বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় ডিসিদের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীনস্থ সব জেলার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।শনিবার (১১ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।তিনি বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন। সরকার দায়বদ্ধতা ও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে।উপদেষ্টা আরও বলেন, দুর্গত এলাকায় প্রশাসনের সঙ্গে মিটিং করে জনগণের পাশে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিটি মন্ত্রণালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন তার নির্দেশনা অনুযায়ী। দলীয় নেতাকর্মীদের ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার জন্য বলেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে আরও ৫টি শিশু হাসপাতাল চালু করা হবে। এছাড়া উপজেলা হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণ, স্বাস্থ্যখাতে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ এবং ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সরকার প্রধান এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, স্বাস্থ্যখাতকে বিশেষ প্রাধান্য দিয়ে এবারের বাজেটে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য ৫১ শয্যার হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে।দেশের চিকিৎসকদের ওপর রোগীদের আস্থা ফেরাতে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নিজেদের চিকিৎসকদের ওপর রোগীদের আস্থা ফেরাতে পারলে বিদেশে চিকিৎসা বাবদ বছরে যে পাঁচ বিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে চলে যায়, তা কমে আসবে।’এ সময় মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সবাইকে অবদান রাখার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, দেশের সব মানুষের জন্য চিকিৎসার সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার। সারা দেশে পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে। এর আগে ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে আরও ৫টি শিশু হাসপাতাল চালু করা হবে। এছাড়া উপজেলা হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণ, স্বাস্থ্যখাতে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ এবং ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সরকার প্রধান এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, স্বাস্থ্যখাতকে বিশেষ প্রাধান্য দিয়ে এবারের বাজেটে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য ৫১ শয্যার হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে।দেশের চিকিৎসকদের ওপর রোগীদের আস্থা ফেরাতে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নিজেদের চিকিৎসকদের ওপর রোগীদের আস্থা ফেরাতে পারলে বিদেশে চিকিৎসা বাবদ বছরে যে পাঁচ বিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে চলে যায়, তা কমে আসবে।’এ সময় মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সবাইকে অবদান রাখার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, দেশের সব মানুষের জন্য চিকিৎসার সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার। সারা দেশে পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে। এর আগে ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে রোববার (১২ জুলাই) সকালে মুখোমুখি হচ্ছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ড। গুরুত্বপূর্ণ এই লড়াইকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহের মধ্যেই ম্যাচের সম্ভাব্য ফল নিয়ে পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে অপ্টার সুপার কম্পিউটার।২৫ হাজার সিমুলেশনের ভিত্তিতে করা বিশ্লেষণে স্পষ্টভাবে এগিয়ে রাখা হয়েছে আর্জেন্টিনাকে। সেই বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে আর্জেন্টিনার জয়ের সম্ভাবনা ৫৭ দশমিক ১ শতাংশ।একই সিমুলেশনে সুইজারল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। অন্যদিকে ২৪ দশমিক ২ শতাংশ ক্ষেত্রে ম্যাচ ড্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, অর্থাৎ সেক্ষেত্রে খেলা গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে।কে হবে নতুন বিশ্বজয়ী, ভবিষ্যদ্বাণী করলেন কোর্তোয়াযদিও বারবার প্রত্যাশিত হিসাব-নিকাশ উল্টে দেওয়ার অভ্যাস যেন গড়ে তুলেছে আর্জেন্টিনা। এরপরও সার্বিকভাবে শেষ চারে উঠে শিরোপা রক্ষার লড়াইয়ে টিকে থাকার সম্ভাবনা তাদের জন্য দেখানো হয়েছে ৬৯ দশমিক ৪ শতাংশ।অন্যদিকে ইংল্যান্ড বা নরওয়ের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা সুইজারল্যান্ডের জন্য দেখানো হয়েছে ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ।
বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ২০২১ সালের ৪ আগস্ট গ্রেপ্তার হয়ে দেশজুড়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি করেছিলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের চিত্রনায়িকা পরীমনি। সে সময় রাজধানীর বনানীতে তার নিজ বাসায় অভিযান চালায় র্যাব-১ এর সদস্যরা।অভিযানে তার বেডরুম থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধারের অভিযোগ এনে অভিনেত্রী ও সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দীপুকে আটক করে র্যাব। পরে বনানী থানায় দায়ের হওয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা কারাভোগ করেন এ অভিনেত্রী।দীর্ঘদিন পর সে ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। এছাড়াও তার গ্রেপ্তার ও কারাবাসের ঘটনা নিয়ে র্যাবের তৎকালীন গোয়েন্দা প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) খাইরুল ইসলামের বক্তব্যের পর ‘কিছু সত্য প্রকাশ্যে আনায়’ তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি।এক দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে তিনি খাইরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানিয়ে দাবি করেছেন, বিশেষ মহলের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কারণে’ তৎকালীন র্যাব প্রধান ও পরবর্তীতে পুলিশের আইজি হওয়া ‘চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের নির্দেশে’ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই সময় তার বিরুদ্ধে হওয়া পদক্ষেপ ছিল ‘অন্যায় ও বেআইনি’।পোস্টের শুরুতে র্যাবের তৎকালীন গোয়েন্দা প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল খাইরুল ইসলামকে ‘ধন্যবাদ’ জানিয়ে পরীমনি বলেন, ‘সম্প্রতি একটি অনলাইন টকশোতে দেরিতে হলেও আপনি এমন কিছু সত্য প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন, যার মাধ্যমে দেশের মানুষ জানতে পারল যে, ২০২১ সালের ৪ আগস্ট বনানীতে আমার বাসায় দীর্ঘ সময় অভিযান চালানোর নামে নাটকীয়তার পর তৎকালীন র্যাব প্রধান ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের নির্দেশে আমাকে অন্যায়ভাবে, সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে এবং বিশেষ মহলের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৭ দিনের রিমান্ড ও টানা ২০ দিন কারাগারে রাখা হয়েছিল।’সেই পরিস্থিতি তার জীবনকে ‘ক্ষতিগ্রস্ত করেছে’ উল্লেখ করে পোস্টে অভিনেত্রী লেখেন, ‘গ্রেপ্তারের দিন থেকে আজ পর্যন্ত আমি সেই ঘটনার একজন ভুক্তভোগী হয়েই জীবন কাটাচ্ছি। যেভাবে আমাকে অপদস্থ করা হয়েছে, আমার সম্মান, নৈতিকতা এবং চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বেদনাদায়ক অধ্যায় হয়ে থাকবে।’‘রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে একজন নারী শিল্পীর জীবন বিপর্যস্ত করা হয়েছে’ দাবি করে পোস্টে পরী বলেন, ‘আমি শুধু চাই ভবিষ্যতে আর কোনো নির্দোষ মানুষ যেন এমন অভিজ্ঞতার শিকার না হন। এতগুলো দিন পর আমি কোনো ক্ষোভ বা প্রতিশোধের কথা বলতে চাই না। আমি শুধু সত্য, ন্যায়বিচার এবং মানবিকতার পক্ষে কথা বলতে চাই।’পোস্টে তার বিরুদ্ধে হওয়া সেই মামলাকে ‘রাষ্ট্রীয়ভাবে সাজানো’ উল্লেখ করে তা থেকে অব্যাহতি পাবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।পরীমনি তার পোস্টে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘কিন্তু আমার সেই দিনগুলো কি ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব? যে জীবন, যে সম্মান, যে মানসিক শান্তি আমি হারিয়েছি, তা কি আর কখনো ফিরে পাব? মানুষের মনে আমাকে নিয়ে যে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও বিতর্কিত ধারণা তৈরি করা হয়েছে, রাষ্ট্র কি তার দায় নেবে? রাষ্ট্রের কাছে আমি এই প্রশ্নগুলোর জবাব চাইলে কি দিতে পারবে?’নিজের ‘বিতর্কিত’ পরিচয় নিয়ে পরীমনি বলেন, ‘আমি কখনো চাইনি আমার পরিচয় একজন বিতর্কিত মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক। আমি সবসময় একজন শিল্পী হিসেবে মানুষের ভালোবাসা নিয়েই বেঁচে থাকতে চেয়েছি। কিন্তু একটি ঘটনার অভিঘাত আমার জীবনকে এমনভাবে বদলে দিয়েছে, যার প্রভাব আমি আজও বহন করে চলেছি।’কাউকে ছোট বা অপমান করতে চান না জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘আমি শুধু চাই, ভবিষ্যতে আর কোনো নির্দোষ মানুষ যেন এ ধরনের অন্যায়ের শিকার না হন। রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা অটুট থাকুক। সে আস্থার ভিত্তি হোক ন্যায়বিচার, আইনের শাসন এবং জবাবদিহিতামূলক।কঠিন সময়ে পাশে থাকা পরিবার, সহকর্মী, বন্ধু, সাংবাদিক ও ভক্তদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন পরীমনি। পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমার পরিবার, সহকর্মী, বন্ধু, সাংবাদিক এবং আমার অসংখ্য ভক্ত আপনাদের প্রতি আমি আজীবন গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আপনাদের বিশ্বাস, ভালোবাসা এবং সমর্থনই আমাকে বারবার উঠে দাঁড়ানোর শক্তি দিয়েছে।’অতীতের ক্ষত পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে চান জানিয়ে পরীমনি বলেন, ‘আমি অতীতের ক্ষত বয়ে বেড়াতে চাই না। আমি সামনে এগিয়ে যেতে চাই। আমি মুক্ত আকাশে পরীর মতো করেই উড়তে চাই। আমার কাজ, আমার সন্তান, আমার পরিবার এবং আমার দর্শকদের ভালোবাসা নিয়েই আমি বাকি জীবন বাঁচতে চাই। আমি বাঁচতে ভালোবাসি।’উল্লেখ্য, সম্প্রতি এক টকশোতে পরীমনির গ্রেপ্তারের ঘটনা নিয়ে এক প্রশ্নে র্যাবের তৎকালীন গোয়েন্দা প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল খাইরুল ইসলাম বলেন, এটা একটা ইন্টারেস্টিং বিষয়। হঠাৎ ডিজি (তৎকালীন র্যাব প্রধান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন) ফোন দিয়ে বলেন, ‘পরীমনিকে ধরার একটা ইনস্ট্রাকশন আসছে আমার কাছে, আপনারা এক্সিকিউট করেন’।‘পরীমনিকে কেন ধরা হবে’ এমন প্রশ্নের জবাবে তৎকালীন র্যাব ডিজি জানিয়েছিলেন, ‘উনার (পরীমনি) নামে অনেক অভিযোগ আছে, উনি ব্ল্যাকমেইল করেন।’র্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘ডিজি বললেন— পরীমনির ডিভাইস ফরেনসিক করতে হবে। রাতে অফিসার ফোন দিয়ে বলেন, ‘উনার (পরীমনি) ডিভাইস ফরেনসিক করেছি, কোনো কিছু পাইনি।’পরে ডিজিকে তিনি জানান, ‘অন্য এজেন্সির সঙ্গে শেয়ার করা কতটা যৌক্তিক।’ তখন ডিজি বলেন, ‘অনেকে ফোন দিচ্ছেন। একটু শেয়ার করতে হবে।’র্যাবের তৎকালীন গোয়েন্দা প্রধান বলেন, ‘তারপর আসামি হিসেবে পরীমনিকে চালান দেওয়া হলো। তার বিরুদ্ধে মাদকের মামলা হলো। ওই দিন সন্ধ্যায় আমার বদলি হয়।’বদলির পর পরবর্তীতে একসময় পরীমনির বিরুদ্ধে অভিযানের বিষয়ে তৎকালীন র্যাব ডিজি আব্দুল্লাহ আল মামুনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল খাইরুল ইসলাম। জবাবে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছিলেন, ‘এটা ইনস্ট্রাকশন ছিল। সে (পরীমনি) ঊর্ধ্বতন মহলের অনেককে ডিস্টার্ব করছে, ব্ল্যাকমেইল করছে। এটাকে প্রতিকার করা দরকার ছিল।’
একদিনের বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরের বিভিন্ন শেডে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পাঁচটি শেডে পানিতে তলিয়েছে বিভিন্ন ধরনের আমদানিকৃত মালামাল। কোটি কোটি টাকার পণ্য এখন হাঁটুপানিতে ভাসছে।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত থেকেই বিরামহীনভাবে বৃষ্টি হচ্ছে এ অঞ্চলে। একটানা বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরের ৩নং গেটের সামনে পাঁচটি শেডে পানিতে তলিয়েছে বিভিন্ন ধরনের আমদানিকৃত মালামাল। কোথাও কোথাও হাঁটুপানি জমে গেছে। এসব পানি পাওয়ার পাম্প দিয়ে বের করার চেষ্টা চলছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বন্দর ব্যবহারকারীরা এসব এলাকা পরিদর্শন করেছেন।বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল বন্দরে শেড ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মিত হলেও নাজুক ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায় শত শত কোটি টাকার মালামাল।অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা গণমাধ্যমকে বলেন, স্থানীয় বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে নানা অব্যবস্থাপনার কথা বলে এলেও বন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো কথা আমলে না নেওয়ায় প্রায় শতাধিক আমদানিকারক সব হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। বীমা না থাকায় বন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো ক্ষতিপূরণও দেয় না। পানি নিষ্কাশনের বিষয়ে কমিটি করা হলেও তার কোনো কার্যকারিতা নেই। গত বছরের বর্ষার সময় কমিটির লোকজনের তৎপরতা ২/১ দিন দেখা গেলেও পরে এ নিয়ে আর কোনো পরিকল্পনা করা হয়নি।বেনাপোল বন্দরের ব্যবসায়ী আলহাজ মতিয়ার রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, বন্দরে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় চলাচলে মারাত্মক অসুবিধা হচ্ছে। কয়েকটি পণ্যাগারে পানি ঢুকে অনেক আমদানিকারকের লাখ লাখ টাকার মালামাল পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। বন্দরের ভাড়া প্রতিবছর বাড়লেও তারা বন্দরের উন্নয়নে কোনো ভূমিকা নিচ্ছে না। অধিকাংশ অবকাঠামো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া তৈরি হওয়ায় বৃষ্টির সময় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। বারবার আশ্বাস দিলেও স্থায়ী সমাধান করা হচ্ছে না।বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক কাজি রতন বলেন, বৃষ্টিতে বেশকিছু শেডে পানিতে মালামাল ভিজেছে। পাওয়ার পাম্প দিয়ে পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা চলছে। তবে অবিরাম বৃষ্টি হওয়ায় কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। বৃষ্টি পড়া বন্ধ হলে সমস্যা সমাধান হওয়ার আশা করেন তিনি। জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
১১ ঘন্টা আগে
প্রকৃতির ভয়াবহ রূপ মানুষের অসহায়ত্বকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা, টানা বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল, ঝড়-তুফান ও বজ্রপাত মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। ঘরবাড়ি, ফসল, গবাদিপশু, শিক্ষা ও জীবিকা, সবকিছুই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে একজন মুসলিমের করণীয় কী? কোরআন ও সুন্নাহ আমাদের কী শিক্ষা দেয়, তা জানা আজ অত্যন্ত জরুরি।ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস হলো, বিশ্বজগতের প্রতিটি ঘটনা আল্লাহ তাআলার ইচ্ছা ও হিকমতের অধীন। আল্লাহ তাআলা বলেন, পৃথিবীতে কিংবা তোমাদের নিজেদের ওপর যে বিপদই আসে, তা আমি সৃষ্টি করার আগেই একটি কিতাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে। নিশ্চয়ই এটি আল্লাহর জন্য সহজ ।(সুরা হাদিদ: ২২)অতএব, কোনো দুর্যোগকে কেবল প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে নয়; বরং আল্লাহর তাকদির ও প্রজ্ঞার অংশ হিসেবেও দেখা একজন মুমিনের ঈমানের দাবি।বন্যা, ঝড়, অতিবৃষ্টি বা জলোচ্ছ্বাস অনেক সময় আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের ঈমান, ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর নির্ভরতার পরীক্ষা। আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি অবশ্যই তোমাদেরকে কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, ধন-সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষতির মাধ্যমে পরীক্ষা করব। আর ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দিন। (সুরা বাকারা: ১৫৫)কখনো সতর্কবার্তা, কখনো শাস্তিকখনো আল্লাহ এসব দুর্যোগকে সতর্কবার্তা হিসেবে পাঠান, আবার কখনো তা শাস্তির রূপ ধারণ করে। কোরআনে বিভিন্ন জাতির ওপর বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ নেমে আসার কথা উল্লেখ রয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি তাদেরকে দুর্দশা ও কষ্টে আক্রান্ত করেছিলাম, যাতে তারা বিনীত হয়। (সুরা আনআম: ৪২)অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, স্থলে ও জলে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে মানুষের কৃতকর্মের কারণে, যাতে আল্লাহ তাদেরকে তাদের কিছু কর্মের স্বাদ আস্বাদন করান; হয়তো তারা ফিরে আসবে। (সুরা রূম: ৪১)তবে কোনো নির্দিষ্ট বন্যা বা দুর্যোগকে নিশ্চিতভাবে আল্লাহর শাস্তি বলা বৈধ নয়। কারণ এর চূড়ান্ত জ্ঞান একমাত্র আল্লাহর কাছেই রয়েছে। একই দুর্যোগ একজনের জন্য পরীক্ষা, অন্যজনের জন্য সতর্কবার্তা, আবার কারও জন্য মর্যাদা বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।টানা বৃষ্টি আল্লাহর রহমত নাকি বিপদ?কোরআনে বৃষ্টিকে সাধারণভাবে আল্লাহর রহমত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে । আল্লাহ বলেন, তিনিই বৃষ্টিকে রহমতস্বরূপ বর্ষণ করেন। (সুরা শুরা: ২৮)রাসুলুল্লাহ (সা.) বৃষ্টি হলে দোয়া করতেন, اللَّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعا.অর্থ: হে আল্লাহ! এই বৃষ্টিকে উপকারী বৃষ্টি বানিয়ে দিন। (বোখারি: ১০৩২)দুর্যোগের সময় একজন মুসলিমের করণীয়১. ধৈর্য ও আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তনআল্লাহ তাআলা বলেন, যখন তাদের ওপর বিপদ আসে, তখন তারা বলে, নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহরই এবং নিশ্চয়ই তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী। (সুরা বাকারা: ১৫৬)রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, মুমিনের বিষয়টি বিস্ময়কর। তার প্রতিটি অবস্থাই কল্যাণকর। সুখ পেলে সে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, এতে তার কল্যাণ হয়। আর দুঃখ-কষ্টে আক্রান্ত হলে সে ধৈর্য ধারণ করে, এটিও তার জন্য কল্যাণকর। (মুসলিম: ২৯৯৯)তাই দুর্যোগের সময় ইসলামের শিক্ষা হলো, ধৈর্য ধারণ করা এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসা।২. প্রার্থনা বা দোয়াপ্রবল বাতাস সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, বাতাসকে গালি দিও না। কারণ এটি আল্লাহর রহমতও নিয়ে আসে, আবার তাঁর আদেশে শাস্তিও নিয়ে আসে। (আবু দাউদ: ৫০৯৭) রাসুলুল্লাহ (সা.) তখন এই দোয়া করতেন, اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا وَخَيْرَ مَا فِيهَا وَخَيْرَ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ مَا فِيهَا وَشَرِّ مَا أُرْسِلَتْ بِهِঅর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এই বাতাসের কল্যাণ, এতে নিহিত কল্যাণ এবং যে উদ্দেশ্যে একে পাঠানো হয়েছে তার কল্যাণ প্রার্থনা করছি। আর এর অকল্যাণ, এতে নিহিত অকল্যাণ এবং যে উদ্দেশ্যে একে পাঠানো হয়েছে তার অকল্যাণ থেকে আপনার আশ্রয় চাই। (মুসলিম: ৮৯৯)আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, প্রবল বাতাস বা আকাশে মেঘ দেখা দিলে রাসুলুল্লাহ (সা.) উদ্বিগ্ন হয়ে পড়তেন এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন। (বোখারি: ৩২০৬)হজরত আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রা.) বজ্রধ্বনি শুনলে কথা বলা বন্ধ করে বলতেন, .سُبْحَانَ الَّذِي يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِএরপর তিনি বলতেন, এটি পৃথিবীবাসীর জন্য কঠিন সতর্কবার্তা। (আল-আদাবুল মুফরাদ: ৭২৩)কোরআনেও আল্লাহ বলেন, বজ্র আল্লাহর প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে এবং ফেরেশতারাও তাঁর ভয়ে তা করে। (সুরা রাদ: ১৩)এ ছাড়া যখন অতিবৃষ্টি মানুষের জন্য ক্ষতির কারণ হতো, তখন রাসুল (সা.) দোয়া করতেন,اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا، اللَّهُمَّ عَلَى الْآكَامِ وَالظِّرَابِ وَبُطُونِ الْأَوْدِيَةِ وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ.অর্থ: হে আল্লাহ! (বৃষ্টি) আমাদের ওপর নয়, আমাদের চারপাশে বর্ষণ করুন। হে আল্লাহ! পাহাড়-টিলা, উঁচু ভূমি, উপত্যকার ভেতর এবং গাছপালা জন্মায় এমন স্থানগুলোতে বৃষ্টি বর্ষণ করুন। (মুসলিম: ৮৯৭)তাই বন্যা, ঝড় বা অতিবৃষ্টিতে উল্লিখিত দোয়াগুলো বেশি বেশি পাঠ করা উচিত।৩. গুজব ও কুসংস্কার থেকে বিরত থাকাদুর্যোগের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফ্যাক নিউজ, বিকৃত ছবি, পুরোনো ভিডিও, এ আই দিয়ে ভুয়া ভিডিও বানিয়ে নানা গুজব, ভিত্তিহীন ভবিষ্যদ্বাণী বা কুসংস্কার ছড়িয়ে পড়ে। ইসলাম এসব থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, যদি কোনো ফাসিক তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তবে তা যাচাই করে নাও। (সুরা হুজুরাত: ৬)৪. বন্যা থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় উপকরণ ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণইসলাম শুধু আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের শিক্ষা দেয় না; বরং বিপদ এড়াতে যথাসাধ্য উপায়-উপকরণ গ্রহণেরও নির্দেশ দেয়। তাই বন্যার আশঙ্কা দেখা দিলে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়া, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধ, টর্চ, লাইফ জ্যাকেট বা ভাসমান উপকরণ, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সংরক্ষণসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা সুন্নাহসম্মত ও শরিয়তসম্মত। কারণ রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: প্রথমে উটটি বেঁধে রাখ, তারপর আল্লাহর ওপর ভরসা কর। (তিরমিজি: ২৫১৭)৫.দুর্যোগে মানবসেবায় এগিয়ে আসাদুর্যোগে মানবসেবা গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের একটি দুনিয়াবি কষ্ট দূর করবে, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তার একটি কষ্ট দূর করবেন। (মুসলিম: ২৬৯৯)অতএব, ত্রাণ বিতরণ, আশ্রয় দেওয়া, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ ও পুনর্বাসনে সহযোগিতা করা শুধু মানবিক কাজ নয়; বরং ইবাদতও বটে।৬. ভবিষ্যৎ বন্যা মোকাবিলায় রাষ্ট্রের কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণশুধু তাৎক্ষণিক ত্রাণ নয়, ভবিষ্যতে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে রাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। নদী, খাল ও জলাশয় দখলমুক্ত ও নিয়মিত খনন, কার্যকর পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা গড়ে তোলা, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, পাহাড় কাটা ও অবৈধ দখল বন্ধ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্যোগ-প্রতিরোধী অবকাঠামো নির্মাণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সময়ের দাবি। মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় রাষ্ট্রের এ ধরনের উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এই প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল, এবং প্রত্যেককে তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। শাসক জনগণের অভিভাবক, আর তাকে তার জনগণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। (মুসলিম: ১৮২৯)লেখক: শরিয়াহ কনসালট্যান্ট
গরমের এই সময়ে ত্বকে ঘাম, ধুলাবালি আর অতিরিক্ত তৈলাক্তভাবের কারণে নানা সমস্যা দেখা দেয়। ত্বক হয়ে পড়ে রুক্ষ, নিস্তেজ ও প্রাণহীন। এমন পরিস্থিতিতে প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে অ্যালোভেরা হতে পারে দারুণ এক সমাধান। ত্বককে ঠান্ডা রাখা, ব্রণ কমানো এবং উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে অ্যালোভেরার ফেসপ্যাক বেশ কার্যকর।অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা ত্বকের গভীরে পুষ্টি জোগায় এবং সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে কিছুটা সুরক্ষা দেয়। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক থাকে সতেজ ও কোমল।অ্যালোভেরা-শসার ফেসপ্যাকগরমে ত্বক ঠান্ডা রাখতে অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন। ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে।অ্যালোভেরা-মধুর ফেসপ্যাকশুষ্ক ত্বকের জন্য অ্যালোভেরা ও মধুর মিশ্রণ বেশ উপকারী। এই ফেসপ্যাক ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং ত্বককে নরম রাখে।অ্যালোভেরা-লেবুর ফেসপ্যাকতৈলাক্ত ত্বকের জন্য অ্যালোভেরার সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এটি অতিরিক্ত তেল কমাতে সহায়তা করে। তবে সংবেদনশীল ত্বকে ব্যবহারের আগে সতর্ক থাকতে হবে।ব্যবহারের আগে যা করতে হবে> মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে ফেসপ্যাক ব্যবহার করুন।> সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন ব্যবহার করাই যথেষ্ট।> নতুন কোনো উপাদান ব্যবহারের আগে হাতে সামান্য লাগিয়ে পরীক্ষা করে নিন।> চোখের আশপাশে ফেসপ্যাক ব্যবহার না করাই ভালো।> প্রচণ্ড গরমে ত্বককে সুস্থ ও সতেজ রাখতে রাসায়নিক প্রসাধনীর বদলে প্রাকৃতিক অ্যালোভেরার ফেসপ্যাক হতে পারে সহজ ও নিরাপদ সমাধান।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ করতে হোয়াটসঅ্যাপ একটি নতুন ফিচার নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে, যা গ্রিন ডট নামে পরিচিত। এই ফিচারের মাধ্যমে কোনো কনট্যাক্ট বর্তমানে অনলাইনে আছেন কি না, তা চ্যাট বক্স না খুলেই আগের চেয়ে অনেক সহজে বোঝা যাবে। বর্তমানে এটি আইফোন বিটা ব্যবহারকারীদের একটি নির্বাচিত অংশের জন্য উপলব্ধ করা হয়েছে এবং এর আগে অ্যানড্রয়েড বিটা সংস্করণেও এর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোনো ব্যবহারকারী হোয়াটসঅ্যাপে সক্রিয় থাকলে তার প্রোফাইল ছবির নিচে একটি ছোট সবুজ ডট দেখা যাবে। তিনি অফলাইন হয়ে গেলে সেই চিহ্নটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অদৃশ্য হয়ে যাবে। বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপ এই ফিচারটি শুধুমাত্র কনট্যাক্ট ইনফো স্ক্রিনেই সীমাবদ্ধ রেখেছে। অর্থাৎ, কোনো চ্যাটে গিয়ে ব্যবহারকারীর নাম বা প্রোফাইল ছবিতে ট্যাপ করলেই কেবল এই সবুজ সংকেতটি দেখা যাচ্ছে। এটি এখনও মূল চ্যাট তালিকা বা চ্যাট উইন্ডোতে দেখা যায় না।গোপনীয়তার বিষয়ে হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, এই গ্রিন ডট ফিচারটি আপনার বর্তমান প্রাইভেসি সেটিংস অনুসরণ করবে। আপনি যদি আপনার অনলাইন স্ট্যাটাস নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা সকলের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখেন, তবে তারাও আপনার প্রোফাইলে এই সবুজ ডট দেখতে পাবেন না। এটি মূলত নতুন কোনো তথ্য প্রকাশ না করে বর্তমান অনলাইন স্ট্যাটাসকে আরও স্পষ্টভাবে উপস্থাপনের একটি ভিজ্যুয়াল পদ্ধতি মাত্র।ফিচারটি বর্তমানে পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ এই ধরনের নতুন ফিচার প্রথমে সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর মধ্যে পরীক্ষা করে থাকে এবং সফল হলে পরে তা সবার জন্য উন্মুক্ত করে। আশা করা হচ্ছে, পরীক্ষা সফল হলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে অ্যানড্রয়েড এবং আইফোন—উভয় প্ল্যাটফর্মের সব ব্যবহারকারীই এই সুবিধাটি পাবেন। তবে সংস্থা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এর তারিখ ঘোষণা করেনি।