ঢাকা শুক্রবার ১৩ মাঘ ১৪৩১ সকাল ০২:৪৯:২৬ (13-Feb-2026)

ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কৃতজ্ঞতা

জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কৃতজ্ঞতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় সমগ্র জাতিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষে তিনি বলেন, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক দলসমূহের দায়িত্বশীল আচরণ, প্রার্থীদের সংযম ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের পেশাদারিত্ব—এই সম্মিলিত প্রচেষ্টাই প্রমাণ করেছে যে গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার অটুট। জনগণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, পর্যবেক্ষক দল, গণমাধ্যমকর্মী এবং ভোটগ্রহণে সম্পৃক্ত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ জানাই। তাদের নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের ফলেই এই বিশাল গণতান্ত্রিক আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শেষে চলছে গণনা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শেষে চলছে গণনা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ শেষে শুরু হয়েছে গণনা। এবার ফলাফলের অপেক্ষা।বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। তবে যারা এখনো ভোট কেন্দ্রের ভেতরে অপেক্ষায় আছেন, তারা ভোট প্রয়োগ করার সুযোগ পাবেন।সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট নেওয়া হয়। ৯ ঘণ্টা ২৯৯টি আসনে ভোট গ্রহণ চলে। সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয় ভোট গ্রহণ।

উৎসবমুখর পরিবেশে সারাদেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন : গণনার প্রস্তুতি চলছে

উৎসবমুখর পরিবেশে সারাদেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন : গণনার প্রস্তুতি চলছে

উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সারাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। টানা ভোটগ্রহণ চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এখন কেন্দ্রগুলোতে ভোট গণনার প্রস্তুতি চলছে।রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কেন্দ্রগুলোতে বিপুল সংখ্যক ভোটারের উপস্থিতি দেখা গেছে। দীর্ঘদিন পর ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে ভোটারদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। ভোর থেকেই ভোটারদের লাইন ধরে ভোট দিতে দেখা গেছে। অনেকেই সপরিবারে ভোট দিতে আসেন। প্রথমবারের মতো ভোট দিয়ে তরুণ ভোটাররা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। আবার অনেকে জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের পর এবারই তারা ভোটকেন্দ্রে এসেছেন।

  • ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ফলাফল অবশ্যই মেনে নেব : তারেক রহমান

    ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ফলাফল অবশ্যই মেনে নেব : তারেক রহমান

  • দুপুরের পর কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারের দীর্ঘ সারি

    দুপুরের পর কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারের দীর্ঘ সারি

  • আগে ভোট কেন্দ্রে কুকুর দেখা যেত, এখন মানুষ দেখা যায় : সিইসি

    আগে ভোট কেন্দ্রে কুকুর দেখা যেত, এখন মানুষ দেখা যায় : সিইসি

  • বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

    বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

  • শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি

    শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি

  • ভারতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

    ভারতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
ক্লিক করুন →
  • তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

    তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

  • বিএনপির প্রথম নির্বাচনী সমাবেশ, সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠ

    বিএনপির প্রথম নির্বাচনী সমাবেশ, সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠ

  • বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

    বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

  • ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধে প্রথম আসামির আত্মসমর্পণ

    ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধে প্রথম আসামির আত্মসমর্পণ

সব খবর

  • জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কৃতজ্ঞতা

    জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কৃতজ্ঞতা

  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শেষে চলছে গণনা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শেষে চলছে গণনা

  • উৎসবমুখর পরিবেশে সারাদেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন : গণনার প্রস্তুতি চলছে

    উৎসবমুখর পরিবেশে সারাদেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন : গণনার প্রস্তুতি চলছে

  • ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ফলাফল অবশ্যই মেনে নেব : তারেক রহমান

    ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ফলাফল অবশ্যই মেনে নেব : তারেক রহমান

  • দুপুরের পর কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারের দীর্ঘ সারি

    দুপুরের পর কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারের দীর্ঘ সারি

  • আগে ভোট কেন্দ্রে কুকুর দেখা যেত, এখন মানুষ দেখা যায় : সিইসি

    আগে ভোট কেন্দ্রে কুকুর দেখা যেত, এখন মানুষ দেখা যায় : সিইসি

  • বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

    বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

  • শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি

    শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি

  • বিশ্বকাপের আগে নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার জোন্স

    বিশ্বকাপের আগে নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার জোন্স

সব খবর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শেষে চলছে গণনা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শেষে চলছে গণনা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ শেষে শুরু হয়েছে গণনা। এবার ফলাফলের অপেক্ষা।বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। তবে যারা এখনো ভোট কেন্দ্রের ভেতরে অপেক্ষায় আছেন, তারা ভোট প্রয়োগ করার সুযোগ পাবেন।সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট নেওয়া হয়। ৯ ঘণ্টা ২৯৯টি আসনে ভোট গ্রহণ চলে। সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয় ভোট গ্রহণ।

উৎসবমুখর পরিবেশে সারাদেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন : গণনার প্রস্তুতি চলছে

উৎসবমুখর পরিবেশে সারাদেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন : গণনার প্রস্তুতি চলছে

উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সারাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। টানা ভোটগ্রহণ চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এখন কেন্দ্রগুলোতে ভোট গণনার প্রস্তুতি চলছে।রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কেন্দ্রগুলোতে বিপুল সংখ্যক ভোটারের উপস্থিতি দেখা গেছে। দীর্ঘদিন পর ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে ভোটারদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। ভোর থেকেই ভোটারদের লাইন ধরে ভোট দিতে দেখা গেছে। অনেকেই সপরিবারে ভোট দিতে আসেন। প্রথমবারের মতো ভোট দিয়ে তরুণ ভোটাররা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। আবার অনেকে জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের পর এবারই তারা ভোটকেন্দ্রে এসেছেন।

ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ফলাফল অবশ্যই মেনে নেব : তারেক রহমান

ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ফলাফল অবশ্যই মেনে নেব : তারেক রহমান

তারেক রহমান বলেছেন, আমি ঢাকা শহরের কিছু জায়গায় কেন্দ্র ঘুরে এসেছি। গতরাতেও তারা চেষ্টা করেছে, আজও নিশ্চয়ই তাদের সেই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে; তবে জনগণ একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাদের ভোট প্রদান করতে পারছেন। কারণ গত এক যুগের বেশি সময় ধরে মানুষ এই অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এখন মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা আছে।তারেক রহমান বলেন, আমি সবাইকে আহ্বান করব আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি যেন ভোটাররা শান্তিপূর্ণ ও সুন্দরভাবে তাদের এই অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। আমরা সকলে মিলে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারি।বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

আগে ভোট কেন্দ্রে কুকুর দেখা যেত, এখন মানুষ দেখা যায় : সিইসি

আগে ভোট কেন্দ্রে কুকুর দেখা যেত, এখন মানুষ দেখা যায় : সিইসি

ভোট কেন্দ্রে আগে তো আপনারা অনেক কুকুর দেখিয়েছেন টেলিভিশনে, আজ কেন্দ্রের ধারের কাছে কুকুর দেখছি না। আগে দেখিয়েছেন মাঠ খালি, কুকুরের ছবি দিয়ে টেলিভিশনে, পত্রপত্রিকায় দেখিয়েছেন। আজ কুকুর তো খুঁজে পাবেন না। এখন সব মানুষ আর মানুষ।বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন ইস্কাটন গার্ডেন হাইস্কুলে ভোট দিতে এসে এসব কথা বলেন।এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, আমি টেলিভিশনে দেশের অনেক জায়গার পরিস্থিতি দেখেছি। পঞ্চগড়ের মতো জায়গায় নারীরা সকাল থেকে কুয়াশার মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। আমাদের যুব সমাজ এবং নারীরা আমাদের শক্তিতে রূপান্তর হবে ইনশাল্লাহ।

ভারতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

ভারতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

বুধবার ২৮ জানুয়ারি সকালে ভারতের মহারাষ্ট্রের বারামতিতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বারামতি বিমানবন্দরে অবতরণের চেষ্টার সময় উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়।দুর্ঘটনায় বর্ষীয়ান এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারের ভাতিজা ও মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ আরও চারজন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাইলট ও অজিত পাওয়ারের নিরাপত্তা কর্মকর্তা রয়েছেন। ওই দিন মহারাষ্ট্রের আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে নিজের শহর বারামতিতে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যাচ্ছিলেন তারা।বিমানের নজরদারি করা কয়েকটি সংস্থার তথ্যমতে, ওড়ার ২৪ মিনিটের মাথায় হঠাৎ সংকেত পাঠানো বন্ধ করে দেয় বিমান। পরে অবশ্য কয়েক মিনিটের মধ্যে আবারও সংকেত পাঠানো হয়।ফ্লাইটরাডার ২৪’-এর তথ্যমতে, অজিতের বিমানটি প্রথমবারের চেষ্টায় বারামতির রানওয়েতে নামতে পারেনি। এরপর একবার ঘুরে ফের অবতরণের চেষ্টা করেছিল। পরে ৮টা ৪৩ মিনিট থেকে ওই বিমানের সিগন্যাল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সময়েই বিমানটি ভেঙে পড়েছে।জানা গেছে, যে জায়গা থেকে বিমানটি সংকেত পাঠানো বন্ধ করেছিল সেটি মূল অবতরণস্থল বারামতি বিমানবন্দর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে। বারামতি বিমানবন্দরের ম্যানেজার শিবাজি তাওয়াড়ে জানান, অবতরণের সময়ে রানওয়ের থেকে কিছুটা দূরে ভেঙে পড়ে বিমানটি। মাটিতে আছড়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়।

বিশ্বকাপের আগে নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার জোন্স

বিশ্বকাপের আগে নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার জোন্স

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ঠিক আগে যুক্তরাষ্ট্র ক্রিকেট দলে বড় ধাক্কা এলো। অভিজ্ঞ ব্যাটার অ্যারন জোন্সকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে (আইসিসি)। দুর্নীতিবিরোধী বিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ ওঠায় তাকে আপাতত মাঠের বাইরে থাকতে হচ্ছে।আইসিসি জানিয়েছে, জোন্সের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি ধারায় বিধিভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের জবাব দিতে তাকে ১৪ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো ধরনের ক্রিকেট অংশ নিতে পারবেন না।৩১ বছর বয়সী এই ব্যাটার শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র দলের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ক্যাম্পে ছিলেন। ওই ক্যাম্পে থাকা ১৮ জন ক্রিকেটারের মধ্য থেকে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য চূড়ান্ত ১৫ সদস্যের দল গঠনের কথা ছিল। সাময়িক নিষেধাজ্ঞার ফলে আপাতত সেই দলে জোন্সের থাকা আর সম্ভব হচ্ছে না।আইসিসির তথ্যমতে, জোন্সের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বড় অংশই ২০২৩–২৪ মৌসুমে বার্বাডোজে অনুষ্ঠিত বিম-১০ টুর্নামেন্টকে ঘিরে, যা ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের (সিডব্লিউআই) অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পাশাপাশি দুটি অভিযোগ আন্তর্জাতিক ম্যাচ সংশ্লিষ্ট, যা আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কোডের আওতায় পড়েছে।আইসিসি জানিয়েছে, এই মামলা একটি বৃহত্তর তদন্তের অংশ। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য ব্যক্তি বা পক্ষের বিরুদ্ধেও অতিরিক্ত অভিযোগ আনা হতে পারে।

বিতর্কিত কোম্পানি থেকে এলএনজি ক্রয়ের চুক্তি করতে যাচ্ছে সরকার

বিতর্কিত কোম্পানি থেকে এলএনজি ক্রয়ের চুক্তি করতে যাচ্ছে সরকার

বহুজাতিক কোম্পানি সকার ট্রেডিং এসএ থেকে এলএনজি আনার জন্য জিটুজি সরকার-সরকার চুক্তি করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। যদিও বিগত সরকারের আমলে দরপত্র ছাড়া এমন চুক্তির সমালোচনা করা হয়েছিল, এবারও ঠিক একইভাবে দরপত্র ছাড়াই এ কোম্পানিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এতে করে খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, এবং জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকেও সম্ভাব্য ঝুঁকি, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক প্রভাব খতিয়ে দেখতে পেট্রোবাংলাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।জানা গেছে, সম্প্রতি উন্নয়ন-২ শাখা থেকে উপসচিব আহমেদ জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি ১৯ জানুয়ারি পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, সুইজারল্যান্ডের জেনেভাভিত্তিক সকার ট্রেডিং এসএ থেকে স্বল্পমেয়াদে এলএনজি আমদানি-সংক্রান্ত প্রস্তাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষত কোম্পানিটির অতীত কর্মকাণ্ড, আন্তর্জাতিক মহলে উত্থাপিত অভিযোগ এবং বাংলাদেশে বাপেক্সের সঙ্গে চলমান বিরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।তথ্য অনুযায়ী, সকার ট্রেডিং এসএ মূলত আজারবাইজানের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস কোম্পানি সকারের একটি বাণিজ্যিক শাখা। যদিও প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়, প্রকৃতপক্ষে এটি আজারবাইজানের মালিকানাধীন। ‘সকার’ নামটি এসেছে স্টেট অয়েল কোম্পানি অব দ্য রিপাবলিক অব আজারবাইজান থেকে। সুইজারল্যান্ড কোনো তেল-গ্যাস উৎপাদনকারী দেশ নয়, তাই দেশটির মাধ্যমে এ চুক্তি প্রক্রিয়া নিয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন।২০১৭ সালে বাপেক্সের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, সকারের তিনটি গ্যাস কূপ খনন করার কথা ছিল খাগড়াছড়ির দক্ষিণ সেমুতাং-১, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ-৪ ও জামালপুরের মাদারগঞ্জ-১। এর মধ্যে কেবল সেমুতাং-১ কূপ খনন করে কোম্পানিটি, কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস পাওয়া যায়নি। ওই কূপের জন্য ১৪২ কোটি টাকা পরিশোধ করে বাপেক্স। বাকি দুটি কূপ নিয়ে চুক্তির বাইরে অগ্রিম অর্থ দাবি করায় জটিলতা তৈরি হয়। পরে ২০১৯ সালে সকার নিজে থেকেই চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেয়। ২০২০ সালে তারা সিঙ্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল আরবিট্রেশন সেন্টারে বাপেক্সের বিরুদ্ধে মামলা করে এবং প্রায় ৮৮৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে। মামলার আংশিক রায় সকারের পক্ষে গেছে, যার বিরুদ্ধে বাপেক্স আপিল করেছে।

দীর্ঘ বিরতি পর নতুন ওয়েব ফিল্মে অপু বিশ্বাস

দীর্ঘ বিরতি পর নতুন ওয়েব ফিল্মে অপু বিশ্বাস

দীর্ঘ বিরতি ভেঙে বড় পর্দায় ফিরেছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। বর্তমানে দুটি সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত এই নায়িকা। এরই মধ্যে এলো নতুন খবর; নতুন ওয়েব ফিল্ম ‘শিকার’-এ অভিনয় করতে যাচ্ছেন ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাস।জানা গেছে ওয়েব ফিল্মটি পরিচালনা করছেন কামরুজ্জামান রোমান। ইতোমধ্যে এই ওয়েব ফিল্মটির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ শেষ হয়েছে। খুব শিগগিরই শুরু হবে শুটিং। এক বিজ্ঞপ্তিতে পরিচালক জানান, অপু বিশ্বাসকে নিয়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য একটি ভিন্নধর্মী গল্পে কাজ করতে নেমেছি আমরা।শিকার’-এর শুটিং হবে নেপালে। আগামী মার্চ মাসে পুরো টিম নিয়ে সেখানে যাবেন নির্মাতা রোমান। নেপালেই সিনেমার বড় অংশের দৃশ্যধারণ করা হবে বলেন তিনি ।


জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কৃতজ্ঞতা

জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কৃতজ্ঞতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও  গণভোট শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় সমগ্র জাতিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষে তিনি বলেন, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক দলসমূহের দায়িত্বশীল আচরণ, প্রার্থীদের সংযম ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের পেশাদারিত্ব—এই সম্মিলিত প্রচেষ্টাই প্রমাণ করেছে যে গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার অটুট। জনগণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, পর্যবেক্ষক দল, গণমাধ্যমকর্মী এবং ভোটগ্রহণে সম্পৃক্ত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ জানাই। তাদের নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের ফলেই এই বিশাল গণতান্ত্রিক আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শেষে চলছে গণনা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শেষে চলছে গণনা

উৎসবমুখর পরিবেশে সারাদেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন : গণনার প্রস্তুতি চলছে

উৎসবমুখর পরিবেশে সারাদেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন : গণনার প্রস্তুতি চলছে

ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ফলাফল অবশ্যই মেনে নেব : তারেক রহমান

ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ফলাফল অবশ্যই মেনে নেব : তারেক রহমান

দুপুরের পর কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারের দীর্ঘ সারি

দুপুরের পর কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারের দীর্ঘ সারি

আগে ভোট কেন্দ্রে কুকুর দেখা যেত, এখন মানুষ দেখা যায় : সিইসি

আগে ভোট কেন্দ্রে কুকুর দেখা যেত, এখন মানুষ দেখা যায় : সিইসি

শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি

শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি

একটি দল নির্বাচনের আগেই মুসলমানদের শিরক করাচ্ছে, বিএনপি চেয়ারম্যান

একটি দল নির্বাচনের আগেই মুসলমানদের শিরক করাচ্ছে, বিএনপি চেয়ারম্যান

বিএনপির প্রথম নির্বাচনী সমাবেশ, সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠ

বিএনপির প্রথম নির্বাচনী সমাবেশ, সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠ

ফুটবল প্রতীক পেলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা

ফুটবল প্রতীক পেলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

জামায়াতের জোটে ভোটের রাজনীতির হিসাব পাল্টে গেল

জামায়াতের জোটে ভোটের রাজনীতির হিসাব পাল্টে গেল

চট্টগ্রাম-৯ আসনে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না জামায়াত প্রার্থী ডা. এ কে এম ফজলুল হক

চট্টগ্রাম-৯ আসনে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না জামায়াত প্রার্থী ডা. এ কে এম ফজলুল হক

বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন তারেক রহমান

নির্বাচন সামনে রেখে রাজধানীতে ঢুকছে আগ্নেয়াস্ত্র

নির্বাচন সামনে রেখে রাজধানীতে ঢুকছে আগ্নেয়াস্ত্র

বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল সবার জন্য উন্মুক্ত

বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল সবার জন্য উন্মুক্ত

তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

কানাডাকে গিলে খাবে চীন, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

কানাডাকে গিলে খাবে চীন, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

সিরিয়া থেকে ছাগল চুরি করল ইসরায়েলি সেনারা

সিরিয়া থেকে ছাগল চুরি করল ইসরায়েলি সেনারা

ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনায় গাজা শাসনে নতুন কমিটি গঠন

ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনায় গাজা শাসনে নতুন কমিটি গঠন

উগান্ডার নেতাকে হেলিকপ্টারে তুলে নিয়ে গেছে সেনাবাহিনী

উগান্ডার নেতাকে হেলিকপ্টারে তুলে নিয়ে গেছে সেনাবাহিনী

বিশ্বকাপের আগে নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার জোন্স

বিশ্বকাপের আগে নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার জোন্স

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ঠিক আগে যুক্তরাষ্ট্র ক্রিকেট দলে বড় ধাক্কা এলো। অভিজ্ঞ ব্যাটার অ্যারন জোন্সকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে (আইসিসি)। দুর্নীতিবিরোধী বিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ ওঠায় তাকে আপাতত মাঠের বাইরে থাকতে হচ্ছে।আইসিসি জানিয়েছে, জোন্সের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি ধারায় বিধিভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের জবাব দিতে তাকে ১৪ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো ধরনের ক্রিকেট  অংশ নিতে পারবেন না।৩১ বছর বয়সী এই ব্যাটার শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র দলের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ক্যাম্পে ছিলেন। ওই ক্যাম্পে থাকা ১৮ জন ক্রিকেটারের মধ্য থেকে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য চূড়ান্ত ১৫ সদস্যের দল গঠনের কথা ছিল। সাময়িক নিষেধাজ্ঞার ফলে আপাতত সেই দলে জোন্সের থাকা আর সম্ভব হচ্ছে না।আইসিসির তথ্যমতে, জোন্সের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বড় অংশই ২০২৩–২৪ মৌসুমে বার্বাডোজে অনুষ্ঠিত বিম-১০ টুর্নামেন্টকে ঘিরে, যা ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের (সিডব্লিউআই) অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পাশাপাশি দুটি অভিযোগ আন্তর্জাতিক ম্যাচ সংশ্লিষ্ট, যা আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কোডের আওতায় পড়েছে।আইসিসি জানিয়েছে, এই মামলা একটি বৃহত্তর তদন্তের অংশ। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য ব্যক্তি বা পক্ষের বিরুদ্ধেও অতিরিক্ত অভিযোগ আনা হতে পারে।

আয়ের রেকর্ড গড়ে ফুটবল দুনিয়াকে চমকে দেওয়া কে এই নারী?

আয়ের রেকর্ড গড়ে ফুটবল দুনিয়াকে চমকে দেওয়া কে এই নারী?

বিপিএলে নাটকীয় জয়ে কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী

বিপিএলে নাটকীয় জয়ে কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী

টসে জিতে ভারতকে হারিয়েই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে চায় বাংলাদেশ

টসে জিতে ভারতকে হারিয়েই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে চায় বাংলাদেশ

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ টসে জিতেছে

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ টসে জিতেছে

অবসরের পরও ধারাল ওয়ার্নারের ব্যাট নাম লেখালেন দুটি এলিট রেকর্ডে

অবসরের পরও ধারাল ওয়ার্নারের ব্যাট নাম লেখালেন দুটি এলিট রেকর্ডে

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

সব বিভাগের খবর

হলুদের অনুষ্ঠানে নাচলেন পূজা চেরি

হলুদের অনুষ্ঠানে নাচলেন পূজা চেরি

৪১ বছর বয়সে কত সম্পত্তির মালিক সিদ্ধার্থ

৪১ বছর বয়সে কত সম্পত্তির মালিক সিদ্ধার্থ

দীর্ঘ বিরতি পর নতুন ওয়েব ফিল্মে অপু বিশ্বাস

দীর্ঘ বিরতি পর নতুন ওয়েব ফিল্মে অপু বিশ্বাস

দীর্ঘ বিরতি ভেঙে বড় পর্দায় ফিরেছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। বর্তমানে দুটি সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত এই নায়িকা। এরই মধ্যে এলো নতুন খবর; নতুন ওয়েব ফিল্ম ‘শিকার’-এ অভিনয় করতে যাচ্ছেন ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাস।জানা গেছে ওয়েব ফিল্মটি পরিচালনা করছেন কামরুজ্জামান রোমান।  ইতোমধ্যে এই ওয়েব ফিল্মটির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ শেষ হয়েছে। খুব শিগগিরই শুরু হবে শুটিং। এক বিজ্ঞপ্তিতে পরিচালক জানান, অপু বিশ্বাসকে নিয়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য একটি ভিন্নধর্মী গল্পে কাজ করতে নেমেছি আমরা।শিকার’-এর শুটিং হবে নেপালে। আগামী মার্চ মাসে পুরো টিম নিয়ে সেখানে যাবেন নির্মাতা রোমান। নেপালেই সিনেমার বড় অংশের দৃশ্যধারণ করা হবে বলেন তিনি ।

নীরবতা ভাঙলেন রাফসানের প্রাক্তন স্ত্রী এশা

নীরবতা ভাঙলেন রাফসানের প্রাক্তন স্ত্রী এশা

হাঁটুর বয়সী মেয়ের সঙ্গে প্রেম,  জানালেন অভিনেতা

হাঁটুর বয়সী মেয়ের সঙ্গে প্রেম, জানালেন অভিনেতা

মোশাররফ নীলাঞ্জনার নতুন নাটক বউ প্যারা দেয়

মোশাররফ নীলাঞ্জনার নতুন নাটক বউ প্যারা দেয়

হলিউডের নায়িকার সঙ্গে ইলন মাস্কের ছড়িয়ে পড়া ছবি কি আসল?

হলিউডের নায়িকার সঙ্গে ইলন মাস্কের ছড়িয়ে পড়া ছবি কি আসল?

একসঙ্গে ফের জুটি রণবীর-আলিয়া ভাট

একসঙ্গে ফের জুটি রণবীর-আলিয়া ভাট

জনপ্রিয় শিশুশিল্পী লুবাবা মিডিয়া ছাড়লেন; মুখ আর দেখাবেন না

জনপ্রিয় শিশুশিল্পী লুবাবা মিডিয়া ছাড়লেন; মুখ আর দেখাবেন না

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধে প্রথম আসামির আত্মসমর্পণ

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধে প্রথম আসামির আত্মসমর্পণ

বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধে প্রথম আসামির আত্মসমর্পণ

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধে প্রথম আসামির আত্মসমর্পণ

দেশ ছেড়ে পালিয়েছে হাদি হত্যার মূল আসামি ফয়সাল: স্বীকার করলো পুলিশ

দেশ ছেড়ে পালিয়েছে হাদি হত্যার মূল আসামি ফয়সাল: স্বীকার করলো পুলিশ



বিতর্কিত কোম্পানি থেকে এলএনজি ক্রয়ের চুক্তি করতে যাচ্ছে সরকার

বিতর্কিত কোম্পানি থেকে এলএনজি ক্রয়ের চুক্তি করতে যাচ্ছে সরকার

বহুজাতিক কোম্পানি সকার ট্রেডিং এসএ থেকে এলএনজি আনার জন্য জিটুজি সরকার-সরকার চুক্তি করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। যদিও বিগত সরকারের আমলে দরপত্র ছাড়া এমন চুক্তির সমালোচনা করা হয়েছিল, এবারও ঠিক একইভাবে দরপত্র ছাড়াই এ কোম্পানিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এতে করে খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, এবং জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকেও সম্ভাব্য ঝুঁকি, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক প্রভাব খতিয়ে দেখতে পেট্রোবাংলাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।জানা গেছে, সম্প্রতি উন্নয়ন-২ শাখা থেকে উপসচিব আহমেদ জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি ১৯ জানুয়ারি পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, সুইজারল্যান্ডের জেনেভাভিত্তিক সকার ট্রেডিং এসএ থেকে স্বল্পমেয়াদে এলএনজি আমদানি-সংক্রান্ত প্রস্তাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষত কোম্পানিটির অতীত কর্মকাণ্ড, আন্তর্জাতিক মহলে উত্থাপিত অভিযোগ এবং বাংলাদেশে বাপেক্সের সঙ্গে চলমান বিরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।তথ্য অনুযায়ী, সকার ট্রেডিং এসএ মূলত আজারবাইজানের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস কোম্পানি সকারের একটি বাণিজ্যিক শাখা। যদিও প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়, প্রকৃতপক্ষে এটি আজারবাইজানের মালিকানাধীন। ‘সকার’ নামটি এসেছে স্টেট অয়েল কোম্পানি অব দ্য রিপাবলিক অব আজারবাইজান থেকে। সুইজারল্যান্ড কোনো তেল-গ্যাস উৎপাদনকারী দেশ নয়, তাই দেশটির মাধ্যমে এ চুক্তি প্রক্রিয়া নিয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন।২০১৭ সালে বাপেক্সের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, সকারের তিনটি গ্যাস কূপ খনন করার কথা ছিল খাগড়াছড়ির দক্ষিণ সেমুতাং-১, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ-৪ ও জামালপুরের মাদারগঞ্জ-১। এর মধ্যে কেবল সেমুতাং-১ কূপ খনন করে কোম্পানিটি, কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস পাওয়া যায়নি। ওই কূপের জন্য ১৪২ কোটি টাকা পরিশোধ করে বাপেক্স। বাকি দুটি কূপ নিয়ে চুক্তির বাইরে অগ্রিম অর্থ দাবি করায় জটিলতা তৈরি হয়। পরে ২০১৯ সালে সকার নিজে থেকেই চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেয়। ২০২০ সালে তারা সিঙ্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল আরবিট্রেশন সেন্টারে বাপেক্সের বিরুদ্ধে মামলা করে এবং প্রায় ৮৮৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে। মামলার আংশিক রায় সকারের পক্ষে গেছে, যার বিরুদ্ধে বাপেক্স আপিল করেছে।

২ সপ্তাহ আগে

সব রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে স্বর্ণের দাম

সব রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে স্বর্ণের দাম

বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ আলোচনায় শরিয়াহ আইন

শরিয়াহ আইন কী?  আরবি ভাষায় শরিয়াহ বলতে ‘পথ’ বোঝায়, যা আল্লাহকে খুশি করার লক্ষ্যে মানুষের জন্য অনুকরণীয় আচরণবিধি। শরিয়াহ বলবৎ হলে ব্যক্তি, মানুষ ও সমাজের সব ক্ষেত্র শরীয়তের অনুশাসন অনুযায়ী পরিচালিত হবে। শরীয়তের আওতায় ব্যবসায়-বাণিজ্য, পারিবারিক আইন, নৈতিকতা, অপরাধ ও শাস্তি, দান-খয়রাতসহ সবই রয়েছে। বাংলাদেশে রাজনীতিতে বর্তমানে এক নতুন মেরূকরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের প্রধান প্রধান ইসলামী দলগুলোর লক্ষ্য ‘ইসলামী শাসনতন্ত্র’ বা ‘শরিয়াহ আইন’ প্রতিষ্ঠা হলেও সম্প্রতি ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।  বিশেষ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং  ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশর মধ্যে শরিয়াহ আইন ইস্যুতে সৃষ্ট বাদানুবাদ ইসলামী রাজনীতির অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে ‘জামায়াতে ইসলামী শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন করবে না’ গত বুধবার দলটির আমির গণমাধ্যমকে এমনটাই জানান খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি দলের মার্থা দাস। তারপরই শরিয়াহ আইনের বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। এর আগে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দুজন প্রার্থীকে জাতীয় নির্বাচনের মনোনয়ন দেয় জামায়াতে ইসলামী। ফলে ধর্মভিত্তিক দল হওয়া সত্ত্বেও সম্প্রতি এমন বেশ কিছু পদক্ষেপে তাদের পক্ষ থেকে তুলনামূলক উদার মনোভাব বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে তা কৌশলগত অবস্থান কি না, সেই প্রশ্নও আসছে।এদিকে কয়েক দিন আগে ইসলামী আন্দোলন অভিযোগ করেছে, জামায়াতে ইসলামী তাদের মূল লক্ষ্য অর্থাৎ শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠার পথ থেকে সরে গেছে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে দেওয়া কিছু বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, তারা রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘শরিয়াহ’ শব্দের চেয়ে ‘ন্যায়বিচার’ ও ‘মানবিক মর্যাদা’ এবং প্রচলিত আইনের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান বিশ্বের ভূ-রাজনীতিতে ধর্ম ও রাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়ে সর্বাধিক আলোচিত বিতর্কগুলোর অন্যতম হলো শরিয়াহ আইন। বিশেষ করে মুসলিম প্রধান দেশগুলোতে রাজনীতিতে শরিয়াহ আইনের প্রয়োগ বা বর্জন নিয়ে প্রগতিশীল এবং রক্ষণশীল মহলের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিভেদ বিদ্যমান। এই বিতর্ক শুধু ধর্মীয় পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা মানবাধিকার, শাসনতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের সংজ্ঞাকেও প্রভাবিত করছে। অর্থাৎ শরিয়াহ আইনকে রাষ্ট্র পরিচালনায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রশ্নে প্রধানত তিনটি দিক থেকে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এক. গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব। দুই. বিচারব্যবস্থা ও দণ্ডবিধি। তিন. সংখ্যালঘু ও নারী অধিকার।প্রচলিত ধর্মনিরপেক্ষ আইনের চেয়ে এই ইসলামী শরীয়তের বিধানগুলো একটি আরেকটির সঙ্গে বেশি সম্পৃক্ত। আর ইসলাম ধর্মের প্রভাব ও রীতি অনুযায়ী মহান আল্লাহর আইনই চূড়ান্ত। ইসলামিক পণ্ডিতদের মতে, শরীয়ত হলোআল্লাহ ও তার রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর দিকনির্দেশনার সমষ্টি। অর্থাৎ শরীয়তের প্রধান বা মৌলিক উৎস দুইটি-- আল্লাহর বাণী কুরআন ও তার রাসুল হজরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর বাণী, কর্ম ও মৌনসম্মতি (সুন্নাহ)। পরবর্তী সময়ে কোরআন ও সুন্নাহর স্বীকৃতি ও নির্দেশনার ভিত্তিতে শরীয়তের আরও দুটি বিষয় নির্ধারিত হয়। এগুলো হলো—ইজমা ও কিয়াস। সুতরাং, শরীয়তের উৎস চারটি।ইন্টারনেটের তথ্য বলছে, বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে শরিয়াহ আইন ব্যবহার করে। দেশগুলো হচ্ছে আফগানিস্তান, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ইরাক, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মৌরিতানিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, সুদান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন ও ব্রুনাই।শরিয়াহ আইন নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক: গত বুধবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির ডা. আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন শিক্ষাবিদ ড. গর্ডন ক্লিংগেনশমিটের নেতৃত্বে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের একটি প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে ন্যাশনাল খ্রিষ্টান ফেলোশিপ অব বাংলাদেশের জেনারেল সেক্রেটারি মার্থা দাস সাংবাদিকদের বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর আমির মহোদয়ের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। উনি যে আশ্বাসগুলো দিয়েছেন, সেটাই আবার আমি একটু রিপিট করতে চাই। যেটা তিনি জাতির উদ্দেশে বলেছেন সেটা হলো, যদি মহান সৃষ্টিকর্তা ওনাদের এই দেশ পরিচালনার সুযোগ দেন, তাহলে এই বাংলাদেশে শরিয়াহ ল অর্থাৎ শরিয়াহ আইন তিনি বাস্তবায়ন করবেন না।’এ সময় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘প্রতিনিধি দলের মূল প্রশ্ন ছিল রাষ্ট্র পরিচালনা বা সরকার পরিচালনার সুযোগ পেলে জামায়াত কোন আইনে দেশ চালাবে? অনেকে জিজ্ঞেস করেন যে শরিয়াহ আইনে না অমুক মডেলে তমুক মডেলে। ফলে আমিরে জামায়াত বলেছেন, বাংলাদেশে যে বিদ্যমান আইন সে আইনেই বাংলাদেশ চলবে, যেখানে সব ধর্মের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা হবে। এবং এই আইনটাই যথেষ্ট এখন।’ তিনি আরও জানান, জামায়াতের আমির সেদিন বলেছিলেন আমাদের সংবিধান এবং বিদ্যামান যে আইনি কাঠামো আছে, সেখানে সব নির্দেশনা আছে। বাংলাদেশ এই বিদ্যমান আইন সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে থেকেই পরিচালিত হবে।এ ছাড়াও এহসানুল মাহবুব জুবায়ের পরে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘গত বুধবার আমিরে জামায়াতের বক্তব্য উল্লেখ করে একটি ফটোকার্ড আমাদের নজরে এসেছে, যেখানে তার বক্তব্যকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিকৃত করে প্রচার করা হয়েছে। ওই ফটোকার্ডে আমিরে জামায়াতের বক্তব্যের সঙ্গে মার্থা দাসের একটি বক্তব্যকে টুইস্ট করে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বাস্তব বক্তব্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং জামায়াত আমিরের বক্তব্যে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালিত হবে এবং জনগণের মতামত ও সম্মতি ছাড়া কোনো আইন পরিবর্তন বা সংশোধনের প্রশ্নই আসে না। তিনি সংবিধান, আইনের শাসন, ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং সব নাগরিকের অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। অতএব, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উপস্থাপনার মাধ্যমে জনমনে ভুল ধারণা সৃষ্টি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।’প্রসঙ্গত, ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর নাম একাধিকবার যেমন পরিবর্তন হয়েছে, তেমনই নানা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দলটির গঠনতন্ত্রেও বহুবার সংশোধন করা হয়েছে। গঠনতন্ত্রে ‘ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা’-এর পরিবর্তে ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা’ সংবলিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে তাদের লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামী। এর আগে তাদের গঠনতন্ত্রে ‘আল্লাহ-প্রদত্ত ও রসুল-প্রদর্শিত ইসলাম কয়েমের প্রচেষ্টা’কে মূল উদ্দেশ্য হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তা বাদ দিয়ে ‘গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা’র কথা বলা হয়। সর্বশেষ তারা গঠনতন্ত্রের ২২তম সংশোধনী আনে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে। জামায়াতের গঠনতন্ত্রে লক্ষ্য উদ্দেশ্য হিসেবে বলা আছে, ‘বাংলাদেশে নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা এবং মহান আল্লাহ তা’য়ালার সন্তুষ্টি অর্জন’।এদিকে গত শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অভিযোগ করেছে, জামায়াতের আমির বলেছেন, তারা ক্ষমতায় গেলে প্রচলিত আইনে দেশ শাসন করবেন। অথচ দেশের সব মানুষ একমত যে দেশের বর্তমান দুর্দশার কারণ বিদ্যমান আইন। সেই বিদ্যমান আইন পরিবর্তন করার জন্যই আমাদের রাজনীতি। এখন যদি সমঝোতার প্রধান দলই বিদ্যমান আইনে দেশ পরিচালনার প্রতিজ্ঞা করে তাহলে আমরা শঙ্কিত হই। আমরা নীতির রাজনীতি করি। আমাদের রাজনীতির সেই মৌলিক প্রশ্নে যখন ভিন্নমত তৈরি হয়, তখন তাদের সঙ্গে সমঝোতায় থাকার কোনো সুযোগ নেই।’উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালের ১৩ মার্চ বিভিন্ন ইসলামী ব্যক্তিত্ব ও সংগঠনের যৌথ প্রয়াসের ফলে ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঐক্যপ্রয়াসী একটি ইস্যু ভিত্তিক আন্দোলন হিসেবে ‘ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন’ নামে এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরবর্তী সময়ে আন্দোলনে অনৈক্য ও ভাঙনের ফলে এটি চরমোনাই পীর সৈয়দ ফজলুল করিমের নেতৃত্বে একটি একক রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়। মূল ১৯৯১ সাল থেকে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দল হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ২০০৮ সালে নিবন্ধন জটিলতায় এর নাম পরিবর্তন করে ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’ নামে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হয় এবং হাতপাখা প্রতীক লাভ করে। দলটির স্লোগান হচ্ছে ‘শুধু নেতা নয়, নীতিরও পরিবর্তন চাই।’বিতর্কের কারণ: জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক অবস্থান বিশ্লেষণে দেখা যায়, তারা নিজেদের একটি ‘আধুনিক মডারেট’ দল হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে। দলটির কিছু নেতা বলছেন, আমরা একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ চাই। ইসলাম মানেই কেবল শাস্তি (হুদুদ) নয়, বরং নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করা। অন্যদিকে এই অবস্থানকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ‘আদর্শিক চ্যুতি’ হিসেবে দেখছে। তাদের মতে, শরিয়াহ আইনের কথা সরাসরি না বলা মানেই হলো সেকুলার রাজনীতির দিকে ঝুঁকে পড়া।এই বাদানুবাদের পেছনে কেবল আদর্শিক নয়, বরং কৌশলগত কিছু কারণও রয়েছে। বিশেষ করে ভোটের রাজনীতি, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা, তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করা ইত্যাদি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আধুনিক শিক্ষিত তরুণদের কাছে শরিয়াহ আইনের প্রচলিত ধারণা অনেক সময় ভীতি সৃষ্টি করে, যা এড়াতে ভাষা ও কৌশলে পরিবর্তন আনছে দলগুলো।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত: রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেছেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা অনেক সফট কথাবার্তা বলছে এবং তারা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবার জন্য অনেক কিছু বলছে, যাতে মনে হচ্ছে তারা অনেকটা উদার হয়ে গেছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ধরনের কৌশল নেওয়া তো অস্বাভাবিক কোনো ব্যাপার না। কারণ দলটি নিয়ে মানুষের যে দৃষ্টিভঙ্গি (পারসেপশন) আছে, তা কাটাতেই হয়তো তারা এসব কথাবার্তা বলছে।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শামছুল আলম কালবেলাকে বলেন, বাংলাদেশে রাজনীতিতে শরিয়াহ আইনের বিতর্কটি এখন আর কেবল ‘ধর্মীয়’ নেই, এটি এখন ‘পরিচয় ও কৌশলের’ লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। জামায়াত যেখানে কৌশলগত নমনীয়তা দেখাচ্ছে, ইসলামী আন্দোলন সেখানে নিজেদের ‘আপসহীন’ ইসলামী শক্তি হিসেবে তুলে ধরছে। ফলে শরিয়াহ আইন নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের এই প্রকাশ্য বিতর্ক বাংলাদেশের ধর্মীয় রাজনীতির মোড় পরিবর্তন করতে পারে। জামায়াত যদি শেষ পর্যন্ত শরিয়াহ আইনের দাবি থেকে নিজেকে পুরোপুরি গুটিয়ে নেয়, তবে তা দেশের ইসলামপন্থি ভোটারদের মধ্যে একটি বড় প্রভাব তৈরি করবে এবং চরমোনাই পীরের দলের জন্য একটি বড় সুযোগ সৃষ্টি করবে। old('details') }} old('details') }}

ওজন মাপা বন্ধ করে প্রাধান্য দিন ফিটনেসকে

ওজন মাপা বন্ধ করে প্রাধান্য দিন ফিটনেসকে

মানুষ ওজন এবং ডায়েট নিয়ে খুবই যত্নশীল। বর্তমানে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রায় ৪০.৩% স্থূলতায় ভুগছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের তথ্য।ওজন কমানোর বাজারও এই মনোযোগকে বাড়িয়ে তুলছে। ২০২২ সালে এই বাজারের আকার প্রায় ১৪৩ বিলিয়ন ডলার ছিল এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এটি প্রায় ২৯৯ বিলিয়নে পৌঁছানোর প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সম্প্রতি GLP-1 ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে ১৫ মিলিয়নেরও বেশি আমেরিকান ওজন কমাচ্ছেন, যা মূলত টাইপ ২ ডায়াবেটিসের জন্য তৈরি হয়েছিল। এসব কারণে ওজনকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্য নিয়ে চাপ আরও বাড়ছে।

তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।

শিগগিরই পৃথিবীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সীমা ছাড়াতে পারে

শিগগিরই পৃথিবীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সীমা ছাড়াতে পারে

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

শিরোনাম
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কৃতজ্ঞতা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শেষে চলছে গণনা উৎসবমুখর পরিবেশে সারাদেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন : গণনার প্রস্তুতি চলছে ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ফলাফল অবশ্যই মেনে নেব : তারেক রহমান দুপুরের পর কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারের দীর্ঘ সারি আগে ভোট কেন্দ্রে কুকুর দেখা যেত, এখন মানুষ দেখা যায় : সিইসি বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি বিশ্বকাপের আগে নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার জোন্স ভারতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বিতর্কিত কোম্পানি থেকে এলএনজি ক্রয়ের চুক্তি করতে যাচ্ছে সরকার তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কৃতজ্ঞতা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শেষে চলছে গণনা উৎসবমুখর পরিবেশে সারাদেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন : গণনার প্রস্তুতি চলছে ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ফলাফল অবশ্যই মেনে নেব : তারেক রহমান দুপুরের পর কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারের দীর্ঘ সারি আগে ভোট কেন্দ্রে কুকুর দেখা যেত, এখন মানুষ দেখা যায় : সিইসি বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি বিশ্বকাপের আগে নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার জোন্স ভারতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বিতর্কিত কোম্পানি থেকে এলএনজি ক্রয়ের চুক্তি করতে যাচ্ছে সরকার তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ