১০ ধরনের টিকার নতুন চালান দেশে পৌঁছেছে। রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন নিজে উপস্থিত থেকে টিকার এই চালান গ্রহণ করেন। আজ বুধবার (৬ মে) বেলা পৌনে ১২টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশে হাম-রুবেলা ও ওরাল পোলিওসহ ১০ ধরনের টিকার এই নতুন চালান পৌঁছায়। এই টিকা চলমান নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির সংকট নিরসনে কাজ করবে। সম্প্রতি হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় এই চালানটি জরুরি ভিত্তিতে আনা হয়েছে। এছাড়াও নিয়মিত স্টকের টিকাগুলো 'জরুরি ক্যাম্পেইনে' ব্যবহার করায় টিকার সংকট তৈরি হয়।
শিশু ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদরাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে রিহ্যাব। বুধবার (৬ মে) ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে ব্যাব-১৪ এর একটি অভিযানিক দল তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ভোর সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলা থেকে র্যাব-১৪ (ময়মনসিংহ) এর একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। দুপুরের দিকে র্যাবের পক্ষ থেকে আসামিকে আমাদের হাতে হস্তান্তরের কথা রয়েছে। আসামিকে আমাদের হাতে হস্তান্তরের পর যত দ্রুত সম্ভব আমরা তাকে আদালতে প্রেরণ করব। তিনি আরও বলেন, আসামিকে হাতে পাওয়ার পর যদি সময় থাকে, আমরা আজকেই তাকে আদালতে প্রেরণ করব। অন্যথায় আগামীকালকে তাকে আদালতে প্রেরণ করতে হবে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য মতে, আজ দুপুর ১২টায় চাঞ্চল্যকর এই মামলার মূল আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়ে একটি প্রেস ব্রিফিং করবেন র্যাব-১৪ এর অধিনায়ক।
প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র এখনও জমা পড়েনি। সেসব অস্ত্র দ্রুত উদ্ধারে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন, বুধবার (০৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মন্ত্রী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর লাইসেন্স করা অস্ত্র জমা দেওয়ার যে নির্দিষ্ট সময়সীমা ছিল, তা পার হওয়ার পরও একটি বড়ো অংশের অস্ত্র এখনও মাঠ পর্যায়ে রয়ে গেছে। এই অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রয়োজনে মামলা দায়েরের জন্য মাঠ প্রশাসনকে তৎপর হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও জানান, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক বিবেচনায় বা নীতিমালার তোয়াক্কা না করে যে-সব অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাতিলের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। জেলা পর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে এই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হবে এবং যে-সব লাইসেন্স ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে প্রমাণিত হবে, কেবল সেই অস্ত্রগুলোই সরকার বাজেয়াপ্ত করবে। তবে ২০০৯ সালের আগে ইস্যু করা বৈধ লাইসেন্সধারীরা যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাদের অস্ত্র ফেরত পাবেন।
আইপিএলে প্লে-অফের লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে ভালোভাবেই। পয়েন্ট তালিকায় চোখ রাখলে দেখা যাচ্ছে, অন্তত তিনটি দল প্লে-অফের পথে ভালোভাবেই এগিয়ে আছে। পয়েন্ট তালিকায় ৯ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে সবার শীর্ষে আছে পাঞ্জাব কিংস। তারা আর এক ম্যাচ জিতলেও প্লে-অফে প্রায় উঠে যাবে। দুটি ম্যাচ জিতলে প্লে-অফ নিশ্চিত হয়ে যাবে। পাঞ্জাবের ম্যাচ বাকি হায়দরাবাদ, দিল্লি, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু এবং লখনৌয়ের বিপক্ষে। একটি করে ম্যাচ জিতলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং রাজস্থান রয়্যালসও প্লে-অফ কার্যত নিশ্চিত করে ফেলবে। দুই দলেরই ১০ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট রয়েছে। তাদের ম্যাচ বাকি পাঞ্জাব, গুজরাট, চেন্নাই এবং বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে। রাজস্থানের ম্যাচ বাকি গুজরাট, দিল্লি, লখনৌ এবং মুম্বাইয়ের বিপক্ষে। পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বেঙ্গালুরু। তাদেরও এক ম্যাচ জিতলেই চলবে। তারা ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্টে রয়েছে। রান রেটও খুবই ভালো। ফলে লখনৌ, মুম্বাই, কলকাতা, পাঞ্জাব এবং হায়দরাবাদের মধ্যে যে কোনো একটি বা দুটি ম্যাচ জিতলেই প্লে-অফ নিশ্চিত হয়ে যাবে।এই চারটি দল প্লে-অফের দৌড়ে । এই চেয়ে এগিয়ে।
চেন্নাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিরুগামবাক্কম আসন থেকে জয় পেয়েছেন তামিলরা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) বিজয়ের দলের ৩০ বছর বয়সি সাবারিনাথন। তিনি থালাপতি বিজয়ের ব্যক্তিগত ড্রাইভারের ছেলে হিসেবে পরিচিত। প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই বড়ো ব্যবধানে জয় পেয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন তিনি। জানা গেছে, এই আসনে সাবারিনাথন প্রায় ২২ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাজাগামের প্রার্থী প্রভাকারা রাজা এবং অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাজাগামের প্রার্থী বিরুগাই রভিকে। তার এই জয় টিভিকের তরুণ নেতৃত্বের উত্থানকেও সামনে এনেছে। এবারের নির্বাচনে ২৩৪ আসনের মধ্যে ১০৭টি আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে টিভিকে। নির্বাচনে বড়ো ধাক্কা খেয়েছে ডিএমকে। মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্টালিন কোলাথুর আসনে টিভিকের ভিএস বাবুর কাছে পরাজিত হয়েছেন। তবে তার ছেলে উধয়নিধি স্টালিন চেপক-থিরুভাল্লিকেনি আসনে জয় ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। ড্রাইভারের ছেলে থেকে এমএলএ হয়ে ওঠা সাবারিনাথনের এই সাফল্য তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক নতুন বার্তা দিচ্ছে।
দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকায়। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকাসোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (৬ মে) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে গতকাল ৫ মে সকাল ১০টা থেকে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমানো হয় ২ হাজার ১৫৮ টাকা। এই দাম কমানোর ২৪ ঘণ্টা পর এখন একই পরিমাণ দাম বাড়ানো হলো। এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে, ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ৪১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা। এর আগে, গতকাল সকাল ১০টা থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ৪১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৭৫০ টাকা কমিয়ে দাম ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা। আজ সকাল ১০টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই সোনা বিক্রি হয়েছে। সোনার দাম বাড়ানোর পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১১৬ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৪৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
৪ ঘন্টা আগে
হজ ও ওমরার প্রতিটি আমল কবুল হওয়ার প্রথম শর্ত হলো সঠিক পদ্ধতিতে পবিত্রতা অর্জন করা। কিন্তু মক্কা-মদিনার বিশাল ভিড়, ক্লান্তি বা তাড়াহুড়োর কারণে অনেক সময় হাজিরা অজুর ফরজ কাজগুলোতে অসতর্ক হয়ে পড়েন। বিশেষ করে হাত ও পা ধোয়ার সময় কিছু ছোট ভুল অজুকে অসম্পূর্ণ করে দিতে পারে, যার ফলে নামাজ শুদ্ধ না হওয়ার এবং তাওয়াফের ফজিলত থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।১. কনুই পর্যন্ত হাত ধোয়ায় অসতর্কতা।অজুর অন্যতম ফরজ হলো দুই হাত কনুইসহ ভালোভাবে ধোয়া। তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে অনেকে কনুইয়ের পেছনের অংশ শুকনো রেখে দেন। ইহরামের কাপড় বা ভারী পোশাকের কারণে হাত পুরোপুরি কনুই পর্যন্ত ধোয়া সম্ভব না হলে অজু অসম্পূর্ণ থেকে যায়। মনে রাখবেন, সামান্য কোনো অংশও শুকনো থাকলে অজু পূর্ণ হবে না।২. আঙুলের ফাঁক (খিলাল) না করা।হাত ও পা ধোয়ার সময় আঙুলের মাঝখানের অংশে পানি পৌঁছানো জরুরি। শুধু ওপর দিয়ে পানি ঢেলে দিলে আঙুলের ভাঁজে পানি নাও পৌঁছাতে পারে। বিশেষ করে যাদের আঙুলগুলো পরস্পর লেগে থাকে, তাদের অবশ্যই আঙুল ‘খিলাল’ করতে হবে।৩. পায়ের গোড়ালি শুকনো থাকা।রসুলুল্লাহ (সসব৪. আংটির নিচে পানি না পৌঁছানো।হাতে টাইট আংটি পরলে চামড়ায় পানি পৌঁছাতে বাধা হতে পারে। অজুর সময় আংটি সামান্য সরিয়ে পানি পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে, অন্যথায় অজু পূর্ণ হবে না। (ইহরাম অবস্থায় ঘড়ি পরিধান না করলেও সাধারণ সময়ে ঘড়ি থাকলে একই নিয়ম প্রযোজ্য।)৫. নখের কোণে কোনো বাঁধা থাকাহজের দীর্ঘ সফরে বিভিন্ন কারণে নখের কোণে ময়লা জমতে পারে। নখ বড়ো থাকলে এবং ময়লা কঠিন পদার্থের হলে তার নিচে পানি পৌঁছাতে সমস্যা হয়। অজুর আগেই নিশ্চিত করুন যে নখের কোণে বা নিচে পানি পৌঁছাতে কোনো বাধা নেই।
সব খাবারের মতো মাছও সবার জন্য সমান উপযোগী নয়। কিছু শারীরিক অবস্থায় মাছ খাওয়া উপকারের বদলে ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই কারা মাছ খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন, তা জানা জরুরি।লিভারের রোগে আক্রান্তদের জন্য সতর্কতালিভার আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। লিভারের সমস্যা থাকলে দূষিত বা অপরিষ্কারভাবে সংরক্ষিত মাছ খেলে ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই এ ক্ষেত্রে নিরাপদ ও ভালোভাবে রান্না করা মাছ বেছে নেওয়া জরুরি।ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকলে সতর্কতাযাদের শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি, তাদের জন্য মাছ খাওয়া সীমিত রাখা উচিত। বিশেষ করে কিছু সামুদ্রিক ও তেলযুক্ত মাছ ইউরিক অ্যাসিড বাড়াতে পারে। এতে গেঁটে বাত সমস্যা বেড়ে গিয়ে জয়েন্টে ব্যথা ও ফোলাভাব দেখা দিতে পারে।গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের জন্য।সোর্ডফিশ, কিং ম্যাকেরেল বা বড়ো টুনা মাছে উচ্চমাত্রার পারদ থাকে, তাই গর্ভাবস্থায় না খাওয়াই ভালো। খেলে ভ্রূণের মস্তিষ্কের বিকাশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এসব মাছ এড়িয়ে চলা ভালো। কম পারদযুক্ত মাছ সীমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে। স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রেও একই সতর্কতা রাখতে হবে।রক্ত পাতলা করার ওষুধ গ্রহণকারীদের জন্য যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান, তাদের মাছ খাওয়ার আগে সচেতন হওয়া দরকার। মাছে থাকা ওমেগা-৩ রক্ত আরও পাতলা করতে পারে, যা অতিরিক্ত রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় সতর্কতাযাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের কাঁচা বা আধা-সিদ্ধ মাছ খাওয়া উচিত নয়। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। তাই মাছ সবসময় ভালোভাবে রান্না করে খাওয়া নিরাপদ।অ্যালার্জি থাকলে সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলুন।যাদের সামুদ্রিক খাবারে অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের জন্য মাছ খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। এতে ত্বকে ফুসকুড়ি, চুলকানি, ফোলাভাব কিংবা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই এই ক্ষেত্রে মাছ পুরোপুরি এড়িয়ে চলা উচিত।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।