দেশে ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা) হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আরও ৭৯৬ জনের মধ্যে।শনিবার (১৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ নিয়ে দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে ৯২ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের লক্ষণে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪৮ জনে।এই সময়ে হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেছে ৮৪ হাজার ৮৯৯ জন। আর পরীক্ষায় হামের সংক্রমণ ধরা পড়েছে ১০ হাজার ২৪৮ জনের মধ্যে।
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা আগেই বলেছি বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য এবং সে জন্যই আমরা কৃষক ভাইদের পাশের দাঁড়ানোর জন্য খাল খনন কর্মসূচি যেমন শুরু করেছি। একই সাথে আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম, কৃষক ভাইদের বীজ ও কীটনাশক ওষুধ কেনার জন্য এককালীন আড়াই হাজার টাকার একটি সুবিধা দিতে চাই এবং সেটি দেব কৃষক কার্ডের মাধ্যমে, ইনশাল্লাহ। শনিবার (১৩ জুন) ঢাকা থেকে বেসরকারি বিমান ইউএস-বাংলা বিমানযোগে দুই যুগ পর কক্সবাজারে পা রাখেন প্রধানমন্ত্রী। সফরের সূচনাতেই প্রধানমন্ত্রী তার বাবা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক পাতলী খালের পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই কক্সবাজারের পিএমখালী এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে পাটলি খাল পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড হাতে নিয়ে প্রিয় নেতাকে বরণ করে শুভেচ্ছা জানান। ১৯৭৭ সালে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গ্রামীণ অর্থনীতি ও সেচ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী যে ঐতিহাসিক খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন, পিএমখালীর এই পাতলী খালটি তারই অন্যতম সাক্ষী; ১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই খাল খননের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। কক্সবাজারের এই স্থানীয় উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে আগামী ৫ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের একটি বৃহৎ জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। যার প্রথম দফায় চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ১ হাজার ২০৪ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ এগিয়ে চলছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, শুধু খাল খননই নয়, পরিবেশ রক্ষায় খালের পাড় সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদেও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।দিনভর নানা কর্মসূচি শেষে রাতে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সামাজিক, মানবিক বাজেট দেওয়ার পরেও একটি খবরে দেখলাম মানুষের ক্ষতিকারক দিকগুলোর বিষয়ে দাম বাড়ানো হয় এই বাজেটে। এই কারণে এ বাজেট বিরোধী দলের পছন্দ নয়। তাহলে এবারের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছেন? লক্ষ্য বুঝতে পেরেছেন? তাদের লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো নয়। তাদের উদ্দেশ্য একটাই, তাদের লক্ষ্য একটাই। সেটা হচ্ছে দেশের পথে অশান্তি তৈরি করা। মানুষকে বিভ্রান্ত করা।বাজেট নিয়ে বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেট দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত কোনো পণ্যের দাম বাড়েনি। বরং ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, কর বাড়ানো হয়েছে শুধু মদ ও সিগারেটের ওপর। কারণ এগুলো মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু বিরোধী দল সেটি নিয়েও সমালোচনা করছে। তাদের উদ্দেশ্য জনগণ ভালোভাবেই বুঝতে পারছে।শনিবার (১৩ জুন) কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী এলাকায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক পাতলী খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনকালে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।‘করবো কাজ, গড়ব দেশ’—এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে কৃষক, নারী, শিক্ষার্থী ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের জন্য। সরকার দেশের ২০ কোটি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।বেলা ১১টার দিকে নিজ হাতে মাটি কেটে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে দেশের জন্য কাজ করব—এমন প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম। আজ সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথেই এগিয়ে যাচ্ছি। পাতলী খাল পুনঃখনন শুধু একটি প্রকল্প নয়, এটি কৃষি, সেচ ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।
চট্টগ্রামে ডিবি পরিচয়ে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৩ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর লালখানবাজার ফ্লাইওভারের মুখে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন তিনি।জানা যায়, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলা শেষে নিজ শহর চট্টগ্রামে ফেরেন নাঈম হাসান। বিমানবন্দর থেকে সিএনজিতে করে বাসায় যাওয়ার পথে গাড়ি থেকে নামিয়ে জোরপূর্বক পুলিশের গাড়িতে উঠানো ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন তিনি। জাতীয় দলের এই অফ স্পিনারের অভিযোগ, ডিবি পরিচয়ে প্রথমে তাকে চেক করা হয়, পরবর্তীতে সাদা পোশাকে থাকা একজন ও দুই পুলিশ সদস্য তাকে মারধর শুরু করে। নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও সেই হেনস্তা থেকে রেহাই পাননি বলে অভিযোগ করেছেন নাঈম হাসান।
পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদল পর থেকে একাধিক হেভিওয়েট নেতার দলত্যাগের গুঞ্জন উঠেছিল। সম্প্রতি টলিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক রাজনীতি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার পর এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন টলিউড সুপারস্টার দীপক অধিকারী (দেব), অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সায়নী ঘোষসহ মোট ১৯ জন সংসদ সদস্য। ভারতীয় গণমাধ্যম আজকাল ডটকম ১৯ সদস্যের পদত্যাগের একটি চিঠি প্রকাশ করেছে, যা রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। তালিকায় দলটির একাধিক প্রভাবশালী নেতার পাশাপাশি ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানের নামও রয়েছে।তবে গণপদত্যাগের চিঠির তারিখ ও আইনি বৈধতা নিয়ে দলটির ভেতরে জলঘোলা হতে শুরু করেছে। তৃণমূলের বিদায়ী লোকসভার দলনেতা কাকলি ঘোষ দস্তিদার দাবি করেছেন, গত সোমবার, ৮ জুন পদত্যাগপত্রটি স্পিকারের অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে চিঠিতে নাটকীয়ভাবে আগামী ১৮ জুন তারিখের উল্লেখ রয়েছে। মূলত ১৮ জুন পর্যন্ত লোকসভায় দলনেতার দায়িত্বে ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং ১৯ জুন থেকে তাঁর স্থলাভিষিক্ত করা হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে।তারিখের গরমিল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিদায়ী দলনেতা কাকলি ঘোষ দস্তিদার সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি অফিশিয়ালি চিফ হুইপ থাকাকালীন গত ১৮ মে ১৯ জন সংসদ সদস্যের স্বাক্ষর সম্বলিত চিঠি স্পিকারের অফিসে জমা দিয়েছি।কাকলির দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছে দলটির বর্তমান শীর্ষ নেতৃত্ব। মমতা-পন্থী অংশের দাবি, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিফ হুইপ করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে স্পিকারের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছিল ২০ মে, যা গৃহীত হয় ২৯ মে। ফলে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের জমা দেওয়া চিঠির সই এবং তার আইনি বৈধতা নিয়ে স্পিকারের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব। সব মিলিয়ে তারকা সাংসদদের আকস্মিক পদত্যাগ এবং চিঠির তারিখ বিতর্কে তৃণমূল নতুন সংকটের মুখে পড়েছে।
৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ‘বড় হলেও বাস্তবায়নযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। তবে এ বিশাল বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দূরদর্শিতা, দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে সংগঠনটি।শনিবার (১৩ জুন) বাজেট পরবর্তী তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এফবিসিসিআই এ কথা জানিয়েছে। এফবিসিসিআই জানায়, বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির পথে যাত্রার জন্য এই বাজেটের আকার অবাস্তব নয়। তবে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ এই বাজেট বাস্তবায়নে সরকারকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে। এবারের বাজেটে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছে সংগঠনটি।প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার বিশাল রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যাকে সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে এফবিসিসিআই। বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) সংস্কার আনা জরুরি বলে মনে করে সংগঠনটি।বাজেট ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এক লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকার অতিরিক্ত ঋণ নিলে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।এতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে এফবিসিসিআই। সংগঠনটির মতে, স্থানীয় ব্যাংকের পরিবর্তে যতটা সম্ভব সুলভ সুদে বৈদেশিক উৎস থেকে অর্থায়নের দিকে নজর দেওয়া উচিত।বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ সহজ করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার ‘স্টিমুলাস প্যাকেজ ২০২৬’ ঘোষণাকে সাধুবাদ জানিয়েছে এফবিসিসিআই। এছাড়া শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে আগাম আয়কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশ করা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যেমন- চাল, ডাল, তেল ও মসলা আমদানিতে কর হ্রাসের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে তারা। স্টার্টআপ ও নারী উদ্যোক্তাদের জন্য কর অব্যাহতি এবং বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাবকেও স্বাগত জানানো হয়েছে।ডিজিটাল বাংলাদেশ ও দক্ষ জনশক্তি গড়ার লক্ষ্যে ল্যাপটপ, ডেস্কটপসহ কম্পিউটার সামগ্রী আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাবকে সরকারের একটি ‘অনন্য প্রয়াস’ হিসেবে অভিহিত করেছে এফবিসিসিআই। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎসাহিত করতে সৌর বিদ্যুৎ খাতে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত শূন্য শতাংশ কর হার এবং ইলেকট্রিক যানবাহন আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাবকে প্রশংসনীয় বলেছে সংগঠনটি।সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করা হলেও বর্তমান মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় এটি আরও বাড়ানো এবং সর্বোচ্চ কর হার ৩৫ শতাংশের পরিবর্তে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে এফবিসিসিআই। তবে রডসহ নির্মাণ সামগ্রীর ওপর ভ্যাট বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।
১ ঘন্টা আগে
হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ জন বাংলাদেশি হাজি। হজ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে ৫০ জন হজযাত্রী ও হাজি মারা গেছেন।শুক্রবার (১২ জুন) দিনগত রাত ৩টা পর্যন্ত ১২৩টি ফিরতি ফ্লাইটে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৩ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫০ হাজার ১০ জন দেশে ফিরেছেন।ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালে আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গত ২৬ মে সৌদি আরবে হজ অনুষ্ঠিত হয়।পোর্টালে জানানো হয়, সর্বশেষ গত ১১ জুন বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী সুলতানা রাজিয়া চৌধুরী (৬৭) মদিনায় মারা গেছেন। তার বাড়ি সিলেট সদরে।সৌদি আরবে মৃত্যুবরণ করা বাংলাদেশি হজযাত্রীদের মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ ও ১৭ জন নারী। এদের মধ্যে মক্কায় ৩৫, মদিনায় ১৪ ও জেদ্দায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।বুলেটিন অনুযায়ী, দেশে ফেরা ৫৪ হাজার ৩২৩ জন হাজির মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৩ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫০ হাজার ১০ জন রয়েছেন।এসব হাজি দেশে ফেরাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৫৮টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৪৮টি এবং ফ্লাইনাস ২১টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।হজ বুলেটিনে আরও জানানো হয়, সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানীয় হাসপাতালে মোট ৪১০ জন হাজি চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। বর্তমানে ১৮ জন হাজি বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।এবার বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করেছেন। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালন করেন। হজযাত্রীদের সৌদি আরবগামী প্রথম ফ্লাইট ছিল ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে। অন্যদিকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে ৩০ মে, যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।
বিবাহ একটি সামাজিক ও আইনি বন্ধন, যা শুধু ভরণ-পোষণ বা সংসারের দায়িত্বের ওপর নির্ভর করে না; বরং এটি টিকে থাকে দুইজন মানুষের পারস্পরিক মানসিক বোঝাপড়ার ওপর। দাম্পত্য জীবনে মানসিক শান্তি ও সুন্দর সম্পর্কের জন্য জ্যোতিষশাস্ত্র মতে বিবাহের পূর্বে যোটক বা রাশির বিচার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বিপরীতমুখী স্বভাবের মানুষের মধ্যে বনিবনা হওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। সম্পর্কের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে কোন রাশির সাথে কোন রাশির বিবাহ এড়িয়ে চলা উচিত, তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো-মেষ ও বৃষ: মেষ রাশির জাতক-জাতিকারা স্বাধীনচেতা স্বভাবের হওয়ায় বৃষ রাশির সঙ্গে তাদের মিল হওয়া কঠিন।বৃষ ও ধনু: বৃষ রাশির মানুষরা লক্ষ্যে স্থির ও সৎ থাকেন, অন্যদিকে ধনু রাশি তাদের থেকে ভিন্ন প্রকৃতির হওয়ায় এই জুটি অযোগ্য বলে বিবেচিত।মিথুন ও মকর: এই দুটি রাশির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী, তাই এদের সম্পর্ক খুব একটা সুখকর হয় না।কর্কট ও কুম্ভ: কর্কট রাশি অত্যন্ত আবেগপ্রবণ, কিন্তু কুম্ভ রাশির ব্যক্তিদের মধ্যে আবেগের আধিক্য কম থাকে, যা মানসিক দূরত্বের কারণ হতে পারে।সিংহ ও বৃশ্চিক: সিংহ রাশির জাতকরা মানসিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী ও স্বাধীনচেতা, তারা অন্যের বশ্যতা স্বীকার করতে চান না, তাই বৃশ্চিক রাশির সাথে তাদের বিবাদ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।কন্যা ও ধনু: কন্যা রাশির মানুষের পরোপকারী স্বভাবের সাথে ধনু রাশির প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতার বড় ধরনের অমিল দেখা যায়।তুলা ও কন্যা: তুলা রাশির মানুষ নিজের চিন্তা-ভাবনায় বেশি মশগুল থাকেন, যা কন্যা রাশির সেবাধর্মী মানসিকতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।বৃশ্চিক ও মেষ: বৃশ্চিক রাশির মানুষরা নরম মনের জীবনসঙ্গী পছন্দ করেন, যা মেষ রাশির ক্ষেত্রে সাধারণত দেখা যায় না।ধনু ও বৃষ: ধনু রাশির ব্যক্তিরা নিজের কাজে ব্যস্ত থাকেন, আর বৃষ রাশি নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এই জুটির মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব ঘটে।মকর ও মিথুন: জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, মকর রাশির জন্য মিথুন রাশিকে সবচেয়ে খারাপ ম্যাচ হিসেবে গণ্য করা হয়।কুম্ভ ও কর্কট: কুম্ভ রাশির ব্যক্তিরা অনেক বিষয়ে যত্নশীল হলেও কর্কট রাশির সাথে তাদের মানসিক মেলবন্ধন খুব একটা শুভ হয় না।মীন ও কন্যা: এই দুই রাশির পারস্পরিক স্বভাবের পার্থক্যের কারণে তাদের বিবাহিত জীবন সুখী হওয়া প্রায় অসম্ভব।উপযুক্ত রাশির সঠিক বিচার এবং একে অপরের মানসিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করলে দাম্পত্য জীবন অনেক বেশি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।