জনপ্রশাসনে উপসচিব পদে বড় ধরনের পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। একসঙ্গে ২৭৭ জন সিনিয়র সহকারী সচিবকে পদোন্নতি দিয়ে উপসচিব করা হয়েছে।সোমবার (১৭ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এর মধ্যে একটি প্রজ্ঞাপনে ২৬২ জনকে পদোন্নতি দেওয়ার কথা জানানো হয়। আরেকটি প্রজ্ঞাপনে বিদেশে বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরত ১৫ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়ার কথা জানানো হয়।এবার নিয়মিত কর্মকর্তাদের মধ্যে ৩১তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নতুন করে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন বিসিএস ব্যাচের অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদেরও উপসচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
হবিগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতিকালে জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে শহরের কোর্ট মসজিদ প্রাঙ্গণে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে মিছিলের জন্য জড়ো হলে তাদের আটক করা হয়।জানা গেছে, লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাস সংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি নিতে সোমবার বিকেল থেকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ প্রাঙ্গণে ছাত্র-জনতা জড়ো হতে থাকেন। আসরের নামাজের পর মিছিল বের করার প্রস্তুতিকালে পুলিশ সেখানে গিয়ে জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করে। পরে তাদের হবিগঞ্জ সদর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের আটক করা হয়েছে।তবে আটক তিনজনের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে মামলার তথ্য জানায়নি পুলিশ।
সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি বন্ধের সিদ্ধান্তকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রচারের পরিবর্তে রাষ্ট্রের কাজ ও জনস্বার্থ রক্ষার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছে সরকার। সরকারের প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকে এমনটি বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তার মাসিক মূল বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার ১০ শতাংশ অর্থাৎ, প্রতি মাসে ১১ হাজার ৫০০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে যাচ্ছেন বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের আগে বিএনপি ৩১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করে। জনগণের সমর্থন নিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে বিএনপি। ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হয়েছে।এ উপলক্ষে সরকারের প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকে বলা হয়েছে, দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশ ছিল আমদানিনির্ভর ও ঋণনির্ভর অর্থনীতি, ভঙ্গুর অর্থনীতি, বিভাজিত প্রশাসন এবং দুর্বল শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার মধ্যে। সরকার প্রথম দিন থেকেই পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছে। তবে প্রথম ১৮০ দিনে প্রতিটি খাতে শতভাগ সাফল্যের দাবি করেনি সরকার।জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের শতভাগ আন্তরিকতা ছিল বলে ই-বুকে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা, কৃষির পুনরুজ্জীবন, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং বিশ্ব পরিসরে বাংলাদেশের অবস্থান দৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।সরকারের দাবি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ন্যায়, জবাবদিহি, মানবিক মূল্যবোধ ও টেকসই উন্নয়নের ভিত্তিতে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের কাজ চলছে। প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির পরিবর্তে ধৈর্য ও সহনশীলতার রাজনীতির কথা বলা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার বন্ধ, সরকারি অফিস, আদালত, স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অপ্রয়োজনে নেতার ছবি টাঙানোর সংস্কৃতি বন্ধ, প্রধানমন্ত্রীর চলাচলে ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং গাড়িবহরে প্রটোকলের বাড়াবাড়ি না রাখার কথা বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তার মূল বেতনের ১০ শতাংশ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে দিচ্ছেন এবং দলীয় এমপিদের বাড়ি-গাড়ির সুবিধা নিতে নিষেধ করেছেন।সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি বন্ধের সিদ্ধান্তকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রচারের পরিবর্তে রাষ্ট্রের কাজ ও জনস্বার্থকে সামনে আনার দৃষ্টিভঙ্গির প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। সরকারি ব্যয় সংকোচন, প্রটোকল সরলীকরণ, ব্যক্তিবন্দনার অবসান এবং জনমুখী উদ্যোগের সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন ধরনের চর্চার কথা বলা হয়েছে।সংসদীয় ও সরকারি ব্যয় কমাতে ভোজ, আপ্যায়ন, বিদেশ সফরের প্রতিনিধিদলসহ অপ্রয়োজনীয় খাতে কাটছাঁট করা হয়েছে। দেশীয় পণ্য ব্যবহারে অগ্রাধিকার, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, সরল জীবনযাপন এবং প্রশাসনে অপচয় রোধে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিরোধী দলের প্রতি সৌজন্যমূলক আচরণ, রাজনৈতিক সহনশীলতা এবং প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের সংস্কৃতি নিরুৎসাহিত করার কথাও বলা হয়েছে।প্রবাসী কর্মীদের শ্রমিক ঋণ, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ঋণ, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড, ধর্মীয় ব্যক্তিদের ভাতা, কৃষিঋণ মওকুফ, ‘ওয়ান স্টপ ওয়ান সার্ভিস’, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’, খুদে বৈজ্ঞানিক প্রকল্প এবং ‘নজরুলবর্ষ’সহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মাসিক মূল বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। এর ১০ শতাংশ অর্থাৎ প্রতি মাসে ১১ হাজার ৫০০ টাকা তিনি সরকারি কোষাগারে ফেরত দিচ্ছেন বলেও ই-বুকে উল্লেখ করা হয়।
ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের ৯ উইকেটে জয়ে বড় অবদান রাখেন দুই বোলার মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ। প্রথম ইনিংসে বল হাতে উইকেট না পেলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৬ রানে ৫ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে গুড়িয়ে দেন মিরাজ। ২০১৯ সালে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) ভারতের কুলদীপ যাদবের পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সফরকারী স্পিনার হিসেবে পাঁচ উইকেট শিকারের কীর্তি গড়লেন মিরাজ। ২০১৩ সালের পর অস্ট্রেলিয়ায় পাঁচ উইকেট নেওয়া সফরকারী স্পিনার হলেন কুলদীপ ও মেহেদী। ২০১০ সালে সর্বশেষ অ্যাডিলেডে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন ইংল্যান্ড স্পিনার গ্রায়েম সোয়ান। ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে ৬৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন মিরাজ। এ নিয়ে চতুর্থবার এক টেস্টে পঞ্চাশোর্ধ্ব রান ও পাঁচ উইকেট নেওয়ার নজির গড়লেন মিরাজ। যা বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৬ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন বাংলাদেশের হাসান। এক টেস্টে ১১১ রানে ৯ উইকেট শিকারে কোনো টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের কোনো পেসারের দ্বিতীয় সেরা পরিসংখ্যান। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় নিজের অভিষেক টেস্টে কোনো সফরকারী পেসারের এটি তৃতীয় সেরা পারফরম্যান্সে। এর আগে ১৯৯০ সালে এমসিজিতে পাকিস্তানের ওয়াসিম আকরাম এবং ১৯২৪ সালে একই মাঠে ইংল্যান্ডের মরিস টেট ১১টি করে উইকেট নিয়েছিলেন। আকরাম ১৬০ রান ও টেট ২২৮ রান খরচ করেছিলেন।
পাকিস্তানের জনপ্রিয় এক টিকটক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গাড়িতে থাকা অবস্থায় মোটরসাইকেলে আসা দুই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি প্রাণ হারান। খবর গালফ নিউজের।স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ওই নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটরের নাম শামসো বিবি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ‘আয়েশা গিলামানা’ নামে পরিচিত ছিলেন। প্রায় তিন থেকে চার বছর ধরে টিকটকে সক্রিয় থাকা এই ক্রিয়েটরের অনুসারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১৩ লাখ।তার বাবা ফজল সাহেবজাদার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। ডেইলি পাকিস্তান ও স্থানীয় অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৪ আগস্ট এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।বিবির বাবা পুলিশকে জানান, ঘটনার দিন কাশিফ নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি ফোন কল পেয়ে তার মেয়ে বাড়ি থেকে বের হন। তিনি ১৫ বছর বয়সী বোন আসিমা এবং ভাই নেয়ামতুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে গাড়িতে করে রওনা হন। পথিমধ্যে একটি পেট্রোল পাম্পের কাছে মোটরবাইকে আসা দুই দুর্বৃত্ত গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে।অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, একটি গুলি বিবির ঘাড়ে বিদ্ধ হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের গাড়িটি অন্য একটি গাড়িকে ধাক্কা দিলে তার ছোট বোন আসিমা গুরুতর আহত হন।পুলিশের কাছে বিবির বাবা অভিযোগ করেন, কাউসার এবং জাভেদ নামের দুই ব্যক্তির সঙ্গে তর মেয়ের আর্থিক লেনদেন নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। অর্থ ফেরত দেওয়া নিয়ে তারা বিবিকে নিয়মিত হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে পূর্বে ইসলামাবাদে ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছিল।নিহতের বাবার ধারণা, এই হত্যাকাণ্ডে ওই দুজন সরাসরি অথবা অন্য কারও মাধ্যমে জড়িত থাকতে পারেন। পাশাপাশি ঘটনার ঠিক আগমুহূর্তে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া কাশিফের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
মার্কিন ডলার দুর্বল হওয়া এবং দেশটির অর্থনীতিতে সাম্প্রতিক দুর্বলতার কারণে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে।বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৯১ দশমিক ০৭ ডলারে উঠেছে। এর আগে গত সপ্তাহে স্বর্ণের দাম দুই মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল।এদিকে, ডিসেম্বর ডেলিভারির জন্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারের দাম ০.৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৪৮ দশমিক ১০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মার্কিন ডলার সূচক কমেছে ০.১ শতাংশ। ফলে অন্যান্য মুদ্রায় লেনদেন করা বিনিয়োগকারীদের কাছে ডলারে মূল্য নির্ধারিত স্বর্ণ তুলনামূলক সস্তা হয়েছে।কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের তুলনামূলক নরম মূল্যস্ফীতির তথ্য ডলারের ওপর চাপ তৈরি করেছে। এর ফলে স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৪০০ ডলারের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে।সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে জুলাইয়ের কর্মসংস্থান প্রত্যাশার তুলনায় অপ্রত্যাশিতভাবে কমেছে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতির তথ্যও তুলনামূলক নরম ছিল। এসব অর্থনৈতিক সূচকের কারণে আগামী মাসে ফেড সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন প্রত্যাশা কমেছে।সিএমই ফেডওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে ফেডের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা বর্তমানে ৩০ শতাংশ। এক মাস আগে এ সম্ভাবনা ছিল ৪৭ শতাংশ।সাধারণত সুদের হার কম থাকলে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ ধরে রাখার সুযোগ-ব্যয় কমে যায়। এতে বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণের আকর্ষণ বাড়ে এবং এর দামও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সুযোগ পায়।বাজারের নজর এখন বুধবার প্রকাশিতব্য ফেডারেল রিজার্ভের জুলাই বৈঠকের কার্যবিবরণীর দিকে। ওই নথি থেকে ভবিষ্যৎ সুদের হার নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারকদের অবস্থান সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট রুপার দাম ১.৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৫ দশমিক ৫৩ ডলার হয়েছে। প্লাটিনামের দাম ০.৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৫২ দশমিক ৩৬ ডলারে। আর প্যালাডিয়ামের দাম বেড়েছে ১.৬ শতাংশ, যা প্রতি আউন্সে ১ হাজার ৩৩৩ দশমিক ৩৫ ডলারে পৌঁছেছে।
১৩ ঘন্টা আগে
এক বছরের মাল্টিপল-এন্ট্রি ওমরা ভিসা থাকলেও প্রতিবার সৌদি আরবে গিয়ে ওমরা পালনের আগে নতুন করে কিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে অনুমোদিত সেবা প্যাকেজ কেনা এবং ওমরা পারমিট সংগ্রহ। শুধু বৈধ ভিসা থাকলেই পরবর্তী সফরে ওমরা পালন করা যাবে না।রোববার (১৬ আগস্ট) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে নতুন এ নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে।সৌদি আরবের হজ ও ওমরা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, মাল্টিপল-এন্ট্রি ওমরা ভিসাধারীদের প্রতিটি সফরের আগে নুসুক প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত অনুমোদিত ওমরা সেবা প্রদানকারীর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সেবা প্যাকেজ কিনতে হবে। সৌদি আরবে যাত্রার আগেই নুসুক অ্যাপ থেকে ওমরা পারমিট নিতে হবে।গত জুলাইয়ে চালু হওয়া এই মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসা ইস্যুর তারিখ থেকে ৩৬৫ দিন পর্যন্ত বৈধ থাকবে। এ সময়ের মধ্যে একাধিকবার সৌদি আরবে প্রবেশের সুযোগ থাকবে। তবে সব সফর মিলিয়ে দেশটিতে মোট অবস্থানের সময় ৯০ দিনের বেশি হতে পারবে না।প্রতিটি সফরের জন্য আলাদা সেবা প্যাকেজ নিতে হবে। তবে সেই প্যাকেজের মেয়াদ ভিসার অবশিষ্ট বৈধতার সময়ের চেয়ে বেশি হতে পারবে না।ওমরা পারমিটের ক্ষেত্রেও রয়েছে নির্দিষ্ট শর্ত। নুসুক অ্যাপে নেওয়া পারমিটে যে তারিখ উল্লেখ থাকবে, তা অনুমোদিত সেবা প্যাকেজে নির্ধারিত তারিখের সঙ্গে মিল থাকতে হবে।প্রথমবার ওমরা পালনের ক্ষেত্রে নিয়মটি কিছুটা ভিন্ন। নুসুক প্ল্যাটফর্মে অনুমোদিত সেবা প্যাকেজ কেনার পর ভিসার আবেদন করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সৌদি আরব ভ্রমণের আগে আবেদনকারীর যোগ্যতাও যাচাই করা হবে।দেশটিতে প্রবেশের পর ভ্রমণকারীর প্রবেশের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। সৌদি আরব ছাড়ার সময় প্রস্থানের তথ্যও নথিভুক্ত করা হবে। এসব তথ্যের ভিত্তিতেই ভিসার আওতায় ৯০ দিনের নির্ধারিত অবস্থান থেকে কত দিন ব্যবহার হয়েছে এবং কত দিন বাকি আছে, তা হিসাব করা হবে।মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভিসা ও ওমরা-সংক্রান্ত এসব শর্তের পাশাপাশি সৌদি আরবে প্রবেশ এবং দেশটিতে চলাচলের জন্য প্রযোজ্য অন্যান্য যোগ্যতা ও নিয়মও মেনে চলতে হবে।ফলে এক বছরের মাল্টিপল-এন্ট্রি ওমরা ভিসা থাকলেও প্রতিবার সৌদি আরবে যাওয়ার আগে অনুমোদিত সেবা প্যাকেজ নেওয়া এবং নুসুক অ্যাপ থেকে ওমরা পারমিট সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক। ভিসার মেয়াদ থাকাই পরবর্তী সফরে ওমরা পালনের জন্য যথেষ্ট হবে না।
দাম্পত্য জীবনে বিশ্বাসের ফাটল বা প্রতারণা হুট করে শুরু হয় না। এটি সাধারণত নীরবে, ছোটখাটো অবহেলা কিংবা কথার ফাঁকে দানা বাঁধতে শুরু করে। যুগ যুগ ধরে চলা এই তর্কে একটি প্রশ্নই বারবার সামনে আসে—পুরুষ নাকি নারী, কে বেশি প্রতারণা করে? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা যতটা সরল মনে হয়, বাস্তবতার প্রেক্ষাপট তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল ও মনস্তাত্ত্বিক।অভিজ্ঞ অ্যাটর্নির চোখে প্রতারণার ভিন্ন রূপনিউইয়র্কের অভিজ্ঞ ডিভোর্স ও ফ্যামিলি ল’অ্যাটর্নি জেমস জোসেফ সেক্সটন এই চিরন্তন বিতর্ক নিয়ে ভিন্ন এক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। তার মতে, পুরুষ ও নারী উভয়েই প্রতারণা করেন, তবে তাদের উদ্দেশ্য, ধরন এবং গোপন রাখার কৌশলে আকাশ-পাতাল পার্থক্য রয়েছে। সেক্সটন মূলত প্রতারণাকে দুই ভাগে ভাগ করেছেন, একটি হলো অযত্নে করা সাময়িক ভুল বা আবেগতাড়িত ঘটনা, অন্যটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত ও দীর্ঘমেয়ায়ী সম্পর্ক। তার দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতার আলোকে দেখা গেছে, পুরুষরা তুলনামূলক বেশি প্রতারণা করলেও নারীরা তা অনেক বেশি দক্ষতার সঙ্গে আড়াল করতে পারেন। পুরুষরা প্রায়ই হঠকারিতা ও নির্বুদ্ধিতার কারণে ধরা পড়ে যান, পক্ষান্তরে নারীরা নিখুঁত পরিকল্পনার মাধ্যমে গোপনীয়তা রক্ষা করেন।মানসিক প্রতিক্রিয়ার ভিন্নতাসঙ্গীর প্রতারণার কথা জানার পর পুরুষ ও নারীর প্রতিক্রিয়া সম্পূর্ণ আলাদা হয়। কোনো পুরুষ যখন জানতে পারেন যে তার স্ত্রী অন্য সম্পর্কে জড়িয়েছেন, তখন তার প্রথম প্রশ্নটি সাধারণত থাকে শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে। অর্থাৎ পুরুষদের মধ্যে একধরনের নিয়ন্ত্রণ হারানোর বা অধিকার হারানোর ভয় কাজ করে। এর বিপরীতে, একজন নারী যখন স্বামীর অবিশ্বাসের কথা জানতে পারেন, তখন তার প্রথম প্রশ্ন থাকে, ‘তুমি কি তাকে ভালোবাসো?’ অর্থাৎ নারীরা শারীরিক বিষয়ের চেয়ে মানসিক সংযোগ হারানোর বেদনাকে বেশি ভয় পান।সমীক্ষার তথ্য কী বলছে?ভারতের একটি ডেটিং অ্যাপ ‘গ্লিডেন’ প্রায় ২০ লাখ মানুষের ওপর একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল। সেই সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৬৪ শতাংশ পুরুষ কোনো না কোনো সময় সঙ্গীকে ঠকিয়েছেন বা ঠকানোর চেষ্টা করেছেন। অন্যদিকে, ৫৫ শতাংশ নারী জানিয়েছেন যে তারাও সঙ্গীকে ঠকানোর কথা ভেবেছেন বা অতীতে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। এই পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দেয় যে প্রতারণার প্রবণতা উভয় লিঙ্গের মধ্যেই রয়েছে, তবে অনুপাতের দিক থেকে পুরুষরা সামান্য এগিয়ে।প্রতারণার পেছনের মনস্তাত্ত্বিক কারণমনস্তত্ত্ববিদ ও গবেষকদের মতে, পুরুষ ও নারীর প্রতারণার পেছনের কারণগুলোও বেশ আলাদা।পুরুষদের ক্ষেত্রে: সমাজ দীর্ঘদিন ধরে পুরুষদের ওপর কিছু গতানুগতিক ধারণা চাপিয়ে দিয়েছে। রিজেকশন বা প্রত্যাখ্যানের মুখোমুখি হওয়া কিংবা সম্পর্কের জটিল সমস্যাগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার মানসিক শিক্ষা অনেক সময় পুরুষরা শৈশব থেকে পান না। ফলে সমস্যার মুখোমুখি না হয়ে তারা অনেক সময় সহজ পলায়নপর পথ বেছে নেন।নারীদের ক্ষেত্রে: অন্যদিকে, নারীরা সাধারণত দীর্ঘদিনের একাকিত্ব, সম্পর্কে অবমূল্যায়ন কিংবা মানসিক দূরত্বের কারণে সঙ্গীকে ঠকানোর সিদ্ধান্ত নেন। বেশিরভাগ নারী এমন একজন জীবনসঙ্গী চান যিনি তাকে বুঝবেন এবং তার আবেগকে প্রাধান্য দেবেন। সম্পর্কে সেই মানসিক তৃপ্তি বা নিরাপত্তা না পেলে নারীরা বিকল্প সম্পর্কের খোঁজ করেন।প্রতারণা কেবল একটি লিঙ্গভিত্তিক বিষয় নয়; এটি মানুষের নৈতিকতা, মানসিক তৃপ্তি এবং সম্পর্কের ভেতরের শূন্যতার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। পুরুষ হোক বা নারী—অবিশ্বাসের এই সংস্কৃতি যেকোনো সুন্দর সম্পর্ককে চিরতরে ধ্বংস করে দিতে পারে।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
বর্ষাকালে ফোন ভিজে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। কখনও ছাতা থেকে পানি টপকে পড়ে, কখনও রাস্তায় পড়ে গেলে বা পকেট ভিজে যাওয়ার কারণে ফোনের ভেতরে পানি ঢুকে যায়। ফোনে পানি লাগলেই স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক তৈরি হয়। আর তখন অনেকেই তাড়াহুড়া করে এমন কিছু পদক্ষেপ নিয়ে ফেলেন, যার ফলে ফোন চিরতরে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আপনার মোবাইলে পানি ঢুকে গেলে নিচে বলা চারটি ভুল কখনও করবেন না। সঠিকভাবে সামলাতে পারলে ফোন বাঁচানো সম্ভব।প্রথম এবং সবচেয়ে বিপজ্জনক ভুল হল ফোনটি সঙ্গে সঙ্গে চালু করা। ফোনে পানি লাগার পর অনেকেই স্ক্রিন চেক করতে বা কোনও কল এসেছে কি না দেখতে পাওয়ার বাটন চাপ দেন। এমনটা একেবারেই করা উচিত নয়।পানি ও বিদ্যুতের সংস্পর্শে শর্ট সার্কিট হতে পারে। এর ফলে মাদারবোর্ড, প্রসেসর বা ব্যাটারি পুড়ে যেতে পারে। ফোনটি যদি আগে থেকেই চালু থাকে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দিন এবং ফের চালু করার চেষ্টা করবেন না। ফোন পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত সেটি বন্ধই রাখুন।দ্বিতীয় বড় ভুল হল ভেজা ফোনে চার্জার লাগানো। অনেকেই মনে করেন, চার্জে বসালে ফোন ঠিক হয়ে যাবে বা ব্যাটারি পরীক্ষা করা যাবে। এটি অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে। ফোনের ভেতরে পানি থাকলে কারেন্ট ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং ভেতরের যন্ত্রাংশ চিরতরে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এমনকী ব্যাটারিতে আগুন লাগার আশঙ্কাও থাকে। ফোনে পানি লাগলে অন্তত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা চার্জ দেবেন না। ফোন সম্পূর্ণ শুকিয়ে যাওয়ার পর এবং পরীক্ষা করানোর পরই চার্জার লাগান।তৃতীয় ভুল হল গরম বাতাস বা অতিরিক্ত তাপ দিয়ে ফোন শুকানো। অনেকে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করেন, হিটারের কাছে রাখেন বা রোদে ফেলে রাখেন। কেউ কেউ আবার ফোন মাইক্রোওয়েভ ওভেনেও দিয়ে দেন। গরম বাতাস পানিকে ফোনের আরও ভেতরে ঢুকিয়ে দিতে পারে। অতিরিক্ত তাপে সার্কিট বোর্ডে জং ধরার প্রক্রিয়া দ্রুত হতে পারে এবং প্লাস্টিকের অংশ গলে যেতে পারে। তাই ফোনে কখনও সরাসরি তাপ দেবেন না। সাধারণ ঘরের বাতাসেই ফোন শুকাতে দিন।চতুর্থ সাধারণ ভুল হল ফোন জোরে ঝাঁকানো বা চালের মধ্যে রেখে দেওয়া। ফোনের ভেতরের পানি বের করার জন্য অনেকে সেটি জোরে ঝাঁকান। এর ফলে পানি আরও গভীর জায়গায় পৌঁছে যেতে পারে। চালের মধ্যে ফোন রেখে দেওয়ার পদ্ধতিও বেশ জনপ্রিয়, কিন্তু এটি পুরোপুরি কার্যকর নয়।চাল পানি শোষণ করতে পারে ঠিকই, কিন্তু চালের ছোট দানা ফোনের চার্জিং পোর্ট বা স্পিকারের ভিতরে আটকে যেতে পারে। পরে সেখান থেকেও সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই চালের পরিবর্তে আরও নিরাপদ পদ্ধতি অনুসরণ করুন।এই টিপসগুলো কাজে আসবে: সঠিক পদ্ধতি হল, ফোনে পানি লাগার সঙ্গে সঙ্গে সেটি বন্ধ করে দিন। সিম কার্ড, মেমোরি কার্ড এবং কভার খুলে ফেলুন। পরিষ্কার ও শুকনা কাপড় দিয়ে ফোনের বাইরের পানি মুছে ফেলুন। এরপর ফোনটি খোলা জায়গায় রাখুন। পাখার হালকা বাতাস লাগাতে পারেন, তবে গরম বাতাস ব্যবহার করবেন না।ফোনের ভেতরে যদি অনেকটা পানি ঢুকে যায়, তাহলে দ্রুত সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যান। সেখানে পেশাদার পদ্ধতিতে ফোন শুকিয়ে পরীক্ষা করা হয়। বর্ষাকালে ফোনকে ওয়াটারপ্রুফ কভার বা পলিথিন পাউচের মধ্যে রাখা সবচেয়ে নিরাপদ। পকেটে রাখার সময়ও সতর্ক থাকুন। ফোনে পানি লেগে গেলেও আতঙ্কিত হবেন না এবং উপরে বলা ভুলগুলো একেবারেই করবেন না।