জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য নাঈম হাসানকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে মারধর ও থানায় নিয়ে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় খুলশী থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও দুই কনস্টেবলকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।শুক্রবার (১২ জুন) রাতে চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে শনিবার সকালে নাঈমের ভাই সাব্বির আলম বাদী হয়ে খুলশী থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল ও পুলিশের সোর্স সোহেলকে আসামি করা হয়েছে।জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার জানান, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের খেলা শেষে শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামে ফেরেন তিনি। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অটোরিকশায় বাসায় ফেরার পথে লালখান বাজার এলাকায় পুলিশ পরিচয়ে কয়েকজন ব্যক্তি গাড়ি থামান।ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর, এসআইসহ ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহারকক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমাননাঈমের অভিযোগ, গাড়ি থামানোর পর তাকে জোর করে নামিয়ে পরিচয়পত্র দেখানো সত্ত্বেও এসআই শফিকুল ইসলাম লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। একই সঙ্গে সাদা পোশাকে থাকা এক ব্যক্তি পাইপ দিয়ে তাকে মারধর করেন। তিনি বারবার নিজেকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে পরিচয় দিলেও কেউ তা আমলে নেননি।ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর, এসআইসহ ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহারদুই বোনের গোসলের ভিডিও ধারণ, যুবক গ্রেপ্তারনাঈম বলেন, ‘ঘটনাস্থলে শতাধিক মানুষ জড়ো হয়ে আমার পরিচয় নিশ্চিত করলেও তারা মারধর থামায়নি। উল্টো আমাকে আসামি বলে চুপ থাকতে বলা হয়।’তিনি আরও অভিযোগ করেন, মারধরের এক পর্যায়ে তাকে একটি অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে খুলশী থানায় নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেও তিনি হেনস্তার শিকার হন।নাঈম জানান, থানায় তার মোবাইল ফোন ফেরত পাওয়ার পর তিনি বিসিবির সভাপতি তামিম ইকবালকে বিষয়টি জানান। পরে বিসিবির কর্মকর্তারা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করলে পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়।ঘটনার বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) আমিরুল ইসলাম বলেন, একটি অটোরিকশায় সোনা চোরাচালানের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছিল। তবে অভিযানের আগে নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল কি না এবং তথ্য কতটা সঠিক ছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। আপাতদৃষ্টিতে কিছু ভুলত্রুটি পাওয়া গেছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ছুটিতে থাকা খুলশী থানার এসআই মনিরুল ইসলামের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসআই শফিকুল ইসলাম ওই অভিযান পরিচালনা করেন। তথ্য ছিল একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় সোনার চালান বহন করা হচ্ছে।এদিকে ছেলের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার দাবি করেছেন নাঈমের বাবা মাহবুবুল আলম। তিনি বলেন, খবর পেয়ে থানায় গেলে ডিউটি অফিসার তার সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করেন।ঘটনার পর রাতে থানায় ভিড় করেন নাঈমের স্বজন ও ক্রিকেটপ্রেমীরা। তারা জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।খুলশী থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, অভিযানের বিষয়ে তাকে আগে কিছু জানানো হয়নি। থানায় আনার পর নাঈমের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেলে তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হয়। তবে ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত ভুক্তভোগী পক্ষ থানা ছাড়তে রাজি হয়নি।তিনি আরও জানান, ঘটনার পরপরই এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল এবং অভিযানে অংশ নেওয়া আরও এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
খাল খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবার কক্সবাজারের পাতিলী-মাছুয়াখালী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৩ জুন) সকাল পৌনে ১১টার দিকে সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে তিনি এ কার্যক্রমের সূচনা করেন। সেখানেই তিনি একটি সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন।এর আগে বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী সস্ত্রীক কক্সবাজারে পৌঁছান। সেখান থেকে সড়কপথে দিনভর নানা কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন সরকারপ্রধান।সকালে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন শেষে মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর পেকুয়া উপজেলায় জুলাই শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত এবং শহীদ ওয়াসিমের পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। তারপরে নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভা এবং নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং বিকালে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালের সামনে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় যোগদান করবেন সরকারপ্রধান।এরপর মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন এবং সন্ধ্যায় লং বিচ হোটেলে সুধী সমাবেশে যোগদান করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ কর্মসূচি শেষে আকাশপথে ঢাকায় ফিরবেন তিনি।দেড় দশকের বেশি সময় লন্ডন থাকার পরে গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরে তারেক রহমানের এটিই প্রথম কক্সবাজার সফর।প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারসহ ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা আগেই বলেছি বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য এবং সে জন্যই আমরা কৃষক ভাইদের পাশের দাঁড়ানোর জন্য খাল খনন কর্মসূচি যেমন শুরু করেছি। একই সাথে আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম, কৃষক ভাইদের বীজ ও কীটনাশক ওষুধ কেনার জন্য এককালীন আড়াই হাজার টাকার একটি সুবিধা দিতে চাই এবং সেটি দেব কৃষক কার্ডের মাধ্যমে, ইনশাল্লাহ। শনিবার (১৩ জুন) ঢাকা থেকে বেসরকারি বিমান ইউএস-বাংলা বিমানযোগে দুই যুগ পর কক্সবাজারে পা রাখেন প্রধানমন্ত্রী। সফরের সূচনাতেই প্রধানমন্ত্রী তার বাবা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক পাতলী খালের পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই কক্সবাজারের পিএমখালী এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে পাটলি খাল পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড হাতে নিয়ে প্রিয় নেতাকে বরণ করে শুভেচ্ছা জানান। ১৯৭৭ সালে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গ্রামীণ অর্থনীতি ও সেচ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী যে ঐতিহাসিক খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন, পিএমখালীর এই পাতলী খালটি তারই অন্যতম সাক্ষী; ১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই খাল খননের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। কক্সবাজারের এই স্থানীয় উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে আগামী ৫ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের একটি বৃহৎ জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। যার প্রথম দফায় চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ১ হাজার ২০৪ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ এগিয়ে চলছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, শুধু খাল খননই নয়, পরিবেশ রক্ষায় খালের পাড় সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদেও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।দিনভর নানা কর্মসূচি শেষে রাতে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী।
চট্টগ্রামে ডিবি পরিচয়ে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৩ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর লালখানবাজার ফ্লাইওভারের মুখে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন তিনি।জানা যায়, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলা শেষে নিজ শহর চট্টগ্রামে ফেরেন নাঈম হাসান। বিমানবন্দর থেকে সিএনজিতে করে বাসায় যাওয়ার পথে গাড়ি থেকে নামিয়ে জোরপূর্বক পুলিশের গাড়িতে উঠানো ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন তিনি। জাতীয় দলের এই অফ স্পিনারের অভিযোগ, ডিবি পরিচয়ে প্রথমে তাকে চেক করা হয়, পরবর্তীতে সাদা পোশাকে থাকা একজন ও দুই পুলিশ সদস্য তাকে মারধর শুরু করে। নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও সেই হেনস্তা থেকে রেহাই পাননি বলে অভিযোগ করেছেন নাঈম হাসান।
পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদল পর থেকে একাধিক হেভিওয়েট নেতার দলত্যাগের গুঞ্জন উঠেছিল। সম্প্রতি টলিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক রাজনীতি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার পর এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন টলিউড সুপারস্টার দীপক অধিকারী (দেব), অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সায়নী ঘোষসহ মোট ১৯ জন সংসদ সদস্য। ভারতীয় গণমাধ্যম আজকাল ডটকম ১৯ সদস্যের পদত্যাগের একটি চিঠি প্রকাশ করেছে, যা রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। তালিকায় দলটির একাধিক প্রভাবশালী নেতার পাশাপাশি ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানের নামও রয়েছে।তবে গণপদত্যাগের চিঠির তারিখ ও আইনি বৈধতা নিয়ে দলটির ভেতরে জলঘোলা হতে শুরু করেছে। তৃণমূলের বিদায়ী লোকসভার দলনেতা কাকলি ঘোষ দস্তিদার দাবি করেছেন, গত সোমবার, ৮ জুন পদত্যাগপত্রটি স্পিকারের অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে চিঠিতে নাটকীয়ভাবে আগামী ১৮ জুন তারিখের উল্লেখ রয়েছে। মূলত ১৮ জুন পর্যন্ত লোকসভায় দলনেতার দায়িত্বে ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং ১৯ জুন থেকে তাঁর স্থলাভিষিক্ত করা হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে।তারিখের গরমিল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিদায়ী দলনেতা কাকলি ঘোষ দস্তিদার সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি অফিশিয়ালি চিফ হুইপ থাকাকালীন গত ১৮ মে ১৯ জন সংসদ সদস্যের স্বাক্ষর সম্বলিত চিঠি স্পিকারের অফিসে জমা দিয়েছি।কাকলির দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছে দলটির বর্তমান শীর্ষ নেতৃত্ব। মমতা-পন্থী অংশের দাবি, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিফ হুইপ করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে স্পিকারের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছিল ২০ মে, যা গৃহীত হয় ২৯ মে। ফলে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের জমা দেওয়া চিঠির সই এবং তার আইনি বৈধতা নিয়ে স্পিকারের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব। সব মিলিয়ে তারকা সাংসদদের আকস্মিক পদত্যাগ এবং চিঠির তারিখ বিতর্কে তৃণমূল নতুন সংকটের মুখে পড়েছে।
টানা চার দফা কমার পর দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকা। স্থানীয় বাজারে খাঁটি স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নতুন এ মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।নতুন দাম শনিবার সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে বলে বলে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৭৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।সবশেষ গত ১১ জুন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৩৫০ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ৪৩৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৯২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭৪ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৩৬ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সঙ্গে দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ২৯১ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ১৩২ টাকা।এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২ ঘন্টা আগে
হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ জন বাংলাদেশি হাজি। হজ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে ৫০ জন হজযাত্রী ও হাজি মারা গেছেন।শুক্রবার (১২ জুন) দিনগত রাত ৩টা পর্যন্ত ১২৩টি ফিরতি ফ্লাইটে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৩ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫০ হাজার ১০ জন দেশে ফিরেছেন।ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালে আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গত ২৬ মে সৌদি আরবে হজ অনুষ্ঠিত হয়।পোর্টালে জানানো হয়, সর্বশেষ গত ১১ জুন বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী সুলতানা রাজিয়া চৌধুরী (৬৭) মদিনায় মারা গেছেন। তার বাড়ি সিলেট সদরে।সৌদি আরবে মৃত্যুবরণ করা বাংলাদেশি হজযাত্রীদের মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ ও ১৭ জন নারী। এদের মধ্যে মক্কায় ৩৫, মদিনায় ১৪ ও জেদ্দায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।বুলেটিন অনুযায়ী, দেশে ফেরা ৫৪ হাজার ৩২৩ জন হাজির মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৩ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫০ হাজার ১০ জন রয়েছেন।এসব হাজি দেশে ফেরাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৫৮টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৪৮টি এবং ফ্লাইনাস ২১টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।হজ বুলেটিনে আরও জানানো হয়, সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানীয় হাসপাতালে মোট ৪১০ জন হাজি চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। বর্তমানে ১৮ জন হাজি বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।এবার বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করেছেন। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালন করেন। হজযাত্রীদের সৌদি আরবগামী প্রথম ফ্লাইট ছিল ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে। অন্যদিকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে ৩০ মে, যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।
বিবাহ একটি সামাজিক ও আইনি বন্ধন, যা শুধু ভরণ-পোষণ বা সংসারের দায়িত্বের ওপর নির্ভর করে না; বরং এটি টিকে থাকে দুইজন মানুষের পারস্পরিক মানসিক বোঝাপড়ার ওপর। দাম্পত্য জীবনে মানসিক শান্তি ও সুন্দর সম্পর্কের জন্য জ্যোতিষশাস্ত্র মতে বিবাহের পূর্বে যোটক বা রাশির বিচার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বিপরীতমুখী স্বভাবের মানুষের মধ্যে বনিবনা হওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। সম্পর্কের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে কোন রাশির সাথে কোন রাশির বিবাহ এড়িয়ে চলা উচিত, তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো-মেষ ও বৃষ: মেষ রাশির জাতক-জাতিকারা স্বাধীনচেতা স্বভাবের হওয়ায় বৃষ রাশির সঙ্গে তাদের মিল হওয়া কঠিন।বৃষ ও ধনু: বৃষ রাশির মানুষরা লক্ষ্যে স্থির ও সৎ থাকেন, অন্যদিকে ধনু রাশি তাদের থেকে ভিন্ন প্রকৃতির হওয়ায় এই জুটি অযোগ্য বলে বিবেচিত।মিথুন ও মকর: এই দুটি রাশির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী, তাই এদের সম্পর্ক খুব একটা সুখকর হয় না।কর্কট ও কুম্ভ: কর্কট রাশি অত্যন্ত আবেগপ্রবণ, কিন্তু কুম্ভ রাশির ব্যক্তিদের মধ্যে আবেগের আধিক্য কম থাকে, যা মানসিক দূরত্বের কারণ হতে পারে।সিংহ ও বৃশ্চিক: সিংহ রাশির জাতকরা মানসিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী ও স্বাধীনচেতা, তারা অন্যের বশ্যতা স্বীকার করতে চান না, তাই বৃশ্চিক রাশির সাথে তাদের বিবাদ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।কন্যা ও ধনু: কন্যা রাশির মানুষের পরোপকারী স্বভাবের সাথে ধনু রাশির প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতার বড় ধরনের অমিল দেখা যায়।তুলা ও কন্যা: তুলা রাশির মানুষ নিজের চিন্তা-ভাবনায় বেশি মশগুল থাকেন, যা কন্যা রাশির সেবাধর্মী মানসিকতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।বৃশ্চিক ও মেষ: বৃশ্চিক রাশির মানুষরা নরম মনের জীবনসঙ্গী পছন্দ করেন, যা মেষ রাশির ক্ষেত্রে সাধারণত দেখা যায় না।ধনু ও বৃষ: ধনু রাশির ব্যক্তিরা নিজের কাজে ব্যস্ত থাকেন, আর বৃষ রাশি নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এই জুটির মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব ঘটে।মকর ও মিথুন: জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, মকর রাশির জন্য মিথুন রাশিকে সবচেয়ে খারাপ ম্যাচ হিসেবে গণ্য করা হয়।কুম্ভ ও কর্কট: কুম্ভ রাশির ব্যক্তিরা অনেক বিষয়ে যত্নশীল হলেও কর্কট রাশির সাথে তাদের মানসিক মেলবন্ধন খুব একটা শুভ হয় না।মীন ও কন্যা: এই দুই রাশির পারস্পরিক স্বভাবের পার্থক্যের কারণে তাদের বিবাহিত জীবন সুখী হওয়া প্রায় অসম্ভব।উপযুক্ত রাশির সঠিক বিচার এবং একে অপরের মানসিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করলে দাম্পত্য জীবন অনেক বেশি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।