বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তবে তিনি নিজ সিদ্ধান্তে ঢাকা ফিরে গেছেন বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমইএ)।মঙ্গলবার (২৩ জুন) সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ১৪ জুন একটি ব্যক্তিগত পাসপোর্ট ও সার্ক ভিসা নিয়ে ভারতে আসেন। তার উদ্দেশ্য ছিল ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ২৮তম বৈঠকে অংশ নেওয়া।জয়সওয়াল জানান, দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিবাসন কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে সফরের উদ্দেশ্য পুনরায় নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে তিনি নিজ ইচ্ছায় ঢাকা ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।এর আগে জাহেদ উর রহমানকে দিল্লি বিমানবন্দরে কিছু সময় আটকে রাখার ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছিল। মূলত নিরাপত্তা-সংক্রান্ত একটি নজরদারি তালিকায় তার নাম থাকায় অভিবাসন কর্মকর্তারা তাকে সাময়িকভাবে আটকে রেখেছিলেন।
রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিজিবির জনসংযোগ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধানমন্ডি, শাহবাগ, আবরার ফাহাদ এভিনিউ, বাংলামোটর, কারওরান বাজার, শেরেবাংলা নগর ও মহাখালীসহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিজিবি মোতায়েন করা হলো।এর আগে দেশের আরও পাঁচটি জেলায় বিজিবি মোতায়েনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এসব জেলার মধ্যে রয়েছে কক্সবাজার, মাদারীপুর, শেরপুর, গাজীপুর এবং মৌলভীবাজার। সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যায় বিজিবি সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং সম্ভাব্য যেকোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে সোমবার সন্ধ্যা থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।এ ছাড়া দেশের অন্যান্য জেলায় প্রয়োজন দেখা দিলে দ্রুত মোতায়েনের জন্য বিজিবির অতিরিক্ত সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিজিবির জনসংযোগ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধানমন্ডি, শাহবাগ, আবরার ফাহাদ এভিনিউ, বাংলামোটর, কারওরান বাজার, শেরেবাংলা নগর ও মহাখালীসহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিজিবি মোতায়েন করা হলো।এর আগে দেশের আরও পাঁচটি জেলায় বিজিবি মোতায়েনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এসব জেলার মধ্যে রয়েছে কক্সবাজার, মাদারীপুর, শেরপুর, গাজীপুর এবং মৌলভীবাজার। সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যায় বিজিবি সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং সম্ভাব্য যেকোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে সোমবার সন্ধ্যা থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।এ ছাড়া দেশের অন্যান্য জেলায় প্রয়োজন দেখা দিলে দ্রুত মোতায়েনের জন্য বিজিবির অতিরিক্ত সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
বিশ্বকাপের শুরুতেই জমে উঠেছে গোল্ডেন বুটের লড়াই। টুর্নামেন্টের মাত্র দুই ম্যাচ শেষ হলেও বিশ্বের সেরা কয়েকজন ফরোয়ার্ড ইতোমধ্যে গোলের বন্যা বইয়ে দিয়েছেন, যা ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।বর্তমানে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার ওপরে রয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। দুই ম্যাচে পাঁচ গোল করে তিনি তালিকার শীর্ষস্থান দখল করে আছেন। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি নিজের গোলসংখ্যা আরও বাড়িয়েছেন এবং বিশ্বকাপের গোলসংক্রান্ত একটি রেকর্ডও ভেঙেছেন।মেসির ঠিক পেছনেই আছেন ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ও নরওয়ের গোলমেশিন এরলিং হালান্ড। দুজনই দুই ম্যাচে চারটি করে গোল করেছেন। ইরাকের বিপক্ষে নিজের ১০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে এমবাপ্পে দুটি গোল করে দলকে জয় এনে দেন। অন্যদিকে সেনেগালের বিপক্ষে হালান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ে নিশ্চিত করেছে নকআউট পর্বের টিকিট।বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি মাত্র দ্বিতীয়বার, যখন দুই ম্যাচ শেষে তিনজন খেলোয়াড় চার বা তার বেশি গোল করেছেন। সর্বশেষ এমন ঘটনা ঘটেছিল ১৯৫৪ সালের বিশ্বকাপে।এদিকে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইনও রয়েছেন আলোচনায়। প্রথম ম্যাচে জোড়া গোল করা এই স্ট্রাইকারের সামনে রয়েছে গোলসংখ্যা বাড়িয়ে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করার সুযোগ।বিশেষজ্ঞদের মতে, এবারের গোল্ডেন বুটের প্রতিযোগিতা হতে পারে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম স্মরণীয় লড়াই। মেসি, এমবাপ্পে, হালান্ড ও কেইনের মতো বিশ্বমানের ফরোয়ার্ডরা যেভাবে গোল করে চলেছেন, তাতে শেষ পর্যন্ত কে সেরা গোলদাতার পুরস্কার জিতবেন, তা নিয়ে এখনই কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন।ফুটবলপ্রেমীদের জন্য তাই এবারের বিশ্বকাপ শুধু শিরোপার লড়াই নয়, বরং গোল্ডেন বুটের দৌড়ও হয়ে উঠেছে সমান আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।
জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি বাতিল করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। ঢাকা মেইলকে খবরটি নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী সালমান শাহর মামা ও চলচ্চিত্র পরিচালক আলমগীর কুমকুম।তিনি বলেন, ‘সালমান শাহর লাশ কবর থেকে তোলার নির্দেশ বাতিল করেছেন মহামান্য আদালত। আমি আজ ঢাকায় এসেছি এবং লাশ তোলার ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে আবেদন করেছিলাম। কারণ তার (সালমান শাহ) দাফন হয়েছে হজরত শাহ জালাল (রহ.)-এর রওজা শরীফে। দুই বার পোস্টমর্টেম হয়েছে। দ্বিতীয়বার বলা হয়েছে ডিকম্পোজড। ধর্মীয় অনুভূতি, সালমানের মা ও ভক্তবৃন্দের আপত্তি বিবেচনা করা হয়েছে। কেননা ভক্তরা ঘোষণা দিয়েছিলেন সালমান শাহর লাশ তোলা হলে তারা আত্মহত্যা করবেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আবেদন করেছিলাম। মাননীয় আদালত সেটি গ্রহণ করেছেন।’ এর আগে গেল ২৪ মে অভিনেতার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি এবং ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন আদালত। ২০ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ সালমান শাহর লাশ তোলার আবেদন করেছিলেন।তিনি বলেছিলেন, হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রখ্যাত চিত্রনায়ক সালমান শাহর লাশ কবর থেকে উত্তোলনপূর্বক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতির আবেদন করি। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। কিছু কার্যক্রম আছে, তা শেষ করে আমরা লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করব। মামলার নথি অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে সালমান শাহ নিউ ইস্কাটন রোডের বাসায় অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই সময় রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয় এবং সিলেটের শাহজালাল (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হয়।গেল বছরের ২১ অক্টোবর মধ্যরাতে রাজধানীর রমনা থানায় সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলা করেন তার মামা আলমগীর কুমকুম। এর আগের দিন ২০ অক্টোবর দুপুরে প্রয়াত এই নায়ককে কি আত্মহত্যা করেছিলেন নাকিতাঁকে হত্যা করা হয়েছিল তা জানতে সালমান হত্যা মামলা পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। আলমগীর কুমকুম তার মামলায় প্রথম আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করেন সালমানের প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা হককে। অন্যান্য আসামিরা হলেন ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, খলনায়ক ডন। সালমান শাহকে হত্যা মামলায় তার প্রাক্তন স্ত্রীসহ মোট ১১ জনের নাম রয়েছে।
দেশের বাজারে সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে।সোমবার (২২ জুন) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে।বাজুস জানায়, সোমবার সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এ দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।নতুন দাম অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণালঙ্কারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা।এ ছাড়া ভ্যাটসহ ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই লাখ ২০ হাজার ৩৮৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৮৯ হাজার ২৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৫৪ হাজার ৬০১ টাকা।সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ২৪৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ২০৮ টাকা।
১ দিন আগে
মানুষের শরীরের ছোট একটি অঙ্গ জিহ্বা। কিন্তু এর প্রভাব অত্যন্ত গভীর। একটি ভালো কথা মানুষকে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাতের পথে এগিয়ে দিতে পারে, আবার একটি অসতর্ক বাক্য তাকে গুনাহ ও ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিতে পারে। এ কারণেই ইসলাম কথাবার্তার ক্ষেত্রে সংযম ও সতর্কতার শিক্ষা দিয়েছে। বিশেষত অপ্রয়োজনীয় ও অর্থহীন কথা থেকে বিরত থাকার প্রতি জোর দেওয়া হয়েছে। কারণ অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা ধীরে ধীরে হৃদয়ের কোমলতা নষ্ট করে দেয়। আর হৃদয় কঠিন হয়ে গেলে আল্লাহভীতি, আত্মসমালোচনা ও জবাবদিহিতার অনুভূতি দুর্বল হয়ে পড়ে।বেশি কথা হৃদয়কে কঠিন করেরাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘আল্লাহর জিকির ছাড়া বেশি কথা বলো না। কারণ আল্লাহর জিকির ছাড়া বেশি কথা বলা হৃদয়কে কঠিন করে দেয়। আর আল্লাহ থেকে সবচেয়ে দূরের মানুষ হলো কঠিন হৃদয়ের মানুষ।’ (জামে তিরমিজি: ২৪১১)এই হাদিসে অপ্রয়োজনীয় কথার অন্যতম বড় ক্ষতির কথা বলা হয়েছে। মানুষের হৃদয় যখন কঠিন হয়ে যায়, তখন কোরআনের উপদেশ, মৃত্যুর স্মরণ কিংবা মৃত্যুর পরের চিন্তা তার ওপর আগের মতো প্রভাব ফেলে না। ফলে আল্লাহর ভয়, আত্মসমালোচনা এবং আখেরাতের জবাবদিহিতার অনুভূতি ক্রমেই ম্লান হতে থাকে।মুমিনের পরিচয় অনর্থক কথা বর্জনপবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা সফল মুমিনদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ‘নিশ্চয়ই মুমিনরা সফল হয়েছে... যারা অনর্থক কথাকর্ম থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে।’ (সুরা মুমিনুন: ১-৩)তাফসিরবিদদের মতে, ‘লাগও’ বা অনর্থক কথার মধ্যে এমন সব কথা অন্তর্ভুক্ত, যা দুনিয়া বা আখেরাতের কোনো উপকারে আসে না। একজন মুমিন নিজের সময় ও জিহ্বাকে এসব থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করে।
সকালের ক্লান্তি কাটাতে কিংবা শরীর চাঙ্গা রাখতে অনেকেরই ভরসা এক কাপ কফি। কেউ আবার দিনের শুরু থেকে কাজের ফাঁকে ফাঁকে একাধিকবার কফি পান করেন। কিন্তু অতিরিক্ত কফি পান কি শরীরের জন্য সবসময় ভালো? গবেষণা বলছে, কফি সাময়িকভাবে সতেজ রাখলেও এর মধ্যে থাকা ক্যাফেইন ঘুম ও হৃদযন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোর ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, কফি পানকারীদের ঘুমের সময় কমে যায় এবং বুক ধড়ফড় করার প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন নামের বিজ্ঞান সাময়িকীতে।গবেষণায় যা উঠে এসেছেগবেষণায় ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রাম যন্ত্রের মাধ্যমে টানা দুই সপ্তাহ ধরে ১০০ জনের ওপর নজর রাখা হয়। অংশগ্রহণকারীদের বয়স ছিল ২৬ থেকে ৫২ বছর। তাদের একাংশকে দিনে চারবার এক কাপ করে কফি দেওয়া হয়, আর অন্য অংশকে কফি দেওয়া হয়নি।গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, যারা কফি পান করেছেন তারা অন্যদের তুলনায় দিনে প্রায় ১ হাজার ধাপ বেশি হাঁটতে পেরেছেন। অর্থাৎ কফি তাদের কিছুটা সক্রিয় রাখতে সাহায্য করেছে। তবে এর বিপরীত দিকও দেখা গেছে। কফি পানকারীদের রাতের ঘুম গড়ে প্রায় ৩৫ মিনিট কম হয়েছে।কফি কেন বাড়ায় বুক ধড়ফড়?বিশেষজ্ঞদের মতে, কফির ক্যাফেইন হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক ছন্দে প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে বুক ধড়ফড় বা হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।গবেষণায় দেখা গেছে, কফি পানকারীদের মধ্যে হৃদযন্ত্রের অনিয়মিত স্পন্দনের কিছু সমস্যা তুলনামূলক বেশি ছিল। বিশেষ করে হৃৎপিণ্ডের ওপরের ও নিচের অংশের ছন্দের পরিবর্তন হলে সমস্যা বাড়তে পারে।হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের আগে থেকেই বুক ধড়ফড় বা হৃদস্পন্দনের সমস্যা রয়েছে, তাদের কফি পান করার বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কারণ অতিরিক্ত সমস্যা হলে জমাট রক্ত তৈরি হয়ে তা মস্তিষ্কে পৌঁছে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।কফি কম ঘুমের কারণ কেন?ঘুম বিশেষজ্ঞদের মতে, ভালো ঘুমের সঙ্গে হার্ট স্বাস্থ্যের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। কফির ক্যাফেইন শরীরে ঘুম আনার হরমোনের কার্যক্রম কমিয়ে দিতে পারে। ফলে রাতে ঘুম আসতে দেরি হয় এবং ঘুমের সময় কমে যেতে পারে।দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে এর প্রভাব শরীরের বিভিন্ন অংশে পড়ে। বিশেষ করে হৃদযন্ত্রের সুস্থতা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।তাহলে কি কফি একেবারেই বাদ দিতে হবে?বিশেষজ্ঞদের মতে, সবার জন্য কফি ক্ষতিকর নয়। তবে যাদের বুক ধড়ফড়ের সমস্যা রয়েছে বা ঘুমের সমস্যা হয়, তাদের অতিরিক্ত কফি এড়িয়ে চলা ভালো।শরীর চাঙ্গা রাখতে কফির ওপর অতিরিক্ত নির্ভর না করে পর্যাপ্ত ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং নিয়মিত জীবনযাপনের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।