ঢাকা রবিবার ০৯ শ্রাবণ ১৪৩১ সকাল ০৯:৫৭:৪১ (09-Aug-2026)

জাতীয় বাজেট ২৬-২৭
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও দুজন। এদের সবাই ঢাকা বিভাগের।শনিবার (৮ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৬৭।এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৯৮ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৭৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।একই সময়ে ৯৯ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১৭ হাজার ৪০ জন।এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৬৭৭ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এতে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৩৫ হাজার ৩৩২ জনে।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আগের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সংকট তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকার দেশ ও দেশের মানুষকে এই সংকট থেকে রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।শনিবার (০৮ আগস্ট) জাতীয় সংসদের এলডি হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র, রাজনীতি ও প্রশাসনে ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগীরা বসে নেই। এই চক্র কৌশলে দেশের জ্বালানি বা বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করতে বেশ সক্রিয় রয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ খাত নিয়ে তারা নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে নিম ও অর্জুন গাছের চারা রোপণ করেন।প্রধানমন্ত্রী পরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে চিকিৎসক সমাবেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার অস্বীকার করেনি যে বর্তমানে দেশের মানুষ বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকটে রয়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দিতে পূর্বে যে অপরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তার খেসারত এখন দেশ, দেশের মানুষ ও সরকারকে দিতে হচ্ছে।’তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অবস্থায় দেশকে পেয়েছে। নানা সংকট কাটিয়ে সেই অবস্থা থেকে উত্তরণে ইতোমধ্যে আমরা নানা কাজ শুরু করেছি। পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে যেন গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি সংকট থেকে মানুষকে ধীরে ধীরে বের করে আনা যায়।’এর আগে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও মোনাজাতের মাধ্যমে চিকিৎসক সমাবেশ শুরু হয়। এ সমাবেশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ড্যাবের নেতাকর্মী ও চিকিৎসকেরা অংশ নেন।ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল প্রমুখ।মার্কিন উদ্ভাবক ও ব্যবসায়ী টমাস আলভা এডিসনের একটি উক্তির উদাহরণ দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘তিনি বলেছিলেন ভবিষ্যতের চিকিৎসকরা কোনো ওষুধ দেবেন না। বরং তারা রোগীদের শরীরচর্চা, সুষম খাদ্য এবং রোগ প্রতিরোধের কারণ ও উপায় সম্পর্কে সচেতন করবেন। তার এ নীতির সঙ্গে বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্যনীতির মিল আছে।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’ নীতিতে বিশ্বাস করে। এর অর্থ হলো ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’। মানে কোনো রোগ হওয়ার পরে তার সমাধান বা চিকিৎসা খোঁজার চেয়ে, তা যেন না হতে পারে সেই বিষয়ে আগে থেকেই সতর্ক থাকা দরকার।’তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে সরকার সারাদেশে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যারা নাগরিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে সতর্ক ও সচেতন করবে। তবে স্বাস্থ্যকর্মীদের যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত করার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নেতৃত্ব দিতে হবে।’সমাবেশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ড্যাবের নেতাকর্মী ও চিকিৎসকেরা অংশ নেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মেসির বাবা আর নেই!

মেসির বাবা আর নেই!

বিশ্বকাপের হতাশা ভুলে ক্লাব ফুটবলে যোগ দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। এর মাঝেই বড় দুঃসংবাদ পেয়েছেন তিনি। আর্জেন্টিনার রোজারিওর একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে চলে গেলেন লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি।ইনফোবের তথ্য অনুযায়ী, লিওনেল মেসির বাবা ও এজেন্ট হোর্হে মেসি গত রাতে রোজারিওর একটি ক্লিনিকে মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। দীর্ঘদিন অসুস্থতার সাথে লড়াই করছিলেন তিনি।মেসির বাবা হওয়ার পাশাপাশি হোর্হে ছিলেন তার দীর্ঘদিনের এজেন্টও। স্ত্রী সেলিয়া কুচ্চিত্তিনির সঙ্গে তার চারটি সন্তান ছিল—লিওনেল মেসি, রদ্রিগো, মাতিয়াস ও মারিয়া সোল। বিশ্বসেরা ফুটবলার হয়ে ওঠার পথে মেসির সবচেয়ে বড় ভরসা ছিলেন তার বাবা।শৈশবে মেসি গ্রোথ হরমোনের অভাবজনিত রোগে আক্রান্ত হন। সে সময় আর্জেন্টিনার ক্লাব নিউয়েলস ওল্ড বয়েজের যুবদলে খেলা মেসির চিকিৎসার সব ব্যবস্থা করেছিলেন হোর্হে। ইউরোপে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য মেসি যখন স্পেনে পাড়ি জমান, তখন সঙ্গে ছিলেন হোর্হেও। বাবা-ছেলে যখন বার্সেলোনায় নতুন জীবন শুরু করেন, পরিবারের বাকি সদস্যদের দেখাশোনার জন্য সেলিয়া থেকে যান রোজারিওতে। পরে মেসির ক্যারিয়ারের সব দিক সামলাতেন হোর্হে। চুক্তি, ট্রান্সফারসহ মাঠের বাইরের সব বিষয়ে ছেলের পাশে ছিলেন তিনি। জনসম্মুখে তিনি খুব একটা আসতেন না এবং সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারও কম দিতেন। জার্মানির ‘কিকার’ ও স্পেনের ‘ইনফরমে রবিনসনের’ মতো কিছু গণমাধ্যমে কথা বললেও বেশিরভাগ সময় তিনি প্রচারবিমুখই ছিলেন। মাঝেমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের অর্জন ও পরিবারের নানা মুহূর্ত শেয়ার করতেন তিনি। বিশ্বকাপসহ বড় বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে পরিবার নিয়ে গ্যালারিতে দেখা যেত তাকে।তবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে দৃশ্যপট ছিল ভিন্ন। মেসির স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জো এবং তিন ছেলে থিয়াগো, মাতেও ও সিরো খেলা দেখতে গেলেও হোর্হে বা পরিবারের অন্য সদস্যদের সেভাবে দেখা যায়নি; যা নিয়ে সে সময় নানা আলোচনা হয়েছিল। ইনফোবায়ে তখনই জানিয়েছিল, হোর্হে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন।ছেলের শৈশবে ফুটবল ক্যারিয়ার এগিয়ে নিতে যিনি পথ খুঁজে বের করেছিলেন, ১৩ বছর বয়সী মেসিকে সঙ্গে নিয়ে যিনি ইউরোপে জীবন শুরু করেছিলেন—সেই বাবা কয়েক দশক ধরে ছেলের পাশে ছিলেন এজেন্ট হয়ে। মেসির ফুটবল যাত্রার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সঙ্গী সেই বাবা ৬৮ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

  • বাজারে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

    বাজারে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

  • চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির: রাশেদ খান

    গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির: রাশেদ খান

  • সোনার দাম ভ‌রি‌তে বাড়ল ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা

    সোনার দাম ভ‌রি‌তে বাড়ল ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা

  • এসএসসির ফল সোমবার, যে ৩ উপায়ে জানবেন ফলাফল

    এসএসসির ফল সোমবার, যে ৩ উপায়ে জানবেন ফলাফল

  • উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ৫টি উপকারী খাবার

    উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ৫টি উপকারী খাবার

  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণা

    জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণা

  • ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চাই

    ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চাই

  • ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চাই

    ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চাই

  • ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চাই

    ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চাই

  • ৩৬ জুলাই উপলক্ষে ৩৬ টাকায় সিম দিচ্ছে টেলিটক

    ৩৬ জুলাই উপলক্ষে ৩৬ টাকায় সিম দিচ্ছে টেলিটক

  • এক মাসে পোলাও চাল কেজিতে বেড়েছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা

    এক মাসে পোলাও চাল কেজিতে বেড়েছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা

  • এক মাসে পোলাও চাল কেজিতে বেড়েছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা

    এক মাসে পোলাও চাল কেজিতে বেড়েছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা

  • ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের ফের সংঘর্ষ, পুলিশ মোতায়েন

    ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের ফের সংঘর্ষ, পুলিশ মোতায়েন

  • ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের ফের সংঘর্ষ, পুলিশ মোতায়েন

    ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের ফের সংঘর্ষ, পুলিশ মোতায়েন

  • রাজধানীতে দুই জায়গায় উন্মুক্ত কনসার্ট আজ

    রাজধানীতে দুই জায়গায় উন্মুক্ত কনসার্ট আজ

সব খবর

  • জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

    জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

  • মেসির বাবা আর নেই!

    মেসির বাবা আর নেই!

  • হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

    হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

  • পুলিশের কাছ থেকে যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিল নেতাকর্মীরা

    পুলিশের কাছ থেকে যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিল নেতাকর্মীরা

  • ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চাই

    ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চাই

  • বাড়ির আন্ডারগ্রাউন্ডে চোরাই গরুর খামার, যুবদল কর্মী আটক

    বাড়ির আন্ডারগ্রাউন্ডে চোরাই গরুর খামার, যুবদল কর্মী আটক

সব খবর

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আগের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সংকট তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকার দেশ ও দেশের মানুষকে এই সংকট থেকে রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।শনিবার (০৮ আগস্ট) জাতীয় সংসদের এলডি হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র, রাজনীতি ও প্রশাসনে ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগীরা বসে নেই। এই চক্র কৌশলে দেশের জ্বালানি বা বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করতে বেশ সক্রিয় রয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ খাত নিয়ে তারা নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে নিম ও অর্জুন গাছের চারা রোপণ করেন।প্রধানমন্ত্রী পরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে চিকিৎসক সমাবেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার অস্বীকার করেনি যে বর্তমানে দেশের মানুষ বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকটে রয়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দিতে পূর্বে যে অপরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তার খেসারত এখন দেশ, দেশের মানুষ ও সরকারকে দিতে হচ্ছে।’তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অবস্থায় দেশকে পেয়েছে। নানা সংকট কাটিয়ে সেই অবস্থা থেকে উত্তরণে ইতোমধ্যে আমরা নানা কাজ শুরু করেছি। পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে যেন গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি সংকট থেকে মানুষকে ধীরে ধীরে বের করে আনা যায়।’এর আগে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও মোনাজাতের মাধ্যমে চিকিৎসক সমাবেশ শুরু হয়। এ সমাবেশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ড্যাবের নেতাকর্মী ও চিকিৎসকেরা অংশ নেন।ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল প্রমুখ।মার্কিন উদ্ভাবক ও ব্যবসায়ী টমাস আলভা এডিসনের একটি উক্তির উদাহরণ দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘তিনি বলেছিলেন ভবিষ্যতের চিকিৎসকরা কোনো ওষুধ দেবেন না। বরং তারা রোগীদের শরীরচর্চা, সুষম খাদ্য এবং রোগ প্রতিরোধের কারণ ও উপায় সম্পর্কে সচেতন করবেন। তার এ নীতির সঙ্গে বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্যনীতির মিল আছে।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’ নীতিতে বিশ্বাস করে। এর অর্থ হলো ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’। মানে কোনো রোগ হওয়ার পরে তার সমাধান বা চিকিৎসা খোঁজার চেয়ে, তা যেন না হতে পারে সেই বিষয়ে আগে থেকেই সতর্ক থাকা দরকার।’তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে সরকার সারাদেশে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যারা নাগরিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে সতর্ক ও সচেতন করবে। তবে স্বাস্থ্যকর্মীদের যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত করার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নেতৃত্ব দিতে হবে।’সমাবেশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ড্যাবের নেতাকর্মী ও চিকিৎসকেরা অংশ নেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বাজারে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

বাজারে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বোমা হামলার আশঙ্কায় দেশজুড়ে সতর্কতা, পুলিশ বলছে ‘গুজব’

বোমা হামলার আশঙ্কায় দেশজুড়ে সতর্কতা, পুলিশ বলছে ‘গুজব’

হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বলাকা লাউঞ্জে আগুন

হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বলাকা লাউঞ্জে আগুন

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রকাশ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রকাশ

আ.লীগের কার্যক্রম নিয়ে ভারতকে কড়া বার্তা শামা ওবায়েদের

আ.লীগের কার্যক্রম নিয়ে ভারতকে কড়া বার্তা শামা ওবায়েদের

📅 ক্যালেন্ডার
তারিখ নির্বাচন করুন
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
শনি
রবি
গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির: রাশেদ খান

গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির: রাশেদ খান

'সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত করছে'

'সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত করছে'

‘কমনসেন্স বলে’ শেখ হাসিনা ফিরে আসবেন: রুমিন ফারহানা

‘কমনসেন্স বলে’ শেখ হাসিনা ফিরে আসবেন: রুমিন ফারহানা

জবি-ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন স্থানে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ

জবি-ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন স্থানে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ

'শেখ হাসিনা ফিরলে কোটি ছাত্র-জনতা সেদিন রাজপথে থাকবে'

'শেখ হাসিনা ফিরলে কোটি ছাত্র-জনতা সেদিন রাজপথে থাকবে'

জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে: ফরহাদ মজহার

জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে: ফরহাদ মজহার

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক সন্ধ্যায়

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক সন্ধ্যায়

জুলাই নিয়ে ব্যবসা না করার আহ্বান জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল

জুলাই নিয়ে ব্যবসা না করার আহ্বান জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল

সিলেটে পৌঁছেছেন এনসিপির নেতারা

সিলেটে পৌঁছেছেন এনসিপির নেতারা

গাজায় যুদ্ধবিরতির ৩০০ দিনে ৩০০ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত

ইউনিসেফ: গাজায় যুদ্ধবিরতির ৩০০ দিনে ৩০০ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত

হরমুজে নতুন নৌপথে ওমানের সঙ্গে সমঝোতায় ইরান

হরমুজে নতুন নৌপথে ওমানের সঙ্গে সমঝোতায় ইরান

শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহত ৭,সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহত ৭,সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

দিল্লিতে হাসিনার গণমাধ্যমে ভাষণ নিয়ে যা বলছে ভারত

দিল্লিতে হাসিনার গণমাধ্যমে ভাষণ নিয়ে যা বলছে ভারত

ইরানকে ট্রাম্পের কড়া বার্তা: ‘চুক্তি করুন, নয়তো আত্মসমর্পণ’

ইরানকে ট্রাম্পের কড়া বার্তা: ‘চুক্তি করুন, নয়তো আত্মসমর্পণ’

মেসির বাবা আর নেই!

মেসির বাবা আর নেই!

বিশ্বকাপের হতাশা ভুলে ক্লাব ফুটবলে যোগ দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। এর মাঝেই বড় দুঃসংবাদ পেয়েছেন তিনি। আর্জেন্টিনার রোজারিওর একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে চলে গেলেন লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি।ইনফোবের তথ্য অনুযায়ী, লিওনেল মেসির বাবা ও এজেন্ট হোর্হে মেসি গত রাতে রোজারিওর একটি ক্লিনিকে মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। দীর্ঘদিন অসুস্থতার সাথে লড়াই করছিলেন তিনি।মেসির বাবা হওয়ার পাশাপাশি হোর্হে ছিলেন তার দীর্ঘদিনের এজেন্টও। স্ত্রী সেলিয়া কুচ্চিত্তিনির সঙ্গে তার চারটি সন্তান ছিল—লিওনেল মেসি, রদ্রিগো, মাতিয়াস ও মারিয়া সোল। বিশ্বসেরা ফুটবলার হয়ে ওঠার পথে মেসির সবচেয়ে বড় ভরসা ছিলেন তার বাবা।শৈশবে মেসি গ্রোথ হরমোনের অভাবজনিত রোগে আক্রান্ত হন। সে সময় আর্জেন্টিনার ক্লাব নিউয়েলস ওল্ড বয়েজের যুবদলে খেলা মেসির চিকিৎসার সব ব্যবস্থা করেছিলেন হোর্হে। ইউরোপে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য মেসি যখন স্পেনে পাড়ি জমান, তখন সঙ্গে ছিলেন হোর্হেও। বাবা-ছেলে যখন বার্সেলোনায় নতুন জীবন শুরু করেন, পরিবারের বাকি সদস্যদের দেখাশোনার জন্য সেলিয়া থেকে যান রোজারিওতে। পরে মেসির ক্যারিয়ারের সব দিক সামলাতেন হোর্হে। চুক্তি, ট্রান্সফারসহ মাঠের বাইরের সব বিষয়ে ছেলের পাশে ছিলেন তিনি। জনসম্মুখে তিনি খুব একটা আসতেন না এবং সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারও কম দিতেন। জার্মানির ‘কিকার’ ও স্পেনের ‘ইনফরমে রবিনসনের’ মতো কিছু গণমাধ্যমে কথা বললেও বেশিরভাগ সময় তিনি প্রচারবিমুখই ছিলেন। মাঝেমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের অর্জন ও পরিবারের নানা মুহূর্ত শেয়ার করতেন তিনি। বিশ্বকাপসহ বড় বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে পরিবার নিয়ে গ্যালারিতে দেখা যেত তাকে।তবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে দৃশ্যপট ছিল ভিন্ন। মেসির স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জো এবং তিন ছেলে থিয়াগো, মাতেও ও সিরো খেলা দেখতে গেলেও হোর্হে বা পরিবারের অন্য সদস্যদের সেভাবে দেখা যায়নি; যা নিয়ে সে সময় নানা আলোচনা হয়েছিল। ইনফোবায়ে তখনই জানিয়েছিল, হোর্হে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন।ছেলের শৈশবে ফুটবল ক্যারিয়ার এগিয়ে নিতে যিনি পথ খুঁজে বের করেছিলেন, ১৩ বছর বয়সী মেসিকে সঙ্গে নিয়ে যিনি ইউরোপে জীবন শুরু করেছিলেন—সেই বাবা কয়েক দশক ধরে ছেলের পাশে ছিলেন এজেন্ট হয়ে। মেসির ফুটবল যাত্রার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সঙ্গী সেই বাবা ৬৮ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

৫৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ, ইনিংস ব্যবধানে লজ্জার হার

৫৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ, ইনিংস ব্যবধানে লজ্জার হার

মাগুরার বাড়িতে হামলার পর প্রতিক্রিয়া জানালেন সাকিব

মাগুরার বাড়িতে হামলার পর প্রতিক্রিয়া জানালেন সাকিব

মরক্কোর ফুটবলারের সঙ্গে নোরার প্রেমের গুঞ্জন!

মরক্কোর ফুটবলারের সঙ্গে নোরার প্রেমের গুঞ্জন!

অবসর নাকি নতুন চুক্তি, যা বললেন নেইমার

অবসর নাকি নতুন চুক্তি, যা বললেন নেইমার

বিয়ে করছেন রোনালদো, যা থাকছে আয়োজনে

বিয়ে করছেন রোনালদো, যা থাকছে আয়োজনে

আবারও সাফের সভাপতি হলেন কাজী সালাহউদ্দিন

আবারও সাফের সভাপতি হলেন কাজী সালাহউদ্দিন

২০০ কোটির মাইলফলকে বিজয়ের শেষ সিনেমা

২০০ কোটির মাইলফলকে বিজয়ের শেষ সিনেমা

রাজধানীতে দুই জায়গায় উন্মুক্ত কনসার্ট আজ

রাজধানীতে দুই জায়গায় উন্মুক্ত কনসার্ট আজ

বিজয়ের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করলেন স্ত্রী

বিজয়ের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করলেন স্ত্রী

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এবং তামিলাগা ভেত্রি কাঝাগম (টিভিকে) প্রধান সি. জোসেফ বিজয়ের সঙ্গে তার স্ত্রী সঙ্গীতা সর্নালিঙ্গম বিবাহবিচ্ছেদের মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।শুক্রবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে হাজির হয়ে তিনি মামলা প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক কারণ জানান। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই পারিবারিক আইনি বিরোধের অবসান ঘটল।মামলার প্রেক্ষাপট ও আইনি প্রক্রিয়া:এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সঙ্গীতা তামিলনাড়ুর চেঙ্গালপাট্টুর একটি পরিবার আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন। আবেদনে তিনি দাম্পত্য জীবনের মতপার্থক্যের কথা উল্লেখ করে সম্পর্কের অবসান, স্থায়ী ভরণপোষণ এবং চেন্নাইয়ের নীলাঙ্কারাইয়ে বৈবাহিক বাড়িতে বসবাস অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছিলেন। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি-এর তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ জুন ও পরবর্তী শুনানিতে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত না হতে পারলেও সঙ্গীতা মামলা প্রত্যাহারের ইচ্ছার কথা জানান। অবশেষে শুক্রবার আদালতের আদেশের মাধ্যমে মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিষ্পত্তি করা হয়।দীর্ঘ তিন দশকের সম্পর্ক ও রাজনৈতিক পটভূমি:১৯৯৯ সালের ২৫ আগস্ট চেন্নাইয়ে ঐতিহ্যবাহী হিন্দু রীতিতে বিজয় ও সঙ্গীতার আন্তঃধর্মীয় বিয়ে হয়। তাদের ঘরে ২০০০ সালে এক পুত্রসন্তান এবং ২০০৫ সালে এক কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ এবং ২০২৫ সালের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সঙ্গীতার অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে তাদের দাম্পত্য কলহ নিয়ে জল্পনা জোরালো হয়েছিল। সম্প্রতি তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে টিভিকে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থনে জোটে সরকার গঠন করে।

চলে গেলেন অভিনেত্রী রিনা রহমান

চলে গেলেন অভিনেত্রী রিনা রহমান

আবার একসঙ্গে শাকিব-ইধিকা?

আবার একসঙ্গে শাকিব-ইধিকা?

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে রাজধানীতে কনসার্ট

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে রাজধানীতে কনসার্ট

কোটি টাকায় বিক্রি হলো বিটিএস তারকা জিমিনের সেই শার্ট

কোটি টাকায় বিক্রি হলো বিটিএস তারকা জিমিনের সেই শার্ট

শুটিংয়ে গুরুতর আহত রাশমিকা মান্দানা

শুটিংয়ে গুরুতর আহত রাশমিকা মান্দানা

গুলশানের চামেলিতে আইনজীবী বাঁধন

গুলশানের চামেলিতে আইনজীবী বাঁধন

বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করল আইসিসি | ICC | BCB | BCCI | t20 world cup 2026

৫ মাস আগে

অভিনেত্রী ঊর্মিলাসহ তিনজনের সম্পদের হিসাব চায় দুদক | Urmila Srabonti Kar | Entertainment | Dudok

৫ মাস আগে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট  চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ | Voter List | bd Election 2026
ক্ষমতায় গেলে যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে বিএনপি  | তারেক রহমান | BNP | Tareque Rahman |
নির্বাচনের আগেই একটি দল মানুষ ঠকাচ্ছে এবং শিরক করাচ্ছে : তারেক রহমান সিলেট সমাবেশে |Tarique Rahman
যে মামলায় মৃত্যুদণ্ডের আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এবং মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড
কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে কাফের ঘোষণার দাবি | এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর | Abbasi
রংপুরের ব্যবসায়ী আশরাফুল হককে মিথ্যা প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা আদায় করতে চেয়েছিল প্রেমিকা | RAB
কোনো শর্টস পাওয়া যায়নি।
পুলিশের কাছ থেকে যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিল নেতাকর্মীরা

পুলিশের কাছ থেকে যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিল নেতাকর্মীরা

বাড়ির আন্ডারগ্রাউন্ডে চোরাই গরুর খামার, যুবদল কর্মী আটক

বাড়ির আন্ডারগ্রাউন্ডে চোরাই গরুর খামার, যুবদল কর্মী আটক

উত্তর মেরু অভিযানে বাংলাদেশী শিক্ষার্থী প্রত্যয়

উত্তর মেরু অভিযানে বাংলাদেশী শিক্ষার্থী প্রত্যয়

সাকিব আল হাসানের মাগুরার বাড়িতে হামলা

সাকিব আল হাসানের মাগুরার বাড়িতে হামলা

সেনবাগে১১ দলীয় জোটের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

সেনবাগে১১ দলীয় জোটের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

দাওয়াত না পেয়ে পাবিপ্রবিতে জুলাইয়ের অনুষ্ঠান পণ্ড করে দিল ছাত্রদল

দাওয়াত না পেয়ে পাবিপ্রবিতে জুলাইয়ের অনুষ্ঠান পণ্ড করে দিল ছাত্রদল

ঘরমুখী মানুষের ঢল, গাজীপুরে মহাসড়কে তীব্র চাপ

ঘরমুখী মানুষের ঢল, গাজীপুরে মহাসড়কে তীব্র চাপ

গোপালগঞ্জে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত নিরাপত্তা জোরদার

গোপালগঞ্জে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত নিরাপত্তা জোরদার

যমুনায় নিখোঁজ দুই স্কুলছাত্রের একজনের মরদেহ উদ্ধার

যমুনায় নিখোঁজ দুই স্কুলছাত্রের একজনের মরদেহ উদ্ধার

এবার আসামি হচ্ছেন মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবাল

এবার আসামি হচ্ছেন মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবাল

তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

এনসিপি থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

এনসিপি থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত গাজী সালাউদ্দিন গ্রেপ্তার

সবুজবাগে শপিং ব্যাগে মিলল তরুণীর মাথা ও দুই হাত

সবুজবাগে শপিং ব্যাগে মিলল তরুণীর মাথা ও দুই হাত

মোহাম্মদপুরে মাদ্রাসার পাশে বিস্ফোরণ

মোহাম্মদপুরে মাদ্রাসার পাশে বিস্ফোরণ

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪১৯, মামলা ৭১

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪১৯, মামলা ৭১



সোনার দাম ভ‌রি‌তে বাড়ল ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা

সোনার দাম ভ‌রি‌তে বাড়ল ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।​শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে সোনার এই নতুন দাম কার্যকর করা হয়েছে।​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালঙ্কারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা।২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকা।সোনার দাম বাড়া‌নো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা।এর আগে গত ৬ আগস্ট দেশের বাজারে ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এক‌দিন পর ৭ আগস্ট নতুন দাম নির্ধারণ করে ভ‌রিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়।

২১ ঘন্টা আগে

সয়াবিন তেলের সংকট, বাড়ছে পোলাও চালের দাম

সয়াবিন তেলের সংকট, বাড়ছে পোলাও চালের দাম

দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৯৮৫৬ টাকা

দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৯৮৫৬ টাকা

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

ভারত থেকে এলো কাঁচা মরিচের প্রথম চালান

ভারত থেকে এলো কাঁচা মরিচের প্রথম চালান

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের বড় দরপতন

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের বড় দরপতন

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৭০ টাকা বেড়ে ১৫৯৮

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৭০ টাকা বেড়ে ১৫৯৮

এক মাসে পোলাও চাল কেজিতে বেড়েছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা

এক মাসে পোলাও চাল কেজিতে বেড়েছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা

২৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬২ কোটি ডলার

২৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬২ কোটি ডলার

কারা শহীদের মর্যাদা পান? যা বলে কোরআন-হাদিস

কারা শহীদের মর্যাদা পান? যা বলে কোরআন-হাদিস

শাহাদাত একজন মুমিনের জন্য সর্বোচ্চ সম্মানের মৃত্যু। আল্লাহর পথে প্রাণ বিসর্জনকারীদের জন্য কোরআন ও হাদিসে বিশেষ মর্যাদা ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে শহীদ বলতে শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত ব্যক্তিকেই বোঝায় না। কোরআন-হাদিসে এমন আরও কিছু অবস্থার কথা উল্লেখ আছে, যেখানে মৃত্যুবরণকারী শহীদের মর্যাদা লাভ করেন।শহীদ বলতে কী বোঝায়?আরবি ‘শহীদ’ শব্দের অর্থ সাক্ষী। ইসলামি পরিভাষায়, যে ব্যক্তি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে জীবন উৎসর্গ করেন, তাঁকে শহীদ বলা হয়। তবে এই মর্যাদা লাভের জন্য বিশুদ্ধ ঈমান ও খাঁটি নিয়ত অপরিহার্য। পার্থিব স্বার্থ, খ্যাতি বা লোকদেখানোর উদ্দেশ্যে প্রাণ দিলে তা শাহাদাত হিসেবে গণ্য হবে না।মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে, তাদের মৃত মনে করো না। বরং তারা তাদের প্রতিপালকের কাছে জীবিত এবং রিজিকপ্রাপ্ত।’ (সুরা আলে ইমরান: ১৬৯)অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘আর যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে, তাদের মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত, কিন্তু তোমরা তা উপলব্ধি করতে পারো না।’ (সুরা বাকারা: ১৫৪)মুফাসসিরদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, শহীদরা বরজখের জীবনে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ নেয়ামত লাভ করেন। সেই জীবনের প্রকৃতি ও বাস্তবতা মানুষের ইন্দ্রিয় দিয়ে উপলব্ধি করা সম্ভব নয়।ফিকহশাস্ত্রে শহীদের প্রকারভেদফিকহশাস্ত্রে শহীদ প্রধানত দুই ধরনের-১. শহীদে হাকিকি: যিনি আল্লাহর পথে লড়াই করতে গিয়ে শহীদ হন। তাঁকে গোসল দেওয়া হয় না। রক্তমাখা পোশাকেই জানাজাশেষে দাফন করা হয়।২. শহীদে হুকমি: যাঁরা যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে হাদিসে বর্ণিত বিভিন্ন রোগ, দুর্ঘটনা বা বিশেষ কারণে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁদের স্বাভাবিক নিয়মে গোসল, জানাজা ও দাফন করা হয়। তবে আখেরাতে তাঁরা শহীদের সওয়াব লাভ করবেন।কারা শহীদের সওয়াব লাভ করবেন?রাসুলুল্লাহ (স.) যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে মৃত্যুবরণকারী কিছু মুমিনের জন্যও শহীদের সওয়াবের সুসংবাদ দিয়েছেন। সহিহ হাদিস অনুযায়ী তাঁদের মধ্যে রয়েছেন-মহামারিতে মৃত্যুবরণকারীপেটের রোগে মৃত্যুবরণকারীপানিতে ডুবে মৃত্যুবরণকারীআগুনে পুড়ে মৃত্যুবরণকারীভবন বা দেয়াল চাপা পড়ে মৃত্যুবরণকারীপ্রসবকালীন মৃত্যুবরণকারী নারী(সহিহ মুসলিম: ১৯১৪,১৯১৫; সুনানে আবু দাউদ: ৩১১১)এ ছাড়া রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ, জীবন, পরিবার কিংবা দ্বীন রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয়, সে-ও শহীদ।’ (সুনানে তিরমিজি: ১৪২১)হাদিসে উল্লেখিত এসব ব্যক্তি শহীদে হুকমি হিসেবে আখেরাতে শহীদের সওয়াব লাভ করবেন।শহীদের বিশেষ মর্যাদাহাদিসে শহীদের জন্য বিশেষ সম্মান ও পুরস্কারের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, জান্নাতে প্রবেশের পর কেউ আর দুনিয়ায় ফিরে আসতে চাইবে না। তবে শহীদ ব্যতিক্রম। শাহাদাতের মর্যাদা দেখে সে বারবার দুনিয়ায় ফিরে এসে আল্লাহর পথে শহীদ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করবে। (সহিহ বুখারি: ২৮১৭)আরেক হাদিসে এসেছে, শহীদের রক্তের প্রথম ফোঁটা ঝরার সঙ্গে সঙ্গেই মানুষের ঋণ ছাড়া তাঁর সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। তাঁকে জান্নাতে তাঁর মর্যাদা দেখানো হয়, কবরের আজাব থেকে নিরাপত্তা দেওয়া হয় এবং কেয়ামতের দিনের মহাভীতি থেকেও রক্ষা করা হবে। তাঁর মাথায় পরানো হবে সম্মানের মুকুট। (সুনানে তিরমিজি: ১৬৬৩)ঋণের দায় ও মানুষের হকশহীদের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ হলেও মানুষের হক বা ঋণের ব্যাপারে ইসলাম অত্যন্ত কঠোর। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘আল্লাহর পথে শহীদ হওয়া ব্যক্তির সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়, তবে ঋণ ব্যতীত।’ (সহিহ মুসলিম: ১৮৮৫)অর্থাৎ শহীদের মর্যাদা লাভ করলেও মানুষের পাওনা বা ঋণের দায় থেকে মুক্তি মেলে না। তাই কারও হক নষ্ট করা বা ঋণ পরিশোধে অবহেলা করা ইসলামে অত্যন্ত গুরুতর বিষয়।শহীদ কে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আল্লাহরকাউকে নিশ্চিতভাবে শহীদ ঘোষণা করা বা তাঁর জান্নাত নিশ্চিত বলে দাবি করা মানুষের কাজ নয়। কার নিয়ত কতটা বিশুদ্ধ ছিল এবং কে প্রকৃত শহীদের মর্যাদা লাভ করবেন, তার চূড়ান্ত ফয়সালা একমাত্র আল্লাহ তাআলাই করবেন। তবে কোরআন ও সহিহ হাদিসে যাঁদের জন্য শহীদের সুসংবাদ এসেছে, তাঁদের ব্যাপারে একজন মুমিন সুপ্রত্যাশা পোষণ করতে পারেন।একজন মুমিনের কর্তব্য হলো বিশুদ্ধ ঈমান, খাঁটি নিয়ত এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিকে জীবনের সর্বোচ্চ লক্ষ্য বানানো। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে শাহাদাত কামনা করে, আল্লাহ তাকে শহীদের মর্যাদা দান করেন, যদিও সে নিজের বিছানায় স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করে। (সহিহ মুসলিম: ১৯০৯)

বাংলাদেশের ওমরাহ যাত্রীদের জন্য সৌদির নতুন নিয়ম

বাংলাদেশের ওমরাহ যাত্রীদের জন্য সৌদির নতুন নিয়ম

বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের ব্যাপারে ইসলাম যা বলছে

বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের ব্যাপারে ইসলাম যা বলছে

যেভাবে তাওবা করলে কবুল হয়

যেভাবে তাওবা করলে কবুল হয়

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ৫টি উপকারী খাবার

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ৫টি উপকারী খাবার

উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম নীরব ঘাতক। অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি শরীরে দীর্ঘদিন অবস্থান করে হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি বিকল হওয়া, চোখের ক্ষতি এবং অন্যান্য জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্যমতে, বিশ্বজুড়ে শতকোটি মানুষ উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত, যার একটি বড় অংশ জানেনই না যে তারা এ রোগে ভুগছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, ওষুধের পাশাপাশি সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখলে উচ্চ রক্তচাপ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কিছু প্রাকৃতিক খাবারও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।১. কলাকলা পটাশিয়ামের অন্যতম ভালো উৎস। পটাশিয়াম শরীর থেকে অতিরিক্ত সোডিয়ামের প্রভাব কমাতে সাহায্য করে এবং রক্তনালিকে শিথিল রাখে। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।উপকারিতা* রক্তচাপ কমাতে সহায়ক।* হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা ভালো রাখে।* পেশির স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা বজায় রাখে।* শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করে।২. পালং শাকপালং শাকে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, নাইট্রেট, ফোলেট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এসব উপাদান রক্তনালিকে প্রসারিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।উপকারিতা* রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।* রক্তপ্রবাহ উন্নত করে।* হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।* শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জোগান দেয়।৩. ওটসওটসে রয়েছে দ্রবণীয় আঁশ (বিটা-গ্লুকান), যা খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমাতে সহায়তা করে। নিয়মিত ওটস খেলে হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।উপকারিতা* খারাপ কোলেস্টেরল কমায়।* দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে।* হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।* রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।৪. বিটরুটবিটরুটে প্রচুর প্রাকৃতিক নাইট্রেট থাকে। শরীরে এটি নাইট্রিক অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়ে রক্তনালিকে প্রসারিত করে, ফলে রক্তচাপ কমতে সাহায্য করে।উপকারিতা* রক্তচাপ কমাতে কার্যকর।* রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে।* শারীরিক কর্মক্ষমতা বাড়ায়।* লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়ক।৫. টক দইটক দইয়ে রয়েছে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখার পাশাপাশি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।উপকারিতা* হজমশক্তি উন্নত করে।* হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সহায়ক।* রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।* রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আরও যেসব অভ্যাস জরুরি* প্রতিদিন লবণ কম খান (প্রতিদিন ৫ গ্রামের কম)।* প্রক্রিয়াজাত ও অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।* প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়াম করুন।* ওজন স্বাভাবিক রাখুন।* ধূমপান ও মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন।* পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।* মানসিক চাপ কমাতে ধ্যান, প্রার্থনা বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতে পারেন।* নিয়মিত রক্তচাপ পরিমাপ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করুন।যদিও কলা, পালং শাক, ওটস, বিটরুট ও টক দই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, তবে এগুলো কোনোভাবেই চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধের বিকল্প নয়। যাদের দীর্ঘদিনের উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস বা হৃদরোগ রয়েছে, তারা খাদ্যতালিকায় বড় পরিবর্তন আনার আগে অবশ্যই চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেবেন।উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর ও প্রাকৃতিক খাবার রাখা, লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার কম খাওয়া, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। সচেতনতা ও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা একটি সুস্থ ও দীর্ঘ জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

পুষ্টিগুণে ভরপুর দেশীয় ফল গাব

পুষ্টিগুণে ভরপুর দেশীয় ফল গাব

বর্ষাকালে ত্বক ভালো রাখতে যে ৫ কাজ করবেন

বর্ষাকালে ত্বক ভালো রাখতে যে ৫ কাজ করবেন

জেনে নিন বিফ নুডলস তৈরির রেসিপি

জেনে নিন বিফ নুডলস তৈরির রেসিপি

অর্ধশতাধিক বাংলাদেশিসহ গ্রিসের উপকূলে ২০২ অভিবাসী উদ্ধার

অর্ধশতাধিক বাংলাদেশিসহ গ্রিসের উপকূলে ২০২ অভিবাসী উদ্ধার

২৩ ঘন্টা আগে
মালয়েশিয়ায় সহকর্মীদের মধ্যে মারামারি, ৩ বাংলাদেশি নিহত

মালয়েশিয়ায় সহকর্মীদের মধ্যে মারামারি, ৩ বাংলাদেশি নিহত

৪ দিন আগে
পর্তুগালে বাড়ছে বাংলাদেশিদের কাজের সুযোগ

পর্তুগালে বাড়ছে বাংলাদেশিদের কাজের সুযোগ

৬ দিন আগে
সৌদিতে ১৪ হাজার অবৈধ প্রবাসী গ্রেফতার

সৌদিতে ১৪ হাজার অবৈধ প্রবাসী গ্রেফতার

১ সপ্তাহ আগে
সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

১ সপ্তাহ আগে
আরব আমিরাতের ভিসা জটিলতায় বাংলাদেশিরা

আরব আমিরাতের ভিসা জটিলতায় বাংলাদেশিরা

১ সপ্তাহ আগে
প্রবাসীবান্ধব ইউরোপের দেশ ও শহরের তালিকা প্রকাশ

প্রবাসীবান্ধব ইউরোপের দেশ ও শহরের তালিকা প্রকাশ

১ সপ্তাহ আগে
সৌদিতে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার

সৌদিতে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার

১ সপ্তাহ আগে
তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।

শিগগিরই পৃথিবীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সীমা ছাড়াতে পারে

শিগগিরই পৃথিবীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সীমা ছাড়াতে পারে

ল্যাপটপের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়ার কারণ ও সমাধানের উপায়

ল্যাপটপের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়ার কারণ ও সমাধানের উপায়

ল্যাপটপ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি ডিভাইস। অফিসের কাজ বা প্রজেক্ট তৈরি থেকে শুরু করে বিনোদনের মাধ্যম হিসেবেও ল্যাপটপ সমানভাবে কার্যকর। কিন্তু অনেকেরই অভিযোগ, ব্যবহারের কিছুদিনের মধ্যেই ল্যাপটপের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যায়। মূলত আমাদেরই কিছু ছোটখাটো ভুল বা ভুল সেটিংসের কারণে এমনটা ঘটে। সঠিক কিছু সতর্কতা ও নিয়মের মাধ্যমে এই সমস্যার সহজ সমাধান করা সম্ভব।ল্যাপটপের স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা বা ব্রাইটনেস সবসময় ১০০ শতাংশে রাখলে ব্যাটারি অনেক দ্রুত শেষ হয়। তাই প্রয়োজনের তুলনায় উজ্জ্বলতা কমিয়ে রাখলে ব্যাটারির ব্যাকআপ অনেকটাই বাড়ানো সম্ভব।অনেক সময় আমরা বেশ কিছু অ্যাপ ব্যবহার না করলেও সেগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে এবং প্রচুর ব্যাটারি খরচ করে। তাই উইন্ডোজের টাস্ক ম্যানেজার বা ম্যাকবুকের অ্যাক্টিভিটি মনিটরে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো বন্ধ করে রাখা জরুরি।ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ বা কিবোর্ডের ব্যাকলাইট সবসময় চালু রাখলে ব্যাটারির ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। তাই ব্যবহারের প্রয়োজন না থাকলে এই ফিচারগুলো বন্ধ রাখলে ব্যাটারি দীর্ঘক্ষণ সচল থাকে।ল্যাপটপের ব্যাটারি সাশ্রয়ী মোড বা পাওয়ার সেভিং মোড সবসময় ব্যবহার করা উচিত। এই ফিচারটি ব্যাকগ্রাউন্ডের অপ্রয়োজনীয় কার্যক্রম কমিয়ে প্রসেসরের বিদ্যুৎ খরচ নিয়ন্ত্রণ করে, যা দীর্ঘ সময় চার্জ ধরে রাখতে সাহায্য করে।ল্যাপটপ পুরনো হয়ে গেলে এর ব্যাটারির কার্যক্ষমতা স্বাভাবিকভাবেই কমে যায়। তাই নিয়মিত ব্যাটারির স্বাস্থ্য বা হেলথ পরীক্ষা করা উচিত। যদি ব্যাটারির স্বাস্থ্য অনেক বেশি খারাপ হয়ে যায়, তবে নতুন ব্যাটারি ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ।ল্যাপটপ চার্জ দেওয়ার জন্য সবসময় ল্যাপটপের নিজস্ব বা অরিজিনাল চার্জার ব্যবহার করা উচিত। নিম্নমানের বা লোকাল চার্জার ব্যাটারির মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া দীর্ঘ সময় ভারী সফটওয়্যার চালানো বা অতিরিক্ত তাপমাত্রায় ল্যাপটপ ব্যবহার থেকে বিরত থাকা উচিত, কারণ এতে ব্যাটারির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।ল্যাপটপের সফটওয়্যার ও ড্রাইভার নিয়মিত আপডেট করা উচিত। কারণ অনেক সময় নতুন আপডেটে ব্যাটারি অপ্টিমাইজেশনের সুবিধা যুক্ত করা থাকে, যা ল্যাপটপের ব্যাটারি ব্যাকআপ উন্নত করতে সাহায্য করে।এই নিয়মগুলো মেনে চলার পরও যদি ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যায়, তবে বুঝতে হবে এটি পরিবর্তনের সময় এসেছে। সেক্ষেত্রে অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টারে যোগাযোগ করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ছোটখাটো এই সতর্কতা ও সঠিক সেটিংস ব্যবহারের মাধ্যমেই ল্যাপটপের ব্যাটারির আয়ু অনেকাংশে বাড়িয়ে দীর্ঘস্থায়ী সুফল পাওয়া সম্ভব।

ইউটিউবে নতুন চ্যানেল শুরু করার আগে করণীয়

ইউটিউবে নতুন চ্যানেল শুরু করার আগে করণীয়

৩৬ জুলাই উপলক্ষে ৩৬ টাকায় সিম দিচ্ছে টেলিটক

৩৬ জুলাই উপলক্ষে ৩৬ টাকায় সিম দিচ্ছে টেলিটক

পড়ে গেলে ভাঙে না, পানির নিচেও সচল টেকনোর নতুন স্মার্টফোন

পড়ে গেলে ভাঙে না, পানির নিচেও সচল টেকনোর নতুন স্মার্টফোন

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

শিরোনাম
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী মেসির বাবা আর নেই! হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু পুলিশের কাছ থেকে যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিল নেতাকর্মীরা ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চাই বাড়ির আন্ডারগ্রাউন্ডে চোরাই গরুর খামার, যুবদল কর্মী আটক উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ৫টি উপকারী খাবার ৫৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ, ইনিংস ব্যবধানে লজ্জার হার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী মেসির বাবা আর নেই! হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু পুলিশের কাছ থেকে যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিল নেতাকর্মীরা ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চাই বাড়ির আন্ডারগ্রাউন্ডে চোরাই গরুর খামার, যুবদল কর্মী আটক উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ৫টি উপকারী খাবার ৫৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ, ইনিংস ব্যবধানে লজ্জার হার