হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রা শেষে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গাড়িবহরে হামলা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ সদরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর ও নেতাকর্মীদের মারধর করা হয়। হামলায় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় রাত পৌনে ৮টায় হবিগঞ্জে অবস্থানরত এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার ফেসবুক আইডিতে একটি ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন, হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচি সফলভাবে শেষ করে আমরা যখন পরবর্তী নির্ধারিত কর্মসূচির উদ্দেশ্যে মৌলভীবাজারের দিকে রওনা হই, ঠিক সেই সময় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের একদল সন্ত্রাসী হকিস্টিক, রামদা, চেইনসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর পরিকল্পিত ও অতর্কিত হামলা চালায়। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো হামলার সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র্যাব উপস্থিত থাকলেও তারা কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। হামলাকারীরা আমাদের মিডিয়া টিমের ক্যামেরাসহ মূল্যবান সরঞ্জাম ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং গাড়িচালক থেকে শুরু করে আমাদের মিডিয়া টিমের সদস্যদের ওপর নির্বিচারে হামলা চালায়। উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের ওপরও হামলা করা হয়। হবিগঞ্জের স্থানীয় নেতাকর্মীদের ওপর নির্মমভাবে আঘাত করা হয়। কারও হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে, কারও পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অনেকেই রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কে লুটিয়ে পড়ে আছে।তিনি আরও লেখেন, আমরা এই ন্যাক্কারজনক, বর্বরোচিত ও কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করতে যারা অস্ত্র, সন্ত্রাস ও সহিংসতার পথ বেছে নেয়, তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। এই হামলার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক হামলাকারী, তাদের মদদদাতা এবং দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে জবাবদিহির মুখোমুখি করতে হবে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের চলমান গ্যাস সংকট নিরসনে তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে আলাপ করেন। ফোনালাপে সংকট সমাধানে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী।আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনালে দুর্ঘটনার কারণে কয়েকদিন ধরে আমদানি করা গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার একটি কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে। আগামী সপ্তাহের শুরুতেই দৈনিক ২৮০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালু হওয়ার আশা করা হচ্ছে। এছাড়া, ক্ষতিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে পুরোপুরি সচল হতে পারে বলেও জানান তিনি।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের চলমান গ্যাস সংকট নিরসনে তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে আলাপ করেন। ফোনালাপে সংকট সমাধানে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী।আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনালে দুর্ঘটনার কারণে কয়েকদিন ধরে আমদানি করা গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার একটি কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে। আগামী সপ্তাহের শুরুতেই দৈনিক ২৮০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালু হওয়ার আশা করা হচ্ছে। এছাড়া, ক্ষতিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে পুরোপুরি সচল হতে পারে বলেও জানান তিনি।
মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ওয়ানডেতে প্রায় ৪২ শতাংশ ম্যাচ জিতেছে। রেকর্ডটা একেবারে খারাপ না! তার অধিনায়কত্বেই বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান এবং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতেছে। কিন্তু এরপরও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ হারকে কারণ বানিয়ে কেড়ে নেওয়া হচ্ছে মিরাজের অধিনায়কত্ব!খনও আনুষ্ঠানিক কোন ঘোষণা না আসলেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ হারের পর ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে মিরাজকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি)। সবকিছু পরিকল্পনামতো এগোলে বুধবারের (২৯ জুলাই) বোর্ড সভাতেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।যেহেতু আনুষ্ঠানিক ঘোষণাই আসেনি, তাই স্বাভাবিকভাবেই মিরাজকে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারেও বিসিবির কোন মন্তব্যও পাওয়া যায়নি এখনও। তবে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা মিরাজের অধিনায়কত্বে কোন ধরনের ক্যারিশমা খুঁজে পায়নি। বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান এবং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতেলেও মিরাজের অধিনায়কত্বে ছিল বহু নেতিবাচক দিক। ক্রিকেট পাড়ার ওপেন সিক্রেট হচ্ছে মিরাজ অধিনায়ক হিসেবে যথেষ্ট আগ্রাসী নন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ সিরিজগুলো জিতেছে দলীয় পারফরম্যান্সে দারুণ ভারসাম্য থাকায়।মিরাজকে যদি ওয়ানডের নেতৃত্বে থেকে সরিয়েই দেওয়া হয়, তাহলে সেই দায়িত্ব কার কাঁধে পড়বে? বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন বর্তমান টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস। যদিও বোর্ডের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি, পরিচালকদের মতামতের ভিত্তিতেই নেতৃত্ব পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।শুরুতে টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে ওয়ানডের দায়িত্বও দেওয়ার আলোচনা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সাদা বলের ক্রিকেটে একই ধরনের পরিকল্পনা ও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ভাবনা থেকেই লিটনকে এগিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।উল্লেখ্য, গত বছরের এপ্রিলে তৎকালীন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড মেহেদী হাসান মিরাজকে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত ওয়ানডে দলের অধিনায়ক ঘোষণা করেছিল।
কিছুদিন আগে ‘গুলশানের চামেলি’ শিরোনামে চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দেন পরিচালক মো. ইকবাল। তারপর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকরা আগ্রহ প্রকাশ করছেন। এরই মধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে শিল্পীদের তালিকা। নাম ভূমিকায় অভিনয় করবেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। আগামী ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে সিনেমাটির মহরত।ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দা—দুই মাধ্যমেই নিজের অভিনয় দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন মধুমিতা। ‘বোঝে না সে বোঝে না’, ‘কেয়ার করি না’সহ একাধিক জনপ্রিয় কাজের মাধ্যমে দুই বাংলার দর্শকের কাছে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন তিনি।বাংলাদেশে কাজের অভিজ্ঞতা অবশ্য তার নতুন নয়। ২০১৬ সালে তিনি ‘মেঘবালিকা’ নাটকে অভিনয় করেছিলেন। তবে এবারই প্রথম বাংলাদেশের কোনো চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হতে যাচ্ছে তার।জানা গেছে, ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে রাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অভিজাত সমাজের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অন্ধকার বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে। গল্পের মূল চরিত্র একজন যৌনকর্মী, যে অপরাধ না করেও ক্ষমতার নির্মমতা ও সামাজিক বৈষম্যের শিকার হয়। তার জীবনসংগ্রাম, বঞ্চনা ও প্রতিরোধের কাহিনিই এগিয়ে নিয়ে যাবে পুরো চলচ্চিত্রের গল্প।সিনেমাটিতে প্রচলিত অর্থে কোনো নায়ক থাকছে না। পুরো কাহিনির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে একজন নারী। গল্পের বিভিন্ন মোড়ে একই চরিত্রের ইতিবাচক ও নেতিবাচক—দুই দিকই তুলে ধরা হবে। নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি একটি শক্তিশালী নারীকেন্দ্রিক চলচ্চিত্র হিসেবে নির্মিত হচ্ছে।সিনেমায় মধুমিতা সরকারের অভিনয় প্রসঙ্গে নির্মাতা মো. ইকবাল বলেন, “এ বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে চাই না। কয়েক দিনের মধ্যেই সবকিছু আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।” কিছুদিন আগে সিনেমাটিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন মধুমিতা সরকার। গল্প ও চরিত্র সম্পর্কে জানার পরই কাজটি করার সিদ্ধান্ত নেন। মধুমিতার ভাষায়, “গল্পটি অসাধারণ। চরিত্রটিও আমাকে ভীষণ টেনেছে। কলকাতায় নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছি, কিন্তু এতটা বহুমাত্রিক ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে আগে কখনো কাজ করার সুযোগ হয়নি।” সিনেমাটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত মধুমিতা সরকার বলেন, “এই কাজ নিয়ে আমি ভীষণ উচ্ছ্বসিত। বহু বছর ধরেই বিভিন্ন কাজের সূত্রে বাংলাদেশে আসার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু নানা কারণে তা হয়ে ওঠেনি। এবার সেই দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হচ্ছে।”
পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) নতুন কমিশনার হিসেবে হোসেন সাদাত-কে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (পুঁজিবাজার-১ শাখা) উপসচিব ফারজানা জাহান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিয়োগের আদেশ জারি করা হয়।নতুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন হোসেন সাদাত, এফসিএস। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩-এর ধারা ৫(২) অনুযায়ী যোগদানের তারিখ হতে আগামী চার বছরের জন্য তাকে কমিশনার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী নতুন কমিশনাররা অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সাথে বিদ্যমান সকল কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগ করতে হবে। এছাড়া, তার বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা সরকারের সাথে সম্পাদিত চুক্তি দ্বারা নির্ধারিত হবে।রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এবং জনস্বার্থে জারিকৃত এই নিয়োগ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
১২ ঘন্টা আগে
২০২৭ সালের হজে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বয়স ও স্বাস্থ্যগত বিষয়ে নতুন কিছু বিধিনিষেধ দিয়েছে সৌদি আরব। সৌদি হজ ও ওমরা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ১৫ বছরের কম বয়সী কেউ আগামী হজে অংশ নিতে পারবেন না। পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু গুরুতর রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও হজ পালনের অনুমতি দেওয়া হবে না।ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি আরবের নির্দেশনা অনুযায়ী হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার ও কিডনির গুরুতর রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, স্নায়বিক বা মানসিক রোগী এবং ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা হজে যেতে পারবেন না।এ ছাড়া কেমোথেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি গ্রহণরত ক্যানসার রোগীদেরও হজযাত্রার অনুমতি দেওয়া হবে না।জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সক্রিয় সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও হজে অংশ নিতে পারবেন না। এর মধ্যে যক্ষ্মা (টিবি) ও হেমোরেজিক ফিভারের মতো রোগ রয়েছে।এ ছাড়া গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাসে থাকা নারী অথবা ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় থাকা কোনো নারী হজের জন্য প্রয়োজনীয় ফিটনেস সনদ পাবেন না। ফলে তারাও ২০২৭ সালের হজে অংশ নিতে পারবেন না।ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হবে সোমবার (২৭ জুলাই) থেকে। আগ্রহীরা আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারবেন।মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীকে প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা, হজের ধরন এবং প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ রয়েছে—এমন পাসপোর্ট থাকা বাধ্যতামূলক।সরকারি বা বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে আগ্রহীরা সাড়ে তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে পারবেন। তবে এর আগে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।প্রাথমিক নিবন্ধনকারীদের আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন শেষ করতে হবে।ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বয়স ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত এসব শর্ত ২০২৭ সালের হজ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে কার্যকর হবে।
সম্প্রতি এক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে মাইক্রো প্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। শুধু টুথপেস্টেই নয়, বরং চিনিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দ্রব্যেও বিগত সময়ে মাইক্রো প্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এমনকি বাজার থেকে কেনা শাক-সবজীতেও এই ক্ষতিকর পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া যায়।মাইক্রো প্লাস্টিক দূষণ বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের বড় উদ্বেগের বিষয়। মাইক্রো প্লাস্টিক হলো প্লাস্টিকের অতিক্ষুদ্র কণা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাইক্রো প্লাস্টিক নিয়মিত শরীরে প্রবেশ করলে অঙ্গ-পতঙ্গের ক্ষতি করতে পারে, প্রভাব পড়তে পারে প্রজনন স্বাস্থ্যেও। মাইক্রো প্লাস্টিক নির্মূল করার সুযোগ নেই। পরিবেশবিদদের মতে, মাইক্রো প্লাস্টিক প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। শুধু খাদ্যদ্রব্য নয়, শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমেও আমাদের দেহে প্রবেশ করে এই উপাদান।দেহে মাইক্রো প্লাস্টিক প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ না করা গেলেও কিছু সচেতন কার্যক্রমের মাধ্যমে বিপদের পরিমাণ অনেকাংশ হ্রাস করা সম্ভব। চলুন জেনে নেই কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বিষয়-ট্যাপের পানি ফিল্টার করুনট্যাপের পানিতে মাইক্রো প্লাস্টিক থাকতে পারে। তাই ট্যাপের পানি ব্যবহারের সময় অবশ্যই ফিল্টার করা জরুরি। ‘রিভার্স অসমোসিস’-এর মতো আধুনিক ফিল্টার পদ্ধতি এ ক্ষেত্রে আরও কার্যকরী।প্যাকেটজাত খাবার এড়িয়ে চলুনবাড়ির খাবার হোক প্রথম পছন্দ। বাইরের প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেটজাত খাবার এড়িয়ে চলা উত্তম। প্লাস্টিকের পাত্র থেকে খাবারে প্লাস্টিক কণা মেশার সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে গরম খাবার প্লাস্টিকের পাত্রে রাখা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।খাবার সংরক্ষণে ধাতব বা কাচের পাত্রবাড়িতে রান্না করা খাবারও প্লাস্টিক পাত্রে সংরক্ষণ করা উচিত না। তারচেয়ে ধাতব বা কাচের পাত্রে সংরক্ষণ করুন। এগুলো খাবার দূষিত করে না বরং তুলনামূলক নিরাপদ।ওয়ান টাইম প্লাস্টিক বর্জন করুনধারণা করা হয় মাইক্রো প্লাস্টিক বেশি ছড়ায় ওয়ান টাইম প্লাস্টিক পণ্য থেকে। তাই বাইরে খাওয়ার সময় প্লাস্টিকের স্ট্র, কাঁটা চামচ, গ্লাস এসব বর্জন করুন। পরিবেশবিদদের পরামর্শ হলো, হয় পুনর্ব্যবহারযোগ্য জিনিস ব্যবহার করুন অথবা পরিবেশবান্ধব জিনিসের ব্যবহার করুন।পরিবেশবান্ধব ব্যাগের ব্যবহারঘরের বাজার করতে গেলেই আমাদের সাধারণ সঙ্গী প্লাস্টিকের ব্যাগ। সতেজ ফলমূল কিংবা শাক সবজিতেও সহজেই এই ব্যাগ থেকে প্লাস্টিক মিশতে পারে। এজন্য বিকল্প পরিবেশবান্ধন ব্যাগ- চট বা সুতির ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি পোশাক কিংবা বিছানার চাদরের ক্ষেত্রেও পলিয়েস্টার জাতীয় কাপড় এড়িয়ে চলুন।সামুদ্রিক খাবারে সতর্কতাবিভিন্ন গবেষণায় জানা গেছে, নিত্য ব্যবহার্য বিশাল প্লাস্টিক পতিত হয় সমুদ্রে। এতে সমুদ্র দূষণের পাশাপাশি এসব প্লাস্টিক মিশে যায় সামুদ্রিক মাছসহ অন্যান্য জীবে। পরবর্তীতে খাদ্য হিসেবে মানুষ এসব গ্রহণ করলে মানুষের দেহে প্রবেশ করে এই ক্ষতিকর কণা।প্রসাধনী কেনার আগে যাচাইনিত্যদিন আমরা নানা রকম প্রসাধনী ব্যবহার করি। এসব দ্রব্যেও থাকতে পারে প্লাস্টিক কণা। তাই প্রসাধনী কেনার আগে লেভেলে উপকরণের তালিকায় পলিথিন বা পলিপ্রপিলিন জাতীয় কোনও নাম রয়েছে কি তা খেয়াল করুন। এসব উপাদান থাকলে ঐ প্রসাধনী ব্যবহার না করাই ভালো।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
স্মার্টফোনে বারবার স্টোরেজ ফুল নোটিফিকেশন দেখলে অনেকেই তাড়াহুড়ো করে অ্যাপ ডিলিট করে দেন। কিন্তু এতে গুরুত্বপূর্ণ ডেটা হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে, অ্যাপ ডিলিট না করেও অ্যানড্রয়েড ফোনে সহজেই অনেকটা স্টোরেজ খালি করা যায়।এর মধ্যে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো অটো অ্যাপ আর্কাইভ ফিচার ব্যবহার করা। এই ফিচারে আপনি যে অ্যাপগুলো দীর্ঘদিন ব্যবহার করছেন না, সেগুলি ফোন থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে রাখুন। এ ক্ষেত্রে অ্যাপের ডেটা, সেটিংস সব ঠিক থাকে। পরে আবার অ্যাপটি ডাউনলোড করলেই আগের অবস্থায় ফিরে পাবেন।এই ফিচার চালু করতে গুগল প্লে স্টোর খুলে ডানদিকে উপরের প্রোফাইল আইকনে ট্যাপ করুন। এরপর সেটিংসে গিয়ে জেনারেল অপশনে গিয়ে অটোমেটিক্যালি আর্কাইভ অ্যাপস অপশনটি অন করে দিন। এরপর থেকে ফোনে স্টোরেজ কমে এলে অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেম নিজেই কম ব্যবহৃত অ্যাপ আর্কাইভ করে দেবে।তবে এটি ছাড়াও আরও একটি সহজ উপায় হলো অ্যাপের ক্যাশ ডিলিট করা। ক্যাশ হলো অস্থায়ী ফাইল, যা অ্যাপ দ্রুত চালু করতে সাহায্য করে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এগুলি জমে অনেকটা স্টোরেজ দখল করে নেয়। তাই মাঝে মাঝে সেটিংসে গিয়ে অ্যাপে গিয়ে প্রয়োজনীয় অ্যাপগুলির ক্লিয়ার ক্যাশ অপশন ব্যবহার করলে ফোনে বেশ কিছু জায়গা খালি হয়।অর্থাৎ, স্টোরেজ কমে গেলেই অ্যাপ ডিলিট করার দরকার নেই। অটো আর্কাইভ এবং ক্যাশ ক্লিয়ার—এই দুটি সহজ পদ্ধতি ব্যবহার করলেই ফোনের স্টোরেজ অনেকটাই ফাঁকা হবে, আবার আপনার গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপ ও ডেটাও নিরাপদ থাকবে।