ঢাকা রবিবার ২৬ চৈত্র ১৪৩১ বিকাল ০৪:৩৬:২৯ (26-Apr-2026)
বাস ভাড়া বাড়ল

বাস ভাড়া বাড়ল

আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) থেকে আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বাসে নতুন ভাড়া কার্যকর হয়েছে। প্রতিটি বাসে নতুন ভাড়ার তালিকা টাঙিয়ে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।নতুন ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ। এতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরসহ বিভিন্ন রুটের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন তালিকা অনুযায়ী, মহাখালী থেকে ময়মনসিংহ রুটে ৫১ আসনে ২৯৪ টাকা, ৪০ আসনে ৩৭৫ টাকা। জামালপুর, শেরপুর ও কিশোরগঞ্জ রুটেও নতুন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।গাবতলী থেকে পঞ্চগড় রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ১,০০৫ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ১,২৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গাবতলী-রংপুর রুটে ৫১ আসনে ৭৫১ টাকা, ৪০ আসনে ৯১১ টাকা। একইভাবে দিনাজপুর রুটে ৫১ আসনে ৯৭৪ টাকা এবং ৪০ আসনে ১,২৪১ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।এছাড়া সিলেট রুটে ৫১ আসনে ৫৮০ টাকা, ৪০ আসনে ৭৪০ টাকা। বরিশাল রুটে ৫১ আসনে ৪৬৪ টাকা, ৪০ আসনে ৫৯২ টাকা এবং খুলনা রুটে ৫১ আসনে ৫৪১ টাকা, ৪০ আসনে ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘ রুট টেকনাফে ৫১ আসনে ভাড়া ১,০৪৭ টাকা এবং ৪০ আসনে ১,৩৩৫ টাকা। গাবতলী-রাজশাহী রুটে ৫১ আসনে ৭৭৭ টাকা, ৪০ আসনে ৯৯১ টাকা এবং ঝিনাইদহ রুটে যথাক্রমে ৫০১ ও ৬৩৯ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।অন্যদিকে সায়েদাবাদ থেকে চট্টগ্রাম রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৭০৪ টাকা, ৪০ আসনে ৫৫২ টাকা। কক্সবাজার রুটে ৫১ আসনে ৯০০ টাকা এবং ৪০ আসনে ১,১৪৭ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে গ্রেপ্তার

গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে গ্রেপ্তার

ট্রাম্পের ডিনারে গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই তার ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে এ তথ্য জানিয়েছেন।যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের একটি হোটেলে ঘটনাটি স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার রাতের। ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলে বসেছিল বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের হোয়াইট হাউস সংবাদদাতাদের নৈশভোজ। তাতে অংশ নেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে ট্রাম্প জানান, সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ট্রাম্প আরো জানান, আমি তাদের বলেছি, আমরা অনুষ্ঠানটি চালিয়ে যাই। কিন্তু আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।ঘটনাস্থলে থাকা নিরাপত্তা বাহিনীর একজন সদস্যের বরাতে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেখানে সাত থেকে আটটি গুলির শব্দ শোনা গেছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা ট্রাম্প ও মেলানিয়াকে দ্রুত নৈশভোজের স্থান থেকে সরিয়ে নেন। এর আগে দুজন মঞ্চের পেছনে অবস্থান নিয়েছিলেন। সেখানে থাকা ২ হাজার ৬০০ অতিথির অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান।

হামলাকারীর কাছে একাধিক অস্ত্র ছিল: ট্রাম্প

হামলাকারীর কাছে একাধিক অস্ত্র ছিল: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলে নৈশভোজের অনুষ্ঠান চলাকালে গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন হামলাকারীর কাছে ‘একাধিক অস্ত্র’ ছিল। আর সন্দেহভাজন এই হামলাকারী একজন সম্ভাব্য হত্যাকারী’। মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের কিছু ‘অত্যন্ত সাহসী’ সদস্য এই সন্দেহভাজন হামলাকারীকে ধরে ফেলেন।যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শনিবার রাতে হোয়াইট হাউসের ব্রিফিং রুমে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ট্রাম্প।এর আগে ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের হোয়াইট হাউস সংবাদদাতাদের নৈশভোজের অনুষ্ঠান চলাকালে গুলির ঘটনা ঘটে। এই নৈশভোজে অংশ নিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।গুলির শব্দ আসার পর জরুরিভিত্তিতে প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডিকে নিরাপদে সরিয়ে নেন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা। পরে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ব্রিফিং রুমে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন।অনুষ্ঠানটি সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, এটি ছিল বাকস্বাধীনতার প্রতি উৎসর্গ করা একটি আয়োজন, যার উদ্দেশ্য ছিল ঐক্য গড়ে তোলা।ওয়াশিংটনের যে হোটেলে (ওয়াশিংটন হিলটন হোটেল) এই নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছিল, সেটি ‘বিশেষভাবে নিরাপদ’ নয় বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমরা আজ রাতে ঘটে যাওয়া সব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছি, এবং আমি বলব, এটি খুব বেশি নিরাপদ একটি ভবন নয়।’হোটেলটি ১৯৬৫ সালে চালু হয়। চালু হওয়ার পর থেকে এখানে বহু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অনুষ্ঠান হয়েছে।ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তি একাধিক অস্ত্র নিয়ে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা চালান। পরে সিক্রেট সার্ভিসের কিছু অত্যন্ত সাহসী সদস্য তাঁকে নিষ্ক্রিয় করেন।ট্রাম্প বলেন, এই ঘটনায় একজন কর্মকর্তা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁকে খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়েছিল। তবে তিনি প্রাণে বেঁচে গেছেন। কারণ তিনি খুব ভালো বুলেটপ্রুফ ভেস্ট পরেছিলেন।ট্রাম্প বলেন, গত কয়েক বছরে এটিই প্রথম ঘটনা নয়, যেখানে কোনো রিপাবলিকানকে একজন ‘সম্ভাব্য হত্যাকারী দ্বারা হামলার শিকার হতে হয়েছে।এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প আগের দুটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। একটি পেনসিলভানিয়ার, আরেকটি ফ্লোরিডার। তিনি প্রেসিডেন্ট পুনর্নির্বাচিত হওয়ার আগে এই দুটি স্থানে তাঁকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল।ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলের ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনি এই সন্দেহভাজন ‘খুবই অসুস্থ মানসিকতার মানুষ’ বলে বর্ণনা করেন।

  • নানক-তাপসের শুনানি আজ

    নানক-তাপসের শুনানি আজ

  • ৪ দিন ২ বিভাগে অতিভারী বৃষ্টির আভাস

    ৪ দিন ২ বিভাগে অতিভারী বৃষ্টির আভাস

  • ম্যানচেস্টার সিটি ফাইনালে

    ম্যানচেস্টার সিটি ফাইনালে

  • সালমানের জন্য আমিশার আফসোস

    সালমানের জন্য আমিশার আফসোস

  • সাংবাদিকদের সঙ্গে ট্রাম্পের নৈশভোজে গুলির শব্দ

    সাংবাদিকদের সঙ্গে ট্রাম্পের নৈশভোজে গুলির শব্দ

  • ৬ জেলায় ঝড়ের সতর্কতা, নদীবন্দরে ২ নম্বর সংকেত

    ৬ জেলায় ঝড়ের সতর্কতা, নদীবন্দরে ২ নম্বর সংকেত

  • তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

    তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

  • তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

    তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

  • তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

    তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

  • রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার জীবনাবসান

    রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার জীবনাবসান

  • রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার জীবনাবসান

    রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার জীবনাবসান

  • রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার জীবনাবসান

    রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার জীবনাবসান

  • রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার জীবনাবসান

    রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার জীবনাবসান

  • বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

    বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

  • বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

    বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

  • বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

    বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

সব খবর

  • সালমানের জন্য আমিশার আফসোস

    সালমানের জন্য আমিশার আফসোস

  • ম্যানচেস্টার সিটি ফাইনালে

    ম্যানচেস্টার সিটি ফাইনালে

  • নানক-তাপসের শুনানি আজ

    নানক-তাপসের শুনানি আজ

  • গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে গ্রেপ্তার

    গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে গ্রেপ্তার

  • বাস ভাড়া বাড়ল

    বাস ভাড়া বাড়ল

  • হামলাকারীর কাছে একাধিক অস্ত্র ছিল: ট্রাম্প

    হামলাকারীর কাছে একাধিক অস্ত্র ছিল: ট্রাম্প

  • ৬ জেলায় ঝড়ের সতর্কতা, নদীবন্দরে ২ নম্বর সংকেত

    ৬ জেলায় ঝড়ের সতর্কতা, নদীবন্দরে ২ নম্বর সংকেত

সব খবর

বাস ভাড়া বাড়ল

বাস ভাড়া বাড়ল

আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) থেকে আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বাসে নতুন ভাড়া কার্যকর হয়েছে। প্রতিটি বাসে নতুন ভাড়ার তালিকা টাঙিয়ে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।নতুন ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ। এতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরসহ বিভিন্ন রুটের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন তালিকা অনুযায়ী, মহাখালী থেকে ময়মনসিংহ রুটে ৫১ আসনে ২৯৪ টাকা, ৪০ আসনে ৩৭৫ টাকা। জামালপুর, শেরপুর ও কিশোরগঞ্জ রুটেও নতুন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।গাবতলী থেকে পঞ্চগড় রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ১,০০৫ টাকা এবং ৪০ আসনের বাসে ১,২৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গাবতলী-রংপুর রুটে ৫১ আসনে ৭৫১ টাকা, ৪০ আসনে ৯১১ টাকা। একইভাবে দিনাজপুর রুটে ৫১ আসনে ৯৭৪ টাকা এবং ৪০ আসনে ১,২৪১ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।এছাড়া সিলেট রুটে ৫১ আসনে ৫৮০ টাকা, ৪০ আসনে ৭৪০ টাকা। বরিশাল রুটে ৫১ আসনে ৪৬৪ টাকা, ৪০ আসনে ৫৯২ টাকা এবং খুলনা রুটে ৫১ আসনে ৫৪১ টাকা, ৪০ আসনে ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘ রুট টেকনাফে ৫১ আসনে ভাড়া ১,০৪৭ টাকা এবং ৪০ আসনে ১,৩৩৫ টাকা। গাবতলী-রাজশাহী রুটে ৫১ আসনে ৭৭৭ টাকা, ৪০ আসনে ৯৯১ টাকা এবং ঝিনাইদহ রুটে যথাক্রমে ৫০১ ও ৬৩৯ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।অন্যদিকে সায়েদাবাদ থেকে চট্টগ্রাম রুটে ৫১ আসনের বাসে ভাড়া ৭০৪ টাকা, ৪০ আসনে ৫৫২ টাকা। কক্সবাজার রুটে ৫১ আসনে ৯০০ টাকা এবং ৪০ আসনে ১,১৪৭ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

৬ জেলায় ঝড়ের সতর্কতা, নদীবন্দরে ২ নম্বর সংকেত

৬ জেলায় ঝড়ের সতর্কতা, নদীবন্দরে ২ নম্বর সংকেত

৪ দিন ২ বিভাগে অতিভারী বৃষ্টির আভাস

৪ দিন ২ বিভাগে অতিভারী বৃষ্টির আভাস

আজ থেকে নতুন সময়সূচিতে চলবে ব্যাংক ও অফিস-আদালত

আজ থেকে নতুন সময়সূচিতে চলবে ব্যাংক ও অফিস-আদালত

নির্বাচন ও গণভোটের জন্য বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানালো জাতিসংঘ

নির্বাচন ও গণভোটের জন্য বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানালো জাতিসংঘ

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিন :মন্ত্রিপরিষদ সচিব

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিন :মন্ত্রিপরিষদ সচিব

নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ ১ হাজার অতিথি

নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ ১ হাজার অতিথি

📅 ক্যালেন্ডার
তারিখ নির্বাচন করুন
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
শনি
রবি
গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের বৈঠক

গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের বৈঠক

আজ থেকে আমরা স্বাধীন এ বিজয় গণতন্ত্রের, এ বিজয় বাংলাদেশের : তারেক রহমান

আজ থেকে আমরা স্বাধীন এ বিজয় গণতন্ত্রের, এ বিজয় বাংলাদেশের : তারেক রহমান

বাংলাদেশের নির্বাচনের প্রাথমিক মূল্যায়ন জানাল ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন

বাংলাদেশের নির্বাচনের প্রাথমিক মূল্যায়ন জানাল ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন

দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে কাজ করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের

দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে কাজ করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের

একটি দল নির্বাচনের আগেই মুসলমানদের শিরক করাচ্ছে, বিএনপি চেয়ারম্যান

একটি দল নির্বাচনের আগেই মুসলমানদের শিরক করাচ্ছে, বিএনপি চেয়ারম্যান

বিএনপির প্রথম নির্বাচনী সমাবেশ, সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠ

বিএনপির প্রথম নির্বাচনী সমাবেশ, সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠ

ফুটবল প্রতীক পেলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা

ফুটবল প্রতীক পেলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

জামায়াতের জোটে ভোটের রাজনীতির হিসাব পাল্টে গেল

জামায়াতের জোটে ভোটের রাজনীতির হিসাব পাল্টে গেল

গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে গ্রেপ্তার

গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে গ্রেপ্তার

হামলাকারীর কাছে একাধিক অস্ত্র ছিল: ট্রাম্প

হামলাকারীর কাছে একাধিক অস্ত্র ছিল: ট্রাম্প

সাংবাদিকদের সঙ্গে ট্রাম্পের নৈশভোজে গুলির শব্দ

সাংবাদিকদের সঙ্গে ট্রাম্পের নৈশভোজে গুলির শব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের তুরস্ক ত্যাগের আহ্বান

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের তুরস্ক ত্যাগের আহ্বান

নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

ম্যানচেস্টার সিটি ফাইনালে

ম্যানচেস্টার সিটি ফাইনালে

টানা চতুর্থবারের মতো এফএ কাপের ফাইনালে উঠেছে ম্যানচেস্টার সিটি।চ্যাম্পিয়নশিপের দল সাউদাম্পটনকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে ম্যানচেস্টার সিটি। ম্যাচের শুরুটা ছিল ধীরগতির, তবে শেষের দিকে উত্তেজনা চরমে ওঠে। ৭৯তম মিনিটে ফিন আজাজ দুর্দান্ত এক গোল করে সাউদাম্পটনকে এগিয়ে দেন এবং জয়ের স্বপ্ন দেখান। কিন্তু সেই গোলের পরই ঘুরে দাঁড়ায় সিটি। ৮২ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় জেরেমি ডোকুর শট ডিফ্লেক্ট হয়ে জালে ঢুকে সমতা ফেরায়। এরপর ৮৭ মিনিটে নিকো গনজালেস জোরাল শটে জয় নিশ্চিত করেন।

অভিষেক, তারিক ও পাকিস্তানকে নিয়ে যা বললেন ভারতের অধিনায়ক

অভিষেক, তারিক ও পাকিস্তানকে নিয়ে যা বললেন ভারতের অধিনায়ক

বিশ্বকাপের আগে নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার জোন্স

বিশ্বকাপের আগে নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার জোন্স

আয়ের রেকর্ড গড়ে ফুটবল দুনিয়াকে চমকে দেওয়া কে এই নারী?

আয়ের রেকর্ড গড়ে ফুটবল দুনিয়াকে চমকে দেওয়া কে এই নারী?

বিপিএলে নাটকীয় জয়ে কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী

বিপিএলে নাটকীয় জয়ে কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী

টসে জিতে ভারতকে হারিয়েই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে চায় বাংলাদেশ

টসে জিতে ভারতকে হারিয়েই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে চায় বাংলাদেশ

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ টসে জিতেছে

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ টসে জিতেছে

সব বিভাগের খবর

বাবা কারাগারে, মুখ খুললেন পূজা চেরি

বাবা কারাগারে, মুখ খুললেন পূজা চেরি

নতুন সুযোগ আসলে তোমাকেই বেছে নিতাম: মেহজাবীন চৌধুরী

নতুন সুযোগ আসলে তোমাকেই বেছে নিতাম: মেহজাবীন চৌধুরী

সালমানের জন্য আমিশার আফসোস

সালমানের জন্য আমিশার আফসোস

সম্প্রতি বলিউড বাবলের এক সাক্ষাৎকারে অজানা কথা প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেল । বললেন সালমান খানের ‘তেরে নাম’ সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পরও তিনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। যেখানে ভাইজান নিজে তাকে সিনেমার গল্প বলেছিলেন, কিন্তু তিনি একটি কারণে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।আমিশা প্যাটেল বলেন, ইশ, আমি যদি প্রস্তাব ফিরিয়ে না দিতাম। কিন্তু সেই সময়ে যখন সালমান প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তখন কেবল গানগুলো তৈরি হয়েছিল এবং এটি ছিল সিনেমার ধারণা ও গল্প। অভিনেত্রী বলেন, ভাইজান আমাকে গল্পটি বলেছিলেন, গানগুলোও শুনিয়েছিলেন। তখন তারিখ ঠিক ছিল না এবং কে পরিচালনা করবেন তাও জানা ছিল না। সালমান ‘তেরে নাম’ নিয়ে খুব উত্তেজিত ছিলেন। যখন সবকিছু চূড়ান্ত হলো, তখন সতীশ কৌশিক জি যুক্ত হলেন এই প্রজেক্টে। ততদিনে আমি অন্য প্রজেক্টে ব্যস্ত হয়ে পড়ি।

দীর্ঘ বিরতি পর নতুন ওয়েব ফিল্মে অপু বিশ্বাস

দীর্ঘ বিরতি পর নতুন ওয়েব ফিল্মে অপু বিশ্বাস

হলুদের অনুষ্ঠানে নাচলেন পূজা চেরি

হলুদের অনুষ্ঠানে নাচলেন পূজা চেরি

৪১ বছর বয়সে কত সম্পত্তির মালিক সিদ্ধার্থ

৪১ বছর বয়সে কত সম্পত্তির মালিক সিদ্ধার্থ

নীরবতা ভাঙলেন রাফসানের প্রাক্তন স্ত্রী এশা

নীরবতা ভাঙলেন রাফসানের প্রাক্তন স্ত্রী এশা

হাঁটুর বয়সী মেয়ের সঙ্গে প্রেম,  জানালেন অভিনেতা

হাঁটুর বয়সী মেয়ের সঙ্গে প্রেম, জানালেন অভিনেতা

মোশাররফ নীলাঞ্জনার নতুন নাটক বউ প্যারা দেয়

মোশাররফ নীলাঞ্জনার নতুন নাটক বউ প্যারা দেয়

বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করল আইসিসি | ICC | BCB | BCCI | t20 world cup 2026

১ মাস আগে

অভিনেত্রী ঊর্মিলাসহ তিনজনের সম্পদের হিসাব চায় দুদক | Urmila Srabonti Kar | Entertainment | Dudok

১ মাস আগে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট  চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ | Voter List | bd Election 2026
ক্ষমতায় গেলে যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে বিএনপি  | তারেক রহমান | BNP | Tareque Rahman |
নির্বাচনের আগেই একটি দল মানুষ ঠকাচ্ছে এবং শিরক করাচ্ছে : তারেক রহমান সিলেট সমাবেশে |Tarique Rahman
যে মামলায় মৃত্যুদণ্ডের আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এবং মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড
কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে কাফের ঘোষণার দাবি | এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর | Abbasi
রংপুরের ব্যবসায়ী আশরাফুল হককে মিথ্যা প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা আদায় করতে চেয়েছিল প্রেমিকা | RAB
কোনো শর্টস পাওয়া যায়নি।
নানক-তাপসের শুনানি আজ

নানক-তাপসের শুনানি আজ

তনু হত্যাকাণ্ড: সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাফিজুর কারাগারে

তনু হত্যাকাণ্ড: সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাফিজুর কারাগারে

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধে প্রথম আসামির আত্মসমর্পণ

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধে প্রথম আসামির আত্মসমর্পণ

দেশ ছেড়ে পালিয়েছে হাদি হত্যার মূল আসামি ফয়সাল: স্বীকার করলো পুলিশ

দেশ ছেড়ে পালিয়েছে হাদি হত্যার মূল আসামি ফয়সাল: স্বীকার করলো পুলিশ



বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম

বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ার খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও বাড়তে শুরু করেছে সোনার দাম।শনিবার (২৫ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) স্পট মার্কেটে সোনার দাম ০.৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,৭২১.১৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। সেশন চলাকালে এক পর্যায়ে দাম ১ শতাংশের বেশি বাড়লেও সপ্তাহজুড়ে এখন পর্যন্ত ২ শতাংশের বেশি কমে গেছে।অন্যদিকে, জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার মার্কেটে সোনার দাম ০.৪ শতাংশ বেড়ে ৪,৭৪০.৯০ ডলারে নিষ্পত্তি হয়েছে।এদিকে বাংলাদেশে সবশেষ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা। একই সঙ্গে রুপার দামও কমেছে। ২২ ক্যারেট রুপা ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫,৭১৫ টাকা।

২০ ঘন্টা আগে

বিতর্কিত কোম্পানি থেকে এলএনজি ক্রয়ের চুক্তি করতে যাচ্ছে সরকার

বিতর্কিত কোম্পানি থেকে এলএনজি ক্রয়ের চুক্তি করতে যাচ্ছে সরকার

সব রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে স্বর্ণের দাম

সব রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে স্বর্ণের দাম

বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

শরিয়াহ আইন কী?  আরবি ভাষায় শরিয়াহ বলতে ‘পথ’ বোঝায়, যা আল্লাহকে খুশি করার লক্ষ্যে মানুষের জন্য অনুকরণীয় আচরণবিধি। শরিয়াহ বলবৎ হলে ব্যক্তি, মানুষ ও সমাজের সব ক্ষেত্র শরীয়তের অনুশাসন অনুযায়ী পরিচালিত হবে। শরীয়তের আওতায় ব্যবসায়-বাণিজ্য, পারিবারিক আইন, নৈতিকতা, অপরাধ ও শাস্তি, দান-খয়রাতসহ সবই রয়েছে। বাংলাদেশে রাজনীতিতে বর্তমানে এক নতুন মেরূকরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের প্রধান প্রধান ইসলামী দলগুলোর লক্ষ্য ‘ইসলামী শাসনতন্ত্র’ বা ‘শরিয়াহ আইন’ প্রতিষ্ঠা হলেও সম্প্রতি ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।  বিশেষ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং  ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশর মধ্যে শরিয়াহ আইন ইস্যুতে সৃষ্ট বাদানুবাদ ইসলামী রাজনীতির অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে ‘জামায়াতে ইসলামী শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন করবে না’ গত বুধবার দলটির আমির গণমাধ্যমকে এমনটাই জানান খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি দলের মার্থা দাস। তারপরই শরিয়াহ আইনের বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। এর আগে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দুজন প্রার্থীকে জাতীয় নির্বাচনের মনোনয়ন দেয় জামায়াতে ইসলামী। ফলে ধর্মভিত্তিক দল হওয়া সত্ত্বেও সম্প্রতি এমন বেশ কিছু পদক্ষেপে তাদের পক্ষ থেকে তুলনামূলক উদার মনোভাব বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে তা কৌশলগত অবস্থান কি না, সেই প্রশ্নও আসছে।এদিকে কয়েক দিন আগে ইসলামী আন্দোলন অভিযোগ করেছে, জামায়াতে ইসলামী তাদের মূল লক্ষ্য অর্থাৎ শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠার পথ থেকে সরে গেছে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে দেওয়া কিছু বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, তারা রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘শরিয়াহ’ শব্দের চেয়ে ‘ন্যায়বিচার’ ও ‘মানবিক মর্যাদা’ এবং প্রচলিত আইনের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান বিশ্বের ভূ-রাজনীতিতে ধর্ম ও রাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়ে সর্বাধিক আলোচিত বিতর্কগুলোর অন্যতম হলো শরিয়াহ আইন। বিশেষ করে মুসলিম প্রধান দেশগুলোতে রাজনীতিতে শরিয়াহ আইনের প্রয়োগ বা বর্জন নিয়ে প্রগতিশীল এবং রক্ষণশীল মহলের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিভেদ বিদ্যমান। এই বিতর্ক শুধু ধর্মীয় পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা মানবাধিকার, শাসনতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের সংজ্ঞাকেও প্রভাবিত করছে। অর্থাৎ শরিয়াহ আইনকে রাষ্ট্র পরিচালনায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রশ্নে প্রধানত তিনটি দিক থেকে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এক. গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব। দুই. বিচারব্যবস্থা ও দণ্ডবিধি। তিন. সংখ্যালঘু ও নারী অধিকার।প্রচলিত ধর্মনিরপেক্ষ আইনের চেয়ে এই ইসলামী শরীয়তের বিধানগুলো একটি আরেকটির সঙ্গে বেশি সম্পৃক্ত। আর ইসলাম ধর্মের প্রভাব ও রীতি অনুযায়ী মহান আল্লাহর আইনই চূড়ান্ত। ইসলামিক পণ্ডিতদের মতে, শরীয়ত হলোআল্লাহ ও তার রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর দিকনির্দেশনার সমষ্টি। অর্থাৎ শরীয়তের প্রধান বা মৌলিক উৎস দুইটি-- আল্লাহর বাণী কুরআন ও তার রাসুল হজরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর বাণী, কর্ম ও মৌনসম্মতি (সুন্নাহ)। পরবর্তী সময়ে কোরআন ও সুন্নাহর স্বীকৃতি ও নির্দেশনার ভিত্তিতে শরীয়তের আরও দুটি বিষয় নির্ধারিত হয়। এগুলো হলো—ইজমা ও কিয়াস। সুতরাং, শরীয়তের উৎস চারটি।ইন্টারনেটের তথ্য বলছে, বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে শরিয়াহ আইন ব্যবহার করে। দেশগুলো হচ্ছে আফগানিস্তান, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ইরাক, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মৌরিতানিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, সুদান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন ও ব্রুনাই।শরিয়াহ আইন নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক: গত বুধবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির ডা. আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন শিক্ষাবিদ ড. গর্ডন ক্লিংগেনশমিটের নেতৃত্বে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের একটি প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে ন্যাশনাল খ্রিষ্টান ফেলোশিপ অব বাংলাদেশের জেনারেল সেক্রেটারি মার্থা দাস সাংবাদিকদের বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর আমির মহোদয়ের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। উনি যে আশ্বাসগুলো দিয়েছেন, সেটাই আবার আমি একটু রিপিট করতে চাই। যেটা তিনি জাতির উদ্দেশে বলেছেন সেটা হলো, যদি মহান সৃষ্টিকর্তা ওনাদের এই দেশ পরিচালনার সুযোগ দেন, তাহলে এই বাংলাদেশে শরিয়াহ ল অর্থাৎ শরিয়াহ আইন তিনি বাস্তবায়ন করবেন না।’এ সময় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘প্রতিনিধি দলের মূল প্রশ্ন ছিল রাষ্ট্র পরিচালনা বা সরকার পরিচালনার সুযোগ পেলে জামায়াত কোন আইনে দেশ চালাবে? অনেকে জিজ্ঞেস করেন যে শরিয়াহ আইনে না অমুক মডেলে তমুক মডেলে। ফলে আমিরে জামায়াত বলেছেন, বাংলাদেশে যে বিদ্যমান আইন সে আইনেই বাংলাদেশ চলবে, যেখানে সব ধর্মের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা হবে। এবং এই আইনটাই যথেষ্ট এখন।’ তিনি আরও জানান, জামায়াতের আমির সেদিন বলেছিলেন আমাদের সংবিধান এবং বিদ্যামান যে আইনি কাঠামো আছে, সেখানে সব নির্দেশনা আছে। বাংলাদেশ এই বিদ্যমান আইন সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে থেকেই পরিচালিত হবে।এ ছাড়াও এহসানুল মাহবুব জুবায়ের পরে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘গত বুধবার আমিরে জামায়াতের বক্তব্য উল্লেখ করে একটি ফটোকার্ড আমাদের নজরে এসেছে, যেখানে তার বক্তব্যকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিকৃত করে প্রচার করা হয়েছে। ওই ফটোকার্ডে আমিরে জামায়াতের বক্তব্যের সঙ্গে মার্থা দাসের একটি বক্তব্যকে টুইস্ট করে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বাস্তব বক্তব্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং জামায়াত আমিরের বক্তব্যে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালিত হবে এবং জনগণের মতামত ও সম্মতি ছাড়া কোনো আইন পরিবর্তন বা সংশোধনের প্রশ্নই আসে না। তিনি সংবিধান, আইনের শাসন, ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং সব নাগরিকের অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। অতএব, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উপস্থাপনার মাধ্যমে জনমনে ভুল ধারণা সৃষ্টি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।’প্রসঙ্গত, ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর নাম একাধিকবার যেমন পরিবর্তন হয়েছে, তেমনই নানা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দলটির গঠনতন্ত্রেও বহুবার সংশোধন করা হয়েছে। গঠনতন্ত্রে ‘ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা’-এর পরিবর্তে ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা’ সংবলিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে তাদের লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামী। এর আগে তাদের গঠনতন্ত্রে ‘আল্লাহ-প্রদত্ত ও রসুল-প্রদর্শিত ইসলাম কয়েমের প্রচেষ্টা’কে মূল উদ্দেশ্য হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তা বাদ দিয়ে ‘গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা’র কথা বলা হয়। সর্বশেষ তারা গঠনতন্ত্রের ২২তম সংশোধনী আনে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে। জামায়াতের গঠনতন্ত্রে লক্ষ্য উদ্দেশ্য হিসেবে বলা আছে, ‘বাংলাদেশে নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা এবং মহান আল্লাহ তা’য়ালার সন্তুষ্টি অর্জন’।এদিকে গত শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অভিযোগ করেছে, জামায়াতের আমির বলেছেন, তারা ক্ষমতায় গেলে প্রচলিত আইনে দেশ শাসন করবেন। অথচ দেশের সব মানুষ একমত যে দেশের বর্তমান দুর্দশার কারণ বিদ্যমান আইন। সেই বিদ্যমান আইন পরিবর্তন করার জন্যই আমাদের রাজনীতি। এখন যদি সমঝোতার প্রধান দলই বিদ্যমান আইনে দেশ পরিচালনার প্রতিজ্ঞা করে তাহলে আমরা শঙ্কিত হই। আমরা নীতির রাজনীতি করি। আমাদের রাজনীতির সেই মৌলিক প্রশ্নে যখন ভিন্নমত তৈরি হয়, তখন তাদের সঙ্গে সমঝোতায় থাকার কোনো সুযোগ নেই।’উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালের ১৩ মার্চ বিভিন্ন ইসলামী ব্যক্তিত্ব ও সংগঠনের যৌথ প্রয়াসের ফলে ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঐক্যপ্রয়াসী একটি ইস্যু ভিত্তিক আন্দোলন হিসেবে ‘ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন’ নামে এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরবর্তী সময়ে আন্দোলনে অনৈক্য ও ভাঙনের ফলে এটি চরমোনাই পীর সৈয়দ ফজলুল করিমের নেতৃত্বে একটি একক রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়। মূল ১৯৯১ সাল থেকে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দল হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ২০০৮ সালে নিবন্ধন জটিলতায় এর নাম পরিবর্তন করে ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’ নামে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হয় এবং হাতপাখা প্রতীক লাভ করে। দলটির স্লোগান হচ্ছে ‘শুধু নেতা নয়, নীতিরও পরিবর্তন চাই।’বিতর্কের কারণ: জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক অবস্থান বিশ্লেষণে দেখা যায়, তারা নিজেদের একটি ‘আধুনিক মডারেট’ দল হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে। দলটির কিছু নেতা বলছেন, আমরা একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ চাই। ইসলাম মানেই কেবল শাস্তি (হুদুদ) নয়, বরং নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করা। অন্যদিকে এই অবস্থানকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ‘আদর্শিক চ্যুতি’ হিসেবে দেখছে। তাদের মতে, শরিয়াহ আইনের কথা সরাসরি না বলা মানেই হলো সেকুলার রাজনীতির দিকে ঝুঁকে পড়া।এই বাদানুবাদের পেছনে কেবল আদর্শিক নয়, বরং কৌশলগত কিছু কারণও রয়েছে। বিশেষ করে ভোটের রাজনীতি, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা, তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করা ইত্যাদি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আধুনিক শিক্ষিত তরুণদের কাছে শরিয়াহ আইনের প্রচলিত ধারণা অনেক সময় ভীতি সৃষ্টি করে, যা এড়াতে ভাষা ও কৌশলে পরিবর্তন আনছে দলগুলো।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত: রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেছেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা অনেক সফট কথাবার্তা বলছে এবং তারা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবার জন্য অনেক কিছু বলছে, যাতে মনে হচ্ছে তারা অনেকটা উদার হয়ে গেছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ধরনের কৌশল নেওয়া তো অস্বাভাবিক কোনো ব্যাপার না। কারণ দলটি নিয়ে মানুষের যে দৃষ্টিভঙ্গি (পারসেপশন) আছে, তা কাটাতেই হয়তো তারা এসব কথাবার্তা বলছে।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শামছুল আলম কালবেলাকে বলেন, বাংলাদেশে রাজনীতিতে শরিয়াহ আইনের বিতর্কটি এখন আর কেবল ‘ধর্মীয়’ নেই, এটি এখন ‘পরিচয় ও কৌশলের’ লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। জামায়াত যেখানে কৌশলগত নমনীয়তা দেখাচ্ছে, ইসলামী আন্দোলন সেখানে নিজেদের ‘আপসহীন’ ইসলামী শক্তি হিসেবে তুলে ধরছে। ফলে শরিয়াহ আইন নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের এই প্রকাশ্য বিতর্ক বাংলাদেশের ধর্মীয় রাজনীতির মোড় পরিবর্তন করতে পারে। জামায়াত যদি শেষ পর্যন্ত শরিয়াহ আইনের দাবি থেকে নিজেকে পুরোপুরি গুটিয়ে নেয়, তবে তা দেশের ইসলামপন্থি ভোটারদের মধ্যে একটি বড় প্রভাব তৈরি করবে এবং চরমোনাই পীরের দলের জন্য একটি বড় সুযোগ সৃষ্টি করবে। old('details') }} old('details') }}

ওজন মাপা বন্ধ করে প্রাধান্য দিন ফিটনেসকে

ওজন মাপা বন্ধ করে প্রাধান্য দিন ফিটনেসকে

মানুষ ওজন এবং ডায়েট নিয়ে খুবই যত্নশীল। বর্তমানে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রায় ৪০.৩% স্থূলতায় ভুগছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের তথ্য।ওজন কমানোর বাজারও এই মনোযোগকে বাড়িয়ে তুলছে। ২০২২ সালে এই বাজারের আকার প্রায় ১৪৩ বিলিয়ন ডলার ছিল এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এটি প্রায় ২৯৯ বিলিয়নে পৌঁছানোর প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সম্প্রতি GLP-1 ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে ১৫ মিলিয়নেরও বেশি আমেরিকান ওজন কমাচ্ছেন, যা মূলত টাইপ ২ ডায়াবেটিসের জন্য তৈরি হয়েছিল। এসব কারণে ওজনকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্য নিয়ে চাপ আরও বাড়ছে।

তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।

শিগগিরই পৃথিবীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সীমা ছাড়াতে পারে

শিগগিরই পৃথিবীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সীমা ছাড়াতে পারে

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

শিরোনাম
সালমানের জন্য আমিশার আফসোস ম্যানচেস্টার সিটি ফাইনালে নানক-তাপসের শুনানি আজ গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে গ্রেপ্তার বাস ভাড়া বাড়ল হামলাকারীর কাছে একাধিক অস্ত্র ছিল: ট্রাম্প ৬ জেলায় ঝড়ের সতর্কতা, নদীবন্দরে ২ নম্বর সংকেত গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের বৈঠক সাংবাদিকদের সঙ্গে ট্রাম্পের নৈশভোজে গুলির শব্দ সালমানের জন্য আমিশার আফসোস ম্যানচেস্টার সিটি ফাইনালে নানক-তাপসের শুনানি আজ গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে গ্রেপ্তার বাস ভাড়া বাড়ল হামলাকারীর কাছে একাধিক অস্ত্র ছিল: ট্রাম্প ৬ জেলায় ঝড়ের সতর্কতা, নদীবন্দরে ২ নম্বর সংকেত গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের বৈঠক সাংবাদিকদের সঙ্গে ট্রাম্পের নৈশভোজে গুলির শব্দ