সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে। রোববার (২১ জুন) বিকেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দেওয়া হয়। জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ থাকলেও, তার বদলির সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ সেখানে জানানো হয়নিপ্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলের ধারণা, সম্প্রতি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার ইস্যুতে ডিসি সারওয়ার আলমের নেওয়া কিছু উদ্যোগের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ১২ জুন তিনি মাজার পরিদর্শনে গিয়ে মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ঘোষণা দেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার তিনি মাজারের আগের দানবাক্সগুলো সিলগালা করে নতুন দানবাক্স স্থাপন করেন এবং মাজারের ঐতিহাসিক তিনটি দানের ডেগও সিলগালা করেন।এই ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এক পক্ষ এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও, মাজার ভক্ত ও অনুসারীরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। তাদের দাবি, প্রায় সাতশ বছরের মাজার পরিচালনা রীতি ও ঐতিহ্যকে ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে। যে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে দানবাক্সে সিলগালা করা হয়েছে, এটা মোটেও সঠিক পদ্ধতি নয়। এটা মাজার ও অলি-আউলিয়াবিরোধী কর্মকাণ্ড। হিসাব চাইতেই পারেন কেউ। কিন্তু জোরজবরদস্তি করে যেভাবে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, সেটা ঠিক নয়।গত বছরের ১৮ আগস্ট তিনি সিলেটের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। এর আগে তিনি প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের একান্ত সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সিলেটে সাদাপাথর লুট ও চুরির ঘটনার পর ব্যাপক আলোচনার মুখে তখন জেলা প্রশাসকের পদে পরিবর্তন আনা হয়েছিল।দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের বিষয়ে সারওয়ার আলম নিশ্চিত করলেও, এর কারণ নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। বর্তমান প্রজ্ঞাপনে নতুন
চব্বিশের জুলাইয়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের হওয়া ৮০ মামলার মধ্যে সাতটির রায় হয়েছে। এসব মামলায় ৫৯ জন আসামিকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান।রোববার (২১ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান আইনমন্ত্রী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে এ তথ্য উপস্থাপন করা হয়।আইনমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চব্বিশের জুলাইয়ের ঘটনায় মোট ৮০টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে সাতটি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে এবং বাকি ৭৩টি মামলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।রায় হওয়া সাত মামলায় মোট ৫৯ জন আসামিকে সাজা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।চলমান ৭৩ মামলার মধ্যে ২২টি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। বাকি ৫১টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।আইনমন্ত্রী আরও বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধসংক্রান্ত এসব মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৪৬৩ জন। এর মধ্যে ১৭৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ২৮৮ জন পলাতক রয়েছেন। এ ছাড়া একজন আসামি মারা গেছেন এবং একজন খালাস পেয়েছেন।
দুই দিনের সফরে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।স্থানীয়সময় রোববার (২১ জুন) রাত পৌনে ৯টায় কুয়ালা লামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় সরকারপ্রধানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশের বিশেষ ফ্লাইট।বিমানবন্দরের ভিআইপি টার্মিনাল বুঙ্গা রায়া কমপ্লেক্সে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিনী জুবাইদা রহমানকে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার ধর্মমন্ত্রী জুলকিফলি হাসান ও তার সহধর্মিণী হানানি হারুন।এসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণীকে দেওয়া হয় লাল গালিচা সংবর্ধনা। সুসজ্জিত বাহিনীর গার্ড অব অনারের সময়ে দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।পরে সরকারপ্রধানকে বিমানবন্দর থেকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রা সহকারে কুয়ালা লামপুরের ‘শাংগ্রি- লা’ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তিনি ও তার সফরসঙ্গীরা থাকবেন।প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে মালয়েশিয়ায় আসা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে কুয়ালা লামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শাংগ্রি-লা হোটেল পর্যন্ত ৫০ মিনিটের সড়কপথ বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকায় সজ্জিত করা হয়েছে।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর মালয়েশিয়ায় এটা তার প্রথম সফর।প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে আছেন- পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা এ কে এম শামসুল ইসলাম, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ ২৩ জন।ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর তারেক রহমানের সরকার গঠনের পরপরই তাকে মালয়েশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানান দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। সেই আমন্ত্রণেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী প্রথম সফরে এলেন।তারেক রহমানকে সোমবার সকালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম পুত্রাজায়ায় তার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেবেন।সেখানে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে প্রথমে একান্ত বৈঠক এবং এর পরপরই উভয় দেশের সরকার প্রধানের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে। পরে দুই সরকারপ্রধান যৌথ সংবাদ সম্মেলন করবেন।এ সফরে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিনিময় আর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে দুটি দলিল সইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ড্র করে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল জাপান। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে তিউনিশিয়ার জালে এক হালি দিয়ে বড় জয় তুলে নিয়েছে এশিয়ার দলটি। সেই সঙ্গে টানা ম্যাচ হেরে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে তিউনিশিয়ার।রোববার (২১ জুন) মেক্সিকোর মনতেরেতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় জাপান। চতুর্থ মিনিটেই দাইচি কামাদার গোলে এগিয়ে যায় এশিয়ার প্রতিনিধিরা। এরপর ৩১তম মিনিটে আয়াসে উয়েদা ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। প্রথমার্ধেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় জাপান। বিরতির পরও আক্রমণের ধার বজায় রাখে জাপান। ৬৯তম মিনিটে জুনিয়া ইতো তৃতীয় গোল করে তিউনিসিয়ার প্রত্যাবর্তনের সব আশা শেষ করে দেন। ম্যাচের ৮৪তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে জাপানের ৪-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন উয়েদা। দুই ম্যাচে টানা বড় ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হলো তিউনিসিয়াকে।টুর্নামেন্টে এর আগে সুইডেনের কাছেও বড় ব্যবধানে হেরেছিল তারা। অন্যদিকে চার পয়েন্ট নিয়ে শেষ ৩২-এ ওঠার পথে বড় পদক্ষেপ রাখল জাপান।
বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খান আবারও খবরের শিরোনামে। তবে এবার কোনো সিনেমার জন্য নয়, বরং নিজের ব্যক্তিগত জীবনের এক বড় সিদ্ধান্তের কারণে। ষাট বছর বয়সে এসে তৃতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন এই অভিনেতা। আমিরের এই বিয়ের খবরে এই মুহূর্তে তোলপাড় পুরো নেটপাড়া, যদিও অভিনেতা নিজে এসব সমালোচনার থোড়াই কেয়ার করেন। এর আগে আমির একাধিকবার বলেছিলেন যে, দ্বিতীয় স্ত্রী কিরণ রাওয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি আর কখনো বিয়ের কথা ভাবতেই পারেননি। তবে গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে আলাপ হওয়ার পর থেকেই নাকি মানসিকভাবে নিজেকে তার সঙ্গে বিবাহিত মনে হতে শুরু করে আমিরের। অবশেষে সেই সম্পর্ককে আইনি রূপ দিতে চলেছেন তিনি।কয়েক বছর আগে ঘটা করে নিজের মেয়ে আইরা খানের বিয়ে দিয়েছিলেন আমির। তার পরপরই গৌরীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আনেন তিনি। আমিরের ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, দ্বিতীয় স্ত্রী কিরণের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর একাকিত্ব ও তীব্র অবসাদে ভুগতেন তিনি, যা অভিনেতা নিজেও স্বীকার করেছেন।সেই একাকিত্ব দূর করতেই জীবনের এই নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আগামী ৫ জুলাই, রবিবার আমিরের বাড়িতেই বসবে বিয়ের আসর। কোনো জাঁকজমক বা লোক দেখানো বড় আয়োজন নয়; বরং পরিবার ও ঘনিষ্ঠ পরিজনদের উপস্থিতিতে গৌরীর সঙ্গে সই করে আইনি বিয়ে সারবেন তিনি। বিয়ে প্রসঙ্গে আমিরের স্পষ্ট কথা, 'আমরা দু’জনের কেউই খুব একটা জাঁকজমক পছন্দ করি না। যতটা সাদামাঠা রাখা যায়, ততটাই রাখব। আমরা পরিবারের সঙ্গে ভীষণরকম জুড়ে থাকি, তাই তাদের উপস্থিতিতেই সবটা হবে।'দিনকয়েক আগেই আমিরের কালজয়ী সিনেমা ‘লগান’-এর ২৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়। সেখানে আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার তিন স্ত্রী—যার মধ্যে দু’জন প্রাক্তন এবং একজন হবু। আমিরের প্রথম স্ত্রী রিনা দত্তের সঙ্গে দ্বিতীয় স্ত্রী কিরণ ও তার সন্তানের সম্পর্ক বরাবরই বেশ মধুর।অন্যদিকে, সম্প্রতি কিরণ রাও ও তার সন্তানকে হবু স্ত্রী গৌরীর সঙ্গে একই গাড়িতে উঠতে দেখা গেছে। আমিরের প্রাক্তন ও বর্তমান স্ত্রীদের মধ্যে এমন চমৎকার ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক দেখে নেটপাড়ার একাংশ রীতিমতো মুগ্ধ। অনেকেই আমিরের এই পারিবারিক বোঝাপড়াকে ‘অনুপ্রেরণাদায়ক’ বলে অভিনেতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন।প্রসঙ্গত, ১৯৮৬ সালে নিজের বাল্যকালের প্রেম রিনা দত্তকে পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন আমির খান। ২০০০ সালে এই দম্পতির বিচ্ছেদ ঘটে। রিনা ছিলেন আমিরের ‘লগান’ সিনেমার প্রযোজক। আর এই সিনেমাতেই সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছিলেন কিরণ রাও। সেখান থেকেই আমিরের সঙ্গে কিরণের প্রেমের সূত্রপাত। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে কিরণকে বিয়ে করেন আমির। দীর্ঘ ১৫ বছর সংসার করার পর ২০২১ সালে তারা যৌথভাবে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। এবার সব অতীতকে পেছনে ফেলে জীবনের ষাট বছর বয়সে এসে গৌরী স্প্র্যাটকে স্ত্রীর মর্যাদা দিতে চলেছেন এই বলিউড সুপারস্টার।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ফ্যাসিস্ট ও আগের সরকারের ঋণের বোঝা নিয়ে কাজ করেছি। তাই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পারফেক্ট নয়। তারপরও আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখছি অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের জন্য দুই বছর প্রয়োজন। রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বাজেট ডায়ালগ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অল্প টাকা দিয়ে হলেও ট্যাক্স নেটের আওতায় আসতে হবে দেশের মানুষকে। তবে এতে ভয়ের কোনো কারণ নেই’, যোগ করেন তিনি। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিগত সরকার ১ হাজার ৩০০ প্রজেক্ট নিজেদের স্বার্থে তৈরি করেছিল, যার অনেকটাই আমরা বাতিল করেছি। অনেক প্রকল্প ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ হওয়া যা কোনো কাজে আসছে না।তিনি বলেন, লোকাল ব্যাংক থেকে অর্থ নিয়ে ১১ থেকে ১৩ শতাংশ সুদে প্রাইভেট সেক্টর টিকতে পারে না। সেখানে সরকারের জন্য তা কষ্টদায়ক। তবে সরকার এই খাত থেকে অর্থ নেয়া থেকে বের হয়ে আসবে।
১ ঘন্টা আগে
মহররম হিজরি বছরের প্রথম মাস এবং ইসলামের চারটি সম্মানিত মাসের অন্যতম। এ মাসকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন মহান আল্লাহ। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন,"নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা বারোটি। এর মধ্যে চারটি সম্মানিত মাস।" — সূরা তাওবা, আয়াত: ৩৬ইসলামী ইতিহাসে মহররম মাসের গুরুত্ব অনেক। এই মাসের ১০ তারিখকে বলা হয় আশুরা। দিনটি বহু ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। একই সঙ্গে আশুরার রোজার ফজিলতও অত্যন্ত বেশি।হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ইবনু আব্বাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের পর আশুরার রোজাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন।— সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৮৮০রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন,"রমজানের রোজার পর আল্লাহর মাস মহররমের রোজাই সর্বোত্তম।"— সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬২৭ইসলামে শুধু ১০ মহররমে একটি রোজা রাখার পরিবর্তে ৯ ও ১০ মহররম অথবা ১০ ও ১১ মহররম মিলিয়ে দুটি রোজা রাখার নির্দেশনা রয়েছে। ইহুদিদের সঙ্গে সাদৃশ্য এড়াতেই নবীজি (সা.) অতিরিক্ত একটি দিন রোজা রাখার কথা বলেছেন।— সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৫৬আশুরার রোজার ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,"আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, আশুরার রোজা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যাবে।"— সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬১৭জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণা অনুযায়ী, এ বছর ২৬ জুন (শুক্রবার) পবিত্র আশুরা পালিত হবে। তাই সুন্নত অনুযায়ী ৯ ও ১০ মহররম অথবা ১০ ও ১১ মহররম রোজা রাখা যাবে।আলেমরা বলেন, মহররম মাসে বেশি বেশি নফল রোজা, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার, দরুদ শরিফ, দান-সদকা ও তওবা-ইস্তিগফার করা উচিত। পাশাপাশি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজসহ সব ফরজ ইবাদতের প্রতি আরও বেশি যত্নবান হওয়া প্রয়োজন।মহররম শুধু রোজার মাস নয়; বরং গুনাহ থেকে দূরে থাকা, আল্লাহর দিকে ফিরে আসা এবং ইবাদতে নিজেকে আরও বেশি সম্পৃক্ত করার একটি সুবর্ণ সুযোগ।
ভোজনরসিকদের জন্য নতুন ও ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে দেশের বাজারে এসেছে জনপ্রিয় গ্লোবাল ব্র্যান্ড কেএফসির নতুন সংযোজন ‘কারি ক্রাঞ্চ’। বাংলাদেশে কেএফসির একমাত্র ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘ট্রান্সকম ফুডস লিমিটেড’। যারা ২০০৬ সাল থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তারা এই নতুন স্বাদের খাবারটি নিয়ে এলো।নতুন এই ‘কারি ক্রাঞ্চ’-এর মূল আকর্ষণ হলো কেএফসির সিগনেচার হট অ্যান্ড ক্রিস্পি চিকেন। এর সাথে যুক্ত হয়েছে সুগন্ধি কারি পাতা এবং বিশেষ ‘চেট্টিনাড’ মশলার মিশ্রণ। এই অনন্য উপাদানের সমন্বয়ে ফ্রাইড চিকেন হয়ে উঠেছে আরও বেশি ফ্লেভারফুল, যা ভোজনরসিকদের জন্য ভিন্নধর্মী এক অভিজ্ঞতার সুযোগ তৈরি করবে।নতুন এই আয়োজন সম্পর্কে ট্রান্সকম ফুডস লিমিটেডের সিইও অমিত দেব থাপা বলেন, যারা দেশীয় চেনা স্বাদের সাথে আধুনিক ফিউশনের মেলবন্ধন পছন্দ করেন, তাদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে কেএফসির এই কারি ক্রাঞ্চ। বিভিন্ন স্পাইসি মশলা ও সিজনিংয়ের অনন্য সমন্বয়ে তৈরি এই চিকেনের প্রতিটি কামড়েই অতুলনীয় স্বাদের অভিজ্ঞতা পাওয়া যাবে।বর্তমানে দেশের সকল কেএফসি আউটলেটে এই খাবারটি পাওয়া যাচ্ছে। গ্রাহকরা ডাইন-ইন, টেকঅ্যাওয়ে অথবা হোম ডেলিভারি সুবিধার মাধ্যমে এটি উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া কেএফসির অ্যাপ এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্ম (kfcbd.com/menu/curry-crunch) থেকেও সহজে অর্ডার করা যাবে।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।