ঢাকা শনিবার ০৪ আষাঢ় ১৪৩১ রাত ১০:৩৪:৫০ (04-Jul-2026)

জাতীয় বাজেট ২৬-২৭
দেশের সব হাসপাতালে ৬ নির্দেশনা

দেশের সব হাসপাতালে ৬ নির্দেশনা

বর্তমান সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষ্যে সারা দেশের সব হাসপাতাল সার্বক্ষণিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ১৭ আগস্টের মধ্যে দেশের সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।অধিদপ্তরের চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১৭ আগস্ট বর্তমান সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে হাসপাতালগুলোর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাজিরা নিয়মিত করতে ছয়টি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।নির্দেশনাগুলো হলো—১. সব প্রতিষ্ঠান প্রধান স্ব-স্ব হাসপাতাল নিজ দায়িত্বে সার্বক্ষণিকভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবেন।২. ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অধীনস্থ হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা মনিটর করবেন।৩. পরিচালক, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বা বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতি শনিবার হাসপাতালে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করবেন।৪. প্রত্যেক বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) উল্লিখিত তারিখসমূহে সংযুক্ত তালিকা (সংযুক্ত-০১) অনুযায়ী জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শন শেষে সচিত্র পরিদর্শন প্রতিবেদন মন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পরিচালক (প্রশাসন), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বরাবর প্রেরণ করবেন।৫. প্রত্যেক সিভিল সার্জন মাসের প্রত্যেক শনিবার সংযুক্ত তালিকা (সংযুক্ত-০২) অনুযায়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করবেন। এরপর সচিত্র পরিদর্শন প্রতিবেদন মন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পরিচালক (প্রশাসন), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বরাবর প্রেরণ করবেন।৬. ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখের মধ্যে সব স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের বায়োমেট্রিক মেশিন সচল করে নিয়মিত বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিত করবেন। ব্যর্থতায় প্রতিষ্ঠান প্রধান দায়ী থাকবেন।

শিগগিরই আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শিগগিরই আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে শিগগিরই বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।জুলাই জাতীয় সম্মেলনে তিনি বলেছেন, “রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার দাবি করেছি আমরা, আপনারা দাবি করেছেন; তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে, ইনশাআল্লাহ খুব শিগগিরই রাজনৈতিক দল হিসেবে—সেই রাজনৈতিক দলকে বিচারের কাঠগড়ায় নিয়ে যাওয়া হবে।“সংবিধানের ৪৭ আর্টিকেল অনুসারে আইন সংশোধন করা হয়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আছে, আইসিটি অ্যাক্টে আছে, রাজনৈতিক দলের সংগঠনের বিচার করা যাবে। সুতরাং অপেক্ষা করুন।”জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে যারা বিক্রি করছে, তাদের পরিণতি ভবিষ্যতে জাতি দেখবে বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, “আজকে যারা এই অনুষ্ঠানের আয়োজক, তাদের প্রতি আমার অনুরোধ রইল এই জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে যেন আমরা কেউ ব্যবসা না করি।“যারা জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে বিভিন্নভাবে রাজনৈতিক সংগঠন করে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার জন্য চেতনা বিক্রি করছে, তাদের পরিণতি কিন্তু ভবিষ্যতে দেখা যাবে; ইতিহাস কিন্তু তাই।”আওয়ামী লীগের ‘পরিণতির’ প্রসঙ্গ টেনে সালাহউদ্দিন বলেন, “যারা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করত, তারা চেতনা বিক্রি করতে করতে আজকে দিল্লি গিয়ে বসে আছে।“বাংলাদেশের মানুষ তাদেরকে উৎখাত করেছে। সুতরাং চেতনা বিক্রির ব্যবসা ভালো নয়, রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার উদ্দেশ্যে ভালো না।”স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা মহান চব্বিশের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসকে ধারণ করব, স্মৃতিকে ধারণ করব।“অনাগতকালে ভবিষ্যতে আমাদের প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম যেন দেখে—স্বৈরাচার ফ্যাসিবাদের পতন কীভাবে হয়েছিল? ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচারী আচরণ যেন ভবিষ্যতের কোনো সরকার না করে।”জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ওয়াসিম আকরামের কথা বলতে গিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “শহীদ হওয়ার মাত্র দুইদিন আগে আমাকে শিলংয়ে দেখতে গিয়েছিল ছেলেটা। কেন বাবা এতো অল্প বয়সে বাবা-মার টাকা খরচ করে পাসপোর্ট-ভিসা করে আমাকে দেখতে এলে? বলেছিল, ‘আপনাকে একনজর সামনে থেকে দেখব- বড় আশা ছিল’। ছবি তুলেছিল, ফেসবুকের প্রোফাইলে ছবিটা সে দিয়েছিল। দুই-তিন সপ্তাহ পরে দেশে এসে বাংলাদেশের জন্য জীবন দিয়ে দিল।“বড় করুণ সেই ইতিহাস। তার বাবা তখন বিদেশে। তার মায়ের সাথে কথা বললাম, চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। সে আজকে বলল, যে শহীদের বিচার করুন আগে। আমরা দেখতে চাই, এই দেশে প্রত্যেকটা খুনের বিচার হয়েছে।”ঢাকার আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে জুলাই ’২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি এবং আমরা জুলাই যোদ্ধা। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।মানবতাবিরোধী মামলার সবশেষ অবস্থাসালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “পাঁচটা গণহত্যার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় হয়েছে ইতোমধ্যে। বিচারাধীন মামলা আছে ২৭টা এবং তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে ৭২টা মামলা। শহীদ আবু সাঈদের মামলায় প্রথম মামলায় দুজনের ফাঁসি হয়েছে…ভাইস চ্যান্সেলরসহ সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্যদের বিভিন্ন মেয়াদের সাজা হয়েছে।“প্রথম মামলার রায় হয়েছে, গণহত্যার। আপনারা সবাই জানেন—শেখ হাসিনা, তার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল তাদের ফাঁসির আদেশ হয়েছে। তৎকালীন আইজিপি মামুন রাজসাক্ষী হওয়ার কারণে তার সাজা কম হয়েছে, তবে সাজা হয়েছে।“আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো হত্যা মামলার দুইজনের ফাঁসি হয়েছে; ওখানে সাবেক একজন স্বৈরাচার দোসর এমপি আছে, ওসি আছে, ডিআইজিসহ অন্যান্যদের যাবজ্জীনসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে।”স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘চাঁনখারপুলে হত্যা মামলায় ফাঁসি হয়েছে তৎকালীন স্বৈরাচারের দোসর পুলিশ কমিশনার হাবিব এবং জয়েন্ট কমিশনার সুদীপ্ত…তাদের ফাঁসির আদেশ হয়েছে। অন্যান্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে। অতি সম্প্রতি রায় হয়েছে। রামপুরা টিভি সেন্টারের ওখানে একটা ছেলে লুকিয়েছিল, তাকে গুলি করা হয়েছিল।“আমি শুনলাম সেই ছেলেটি কোনো রকমে প্রাণে বেঁচে গিয়েছে। চিকিৎসার মাধ্যমে আল্লাহ তার জীবন বাড়িয়ে দিক, হায়াত বাড়িয়ে দিক। সেই ঘটনায় আরো দুই-একজনকে শিশুসহ হত্যা করা হয়েছে …সেই মামলায় রায় হয়েছে। ফাঁসির আদেশ হয়েছে তৎকালীন পুলিশ কমিশনার হাবিব, ওসি এবং অন্যান্যদের বিভিন্ন মেয়াদে।”তিনি বলেন, “সর্বশেষ হাসানুল হক ইনু নামের একজন স্বৈরাচারের দোসর আছে, তার বিচারের রায় বেরিয়েছে। তাকে কেবল ১০ বছরের সাজা দেয়াতে বাদী পক্ষ সন্তুষ্ট নয়, সেজন্য সেটা আপিল করা হবে মর্মে শুনেছি।“তার অন্তত যাতে সর্বোচ্চ সাজা হয়, সেরকম বিচার আরো আছে; সে মামলাগুলোতে আশা করা যায়।”‘কোনোদিন আমরা ঘুমাইনি’বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘‘কিছু পর্দার আড়ালের কথা আজকে অবমুক্ত করতে চাই। আমি ও আমার নেতা জনাব তারেক রহমান দুজনেই আমরা নির্বাসিত ছিলাম। আল্লাহর কি মহিমা যদি আমরা নির্বাসিত না থাকতাম, হয়তো এই জুলাইয়ের মত একটা উত্থান সফলভাবে সমাপ্ত করা সম্ভব হতো না। এটাই হচ্ছে পর্দার অন্তরালের কথা।“কোনোদিন আমরা ঘুমাইনি। ২৪টা ঘণ্টা কো-অর্ডিনেশন করে আমাদের নেতাকর্মীদেরকে বিভিন্নভাবে আমরা অর্গানাইজ করে এই জুলাই যোদ্ধাদের সম্মুখে রেখে অরাজনৈতিক পরিচয়ে এই আন্দোলনকে একটা পর্যায় পর্যন্ত আমরা নিয়ে এসছি। তিন তারিখ, চার তারিখে আমরা যখন নৈতিক সমর্থন প্রদান করি…।”তিনি বলেন, “যেদিন আমরা ১৬ জুলাই পর্যন্ত পৌঁছালাম, সেদিন আমার নেতা তারেক রহমান বলেছেন, ‘দফা এক দাবি এক, স্বৈরাচারের পদত্যাগ’। অন্য কোনভাবে সমস্যার সমাধান হবে না।“আজকে যারা জুলাই যোদ্ধাদের নেতৃত্ব দাবি করেন, তাদের অনেকেই সেদিন বলেছিল, ‘আমাদের কোনো রাজনৈতিক দাবি নাই, আমাদের দাবি বৈষম্যহীন’…কোটা বৈষম্য দূর করতে হবে, সেটাই ছিল তাদের বক্তব্য। আমরা জানি, স্বৈরাচারকে গতিতে রেখে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা যাবে না। তাদেরকে আমরা বোঝাতে সক্ষম হয়েছি, কিন্তু তাদের সেই সাহস ছিল না।”স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা অরাজনৈতিকভাবে সমগ্র বাংলাদেশের সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে শত সহস্র শহীদের রক্তের এই স্রোতের মধ্য দিয়ে আমরা এই জায়গায় এসে আছি আজকে। এই বাংলাদেশ রক্তে রঞ্জিত হয়েছে, এই মানচিত্র রক্তে রঞ্জিত হয়েছে, শহীদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে আমরা বিজয় অর্জন করেছি ৫ অগাস্ট।“সেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ে যদি বিভাজন করি, তাহলে সর্ববৃহৎ অংশটি থাকবে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের, যুবদলের, বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের…।”সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “জাতিসংঘের যে রিপোর্ট, সেই রিপোর্টে ১৪০০ কথা বলা আছে কিন্তু অফিশিয়ালি বিভিন্ন পত্রিকায় এবং জরিপে ৭০০ থেকে ৮০০-র মত খতিয়ান পাওয়া যায়। বাকিগুলো গেল কোথায়? কারণ শহীদের খতিয়ান হসপিটাল রক্ষা করতে পারে নাই, তাদের ডকুমেন্ট পর্যন্ত গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। তাদেরকে দাফন করা হয়েছে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে। আজকে স্বজনরা তার কবরের সন্ধান করে, আমরা দিতে পারি না।“এরকম একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরে, গণহত্যার পরে আজও পর্যন্ত সেই গণহত্যাকারী শেখ হাসিনার কোনো রকমের অনুশোচনা নাই। তারা জুলাই যোদ্ধাদেরকে অপরাধী হিসেবে তকমা দিচ্ছে, বাংলাদেশের এই গণ-অভ্যুত্থানকে তারা একটা জঙ্গি তকমা দিচ্ছে। বাংলাদেশে নাকি জঙ্গিবাদের মধ্য দিয়ে তাদের রাষ্ট্র ক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে! এর চাইতে লজ্জাকর আর কিছু নেই।”স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগের মধ্যে অনুশোচনাও নেই, দোষ স্বীকারের সেই অবস্থাও তাদের নেই, সেই ইতিহাসও তাদের নেই। তারা উল্টো বিদেশে বসে বাংলাদেশে এখন নাকি গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকমের ষড়যন্ত্র করছে।“আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতন হয়েছে, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিকভাবে নিপাত হয়েছে, নির্মূল হয়েছে। দাফন হয়ে গেছে দিল্লিতে। সেই আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না।”জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, গৃহায়ন মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সভাপতি আবু হুরায়রা, কওমী ছাত্র ফোরামের সভাপতি জামিল সিদ্দিকী, আয়োজক সংগঠন ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র সভাপতি আমিনুল ইসলাম ইমন, সাধারণ সম্পাদক আল মিরাজ, শহীদ ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটির সভাপতি গোলাম রহমান ও সাধারণ সম্পাদক রবিউল আওয়াল বক্তব্য রাখেন।জুলাই বিপ্লবে শহীদদের নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেইন, শহীদ শাহরিয়ার হোসেন আলভীর বাবা আবুল হোসেন, শহীদ আবদুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমাতুজ্জোহরা, শহীদ ওয়াসিম আকরামের বাবা শফিউল আলম এবং যাত্রাবাড়ীতে শহীদ মিরাজ হোসেনের বাবা আবদুর রব মিয়া।জুলাই বিপ্লবে আহত শাহিন মালু, সুজন মোল্লা, মিল্লাত হোসেন, আল-আমীন, মেহেদি হাসান মিরাজ তাদের মনোবেদনার কথা অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন।

জুলাই অভ্যুত্থান দেশের সব মানুষের অর্জন: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই অভ্যুত্থান দেশের সব মানুষের অর্জন: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দল বা ব্যক্তির নয় দাবি করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এটি গণতন্ত্র ও শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন।শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র) ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ ও স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। এ সময় শহীদ পরিবারের সদস্যদের স্মৃতিচারণ ও আকুতি শুনে অশ্রুসিক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তার ও তার পরিবার এবং দেশের মানুষের ওপর বিগত ১৭ বছরে যে অবিচার করা হয়েছে- আল্লাহ তাকে এখন সেই সবের প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন। কিন্তু তিনি প্রতিশোধ নিতে চান না।তিনি আরও বলেছেন, আমি ১৭ বছর আগে দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলাম। দেশে ফিরে এসে আমার অনেক সহকর্মীকে পাইনি। আমার ছাত্রদলের অনেককে আমি রেখে গিয়েছিলাম। তাদের অনেককে পাইনি। অনেকে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, যারা জুলাই হত্যাকাণ্ডে দায়ী তাদের বিচার করা হবে। বিচারের নামে যেন অবিচার না হয়; সেটিও লক্ষ রাখতে হবে। সময় নিয়ে হলেও যে হত্যাকারী তার সঠিক বিচার নিশ্চিত করা হবে।‘৩৬ জুলাই’ অর্থাৎ ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ ও ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’।অনুষ্ঠানে গণঅভ্যুত্থানে প্রাণ হারানো কয়েকজন শহীদের পরিবারের সদস্য মঞ্চে এসে তাদের সন্তান ও স্বজনদের হারানোর লড়াকু দিনগুলোর স্মৃতি তুলে ধরেন। এ সময় এক শহীদ জননী তার সন্তানের আত্মত্যাগের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লে উপস্থিত সবার মধ্যে এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।মিলনায়তনে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের পাশাপাশি সামনের সারিতে বসা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তার অশ্রু ধরে রাখতে পারেননি। অকপটেই তার চোখে পানি চলে আসে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর দু'চোখে পানি টলমল করতে দেখা যায়।

  • শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে সোহেল তাজের স্ট্যাটাস ভাইরাল

    শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে সোহেল তাজের স্ট্যাটাস ভাইরাল

  • শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান, আটক ৮২

    শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান, আটক ৮২

  • সাংবাদিক-শিক্ষক শাহেদ কামাল মারা গেছেন

    সাংবাদিক-শিক্ষক শাহেদ কামাল মারা গেছেন

  • ব্রাজিল শিবিরে মহা দুঃসংবাদ,

    ফিট নন রাফিনহা, নেই পাকেতাও ব্রাজিল শিবিরে মহা দুঃসংবাদ,

  • জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

    বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

  • ‘দাদাগিরি’তে সৌরভের বিদায়, নতুন সঞ্চালক দেব

    ‘দাদাগিরি’তে সৌরভের বিদায়, নতুন সঞ্চালক দেব

  • ‘দাদাগিরি’তে সৌরভের বিদায়, নতুন সঞ্চালক দেব

    ‘দাদাগিরি’তে সৌরভের বিদায়, নতুন সঞ্চালক দেব

  • ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম, স্বামী আটক

    ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম, স্বামী আটক

  • ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম, স্বামী আটক

    ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম, স্বামী আটক

  • ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম, স্বামী আটক

    ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম, স্বামী আটক

  • ভারতের মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিচ্ছেন আ.লীগের পলাতক সাবেক এমপি

    ভারতের মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিচ্ছেন আ.লীগের পলাতক সাবেক এমপি

  • ভারতের মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিচ্ছেন আ.লীগের পলাতক সাবেক এমপি

    ভারতের মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিচ্ছেন আ.লীগের পলাতক সাবেক এমপি

  • মহাখালী থেকে অপহৃত শিশু উদ্ধার, সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

    মহাখালী থেকে অপহৃত শিশু উদ্ধার, সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

  • সারাদেশে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ আটক ৮৪

    সারাদেশে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ আটক ৮৪

  • সারাদেশে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ আটক ৮৪

    সারাদেশে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ আটক ৮৪

সব খবর

  • সাংবাদিক-শিক্ষক শাহেদ কামাল মারা গেছেন

    সাংবাদিক-শিক্ষক শাহেদ কামাল মারা গেছেন

  • শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান, আটক ৮২

    শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান, আটক ৮২

  • দেশের সব হাসপাতালে ৬ নির্দেশনা

    দেশের সব হাসপাতালে ৬ নির্দেশনা

  • ব্রাজিল শিবিরে মহা দুঃসংবাদ,

    ব্রাজিল শিবিরে মহা দুঃসংবাদ,

  • শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে সোহেল তাজের স্ট্যাটাস ভাইরাল

    শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে সোহেল তাজের স্ট্যাটাস ভাইরাল

  • বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

    বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

  • শিগগিরই আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    শিগগিরই আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সব খবর

জুলাই অভ্যুত্থান দেশের সব মানুষের অর্জন: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই অভ্যুত্থান দেশের সব মানুষের অর্জন: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দল বা ব্যক্তির নয় দাবি করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এটি গণতন্ত্র ও শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন।শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র) ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ ও স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। এ সময় শহীদ পরিবারের সদস্যদের স্মৃতিচারণ ও আকুতি শুনে অশ্রুসিক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তার ও তার পরিবার এবং দেশের মানুষের ওপর বিগত ১৭ বছরে যে অবিচার করা হয়েছে- আল্লাহ তাকে এখন সেই সবের প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন। কিন্তু তিনি প্রতিশোধ নিতে চান না।তিনি আরও বলেছেন, আমি ১৭ বছর আগে দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলাম। দেশে ফিরে এসে আমার অনেক সহকর্মীকে পাইনি। আমার ছাত্রদলের অনেককে আমি রেখে গিয়েছিলাম। তাদের অনেককে পাইনি। অনেকে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, যারা জুলাই হত্যাকাণ্ডে দায়ী তাদের বিচার করা হবে। বিচারের নামে যেন অবিচার না হয়; সেটিও লক্ষ রাখতে হবে। সময় নিয়ে হলেও যে হত্যাকারী তার সঠিক বিচার নিশ্চিত করা হবে।‘৩৬ জুলাই’ অর্থাৎ ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ ও ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’।অনুষ্ঠানে গণঅভ্যুত্থানে প্রাণ হারানো কয়েকজন শহীদের পরিবারের সদস্য মঞ্চে এসে তাদের সন্তান ও স্বজনদের হারানোর লড়াকু দিনগুলোর স্মৃতি তুলে ধরেন। এ সময় এক শহীদ জননী তার সন্তানের আত্মত্যাগের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লে উপস্থিত সবার মধ্যে এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।মিলনায়তনে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের পাশাপাশি সামনের সারিতে বসা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তার অশ্রু ধরে রাখতে পারেননি। অকপটেই তার চোখে পানি চলে আসে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর দু'চোখে পানি টলমল করতে দেখা যায়।

জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

সাইবার অপরাধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সাইবার অপরাধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নতুন দায়িত্ব পেলেন ৫ মন্ত্রী

নতুন দায়িত্ব পেলেন ৫ মন্ত্রী

মিলেমিশে থাকাই বাংলাদেশের মানুষের মূল্যবোধ : প্রধানমন্ত্রী

মিলেমিশে থাকাই বাংলাদেশের মানুষের মূল্যবোধ : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকায় সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩

ঢাকায় সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩

📅 ক্যালেন্ডার
তারিখ নির্বাচন করুন
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
শনি
রবি
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে সোহেল তাজের স্ট্যাটাস ভাইরাল

শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে সোহেল তাজের স্ট্যাটাস ভাইরাল

শিগগিরই আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শিগগিরই আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই আমার সম্পত্তি, জুলাই যোদ্ধা সার্টিফিকেট দেবো ৫০ টাকায়: উমামা

জুলাই আমার সম্পত্তি, জুলাই যোদ্ধা সার্টিফিকেট দেবো ৫০ টাকায়: উমামা

৫ আগস্ট জুলাই জাদুঘর খুলে না দিলে জনগণই খুলবে: নাহিদ

৫ আগস্ট জুলাই জাদুঘর খুলে না দিলে জনগণই খুলবে: নাহিদ

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের চার এমপি

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের চার এমপি

ব্রাজিলকে নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল

ব্রাজিলকে নিয়ে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল

সংসদ তোষামোদের জায়গা নয়: জামায়াত

সংসদ তোষামোদের জায়গা নয়: জামায়াত

ভারতের মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিচ্ছেন আ.লীগের পলাতক সাবেক এমপি

ভারতের মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিচ্ছেন আ.লীগের পলাতক সাবেক এমপি

১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো:  হাসনাত

১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত

ফ্রান্সে তীব্র তাপদাহে আরও ২০২৫ জনের মৃত্যু

ফ্রান্সে তীব্র তাপদাহে আরও ২০২৫ জনের মৃত্যু

আয়াতুল্লাহ খামেনির প্রতি সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা শুরু

আয়াতুল্লাহ খামেনির প্রতি সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা শুরু

ঐতিহাসিক কারবালায় নেওয়া হবে খামেনির মরদেহ

ঐতিহাসিক কারবালায় নেওয়া হবে খামেনির মরদেহ

ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান

ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান

পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত

পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত

ব্রাজিল শিবিরে মহা দুঃসংবাদ,

ফিট নন রাফিনহা, নেই পাকেতাও ব্রাজিল শিবিরে মহা দুঃসংবাদ,

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচ ঘিরে ভক্তদের উত্তেজনার শেষ নেই। সেই ম্যাচের আগেই ধাক্কা খেল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। চোটের কারণে আরলিং হালান্ডের দলের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারবেন না ব্রাজিলের তারকা মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতা। প্রতিবেদনে এমনটি জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচটি শুরু হবে আগামীকাল রোববার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টায়; ভেন্যু নিউইয়র্কের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়াম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে পরবর্তী ম্যাচে বাইরে থাকবেন পাকেতা। নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে মাঝমাঠের অন্যতম ভরসাকে হারানো ব্রাজিলের জন্য নিঃসন্দেহে অনেক বড় ধাক্কা।পাকেতা ঠিক কবে মাঠে ফিরবেন, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানানো হয়নি ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) পক্ষ থেকে। তবে সিবিএফের সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রাজিল ফাইনালে না উঠলে এবারের বিশ্বকাপে আর মাঠে নামার সম্ভাবনা নেই পাকেতার।সেরা ৩২-এর ম্যাচে জাপানকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ওঠে ব্রাজিল। সেই ম্যাচে কাসেমিরো ও ব্রুনো গিমারেসের সঙ্গে শুরুর একাদশেই ছিলেন পাকেতা। চোট পাওয়ায় বিরতির পর আর মাঠে নামা হয়নি তাঁর। বর্তমানে চোট থেকে সের উঠতে চিকিৎসা নিচ্ছেন এই মিডফিল্ডার।পাকেতার অনুপস্থিতিতে কোচ কার্লো আনচেলত্তির সামনে একাধিক বিকল্প রয়েছে। এক পজিশনে দানিলো সান্তোসকে নামাতে পারেন ব্রাজিলিয়ান কোচ। আবার কৌশলে পরিবর্তন এনে আরও আক্রমণাত্মক একাদশ সাজাতে এন্দ্রিক বা গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির মতো খেলোয়াড়কেও সুযোগ দিতে পারেন।এদিকে ঊরুর চোট কাটিয়ে ধীরে ধীরে মাঠে ফেরার পথে রয়েছেন রাফিনিয়া। হাইতির বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে চোট পাওয়ার পর থেকে মাঠের বাইরে আছেন বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড। বর্তমানে মূল দলের বাইরে থেকে ব্যক্তিগত অনুশীলন করছেন। নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচের আগে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে তাঁকে বদলি বেঞ্চে রাখা হতে পারে বলে জানিয়েছে দলের একটি সূত্র।

শেষ ষোলোয় কবে কখন কে কার মুখোমুখি

শেষ ষোলোয় কবে কখন কে কার মুখোমুখি

শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনার ম্যাচ কবে, কখন

শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনার ম্যাচ কবে, কখন

ঘানাকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে কলম্বিয়া

ঘানাকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে কলম্বিয়া

কেপ ভার্দেকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা

কেপ ভার্দেকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা

কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ

কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ

একজন কম নিয়ে খেলেও শেষ ষোলোয় যুক্তরাষ্ট্র

একজন কম নিয়ে খেলেও শেষ ষোলোয় যুক্তরাষ্ট্র

বিতর্কে শ্রদ্ধা কাপুরের নতুন সিনেমা

বিতর্কে শ্রদ্ধা কাপুরের নতুন সিনেমা

কাকে খাইয়ে দিচ্ছেন কেয়া পায়েল?

কাকে খাইয়ে দিচ্ছেন কেয়া পায়েল?

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা সানু, সম্পাদক জয়

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা সানু, সম্পাদক জয়

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে শিবা সানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন।শনিবার ভোরে এফডিসিতে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যরা ফলাফলের এই বিবরণীতে স্বাক্ষর করে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।বিবরণীতে বলা হয়েছে, এবারের নির্বাচনে মোট ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৪৮০ জন ভোট দিয়েছেন। তার মধ্যে চূড়ান্ত গণনায় ৪১৬টি ব্যালট বৈধ এবং ৬৪টি বাতিল বলে গণ্য হয়েছে।নির্বাচনে সভাপতি পদে ২৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন শিবা সানু; তার প্রতিদ্বন্দ্বী ফাইটার ও প্রযোজক আরমান পেয়েছেন ১৪৩ ভোট।অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী ২৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, যেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা ইসলাম মুক্তি পেয়েছেন ১৭৯ ভোট।সহ-সভাপতি পদের দুইটি আসনে নির্বাচিত হয়েছেন ডি এ তায়েব ও ইলিয়াস কোবরা। এর মধ্যে ডি এ তায়েব সর্বোচ্চ ২৬০ ভোট এবং ইলিয়াস কোবরা ২১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তবে এই পদে অভিনেত্রী রোজিনা এবং নূতন ১৫২ ও ২০৪ ভোট পান।সম্পাদকীয় প্যানেলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদের মধ্যে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে রিনা খানকে পরাজিত করে ২৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সুব্রত।সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সনি রহমান ২৬৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, তার বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বী চুন্ন পেয়েছেন ১৮৩ ভোট।এছাড়া আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে এম এ পারভেজ চৌধুরী আবীর ২৭২ ভোট পেয়ে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন, যেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী পলি পেয়েছেন ১৪৪ ভোট।দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর ২২১ ভোট পেয়ে এবং সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে মারুফ আকিব ২২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।কোষাধ্যক্ষ পদে কামরুজ্জামান কমল ২২১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাদু আজাদ পেয়েছেন ১৯৭ ভোট।এদিকে সমিতির ১১টি কার্যকরী পরিষদ সদস্য পদের জন্য এবার ২৭ জন প্রার্থী লড়াইয়ে নেমেছিলেন।এদের মধ্যে ৩২৪ ভোট পেয়ে প্রথম সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন চিত্রনায়ক কায়েস আরজু। কার্যকরী পরিষদের বাকি ১০টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন যথাক্রমে আলীবরাজ, নাসরিন, জেসমিন আক্তার, সুশান্ত, শিপন মিত্র, শামীম খান (চিকন আলী), রাকা, শিরিন শিলা, কাবিলা এবং ফরহাদ।এদের মধ্যে আলীবরাজ ২৯৭ ভোট, নাসরিন ২৮৯ ভোট এবং জেসমিন আক্তার ২৮৩ ভোট পেয়ে তালিকার প্রথম সারিতে জায়গা করে নিয়েছেন।চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯ টায়, যা চলে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এক প্যানেলে থেকে সভাপতি পদে প্রার্থী হন ফাইটার ও প্রযোজক আরমান, তার সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক পদে লড়েছেন চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি।অন্য প্যানেলে শিবা সানু সভাপতি পদে এবং জয় চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হন।এবারের নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কিবরিয়া লিপু, খোরশেদ আলম খসরু ও বি এইচ নিশান।স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এবার নির্বাচন করেন স্বপ্না কাশেম, আন্না কামরুননাহার, তাহমিনা হোসেন বেবী, হোসেন আরা রিয়া, পলাশ খান, ইউসুফ খান।

‘শেষ মূহুর্তে ইজ্জতটা বাঁচল’

‘শেষ মূহুর্তে ইজ্জতটা বাঁচল’

‘লাইফলাইন’-এর সঙ্গে আমার জীবনের মিল রয়েছে: মিম

‘লাইফলাইন’-এর সঙ্গে আমার জীবনের মিল রয়েছে: মিম

‘দাদাগিরি’তে সৌরভের বিদায়, নতুন সঞ্চালক দেব

‘দাদাগিরি’তে সৌরভের বিদায়, নতুন সঞ্চালক দেব

প্রথম সপ্তাহে কত আয় করল ‘ককটেল ২’

প্রথম সপ্তাহে কত আয় করল ‘ককটেল ২’

বাবা-ছেলের আজ একই দিনে জন্মদিন

বাবা-ছেলের আজ একই দিনে জন্মদিন

এখনো ভক্তদের হৃদয়ে অমর পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসন

এখনো ভক্তদের হৃদয়ে অমর পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসন

বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করল আইসিসি | ICC | BCB | BCCI | t20 world cup 2026

৩ মাস আগে

অভিনেত্রী ঊর্মিলাসহ তিনজনের সম্পদের হিসাব চায় দুদক | Urmila Srabonti Kar | Entertainment | Dudok

৩ মাস আগে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট  চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ | Voter List | bd Election 2026
ক্ষমতায় গেলে যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে বিএনপি  | তারেক রহমান | BNP | Tareque Rahman |
নির্বাচনের আগেই একটি দল মানুষ ঠকাচ্ছে এবং শিরক করাচ্ছে : তারেক রহমান সিলেট সমাবেশে |Tarique Rahman
যে মামলায় মৃত্যুদণ্ডের আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এবং মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড
কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে কাফের ঘোষণার দাবি | এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর | Abbasi
রংপুরের ব্যবসায়ী আশরাফুল হককে মিথ্যা প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা আদায় করতে চেয়েছিল প্রেমিকা | RAB
কোনো শর্টস পাওয়া যায়নি।
জয়পুরহাটর স্বর্ণ পাচারকারী গ্রেফতার

জয়পুরহাটর স্বর্ণ পাচারকারী গ্রেফতার

স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

কর্ণফুলী নদীতে ফিশিং ট্রলারে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৬

কর্ণফুলী নদীতে ফিশিং ট্রলারে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৬

চলন্ত বাসে হঠাৎ আগুন

চলন্ত বাসে হঠাৎ আগুন

অনুদানের টাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করলেন জুলাই শহীদের বাবা!

অনুদানের টাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করলেন জুলাই শহীদের বাবা!

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ শিক্ষককে চাকরিচ্যুত

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ শিক্ষককে চাকরিচ্যুত

ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম, স্বামী আটক

ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম, স্বামী আটক

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

শাওন, মাহিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

শাওন, মাহিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

ই-অরেঞ্জের প্রধান উপদেষ্টা মাসুকুর রহমান গ্রেপ্তার

ই-অরেঞ্জের প্রধান উপদেষ্টা মাসুকুর রহমান গ্রেপ্তার

শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান, আটক ৮২

শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান, আটক ৮২

আদাবরে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

আদাবরে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

মহাখালী থেকে অপহৃত শিশু উদ্ধার, সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

মহাখালী থেকে অপহৃত শিশু উদ্ধার, সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার



বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশ এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর শনিবার (৪ জুলাই) সকালে প্রথমবার নিজ শহর চট্টগ্রাম সফরে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ যেভাবে আকৃষ্ট করা হচ্ছে, তাতে এক ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে দেশ।আমির খসরু বলেন, চট্টগ্রামে সম্ভাবনার খাত অনেক বেশি। এই নগরী হবে অর্থনীতির লজিস্টিক হাব। চট্টগ্রাম অর্থনৈতিক লজিস্টিক হাব হওয়ার সম্ভাবনা বাজেটে প্রতিফলন হয়েছে।চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ৬শ' একর জমিতে ফ্রি ট্রেড জোন স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা।

২ ঘন্টা আগে

কমলো এলপি গ্যাসের দাম, সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর

কমলো এলপি গ্যাসের দাম, সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর

দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

সারা দেশে আজ ব্যাংক বন্ধ

সারা দেশে আজ ব্যাংক বন্ধ

দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

বুধবার বন্ধ থাকবে দেশের সব তেলের ডিপো: বিপিসি

বুধবার বন্ধ থাকবে দেশের সব তেলের ডিপো: বিপিসি

ফের সোনার দামে বড় পতন

ফের সোনার দামে বড় পতন

সংসদে অর্থবিল-২০২৬ পাস

সংসদে অর্থবিল-২০২৬ পাস

ব্যক্তির করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ল

ব্যক্তির করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ল

‘বিসমিল্লাহ’র বিস্ময়কর প্রভাব

‘বিসমিল্লাহ’র বিস্ময়কর প্রভাব

একজন মুসলমানের জীবনে প্রতিটি বৈধ কাজই আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সম্পাদিত হলে তা ইবাদতে পরিণত হয়। আর সেই কাজের সূচনা যদি হয় আল্লাহর নাম স্মরণ করে, তাহলে তা শুধু একটি সুন্দর অভ্যাসই নয়; বরং সুন্নাহর অনুসরণও বটে। এ কারণেই ইসলাম খাওয়া-দাওয়া, কোরআন তেলাওয়াত, পশু জবাই, ঘরে প্রবেশ, চিঠি লেখা এবং অন্যান্য বৈধ কাজের শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বা সংক্ষেপে ‘বিসমিল্লাহ’ বলার শিক্ষা দিয়েছে।প্রশ্ন হলো- কোনো কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়লে কী হয়? কোরআন-সুন্নাহ এ বিষয়ে কী শিক্ষা দেয়? আসুন, কোরআন-হাদিস থেকে বিস্তারিত জেনে নিই।বিসমিল্লাহ অর্থ কী?‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ অর্থ ‘পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)।’ এ বাক্যের মাধ্যমে একজন মুমিন ঘোষণা করেন, তিনি নিজের শক্তি বা সামর্থ্যের ওপর নয়; বরং আল্লাহর সাহায্য, রহমত ও তাওফিকের ওপর নির্ভর করে কাজ শুরু করছেন।১. কাজে বরকত ও কল্যাণের আশা করা যায়আল্লাহর নাম নিয়ে কাজ শুরু করা ইসলামের অন্যতম শিষ্টাচার। এর মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর রহমত ও বরকত কামনা করেন।আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘পড়ুন আপনার প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।’ (সুরা আলাক: ১)আলেমরা বলেন, এ আয়াত থেকে শিক্ষা পাওয়া যায়- বৈধ কাজ আল্লাহর স্মরণে শুরু করা উচিত।আলেমরা বলেন, এ আয়াত থেকে শিক্ষা পাওয়া যায়- বৈধ কাজ আল্লাহর স্মরণে শুরু করা উচিত।২. শয়তানের প্রভাব থেকে সুরক্ষা মেলেবিসমিল্লাহর অন্যতম বড় ফজিলত হলো, এটি শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বান্দাকে রক্ষা করে।রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, কেউ যখন ঘরে প্রবেশের সময় এবং খাবারের সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করে, তখন শয়তান তার সঙ্গীদের বলে, ‘আজ তোমাদের থাকার জায়গাও নেই, রাতের খাবারও নেই।’ (সহিহ মুসলিম)৩. খাবারে শয়তানের অংশগ্রহণ হয় নাখাবার শুরু করার আগে বিসমিল্লাহ বলা সুন্নত।রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘তোমাদের কেউ যখন খাবার খাবে, সে যেন আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করে। যদি শুরুতে বলতে ভুলে যায়, তবে বলবে- ‘বিসমিল্লাহি আওয়ালাহু ওয়া আখিরাহু।’ (সুনানে আবু দাউদ, সুনানে তিরমিজি)অন্য হাদিসে এসেছে, ‘যে খাবারে আল্লাহর নাম নেওয়া হয় না, সে খাবারে শয়তান অংশগ্রহণ করে।’ (সহিহ মুসলিম)৪. শয়তানের শক্তি দুর্বল হয়ে যায়এক সাহাবি (রা.) বর্ণনা করেন, একবার রাসুলুল্লাহ (স.)-এর সঙ্গে সফরে থাকাকালে বাহনের পা হোঁচট খেলে তিনি বললেন, ‘শয়তান ধ্বংস হোক।’ তখন নবী (স.) বললেন, ‘শয়তান ধ্বংস হোক’ বলো না, বরং ‘বিসমিল্লাহ’ বলো। এতে শয়তান এত ছোট হয়ে যায় যে, সে মাছির মতো হয়ে পড়ে। (মুসনাদে আহমাদ)এ হাদিস থেকে বোঝা যায়, আল্লাহর নাম স্মরণ শয়তানের প্রভাবকে দুর্বল করে দেয়।৫. বৈধ কাজ ইবাদতে পরিণত হয়একজন মুসলমান যখন আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে বৈধ কোনো কাজ তাঁর নাম নিয়ে শুরু করেন, তখন সেই কাজও সওয়াবের কারণ হয়।আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘বলুন, নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু সবই বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।’ (সুরা আনআম: ১৬২)তাই ব্যবসা, পড়াশোনা, লেখালেখি, ভ্রমণ কিংবা অন্য যেকোনো হালাল কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা উত্তম।৬. আল্লাহর প্রতি নির্ভরশীলতার প্রকাশ ঘটেবিসমিল্লাহ পাঠ একজন মুমিনের ঈমানি ঘোষণা। এর মাধ্যমে তিনি স্বীকার করেন যে, সাফল্য, তাওফিক ও কল্যাণ একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। এই বিশ্বাস মানুষের অন্তরে আল্লাহর প্রতি ভরসা (তাওয়াক্কুল) দৃঢ় করে, অহংকার থেকে দূরে রাখে এবং প্রতিটি কাজে তাঁর সাহায্য ও রহমতের আশা জাগ্রত করে।৭. গুরুত্বপূর্ণ কাজ আল্লাহর নামে শুরু করার উৎসাহহাদিসে এসেছে, ‘প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যা আল্লাহর নাম দিয়ে শুরু করা হয় না, তা অপূর্ণ (বা বরকতশূন্য) থেকে যায়।’এ হাদিসটি বিভিন্ন হাদিসগ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। যদিও এর সনদ নিয়ে মুহাদ্দিসদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে, তবুও বহু আলেম গুরুত্বপূর্ণ ও বৈধ কাজ আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করার উৎসাহে এটি উল্লেখ করেছেন।কোথায় কোথায় বিসমিল্লাহ বলা সুন্নত?কোরআন-সুন্নাহর আলোকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিসমিল্লাহ বলার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। যেমন-খাবার ও পানীয় গ্রহণের আগেকোরআন তেলাওয়াতের শুরুতে (সুরা তাওবা ছাড়া)পশু জবাইয়ের সময়ঘরে প্রবেশের সময় আল্লাহর জিকির করাঅনেক আলেমের মতে, অজু শুরু করার সময়চিঠি বা গুরুত্বপূর্ণ লেখা শুরু করার সময়যেকোনো বৈধ ও কল্যাণকর কাজের শুরুতেআরও পড়ুন: সকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহ ও লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়ার ফজিলত‘৭৮৬’ কি বিসমিল্লাহর বিকল্প?উপমহাদেশে অনেকেই ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’-এর পরিবর্তে ‘৭৮৬’ লেখেন। কিন্তু কোরআন বা সহিহ হাদিসে ৭৮৬-কে বিসমিল্লাহর বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের কোনো প্রমাণ নেই। অধিকাংশ আলেম বিসমিল্লাহর পরিবর্তে ৭৮৬ লেখার পরিবর্তে সরাসরি ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ লেখাকেই সুন্নতের অনুসরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।বিসমিল্লাহর মর্যাদা রক্ষা করা জরুরিবিসমিল্লাহ কোরআনের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ বাক্য। তাই যেসব পোস্টার, লিফলেট বা কাগজ পরে ফেলে দেওয়া হতে পারে বা অসম্মানিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, সেগুলোতে বিসমিল্লাহ লেখা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ অনেক আলেম দিয়েছেন। এমন ক্ষেত্রে মুখে বিসমিল্লাহ পড়ে কাজ শুরু করাই অধিক নিরাপদ।আমাদের করণীয়বিসমিল্লাহ উচ্চারণ একজন মুমিনের বিশ্বাস, বিনয় ও আল্লাহর প্রতি নির্ভরতার প্রকাশ। তাই খাওয়া-দাওয়া, পড়াশোনা, ব্যবসা, ভ্রমণ, লেখালেখি, পারিবারিক জীবন কিংবা অন্য যেকোনো বৈধ কাজের শুরুতে আল্লাহর নাম স্মরণ করার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। অতএব, প্রতিটি ভালো কাজের শুরু হোক ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ দিয়ে আল্লাহর রহমত, বরকত ও সাহায্যের প্রত্যাশায়।

শুরু হলো ২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন

শুরু হলো ২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন

পবিত্র কাবা শরিফ ধৌত করলেন প্রিন্স সৌদ

পবিত্র কাবা শরিফ ধৌত করলেন প্রিন্স সৌদ

লেনদেনে সততা: ঈমানের দাবি, বরকতের উপায়

লেনদেনে সততা: ঈমানের দাবি, বরকতের উপায়

কফির কারণে সৃষ্ট ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধের উপায়

কফির কারণে সৃষ্ট ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধের উপায়

আমরা অনেকেই এক কাপ কফি দিয়ে দিন শুরু করতে পছন্দ করি। কিন্তু একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে এই আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ অভ্যাসটি আসলে আমাদের শরীরে পানির ঘাটতি ঘটাতে পারে। সত্যিই কি তাই? কফি নিজেই একটি পানীয় হওয়া সত্ত্বেও কি আমাদের শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি করতে পারে? চলুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত-কফিকে ডিহাইড্রেশনের কারণ মনে করা হয় কারণ এতে উপস্থিত ক্যাফেইনের হালকা মূত্রবর্ধক প্রভাব রয়েছে, অর্থাৎ এটি প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে যারা নিয়মিত কফি পান করেন, তাদের ক্ষেত্রে পরিমিত পরিমাণে কফি পান করলে সাধারণত ডিহাইড্রেশন হয় না, কারণ কফিতে থাকা তরল প্রস্রাবের পরিমাণ সামান্য বৃদ্ধিকে প্রশমিত করতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, পরিমিত পরিমাণে কফি পান করা দৈনিক তরল গ্রহণের ক্ষেত্রে পানি এবং অন্যান্য পানীয়ের মতোই অবদান রাখে।খুব বেশি পরিমাণে ক্যাফেইন গ্রহণ করলে, সারাদিন পানির পরিবর্তে কফি পান করলে, পর্যাপ্ত পানি পান না করে অতিরিক্ত ব্যায়াম করণে, অথবা গরম আবহাওয়ায় বাস করলে যেখানে শরীরে পানির চাহিদা বেশি থাকে, সেক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) মোট ক্যাফেইন গ্রহণের দৈনিক সীমা নির্ধারণ করেছে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এই সীমা হলো দিনে ৪০০ মিলিগ্রাম।কফি থেকে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি সাধারণত কম, তবে কেউ কেউ ক্যাফেইনের প্রভাবে বেশি সংবেদনশীল হতে পারে। ডিহাইড্রেশনের লক্ষণগুলোর মধ্যে থাকতে পারে তৃষ্ণা, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, ক্লান্তি, গাঢ় রঙের প্রস্রাব এবং প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া। যারা নিয়মিত কফি পান করেন না, তারা হঠাৎ করে কফি খাওয়া শুরু করলে বারবার প্রস্রাব হতে পারে। বয়স্ক ব্যক্তি, কিডনির সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের শরীরে পানির পরিমাণ সম্পর্কে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।কফির কারণে সৃষ্ট ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধের উপায়* পরিমিত পরিমাণে কফি পান করুন।* সারাদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা নিশ্চিত করুন।* একটি কার্যকরী পরামর্শ হলো, কফির সাথে এক গ্লাস পানি পান করা, বিশেষ করে গরম আবহাওয়ায়।* আপনার শরীরের সংকেত, যেমন তৃষ্ণা এবং প্রস্রাবের রঙের দিকে মনোযোগ দিন।* শরীরে পানির পরিমাণ ঠিক থাকার সাধারণ লক্ষণ হিসেবে প্রস্রাবের রঙ হালকা হলুদ হওয়া উচিত।* পানি, ফল, শাকসবজি, স্যুপ এবং অন্যান্য পানীয় থেকে পরিমিত পরিমাণে তরল গ্রহণ করলে তা শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

গরুর মাংস খেয়ে অ্যালার্জি হলে যা করবেন

গরুর মাংস খেয়ে অ্যালার্জি হলে যা করবেন

দীর্ঘদিন সংরক্ষণে রাখুন পাকা কাঁঠাল

দীর্ঘদিন সংরক্ষণে রাখুন পাকা কাঁঠাল

যে মাছ খেলে বাড়তে পারে ক্যানসার ও হৃদরোগের ঝুঁকি

যে মাছ খেলে বাড়তে পারে ক্যানসার ও হৃদরোগের ঝুঁকি

এবার প্রবাসীদের জন্য সুখবর দিলো সৌদি সরকার

এবার প্রবাসীদের জন্য সুখবর দিলো সৌদি সরকার

৩ দিন আগে
কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ইউএসএ ইনকের বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত

কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ইউএসএ ইনকের বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত

৪ দিন আগে
দেশে পৌঁছেছে কাতারে নিহত পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ

দেশে পৌঁছেছে কাতারে নিহত পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ

৪ দিন আগে
ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশিকে হত্যা

ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশিকে হত্যা

১ সপ্তাহ আগে
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে বড় সুখবর দিল সরকার

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে বড় সুখবর দিল সরকার

১ সপ্তাহ আগে
কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ৫ বাংলাদেশি

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ৫ বাংলাদেশি

১ সপ্তাহ আগে
লিবিয়া উপকূলে ভেসে এল ১৫ অভিবাসীর মরদেহ

লিবিয়া উপকূলে ভেসে এল ১৫ অভিবাসীর মরদেহ

১ সপ্তাহ আগে
মালয়েশিয়ায় ১১৮ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ায় ১১৮ বাংলাদেশি আটক

২ সপ্তাহ আগে
তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।

শিগগিরই পৃথিবীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সীমা ছাড়াতে পারে

শিগগিরই পৃথিবীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সীমা ছাড়াতে পারে

মােবাইলে ১০০ নাকি ৮০ শতাংশ চার্জ দেওয়া উচিত?

মােবাইলে ১০০ নাকি ৮০ শতাংশ চার্জ দেওয়া উচিত?

স্মার্টফোনের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করতে কত শতাংশ চার্জ দেওয়া নিরাপদ, তা নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে রয়েছে নানা সংশয়। অনেকে মনে করেন, ১০০ শতাংশ চার্জ দিলে ব্যাটারি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। আবার সারারাত চার্জে রাখা নিয়েও রয়েছে অনেক ভয়। তবে আধুনিক স্মার্টফোনের লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি এবং বর্তমানের চার্জিং প্রযুক্তি এই ধারণা অনেকটাই বদলে দিয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে সঠিক পদ্ধতি কী।অনেকেই মনে করেন, ১০০ শতাংশ চার্জ দিলে ব্যাটারি ফেটে যেতে পারে বা নষ্ট হয়ে যায়। বিষয়টি পুরোপুরি ঠিক নয়। বর্তমানের প্রায় সব স্মার্টফোনেই উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে, যা ব্যাটারি সম্পূর্ণ চার্জ হয়ে যাওয়ার পর বিদ্যুৎ প্রবাহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। তাই ১০০ শতাংশ চার্জ হওয়া মানেই ব্যাটারিতে অতিরিক্ত চার্জ ঢুকে যাচ্ছে, তা ভাবার কারণ নেই। তবে গরম পরিবেশে দীর্ঘ সময় ফোন ১০০ শতাংশ চার্জে লাগিয়ে রাখলে অতিরিক্ত তাপের কারণে ব্যাটারির ওপর চাপ পড়ে, যা ধীরে ধীরে ব্যাটারির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।৮০ শতাংশ চার্জিংয়ের পরামর্শ কেন?ব্যাটারি বিশেষজ্ঞদের মতে, লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ২০ শতাংশ থেকে ৮০ শতাংশ চার্জের মধ্যে সবচেয়ে কার্যকরভাবে কাজ করে। দীর্ঘমেয়াদে ব্যাটারির স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করলে ৮০ বা ৮৫ শতাংশ চার্জিং সীমার মধ্যে রাখা ভালো। এই কারণেই বর্তমানে অ্যাপলসহ বিভিন্ন স্মার্টফোন ব্র্যান্ড তাদের ডিভাইসে ‘চার্জ লিমিট’, ‘ব্যাটারি প্রোটেকশন’ বা ‘অপ্টিমাইজড চার্জিং’-এর মতো ফিচার দিচ্ছে। আপনি যদি একটি ফোন চার-পাঁচ বছর ব্যবহার করতে চান, তবে ৮০-৮৫ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ রাখার অভ্যাসটি বেশ উপকারী।সারারাত চার্জ কি নিরাপদ?নতুন প্রজন্মের স্মার্টফোনগুলোতে ‘অপ্টিমাইজড চার্জিং’ বা ‘অ্যাডাপ্টিভ চার্জিং’ ফিচার থাকে। এগুলো আপনার ব্যবহারের ধরন বুঝে চার্জিং পরিচালনা করে, ফলে সারারাত চার্জে থাকলেও ফোনটি আর আগের মতো ঝুঁকির মুখে থাকে না। তবে ফোন যদি খুব পুরোনো হয়, তবে এই বিষয়ে সতর্ক থাকা ভালো।ব্যাটারি ভালো রাখার কিছু জরুরি টিপসচার্জ কত শতাংশ রাখবেন তার চেয়েও বেশি জরুরি কিছু ছোট অভ্যাস অনুসরণ করা-তাপ থেকে দূরে রাখুন: ব্যাটারির সবচেয়ে বড় শত্রু হলো অতিরিক্ত তাপ। চার্জ দেওয়ার সময় ফোন গরম হলে কভার খুলে রাখুন এবং ভারী গেম খেলা বা মাল্টিটাস্কিং এড়িয়ে চলুন।পুরোপুরি চার্জ শেষ করবেন না: ফোন বারবার ০ শতাংশে নামিয়ে আনবেন না। চার্জ ২০ শতাংশের নিচে নামার আগেই চার্জে বসানো উত্তম।ভালো মানের চার্জার ব্যবহার করুন: ফোনের সাথে পাওয়া অরজিনাল চার্জার বা ভালো মানের সার্টিফাইড চার্জার ব্যবহার করুন।আপনার যদি সারাদিন বেশি ব্যাকআপের প্রয়োজন হয়, তবে ১০০ শতাংশ চার্জ দেওয়া একেবারেই স্বাভাবিক। তবে দীর্ঘমেয়াদে ব্যাটারির স্বাস্থ্য ধরে রাখতে চাইলে ফোনের চার্জিং লিমিট অপশনটি ব্যবহার করতে পারেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, ফোনকে অতিরিক্ত গরম হওয়া থেকে রক্ষা করা এবং নিয়মিত সঠিক পদ্ধতিতে চার্জ দেওয়া।

কাজ করতে করতে ল্যাপটপ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়?

কাজ করতে করতে ল্যাপটপ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়?

আরব আমিরাতে শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ

আরব আমিরাতে শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ

স্যামসাং ফোন হ্যাং হলে  করণীয়

স্যামসাং ফোন হ্যাং হলে করণীয়

আর্কাইভ

অনুসন্ধান

শিরোনাম
সাংবাদিক-শিক্ষক শাহেদ কামাল মারা গেছেন শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান, আটক ৮২ দেশের সব হাসপাতালে ৬ নির্দেশনা ব্রাজিল শিবিরে মহা দুঃসংবাদ, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে সোহেল তাজের স্ট্যাটাস ভাইরাল বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিগগিরই আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই অভ্যুত্থান দেশের সব মানুষের অর্জন: প্রধানমন্ত্রী জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী জেলা ও উপজেলায় সাংবাদিক নেবে দেশ এডিশন ‘বিসমিল্লাহ’র বিস্ময়কর প্রভাব সাংবাদিক-শিক্ষক শাহেদ কামাল মারা গেছেন শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান, আটক ৮২ দেশের সব হাসপাতালে ৬ নির্দেশনা ব্রাজিল শিবিরে মহা দুঃসংবাদ, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে সোহেল তাজের স্ট্যাটাস ভাইরাল বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিগগিরই আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই অভ্যুত্থান দেশের সব মানুষের অর্জন: প্রধানমন্ত্রী জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী জেলা ও উপজেলায় সাংবাদিক নেবে দেশ এডিশন ‘বিসমিল্লাহ’র বিস্ময়কর প্রভাব