চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ছাড়া দেশের অন্য সব শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। তবে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এবং ওই বোর্ডের আওতাধীন মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ১৩, ১৫ ও ১৬ জুলাইয়ের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থগিত থাকবে।রোববার (১২ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, সিলেট, বরিশাল, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন জেলা ছাড়া) আওতাধীন সব জেলার পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পূর্বনির্ধারিত তারিখ ও সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।তবে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলার পাশাপাশি চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের জন্য আগের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। সে অনুযায়ী ১৩ জুলাই (সোমবার), ১৫ জুলাই (বুধবার) ও ১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।
রাজধানীতে শনিবার গভীর রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি রোববারও বিরামহীনভাবে চলছে। টানা বর্ষণে দৈনিক বাংলা, ফকিরাপুল, আরামবাগসহ বিভিন্ন এলাকার সড়কে পানি জমে যায়। এতে জরুরি কাজে ও কর্মস্থলে বের হওয়া মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।বৃষ্টির কারণে যাত্রাবাড়ী, কুতুবখালী, শনির আখড়া এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ রোববার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পানির নিচে ছিল।দৈনিক বাংলা মোড় থেকে ফকিরাপুল পর্যন্ত সড়কে পানি জমেছে। পুরানা পল্টন কালভার্ট রোডে হাঁটুপানি দেখা গেছে। ওই এলাকার কয়েকটি ছোট দোকানে রাস্তার পানি ঢুকে পড়ে।শাপলা চত্বর থেকে টিকাটুলি মোড় পর্যন্ত সড়কেও পানি জমেছে। আরামবাগ ও ফকিরাপুল এলাকার অলিগলি পানিতে তলিয়ে গেছে। দিলকুশা ও মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে যানজট। এতে অফিসগামী মানুষকে কর্মস্থলে পৌঁছাতে দুর্ভোগে পড়তে হয়।শান্তিনগর, রাজারবাগ, নয়াপল্টনের প্রধান সড়কসহ কাকরাইলের বিভিন্ন অলিগলিতেও হাঁটুপানি জমে থাকতে দেখা গেছে। এমনকি প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ের ভেতরেও পানি জমেছে।রাজধানীর খিলক্ষেত থেকে লেকসিটি পর্যন্ত সড়কও প্রায় হাঁটুপানিতে ডুবে ছিল।খিলক্ষেত থেকে লেকসিটি এলাকার পরিস্থিতি তুলে ধরে গণমাধ্যমকে একজন বলেন, “খিলক্ষেত থেকে লেকসিটি পর্যন্ত রিকশা ভাড়া ৩০ টাকা করে। কয়েকজন মিলে গেলে ১০-২০ টাকা করে নেয়। পুরো রাস্তায় হাঁটুর কাছাকাছি পানি থাকায় কয়েকজন মিলে চড়লেও প্রত্যেকের থেকে ১০০ টাকা রিকশায় ভাড়া নিচ্ছে।”তিনি আরও বলেন, “অতিরিক্ত যান হিসেবে ভ্যান চলাচল করতে দেখা যায়। তারা ভাড়া নিচ্ছে প্রত্যেকের থেকে ৫০ টাকা। দূর যাতায়াতের জন্য খুঁজলেও সিএনজি মেলেনি।”টানা বৃষ্টিতে মহাখালী এলাকার দক্ষিণপাড়ার মূল সড়কও পানিতে ডুবে যায়। টঙ্গী থেকে অফিসে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আকাশ রহমান বলেন, “অবিরাম বৃষ্টিতে মনে হচ্ছে পুরো ঢাকাই ডুবে গেছে। বহু কষ্টে অফিসে এলাম। এমন বৃষ্টি দেখিনি আগে।”ভারী বর্ষণের কারণে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী র্যাম্পের নিচের অংশ, বনানী, খিলক্ষেত, ঢাকা গেটসহ মহানগরের বিভিন্ন নিচু এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট সড়কগুলোতে যান চলাচলের গতি কমে যায় এবং কয়েকটি এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছে ট্রাফিক গুলশান বিভাগ।বিশেষ করে কাকলী মোড়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামা যানবাহন এবং নিচের সড়কের যানবাহনকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হচ্ছে।বৃষ্টির মধ্যেও মেট্রোরেল স্বাভাবিকভাবে চলেছে। তবে যাত্রী চাপ ছিল বেশি। সচিবালয় ও মতিঝিল স্টেশনে কর্মজীবী মানুষের ভিড় দেখা গেছে।অন্যদিকে সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও মোটরসাইকেলের উপস্থিতি কম ছিল। গণপরিবহনে স্বাভাবিক দিনের তুলনায় বেশি ভিড় দেখা গেছে।বৃষ্টিতে পরীক্ষা স্থগিতটানা বৃষ্টির কারণে রাজধানীর কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান অর্ধবার্ষিক ও অন্যান্য পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা, দশম শ্রেণির প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা এবং একাদশ শ্রেণির ব্যবহারিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন একজন শিক্ষক।এদিকে অভিভাবক তানুজা আকবর গণমাধ্যমকে বলেন, ধানমন্ডি কামরুন্নেছা স্কুলের অর্ধবার্ষিকী ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষাও বৈরী আবহাওয়ার কারণে স্থগিত করা হয়েছে।
রাজধানীতে শনিবার গভীর রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি রোববারও বিরামহীনভাবে চলছে। টানা বর্ষণে দৈনিক বাংলা, ফকিরাপুল, আরামবাগসহ বিভিন্ন এলাকার সড়কে পানি জমে যায়। এতে জরুরি কাজে ও কর্মস্থলে বের হওয়া মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।বৃষ্টির কারণে যাত্রাবাড়ী, কুতুবখালী, শনির আখড়া এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ রোববার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পানির নিচে ছিল।দৈনিক বাংলা মোড় থেকে ফকিরাপুল পর্যন্ত সড়কে পানি জমেছে। পুরানা পল্টন কালভার্ট রোডে হাঁটুপানি দেখা গেছে। ওই এলাকার কয়েকটি ছোট দোকানে রাস্তার পানি ঢুকে পড়ে।শাপলা চত্বর থেকে টিকাটুলি মোড় পর্যন্ত সড়কেও পানি জমেছে। আরামবাগ ও ফকিরাপুল এলাকার অলিগলি পানিতে তলিয়ে গেছে। দিলকুশা ও মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে যানজট। এতে অফিসগামী মানুষকে কর্মস্থলে পৌঁছাতে দুর্ভোগে পড়তে হয়।শান্তিনগর, রাজারবাগ, নয়াপল্টনের প্রধান সড়কসহ কাকরাইলের বিভিন্ন অলিগলিতেও হাঁটুপানি জমে থাকতে দেখা গেছে। এমনকি প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ের ভেতরেও পানি জমেছে।রাজধানীর খিলক্ষেত থেকে লেকসিটি পর্যন্ত সড়কও প্রায় হাঁটুপানিতে ডুবে ছিল।খিলক্ষেত থেকে লেকসিটি এলাকার পরিস্থিতি তুলে ধরে গণমাধ্যমকে একজন বলেন, “খিলক্ষেত থেকে লেকসিটি পর্যন্ত রিকশা ভাড়া ৩০ টাকা করে। কয়েকজন মিলে গেলে ১০-২০ টাকা করে নেয়। পুরো রাস্তায় হাঁটুর কাছাকাছি পানি থাকায় কয়েকজন মিলে চড়লেও প্রত্যেকের থেকে ১০০ টাকা রিকশায় ভাড়া নিচ্ছে।”তিনি আরও বলেন, “অতিরিক্ত যান হিসেবে ভ্যান চলাচল করতে দেখা যায়। তারা ভাড়া নিচ্ছে প্রত্যেকের থেকে ৫০ টাকা। দূর যাতায়াতের জন্য খুঁজলেও সিএনজি মেলেনি।”টানা বৃষ্টিতে মহাখালী এলাকার দক্ষিণপাড়ার মূল সড়কও পানিতে ডুবে যায়। টঙ্গী থেকে অফিসে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আকাশ রহমান বলেন, “অবিরাম বৃষ্টিতে মনে হচ্ছে পুরো ঢাকাই ডুবে গেছে। বহু কষ্টে অফিসে এলাম। এমন বৃষ্টি দেখিনি আগে।”ভারী বর্ষণের কারণে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী র্যাম্পের নিচের অংশ, বনানী, খিলক্ষেত, ঢাকা গেটসহ মহানগরের বিভিন্ন নিচু এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট সড়কগুলোতে যান চলাচলের গতি কমে যায় এবং কয়েকটি এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছে ট্রাফিক গুলশান বিভাগ।বিশেষ করে কাকলী মোড়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামা যানবাহন এবং নিচের সড়কের যানবাহনকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হচ্ছে।বৃষ্টির মধ্যেও মেট্রোরেল স্বাভাবিকভাবে চলেছে। তবে যাত্রী চাপ ছিল বেশি। সচিবালয় ও মতিঝিল স্টেশনে কর্মজীবী মানুষের ভিড় দেখা গেছে।অন্যদিকে সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও মোটরসাইকেলের উপস্থিতি কম ছিল। গণপরিবহনে স্বাভাবিক দিনের তুলনায় বেশি ভিড় দেখা গেছে।বৃষ্টিতে পরীক্ষা স্থগিতটানা বৃষ্টির কারণে রাজধানীর কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান অর্ধবার্ষিক ও অন্যান্য পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা, দশম শ্রেণির প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা এবং একাদশ শ্রেণির ব্যবহারিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন একজন শিক্ষক।এদিকে অভিভাবক তানুজা আকবর গণমাধ্যমকে বলেন, ধানমন্ডি কামরুন্নেছা স্কুলের অর্ধবার্ষিকী ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষাও বৈরী আবহাওয়ার কারণে স্থগিত করা হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে গোল করে শুরুতেই দলকে এগিয়ে নেন ম্যাক অ্যালিস্টার। আর এই গোলে অবদান রেখে ডিয়েগো ম্যারাডোনার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন লিওনেল মেসি।রোববার (১২ জুলাই) কানসাস সিটিতে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে নবম মিনিটে কর্নার পায় আর্জেন্টিনা। একেবারে মাপা শট নেন মেসি। বেশ লম্বা সুইস ডিফেন্ডারকে এড়িয়ে গোল পেতে হলে অনেকদূর লাফিয়ে উঠতে হতো অ্যালিস্টারকে। তবে তার সামনে থাকা ম্যানুয়েল আকানজির লাফিয়ে বল না পাওয়ার সুযোগটা কাজে আসে আর্জেন্টিনার। দ্বিতীয় বার ঘেষে প্রবেশ করা বলে গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলের তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না। এই আসরে তার দ্বিতীয় এবং সব মিলিয়ে দশম অ্যাসিস্ট ৩৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে মেসির মোট গোল অবদান এখন ১৫টি। গত ৬০ বছরে যেকোনো খেলোয়াড়ের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ। কিলিয়ান এমবাপেকে (১৪) ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্টের বিশ্ব রেকর্ড মেসির। ক্লাব ও দেশের হয়ে ৪১০ অ্যাসিস্ট তার। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের ছয়টি ভিন্ন আসরে অন্তত একটি অ্যাসিস্টের রেকর্ড মেসির। জাতীয় দলের জার্সিতে তিনি গোল বানিয়ে দিয়েছেন ৬২টি। এই বিশ্বকাপে মেসি অষ্টম গোল করেছেন। সব মিলিয়ে ২১ গোল নিয়ে সর্বকালের শীর্ষ বিশ্বকাপ গোলদাতা তিনি।
ফুটবল বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি ও তার দলের আরেকটি অনবদ্য পারফরম্যান্সে সেমিফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে জয় নিশ্চিত হতেই উচ্ছ্বাসে ভেসেছেন দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমাও।ম্যাচ শেষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আর্জেন্টিনার জয় উদযাপন করে তিনি লিখেছেন, ‘বিশুদ্ধ আবেগ। বিশুদ্ধ আবেগ। সেমি ফাইনালিস্ট!’পূর্ণিমার এই সংক্ষিপ্ত পোস্টেই ফুটে উঠেছে তার প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা ও আবেগ। পোস্টটি প্রকাশের পর ভক্তরাও মন্তব্যে আর্জেন্টিনার জয় উদযাপনে শামিল হন।বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আবারও নেতৃত্বের দারুণ উদাহরণ দেখিয়েছেন লিওনেল মেসি। মাঠজুড়ে তার অসাধারণ উপস্থিতি, আক্রমণ সাজানো এবং দলকে অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতাই আর্জেন্টিনাকে কঠিন পরীক্ষায় জয়ের পথে এগিয়ে দেয়। ৩৯ বছর বয়সেও মেসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্স নতুন করে মুগ্ধ করেছে ফুটবলপ্রেমীদের।আর্জেন্টিনার সেমিফাইনাল নিশ্চিত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে সমর্থকদের মতো বাংলাদেশের তারকারাও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। সেই তালিকায় নাম লেখালেন পূর্ণিমাও।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি মে মাসে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মাসটিতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ০৪ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ৫৮২ মিলিয়ন ডলারে। তবে বছরের প্রথম পাঁচ মাসের চিত্র এখনো নেতিবাচক। জানুয়ারি-মে ২০২৬ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৮ দশমিক ০৮ শতাংশ কমে ৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল (ওটেক্সা) এ তথ্য জানিয়েছে।বিশ্ববাজারে পোশাকের চাহিদা দুর্বল থাকায় ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি কমতে থাকে। তবে এ সময় প্রধান সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে ক্রয়-উৎসে (সোর্সিং) উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনেরও ইঙ্গিত মিলেছে।চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ২৮ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।একই সময়ে আমদানির পরিমাণ (ভলিউম) ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ কমেছে। তবে গড় ইউনিট মূল্য শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়েছে। এতে বোঝা যায়, আমদানি কমার প্রধান কারণ ছিল ক্রয়ের পরিমাণ হ্রাস।ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং ভিয়েতনামের রপ্তানি বেড়েছে ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। একই সঙ্গে ভিয়েতনামের রপ্তানির পরিমাণও ৩ দশমিক ০১ শতাংশ বেড়েছে।প্রধান রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে চীনের পতন ছিল সবচেয়ে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে দেশটির পোশাক রপ্তানি ৪২ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ২৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং গড় ইউনিট মূল্য ১৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ কমেছে।এছাড়া ভারতের রপ্তানি কমেছে ২৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং পাকিস্তানের ১২ দশমিক ৩৫ শতাংশ।ওটেক্সার তথ্য বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতারা ধীরে ধীরে চীনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎসের দিকে ঝুঁকছেন। এ পরিবর্তনের সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছে কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনাম।যদিও জানুয়ারি-মে সময়ে বাংলাদেশের রপ্তানি চাপের মধ্যেই ছিল, তবে মে মাসের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে বাজার পরিস্থিতির উন্নতি হলে রপ্তানি পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
৯ ঘন্টা আগে
প্রকৃতির ভয়াবহ রূপ মানুষের অসহায়ত্বকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা, টানা বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল, ঝড়-তুফান ও বজ্রপাত মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। ঘরবাড়ি, ফসল, গবাদিপশু, শিক্ষা ও জীবিকা, সবকিছুই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে একজন মুসলিমের করণীয় কী? কোরআন ও সুন্নাহ আমাদের কী শিক্ষা দেয়, তা জানা আজ অত্যন্ত জরুরি।ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস হলো, বিশ্বজগতের প্রতিটি ঘটনা আল্লাহ তাআলার ইচ্ছা ও হিকমতের অধীন। আল্লাহ তাআলা বলেন, পৃথিবীতে কিংবা তোমাদের নিজেদের ওপর যে বিপদই আসে, তা আমি সৃষ্টি করার আগেই একটি কিতাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে। নিশ্চয়ই এটি আল্লাহর জন্য সহজ ।(সুরা হাদিদ: ২২)অতএব, কোনো দুর্যোগকে কেবল প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে নয়; বরং আল্লাহর তাকদির ও প্রজ্ঞার অংশ হিসেবেও দেখা একজন মুমিনের ঈমানের দাবি।বন্যা, ঝড়, অতিবৃষ্টি বা জলোচ্ছ্বাস অনেক সময় আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের ঈমান, ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর নির্ভরতার পরীক্ষা। আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি অবশ্যই তোমাদেরকে কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, ধন-সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষতির মাধ্যমে পরীক্ষা করব। আর ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দিন। (সুরা বাকারা: ১৫৫)কখনো সতর্কবার্তা, কখনো শাস্তিকখনো আল্লাহ এসব দুর্যোগকে সতর্কবার্তা হিসেবে পাঠান, আবার কখনো তা শাস্তির রূপ ধারণ করে। কোরআনে বিভিন্ন জাতির ওপর বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ নেমে আসার কথা উল্লেখ রয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি তাদেরকে দুর্দশা ও কষ্টে আক্রান্ত করেছিলাম, যাতে তারা বিনীত হয়। (সুরা আনআম: ৪২)অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, স্থলে ও জলে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে মানুষের কৃতকর্মের কারণে, যাতে আল্লাহ তাদেরকে তাদের কিছু কর্মের স্বাদ আস্বাদন করান; হয়তো তারা ফিরে আসবে। (সুরা রূম: ৪১)তবে কোনো নির্দিষ্ট বন্যা বা দুর্যোগকে নিশ্চিতভাবে আল্লাহর শাস্তি বলা বৈধ নয়। কারণ এর চূড়ান্ত জ্ঞান একমাত্র আল্লাহর কাছেই রয়েছে। একই দুর্যোগ একজনের জন্য পরীক্ষা, অন্যজনের জন্য সতর্কবার্তা, আবার কারও জন্য মর্যাদা বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।টানা বৃষ্টি আল্লাহর রহমত নাকি বিপদ?কোরআনে বৃষ্টিকে সাধারণভাবে আল্লাহর রহমত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে । আল্লাহ বলেন, তিনিই বৃষ্টিকে রহমতস্বরূপ বর্ষণ করেন। (সুরা শুরা: ২৮)রাসুলুল্লাহ (সা.) বৃষ্টি হলে দোয়া করতেন, اللَّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعا.অর্থ: হে আল্লাহ! এই বৃষ্টিকে উপকারী বৃষ্টি বানিয়ে দিন। (বোখারি: ১০৩২)দুর্যোগের সময় একজন মুসলিমের করণীয়১. ধৈর্য ও আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তনআল্লাহ তাআলা বলেন, যখন তাদের ওপর বিপদ আসে, তখন তারা বলে, নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহরই এবং নিশ্চয়ই তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী। (সুরা বাকারা: ১৫৬)রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, মুমিনের বিষয়টি বিস্ময়কর। তার প্রতিটি অবস্থাই কল্যাণকর। সুখ পেলে সে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, এতে তার কল্যাণ হয়। আর দুঃখ-কষ্টে আক্রান্ত হলে সে ধৈর্য ধারণ করে, এটিও তার জন্য কল্যাণকর। (মুসলিম: ২৯৯৯)তাই দুর্যোগের সময় ইসলামের শিক্ষা হলো, ধৈর্য ধারণ করা এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসা।২. প্রার্থনা বা দোয়াপ্রবল বাতাস সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, বাতাসকে গালি দিও না। কারণ এটি আল্লাহর রহমতও নিয়ে আসে, আবার তাঁর আদেশে শাস্তিও নিয়ে আসে। (আবু দাউদ: ৫০৯৭) রাসুলুল্লাহ (সা.) তখন এই দোয়া করতেন, اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا وَخَيْرَ مَا فِيهَا وَخَيْرَ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ مَا فِيهَا وَشَرِّ مَا أُرْسِلَتْ بِهِঅর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এই বাতাসের কল্যাণ, এতে নিহিত কল্যাণ এবং যে উদ্দেশ্যে একে পাঠানো হয়েছে তার কল্যাণ প্রার্থনা করছি। আর এর অকল্যাণ, এতে নিহিত অকল্যাণ এবং যে উদ্দেশ্যে একে পাঠানো হয়েছে তার অকল্যাণ থেকে আপনার আশ্রয় চাই। (মুসলিম: ৮৯৯)আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, প্রবল বাতাস বা আকাশে মেঘ দেখা দিলে রাসুলুল্লাহ (সা.) উদ্বিগ্ন হয়ে পড়তেন এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন। (বোখারি: ৩২০৬)হজরত আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রা.) বজ্রধ্বনি শুনলে কথা বলা বন্ধ করে বলতেন, .سُبْحَانَ الَّذِي يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِএরপর তিনি বলতেন, এটি পৃথিবীবাসীর জন্য কঠিন সতর্কবার্তা। (আল-আদাবুল মুফরাদ: ৭২৩)কোরআনেও আল্লাহ বলেন, বজ্র আল্লাহর প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে এবং ফেরেশতারাও তাঁর ভয়ে তা করে। (সুরা রাদ: ১৩)এ ছাড়া যখন অতিবৃষ্টি মানুষের জন্য ক্ষতির কারণ হতো, তখন রাসুল (সা.) দোয়া করতেন,اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا، اللَّهُمَّ عَلَى الْآكَامِ وَالظِّرَابِ وَبُطُونِ الْأَوْدِيَةِ وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ.অর্থ: হে আল্লাহ! (বৃষ্টি) আমাদের ওপর নয়, আমাদের চারপাশে বর্ষণ করুন। হে আল্লাহ! পাহাড়-টিলা, উঁচু ভূমি, উপত্যকার ভেতর এবং গাছপালা জন্মায় এমন স্থানগুলোতে বৃষ্টি বর্ষণ করুন। (মুসলিম: ৮৯৭)তাই বন্যা, ঝড় বা অতিবৃষ্টিতে উল্লিখিত দোয়াগুলো বেশি বেশি পাঠ করা উচিত।৩. গুজব ও কুসংস্কার থেকে বিরত থাকাদুর্যোগের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফ্যাক নিউজ, বিকৃত ছবি, পুরোনো ভিডিও, এ আই দিয়ে ভুয়া ভিডিও বানিয়ে নানা গুজব, ভিত্তিহীন ভবিষ্যদ্বাণী বা কুসংস্কার ছড়িয়ে পড়ে। ইসলাম এসব থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, যদি কোনো ফাসিক তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তবে তা যাচাই করে নাও। (সুরা হুজুরাত: ৬)৪. বন্যা থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় উপকরণ ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণইসলাম শুধু আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের শিক্ষা দেয় না; বরং বিপদ এড়াতে যথাসাধ্য উপায়-উপকরণ গ্রহণেরও নির্দেশ দেয়। তাই বন্যার আশঙ্কা দেখা দিলে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়া, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধ, টর্চ, লাইফ জ্যাকেট বা ভাসমান উপকরণ, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সংরক্ষণসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা সুন্নাহসম্মত ও শরিয়তসম্মত। কারণ রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: প্রথমে উটটি বেঁধে রাখ, তারপর আল্লাহর ওপর ভরসা কর। (তিরমিজি: ২৫১৭)৫.দুর্যোগে মানবসেবায় এগিয়ে আসাদুর্যোগে মানবসেবা গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের একটি দুনিয়াবি কষ্ট দূর করবে, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তার একটি কষ্ট দূর করবেন। (মুসলিম: ২৬৯৯)অতএব, ত্রাণ বিতরণ, আশ্রয় দেওয়া, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ ও পুনর্বাসনে সহযোগিতা করা শুধু মানবিক কাজ নয়; বরং ইবাদতও বটে।৬. ভবিষ্যৎ বন্যা মোকাবিলায় রাষ্ট্রের কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণশুধু তাৎক্ষণিক ত্রাণ নয়, ভবিষ্যতে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে রাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। নদী, খাল ও জলাশয় দখলমুক্ত ও নিয়মিত খনন, কার্যকর পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা গড়ে তোলা, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, পাহাড় কাটা ও অবৈধ দখল বন্ধ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্যোগ-প্রতিরোধী অবকাঠামো নির্মাণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সময়ের দাবি। মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় রাষ্ট্রের এ ধরনের উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এই প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল, এবং প্রত্যেককে তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। শাসক জনগণের অভিভাবক, আর তাকে তার জনগণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। (মুসলিম: ১৮২৯)লেখক: শরিয়াহ কনসালট্যান্ট
ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে পাকা আম খাচ্ছেন না? রসালো ও মিষ্টি এই ফলটি দেখে জিভে জল এলেও নিজেকে অনেক কষ্টে সংবরণ করছেন? আপনার জন্য রয়েছে সুখবর। আম খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার ধারণাটি ভুল এবং অতিরঞ্জিত। অন্য সব ফলের মতই পাকা ও রসালো আম খেতে পারবেন নিশ্চিন্তে। খেতে হবে একটু নিয়ম মেনে।পাকা আমে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে।দেশে এখন আমের মরসুম চলছে। পাকা আমের মো মো গন্ধে নিজেকে সামলানো দায়। চমৎকার স্বাদ, সুন্দর রঙ ও মিষ্টি সুগন্ধের জন্য পাকা আম কমবেশি সবারই পছন্দ। তবে স্থুলতার সমস্যায় যারা ভুগছেন আম খেতে তারা দশবার ভাবছেন। ‘আম খেলে ওজন বেড়ে যাবে’ - এমন একটি ধারণা সমাজে প্রচলিত।আসল সত্য ও ক্যালরির হিসাবতবে সত্যটি হলো, আম খেলে সরাসরি ওজন বাড়ে না। অন্য যেকোনো খাবারের মতো এটিও নির্ভর করছে সারাদিনের খাবারে আপনি মোট কত ক্যালরি গ্রহণ করছেন। পরিমিত পরিমাণে আম খেলে শরীরের ওজন না বাড়িয়ে তা বরং আপনার দৈনিক খাদ্যতালিকার একটি স্বাস্থ্যকর অংশ হতে পারে।পুষ্টিগুণ ও উপকারিতামাঝারি আকারের একটি আমে প্রায় ১৫০ ক্যালরি থাকে এবং এতে চর্বির পরিমাণ নেই বললেই চলে। আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, পটাশিয়াম এবং ফাইবার বা আঁশের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে। আমে থাকা আঁশ হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে।ওজন বাড়ার আসল কারণওজন তখনই বাড়ে যখন আপনি চাহিদার চেয়ে বেশি ক্যালরি গ্রহণ করেন। দৈনিক খাদ্যতালিকায় ক্যালরি না কমিয়ে যদি অতিরিক্ত আম খাওয়া হয় তবে সেই বাড়তি ক্যালরির কারণে ওজন বাড়তে পারে। শুধু আম নয়, এই নিয়ম যে কোনও খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অতিরিক্ত যে কোনও খাবারই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।আম খাওয়ার সঠিক নিয়মতাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে আম খাওয়ার পরিমাণ এবং খাওয়ার সময়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। সকালের বা বিকালের হালকা নাশতা হিসেবে একটি ছোট আম খেতে পারেন। ভারী খাবার খাওয়ার পরপরই কিংবা রাতে ঘুমানোর আগে আম খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে।মাঝারি আকারের একটি আমে প্রায় ১৫০ ক্যালরি থাকে।যা বর্জন করবেনআমাদের দেশে দুধ-ভাত দিয়ে আম খাওয়া বেশ জনপ্রিয়। এ ছাড়া চিনিযুক্ত ম্যাঙ্গো শেক, আমের আইসক্রিম বানিয়েও আমরা খাই যেগুলোতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। আম খাওয়ার এই পদ্ধতিগুলো বর্জন করতে হবে। এর পরিবর্তে টাটকা আম চিবিয়ে খেলে এর ভেতরের ফাইবারের পুরো উপকারিতা পাওয়া যায়।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
স্মার্টফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি এখন আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংকিং এবং অনলাইন পেমেন্টের প্রধান মাধ্যম। তাই ফোন হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া বড় ধরনের বিপত্তির কারণ হতে পারে। অনেক সময় আতঙ্কিত হয়ে আমরা ভুল পদক্ষেপ নিই, যা ফোন ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। ঘাবড়ে না গিয়ে সঠিক সময়ে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে ফোন উদ্ধার করা সহজ হতে পারে।ফোন চুরি হলে বা হারিয়ে গেলে প্রথমেই নিকটবর্তী থানায় বিষয়টি জানিয়ে অভিযোগ দায়ের করতে হবে। সিম ব্লক করতে হলে সংশ্লিষ্ট অপারেটদের নম্বরে ফোন করে সিমটি ব্লক করতে হবে। তাদেরকে হারানো বা চুরি হওয়া ফোনের আইএমইআই (IMEI) নম্বর, মোবাইলের মডেল, মোবাইল নম্বর এবং ফোন হারানো বা চুরির ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিতে হবে। থানায় অভিযোগ করার সময় মোবাইল সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য যেমন—আইএমইআই নম্বর, মডেল, সিম নম্বর এবং ঘটনার বর্ণনা সঠিকভাবে দিতে হবে। সঠিক তথ্যের অভাবে অনেক সময় তদন্তে দেরি হয়, তাই এগুলো আগে থেকেই হাতের কাছে রাখা জরুরি। অন্যদিকে, রাস্তায় কারো হারানো ফোন কুড়িয়ে পেলে তা নিজের কাছে না রেখে নিকটবর্তী থানায় জমা দেওয়া উচিত। কেউ যদি ফোন কুড়িয়ে পাওয়ার পরও পুলিশের কাছে জমা না দিয়ে নিজের কাছে রাখেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।ভবিষ্যতের নিরাপত্তার খাতিরে নতুন ফোন কেনার পর তার বিল এবং আইএমইআই নম্বর আলাদা করে লিখে বা সংরক্ষণ করে রাখা অত্যন্ত জরুরি। ফোন হারিয়ে গেলে এই তথ্যগুলো পুলিশের তদন্তে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে এবং পুরো আইনি প্রক্রিয়াকে অনেক বেশি সহজ করে তোলে। এই ছোট সতর্কতাগুলো আপনার হারানো প্রিয় স্মার্টফোনটি ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বাড়িয়ে দিতে পারে।