দুবাইয়ে কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। গত সোমবার (২৭ জুলাই) সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আইনি প্রক্রিয়া শেষে কারামুক্ত হন বেনজীর।কারামুক্তির সংবাদ পেয়ে দেশের বেসরকারি গণমাধ্যম এশিয়া পোস্ট তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়।গণমাধ্যমটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, আইনি প্রক্রিয়ায় জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। শারীরিকভাবেও সুস্থ আছেন। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে এখনই বিস্তারিত কথা বলতে রাজি হননি।তবে জানা গেছে, বেনজীরের জামিনের ক্ষেত্রে সেখানকার আদালত কয়েকটি শর্ত আরোপ করেছে। শর্ত অনুযায়ী বেনজীরের পাসপোর্ট আদালতের হেফাজতে থাকবে এবং অনুমতি ছাড়া তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ত্যাগ করতে পারবেন না।সূত্র আরও জানায়, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রত্যর্পণসংক্রান্ত নথিপত্র এবং আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে দুবাইয়ের আদালতে উভয়পক্ষের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। পরে শর্তসাপেক্ষে বেনজীরকে জামিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আদালত।এ বিষয়ে দুবাই কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট শাখায় যোগাযোগ করা হলে তারাও কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলায় দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ। দুবাই পুলিশের সহায়তায় এবং আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১২ জুন এক চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে অবহিত করে দুবাই পুলিশ।এর আগে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে একাধিক মামলা করে দুদক। এসব অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবেই তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।আইজিপি হিসেবে বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও র্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র্যাবের সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। তার মধ্যে বেনজীর আহমেদের নামও ছিল।২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার কয়েক মাস আগে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে তা নিয়ে তদন্তে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তখনই তিনি দেশ ছেড়েছিলেন। এরপর তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে।
সাবেক সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূরের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) তরিকুল ইসলামকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে নীলফামারী থেকে।রোববার (২ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নীলফামারী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান। এর আগে, শনিবার সন্ধ্যায় তাকে শহরের শান্তিনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রায় ১৩ বছর আগের এক ঘটনায় হওয়া মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাকে।জানা যায়, কৃষক সিদ্দিক আলী ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বরে বাড়ির অদূরে রামগঞ্জহাটে বাজার করতে যান। ওই সময় আওয়ামী লীগের কয়েকজন এলাকার বিএনপি নেতা গোলাম রব্বানীর বাড়িতে হামলা চালায় এবং এলাকার মানুষজনের ওপর এলোপাথাড়ি মারধর করে। এ সময় কৃষক সিদ্দিক আলী আঘাত পেয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূরকে বহনকারী গাড়ি দিয়ে তাকে চাপা দেওয়া হয়।১৩ বছর আগের এ ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে মামলার এজাহারে বলা হয়, ওই সময় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় নিহত কৃষক সিদ্দিক আলীর হত্যা মামলা দায়ের করতে পারেননি বাদী। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটের পর সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় নিহতের ছেলে মামলাটি দায়ের করেন। এই মামলায় তরিকুল ইসলাম এজাহারনামীয় আসামি। সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূরকে প্রধান আসামি করা হয়েছে এ মামলায়।এ বিষয়ে নীলফামারী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, সিদ্দিক হত্যা মামলায় তরিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে।
দুবাইয়ে কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। গত সোমবার (২৭ জুলাই) সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আইনি প্রক্রিয়া শেষে কারামুক্ত হন বেনজীর।কারামুক্তির সংবাদ পেয়ে দেশের বেসরকারি গণমাধ্যম এশিয়া পোস্ট তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়।গণমাধ্যমটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, আইনি প্রক্রিয়ায় জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। শারীরিকভাবেও সুস্থ আছেন। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে এখনই বিস্তারিত কথা বলতে রাজি হননি।তবে জানা গেছে, বেনজীরের জামিনের ক্ষেত্রে সেখানকার আদালত কয়েকটি শর্ত আরোপ করেছে। শর্ত অনুযায়ী বেনজীরের পাসপোর্ট আদালতের হেফাজতে থাকবে এবং অনুমতি ছাড়া তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ত্যাগ করতে পারবেন না।সূত্র আরও জানায়, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রত্যর্পণসংক্রান্ত নথিপত্র এবং আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে দুবাইয়ের আদালতে উভয়পক্ষের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। পরে শর্তসাপেক্ষে বেনজীরকে জামিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আদালত।এ বিষয়ে দুবাই কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট শাখায় যোগাযোগ করা হলে তারাও কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলায় দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ। দুবাই পুলিশের সহায়তায় এবং আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১২ জুন এক চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে অবহিত করে দুবাই পুলিশ।এর আগে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে একাধিক মামলা করে দুদক। এসব অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবেই তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।আইজিপি হিসেবে বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও র্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র্যাবের সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। তার মধ্যে বেনজীর আহমেদের নামও ছিল।২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার কয়েক মাস আগে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে তা নিয়ে তদন্তে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তখনই তিনি দেশ ছেড়েছিলেন। এরপর তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে।
আবারও সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) সভাপতি নির্বাচচিত হয়েছে কাজী সালাহউদ্দিন। এই নিয়ে তিনি টানা পঞ্চমবার সাফের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।ভুটানের থিম্পুতে আজ অনুষ্ঠিত সাফের কংগ্রেসে সভাপতি পদে একমাত্র প্রার্থী ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক এই ফুটবলার। ফলে কংগ্রেসের অনুমোদনের মধ্য দিয়ে টানা পঞ্চম মেয়াদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাফের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার পথ সুগম হয়েছে।কংগ্রেসের অন্যতম আলোচ্য বিষয় ছিল সাফের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচন। তবে সভাপতি পদে সালাহউদ্দিন ছাড়া আর কোনো মনোনয়ন জমা না পড়ায় ভোটের প্রয়োজন হয়নি। সাফের গঠনতন্ত্রের ২৪.২ ধারা অনুযায়ী, কোনো পদের জন্য প্রার্থীর সংখ্যা শূন্যপদের বেশি না হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত বলে গণ্য হন। কাজী সালাহউদ্দিন ২০০৯ সাল থেকে সাফের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এ নিয়ে তিনি পঞ্চমবারের মতো নির্বাচিত হলেন। ৭০ বছরের ঊর্ধ্ব কেউ সাফের নির্বাহী কমিটির কোনো পদে প্রার্থী হতে পারবেন না- এত দিন এ কথাই বলা ছিল সাফের গঠনতন্ত্রে। তবে নিয়মটা গত বছর কলম্বোয় সাফের বিশেষ সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে বয়সের সীমা তুলে দেওয়া হয়। তাতে নির্বাচন করতে আর কোনো বাধা হয়নি সালাহউদ্দিনের জন্য।নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে বাংলাদেশ থেকেও বাড়ছে প্রতিনিধিত্ব। বাফুফের সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ আরিফ প্রথমবারের মতো সাফের এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য হতে যাচ্ছেন। সহ-সভাপতি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন শ্রীলঙ্কার জাসওয়ার উমারু লাবে। আর কার্যনির্বাহী কমিটির আরেক সদস্য হিসেবে থাকছেন মালদ্বীপের হুসাইন শাফিউ।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি স্মরণ ও উদযাপনকে কেন্দ্র করে আগামী ৫ আগস্ট রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে উন্মুক্ত কনসার্ট ‘বর্ষা বিপ্লবের গান’। ব্যতিক্রমধর্মী এই সাংস্কৃতিক আয়োজন করছে মুনসুন কালচারাল অ্যালায়েন্স। সহযোগিতায় রয়েছে ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ প্ল্যাটফর্ম।আয়োজকদের ঘোষণা অনুযায়ী, কনসার্টে দেশের জনপ্রিয় কয়েকটি ব্যান্ড এক মঞ্চে পারফর্ম করবে। এর মধ্যে রয়েছে আর্টসেল, শিরোনামহীন, আর্ক, অ্যাভয়েড রাফা এবং কুঁড়েঘর। পাশাপাশি একক শিল্পী হিসেবে দর্শকদের মাতাবেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর এবং র্যাপার সেজান।এ ছাড়া নাহিদ অ্যান্ড মিউজিশিয়ান, কাজী আহনাফ তাহমীদসহ আরও কয়েকজন শিল্পী এই আয়োজনে অংশ নেবেন। বিভিন্ন ঘরানার গান, ব্যান্ড সংগীত ও র্যাপ পরিবেশনার মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি এবং সেই সময়ের চেতনাকে সংগীতের ভাষায় তুলে ধরা হবে।উন্মুক্ত এই কনসার্টে প্রবেশের জন্য কোনো টিকিটের প্রয়োজন হবে না। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো সংগীতপ্রেমী এতে অংশ নেবেন বলে আশা করছেন আয়োজকরা। তাদের বিশ্বাস, সংগীতের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও চেতনা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি এটি হবে স্মরণ, সংহতি ও সাংস্কৃতিক উদযাপনের একটি বড় আয়োজন। একই মঞ্চে জনপ্রিয় ব্যান্ড ও একক শিল্পীদের পরিবেশনা দর্শকদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তিন মাস পর আবার বাড়ল রান্নার কাজে ব্যবহৃত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫২৮ টাকা থেকে ৭০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৫৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অগাস্ট মাসের জন্য নির্ধারিত এই নতুন দর রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।অগাস্টের জন্য বেসরকারি এলপিজির প্রতি কেজির দাম খুচরা পর্যায়ে মূল্য সংযোজন করসহ (মূসক) ১৩৩ টাকা ১৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুলাইয়ে এ দাম ছিল ১২৭ টাকা ৩০ পয়সা। সে হিসাবে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ৫ টাকা ৮৫ পয়সা।অগাস্টের সমন্বয়ে ৫ দশমিক ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৭৩২ টাকা, ১২ দশমিক ৫ কেজির দাম ১ হাজার ৬৬৪ টাকা, ১৫ কেজির ১ হাজার ৯৯৭ টাকা এবং ১৬ কেজির ২ হাজার ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া ১৮ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৩৯৭ টাকা, ২০ কেজির দাম ২ হাজার ৬৬৩ টাকা, ২২ কেজির দাম ২ হাজার ৯২৯ টাকা, ২৫ কেজির দাম ৩ হাজার ৩২৯ টাকা, ৩০ কেজির দাম ৩ হাজার ৯৯৫ টাকা, ৩৩ কেজির দাম ৪ হাজার ৩৯৪ টাকা, ৩৫ কেজির দাম ৪ হাজার ৬৬০ টাকা এবং ৪৫ কেজির দাম ৫ হাজার ৯৯২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও লিটার প্রতি ৭০ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৩ টাকা ২৭ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। নতুন দর নির্ধারণ হয়েছে ৭৩ টাকা ৬৭ পয়সা।বিইআরসি বলেছে, সৌদি আরামকোর অগাস্ট মাসের প্রোপেন (বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং সহজে তরলীকৃত জ্বালানি, যা প্রাকৃতিকভাবে গ্যাস প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পেট্রোলিয়াম শোধনের মাধ্যমে পাওয়া যায়) ও বিউটেনের (বর্ণহীন ও অত্যন্ত দাহ্য হাইড্রোকার্বন গ্যাস) সৌদি সিপি (কন্ট্রাক্ট প্রাইজ) অনুযায়ী এ দাম ঠিক করা হয়েছে।অগাস্টে প্রোপেনের সৌদি সিপি প্রতি মেট্রিক টন ৬২০ ডলার এবং বিউটেনের দর ৬৪০ ডলার ধরা হয়েছে। প্রোপেন ও বিউটেনের অনুপাত ৩৫:৬৫ ধরে গড় সৌদি সিপি প্রতি মেট্রিক টন ৬৩৩ ডলার বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।জুলাইয়ে গড় সৌদি সিপি ধরা হয়েছিল প্রতি মেট্রিক টন ৫৯৩ ডলার। সে হিসাবে অগাস্টে গড় সৌদি সিপি প্রতি মেট্রিক টনে ৪০ ডলার বেড়েছে।এলপিজি আমদানিতে জাহাজ ভাড়া ও ব্যবসায়ীর প্রিমিয়াম প্রতি মেট্রিক টন ১৮০ ডলার এবং প্রতি ডলারের গড় বিনিময় মূল্য ১২৩ টাকা ৬৯ পয়সা বিবেচনায় নিয়ে অগাস্টের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহ করা বেসরকারি এলপিজির কেজি প্রতি দাম মূসকসহ ১২৯ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্যাসীয় অবস্থায় সরবরাহ করা এলপিজির দাম প্রতি ঘনমিটার ২৮৭ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়েছে।তবে সরকারি এলপিজির দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ১২ দশমিক ৫০ কেজির সরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের ভোক্তা পর্যায়ের দাম ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সা বহাল থাকবে।
৬ ঘন্টা আগে
প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে অল্প সময়ের একটি জিকিরের মাধ্যমেই মহান আল্লাহর ক্ষমা লাভের সুসংবাদ দিয়েছেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। একটি সহিহ হাদিসে এসেছে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটি জিকির একশ বার পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা বান্দার গুনাহ ক্ষমা করে দেন, তা সমুদ্রের ফেনার মতো বেশি হলেও।হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,"যে ব্যক্তি প্রতিদিন একশ বার ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ পাঠ করবে, তার গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেওয়া হবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনার পরিমাণও হয়।"(সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৪০৫; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬৯১)‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ অর্থ হলো, ‘আমি আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি এবং তাঁর প্রশংসা করছি।’ইসলামে জিকিরের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। অল্প সময়ের এই আমল একজন মুমিনের জন্য আল্লাহর রহমত, ক্ষমা ও নৈকট্য লাভের সহজ একটি মাধ্যম। তাই প্রতিদিন অন্তত একশ বার এই জিকির পাঠ করার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন রাসুলুল্লাহ (সা.)।আলেমদের মতে, নিয়মিত এই জিকির পাঠ করলে আল্লাহর স্মরণে অন্তর প্রশান্ত হয় এবং বান্দা তাঁর ক্ষমা ও রহমতের আশা করতে পারে। তাই প্রতিদিনের আমলের তালিকায় এই জিকিরটি রাখার চেষ্টা করা উচিত।
রক্তের কোনো টান নেই। অথচ গড়ে ওঠে এক গভীর সম্পর্ক।জীবনের সবচেয়ে গোপন কথা, আনন্দ আর বেদনার মুহূর্তগুলো তার কাছেই অবলীলায় প্রকাশ করা যায়। সামাজিক কোনো বাধ্যবাধকতা বা জন্মসনদ ছাড়াই গড়ে ওঠা এই সম্পর্কের নামই বন্ধুত্ব। মানুষের তৈরি যাবতীয় সম্পর্কের মধ্যে এটিই সম্ভবত সবচেয়ে স্বাধীন এবং গভীর।বাংলাদেশে ‘বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে আজ।জাতিসংঘ ৩০ জুলাই নির্ধারণ করলেও সারা বাংলাদেশে এটা পালিত হয় আগষ্টের ১ম রবিবার। সেই হিসাবে আজ বাংলাদেশে পালিত হবে দিবসটি।বন্ধুত্ব মানে মন খুলে সব কথা বলা এবং ভরসা রাখার জায়গা, আনন্দে হাসা এবং খারাপ সময়ে ছায়ার মতো পাশে থাকা ও ছোট-বড় যে কেউ যেকোনো বয়সে বন্ধু হতে পারে। যা আমাদের জীবনেও দারুণ প্রভাব ফেলে।আমাদের একাকীত্ব দূর করে মনে আনন্দ ও শক্তি জোগায় এবং কঠিন সময়ে মানসিকভাবে সাহস ও সান্ত্বনা দেয়।জীবনে মানুষের আনাগোনা চলতেই থাকে। সময়ের নিয়মে অনেক সম্পর্ক ফিকে হয়ে যায়, অনেকে হারিয়ে যায় স্মৃতির অতলে। কিন্তু সত্যিকারের বন্ধুরা রয়ে যায় জীবনের শেষ অবধি- কখনো পাশাপাশি থেকে, কখনো দূরে অবস্থান করে আবার কখনো নিছক একবুক মিষ্টি স্মৃতি হয়ে। জীবনে নিজের সত্তাকে উন্মুক্ত করার এবং পৃথিবীকে নতুন আলোয় দেখার অনুপ্রেরণা যোগায় এই বন্ধন।আগস্টের প্রথম রবিবার বা জাতিসংঘের ঘোষিত আন্তর্জাতিক দিবস যাই হোক না কেন, বন্ধুত্ব প্রতিদিনের, বন্ধুত্ব চিরকালের।বন্ধুত্বের এই গভীরতা ও মাহাত্ম্য যুগে যুগে উঠে এসেছে বিখ্যাত সব মনীষীদের কথায়। বিখ্যাত গল্পকার মারিও পুজো যেমন বন্ধুত্বকে প্রতিভার চেয়ে বড় এবং পরিবারের প্রায় সমতুল্য মনে করেছেন, তেমনি আইনস্টাইনের মতে সত্যিকারের ভালোবাসা যেমন দুর্লভ, খাঁটি বন্ধুত্ব তার চেয়েও বিরল। রবার্ট লুইস স্টিভেনসন বা আলবেয়ার কামুর মতো চিন্তাবিদরা মনে করেন, কোনো শর্ত বা নেতৃত্ব ছাড়া পাশাপাশি হাঁটার নামই বন্ধুত্ব। অন্যদিকে আলবার্ট কামু একে ভালোবাসারই একটি রূপ বলেছেন এবং এরিস্টটলের দৃষ্টিতে বন্ধু হলো নিজেরই আরেক সত্তা।আগস্টের প্রথম রবিবার হোক কিংবা জাতিসংঘ ঘোষিত ৩০ জুলাই—দিনের সীমা ছাড়িয়ে বন্ধুত্বের আবেদন প্রতিদিনের, আর প্রকৃত বন্ধুত্ব চিরকালের।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এবং ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সক্রিয় হয়ে উঠছে সাইবার প্রতারক চক্র। শুধু ওটিপি হাতিয়ে নেওয়াই নয়, এখন ভুয়া কাস্টমার কেয়ার, নকল ব্যাংকিং ওয়েবসাইট, রিমোট অ্যাক্সেস অ্যাপ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে গ্রাহকদের সংবেদনশীল তথ্য চুরি করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খালি করে দেওয়ার ঘটনা বাড়ছে।সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ প্রতারণার পেছনে প্রযুক্তিগত ত্রুটির চেয়ে ব্যবহারকারীর অসতর্কতাই বড় কারণ। তাই কয়েকটি সাধারণ ভুল এড়াতে পারলেই আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।বিশেষজ্ঞদের মতে, যে পাঁচটি ভুল সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির কারণ-১. ভুয়া কাস্টমার কেয়ারের ফাঁদে পড়া: প্রতারকরা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা পরিচয়ে ফোন করে কেওয়াইসি হালনাগাদ, অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা লেনদেন আটকে যাওয়ার ভয় দেখিয়ে ওটিপি, পিন, সিভিভি কিংবা কার্ডের তথ্য জানতে চায়। ব্যাংক কখনোই এসব গোপন তথ্য ফোনে চায় না।২. নকল ওয়েবসাইটে লগইন করা: এসএমএস, ই-মেইল বা মেসেঞ্জারে পাঠানো সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক করে ভুয়া ব্যাংকিং ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে লগইন তথ্য সরাসরি প্রতারকদের হাতে চলে যেতে পারে।৩. অচেনা অ্যাপ ইনস্টল করা: ক্যাশব্যাক, সহজ ঋণ বা অনলাইনে আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অনেক অ্যাপ ইনস্টল করানো হয়। এসব অ্যাপ ফোনের অনুমতি নিয়ে ব্যক্তিগত ও ব্যাংকিং তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। তাই শুধুমাত্র অফিসিয়াল অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।৪. পাবলিক ওয়াই-ফাইয়ে ব্যাংকিং লেনদেন: বিমানবন্দর, রেস্তোরাঁ বা অন্যান্য উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে আর্থিক লেনদেন করলে তথ্য চুরির ঝুঁকি থাকে। নিরাপদ লেনদেনের জন্য মোবাইল ডাটা বা বিশ্বস্ত ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করাই ভালো।৫. একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা: একাধিক অ্যাকাউন্টে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে একটি অ্যাকাউন্টের তথ্য ফাঁস হলেই অন্যগুলোও ঝুঁকিতে পড়ে। তাই প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে আলাদা ও শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার এবং টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) চালু রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, ওটিপি, পিন বা সিভিভি কোনো অবস্থাতেই অন্যের সঙ্গে শেয়ার করা উচিত নয়। সন্দেহজনক লিংক, কিউআর কোড বা অচেনা অ্যাপ এড়িয়ে চলতে হবে। ব্যাংকের নামে কোনো ফোন এলে তথ্য দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল নম্বরে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি স্মার্টফোন ও ব্যাংকিং অ্যাপ নিয়মিত আপডেট রাখা এবং কোনো অস্বাভাবিক লেনদেন নজরে এলে দ্রুত ব্যাংককে জানানো জরুরি।ডিজিটাল লেনদেন মানুষের জীবনকে সহজ করেছে, তবে একই সঙ্গে বেড়েছে সাইবার অপরাধের ঝুঁকিও। তাই সচেতনতা, তথ্য যাচাই এবং নিরাপদ ডিজিটাল অভ্যাসই কষ্টার্জিত অর্থ সুরক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।