নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি সংবিধান অনুযায়ী এমনটাই জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ।শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই শপথ পড়াবেন। বর্তমানে রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে রয়েছেন মো.সাহাবুদ্দিন। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।
শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘ এক বার্তায় এই অভিনন্দন জানিয়েছে।বার্তায় উল্লেখ করা হয়, মহাসচিব সব রাজনৈতিক স্টেকহোল্ডারকে গতিশীলতা গড়ে তুলতে উৎসাহিত করেন, যাতে জাতীয় ঐক্য জোরদার করা যায়, গণতান্ত্রিক রীতিনীতি এবং আইনের শাসন, সংখ্যালঘুদের রক্ষা করার পাশাপাশি সব নাগরিক যেন তাদের মানবাধিকার পূর্ণ উপভোগ নিশ্চিত করতে পারে। বাংলাদেশ যেহেতু তার উত্তরণে (এলডিসি থেকে) অগ্রসর হচ্ছে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই সংস্কারের চেষ্টা করছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন। আগামী ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন সরকারের শপথ সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।তিনি বলেন, দ্রুতই নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এটি কোনোভাবেই ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির পর হবে না।তিনি বলেন, শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ও মন্ত্রিসভার পক্ষ থেকে দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাথমিক মূল্যায়ন জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। আজ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মিশন তাদের মতামত জানায়।মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন, ২০০৮ সালের পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্যভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য নতুন বেঞ্চমার্ক। সত্যিকার অর্থেই দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলকভাবে নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচন কমিশন স্বচ্ছতার সঙ্গে স্বাধীন এবং নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করেছে। অপতথ্য নির্বাচনে নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছে বলে তিনি মনে করেন। আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানে নারীরা সামনের সারিতে থাকলেও এবারের নির্বাচনে তারা প্রায় অদৃশ্য হয়ে পড়েছেন। নির্বাচনে নারী প্রার্থী ছিলেন মাত্র চার শতাংশ। এ ছাড়া নির্বাচনের সময় প্রার্থীরা স্বাধীনভাবে প্রচার করতে পারলেও রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দল ছিল বলে মনে করে মিশন।বলেন, সদ্য নিযুক্ত নির্বাচন কমিশন জনগণের আস্থা পুনর্গঠনের জন্য একটি সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন মোট ২০০ জন নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে, যার মধ্যে ৯০ জন সংক্ষিপ্তকালীন পর্যবেক্ষক। এবারের একটি নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং মৌলিক স্বাধীনতাকে যথাযথ মর্যাদা দিয়েছে।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি সংবিধান অনুযায়ী এমনটাই জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ।শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই শপথ পড়াবেন। বর্তমানে রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে রয়েছেন মো.সাহাবুদ্দিন। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।
নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে আমির ডা.শফিকুর রহমান।শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১টা ৪৪ মিনিটের দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন।তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনীতি একটি দীর্ঘ পথ। আমাদের পথ এখন পরিষ্কার—মানুষের আস্থা অর্জন করা, ক্ষমতাকে জবাবদিহির আওতায় আনা এবং দায়িত্বশীলভাবে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। শুরু থেকে আমরা একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতিতে এখনও অটল। আমরা সামগ্রিক ফলাফলকে স্বীকৃতি দিচ্ছি এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।পোস্টে তিনি লেখেন, বিগত মাসগুলোতে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, সেই অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবক ও সমর্থকদের প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনাদের মধ্যে অনেকে নিজের সময়, শক্তি ও বিশ্বাস উৎসর্গ করেছেন। অনেকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। আপনাদের এই সাহসিকতা আমাদের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে।
শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। সচিব বলেনবঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ মোট ১ হাজার অতিথি উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জাতীয় সংসদের যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, তিন দিন সময়ের মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ হয়, সংসদ সদস্য হিসেবে। এই তিন দিন সময় আগামীকাল থেকে শুরু করে পরশু. আজকে ১৪. ১৫, ১৬ বা ১৭ পর্যন্ত আমরা ধরতে পারি, কারণ কর্মদিবস আগামীকাল থেকে। এই ১৭ তারিখের মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ শেষে শুরু হয়েছে গণনা। এবার ফলাফলের অপেক্ষা।বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। তবে যারা এখনো ভোট কেন্দ্রের ভেতরে অপেক্ষায় আছেন, তারা ভোট প্রয়োগ করার সুযোগ পাবেন।সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট নেওয়া হয়। ৯ ঘণ্টা ২৯৯টি আসনে ভোট গ্রহণ চলে। সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয় ভোট গ্রহণ।
জনপ্রিয় ও আলোচিত তারকা দম্পতি অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং নির্মাতা আদনান আল রাজীব। দীর্ঘ ১৩ বছরের বন্ধুত্ব ও প্রেমের পর গত বছর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তারা। ভালোবাসা দিবসে নিজেদের প্রথম বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে সামাজিক মাধ্যমে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন মেহজাবীন। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও নিজেদের বিশেষ এই দিনটি উপলক্ষে মেহজাবীন সামাজিক মাধ্যমে আদনানের সঙ্গে বেশ কিছু স্থিরচিত্র পোস্ট করেন। ক্যাপশনে তাদের সম্পর্কের গভীরতার কথা উল্লেখ করে লেখেন, আমরা একসঙ্গে বড় হয়েছি, একসঙ্গে পৃথিবীর সঙ্গে লড়াই করেছি। ১৪ বছরের এই পথচলায় ১ বছর হলো আমাদের সংসার। আজও যদি নতুন করে শুরু করার সুযোগ আসে, আমি তোমাকেই বেছে নিতাম, আদনান।
শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘ এক বার্তায় এই অভিনন্দন জানিয়েছে।বার্তায় উল্লেখ করা হয়, মহাসচিব সব রাজনৈতিক স্টেকহোল্ডারকে গতিশীলতা গড়ে তুলতে উৎসাহিত করেন, যাতে জাতীয় ঐক্য জোরদার করা যায়, গণতান্ত্রিক রীতিনীতি এবং আইনের শাসন, সংখ্যালঘুদের রক্ষা করার পাশাপাশি সব নাগরিক যেন তাদের মানবাধিকার পূর্ণ উপভোগ নিশ্চিত করতে পারে। বাংলাদেশ যেহেতু তার উত্তরণে (এলডিসি থেকে) অগ্রসর হচ্ছে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই সংস্কারের চেষ্টা করছে।
পাকিস্তান সরকারের নির্দেশে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ভারত ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পিসিবি। শেষ পর্যন্ত উত্তেজনার পারদে চড়ে মাঠে গড়াচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর ম্যাচ। সংবাদ সম্মেলনে এসে ভারত অধিনায়ক নানা ইস্যু নিয়ে কথা বললেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি অভিষেক শর্মাকে নিয়ে অনিশ্চয়তা দূর করে দিলেন। পাকিস্তানের রহস্য-স্পিনার উসমান তারিককে কীভাবে মোকাবিলা করবে তার দল, সেটাও জানালেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে গোল্ডেন ডাক মারার পর অসুস্থতার কারণে অভিষেক খেলেননি নামিবিয়ার বিপক্ষে। তার ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলনে হালকা রসিকতা করে তিনি আভাস দিয়েছেন, তার দলের ওপেনার সম্ভবত খেলার জন্য ফিট। ভারতীয় অধিনায়ক পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ সালমান আগার আগের মন্তব্যের কথা উল্লেখ করেছেন, যেখানে তিনি অভিষেকের মুখোমুখি হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
জনপ্রিয় ও আলোচিত তারকা দম্পতি অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং নির্মাতা আদনান আল রাজীব। দীর্ঘ ১৩ বছরের বন্ধুত্ব ও প্রেমের পর গত বছর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তারা। ভালোবাসা দিবসে নিজেদের প্রথম বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে সামাজিক মাধ্যমে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন মেহজাবীন। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও নিজেদের বিশেষ এই দিনটি উপলক্ষে মেহজাবীন সামাজিক মাধ্যমে আদনানের সঙ্গে বেশ কিছু স্থিরচিত্র পোস্ট করেন। ক্যাপশনে তাদের সম্পর্কের গভীরতার কথা উল্লেখ করে লেখেন, আমরা একসঙ্গে বড় হয়েছি, একসঙ্গে পৃথিবীর সঙ্গে লড়াই করেছি। ১৪ বছরের এই পথচলায় ১ বছর হলো আমাদের সংসার। আজও যদি নতুন করে শুরু করার সুযোগ আসে, আমি তোমাকেই বেছে নিতাম, আদনান।
বহুজাতিক কোম্পানি সকার ট্রেডিং এসএ থেকে এলএনজি আনার জন্য জিটুজি সরকার-সরকার চুক্তি করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। যদিও বিগত সরকারের আমলে দরপত্র ছাড়া এমন চুক্তির সমালোচনা করা হয়েছিল, এবারও ঠিক একইভাবে দরপত্র ছাড়াই এ কোম্পানিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এতে করে খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, এবং জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকেও সম্ভাব্য ঝুঁকি, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক প্রভাব খতিয়ে দেখতে পেট্রোবাংলাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।জানা গেছে, সম্প্রতি উন্নয়ন-২ শাখা থেকে উপসচিব আহমেদ জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি ১৯ জানুয়ারি পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, সুইজারল্যান্ডের জেনেভাভিত্তিক সকার ট্রেডিং এসএ থেকে স্বল্পমেয়াদে এলএনজি আমদানি-সংক্রান্ত প্রস্তাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষত কোম্পানিটির অতীত কর্মকাণ্ড, আন্তর্জাতিক মহলে উত্থাপিত অভিযোগ এবং বাংলাদেশে বাপেক্সের সঙ্গে চলমান বিরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।তথ্য অনুযায়ী, সকার ট্রেডিং এসএ মূলত আজারবাইজানের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস কোম্পানি সকারের একটি বাণিজ্যিক শাখা। যদিও প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়, প্রকৃতপক্ষে এটি আজারবাইজানের মালিকানাধীন। ‘সকার’ নামটি এসেছে স্টেট অয়েল কোম্পানি অব দ্য রিপাবলিক অব আজারবাইজান থেকে। সুইজারল্যান্ড কোনো তেল-গ্যাস উৎপাদনকারী দেশ নয়, তাই দেশটির মাধ্যমে এ চুক্তি প্রক্রিয়া নিয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন।২০১৭ সালে বাপেক্সের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, সকারের তিনটি গ্যাস কূপ খনন করার কথা ছিল খাগড়াছড়ির দক্ষিণ সেমুতাং-১, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ-৪ ও জামালপুরের মাদারগঞ্জ-১। এর মধ্যে কেবল সেমুতাং-১ কূপ খনন করে কোম্পানিটি, কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস পাওয়া যায়নি। ওই কূপের জন্য ১৪২ কোটি টাকা পরিশোধ করে বাপেক্স। বাকি দুটি কূপ নিয়ে চুক্তির বাইরে অগ্রিম অর্থ দাবি করায় জটিলতা তৈরি হয়। পরে ২০১৯ সালে সকার নিজে থেকেই চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেয়। ২০২০ সালে তারা সিঙ্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল আরবিট্রেশন সেন্টারে বাপেক্সের বিরুদ্ধে মামলা করে এবং প্রায় ৮৮৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে। মামলার আংশিক রায় সকারের পক্ষে গেছে, যার বিরুদ্ধে বাপেক্স আপিল করেছে।
২ সপ্তাহ আগে
শরিয়াহ আইন কী? আরবি ভাষায় শরিয়াহ বলতে ‘পথ’ বোঝায়, যা আল্লাহকে খুশি করার লক্ষ্যে মানুষের জন্য অনুকরণীয় আচরণবিধি। শরিয়াহ বলবৎ হলে ব্যক্তি, মানুষ ও সমাজের সব ক্ষেত্র শরীয়তের অনুশাসন অনুযায়ী পরিচালিত হবে। শরীয়তের আওতায় ব্যবসায়-বাণিজ্য, পারিবারিক আইন, নৈতিকতা, অপরাধ ও শাস্তি, দান-খয়রাতসহ সবই রয়েছে। বাংলাদেশে রাজনীতিতে বর্তমানে এক নতুন মেরূকরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের প্রধান প্রধান ইসলামী দলগুলোর লক্ষ্য ‘ইসলামী শাসনতন্ত্র’ বা ‘শরিয়াহ আইন’ প্রতিষ্ঠা হলেও সম্প্রতি ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশর মধ্যে শরিয়াহ আইন ইস্যুতে সৃষ্ট বাদানুবাদ ইসলামী রাজনীতির অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে ‘জামায়াতে ইসলামী শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন করবে না’ গত বুধবার দলটির আমির গণমাধ্যমকে এমনটাই জানান খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি দলের মার্থা দাস। তারপরই শরিয়াহ আইনের বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। এর আগে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দুজন প্রার্থীকে জাতীয় নির্বাচনের মনোনয়ন দেয় জামায়াতে ইসলামী। ফলে ধর্মভিত্তিক দল হওয়া সত্ত্বেও সম্প্রতি এমন বেশ কিছু পদক্ষেপে তাদের পক্ষ থেকে তুলনামূলক উদার মনোভাব বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে তা কৌশলগত অবস্থান কি না, সেই প্রশ্নও আসছে।এদিকে কয়েক দিন আগে ইসলামী আন্দোলন অভিযোগ করেছে, জামায়াতে ইসলামী তাদের মূল লক্ষ্য অর্থাৎ শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠার পথ থেকে সরে গেছে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে দেওয়া কিছু বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, তারা রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘শরিয়াহ’ শব্দের চেয়ে ‘ন্যায়বিচার’ ও ‘মানবিক মর্যাদা’ এবং প্রচলিত আইনের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান বিশ্বের ভূ-রাজনীতিতে ধর্ম ও রাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়ে সর্বাধিক আলোচিত বিতর্কগুলোর অন্যতম হলো শরিয়াহ আইন। বিশেষ করে মুসলিম প্রধান দেশগুলোতে রাজনীতিতে শরিয়াহ আইনের প্রয়োগ বা বর্জন নিয়ে প্রগতিশীল এবং রক্ষণশীল মহলের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিভেদ বিদ্যমান। এই বিতর্ক শুধু ধর্মীয় পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা মানবাধিকার, শাসনতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের সংজ্ঞাকেও প্রভাবিত করছে। অর্থাৎ শরিয়াহ আইনকে রাষ্ট্র পরিচালনায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রশ্নে প্রধানত তিনটি দিক থেকে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এক. গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব। দুই. বিচারব্যবস্থা ও দণ্ডবিধি। তিন. সংখ্যালঘু ও নারী অধিকার।প্রচলিত ধর্মনিরপেক্ষ আইনের চেয়ে এই ইসলামী শরীয়তের বিধানগুলো একটি আরেকটির সঙ্গে বেশি সম্পৃক্ত। আর ইসলাম ধর্মের প্রভাব ও রীতি অনুযায়ী মহান আল্লাহর আইনই চূড়ান্ত। ইসলামিক পণ্ডিতদের মতে, শরীয়ত হলোআল্লাহ ও তার রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর দিকনির্দেশনার সমষ্টি। অর্থাৎ শরীয়তের প্রধান বা মৌলিক উৎস দুইটি-- আল্লাহর বাণী কুরআন ও তার রাসুল হজরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর বাণী, কর্ম ও মৌনসম্মতি (সুন্নাহ)। পরবর্তী সময়ে কোরআন ও সুন্নাহর স্বীকৃতি ও নির্দেশনার ভিত্তিতে শরীয়তের আরও দুটি বিষয় নির্ধারিত হয়। এগুলো হলো—ইজমা ও কিয়াস। সুতরাং, শরীয়তের উৎস চারটি।ইন্টারনেটের তথ্য বলছে, বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে শরিয়াহ আইন ব্যবহার করে। দেশগুলো হচ্ছে আফগানিস্তান, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ইরাক, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মৌরিতানিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, সুদান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন ও ব্রুনাই।শরিয়াহ আইন নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক: গত বুধবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির ডা. আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন শিক্ষাবিদ ড. গর্ডন ক্লিংগেনশমিটের নেতৃত্বে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের একটি প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে ন্যাশনাল খ্রিষ্টান ফেলোশিপ অব বাংলাদেশের জেনারেল সেক্রেটারি মার্থা দাস সাংবাদিকদের বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর আমির মহোদয়ের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। উনি যে আশ্বাসগুলো দিয়েছেন, সেটাই আবার আমি একটু রিপিট করতে চাই। যেটা তিনি জাতির উদ্দেশে বলেছেন সেটা হলো, যদি মহান সৃষ্টিকর্তা ওনাদের এই দেশ পরিচালনার সুযোগ দেন, তাহলে এই বাংলাদেশে শরিয়াহ ল অর্থাৎ শরিয়াহ আইন তিনি বাস্তবায়ন করবেন না।’এ সময় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘প্রতিনিধি দলের মূল প্রশ্ন ছিল রাষ্ট্র পরিচালনা বা সরকার পরিচালনার সুযোগ পেলে জামায়াত কোন আইনে দেশ চালাবে? অনেকে জিজ্ঞেস করেন যে শরিয়াহ আইনে না অমুক মডেলে তমুক মডেলে। ফলে আমিরে জামায়াত বলেছেন, বাংলাদেশে যে বিদ্যমান আইন সে আইনেই বাংলাদেশ চলবে, যেখানে সব ধর্মের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা হবে। এবং এই আইনটাই যথেষ্ট এখন।’ তিনি আরও জানান, জামায়াতের আমির সেদিন বলেছিলেন আমাদের সংবিধান এবং বিদ্যামান যে আইনি কাঠামো আছে, সেখানে সব নির্দেশনা আছে। বাংলাদেশ এই বিদ্যমান আইন সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে থেকেই পরিচালিত হবে।এ ছাড়াও এহসানুল মাহবুব জুবায়ের পরে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘গত বুধবার আমিরে জামায়াতের বক্তব্য উল্লেখ করে একটি ফটোকার্ড আমাদের নজরে এসেছে, যেখানে তার বক্তব্যকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিকৃত করে প্রচার করা হয়েছে। ওই ফটোকার্ডে আমিরে জামায়াতের বক্তব্যের সঙ্গে মার্থা দাসের একটি বক্তব্যকে টুইস্ট করে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বাস্তব বক্তব্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং জামায়াত আমিরের বক্তব্যে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালিত হবে এবং জনগণের মতামত ও সম্মতি ছাড়া কোনো আইন পরিবর্তন বা সংশোধনের প্রশ্নই আসে না। তিনি সংবিধান, আইনের শাসন, ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং সব নাগরিকের অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। অতএব, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উপস্থাপনার মাধ্যমে জনমনে ভুল ধারণা সৃষ্টি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।’প্রসঙ্গত, ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর নাম একাধিকবার যেমন পরিবর্তন হয়েছে, তেমনই নানা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দলটির গঠনতন্ত্রেও বহুবার সংশোধন করা হয়েছে। গঠনতন্ত্রে ‘ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা’-এর পরিবর্তে ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা’ সংবলিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে তাদের লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামী। এর আগে তাদের গঠনতন্ত্রে ‘আল্লাহ-প্রদত্ত ও রসুল-প্রদর্শিত ইসলাম কয়েমের প্রচেষ্টা’কে মূল উদ্দেশ্য হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তা বাদ দিয়ে ‘গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা’র কথা বলা হয়। সর্বশেষ তারা গঠনতন্ত্রের ২২তম সংশোধনী আনে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে। জামায়াতের গঠনতন্ত্রে লক্ষ্য উদ্দেশ্য হিসেবে বলা আছে, ‘বাংলাদেশে নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা এবং মহান আল্লাহ তা’য়ালার সন্তুষ্টি অর্জন’।এদিকে গত শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অভিযোগ করেছে, জামায়াতের আমির বলেছেন, তারা ক্ষমতায় গেলে প্রচলিত আইনে দেশ শাসন করবেন। অথচ দেশের সব মানুষ একমত যে দেশের বর্তমান দুর্দশার কারণ বিদ্যমান আইন। সেই বিদ্যমান আইন পরিবর্তন করার জন্যই আমাদের রাজনীতি। এখন যদি সমঝোতার প্রধান দলই বিদ্যমান আইনে দেশ পরিচালনার প্রতিজ্ঞা করে তাহলে আমরা শঙ্কিত হই। আমরা নীতির রাজনীতি করি। আমাদের রাজনীতির সেই মৌলিক প্রশ্নে যখন ভিন্নমত তৈরি হয়, তখন তাদের সঙ্গে সমঝোতায় থাকার কোনো সুযোগ নেই।’উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালের ১৩ মার্চ বিভিন্ন ইসলামী ব্যক্তিত্ব ও সংগঠনের যৌথ প্রয়াসের ফলে ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঐক্যপ্রয়াসী একটি ইস্যু ভিত্তিক আন্দোলন হিসেবে ‘ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন’ নামে এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরবর্তী সময়ে আন্দোলনে অনৈক্য ও ভাঙনের ফলে এটি চরমোনাই পীর সৈয়দ ফজলুল করিমের নেতৃত্বে একটি একক রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়। মূল ১৯৯১ সাল থেকে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দল হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ২০০৮ সালে নিবন্ধন জটিলতায় এর নাম পরিবর্তন করে ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’ নামে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হয় এবং হাতপাখা প্রতীক লাভ করে। দলটির স্লোগান হচ্ছে ‘শুধু নেতা নয়, নীতিরও পরিবর্তন চাই।’বিতর্কের কারণ: জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক অবস্থান বিশ্লেষণে দেখা যায়, তারা নিজেদের একটি ‘আধুনিক মডারেট’ দল হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে। দলটির কিছু নেতা বলছেন, আমরা একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ চাই। ইসলাম মানেই কেবল শাস্তি (হুদুদ) নয়, বরং নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করা। অন্যদিকে এই অবস্থানকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ‘আদর্শিক চ্যুতি’ হিসেবে দেখছে। তাদের মতে, শরিয়াহ আইনের কথা সরাসরি না বলা মানেই হলো সেকুলার রাজনীতির দিকে ঝুঁকে পড়া।এই বাদানুবাদের পেছনে কেবল আদর্শিক নয়, বরং কৌশলগত কিছু কারণও রয়েছে। বিশেষ করে ভোটের রাজনীতি, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা, তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করা ইত্যাদি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আধুনিক শিক্ষিত তরুণদের কাছে শরিয়াহ আইনের প্রচলিত ধারণা অনেক সময় ভীতি সৃষ্টি করে, যা এড়াতে ভাষা ও কৌশলে পরিবর্তন আনছে দলগুলো।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত: রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেছেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা অনেক সফট কথাবার্তা বলছে এবং তারা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবার জন্য অনেক কিছু বলছে, যাতে মনে হচ্ছে তারা অনেকটা উদার হয়ে গেছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ধরনের কৌশল নেওয়া তো অস্বাভাবিক কোনো ব্যাপার না। কারণ দলটি নিয়ে মানুষের যে দৃষ্টিভঙ্গি (পারসেপশন) আছে, তা কাটাতেই হয়তো তারা এসব কথাবার্তা বলছে।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শামছুল আলম কালবেলাকে বলেন, বাংলাদেশে রাজনীতিতে শরিয়াহ আইনের বিতর্কটি এখন আর কেবল ‘ধর্মীয়’ নেই, এটি এখন ‘পরিচয় ও কৌশলের’ লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। জামায়াত যেখানে কৌশলগত নমনীয়তা দেখাচ্ছে, ইসলামী আন্দোলন সেখানে নিজেদের ‘আপসহীন’ ইসলামী শক্তি হিসেবে তুলে ধরছে। ফলে শরিয়াহ আইন নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের এই প্রকাশ্য বিতর্ক বাংলাদেশের ধর্মীয় রাজনীতির মোড় পরিবর্তন করতে পারে। জামায়াত যদি শেষ পর্যন্ত শরিয়াহ আইনের দাবি থেকে নিজেকে পুরোপুরি গুটিয়ে নেয়, তবে তা দেশের ইসলামপন্থি ভোটারদের মধ্যে একটি বড় প্রভাব তৈরি করবে এবং চরমোনাই পীরের দলের জন্য একটি বড় সুযোগ সৃষ্টি করবে। old('details') }} old('details') }}
মানুষ ওজন এবং ডায়েট নিয়ে খুবই যত্নশীল। বর্তমানে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রায় ৪০.৩% স্থূলতায় ভুগছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের তথ্য।ওজন কমানোর বাজারও এই মনোযোগকে বাড়িয়ে তুলছে। ২০২২ সালে এই বাজারের আকার প্রায় ১৪৩ বিলিয়ন ডলার ছিল এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এটি প্রায় ২৯৯ বিলিয়নে পৌঁছানোর প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সম্প্রতি GLP-1 ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে ১৫ মিলিয়নেরও বেশি আমেরিকান ওজন কমাচ্ছেন, যা মূলত টাইপ ২ ডায়াবেটিসের জন্য তৈরি হয়েছিল। এসব কারণে ওজনকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্য নিয়ে চাপ আরও বাড়ছে।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।