স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, আবার জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়। সবকিছুতে এভাবে ইসলামের দোহাই দেয়া ঠিক নয়।’আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে বিরোধীদলের সমালোচনার জবাবে এই মন্তব্য করেন তিনি।ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ পদে সাম্প্রতিক রদবদল, গ্রাহক বিক্ষোভ এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পদত্যাগ নিয়ে সংসদে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের তোপের মুখে পড়েন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এর আগে, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও মন্তব্য করেছিলেন যে, একটি নতুন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে অযোগ্য ব্যক্তিকে বসানো হয়েছে।সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে বিরোধীদলের উপনেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে ২৬টি ভুয়া কোম্পানি গঠন করে ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছিল এস আলম গ্রুপ। আর এখন বর্তমান সরকার ব্যাংকটিতে কিছু বিতর্কিত লোককে বসিয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের টাকা পুনরায় লুটপাট হবে, এটা অত্যন্ত পরিষ্কার।’আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রশ্ন তোলেন, ‘কোন কারণে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা হলো এবং কোন কারণে আগের এমডিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হলো? ইসলামী ব্যাংককে যদি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলতে না দেয়া হয়, তবে দেশে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।’বিরোধীদলের এসব প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বোর্ড অব ডিরেক্টরের সবাইকে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক অব্যাহতি দিতে পারে। এ বিষয়ে যদি কোনো প্রশ্ন তুলতে হয়, তবে আইন পরিবর্তন করে আসতে হবে।’তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘ব্যাংকে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি মহল পর্দার আড়ালে থেকে ‘‘গ্রাহক’’ সেজে আন্দোলন করাচ্ছে। বিরোধীদল বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করুক, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু বারে বারে এভাবে পর্দার আড়ালে ও পর্দার বাইরে প্রচারণা চালিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, ইসলামী ব্যাংকের বৈধ শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার যথাযথভাবে হস্তান্তর করা হবে। এ ছাড়া, নাবিল গ্রুপসহ যারা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে আর ফেরত দেয়নি, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে, বিগত সময়ে নিয়ম না মেনে ব্যাংকটিতে যে ৯ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ হাজার ৩৪ জন হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে ৫৪ জনের আর সন্দেহজনক হাম শনাক্ত হয়েছে ৯৮০ জনের শরীরে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৮১ হাজার ৮৪ জন। আর ৯ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৮৩৩ জন।১৫ মার্চ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৬ হাজার ১৭০ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬২ হাজার ২৯২ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর ৯ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৫৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।এছাড়া ৯ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, আবার জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়। সবকিছুতে এভাবে ইসলামের দোহাই দেয়া ঠিক নয়।’আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে বিরোধীদলের সমালোচনার জবাবে এই মন্তব্য করেন তিনি।ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ পদে সাম্প্রতিক রদবদল, গ্রাহক বিক্ষোভ এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পদত্যাগ নিয়ে সংসদে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের তোপের মুখে পড়েন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এর আগে, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও মন্তব্য করেছিলেন যে, একটি নতুন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে অযোগ্য ব্যক্তিকে বসানো হয়েছে।সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে বিরোধীদলের উপনেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে ২৬টি ভুয়া কোম্পানি গঠন করে ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছিল এস আলম গ্রুপ। আর এখন বর্তমান সরকার ব্যাংকটিতে কিছু বিতর্কিত লোককে বসিয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের টাকা পুনরায় লুটপাট হবে, এটা অত্যন্ত পরিষ্কার।’আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রশ্ন তোলেন, ‘কোন কারণে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা হলো এবং কোন কারণে আগের এমডিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হলো? ইসলামী ব্যাংককে যদি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলতে না দেয়া হয়, তবে দেশে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।’বিরোধীদলের এসব প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বোর্ড অব ডিরেক্টরের সবাইকে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক অব্যাহতি দিতে পারে। এ বিষয়ে যদি কোনো প্রশ্ন তুলতে হয়, তবে আইন পরিবর্তন করে আসতে হবে।’তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘ব্যাংকে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি মহল পর্দার আড়ালে থেকে ‘‘গ্রাহক’’ সেজে আন্দোলন করাচ্ছে। বিরোধীদল বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করুক, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু বারে বারে এভাবে পর্দার আড়ালে ও পর্দার বাইরে প্রচারণা চালিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, ইসলামী ব্যাংকের বৈধ শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার যথাযথভাবে হস্তান্তর করা হবে। এ ছাড়া, নাবিল গ্রুপসহ যারা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে আর ফেরত দেয়নি, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে, বিগত সময়ে নিয়ম না মেনে ব্যাংকটিতে যে ৯ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
ডিএল ম্যাথডে অস্ট্রেলিয়াকে ৮৬ রানে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে টাইগাররা। বাংলাদেশের ২৮৫ রানের টার্গেটে অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিংয়ে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯১ রানে করার পর বৃষ্টি হানা দেয়। এরপর খেলা আর মাঠে না গড়ালে ডিএল মেথডে ৮৬ রানের জয় পায় বাংলাদেশ।মঙ্গলবার (৯ জুন) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৮৪ রান করে বাংলাদেশ।জবাবে ব্যাটে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের প্রথম ২ ওভারের মধ্যেই ২ উইকেট তুলে নিয়ে দুর্দান্ত শুরু পায় বাংলাদেশ।ইনিংসের প্রথম ওভারেই অস্ট্রেলিয়া শিবিরে বড় ধাক্কা দেন পেসার তাসকিন আহমেদ। প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন অজি ওপেনার ম্যাথু শর্ট। তাসকিনের ভেতরে ঢোকা ডেলিভারি রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে গিয়ে লাইন মিস করেন শর্ট। ব্যাটে-প্যাডের ফাঁক গলে বল সরাসরি আঘাত হানে মিডল স্টাম্পে। ফলে গোল্ডেন ডাকের তেতো স্বাদ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় এই ওপেনারকে।তাসকিনের পর দ্বিতীয় ওভারে বোলিং আক্রমণে এসেই উইকেট উৎসবে মাতেন মুস্তাফিজুর রহমান। ওয়ান ডাউনে নামা মার্নাস লাবুশেনকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তিনি। মুস্তাফিজের ভেতরে ঢুকে আসা একটি বল ডিফেন্ড করতে গিয়ে লাইন মিস করলে বল সরাসরি লাবুশেনের প্যাডে আঘাত হানে।বাংলাদেশ দলের আবেদনে আম্পায়ার প্রথমে সাড়া না দিলে রিভিউ নেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। পরে টিভি রিপ্লেতে দেখা যায় বল সরাসরি লেগ স্টাম্পে আঘাত হানত। ফলে আম্পায়ার তার সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হন। ২ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ২ উইকেটে মাত্র ৩ রান। ক্রিজে কুপার কনোলির সঙ্গে নতুন ব্যাটার হিসেবে যোগ দেন জশ ইংলিশ।নিজের তৃতীয় ওভারে এসে উইকেটের দেখা পান নাহিদ রানা। দারুণ এক ডেলিভারিতে জশ ইংলিশের উইকেট। ২৫ বলে ৩টি চারের সাহায্যে ১৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই অজি ব্যাটার।অ্যালেক্স ক্যারি ৬২ বলে ৪৭ রান করে অস্ট্রেলিয়াকে আশা দেখান। তবে নাহিদ রানার দুর্দান্ত বল কিছু বুঝে ওঠার আগে তার ব্যাট ছুয়ে যায় লিটন দাসের হাতে। এরপর যাওয়া আসার মিছিলেই থাকে অজি ব্যাটাররা। ক্যামেরুন গ্রিন করেন ৩৫ বলে ২২ রান।নাহিদ রানা ৪ উইকেট পান। ব্যাটে বলে নৈপুণ্য দেখান মোসাদ্দেক। ব্যাট হাতে সফল মোসাদ্দেক বলে পান ২ উইকেট।এর আগে তানজিদ তামিম, শান্ত ও মোসাদ্দেক হোসেনের ফিটিতে ভর করে অস্ট্রেলিয়াকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় বাংলাদেশ। ১৫ বছর পর দেশের মাটিতে অজিদের বিপক্ষে ওয়ানডে খেলতে নেমে প্রথমে ব্যাটিং করে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।যদিও শুরুতেই সাঝঘরে ফেরেন সাইফ, এরপর আস্তে আস্তে পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিম। তবে দুজনেই ফিফটির পর আর উইকেটে থাকতে পারেননি। ৩৬ রানে দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তবে প্রায় ৪ বছর পর দলে ফিরেই মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে লড়াকু লক্ষ্য দিয়েছে টাইগাররা।সর্বোচ্চ ৮৬ রান করেন মোসাদ্দেক। এছাড়া শান্ত করেন ৬৭ রান আর তামিমের ব্যাট থেকে আসে ৫৪ রান। তাসকিন শেষ দিকে খেলেন ১৫ বলে ২০ রানের কার্যকরী ইনিংস। তবে আজও ব্যর্থ হয়েছেন মিরাজ। এদিন ১২ বলে ৩ রান করে আউট হন বাংলাদেশের অধিনায়ক।তবে মিডল অর্ডারের ব্যর্থতার দিনে একাই লড়াই করেছেন মোসাদ্দেক। ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটির দিনে খেলেছেন ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসও। নির্ধারিত ওভার শেষ হওয়ার আগে ৭০ বলে ৮৬ রান করে অপরাজিত থাকেন এই ব্যাটার।মোসাদ্দেকের সঙ্গে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন লোয়ার অর্ডারে নামা তাসকিন আহমেদ। শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ১৬ বলে ২০ রান রান করেছেন তিনি।অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেছেন নাথান এলিস। এ ছাড়া ম্যাট রেনশো ও লিয়াম স্কট ২ এবং ব্রাটলেট একটি উইকেট শিকার করেন।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় দুই অভিনেত্রী শাবনূর ও পূর্ণিমাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শাবনূরকে নিয়ে পূর্ণিমার একটি আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।রোববার (৭ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শাবনূরের সঙ্গে কাটানো একটি স্মরণীয় মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ করেন পূর্ণিমা। ভিডিওটিতে দুই তারকাকে হাস্যোজ্জ্বল ও আন্তরিক পরিবেশে সময় কাটাতে দেখা যায়। পোস্টটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভক্তদের প্রশংসায় ভরে ওঠে মন্তব্যের ঘর।পোস্টের ক্যাপশনে পূর্ণিমা লিখেছেন, কিছু মানুষ শুধু তারকা নন, তারা মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকেন। বাংলা চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র শাবনূর আপু। পর্দার সাফল্যের বাইরেও তিনি একজন অসাধারণ মনের মানুষ।পুরোনো স্মৃতিচারণ করে তিনি আরও লেখেন, দুই-তিন বছর আগে তার সঙ্গে কাটানো এই মুহূর্তটি আজও আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় স্মৃতিগুলোর একটি। বাংলা সিনেমায় আপনার অবদান যেমন অবিস্মরণীয়, তেমনি মানুষ হিসেবেও আপনি অসাধারণ।শাবনূরের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানিয়ে পূর্ণিমা বলেন, আপনাকে বড় পর্দায় খুব মিস করি। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। অনেক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।পূর্ণিমার এই আবেগঘন পোস্টে ভক্তরাও শাবনূরের প্রতি নিজেদের ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। অনেকেই মন্তব্যে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে আবারও বড় পর্দায় দেখতে চাওয়ার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, বাংলা চলচ্চিত্রে শাবনূর ও পূর্ণিমা দুজনেই নিজ নিজ সময়ে দর্শকপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন। একসময় তাদের নিয়ে নানা তুলনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার আলোচনা থাকলেও বাস্তব জীবনে দুজনের পারস্পরিক সম্মান ও সৌহার্দ্যের চিত্র বারবার সামনে এসেছে। পূর্ণিমার সাম্প্রতিক এই পোস্টও সেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের আরেকটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নতুন উদ্যোক্তাদের বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা ঋণ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন।অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক তরুণদের জন্য বিনা সুদে কোনো ঋণ প্রকল্প চলমান নেই। তবে সহজ শর্তে এবং স্বল্প সুদে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক নিজস্ব তহবিল থেকে বিভিন্ন পুনরর্থায়ন স্কিম পরিচালনা করে আসছে।’আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র খাতে ‘নতুন উদ্যোক্তা পুনরর্থায়ন স্কিম’-এর তহবিলের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।এই তহবিল থেকে নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। এ ছাড়া জামানত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।স্টার্টআপদের জন্য ৪ শতাংশ সুদে ঋণ ও ইক্যুইটি সহায়তা স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করার লক্ষ্যে ‘স্টার্ট আপ ফান্ড’ নামে ৫০০ কোটি টাকার আরো একটি পুনরর্থায়ন তহবিল গঠন করার কথা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এই তহবিল থেকে উদ্যোক্তারা মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন।
২ ঘন্টা আগে
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘন ঘন ভূমিকম্পের ঘটনায় মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকেই জানতে চান, বারবার ভূমিকম্প হওয়া কি কেয়ামতের কোনো আলামত? এ বিষয়ে কোরআন-হাদিসে কী বলা হয়েছে?ভূমিকম্পের আধিক্য কেয়ামতের একটি ছোট আলামতসহিহ হাদিসে ভূমিকম্পের আধিক্যকে কেয়ামতের অন্যতম আলামত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘কেয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না ইলম উঠিয়ে নেওয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে, খুনখারাবি বৃদ্ধি পাবে এবং ধন-সম্পদ এত বেড়ে যাবে যে তা উপচে পড়বে।’ (সহিহ বুখারি: ১০৩৬; ৭১২১)হাদিসে ব্যবহৃত ‘কাসরাতুয-জালাজিল’ শব্দের অর্থ হলো ভূমিকম্পের আধিক্য বা ঘন ঘন ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়া। এ কারণে আলেমরা একে কেয়ামতের ছোট আলামতগুলোর অন্তর্ভুক্ত করেছেন।কোরআনেও রয়েছে মহাভূমিকম্পের উল্লেখপবিত্র কোরআনের ‘সুরা জিলজাল’-এ কেয়ামতের দিনের ভয়াবহ ভূমিকম্পের কথা বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যখন পৃথিবী তার প্রচণ্ড কম্পনে প্রকম্পিত হবে এবং পৃথিবী তার বোঝা বের করে দেবে।’ (সুরা জিলজাল: ১-২)তবে এই আয়াত কেয়ামতের দিনের বিশেষ ভূমিকম্প সম্পর্কে। পৃথিবীতে বর্তমানে সংঘটিত ভূমিকম্পকে এর সঙ্গে এক করে দেখা সঠিক নয়।পাপাচারের বিস্তারের সঙ্গে দুর্যোগের সম্পর্কআরেক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘এ উম্মতের মধ্যে ভূমিধস, আকৃতি বিকৃতি এবং পাথর বর্ষণের আজাব ঘনিয়ে আসবে।’ এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, তা কখন হবে?’ তিনি বললেন, ‘যখন গায়িকা, বাদ্যযন্ত্রের ব্যাপক প্রসার ঘটবে এবং মদপান ছড়িয়ে পড়বে।’ (জামে তিরমিজি: ২২১২)এই হাদিসে কিছু পাপাচার ও নৈতিক অবক্ষয়ের সঙ্গে বিশেষ ধরনের শাস্তির সম্পর্ক উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কোনো নির্দিষ্ট ভূমিকম্পকে এ হাদিসের বাস্তবায়ন বলে নিশ্চিতভাবে দাবি করা যায় না।সব ভূমিকম্পকে আল্লাহর গজব বলা যাবে নাকোরআনে কিছু জাতির ওপর ভূমিকম্প আল্লাহর শাস্তি হিসেবে নেমে আসার কথা এসেছে। শোয়াইব (আ.)-এর জাতি সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ‘অতঃপর ভূমিকম্প তাদের পাকড়াও করল। ফলে তারা নিজেদের ঘরে উপুড় হয়ে পড়ে রইল।’ (সুরা আরাফ: ৯১)ইসলামের দৃষ্টিতে প্রতিটি ভূমিকম্পই যে আল্লাহর গজব বা শাস্তি, এমন কথা বলা সঠিক নয়। একই ঘটনা কারও জন্য শাস্তি, কারও জন্য পরীক্ষা এবং কারও জন্য মর্যাদা বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।মুমিনের জন্য শিক্ষা ও আত্মসমালোচনার সুযোগপ্রাকৃতিক দুর্যোগ একজন মুমিনকে আখেরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান-মাল ও ফল-ফলাদির ক্ষতির মাধ্যমে; আর ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও।’ (সুরা বাকারা: ১৫৫)তাই ঘন ঘন ভূমিকম্পের ঘটনা একজন মুসলমানকে তওবা, ইস্তেগফার, আত্মসমালোচনা এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।কেয়ামতের সময় একমাত্র আল্লাহই জানেনভূমিকম্পের আধিক্য কেয়ামতের একটি ছোট আলামত হলেও এর অর্থ এই নয় যে কেয়ামত আগামীকাল বা অদূর ভবিষ্যতেই সংঘটিত হবে। কেয়ামতের সঠিক সময় সম্পর্কে একমাত্র আল্লাহই অবগত। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই কেয়ামতের জ্ঞান আল্লাহর কাছেই রয়েছে।’ (সুরা লুকমান: ৩৪)কোরআন-হাদিসের আলোকে ঘন ঘন ভূমিকম্প কেয়ামতের ছোট আলামতগুলোর একটি। তবে কোনো নির্দিষ্ট ভূমিকম্পকে কেয়ামতের চূড়ান্ত সংকেত বা নিশ্চিত আল্লাহর গজব বলা যাবে না। একজন মুমিনের জন্য এসব ঘটনা শিক্ষা গ্রহণ, তওবা-ইস্তেগফার করা এবং আখেরাতের প্রস্তুতি জোরদার করার উপলক্ষ।
লটকন যেভাবে গাছের নিচ থেকে উপর পর্যন্ত ফলন আসে তা দেখে মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই। লটকন বা নটকো এক প্রকার টক মিষ্টি ফল।গাছটি দক্ষিণ এশিয়ায় বুনো গাছ হিসেবে জন্মালেও বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে বাণিজ্যিক চাষ হয়।একসময় বাংলাদেশে অপ্রচলিত ফলের তালিকায় ছিল লটকন। কিন্তু বর্তমানে এই ফল বাণিজ্যিক আকারে ব্যাপক আকারে উৎপাদন হচ্ছে। উন্নত জাতের সুমিষ্ট লটকনের চাষ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এর জনপ্রিয়তাও বেশ বেড়ে যাচ্ছে। নরসিংদীতে ফলন বেশি হলেও সিলেট, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাজীপুর জেলাগুলোতে বাণিজ্যিকভাবে লটকনের চাষ হচ্ছে।আর লটকন চাষাবাদ একদম সহজ এবং বলা যায় খুব অল্প যত্নেই গাছ বেড়ে ওঠে। নরসিংদির এক বাগান মালিকের সাথে কথা বলে জানা যায়,একটা গাছে আনুমানিক ৫ থেকে ১০ মণ লটকন উৎপাদন হয়ে থাকে যা আনুমানিক ১২০ টাকা থেকে ২০০+ টাকা দরে বিক্রি করা যায়।বুনো ফল লটকনে বহু রকমের পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এই ফলে পানি, প্রোটিন, আঁশ, বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন এবং অন্যান্য খনিজ উপাদান রয়েছে। লটকনে আছে অ্যামাইনো অ্যাসিড ও এনজাইম যা দেহ গঠন ও কোষকলার সুস্থতায় সহায়তা করে।এক সময় স্থানীয় লোকজন জংলি ফল বলে ডাকতো। অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ওষুধি গুণে ভরপুর এই লটকন। শুরুর দিকে বন-বাদাড় আর ঝোপ-ঝাড়ে জন্ম নেওয়া এ ফলের তেমন কদর না থাকলেও সময়ের ব্যবধানে এ ফলের কদর বেড়েছে বহুগুণ। যার কারণে বর্তমানে এ ফলটি দেশের চাহিদা মিটিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে রপ্তানি হচ্ছে। নরসিংদীতে লটকন চাষের ইতিহাস সম্পর্কে জানা যায়, প্রায় ১২০ বছর পূর্বে শিবপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আজকিতলা গ্রামে লটকন চাষের গোড়াপতন করেন মরহুম হাজি আব্দুল আজিজ। পরবর্তীতে আস্তে আস্তে তা ছড়িয়ে পরে রায়পুরা এবং বেলাব উপজেলার লাল মাটির এলাকায়। সময়ের ব্যবধানে সম্পূর্ণ নরসিংদীতে এ লটকন বাণিজ্যিকভাবে ছাড়াও প্রায় বাড়ির আঙ্গিনাতে পারিবারিক ফলের চাহিদা মেটাতে লটকন গাছ লাগাচ্ছে।উপকারিতাটক-মিষ্টি ও রসালো ফলটি খেতে যেমন মুখরোচক, তেমনি এর উপকারিতাও অনেক। ১০০ গ্রাম লটকনে পাওয়া যায় ৯২ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি। একই পরিমাণ লটকনে ভিটামিন সি রয়েছে ১৭৮ মিলিগ্রাম, শর্করা ১৩৭ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ১৭৭ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৬৯ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি-১ ১৪.০৪ মিলিগ্রাম এবং ভিটামিন বি-২ শূন্য দশমিক ২০ মিলিগ্রাম। তবে ডায়াবেটিস রোগী হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে।এছাড়াও লটকনের রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যগুণ-হজমে সহায়ক: লটকনে প্রচুর আঁশ রয়েছে। যা হজমপ্রক্রিয়া ঠিকমতো কাজ করতে সাহায্য করে।ক্যানসার প্রতিরোধ: লটকনে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধী উপাদান। নিয়মিত খাদ্যতালিতায় এই ফল রাখুন।শরীরে আর্দ্রতা ঠিক রাখে: লটকরে প্রচুর পানি থাকে যা শরীরকে ডিহাইড্রেট হ্ওয়া থেকে রক্ষা করে। এছাড়া্ও তৃষ্ণা নিবারণের জন্য খেতে পারেন লটকন। এছাড়াও এখান থেকে আপনি ভালো নিউট্রিশনাল উপাদান পেতে পারেন।চর্মরোগ প্রতিকার: শরীরের বিভিন্ন চর্মরোগে প্রতিকারে শক্তিশালী উপাদান হিসেবে বিবেচিত লটকন। এই ফল খোচপাচড়া, ক্যাবিস, দাদ প্রতিকারে বেশ কার্যকরী।সুগারের মাত্রা ঠিক রাখে: লটকন খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এতে অতিরিক্ত সুগার নেই, তাই যতই খান না কেন শরীরে ব্লাড সুগার মাত্রা বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই।শরীরে শক্তির উৎস: লটকন ফল শরীরে শক্তি বৃদ্ধি করে। এতে পর্যাপ্ত ভিটামিন, খনিজ এবং প্রোটিন রয়েছে যা খাওয়ার পর পরই শরীরে বল পাওয়া যায়। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় লটকন রাখলে সারাদিন কর্মক্ষম থাকবেন।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।