সরকার গণমাধ্যম কমিশন গঠন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, সমন্বিত রেগুলেশনের জন্য দেশে একটি গণমাধ্যম কমিশন গঠন করতে যাচ্ছে সরকার। এ নিয়ে জুনের মধ্যে পরামর্শক কমিটি গঠন করে একটি খসড়া প্রস্তাব সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইয়াসীন। তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সমন্বিত রেগুলেশনের মধ্যে রাখতে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করতে প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছেন তিনি। নির্বাচনি ইশতাহারে ও বিএনপির ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচিতেও এটি বলা হয়েছে। তারা সেই লক্ষ্যে এগোতে চান। অগ্রগতি হচ্ছে, সব অংশীজনই এখন এই লক্ষ্যের সঙ্গে যৌথ যাত্রার মধ্যে আছেন। তিনি আরও বলে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জুন মাসের মধ্যে পরামর্শক কমিটি গঠন করে একটি খসড়া প্রস্তাব সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে।তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আশা করছেন, আগামী জুলাইয়ের মধ্যে সরকারের কাছে এই প্রস্তাব দেওয়া সম্ভব হবে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৯ মে) প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা কার্ড পাঠানো হয়। কার্ডে লেখা রয়েছে- ‘হীনতা, দীনতা, অহংকার ও স্বার্থপরতা পরিত্যাগ করে সৌহার্দ্য আর ভ্রাতৃত্বের অটুট বন্ধনে ত্যাগ ও পারস্পরিক সহমর্মিতায় গড়ে উঠুক আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজ। সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা।’প্রধানমন্ত্রীর এই শুভেচ্ছা বার্তাকে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন সাংবাদিকরা।
সরকার গণমাধ্যম কমিশন গঠন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, সমন্বিত রেগুলেশনের জন্য দেশে একটি গণমাধ্যম কমিশন গঠন করতে যাচ্ছে সরকার। এ নিয়ে জুনের মধ্যে পরামর্শক কমিটি গঠন করে একটি খসড়া প্রস্তাব সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইয়াসীন। তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সমন্বিত রেগুলেশনের মধ্যে রাখতে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করতে প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছেন তিনি। নির্বাচনি ইশতাহারে ও বিএনপির ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচিতেও এটি বলা হয়েছে। তারা সেই লক্ষ্যে এগোতে চান। অগ্রগতি হচ্ছে, সব অংশীজনই এখন এই লক্ষ্যের সঙ্গে যৌথ যাত্রার মধ্যে আছেন। তিনি আরও বলে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জুন মাসের মধ্যে পরামর্শক কমিটি গঠন করে একটি খসড়া প্রস্তাব সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে।তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আশা করছেন, আগামী জুলাইয়ের মধ্যে সরকারের কাছে এই প্রস্তাব দেওয়া সম্ভব হবে।
অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য ব্রাজিলের চূড়ান্ত ২৬ সদস্যের দল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। এই দল ঘোষণা ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিলেন নেইমার। প্রাথমিক দল থেকে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলেও টিকে গেলেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। দীর্ঘ আড়াই বছর পর নেইমার আবার ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলে ফিরছেন। ২০২৩ সালের পর এই প্রথম তিনি জাতীয় দলে ডাক পেলেন। এই দলে অভিজ্ঞ ও প্রবীণ খেলোয়াড়দের পাশাপাশি প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড়দের এক দারুণ সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। তবে দলে জায়গা না পাওয়া বড়ো চমকগুলোর মধ্যে অন্যতম হলেন রদ্রিগো। ইগর থিয়াগো, এন্ট্রি ও লুইজ হেনরিকের অন্তর্ভুক্তিও চমকপ্রদ। সেলেসাওরা রয়েছে 'সি' গ্রুপে এবং তারা মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচে একটি কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে তাদের। পরের দুই ম্যাচ হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে।ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াডগোলরক্ষক : আলিসন, এদেরসন ও ওয়েভারটন। রক্ষণভাগ : অ্যালেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, ডি. সান্তোস, মাগালিয়ায়েস, ইনানি, লিও পেরেইরা, মার্কিনহোস ও ওয়েসলি। মধ্যমাঠ : ব্রুনো গিমারায়েস, কাসেমির, দানিলো, ফাবিনহো ও পাকেতা। আক্রমণভাগ : এন্দ্রিক, মার্তিনেল্লি, ইগর থিয়াগো, লুইজ হেনরিকে, মাথেউস কুনহা, নেইমার জুনিয়র, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনহা ও রায়ান।
দীর্ঘ আট বছরের আইনি লড়াই শেষে স্বস্তি পেলেন বিশ্বখ্যাত কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা। স্পেনের উচ্চ আদালত তাকে কর ফাঁকির অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণ খালাস দিয়েছেন। একই সঙ্গে তার কাছ থেকে আদায় করা প্রায় ৭৬৫ কোটি টাকা (৫৫ মিলিয়ন ইউরো) সুদসহ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় কোষাগারকে।বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্পেনের কর কর্তৃপক্ষের দাবি ছিল ২০১১ সালে শাকিরা দেশটিতে ১৮৩ দিনের বেশি সময় অবস্থান করেছিলেন। স্পেনের আইন অনুযায়ী, কেউ এক বছরে ১৮৩ দিন বা তার বেশি সময় দেশটিতে থাকলে তাকে করদাতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।তবে আদালত রায়ে বলেছেন, কর কর্মকর্তারা তাদের দাবির পক্ষে পর্যাপ্ত ও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। আদালতের হিসাব অনুযায়ী, ওই বছরে শাকিরা স্পেনে ছিলেন মাত্র ১৬৩ দিন, যা করযোগ্য সময়সীমার চেয়ে ২০ দিন কম।রায়ে আদালত শাকিরার ওপর আরোপিত জরিমানাকে সম্পূর্ণ অবৈধ ঘোষণা করেন। ফেরতযোগ্য অর্থের মধ্যে রয়েছে প্রায় ৩৩৪ কোটি টাকা (২৪ মিলিয়ন ইউরো) আয়কর এবং প্রায় ৩৪৮ কোটি টাকা (২৫ মিলিয়ন ইউরো) জরিমানা।
আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে স্বস্তি ফিরেছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত পাওয়ার পর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১২ ডলার থেকে কমে ১০৯ ডলারে নেমে আসে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে সোমবার জুড়ে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা যায়। সপ্তাহান্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে কঠোর বার্তা দিয়ে বলেছিলেন, “সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।” তার ওই মন্তব্যের পর তেলের বাজারে দাম বাড়তে শুরু করে। বিশ্ববাজারে উত্তেজনার অন্যতম কারণ ছিল হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংকট। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পালটা প্রতিক্রিয়ায় ইরান গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ কার্যত বন্ধ করে দেয়। ফলে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন হয়। তাই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সামান্য ইতিবাচক বা নেতিবাচক ইঙ্গিতও তেলের বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলছে। সোমবার সকালে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, “ইরানকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে, নইলে তাদের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।” এই বক্তব্যের পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ে। তবে পরে পরিস্থিতির মোড় ঘুরে যায়। ইরানের একটি সংবাদ সংস্থা জানায়, আলোচনার স্বার্থে দেশটির অপরিশোধিত তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞায় সাময়িক ছাড় দিতে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় তেলের বাজারে চাপ কমে আসে।
২০ ঘন্টা আগে
এবার বাংলাদেশ থেকে হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, চলতি মৌসুমে মঙ্গলবার (১৯ মে) পর্যন্ত ১৬৯টি ফ্লাইটে মোট ৬৫ হাজার ৫৯২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টালের আইটি হেল্পডেস্কের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ১৮ মে (সৌদি সময় রাত ২৩ : ৫৯) পর্যন্ত সর্বমোট ৬৫ হাজার ৫৯২ জন জন হজযাত্রী দেশটিতে পৌঁছেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৪৪ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬১ হাজার ১৪৮ জন যাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। চলতি বছর চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৬ মে হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। গত ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই হজ যাত্রায় সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত মোট ১৬৯টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৮৬টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৬১টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৩৪ হাজার ৭০ জন, সৌদি এয়ারলাইন্স ২২ হাজার ৬৬৩ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৮ হাজার ৮৫৯ জন যাত্রী পরিবহন করেছে। সৌদি আরবে স্থাপিত চিকিৎসা কেন্দ্রগুলো থেকে এ পর্যন্ত ৩০ হাজার ৩৭০টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আইটি হেল্পডেস্ক ১৮ হাজার ২১০টি সেবা দিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে যাওয়া হজযাত্রীদের মধ্যে এ বছর এখন পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তাদের মধ্যে ১৩ জন মারা গেছেন মক্কায় এবং মদিনায় ৫ জন মারা গেছেন। সবশেষ ১৭ মে মারা গেছেন ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সাজেদা বেগম (৫৬) নামে এক নারী। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাওয়ার শেষ ফ্লাইট আগামী ২১ মে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হবে ৩০ জুন।
গরমকাল মানেই রসালো ফলের উৎসব। বাজারে এখন ভরে উঠেছে আম ও লিচুতে। সুস্বাদু ও রসালো এই দুই ফল প্রায় সবারই প্রিয়। শুধু স্বাদেই নয়, আম ও লিচুতে রয়েছে নানা পুষ্টিগুণও। আমি তাকে ভিটামিন-এ, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম ও পর্যাপ্ত আঁশ। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং বিভিন্ন জটিল রোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে লিচুর প্রায় বেশিরভাগ অংশই পানি, যা শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা ও নানা উপকারী উপাদান শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে এই ফলগুলো মিষ্টিজাতীয় হওয়ায় ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে প্রশ্ন থাকে— এগুলো কি খাওয়া নিরাপদ? বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীরা সম্পূর্ণভাবে আম বা লিচু এড়িয়ে যাবেন— এমন বাধ্যবাধকতা নেই। তবে অবশ্যই পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে এবং সতর্ক থাকতে হবে।আমি থাকা প্রাকৃতিক চিনি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। তাই রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকলে অল্প পরিমাণে এবং মাঝে মাঝে আম খাওয়া যেতে পারে। তবে, নিয়ম হলো— খাবারের মোট ক্যালোরি ও কার্বোহাইড্রেট হিসাব করে নিতে হবে এবং অন্য খাবারের পরিমাণ সেই অনুযায়ী কমাতে হবে। বিশেষজ্ঞরা আরও পরামর্শ দেন, দুপুর বা রাতের খাবারের বদলে সকালে অল্প পরিমাণ আম খাওয়া তুলনামূলক নিরাপদ। তবে যে-কোনো সিদ্ধান্তের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। লিচু নিয়েও একই কথা প্রযোজ্য। ডায়াবেটিস রোগীরা চাইলে সীমিত পরিমাণে লিচু খেতে পারেন। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, লিচুতে থাকা উপকারী উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে এবং শরীরের জন্য উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়া এতে থাকা আঁশ ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্স রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ ও মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে। তাই আম-লিচু একেবারে নিষিদ্ধ নয়, তবে পরিমিতি ও সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে এই মৌসুমের ফল উপভোগ করাই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।