দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার(১৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামসংক্রান্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সারাদেশে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৩ ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৫৬৮। বুধবার সকাল ৮ থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় ১১১ জনের মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৯৬৬ জন। উল্লেখ্য, এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ২৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে । যা বিভাগীয় পরিসংখ্যানে সর্বোচ্চ। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে রাজশাহী বিভাগ, যেখানে মৃত্যু হয়েছে ৮৭ জনে।
দেশের ৭৫টি কারাগারে মোট ধারণক্ষমতার ১ দশমিক ৭ গুণ বন্দি আটক রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপি দলীয় সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের উত্থাপিত এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই তথ্য জানান।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের ৭ জুন পর্যন্ত পাওয়া হিসাব অনুযায়ী, দেশের ৭৫টি কারাগারে সর্বমোট অনুমোদিত ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার ১৩৬ জনের। এর মধ্যে পুরুষ ৪৩ হাজার ১০৭ জন এবং মহিলা ২ হাজার ২৯ জন। তবে এই সীমিত ধারণক্ষমতার বিপরীতে বর্তমানে দেশের কারাগারগুলোয় সর্বমোট ৭৭ হাজার৪০ জন বন্দি আটক রয়েছেন, যার মধ্যে পুরুষ ৭৪ হাজার ৩৬ জন এবং মহিলা ২ হাজার ৭৭ জন। এটি মূল ধারণক্ষমতার চেয়ে ১ দশমিক ৭ গুণ বেশি।ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত বন্দি আটক থাকায় দেশের কিছু কিছু কারাগারে বন্দিদের আবাসন সমস্যা বিরাজ করছে বলে স্বীকার করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে এই আবাসন সংকট দূর করতে সরকার ইতিমধ্যে বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরাণীগঞ্জ), সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২, ফেনী জেলা কারাগার-২ এবং খুলনা জেলা কারাগার-২ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে। এছাড়া কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার-২, মাদারীপুর জেলা কারাগার-২ ও পিরোজপুর জেলা কারাগার-২ খুব শিগগিরই চালু করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে আরও জানান, বর্তমানে ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও জামালপুর কারাগার পুনঃনির্মাণ এবং নরসিংদীতে সম্পূর্ণ নতুন জেলা কারাগার নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এই চারটি কারাগারের নির্মাণ ও পুনঃনির্মাণের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হলে বন্দি ধারণক্ষমতা আরও ২ হাজার ৯৫৫ জন বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে দেশের কারাগারগুলোর মোট বন্দি ধারণক্ষমতা ৪৮ হাজার ১৩১ জনে উন্নীত হবে।
দেশের ৭৫টি কারাগারে মোট ধারণক্ষমতার ১ দশমিক ৭ গুণ বন্দি আটক রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপি দলীয় সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের উত্থাপিত এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই তথ্য জানান।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের ৭ জুন পর্যন্ত পাওয়া হিসাব অনুযায়ী, দেশের ৭৫টি কারাগারে সর্বমোট অনুমোদিত ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার ১৩৬ জনের। এর মধ্যে পুরুষ ৪৩ হাজার ১০৭ জন এবং মহিলা ২ হাজার ২৯ জন। তবে এই সীমিত ধারণক্ষমতার বিপরীতে বর্তমানে দেশের কারাগারগুলোয় সর্বমোট ৭৭ হাজার৪০ জন বন্দি আটক রয়েছেন, যার মধ্যে পুরুষ ৭৪ হাজার ৩৬ জন এবং মহিলা ২ হাজার ৭৭ জন। এটি মূল ধারণক্ষমতার চেয়ে ১ দশমিক ৭ গুণ বেশি।ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত বন্দি আটক থাকায় দেশের কিছু কিছু কারাগারে বন্দিদের আবাসন সমস্যা বিরাজ করছে বলে স্বীকার করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে এই আবাসন সংকট দূর করতে সরকার ইতিমধ্যে বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরাণীগঞ্জ), সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২, ফেনী জেলা কারাগার-২ এবং খুলনা জেলা কারাগার-২ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে। এছাড়া কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার-২, মাদারীপুর জেলা কারাগার-২ ও পিরোজপুর জেলা কারাগার-২ খুব শিগগিরই চালু করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে আরও জানান, বর্তমানে ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও জামালপুর কারাগার পুনঃনির্মাণ এবং নরসিংদীতে সম্পূর্ণ নতুন জেলা কারাগার নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এই চারটি কারাগারের নির্মাণ ও পুনঃনির্মাণের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হলে বন্দি ধারণক্ষমতা আরও ২ হাজার ৯৫৫ জন বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে দেশের কারাগারগুলোর মোট বন্দি ধারণক্ষমতা ৪৮ হাজার ১৩১ জনে উন্নীত হবে।
আজ আবার বিশ্বকাপ মঞ্চে নামছে পর্তুগাল। রাত ১১টায় ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বিশ্বকাপ জয়ের মিশন। তবে পর্তুগাল যখন মাঠে নামবে, তখন শুধুই এটি একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ থাকবেনা। শুরু হবে হয়তো এক কিংবদন্তির শেষ বিশ্বকাপ অধ্যায়।ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বয়স এখন ৪১। সাধারণত এই বয়সে ফুটবলাররা অতীতের গল্প বলেন। কেউ কোচিংয়ে যান, কেউ টেলিভিশনের আলোচক হয়ে বসেন। কিন্তু রোনালদো এখনো মাঠে। এখনো গোলের খোঁজে ছুটছেন। এখনো স্বপ্ন দেখছেন।আর সেই স্বপ্নের নাম বিশ্বকাপ। ফুটবল তাকে প্রায় সবকিছু দিয়েছে। পাঁচটি ব্যালন ডি'অর, পাঁচটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, নেশনস লিগ, আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি। কিন্তু বিশ্বকাপ ট্রফিটা এখনো তার হাতে ওঠেনি।এই কারণেই ২০২৬ বিশ্বকাপটা অন্যরকম। এটা শুধু পর্তুগালের জন্য আরেকটি বড় টুর্নামেন্ট নয়। এটা রোনালদোর সঙ্গে একটি দেশের শেষ বড় স্বপ্ন দেখার গল্প।বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে আজ মাঠে নামছেন রোনালদোআনচেলত্তির কৌশল বদল, একাদশে বড় পরিবর্তনপর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসে অনেক মহান নাম এসেছে। ইউসেবিও ছিলেন। লুইস ফিগো ছিলেন। রুই কোস্তা ছিলেন। তাদের প্রত্যেকেই দেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ এনে দিতে পারেননি।রোনালদোও এখন পর্যন্ত পারেননি। ২০০৬ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে এসে সেমিফাইনালে উঠেছিলেন। এরপর আরও চারটি বিশ্বকাপ গেছে। কখনো স্পেন, কখনো জার্মানি, কখনো উরুগুয়ে, কখনো মরক্কো তার পথ আটকে দাঁড়িয়েছে।২০২২ সালে মরক্কোর কাছে হারের পর টানেল দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়ার দৃশ্যটা এখনো অনেকের চোখে ভাসে। সেদিন অনেকেই ভেবেছিলেন, এটাই বুঝি শেষ। কিন্তু রোনালদো হার মানেননি। চার বছর পর আবার তিনি বিশ্বকাপে। হয়তো শেষবারের মতো। তবে এবারের পর্তুগাল আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ভারসাম্যপূর্ণ।রবার্তো মার্তিনেজের অধীনে দলটি শুধু রোনালদো নির্ভর নয়। বরং ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী মিডফিল্ড নিয়ে এসেছে তারা। ব্রুনো ফার্নান্দেজ আছেন সৃজনশীলতার কেন্দ্রবিন্দুতে। ভিতিনিয়া এবং হোয়াও নেভেস মাঝমাঠে ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করেন। বের্নার্দো সিলভা মাঠের প্রায় প্রতিটি অংশে প্রভাব ফেলতে পারেন।রক্ষণভাগেও আছে দৃঢ়তা। রুবেন দিয়াস নেতৃত্ব দিচ্ছেন। নুনো মেন্ডেস বিশ্বের অন্যতম সেরা আক্রমণাত্মক ফুলব্যাক। গোলবারের নিচে আছেন দিওগো কস্তা। আর সামনে আছেন রোনালদো।তার কাজ এখন আগের মতো দৌড়ে পুরো মাঠ কাঁপানো নয়। তার কাজ গোল করা। ঠিক সময়ে ঠিক জায়গায় থাকা। অভিজ্ঞতা দিয়ে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেওয়া।তবে সবকিছু এত সহজও নয়। এই দলের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন রোনালদোকে ঘিরেই। আধুনিক ফুটবলে উচ্চগতির প্রেসিং এবং নিরন্তর দৌড়ের প্রয়োজন হয়। ৪১ বছর বয়সী রোনালদোর পক্ষে স্বাভাবিকভাবেই সেটা করা কঠিন।যে মানুষটি দুই দশকের বেশি সময় ধরে পর্তুগালের স্বপ্ন বহন করে চলেছেন। আজ রাতে হয়তো তিনি আরেকবার মাঠে নামবেন সেই পুরোনো ক্ষুধা নিয়ে। হয়তো এটাই তার ফুটবল জীবনের শেষ যাত্রার শুরু। হয়তো এটাই শেষ সুযোগ।
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই নিজের চেনা ছন্দে ফিরেছেন আর্জেন্টিনার মহাতারকা খেলোয়াড় লিওনেল মেসি। মাঠে নেমেই দেখিয়েছেন জাদু, মাত্র ১৭ মিনিটে বিপক্ষ দল আলজেরিয়াকে গোল করে দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর তুলে নিয়েছেন দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক। মেসির এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আর্জেন্টিনার বড় জয়ের উচ্ছ্বাসে মেতেছেন ঢাকাই বিনোদন জগতের তারকারাও।বুধবার (১৭ জুন) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মেসি ও আর্জেন্টিনার জয়ে নিজেদের আবেগ ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন পরীমণি, মেহজাবীন চৌধুরী, কেয়া পায়েল, তাসরীফ খানসহ অনেক তারকা।ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমণি খেলা দেখার একটি ছবি প্রকাশ করে আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসা জানান। আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে ছেলের ছবি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, ‘আমার ছোট্ট মেসি, মাশাআল্লাহ।’আরও পড়ুনপ্রথমবার অভিনয়ে জামাল ভূঁইয়া, আসছে ‘ব্রাজেন্টিনা’অন্যদিকে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আর্জেন্টিনার জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। আর্জেন্টিনার পতাকার প্রতীক দিয়ে তিনি লেখেন, ‘ঠিক আছে শুভরাত্রি।’মেসির দুর্দান্ত খেলায় মুগ্ধ হয়েছেন অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টিও। আর্জেন্টিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘বিজয়ীর মানসিকতা! অভিনন্দন আর্জেন্টিনা, মেসি।’সংগীতশিল্পী তাসরীফ খান মেসির ছবি পোস্ট করে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘সারাজীবন বুক ফুলিয়ে বলবো আমরা মেসির খেলা দেখা প্রজন্ম। কী অসাধারণ হ্যাটট্রিক মেসির!’অভিনেতা খায়রুল বাসার মেসির ছবি পোস্ট করে প্রতিপক্ষ সমর্থকদের উদ্দেশে মজার ছলে লিখেছেন, ‘প্রথম দিনেই হ্যাটট্রিক, রাগ করলা?’অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদও একইভাবে মেসির প্রশংসা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘বুঝলাম না মেসি পেনাল্টি থেকে পরপর তিনটা গোল দিয়ে দিল, আর তোমাদের কোন আওয়াজ নাই! রাগ করলা নাকি?’এদিকে ব্রাজিলের সমর্থক হয়েও আর্জেন্টিনার জয়ে শুভকামনা জানিয়েছেন জনপ্রিয় গায়িকা পড়শী। ব্রাজিলের জার্সি পরা ছবি দিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমি ব্রাজিল সমর্থক হলেও আর্জেন্টিনার জন্য শুভকামনা। কারণ আমি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চাই।’মেসির দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে শুধু মাঠেই নয়, উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে তারকা থেকে সাধারণ ভক্তদের মধ্যেও।
বাজার ঘুরে চালের দাম স্থিতিশীল পাওয়া গেছে এবং সরবরাহ পরিস্থিতিও ভালো রয়েছে। নতুন চাল বাজারে আসায় পুরোনো চালের দাম কেজিপ্রতি এক থেকে দেড় টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।বুধবার (১৭ জুন) পাইকারি চালের বাজার পরিদর্শন শেষে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেনবাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চালের বাজারে কোনো ঊর্ধ্বগতি নেই। পাইকারি ও খুচরা বাজারে দামের উল্লেখযোগ্য কোনো তারতম্য দেখা যায়নি।তিনি আরও জানান, বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে প্রতিদিন বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। কেউ কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।অন্যদিকে, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী খাদ্য বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এর মধ্যে ১৭ লাখ টন চাল এবং ৩ লাখ টন গম রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো ঘাটতি দেখা দিলেও বিদ্যমান মজুত দিয়েই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
২ ঘন্টা আগে
দেশের আকাশে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। বুধবার (১৭ জুন) থেকে পবিত্র মহররম মাস গণনা করা হবে। সেই হিসাবে আগামী ২৬ জুন শুক্রবার পবিত্র আশুরা পালিত হবে।মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সভাকক্ষে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।আশুরা আরবি শব্দ। আশারা থেকে আশুরা শব্দের উৎপত্তি। এর অর্থ হচ্ছে দশ। আরবি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখকে পবিত্র আশুরা বলা হয়।আশুরা দিবসে বহু স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। মহান আল্লাহ যেদিন আকাশ, বাতাস, পাহাড়-পর্বত, নদী-নালা, জান্নাত-জাহান্নাম, লাওহে মাহফুজ ও যাবতীয় সৃষ্টি-জীবের আত্মা সৃষ্টি করেছিলেন সে দিনটি ছিল ১০ মহররম তথা পবিত্র আশুরার দিন।আশুরার রোজা রাখার সঠিক নিয়ম হলো-- দুটি রোজা রাখতে হবে। মহররমের ১০ তারিখ একটি, আর এর আগে মহররমের ৯ তারিখ অথবা পরের দিন মহররমের ১১ তারিখ আরও একটি।ইমাম বুখারি (রহ.) আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিজরত করে মদিনায় পৌঁছে মদিনার ইহুদিদের আশুরার দিনে রোজা পালন করতে দেখেন। নবীজি তাদের জিজ্ঞেস করেন, এ দিনে কী ঘটেছে যে তোমরা এতে রোজা পালন করো? তারা বলে, এই দিনটি অনেক বড় দিন, এ দিনে মহান আল্লাহ মুসা (আ.) ও তার সঙ্গীদের ফিরাউন থেকে মুক্ত করেছিলেন এবং ফিরাউন ও তার বাহিনীকে ডুবিয়ে মেরেছিলেন। এর কৃতজ্ঞতাস্বরূপ মুসা (আ.) রোজা রাখতেন, তাই আমরাও আশুরার রোজা পালন করে থাকি। ইহুদিদের জবাব শুনে নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মুসা (আ.)-এর কৃতজ্ঞতার অনুসরণে আমরা তাদের চেয়ে বেশি যত্নশীল হওয়ার অধিকারী। অতঃপর তিনি নিজেও আশুরার রোজা রাখেন এবং মুসলমানদের তা পালন করতে নির্দেশ প্রদান করেন। (বুখারি: ৩৩৯৭; মুসলিম: ১১৩৯) রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই রোজা নিজে পালন করেছেন এবং উম্মতকে রাখার প্রতি নির্দেশ করেছেন, তাই তার অনুসরণ করা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
গরমের দিনে আম-লিচুর পাশাপাশি বাজারে এখন জমে উঠেছে রসালো কালচে বেগুনি রঙের জাম। সামান্য কষা, আবার মিষ্টি স্বাদের এই ফল অনেকের কাছেই প্রিয়। বিশেষ করে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য এটি তুলনামূলক উপকারী ফল হিসেবেও পরিচিত। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভুল নিয়মে জাম খেলে উপকারের বদলে হতে পারে ক্ষতিও।ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য জাম কতটা উপকারী?জামের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম এবং এতে ফাইবারের পরিমাণ বেশি। তাই পরিমিত পরিমাণে খেলে এটি ডায়াবেটিকদের জন্য উপকারী হতে পারে।তবে বেশি খেয়ে ফেললে সমস্যা তৈরি হতে পারে, কারণ ফলের ভেতরে থাকা প্রাকৃতিক ফ্রুকটোজ অতিরিক্ত হলে শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।কারা জাম খেলে ক্ষতির ঝুঁকিতে?বিশেষজ্ঞদের মতে কিছু ক্ষেত্রে জাম খাওয়ার সময় সতর্ক থাকা জরুরি—কিডনির সমস্যা থাকলেজামে থাকা অক্সালেট উপাদান ক্যালসিয়ামের সঙ্গে মিশে কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে। এছাড়া এতে পটাশিয়ামের মাত্রাও বেশি, যা কিডনি রোগীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।জামে প্রচুর ফাইবার থাকে। বেশি খেলে—পেট ফাঁপাগ্যাসকোষ্ঠকাঠিন্যপেটে অস্বস্তিএসব সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে যাদের অন্ত্রের সমস্যা আছে, তাদের সতর্ক থাকা দরকার।লবণ-মশলা দিয়ে খেলেঅনেকে জামের সঙ্গে লবণ ও মরিচগুঁড়ো মিশিয়ে খান। উচ্চ রক্তচাপ থাকলে এই অভ্যাস ক্ষতিকর হতে পারে।জাম খাওয়ার সময় যেসব ভুল এড়িয়ে চলবেনবিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী—জাম খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে পানি না খাওয়াখালি পেটে জাম না খাওয়াজাম খাওয়ার পর দুধ, দই বা দুগ্ধজাত খাবার না খাওয়াজাম ও হলুদ একসঙ্গে না খাওয়াজাম স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলেও তা নির্ভর করে পরিমাণ ও খাওয়ার নিয়মের ওপর। ডায়াবেটিক রোগীরা এটি খেতে পারেন, তবে মাত্রা ও সঠিক নিয়ম মানা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় উপকারের বদলে শরীরে দেখা দিতে পারে বিভিন্ন জটিলতা।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।