সিলেটে সুরমা নদীর পাড়ে সৌন্দর্য বর্ধনসহ বন্যা প্রতিরোধী অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প উদ্বোধনের পর সুধী সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় চাঁদনী ঘাট এলাকায় এ সমাবেশ শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর, শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরি, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরি উপস্থিত আছেন। প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানও এ অনুষ্ঠানে রয়েছেন। এর আগে বেলা ১০টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইট সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এরপর তিনি হজরত শাহ জালাল (রে.) মাজার জিয়ারত করেন। সুধী সমাবেশের পর সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নে বাইশা নদী পুনঃখনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর প্রধানমন্ত্রী সার্কিট হাউজে জোহরের নামাজ আদায় ও মধ্যাহ্নভোজ শেষে বিকাল ৩টায় সিলেট স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর উদ্বোধন করবেন সরকারপ্রধান। জেলা পর্যায় থেকে শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে এটি একটি নতুন কর্মসূচি, যা বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ছিল। বিকাল ৫টায় প্রধানমন্ত্রী শহরের শিল্পকলা একাডেমিতে দলীয় জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা-এ সিলেট থেকেই শুরু করেছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২১ জানুয়ারি সেখানকার আলিয়া মাদ্রাসায় জনসভার মাধ্যমে এ কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শনিবারই প্রথম সিলেট সফর করছেন তারেক রহমান।
বাংলাদেশের পর্বতারোহী বাবর আলি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের পঞ্চম উচ্চতম শৃঙ্গ, মাউন্ট মাকালু (৮,৪৮৫ মিটার) জয় করে নতুন ইতিহাস গড়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি আট হাজার মিটারের বেশি উচ্চতার পাঁচটি পর্বতশৃঙ্গ জয়ের বিরল কৃতিত্ব অর্জন করলেন। শনিবার (২ মে) বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে নেপালের মহালাঙ্গুর হিমালয়ে অবস্থিত এই পর্বতের চূড়ায় পৌঁছান তিনি। অভিযানের নাম ছিল “এক্সপিডিশন মাকালু: দ্য ফিফথ ফ্রন্টিয়ার”, যার আয়োজন করে চট্টগ্রামের পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স। অভিযান দলের ব্যবস্থাপক ফরহান জামান জানান, বাবর আলির সঙ্গে শীর্ষে পৌঁছান শেরপা আং কামি। নেপালের আউটফিটার মাকালু অ্যাডভেনচারের সহযোগিতায় এই অভিযান সম্পন্ন হয়। গত ৭ এপ্রিল দেশ ছাড়েন বাবর আলি। এরপর প্রস্তুতি শেষে ১৮ এপ্রিল তিনি বেসক্যাম্পে পৌঁছান। উচ্চতার সাথে মানিয়ে নিতে ক্যাম্প-১ ও ক্যাম্প-২ এ ওঠানামা করেন, এবং পরবর্তীতে ৭,৪০০ মিটার উচ্চতার ক্যাম্প-৩ পর্যন্ত পৌঁছে যান। শেষ পর্যন্ত ১,১০০ মিটারের বেশি কঠিন আরোহণ শেষে শীর্ষে পৌঁছান তিনি। বাবর আলির পর্বতারোহণ ক্যারিয়ারে এটি আরেকটি বড়ো অর্জন। তিনি এর আগে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট, চতুর্থ উচ্চতম মাউন্ট লোৎসে, দশম উচ্চতম অন্নপূর্ণা I এবং অষ্টম উচ্চতম মাউন্ট মানাসলু জয় করেছেন২০২২ সালে তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে দুর্গম টেকনিক্যাল শৃঙ্গ আমা দাবলাম জয় করেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে তিনি এভারেস্ট ও লোৎসে একই অভিযানে আরোহণ করেন, যা বাংলাদেশি পর্বতারোহণ ইতিহাসে প্রথম ঘটনা। ২০২৫ সালে অন্নপূর্ণা এবং অক্সিজেন ছাড়াই মানাসলু জয় করে তিনি আরও বড়ো সাফল্য অর্জন করেন। সর্বশেষ, মাকালু জয়ের মাধ্যমে আট হাজার মিটারের ওপরে ১৪টি শৃঙ্গের মধ্যে পাঁচটির শিখরে পৌঁছানোর পথে আরও এক ধাপ এগোলেন এই বাংলাদেশি পর্বতারোহী। ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স জানায়, আবহাওয়া অনুকূল হলে তিনি দ্রুত ক্যাম্প-২ হয়ে বেসক্যাম্পে ফিরে আসবেন। বাবর আলি ২০১৪ সাল থেকে নিয়মিত পর্বতারোহণে যুক্ত আছেন এবং বর্তমানে তিনি ভার্টিক্যাল ড্রিমসের সাধারণ সম্পাদক।
ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ঢাকা-সিলেট রেলপথে ডাবল লাইন চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (২ মে) দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নগর ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে তিনি এ কথা জানান। সিলেট নগরীর উন্নয়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুরমা নদীর পাড়ে আজ যে প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো, এটি বাস্তবায়িত হলে সিলেটে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না বলে আমি বিশ্বাস করি। নগরবাসীকে বন্যা ও জলজট থেকে মুক্তি দিতে এই প্রকল্প কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সিলেটের সার্বিক উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কসহ এ অঞ্চলের সড়ক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ঢাকা-সিলেট রেলপথে ডাবল লাইন চালু করা হবে। এছাড়া সিলেটের কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় খাল খনন কর্মসূচি এবং সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে সরকার কাজ করছে।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেটে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে বল মাঠে না গড়াতেই বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়ে যায়। ফলে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য সিরিজ নিশ্চিতের মিশন। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড সিরিজ বাঁচানোর লক্ষ্যে নামবে। যদিও দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির মতো শেষ ম্যাচটিও বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। মিরপুর চট্টগ্রামের ভাগ্য বরণ করে কি না সেটাই দেখার বিষয়। বিকেলের দিকে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কিছুটা কমে এলেও সকালের বৃষ্টি মিরপুর স্টেডিয়ামকে খেলার উপযুক্ত রাখতে পারবে কি না, সেই শঙ্কা থাকছে। এ ছাড়া গেল কয়েকদিন বৃষ্টি হওয়ায় এখানকার উইকেট সচরাচর মিরপুর ঘরানার হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবুও ব্যাট-বলের লড়াইয়ে উতরে সফলভাবে অভিযান শেষ করার অপেক্ষায় টিম টাইগার্স। সব ঠিক থাকলে আজ (শনিবার) মিরপুর শের-ইন বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাঠে গড়াচ্ছে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। খেলা শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায়। ধারণা করা হচ্ছে, প্রথম ম্যাচের একাদশ নিয়েই খেলবে টাইগাররা। অন্যদিকে, পরিবর্তন আসতে পারে সফরকারী কিউইদের একাদশে।দুই দলের সম্ভাব্য একাদশ :বাংলাদেশ : তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, লিটন দাস, পারভেজ হোসেন ইমন, তওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, তানজিম হাসান সাকিব, রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদি হাসান, শরিফুল ইসলাম, রিপন মণ্ডল।নিউজিল্যান্ড : টিম রবিনসন, কাটেনে ক্লার্ক, ড্যান ক্লেভার, নিক কেলি (অধিনায়ক), বেভন জ্যাকবস, ডিন ফক্সক্রফট, জশ ক্লার্কসন, নাথান স্মিথ, ইশ সোধি/জেডন লেনক্স, বেন লিস্টার, ম্যাট ফিশার।
পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের জীবন নিয়ে মানুষের কৌতূহল কম নয়। তাই তো তাঁর জীবনের গল্প পর্দায় তুলে ধরেছেন হলিউড নির্মাতা অ্যান্টনি ফুকো। প্রয়াত এই পপতারকার জীবনের গল্প নিয়ে যখন ‘মাইকেল’ সিনেমার ঘোষণা হয়, তখন থেকেই সিনেমাটি যে সব রেকর্ড ভেঙে দেবে; হয়েছেও তাই। ‘মাইকেল’ মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই বক্স অফিসে তুমুল সাড়া ফেলেছে। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরপরই যুক্তরাষ্ট্রে ৯৭ মিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বব্যাপী ২১৭ মিলিয়ন ডলার আয় করে সিনেমাটি নতুন রেকর্ড গড়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ভ্যারাইটি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে, এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে, বায়োপিক ঘরানার চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয়ের রেকর্ড এখন ‘মাইকেল’-এর দখলে। এর আগে ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘স্ট্রেট আউটা কম্পটন’ এই তালিকায় শীর্ষে ছিল, যার উদ্বোধনী আয় ছিল প্রায় ৬০ মিলিয়ন ডলার। সেই রেকর্ড অনায়াসেই ছাড়িয়ে গেছে নতুন এই বায়োপিক। মাইকেল সিনেমায় দেখানো হয়েছে জ্যাকসনের শৈশব, ‘দ্য জ্যাকসন ফাইভ’-এর সঙ্গে তাঁর যাত্রা, বাবার কঠোর নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্তি, একক শিল্পী হিসেবে সুপারস্টার হয়ে ওঠা এবং ১৯৮৮ সালের ‘ব্যাড’ ট্যুরের জাঁকজমকপূর্ণ কনসার্টের মাধ্যমে সমাপ্তি। অর্থাৎ কোনো বিতর্কিত অংশই রাখা হয়নি। মাইকেল সিনেমার গল্প শুরু হয় ছোট্ট এক শিশুকে দিয়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের গ্যারি শহরে এক সাধারণ পরিবারে জন্ম তাঁর। বাবা জো জ্যাকসনের কঠোর শাসনে বড়ো হওয়া সেই শিশুটি খুব দ্রুত বুঝে যায়, মঞ্চই তাঁর নিয়তি।‘দ্য জ্যাকসন ফাইভ।’-এর সঙ্গে গান গাইতে গাইতে সে হয়ে ওঠে দলের প্রাণ। তবে এই গল্প শুধু সাফল্যের নয়, এটি চাপ, প্রত্যাশা এবং হারিয়ে যাওয়া শৈশবের গল্পও। সময়ের সঙ্গে সেই শিশুটি হয়ে ওঠে এক তরুণ শিল্পী। তখনই বিশ্ব দেখে এক বিস্ফোরণ! ‘থ্রিলার’।এই অ্যালবামে শুধু গান নয়, এটি ছিল এক সাংস্কৃতিক বিপ্লব। ‘বিলি জেন।’ কিংবা ‘বিট ইট’ প্রতিটি গান যেন একেকটি দৃশ্য, একেকটি গল্প। চাঁদের আলোয় দাঁড়িয়ে হঠাৎ এক পা এক পা করে পিছিয়ে যাওয়া। সেই মুনওয়াক। সেই মুহূর্তেই মাইকেল জ্যাকসন হয়ে ওঠেন এক মিথের নাম। কিন্তু যত আলো, ততই যেন গাঢ় হয় ছায়া। খ্যাতির চূড়ায় দাঁড়িয়ে মানুষটি ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলেন নিজের ব্যক্তিগত জীবন। বিতর্ক, অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের তীব্র নজর। সব মিলিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন এক জটিল চরিত্র। ছবিতে মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাঁরই ভাতিজা জাফার জ্যাকসন। বলা যায়, রক্তের সম্পর্ক যেন জাফারের অভিনয়ে এনে দিয়েছে স্বতঃস্ফূর্ততা। এই সিনেমার মাধ্যমে বড়ো পর্দায় অভিষেক হলো তাঁর। ছবিতে ছোটোবেলার মাইকেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জুলিয়ানো ক্রু, ভালাদিএ ছাড়াও সিনেমায় মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের চরিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর বাবা জো জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোলম্যান ডমিংগো। মা ক্যাথরিন জ্যাকসনের চরিত্রে দেখা যাবে নিয়ে লংকে। বোন লাটোয়া জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেসিকা সুলা। এ ছাড়া সংগীতজগতের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছেন মোটাউন রেকর্ডসের প্রতিষ্ঠাতা বেরি গর্ডি, সংগীত নির্বাহী সুজান দে পাসে এবং ডায়ানা রসের চরিত্রও। প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার বাজেটে নির্মিত ‘মাইকেল’ প্রযোজনা করেছে লায়ন্সগেট, ইউনিভার্সাল পিকচার্স এবং মাইকেল জ্যাকসন এস্টেট। বড়ো বাজেট, শক্তিশালী বিপণন এবং বিশ্বজুড়ে অগণিত ভক্তের আগ্রহ–সব মিলিয়ে ছবিটি যে বক্স অফিসে ঝড় তুলবে, তা আগেই অনুমান করা হয়েছিল। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই সেই প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে ‘মাইকেল’।
বিশ্ববাজারে দিনের শুরুতে পতনের পর সোনার দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন আলোচনার খবরে বাজারে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হওয়ায় এই উত্থান দেখা গেছে। শুক্রবার (১ মে) সকাল ১০টা ৩৬ মিনিট (জিএমটি) পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম ০.৩ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৪,৬৩৬.৭২ ডলারে দাঁড়ায়। যদিও দিনের শুরুতে দাম কমে ৪,৫৫৯.৪৮ ডলারে নেমে গিয়েছিল। তবে সাপ্তাহিক হিসাবে এখনো সোনার দাম ১.৬ শতাংশ লোকসানে রয়েছে। একই সময়ে জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার্স ০.৪ শতাংশ বেড়ে ৪,৬৪৯.৬০ ডলারে পৌঁছেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার নতুন প্রস্তাব দেওয়ার খবর বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা বাড়িয়েছে। এতে মার্কিন ডলার কিছুটা দুর্বল হয়েছে, যা সোনার দাম বাড়াতে সহায়তা করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এ খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। তবে সাপ্তাহিক হিসাবে তেলের দাম এখনও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ চলতি সপ্তাহে সুদের হার অপরিবর্তিত রেখেছে এবং কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে। ফলে চলতি বছরে সুদের হার কমানোর প্রত্যাশা অনেকটাই কমে গেছে। সোনার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও বেড়েছে। স্পট সিলভার ৩.৪ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৭৬.২৬ ডলারে, প্ল্যাটিনাম ০.৮ শতাংশ বেড়ে ২,০০২ ডলারে এবং প্যালাডিয়াম ০.৯ শতাংশ বেড়ে ১,৫৩৭.১২ ডলারে লেনদেন হয়েছে। দেশীয় বাজারেও সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা।
৬ ঘন্টা আগে
পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে এখন পর্যন্ত ১০৪টি ফ্লাইটে মোট ৪১ হাজার ৬২৯ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। শনিবার (২ মে) রাত ৩টায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালের আইটি হেল্পডেস্কের নিয়মিত বুলেটিন থেকে এই সর্বশেষ তথ্য জানা গেছে। সৌদি আরবে পৌঁছানো এসব হজযাত্রীদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় গিয়েছেন ৪ হাজার ৭১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় গিয়েছেন ৩৭ হাজার ৫৫৮ জন। হজ ফ্লাইট কার্যক্রমের আওতায় এখন পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৪৯টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। এছাড়া সৌদি এয়ারলাইন্স ৩৭টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ১৮টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
সময় নেই, কিন্তু চাই স্বাস্থ্যকর খাবার— এমন চাহিদা এখন অনেকেরই। ঠিক এমন সময়েই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এক সহজ কিন্তু পুষ্টিকর সালাদ। যা তৈরি করতে লাগে মাত্র ১৫ মিনিট। আরও একটি ভালো দিক হলো, এটি আগে থেকে তৈরি করে ফ্রিজে রেখে কয়েক দিন পর্যন্ত খাওয়া যায়। তাজা শসা, বাঁধাকপি ও টমেটোর মিশেলে এটি পুষ্টিকর, কম ক্যালরিযুক্ত এবং পেট ভরা রাখে। ছোলা এতে শক্তি ও হজমে সহায়তা করে। সব মিলিয়ে তৈরি হয় দারুণ এক সংমিশ্রণ। উপকরণ :এই সালাদ তৈরির জন্য লাগবে— এক-চতুর্থাংশ কাপ জলপাই তেল, তিন টেবিল চামচ কুচানো শাকপাতা (পছন্দমতো), এক চা চামচ লেবুর খোসা কুচি, দুই টেবিল চামচ, লেবুর রস, এক চা চামচ, সরিষা, এক চা চামচ, মধু, আধা চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া, আধা চা চামচ, লবণ, দুই কাপ, কুচানো বাঁধাকপি, এক ক্যান ধোয়া ছোলা, তিনটি কুচানো শসা, এক কাপ টমেটো, এক-তৃতীয়াংশ কাপ পনির এবং একটি কুচানো ছোট পেঁয়াজ।প্রস্তুত প্রণালি :প্রথমে একটি বড়ো পাত্রে তেল, কুচানো শাকপাতা, লেবুর খোসা ও রস, সরিষা, মধু, লবণ ও গোলমরিচ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর এতে কুচানো বাঁধাকপি, ছোলা, শসা, টমেটো, পনির ও পেঁয়াজ যোগ করে সবকিছু ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে নিতে হবে। চাইলে ওপর থেকে আরও কিছু শাকপাতা ছড়িয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করা যাবে। কম সময়ে স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু কিছু খেতে চাইলে এই সালাদ হতে পারে সেরা পছন্দ। সহজ উপকরণ আর দ্রুত প্রস্তুত— এই দুই কারণেই এটি এখন অনেকের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।