বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে অদূর ভবিষ্যতে সাক্ষাৎ করতে চান বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাঠানো এক চিঠিতে এ কথা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।চিঠিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা পৌঁছে দিতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অনেক কঠিন সময় পার করেছে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ ও জনগণের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল হবে বলে তিনি মনে করেন।ট্রাম্প চিঠিতে লেখেন, ‘তারা (বাংলাদেশের জনগণ) অনেক কিছুর মধ্য দিয়ে গেছে। কিন্তু আপনার নেতৃত্বে আমি নিশ্চিত যে, তারা এবং আপনার দেশ নিজেরাই একটি খুব উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ পাবে।’এদিকে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, বাংলাদেশের এ সিদ্ধান্তকে তিনি অত্যন্ত প্রশংসার সঙ্গে নিয়েছেন এবং বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না।চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন, ‘বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে আপনার চিঠি আমি এইমাত্র পেয়েছি এবং আপনার কেনার সিদ্ধান্তকে আমি অত্যন্ত প্রশংসা করছি। বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না এবং আমি এটি ভুলব না।’চিঠিতে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশার পাশাপাশি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর মনোযোগের জন্যও ধন্যবাদ জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
দেশের বাজারে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সোনার নতুন কোনো দাম নির্ধারণ করেনি বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ফলে সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই আজ দেশের বাজারে সোনা বিক্রি হচ্ছে।বাজুসের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে সোনার দাম কমিয়ে নতুন দর কার্যকর করা হয়। সেই হিসাবে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৪ টাকায়।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ২ লাখ ২৫ হাজার ৬৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৩৯ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৮০ টাকায়।অন্যদিকে, সোনার পাশাপাশি কমানো হয়েছে রুপার দামও। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ২০৮ টাকায়।বাজুসের নির্ধারিত এসব দামের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও মজুরি প্রযোজ্য হবে।
বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই ফিরিয়ে আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও এ দলের হাত ধরে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা ও জনগণের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।’তারেক রহমান বলেন, আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। গণতন্ত্রের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করেছি।তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের দলের অসংখ্য নেতা-কর্মী গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন এবং প্রায় ৪০ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। অবশেষে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা দেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে সুগম করতে পেরেছি।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই ফিরিয়ে আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও এ দলের হাত ধরে এসেছে। আমাদের সামনে এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে আমরা আশাবাদী এবং গণতন্ত্রের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গণতন্ত্র নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেক।’তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, একটি কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই অগ্রগতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।’প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তার সরকার প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জনগণের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।’এসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন আন্দা ফিলিপ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণ সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি তার দৃঢ় অঙ্গীকারের শক্তিশালী বার্তা বহন করে।’আইপিইউ সেক্রেটারি জানান, তিনি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার পড়েছেন। ইশতেহারে শিক্ষা খাতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ এবং কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচির প্রশংসা করেন তিনি।বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রারও প্রশংসা করে আন্দা ফিলিপ বলেন, ‘এ ধারা অব্যাহত থাকলে জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।’আন্দা ফিলিপ আরো বলেন, ‘আইপিইউ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহী।’তিনি আশা প্রকাশ করেন, তানজানিয়ায় অনুষ্ঠেয় আইপিইউর ১৫৩তম সম্মেলনে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার অংশ নিচ্ছেন। তার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আইপিইউর সঙ্গে বাংলাদেশের সংসদের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। এসময় গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন আইপিইউ সেক্রেটারি।সাক্ষাতে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। তরুণ ও নারী সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আন্দা ফিলিপ বলেন, ‘তারা অত্যন্ত উদ্যমী ও আগ্রহী।’এসময় প্রধানমন্ত্রী জানান, নারীর ক্ষমতায়ন তার সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। নারীদের জন্য অনার্স পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা এবং নারী শিক্ষার্থীর জন্য উপবৃত্তি চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টির ১২তম আসরকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন কোডের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।অভিযুক্ত তিনজন হলেন- বিসিবির সাবেক পরিচালক ও সাবেক অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মুখলেসুর রহমান (শামীম), বিসিবির সাবেক সিকিউরিটি লিয়াজোঁ অফিসার জাকির হোসেন এবং বগুড়া জেলা থেকে বিসিবির সাবেক কাউন্সিলর ও অডিট কমিটির সাবেক সদস্য সচিব রাকিবুল ইসলাম সানি।অভিযোগের পর তিনজনকেই সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। চার্জ নোটিশ পাওয়ার পর নিজেদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের জবাব দিতে তারা ১৪ দিন সময় পাবেন। বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে। ম্যাচের ফল পরিবর্তনে প্রভাবিত করা, অনৈতিক প্রস্তাব, অর্থনৈতিক প্রভাব এবং দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত ও সহযোগিতা করা এবং দুর্নীতির প্রস্তাব যথাসময়ে জানাতে না পারা এবং তদন্তে অসহযোগিতা ও তদন্ত বাধাগ্রস্ত করার মতো অভিযোগ উঠে এসেছে।বিসিবির সাবেক পরিচালক মুখলেসুর রহমান সবশেষ আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ডে রাজশাহী বিভাগ থেকে কাউন্সিলর মনোনয়ন নিয়ে পরিচালক নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি। তার বিরুদ্ধে ফিক্সিং অভিযোগ উঠার পর প্রথমে অডিট কমিটি থেকে ও পরে বিসিবির পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি। এবার তদন্ত কমিটি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ পেল। বিসিবির সাবেক এই পরিচালকের বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগ ছিল। আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন কোডের ২.১.১, ২.১.৪, ২.৪.৪ এবং ২.৪.৭ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ২.১.১ ধারায় বিপিএলের ১২তম আসরের ম্যাচের ফল, অগ্রগতি, পরিচালনা বা অন্য কোনো বিষয় অনৈতিকভাবে প্রভাবিত করা বা তা করার চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ২.১.৪ ধারায় কোনো অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে প্ররোচিত, উৎসাহিত কিংবা সহযোগিতা করার অভিযোগ আনা হয়েছে।এ ছাড়া দুর্নীতিতে জড়ানোর কোনো প্রস্তাব পাওয়ার পর তা নির্ধারিত অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তাকে বিলম্ব না করে জানাতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে ২.৪.৪ ধারায়। ২.৪.৭ ধারায় সম্ভাব্য দুর্নীতির তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ বা তথ্য গোপন, মুছে ফেলা বা ধ্বংস করে তদন্তে বাধা দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।জাকিরের বিরুদ্ধে রয়েছে তিন অভিযোগ। বিসিবির সাবেক সিকিউরিটি লিয়াজোঁ অফিসার জাকির ২.১.১, ২.১.৪ এবং ২.৪.৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ম্যাচের ফল বা অগ্রগতিতে অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা এবং কোনো অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত বা সহযোগিতা করার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি, ডিএসিওর পরিচালিত দুর্নীতিবিরোধী তদন্তে যথাযথ কারণ ছাড়া সহযোগিতা না করা বা তদন্তের জন্য জারি করা ডিমান্ড নোটিশ মেনে না চলার অভিযোগও রয়েছে।বগুড়া জেলার সাবেক বিসিবি কাউন্সিলর ও বিসিবি অডিট কমিটির সাবেক সদস্য সচিব রাকিবুল ইসলাম সানির বিরুদ্ধে ২.৪.৪ ও ২.৪.৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিতে জড়ানোর কোনো প্রস্তাব বা আমন্ত্রণের তথ্য যথাসময়ে ডিএসিওকে জানাতে ব্যর্থ হওয়া এবং দুর্নীতিবিরোধী তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ রয়েছে।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিকা পারভীন পপি দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয় ও চলচ্চিত্র অঙ্গন থেকে দূরে রয়েছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনয়জীবন পেছনে ফেলে জীবনের বাকি সময় ধর্মচর্চা ও আত্মশুদ্ধিতে কাটানোর ইচ্ছার কথা জানিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন তিনি।নব্বই দশকের শেষভাগ থেকে শুরু করে পরবর্তী এক দশকজুড়ে ঢাকাই চলচ্চিত্রে দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছেন পপি। তবে সময়ের পরিক্রমায় ধীরে ধীরে রূপালী পর্দা থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন এই অভিনেত্রী। ব্যক্তিগত ও পেশাগত নানা কারণে দীর্ঘদিন ধরে তিনি সংবাদমাধ্যম ও চলচ্চিত্রপাড়া থেকেও অনেকটাই বিচ্ছিন্ন।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পপি জানান, অভিনয়ের অধ্যায় পেছনে ফেলে জীবনের বাকি সময় ধ্যান ও ধর্মচর্চার মধ্য দিয়ে কাটাতে চান তিনি। অতীতে জীবনে ‘যত পাপ কামিয়েছেন’, তা থেকে মুক্ত হয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথাও প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী।পপির এমন বক্তব্যের পর বিনোদন অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই তার বক্তব্যকে অভিনয়জীবনকে ‘পাপ’ হিসেবে দেখার ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।এ প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন ছোট ও বড় পর্দার অভিনেতা এবং সঞ্চালক শাহরিয়ার নাজিম জয়। সোমবার এক ফেসবুক পোস্টে পপির বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি মৌসুমীর কথাও উল্লেখ করেন। একসময় মৌসুমীও অভিনয় ছেড়ে ধর্মচর্চায় মনোযোগী হওয়া এবং নিজের পুরোনো চলচ্চিত্রগুলো মুছে ফেলার আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়েছিলেন। যদিও পরবর্তীতে তাকে আবার অভিনয়ে দেখা গেছে।জয় তার পোস্টে ব্যঙ্গাত্মকভাবে লেখেন, মৌসুমী ও পপির পর এখন শাবনূর ও পূর্ণিমাও যদি একই ধরনের কথা বলেন, তাহলে একটি পুরো প্রজন্মের গল্পই যেন পূর্ণতা পায়। অভিনয়কে পরবর্তী সময়ে ‘গুনাহ’ হিসেবে উপলব্ধি করার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন রাখেন, তারকাদের সেই অভিনয় দেখে এবং ভালোবেসে যেসব দর্শক-ভক্ত বছরের পর বছর তাদের অনুসরণ করেছেন, তাদের অবস্থান কী হবে?বর্তমানে যারা জনপ্রিয়, তারাও ভবিষ্যতে জীবনের শেষ সময়ে সবকিছু গুছিয়ে নিয়ে হজ বা ধর্মের পথে মনোযোগী হওয়ার একই ধরনের বক্তব্য দেবেন কি না সেই প্রশ্নও তুলেছেন জয়।উল্লেখ্য, গত বছর অক্টোবরে পপির অভিনীত ‘ডাইরেক্ট অ্যাটাক’ সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেলেও ছবিটি বেশ কয়েক বছর আগে নির্মিত হয়েছিল। সিনেমাটির প্রচারণা কিংবা মুক্তির সময়েও কোথাও দেখা যায়নি জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে।
দেশের বাজারে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সোনার নতুন কোনো দাম নির্ধারণ করেনি বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ফলে সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই আজ দেশের বাজারে সোনা বিক্রি হচ্ছে।বাজুসের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে সোনার দাম কমিয়ে নতুন দর কার্যকর করা হয়। সেই হিসাবে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৪ টাকায়।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ২ লাখ ২৫ হাজার ৬৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৩৯ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৮০ টাকায়।অন্যদিকে, সোনার পাশাপাশি কমানো হয়েছে রুপার দামও। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ২০৮ টাকায়।বাজুসের নির্ধারিত এসব দামের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও মজুরি প্রযোজ্য হবে।
২৫ মিনিট আগে
জুমার দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। এ দিনে জুমার নামাজ আদায়ের জন্য আগে আগে মসজিদে যাওয়ার প্রতি বিশেষ উৎসাহ দিয়েছেন রাসুলুল্লাহ (সা.)। হাদিসে সময়মতো গোসল করে দ্রুত মসজিদে যাওয়ার বড় ফজিলতের কথা বলা হয়েছে।হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—«مَنِ اغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ غُسْلَ الْجَنَابَةِ ثُمَّ رَاحَ فَكَأَنَّمَا قَرَّبَ بَدَنَةً...»অর্থাৎ, যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালোভাবে গোসল করে প্রথম সময়ে মসজিদে যায়, সে যেন একটি উট কোরবানি করল। দ্বিতীয় সময়ে গেলে গরু কোরবানির সওয়াব, তৃতীয় সময়ে গেলে শিংওয়ালা দুম্বা কোরবানির সওয়াব, চতুর্থ সময়ে গেলে মুরগি সদকা করার সওয়াব এবং পঞ্চম সময়ে গেলে ডিম সদকা করার সওয়াবের মতো প্রতিদান পাবে।এরপর ইমাম খুতবার জন্য বের হলে ফেরেশতারা উপস্থিত হয়ে খুতবা শুনতে থাকেন।(সহিহ বুখারি, হাদিস: ৮৮১; সহিহ মুসলিম)কোরআনে যে ৬ ব্যক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত বলা হয়েছেহযরত আওস ইবনে আওস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে, সকাল সকাল মসজিদের উদ্দেশে রওনা হয়, যানবাহনের পরিবর্তে পায়ে হেঁটে যায়, ইমামের কাছে বসে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনে এবং কোনো অনর্থক কাজে লিপ্ত না হয়, তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছর রোজা রাখা ও রাতে নফল নামাজ আদায়ের সমপরিমাণ সওয়াব লেখা হয়।(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩৪৫)জুমার দিন তাই শুধু নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়া নয়, বরং আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া, গোসল করা, দ্রুত মসজিদে পৌঁছানো এবং মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনার মধ্যেও রয়েছে বিশেষ ফজিলত। মুসলমানদের উচিত জুমার দিনের এই মূল্যবান সময়কে গুরুত্ব দিয়ে ইবাদতে কাটানো।
শুধু শীতকালেই নয়, বছরের বিভিন্ন সময় বিশেষ করে গরমকালেও চুলে খুশকির সমস্যা দেখা দেয়। মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত তেল জমা, ছত্রাকের বৃদ্ধি কিংবা চুলের সঠিক যত্নের অভাবে খুশকি বাড়তে পারে। খুশকির কারণে চুলকানি, মাথার ত্বকে জ্বালাপোড়া এবং চুল পড়ার সমস্যাও দেখা দিতে পারে। খুশকি রোধে নিয়মিত চুল ও মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখা জরুরি। পাশাপাশি কিছু সহজ ঘরোয়া উপায়ে মিলতে পারে সমাধান।নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখুনমাথার ত্বকে অতিরিক্ত তেল, ঘাম ও ময়লা জমতে দেওয়া উচিত নয়। নিজের চুলের ধরন অনুযায়ী নিয়মিত চুল ধুয়ে পরিষ্কার রাখলে খুশকির প্রবণতা কমতে পারে। তবে অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করাও মাথার ত্বক শুষ্ক করে দিতে পারে।নারকেল তেল ব্যবহারনারকেল তেল মাথার ত্বকের শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করতে পারে। অল্প পরিমাণ নারকেল তেল মাথার ত্বকে হালকা হাতে মালিশ করে কিছুক্ষণ পর চুল ধুয়ে ফেলতে পারেন। তবে তেল ব্যবহারে কারও খুশকি বেড়ে গেলে তা বন্ধ করা ভালো।অ্যালোভেরা জেলঅ্যালোভেরা মাথার ত্বকে শীতল অনুভূতি দিতে পারে এবং শুষ্কতার কারণে হওয়া অস্বস্তি কমাতে সহায়ক হতে পারে। পরিষ্কার অ্যালোভেরা জেল মাথার ত্বকে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারেন।পর্যাপ্ত পানি পানশরীরে পানির ঘাটতি হলে ত্বক ও মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস করুন। পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার খাওয়াও চুল ও মাথার ত্বকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।লেবু ব্যবহারে সতর্কতাখুশকি কমাতে অনেকে সরাসরি মাথার ত্বকে লেবুর রস ব্যবহার করেন। তবে লেবুর রস ত্বকে জ্বালা বা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। তাই সংবেদনশীল মাথার ত্বকে এটি ব্যবহার না করাই ভালো।কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?ঘরোয়া যত্ন নেওয়ার পরও খুশকি দীর্ঘদিন থাকলে, মাথার ত্বকে অতিরিক্ত চুলকানি, লালচে ভাব, ক্ষত বা বেশি চুল পড়ার সমস্যা দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ সব ধরনের খুশকি শুধু শুষ্ক ত্বকের কারণে হয় না; মাথার ত্বকের কিছু রোগের কারণেও এমন সমস্যা হতে পারে।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
এখন বাড়িতে বেশিরভাগ মানুষই ঐতিহ্যবাহী পুরনো বাল্ব বা সিএফএল বাদ দিয়ে আলোকসজ্জার জন্য এলইডি বাল্ব কিংবা এলইডি টিউবলাইট ব্যবহার করতে শুরু করেছেন। এর মূল কারণ হলো এগুলো পুরনো দিনের প্রযুক্তির তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ খরচ করে ঘর আলোকিত করতে পারে। তবে সাধারণ মানুষের মনে প্রায়ই একটি প্রশ্ন জাগে যে, এলইডি বাল্ব এবং এলইডি টিউবলাইটের মধ্যে আসলে কোনটিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় বেশি হয় এবং ঘরের কোন অংশের জন্য ঠিক কোনটি ব্যবহার করা শ্রেয়। এই দুইটি আধুনিক আলোক উৎসের বিদ্যুৎ খরচ, আলো ছড়ানোর ক্ষমতা এবং দামের তারতম্য সম্পর্কে বিস্তারিত হিসাব জেনে নেওয়া যাক।সাধারণত এলইডি বাল্ব এবং এলইডি টিউবলাইটের বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণ ভিন্ন হয়ে থাকে, কারণ দুইটির আলো দেওয়ার ক্ষমতা ও ক্ষেত্র আলাদা প্রকৃতির। একটি সাধারণ এলইডি বাল্ব সাধারণত সাত থেকে বারো ওয়াটের হয়ে থাকে, পক্ষান্তরে এলইডি টিউবলাইট সচরাচর আঠারো থেকে বাইশ ওয়াটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। সে হিসেবে একটি টিউবলাইট এককভাবে বাল্বের চেয়ে কিছুটা বেশি বিদ্যুৎ খরচ করতে পারে ঠিকই, তবে একটিমাত্র টিউবলাইট পুরো ঘরকে অনেক বেশি সুন্দর ও ভালোভাবে আলোকিত করতে সক্ষম। এলইডি টিউবলাইটগুলো লম্বা আকৃতির হয় এবং এর আলো চারদিকে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। যে কারণে বড় আকৃতির ঘর, রান্নাঘর বা বসার ঘরের জন্য টিউবলাইট অত্যন্ত উপযোগী। একটি ২০ ওয়াটের টিউবলাইট অনায়াসেই একটি বড় ঘর আলোকিত করতে পারে।অন্যদিকে এলইডি বাল্ব সাধারণত গোলাকার আকৃতির হয়ে থাকে এবং এর আলো একটি নির্দিষ্ট দিকে বেশি তীব্রভাবে ছড়ায়। ফলে একটি মাঝারি বা বড় ঘরে পর্যাপ্ত আলো পেতে হলে একত্রে দুই থেকে তিনটি বাল্ব জ্বালানোর প্রয়োজন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি একটি ছোট বা মাঝারি ঘরের জন্য একটি নির্দিষ্ট ওয়াটের টিউবলাইট ব্যবহার করেন, তবে তা কম বিদ্যুৎ খরচ করে পুরো ঘরে সমানভাবে আলো ছড়াতে পারে। কিন্তু এর পরিবর্তে যদি একাধিক বাল্ব ব্যবহার করতে হয়, তবে মোট বিদ্যুৎ খরচ অনেক সময় টিউবলাইটের চেয়ে বেশি হয়ে দাঁড়ায়। সেদিক থেকে বিচার করলে ঘরের আকার ও প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভর করে টিউবলাইট অনেক সময় কম বিদ্যুৎ খরচে অনেক বেশি সুবিধা প্রদান করে।