স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্তির পর আমরা যদি বলি জুলাই কার, জুলাই কার? জুলাই আমাদের কারোই থাকবে না—রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ঐতিহাসিক জুলাই অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।বেঁচে থাকার কথা ছিল না উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর জঘন্যতম ও ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড এবং জঘন্যতম স্বৈরাচারকে আমরা দেখেছি। যদি আমরা আয়না ঘরে যাই, যেখানে আমার ৬১ দিনের অভিজ্ঞতা আছে। সেখানে একটা জানোয়ার ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারে না, আমরা সেখানে থেকেছি। আমার ভাই মীর কাসেম, তার ছেলে ব্যারিস্টার আরমান এখনো ট্রমাটাইজড। ওর বাবার বন্ধু ছিলাম, একসঙ্গে জেল খেটেছি...আমি বললাম, ভাই কেন ফেরত আসলেন?তিনি বললেন, আমি যদি না আসি আমার ছেলেটাকে ধরে নিয়ে যাবে। ফাঁসি তো তার হলো, কিন্তু ছেলেকেও তো ধরে নিয়ে গেল। আমি একটা জীবন্ত ইতিহাস...বাবা এ জন্য ফিরে এসেছিলেন তার সন্তানকে রক্ষা করবেন, কিন্তু সন্তানকে রক্ষা করতে পারেননি।তিনি আরও বলেন, সে রকম একটা স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্তির পরে আমরা যদি বলি জুলাই কার? জুলাই কার? তাহলে জুলাই আমাদের কারোই থাকবে না। এই অবস্থা থেকে আমাদের মুক্তি পেতে হবে। পৃথিবীতে অনেক জাতি আছে, স্বাধীনতার জন্য শতবর্ষ সংগ্রাম করে। কোনোদিন স্বাধীনতা পায় না। শতাব্দীর পর শতাব্দী চলে যায়। মহামতি লেলিন বলেছিলেন, ‘দেয়ার আর ডিকেডস, নাথিং হ্যাপেনস দেয়ার। বাট দেয়ার আর ডেইস অ্যান্ড উইকস ডিকেডস হ্যাপেনস দেয়ার। আমরা সেই শতাব্দীকে নিয়ে এসেছি। নিউটনের কোনো আপেল নয় আন্দোলন-বিপ্লব-গণঅভ্যুত্থান...সেই আপেলকে পেড়ে নিতে হয়েছে। পাকাতে হয়েছে। আমরা সেই আপেলকে নিয়ে এসেছি। দলীয়করণ করা যাবে না কোথাও।গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের জের ধরে সালাহউদ্দিন বলেন, আসুন, একসাথে বসি। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আপনাদের আহ্বান জানিয়েছি, আপনারা এখনো নাম দেন নাই। গতকালকে প্রথম বৈঠক করেছি। জুলাই জাতীয় সনদের প্রত্যেকটা অক্ষর বাস্তবায়ন করা হবে, আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণরায় বাস্তবায়ন কি সংস্কার পরিষদে গেলে হবে, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে গেলে হবে না? আমি একবার বলেছিলাম, তাল ধপ করিয়া পড়িল, না পড়িয়া ধপ করিল—এক কথাই। কিন্তু সাংবিধানিক প্রক্রিয়া হচ্ছে সংস্কার করা।তিনি বলেন, মাঠের রাজনীতি করতে পারবেন, সংস্কার কমিশন করবেন বা জাতীয় সংস্কার পরিষদ করবেন, সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ করবেন, এগুলো সবই ওয়ার্ডিং। বাস্তবতায় যেটা আসতে হবে, সংস্কার। সেটা গ্রহণ করতে হবে সংসদে।সালাহউদ্দিন বলেন, যখন কোনো আন্দোলন তার নিয়মতান্ত্রিক-গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হতে দেওয়া হয় না, তখনই অপরিহার্য হয়ে যায় সহিংস রক্তাক্ত আন্দোলন। সেটাই হয়েছে বাংলাদেশে। ২০০৯ থেকে ২০২৪ এর সেই সোপানগুলো বাদ দিলে জুলাইয়ের ৩৬ দিনে কি নিউটনের আপেল টপকিয়ে পড়েছে? না। বন্ধুদের বুঝতে বলব, যারা জুলাই চেতনার ওপর নির্ভর করে রাজনীতি করছে, সেই রাজনীতি করা যাবে না। একাত্তরের চেতনাকে বিক্রি করতে করতে শেখ হাসিনা দিল্লিতে গিয়ে বসে আছে। আমি অনেকবার বক্তব্য দিয়েছি, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়, দাফন হয়েছে দিল্লিতে। তারা এই চেতনা বিক্রি করতে করতে বাংলাদেশকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বললে মানুষ ঘৃণা করতো। আমরা যেন জুলাইয়ের এই চেতনাকে কোনোদিন অসম্মান না করতে হয় সেই রকম রাজনীতি করি। জুলাই আমাদের সবার, বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের সবার। আমরা কেউ কেউ হয়তো নেতৃত্ব দিয়েছি, যারা শহীদ হয়েছেন, তারাই আসল জুলাই যোদ্ধা, আসল নেতা।এই বিএনপি নেতা আরও বলেন, তাদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করাই হবে আমাদের জন্য ফরজ। অথচ জুলাইয়ের কৃতিত্ব নেওয়ার জন্য, (জুলাই নিয়ে) রাজনীতি করার জন্য সবাই প্রতিযোগিতায় নেমেছে। আমরা প্রতিযোগিতা করছি জুলাই বাস্তবায়নের জন্য।
জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণে এই অনুষ্ঠানে যা দেখলাম, তা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ।বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত একটি প্রামাণ্যচিত্রের প্রসঙ্গ তুলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, যে প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়েছে, তাতে কিছু অসঙ্গতি ছিল। এ জন্য দুঃখ প্রকাশও করা হয়েছে। তারপরও বিষয়টি নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা কাম্য নয়।আওয়ামী লীগের নেতাদের দেশে ফেরার বক্তব্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা নাকি ডিসেম্বরে দেশে আসবে। আসুক, রাজপথে দেখা হবে।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণের জন্য গণতন্ত্রকে চিরস্থায়ী করে যাব।রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বক্তাদের বাধা দেওয়ার প্রবণতার সমালোচনা করে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, কেউ বক্তব্য দিতে গেলে ‘ভুয়া, ভুয়া’ বলা কেমন সংস্কৃতি? রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে এসব মানায় না। আমরা কবে শিখব? আমরা সবাইকে সম্মান করতে চাই।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা’ শিরোনামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ ছিলেন প্রধান অতিথি।অনুষ্ঠানে প্রচারিত একটি তথ্যচিত্র বা ডকুমেন্টারিতে জুলাই আন্দোলনের ধারাবাহিকতা সঠিকভাবে তুলে না ধরার অভিযোগ তোলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। তা নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা হয় এবং এনসিপি নেতারা অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। হট্টগোলের একপর্যায়ে কূটনীতিদেরও বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে।অনুষ্ঠানে হট্টগোলের কয়েকটি ভিডিও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তথ্যচিত্রে ১ দফা ঘোষণা, ৯ দফা–সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের কেউ কেউ প্রতিবাদ জানাতে থাকেন।এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক মাহিন সরকার অনুষ্ঠানে ছিলেন। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, তথ্যচিত্রে ১ দফার ঘোষক বানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। যে নাহিদ ইসলাম (এনসিপির আহ্বায়ক) নিজের মৃত্যু পরোয়ানায় সই করেন ১ দফার ঘোষণা দিলেন, তিনি বিএনপির ইতিহাসে নেই। যে আসিফ মাহমুদ (এনসিপির মুখপাত্র) মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ ঘোষণা করলেন তিনি ইতিহাসে নেই।মাহিন সরকার আরও লিখেছেন, অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত তথ্যচিত্রের প্রতিবাদ করার কারণে প্রধানমন্ত্রীর বাহিনী তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। রাষ্ট্রপতির সামনে তার ওপর হামলা করা হয়েছে।এদিকে ভিডিওতে দেখা যায়, হট্টগোলের মধ্যে মঞ্চ থেকে অনুষ্ঠানের উপস্থাপক সবাইকে শান্ত হওয়ার জন্য বারবার আহ্বান জানান। তবে হট্টগোল চলছিল।এ পর্যায়ে অনুষ্ঠানের মঞ্চে ওঠেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। তিনি বলেন, আমি সকলকে শান্ত হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।’ একই সঙ্গে তথ্যচিত্রে কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধনের কথাও বলেন তিনি।অবশ্য তখনো দর্শকসারি থেকে ‘আমাদের নিয়ে তালবাহানা করা চলবে না’সহ নানা স্লোগান দেওয়া হয়। মন্ত্রীকেও দেখা যায় বারবার অনুরোধ করতে।এরপরও অনুষ্ঠানে শৃঙ্খলা না আসায় মাইকের সামনে আসেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তিনি অনেকটা ধমকের সুরে বলেন,আপনারা কী নিজেদের জাহির করার জন্য আসছেন?যারা স্লোগান দিচ্ছিলেন, তাদের উদ্দেশে ইশরাক হোসেন আরও বলেন, কী করছেন আপনারা? আপনারা শহীদ পরিবারদের জন্য কী করেছেন? কিছুই করেন নাই আপনারা।এরপর আহমেদ আযম খান ইশরাক হোসেনকে শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং একই সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মাইকের সামনে আসেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনাদের মধ্য থেকে যাঁরা বক্তব্য দিতে চান, দয়া করে আপনারা এখানে এসে কথা বলুন।...আপনাদের বক্তব্য...আপনারা বলুন; আমরা শুনব। কিন্তু শান্তশিষ্টভাবে বসুন দয়া করে।কথা বলার মাঝে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনকে কয়েক বার ডাকেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।কিছুক্ষণ পরে মঞ্চে আসেন আখতার হোসেন। তিনি বলেন, আমি জুলাই যোদ্ধাদের একজন হয়ে এবং আমার দলের একজন প্রতিনিধি হিসেবে এই প্রোগামের সফলতা কামনা করি; কিন্তু আমার ব্যক্তিগত পক্ষে এবং আমার যে সহযোদ্ধারা আছেন, তাঁদের জন্য একটি সুন্দরের আকাঙ্ক্ষায় আমার পক্ষে এই প্রোগামে অবস্থান করা সম্ভবপর নয়।আখতার আরও বলেন, আমি আজকের এই অনুষ্ঠানের মাননীয় রাষ্ট্রপতি, তাকে আমি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি। তিনি বাংলাদেশের পক্ষে যেভাবে অবস্থান নিয়েছেন, সেটাকে আমরা ধারণ করি। তিনি একই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা, একই সঙ্গে জুলাই যোদ্ধা, তার প্রতি সম্মান ব্যক্ত করছি। সেই সম্মান রেখে আমি নীরবে এখান থেকে প্রস্থান করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলাম।মঞ্চ ছাড়ার আগে এনসিপির সদস্যসচিব বলেন, রাষ্ট্রীয় একটা প্রোগ্রামেও আমরা ইতিহাসের সবকিছুকে আমরা ধারণ করতে ব্যর্থ হলাম। আপনারা খেয়াল করে দেখবেন, এই বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে যেমন একপেশেভাবে আওয়ামী লীগ দখল করেছিল; ঠিক একই ধরনের একটা পরিস্থিতি এখানে তৈরি হয়েছে।আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্যচিত্রে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ৯ দফার কথা উল্লেখ করা হয়নি। ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট শহীদ মিনারে যে এক দফার ঘোষণা দেওয়া হলো, সে বিষয়টাও নেই।অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ভুলত্রুটি মানুষের হতেই পারে। সবাই মিলে সেসব ভুল সংশোধন করতে হবে। তবে জাতীয় অনুষ্ঠানে বিদেশিদের সামনে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে তিনি গভীরভাবে ব্যথিত ও মর্মাহত হয়েছেন।এ প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এইভাবে যে বিদেশের সামনে, বিদেশি অতিথিদের সামনে যে নাস্তানাবুদ হলাম, এটি আমাকে খুবই ব্যথিত করেছে। এবং এই ঘটনায় সবচেয়ে খুশি হবে যিনি পাশের দেশে বসে আছেন, তাঁর জন্য অত্যন্ত আনন্দের একটি দিন।অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত তথ্যচিত্রে ভুলের সমালোচনা করে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, সেখানে শহীদ আবু সাঈদের ছবি ছিল না। অথচ আবু সাঈদ জুলাই বিপ্লবের প্রতিচ্ছবি ও প্রতীক। তাঁর ছবি ছাড়া ওই আন্দোলনের কোনো তথ্যচিত্র পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না।বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছবিও তথ্যচিত্রে ছিল না বলে উল্লেখ করেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি।এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নিজের বক্তব্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে দলীয়করণ করা যাবে না’ বলে উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, আমরা যদি বলি জুলাই কার? জুলাই কার? তাহলে জুলাই আমাদের কারোই থাকবে না। এই অবস্থা থেকে আমাদের মুক্তি পেতে হবে।
মরক্কোর তারকা ফুটবলার ইয়াসিন বোনোর সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে অবশেষে জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটালেন বলিউড তারকা নোরা ফাতেহি। বেশ কয়েক মাস ধরে ফুটবল ভক্ত ও অনুরাগীদের মধ্যে তাদের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ডালপালা মেললেও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নোরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বোনো তার কেবলই এক ‘খুব ভালো বন্ধু’। মরক্কোর বিশ্বখ্যাত এই গোলকিপারের ভূয়সী প্রশংসা করার পাশাপাশি তাদের মধ্যকার সুসম্পর্কের বিষয়টিও তিনি খোলামেলাভাবে প্রকাশ করেন।সম্প্রতি ‘দ্য ক্রিস ফেইড শো’-তে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হলে নোরা ফাতেহির কাছে মরক্কোর এই তারকা গোলকিপারের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়। নোরার কাছে বোনোর কথা জানতে চাওয়া হলে তিনি হেসে জবাব দেন, ‘হ্যাঁ, ও আমার বন্ধু।’ এরপর বোনোর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে নোরা বলেন, ‘সে অত্যন্ত চমৎকার একজন মানুষ এবং বিশ্বের সেরা গোলকিপার।’ একই সঙ্গে তাদের সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে পুনরায় জোর দিয়ে নোরা যোগ করেন যে, তারা আসলে ‘খুবই ভালো বন্ধু’।সাক্ষাৎকার চলাকালে নোরাকে বোনো সম্পর্কে কথা বলার সময় কিছুটা লাজুক ভঙ্গিতে হাসতে দেখা যায়, যা শোর সঞ্চালক ও দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। অনুষ্ঠানের অন্যতম সহ-সঞ্চালক মন্তব্য করে বসেন যে, তাদের দুজনকে একসঙ্গে ‘চমৎকার একটি জুটি’ মনে হবে, যা শুনে নোরা আরও বেশি লজ্জিত ও বিব্রত বোধ করেন। নোরা আরও প্রকাশ করেন যে, তিনি বোনোকে দীর্ঘদিন ধরে চিনলেও মাত্র কয়েক মাস আগে তাদের মধ্যে পুনরায় যোগাযোগের সূত্রপাত ঘটে।উল্লেখ্য, নোরা ও বোনোকে ঘিরে প্রেমের এই গুঞ্জন বেশ কয়েক মাস ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিনোদনজগতে ঘুরপাক খাচ্ছে। মরক্কোর কাসাব্লাংকার আইন দিয়াব এলাকায় তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে এমন কিছু খবরের পর এই গুঞ্জন আরও জোরালো রূপ নেয়। তবে প্রতিনিয়ত জল্পনা-কল্পনা চললেও নোরা ফাতেহি বা ইয়াসিন বোনো—কারও পক্ষ থেকেই প্রেমের কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি এতদিন আসেনি।আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ‘বোনো’ নামে পরিচিত ইয়াসিন বোনো মরক্কোর অন্যতম জনপ্রিয় ও সফল ফুটবলার। বর্তমানে সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল হিলাল এবং মরক্কো জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান গোলকিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। পেনাল্টি ঠেকানোর অসাধারণ দক্ষতার জন্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত এই ফুটবলার সদ্য সমাপ্ত ফিফা বিশ্বকাপে মরক্কোর হয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।অন্যদিকে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মরক্কোর স্থানীয় গণমাধ্যমে বোনোর ব্যক্তিগত জীবন ও বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে রটনা ছড়িয়ে পড়ে। তার স্ত্রী ইমানে খাল্লাদের সঙ্গে তার দূরত্ব ও বিচ্ছেদের বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশিত হলেও সেসব গুজবের বিষয়ে বোনো বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই দম্পতির ইশাক নামে চার বছর বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।সূত্র: এনডিটিভি
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আজ (৫ আগস্ট) রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুটি বড় উন্মুক্ত কনসার্ট। জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি, গণতন্ত্র, ঐক্য ও প্রতিবাদের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এই আয়োজন করা হয়েছে। দুটি কনসার্টই সবার জন্য উন্মুক্ত।জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে ‘বর্ষা বিপ্লবের গান’। এই আয়োজন করেছে মুনসুন কালচারাল অ্যালায়েন্স।এ অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করবে আর্টসেল, শিরোনামহীন, আর্ক, অ্যাভয়েড রাফা, কুঁড়েঘর ও নাহিদ অ্যান্ড মিউজিশিয়ান। একক শিল্পী হিসেবে মঞ্চে থাকবেন আসিফ আকবর, সেজান, পারশা মাহজাবীন এবং কাজী আহনাফ তাহমীদ।অন্যদিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে ‘গণতন্ত্রের জন্য গান’ শীর্ষক আয়োজন। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির তত্ত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ডস অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় এ আয়োজন করা হয়েছে।এই অনুষ্ঠানে গান শোনাবে মাইলস, ওয়ারফেজ, ডিফরেন্ট টাচ, লালন, হাইওয়ে, এসেইস এবং রে রে। বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে অনুষ্ঠান। দর্শকদের জন্য প্রবেশদ্বার খুলে দেওয়া হবে দুপুর ১টায়।আয়োজকদের ভাষ্য, জুলাই আন্দোলনের চেতনা, আত্মত্যাগ ও ঐক্যের বার্তা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এবং গানের মাধ্যমে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার চেতনা ছড়িয়ে দিতেই এই দুটি আয়োজন করা হয়েছে।অনুষ্ঠান দুটি ঘিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
'জুলাই গণঅভ্যুত্থান' দিবস উপলক্ষে আজ (৫ আগস্ট) হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। তবে এই সময়ে আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের মাধ্যমে পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল করছে।হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমান জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে সরকার ছুটি ঘোষণা করায় দুই দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে আজ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আগামীকাল থেকে আবারও পণ্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হবে।এদিকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া জানান, বন্দরে আমদানি- রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ব্যবহার করে বৈধ ভিসা নিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীরা বাংলাদেশ ও ভারতে যাতায়াত করছেন। সপ্তাহের সাতদিনই পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকে।
১১ ঘন্টা আগে
ইসলামে বৈধ দাম্পত্যজীবনকে মানবজীবনের পবিত্র ও স্বাভাবিক ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। কোরআন ও হাদিসে বিবাহবহির্ভূত যৌনসম্পর্ক, ব্যভিচার, পরকীয়া এবং অন্যান্য অবৈধ যৌনাচার থেকে বিরত থাকার কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয়ই এটি অশ্লীল কাজ এবং অত্যন্ত নিকৃষ্ট পথ। (সুরা বনি ইসরাইল: ৩২)তাফসিরবিদ ইমাম কুরতুবি (রহ.) এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন,ব্যভিচার করো না বলার পরিবর্তে ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না বলা হয়েছে, যাতে এ অপরাধের দিকে নিয়ে যায় এমন সব পথ থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ বোঝানো হয়েছে।এছাড়া আল্লাহ তাআলা বলেন, তিনি তোমাদের চোখের চুরি এবং অন্তরের গোপন বিষয়ও জানেন।(সুরা মুমিন: ১৯)কোরআনে অবিবাহিত ব্যভিচারী নারী ও পুরুষের জন্য নির্ধারিত শাস্তির কথা উল্লেখ রয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ব্যভিচারিণী নারী ও ব্যভিচারী পুরুষ তাদের প্রত্যেককে একশ বেত্রাঘাত করো (সুরা নূর: ২)ইসলামী ফিকহ অনুযায়ী, বিবাহিত ব্যক্তির ব্যভিচারের শাস্তি সম্পর্কে হাদিসের আলোকে বিভিন্ন মাজহাবে বিস্তারিত বিধান বর্ণিত হয়েছে এবং তা ইসলামী বিচারব্যবস্থার আওতায় প্রয়োগযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।কোরআনে হজরত লুত (আ.) এর সম্প্রদায়ের ঘটনা বর্ণনা করে সমলিঙ্গের যৌনাচারকে নিন্দা করা হয়েছে। (সুরা আরাফ: ৮০–৮৪)এ বিষয়ে বিভিন্ন হাদিসও বর্ণিত হয়েছে। তবে এসব হাদিসের প্রয়োগ, শাস্তির ধরন এবং প্রমাণের মানদণ্ড নিয়ে ইসলামী ফিকহবিদদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। প্রচলিত ইসলামী আইন অনুযায়ী, এসব বিষয়ে বিচারিক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা বলা হয়েছে; ব্যক্তিগতভাবে শাস্তি কার্যকর করার কোনো সুযোগ নেই।পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, আর যারা নিজেদের লজ্জাস্থান হেফাজত করে, তবে নিজেদের স্ত্রীদের ক্ষেত্রে ব্যতীত... যারা এর বাইরে কামনা করে, তারাই সীমালঙ্ঘনকারী। (সুরা মুমিনুন: ৫-৭)ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, এ আয়াত বৈধ দাম্পত্য সম্পর্কের বাইরে যৌনাচার থেকে বিরত থাকার শিক্ষা দেয়।পরকীয়াকে ইসলাম গুরুতর পাপ হিসেবে গণ্য করে। কোরআনে বলা হয়েছে, অপবিত্র নারীরা অপবিত্র পুরুষদের জন্য এবং অপবিত্র পুরুষরা অপবিত্র নারীদের জন্য। আর পবিত্র নারীরা পবিত্র পুরুষদের জন্য এবং পবিত্র পুরুষরা পবিত্র নারীদের জন্য।(সুরা নূর: ২৬)হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোনো পুরুষ যখন কোনো নারীর সঙ্গে নির্জনে থাকে, তখন তাদের তৃতীয়জন হয় শয়তান।(তিরমিজি)ইসলামী শিক্ষায় পর্দা পালন এবং অপ্রয়োজনীয় নির্জন অবস্থান এড়িয়ে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। হাদিসে ‘মুখান্নাস’ নামে পরিচিত কিছু ব্যক্তির প্রসঙ্গ এসেছে। আবু দাউদে বর্ণিত একটি হাদিসে রয়েছে, এমন একজনকে রাসুলুল্লাহ (সা.) মদিনার বাইরে নির্বাসনের নির্দেশ দেন। একই বর্ণনায় যখন তাকে হত্যা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়, তখন তিনি বলেন, যারা নামাজ পড়ে, তাদের হত্যা করতে আমাকে নিষেধ করা হয়েছে। (আবু দাউদ, হাদিস: ৪৯২৮)ইসলামে বৈধ বিবাহের মাধ্যমে যৌনজীবন পরিচালনাকে উৎসাহিত করা হয়েছে এবং ব্যভিচার, পরকীয়া ও অন্যান্য অবৈধ যৌনাচার থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে কোরআন ও হাদিসে নৈতিক শিক্ষা, সতর্কবার্তা এবং ইসলামী বিচারব্যবস্থার আওতায় প্রযোজ্য বিধান উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি ইসলামী আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্য রাষ্ট্রীয় বা বিচারিক কর্তৃপক্ষের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
বর্ষাকালে আর্দ্রতা এবং জমে থাকা ঘাম আমাদের ত্বকের নানাভাবে ক্ষতি করে। এই কারণেই বর্ষাকালে ছত্রাক সংক্রমণ, ব্রণ এবং ঘামাচির মতো সমস্যা অত্যন্ত সাধারণ। এই আবহাওয়া ত্বকের সুরক্ষা স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার জন্যও উপযুক্ত। সহজ কথায়, এসময় আমাদের ত্বকের সবচেয়ে বাইরের স্তরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা বিভিন্ন ত্বকের সমস্যার কারণ হতে পারে। বর্ষাকালে কীভাবে আমাদের ত্বককে রক্ষা করতে পারি? চলুন জেনে নেওয়া যাক-১. মৃদু ক্লিনজার ব্যবহার করুনএকটি সুস্থ ত্বকের সুরক্ষা স্তর বজায় রাখার ভিত্তি হলো মৃদু ত্বকের যত্ন। একটি হালকা, সাবান-মুক্ত, পিএইচ-ভারসাম্যযুক্ত ক্লিনজার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করুন যা প্রয়োজনীয় সুরক্ষা লিপিড নষ্ট না করে ঘাম, সিবাম এবং দূষণকারী পদার্থ দূর করে।২. ক্ষতিকর উপাদান এড়িয়ে চলুনঅতিরিক্ত ধোয়াধুয়ি, কড়া সাবান, এক্সফোলিয়েটিং স্ক্রাব এবং খুব গরম পানি এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো সবই ত্বকের উপরিভাগ থেকে জলীয় বাষ্পের ক্ষতি বাড়ায় এবং ত্বকের সুরক্ষা প্রাচীরের কার্যকারিতা নষ্ট করে।৩. মৃদু ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুনসেরামাইড, গ্লিসারিন, হায়ালুরোনিক অ্যাসিড বা নিয়াসিনামাইডযুক্ত হালকা, সুগন্ধমুক্ত, নন-কমেডোজেনিক ময়েশ্চারাইজার ত্বকের উপরিভাগের লিপিড পুনরায় পূরণ করতে, আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে এবং সুরক্ষা প্রাচীরের মেরামত উন্নত করতে সাহায্য করে।৪. সানস্ক্রিন ব্যবহার করা এড়িয়ে যাবেন নাডার্মাটোলজি ক্লিনিকগুলোতে প্রায়ই দেখা যায় এমন একটি সাধারণ ভুল হলো বর্ষাকালে সানস্ক্রিন ব্যবহার না করা। অতিবেগুনি রশ্মি সহজেই মেঘের আস্তরণ ভেদ করে এবং পিগমেন্টেশন, ফটোএজিং এবং বিভিন্ন চর্মরোগের তীব্রতা বাড়াতে পারে। প্রতিদিন একটি ব্রড-স্পেকট্রাম এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়।৫. ভেজা পোশাক এড়িয়ে চলুনশরীরের ভাঁজগুলো শুকনো রাখুন, ভেজা পোশাক দ্রুত পরিবর্তন করুন, বাতাস চলাচল করে এমন কাপড় পরুন এবং স্টেরয়েডযুক্ত কম্বিনেশন ক্রিম দিয়ে নিজে নিজে চিকিৎসা করা এড়িয়ে চলুন।যদি লালচে ভাব, চুলকানি, চামড়া ওঠা বা বারবার ফুসকুড়ি হওয়া চলতেই থাকে, তাহলে দ্রুত একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। সুস্থ ত্বকের ভিত্তি হলো একটি সুস্থ সুরক্ষা স্তর। এটি রক্ষা করুন। তাতে আপনার ত্বক পুরো বর্ষাকাল জুড়ে সতেজ থাকবে।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
৩৬ জুলাই স্মারক উপলক্ষে সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটক গ্রাহকদের জন্য নিয়ে এল দুর্দান্ত এক অফার। এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে মাত্র ৩৬ টাকার বিনিময়ে মিলছে আকর্ষণীয় টকটাইম ও ইন্টারনেট বান্ডেল। পাশাপাশি মাত্র ৩৬ টাকায় জেন-জি (Gen-Z) সিম সংগ্রহ করার বিশেষ সুযোগও দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।৩৬ জুলাই উপলক্ষে টেলিটক যে অফারটি ঘোষণা করেছে, তাতে মাত্র ৩৬ টাকা রিচার্জ করলেই বা ১১১৫# ডায়াল করলেই গ্রাহকরা পাবেন ৩৬ মিনিট টকটাইম এবং ৩.৬ জিবি ইন্টারনেট। অফারটির মেয়াদ রাখা হয়েছে ৭ দিন। টেলিটকের সকল প্যাকেজের গ্রাহকগণই এই অফারটি উপভোগ করতে পারবেন।পাশাপাশি, এই ক্যাম্পেইনের আওতায় মাত্র ৩৬ টাকায় জেন-জি সিম সংগ্রহ করার সুযোগ রয়েছে, যার পূর্বমূল্য ছিল ১৫০ টাকা। তবে এই জেন-জি সিমের অফারটি শুধুমাত্র কাস্টমার কেয়ার এবং নির্দিষ্ট পয়েন্টগুলোতেই পাওয়া যাবে এবং এই সিম ক্যাম্পেইনের অফারটির মেয়াদও থাকবে ৭ দিন পর্যন্ত। সাশ্রয়ী এই সংযোগ ও অফার গ্রহণের মাধ্যমে গ্রাহকদের টেলিটকের সঙ্গে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।