টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যেও সোমবার এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে অবস্থান নিয়েছেন বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা।মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল পৌনে ৬টার দিকে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শিক্ষার্থীরা সংসদ ভবনের সামনে চলে যান।শিক্ষার্থীদের দাবি, যতক্ষণ না তাদের দাবি মেনে নেওয়া না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।এর আগে, বিকেল ৫টার সময় সায়েন্সল্যাবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে এ ঘোষণা দেন সিটি কলেজের পরীক্ষার্থী মো. মিরাজ হোসেন। তিনি বলেন, ‘আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে এবং তার অসংগতিপূর্ণ কথাবার্তার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।’শিক্ষার্থীরা বলছেন, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে সোমবার (১৩ জুলাই) যারা পরীক্ষা দিয়েছেন এবং যারা পরীক্ষা দিতে পারেননি, তাদের কথা বিবেচনা করে ওই পরীক্ষাটি পুনরায় নিতে হবে। একই সঙ্গে আগামীকালের পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করতে হবে। প্রশ্নপত্রের মানদণ্ডও অবশ্যই শিক্ষার্থীবান্ধব হতে হবে।এদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রথম দফায় রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করে প্রায় ৪৫ মিনিট অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। পরে অবরোধ প্রত্যাহার করে মিছিল নিয়ে ঢাকা কলেজ, নিউমার্কেট হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন।সেখান থেকে পুলিশি তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সামনে গিয়ে কিছু সময় অবস্থান করেন। পরে পুনরায় সায়েন্সল্যাব মোড়ে ফিরে এসে দ্বিতীয় দফায় সড়ক অবরোধ শুরু করেন। এ সময় সায়েন্সল্যাব, নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোডসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মানবিক বিবেচনায় জরুরি সেবার অ্যাম্বুলেন্সগুলোকে অবাধে চলাচলের সুযোগ দেন।ঢাকার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলাতেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, চট্টগ্রামের বন্যা কবলিত অঞ্চলে এখনো প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও সাহায্য পৌঁছায়নি। একদিকে বন্যায় মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে, অন্যদিকে সরকারের মন্ত্রীরা বিদেশ ভ্রমণে ব্যস্ত রয়েছেন।মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় ‘জুলাই পদযাত্রা’ উপলক্ষে আয়োজিত এক পথসভায় বন্যা পরিস্থিতি ও সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন।বন্যাদুর্গতদের জন্য সরকারের বরাদ্দের সমালোচনা করে হাসনাত বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে বছরে ৯০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে সরকার। অথচ বন্যার মতো ভয়াবহ দুর্যোগে জনগণের জন্য জনপ্রতি মাত্র ৩০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।শিক্ষামন্ত্রীর এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ সম্বোধনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, এই শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমেছিল বলেই এহসানুল হক মিলন শিক্ষামন্ত্রী ও সালাহউদ্দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পেরেছেন; এমনকি তারেক রহমান সরকার গঠনের সুযোগ পেয়েছেন।সরকার পতনের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের দেওয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গেছে। জনগণ যদি আবারও রাজপথে আন্দোলনে নামে, তবে এই সরকারের পায়ের নিচে আর মাটি থাকবে না।এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন, যুবশক্তির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক তুহিন মাহমুদ, সাকিল সাইফুল্লাহসহ জাতীয় যুবশক্তি ও ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় নেতারা।
জাতীয় সংসদে নিজের সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে এ দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়ে অনেকেই আপত্তি জানিয়েছেন। আমি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে কিছু বলিনি। তারপরও আমার বক্তব্যে কেউ যদি আহত হয়ে থাকেন, সেজন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।মন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর উপস্থিত সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তার দুঃখ প্রকাশকে স্বাগত জানান।এর আগে সংসদে স্পিকারের মাধ্যমে সম্পূরক প্রশ্ন উত্থাপন করে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, এইচএসসির মতো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা, যেটার ওপর আগামীতে একজন ছেলে বা মেয়ের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে, তা নির্ভর করে। আর পদার্থবিজ্ঞানের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষার ক্ষেত্রে কেন এক দিন বা দুদিনের জন্য পিছিয়ে দেওয়া গেল না, তা মন্ত্রীর কাছে জানতে চান তিনি।রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা বাংলাদেশে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রায় ২ হাজার ৭০০টি কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা শুরু হয়। চট্টগ্রামে বন্যার কারণে এরই মধ্যে রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়িসহ পুরো চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা আগেই স্থগিত করা হয়েছিল। চলমান পরিস্থিতির ওপর সরকার সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছিল এবং ৬৪ জেলার এসপি, আটটি বিভাগীয় কমিশনার, প্রতিটি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ইউএনওদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছিল। এমনকি আবহাওয়ার পূর্বাভাসের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হয়। তারা সবাই পরিস্থিতি অনুকূলে থাকবে বলে জানানোর পর, বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত অপেক্ষা করে পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।আবহাওয়াবিদরা বলেছিলেন বৃষ্টি হবে না উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিকেল ৫টা পর্যন্ত আমরা বসে থেকে সিদ্ধান্ত নিলাম যে, সকলেই বলল আবহাওয়া ভালো হবে। সেজন্য আমরা পরীক্ষা রেখেছিলাম। কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখি কুমিল্লা সরকারি কলেজের মাঠ পানিতে ভরে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি পরীক্ষাকেন্দ্র স্থানান্তরের নির্দেশ দিই। এ ছাড়া সারা দেশের ইউএনও, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, তারা জানিয়েছেন কোথাও পরীক্ষা ঘিরে কোনো দুর্যোগ ঘটেনি। শুধু কুমিল্লা মহিলা কলেজেই এমনটি হয়েছে। যে মেয়েটির কাপড় ভিজে গিয়েছিল, তার জন্য শুকনো কাপড় এনে এক ঘণ্টা পর পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার সময়সীমাও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রশ্ন মডারেশনের প্রক্রিয়াটি দুই বছর আগে থেকে শুরু করতে হয়। বর্তমান সরকার দায়িত্ব পেয়েছে মাত্র চার মাস, ফলে এই প্রশ্নগুলো বিগত সরকারের আমলের মডারেটরদের তৈরি। তবুও, পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকার বিষয়টি চিহ্নিত হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ওই দুটি প্রশ্নের জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর (ফুল ক্রেডিট) দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
কোয়ার্টার ফাইনালের সব উত্তেজনা শেষে এবার বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই পরাশক্তি স্পেন ও ফ্রান্স। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই ম্যাচ। দুই দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় এটি টুর্নামেন্টের সবচেয়ে আকর্ষণীয় লড়াইগুলোর একটি হতে যাচ্ছে।আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই)ভিত্তিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ম্যাচটিতে ফ্রান্সের জয়ের সম্ভাবনা ৫৫ শতাংশ, আর স্পেনের সম্ভাবনা ৪৫ শতাংশ। অর্থাৎ, লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি, তবে পরিসংখ্যানের বিচারে কিছুটা এগিয়ে রয়েছে ফরাসিরা।এআইয়ের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, কিলিয়ান এমবাপ্পের নেতৃত্বে ফ্রান্সের আক্রমণভাগ অত্যন্ত শক্তিশালী। বড় আসরে খেলার অভিজ্ঞতা, দ্রুত পাল্টা আক্রমণ এবং শারীরিক সক্ষমতা তাদের বড় শক্তি। ২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং ২০২২ সালের রানার্সআপ হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ফ্রান্সের আত্মবিশ্বাসও বেশি।অন্যদিকে স্পেনের শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে তাদের বল দখলে রাখার দক্ষতা, নিখুঁত পাসিং এবং মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা। তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালের সৃজনশীলতা ও গতি স্পেনের আক্রমণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ফ্রান্সকে কঠিন চ্যালেঞ্জও জানিয়েছে স্প্যানিশরা।এআইয়ের সম্ভাব্য স্কোরলাইন অনুযায়ী, ম্যাচটি ফ্রান্স ২-১ ব্যবধানে জিততে পারে। তবে নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতা থাকলে ম্যাচ গড়াতে পারে অতিরিক্ত সময় কিংবা টাইব্রেকারে।বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, ম্যাচের ফল অনেকটাই নির্ভর করবে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং প্রথম গোলের ওপর। ফ্রান্স যদি আগে গোল করতে পারে, তবে তাদের জয়ের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। আর স্পেন যদি নিজেদের স্বাভাবিক পাসিং ফুটবল খেলতে পারে এবং দীর্ঘ সময় বলের দখল ধরে রাখতে সক্ষম হয়, তাহলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য তাদেরও রয়েছে।তবে মনে রাখতে হবে, এটি কেবল এআইভিত্তিক একটি সম্ভাব্য পূর্বাভাস। মাঠের বাস্তব লড়াই, খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স এবং ম্যাচের পরিস্থিতিই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে কে উঠবে ফাইনালের মঞ্চে।
ব্রডওয়ে ও টেলিভিশন অঙ্গনের জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেতা জশ গ্রিসেত্তি আর নেই। মাত্র ৪৪ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) পরিবারের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস জানায়, গত ১০ জুলাই আত্মহত্যা করেন এই অভিনেতা। পরে তার সহ-অভিনেতা রব ম্যাকব্লুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করে বিষয়টি জানান।রব ম্যাকব্লুর লিখেছেন, এই মৃত্যু মেনে নেওয়া খুবই কঠিন। তিনি জশের স্ত্রী ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং তাদের একসঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ছবিও প্রকাশ করেন।তিনি আরও বলেন, জশ গ্রিসেত্তিকে ছাড়া অভিনয়জগত আর আগের মতো থাকবে না। তাকে সবাই গভীরভাবে মিস করবেন।আরও পড়ুনমারা গেছেন জুরাসিক পার্কখ্যাত অভিনেতা স্যাম নিলমৃত্যুর আগে নিজের শেষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে জশ জানান, ব্যক্তিগত কারণে একটি নাটকের উদ্বোধনী প্রদর্শনীর আগেই তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন।তার মৃত্যুর পর উৎসব কর্তৃপক্ষও শোক প্রকাশ করে জানায়, জশ গ্রিসেত্তি ছিলেন অত্যন্ত আন্তরিক, স্নেহশীল ও নিবেদিতপ্রাণ একজন মানুষ। সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও বন্ধুদের কাছে তিনি ছিলেন খুবই প্রিয়।ব্রডওয়েতে নাইজেল বটম চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পান জশ গ্রিসেত্তি। এছাড়া ইট শুডা বিন ইউ, ব্রডওয়ে বাউন্ড, রেন্ট, পিটার অ্যান্ড দ্য স্টারক্যাচার ও এন্টার লাফিং-সহ একাধিক জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি।টেলিভিশনেও সফল ছিলেন জশ। তিনি দ্য মার্ভেলাস মিসেস মেজেল, দ্য নাইটস অব প্রসপারিটি, নার্স জ্যাকি এবং দ্য গুড ফাইট-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি কয়েকটি চলচ্চিত্র ও সংগীতনির্ভর নাটকের পরিচালনাও করেছেন।১৯৮১ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় জন্ম নেওয়া জশ গ্রিসেত্তি ছোটবেলা থেকেই মঞ্চনাটকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে হলিউড ও ব্রডওয়ের অভিনয় অঙ্গনে।
দেশের বাজারে সোনার দাম আরও কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।এর আগে, গত ১৩ জুলাই ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম কমানো হয় ২ হাজার ২১৬ টাকা। অর্থাৎ দুই দিনে ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম কমলো ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা।এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা।এর আগে গত ১৩ জুলাই সকাল ১০টা থেকে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই সোনার গহনা বিক্রি হয়েছে।সোনার গহনার মতো রুপার গহনার দামও ভ্যাটসহ নির্ধারণ করা হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার গহনার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
১৭ ঘন্টা আগে
বৃষ্টি আল্লাহ তাআলার এক মহান নেয়ামত ও তাঁর অসীম কুদরতের নিদর্শন। কোরআনে বৃষ্টিকে ‘বরকতময় পানি’ এবং জীবনের উৎস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এই রহমতকে ঘিরে সমাজে নানা ধরনের ভুল বিশ্বাস ও কুসংস্কারও প্রচলিত রয়েছে। এসব বিশ্বাসের কিছু দেশে-দেশে বা অঞ্চলে বেশি দেখা যায়, আবার কিছু সীমিত পরিসরে প্রচলিত। তাই কোনটির শরয়ি ভিত্তি আছে আর কোনটি ভিত্তিহীন- তা জানা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।নিচে বৃষ্টির পানি নিয়ে প্রচলিত কয়েকটি ভুল বিশ্বাস এবং ইসলামের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হলো।১. বৃষ্টির পানিকে অলৌকিক ওষুধ মনে করাঅনেকে মনে করেন, বৃষ্টির পানি পান করলেই বা শরীরে লাগালেই কঠিন রোগও সেরে যায়।ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি হলো- আল্লাহ তাআলা বৃষ্টিকে ‘বরকতময়’ বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি আকাশ থেকে বরকতময় পানি বর্ষণ করেছি।’ (সুরা কাফ: ৯)তবে কোরআন-হাদিসে এমন কোনো দলিল নেই, যা বৃষ্টির পানিকে সব রোগের নিশ্চিত চিকিৎসা বলে ঘোষণা করে। তাই চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে নয়, বরং আল্লাহর বরকতময় নেয়ামত হিসেবে একে দেখা উচিত।২. বৃষ্টির পানিতে ভিজলেই গুনাহ মাফ হয়ে যায়অনেকে মনে করেন, বৃষ্টির পানিতে ভিজলেই গুনাহ ক্ষমা হয়ে যায়।এ ধারণার কোনো সহিহ দলিল নেই। গুনাহ মাফের জন্য তওবা, ইস্তেগফার ও নেক আমল জরুরি। তবে বৃষ্টি শুরু হলে রাসুলুল্লাহ (স.) শরীরের কিছু অংশ বৃষ্টিতে ভিজিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘এটি তো তার রবের কাছ থেকে এইমাত্র এসেছে।’ (সহিহ মুসলিম: ৮৯৮)এটি আল্লাহর বরকতময় নেয়ামতকে সাদরে গ্রহণ করার একটি সুন্দর সুন্নাহ, গুনাহ মাফের বিশেষ মাধ্যম নয়।৩. বৃষ্টির পানি দিয়ে তাবিজ বা অলৌকিক কাজ করলে বিশেষ ফল পাওয়া যায়কেউ কেউ বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করে তাবিজ লেখা বা বিশেষ ঝাড়ফুঁকে ব্যবহার করলে অলৌকিক উপকার হবে বলে বিশ্বাস করেন।শরিয়তে এ ধরনের বিশ্বাসের কোনো নির্ভরযোগ্য ভিত্তি নেই। বৃষ্টির বরকত স্বীকার করা এক বিষয়, আর তাকে অলৌকিক শক্তির উৎস মনে করা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।৪. নক্ষত্র বা গ্রহের প্রভাবে বৃষ্টি হয়জাহেলি যুগে বিশ্বাস করা হতো, নির্দিষ্ট নক্ষত্রের কারণে বৃষ্টি হয়।রাসুলুল্লাহ (স.) এ বিশ্বাসকে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। বৃষ্টি সম্পূর্ণ আল্লাহর ইচ্ছায় হয়; কোনো নক্ষত্র বা গ্রহের অলৌকিক প্রভাবে নয়। (সহিহ বুখারি: ৮৪৬)৫. বৃষ্টির দিনে জন্ম নিলে মানুষ সৌভাগ্যবান হয়অনেক এলাকায় ধারণা রয়েছে, বৃষ্টির সময় জন্ম নেওয়া শিশু ভবিষ্যতে বিশেষ ভাগ্যবান হবে।আসলে মানুষের সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্য তার জন্মের সময়ের আবহাওয়া নয়; বরং আল্লাহর ফয়সালা, ঈমান ও আমলের ওপর নির্ভর করে। তাই এ ধরনের বিশ্বাসের কোনো শরয়ি ভিত্তি নেই।৬. সব বৃষ্টিই রহমত, তাই যেকোনো বৃষ্টি উদযাপন করা উচিতঅনেকে মনে করেন, বৃষ্টি মানেই সব অবস্থায় রহমত।উপকারী বৃষ্টি অবশ্যই আল্লাহর রহমত। তবে অতিবৃষ্টি, বন্যা বা ধ্বংসাত্মক বর্ষণ অনেক সময় মানুষের জন্য পরীক্ষা বা বিপদের কারণও হতে পারে। তাই রাসুলুল্লাহ (স.) অতিবৃষ্টির সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন- ‘হে আল্লাহ! আমাদের ওপর নয়, বরং আমাদের চারপাশে (যেখানে প্রয়োজন সেখানে) বর্ষণ করুন।’ (সহিহ বুখারি: ১০১৩)তাই মুসলমানের করণীয় হলো আল্লাহর কাছে সবসময় উপকারী বৃষ্টি কামনা করা।
খাদ্যতালিকায় সহজেই পাওয়া যায়, কিন্তু পুষ্টিগুণে অনন্য একটি ফল হলো আমলকি। ছোট এই ফলটি শুধু স্বাদের জন্যই নয়, বরং শরীর সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আয়ুর্বেদ, ইউনানি ও আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞানে দীর্ঘদিন ধরেই আমলকির গুরুত্বের কথা বলা হচ্ছে।কাঁচা, শুকনো, আচার কিংবা রস—বিভিন্নভাবে আমলকি খাওয়া যায়। যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন, এটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, হজমশক্তি ভালো রাখতে, ত্বক ও চুলের যত্নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। এ কারণে দেশ-বিদেশে সুপারফুড হিসেবে পরিচিত এই ফলটির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ‘সি’-এর অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে আমলকির কদর বেশি।পুষ্টিবিদরা জানান, আমলকির অন্যতম বিশেষত্ব হলো এটি কাঁচা অবস্থায় যেমন উপকারী, তেমনি প্রক্রিয়াজাত করার পরও এর অনেক পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে। আমলকিতে থাকা ভিটামিন সি তাপ সহনশীল হওয়ায় শুকানো বা রান্নার পরও এর কার্যকারিতা অনেকটাই বজায় থাকে।পুষ্টিবিদদের মতে, আমলকিতে রয়েছে পলিফেনল, ফ্ল্যাভোনয়েড ও ট্যানিনের মতো উপকারী উপাদান। এগুলো শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আমলকি খেলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে, হজমশক্তি উন্নত হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পরিমিত পরিমাণ আমলকি রাখলে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা পূরণে সহায়তা করে এবং সুস্থ জীবনযাপনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত না করার সিদ্ধান্ত এবং পরীক্ষার্থীদের শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের ‘ফার্মের মুরগি’ বলে মন্তব্যকে ঘিরে চলমান বিতর্কের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ নামে একটি ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্ম। শিক্ষামন্ত্রীর একটি ফোনালাপ ভাইরাল হওয়ার পর এ উদ্যোগকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ফেসবুকে ‘Broiler Chicken Party’ নামে একটি পেজ চালু করা হয়। ‘We are the Broiler Generation; We are not insulted, We are awakened’ (আমরা ব্রয়লার প্রজন্ম; আমরা অপমানিত নই, আমরা জাগ্রত) স্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করা পেজটিতে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাজারো অনুসারী যুক্ত হন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এ প্রতিবেদন লেখার আগ পর্যন্ত ৯ হাজার ফলোয়ার যুক্ত হন এই পেজে।পেজ কর্তৃপক্ষ এক পোস্টে দাবি করেছে, এটিই তাদের একমাত্র অফিসিয়াল পেজ এবং বিভাগীয় বা জেলা পর্যায়ে তাদের কোনো আলাদা পেজ নেই।উল্লেখ্য, ‘ফার্মের মুরগি’ বিতর্কের সূত্রপাত টানা ভারী বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যেও এইচএসসি পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে ঘিরে। এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমালোচনার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের একটি ফোনালাপের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। রাজধানীর সিটি কলেজের এক পরীক্ষার্থীর অভিভাবক হোয়াটসঅ্যাপে মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সময় সেই আলাপ অন্য একটি মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে পরীক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘এগুলো তো ফার্মের মুরগি। একটু বৃষ্টিতে ভিজলেই জ্বর চলে আসে।’ একই ফোনালাপে তিনি দাবি করেন, ব্যক্তিগতভাবে পরীক্ষা স্থগিতের পক্ষে থাকলেও জেলা প্রশাসন, শিক্ষা বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর ‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্যকে অপমানজনক উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, শাহবাগ, উত্তরাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। আন্দোলনে ‘আমি কে, তুমি কে, ফার্মের মুরগি’ স্লোগানের পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও ওঠে। পরে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর ও বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানেও একই দাবিতে কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।এদিকে নতুন খোলা ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ পেজে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ছবি, ভিডিও, বিভিন্ন কর্মসূচির আপডেট, ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট ও হ্যাশট্যাগভিত্তিক নানা কনটেন্ট প্রকাশ করা হচ্ছে। পেজটির প্রোফাইল ছবি প্রকাশের পর অল্প সময়েই সেটি শতাধিকবার শেয়ার হয় এবং দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই দাবি করছেন, এই প্ল্যাটফর্মটি ভারতের ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন উদ্যোগ ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আদলে তৈরি। গত মে মাসে ভারতের এক বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া সেই অনলাইন উদ্যোগ পরে তরুণদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার প্রতীকী প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছিল।