ষেত্রে সাধারণত দেখা যায় না।ধনু ও বৃষ: ধনু রাশির ব্যক্তিরা নিজের কাজে ব্যস্ত থাকেন, আর বৃষ রাশি নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এই জুটির মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব ঘটে।মকর ও মিথুন: জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, মকর রাশির জন্য মিথুন রাশিকে সবচেয়ে খারাপ ম্যাচ হিসেবে গণ্য করা হয়।কুম্ভ ও কর্কট: কুম্ভ রাশির ব্যক্তিরা অনেক বিষয়ে যত্নশীল হলেও কর্কট রাশির সাথে তাদের মানসিক মেলবন্ধন খুব একটা শুভ হয় না।মীন ও কন্যা: এই দুই রাশির পারস্পরিক স্বভাবের পার্থক্যের কারণে তাদের বিবাহিত জীবন সুখী হওয়া প্রায় অসম্ভব।উপযুক্ত রাশির সঠিক বিচার এবং একে অপরের মানসিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করলে দাম্পত্য জীবন অনেক বেশি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।