বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আগামী রোববার (২৩ আগস্ট) বঙ্গভবনে উঠবেন। এ উপলক্ষে বঙ্গভবনে তার আনুষ্ঠানিক অভিষেকের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।রাষ্ট্রপতির কার্যালয় জানিয়েছে, রোববার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা দেবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে বঙ্গভবনের ২ নম্বর গেটে পৌঁছলে পুলিশের একটি সুসজ্জিত দল তাকে ‘গার্ড অব অনার’ মঞ্চে নিয়ে যাবে।সেখানে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি চৌকস দল নতুন রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার দেবে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে বঙ্গভবনে নিজ কার্যালয়ে যাবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।এর আগে শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন নতুন রাষ্ট্রপতি। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মির্জা ফখরুল মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে ফিরবেন। পরে তার গুলশানের বাসভবনে যাওয়ার কথা রয়েছে।শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর এক দিন আগে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন তিনি।
বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ নেওয়ার পরপরই অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।অভিনন্দন বার্তায় দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তিনি মির্জা ফখরুলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। জনজীবনে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব বাংলাদেশের মানুষের সেবায় সফল ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।ভারতের রাষ্ট্রপতি বলেন, আত্মত্যাগ, ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক যোগাযোগ এবং উষ্ণ বন্ধুত্বের ভিত্তির ওপর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি অনন্য সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তি, প্রযুক্তি, যোগাযোগ, যুব বিষয়ক কার্যক্রম, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।দ্রৌপদী মুর্মু আরও বলেন, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছেন। মির্জা ফখরুলের সুস্বাস্থ্য ও সুখ কামনা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব সফলভাবে পালনের পাশাপাশি বাংলাদেশের জনগণের অব্যাহত অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য তার শুভকামনা রয়েছে।এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে তার যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।জানা যায়, বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় প্রথম রদবদল হতে যাচ্ছে আজ সন্ধ্যার পর। সম্ভাব্য এই রদবদলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান। এর বাইরেও মন্ত্রিসভায় কিছু পরিবর্তন আসছে বলে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একাধিক সূত্রে জানা গেছে।আজ সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এরপরই মন্ত্রিসভার নতুন চারজন সদস্যের শপথ হওয়ার কথা রয়েছে। মির্জা ফখরুলের ছেড়ে আসা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বিএনপির অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা মঈন খান পেতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একাধিক সূত্রে জানা যায়, মঈন খান ও আন্দালিভ রহমান ছাড়াও মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন সাচিং প্রু জেরী ও মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন। দুজনই বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং জাতীয় সংসদেরও সদস্য। সাচিং প্রু জেরী পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আর শামীম কায়সার লিংকন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বর্তমানে তথ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা জহির উদ্দিন স্বপন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হচ্ছেন। বর্তমান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত পূর্ণ মন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।এছাড়াও এই মন্ত্রণালয়ের বর্তমান মন্ত্রী আফরোজা খানমকে (রিতা) অন্য একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।আন্দালিব রহমান পার্থের বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) মহাসচিব আব্দুল মতিন সাউদ জানান, মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য ফোন পেয়েছেন বিজেপির চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি জানান, দলের চেয়ারম্যান পার্থ তাকে জানিয়েছেন, তিনি মন্ত্রিসভায় শপথ নেওয়ার জন্য ফোন পেয়েছেন। তবে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা জানাতে পারেননি আব্দুল মতিন।বর্তমান মন্ত্রীসভায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দলের মিডিয়া সেলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক। মন্ত্রীসভার রদবদল হলে তাকে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তর করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে ম্যাকাই টেস্টে আগামীকাল মাঠে নামবে বাংলাদেশ দল। এই ম্যাচে টাইগারদের কঠিন জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে অজিরা। ফলে নিজেদের সেরা একাদশ নিয়েই মাঠে নামবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তবে ম্যাকাইয়ের বাউন্সি উইকেটে চার পেসার খেলার গুঞ্জন রয়েছে।শুক্রবার (২১ আগস্ট) ম্যাচ পূববর্তী সংবাদ সম্মেলনে একই ইঙ্গিত দিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও।ম্যাকাইয়ের উইকেট নিয়ে টাইগার অধিনায়ক বলেন, উইকেট দেখে ভালো মনে হয়েছে। আমরা এখানে যে উইকেটে অনুশীলন করেছি সেখানে বাউন্স একটু বেশি ছিল। পাঁচ পেসার স্কোয়াডে আছে সবাই রেডি আছে (ম্যাচ খেলতে), ইতিবাচক দিক হচ্ছে দুইজন স্পিনার আছে যেকোনো কন্ডিশনে ভালো বল করে।‘ফলে আমার মনে হয় যেহেতু আরও সময় আছে সকালে এসে আরেকবার উইকেট দেখে দলের জন্য যে সিদ্ধান্ত নিলে ভালো হয় তা নিব ইনশাআল্লাহ।’তিনি বলেন, বাতাসের জন্য রিভার্স সুইং বাতাসের জন্য বোলাররা সাহায্য পাবেই, সুইং কিছুটা পেতে পারে। বাতাস যদি কাজে লাগাতে পারে বোলাররা, অবশ্যই বোলারদের জন্য ভালো সুযোগ থাকবে।আগের ম্যাচের জয়ের পর দলের আত্মবিশ্বাস নিয়ে শান্ত বলেন, এরকম জয় তো অবশ্যই আত্মবিশ্বাস দেবে। পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে সেখান থেকে ফেরত আসা খুব জরুরি। দুই দিনের অনুশীলনে সেখান থেকে ভালোভাবেই প্লেয়াররা ফিরে এসেছে। ভালোভাবেই মানিয়ে নিয়েছে। অইটা (ডারউইনের জয়) এখন অতীত হয়ে গেছে। তিনি বলেন, এই কন্ডিশনে কীভাবে মানিয়ে নিতে পারি এগুলো আলাপ হয়েছে। আশা করি প্লেয়াররা সেখান থেকে বের হয়ে এখানে আবার নতুন করে শুরু করবে।
‘মিথ্যা সাময়িক, কিন্তু সত্য চিরস্থায়ী’সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূরের এই সংক্ষিপ্ত পোস্ট ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে কোনো ব্যক্তি বা ঘটনার নাম উল্লেখ করেননি তিনি। তবে মাত্র কয়েকটি শব্দের এই বার্তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নানা কৌতূহল ও জল্পনা।সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হওয়ায় শাবনূরের এই পোস্টের সম্ভাব্য প্রেক্ষাপট নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা। যদিও পোস্টটি সালমান শাহর মৃত্যু মামলা কিংবা অন্য কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কি না, সে বিষয়ে শাবনূর নিজে কোনো ব্যাখ্যা দেননি।সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে এ ঘটনায় শাবনূরের নামও আলোচনায় এসেছে। তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠলেও সেসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন এই অভিনেত্রী।এদিকে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সম্প্রতি নতুন করে তৎপরতা দেখা দিয়েছে। গত সপ্তাহে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মামলার অন্যতম অভিযুক্ত অভিনেতা ডন হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।আদালতের শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী সাংবাদিকদের কাছে ডনের পূর্বের জবানবন্দির বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই জবানবন্দিতে সালমান শাহর মৃত্যুর দিন তার বাসায় সামিরা, আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ কয়েকজনের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, জবানবন্দিতে সালমান শাহকে ক্লোরোফর্ম দিয়ে অচেতন করা, পরে ইনজেকশন দেওয়া এবং মৃত্যুর পর মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগের কথাও রয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দড়িটি ডন নিজের কোমরে বেঁধে সালমান শাহর বাসায় নিয়ে গিয়েছিলেন বলেও জবানবন্দিতে উল্লেখ রয়েছে বলে জানান তিনি।তবে এসব অভিযোগ ও জবানবন্দির তথ্য বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ এবং মামলাটি নিয়ে তদন্ত ও আইনি কার্যক্রম চলমান।সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবি দীর্ঘদিনের। তার ভক্ত ও বিভিন্ন মহল থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত সত্য প্রকাশের দাবি জানানো হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে শাবনূরের সংক্ষিপ্ত এই পোস্ট নতুন করে নানা জল্পনার জন্ম দিয়েছে।সালমান শাহর সঙ্গে শাবনূরের সম্পর্ক নিয়েও নব্বইয়ের দশক থেকেই নানা আলোচনা ছিল। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এমন গুঞ্জনও ছড়িয়েছিল বিভিন্ন সময়ে। তবে শাবনূর বরাবরই বলে এসেছেন, তিনি সালমান শাহকে ভাইয়ের মতো দেখতেন। সম্প্রতি সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীও এ বিষয়ে শাবনূরের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেছেন, তার ছেলে শাবনূরকে বোনের মতোই দেখতেন।১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সালমান শাহর। এরপর ‘তুমি আমার’ সিনেমায় শাবনূরের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিনি। সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে।মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করেন সালমান শাহ। এর মধ্যে ১৪টি সিনেমায় তার নায়িকা ছিলেন শাবনূর। ‘সুজন সখী’, ‘বিচার হবে’, ‘বিক্ষোভ’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘মহামিলন’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘জীবন সংসার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘প্রেম পিয়াসী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’ ও ‘আনন্দ অশ্রু’সহ তাদের অভিনীত বেশির ভাগ সিনেমাই দর্শকপ্রিয়তা ও ব্যবসায়িক সাফল্য পেয়েছিল।সালমান শাহর মৃত্যু মামলা নিয়ে যখন নতুন করে আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই শাবনূরের রহস্যময় এই পাঁচ শব্দের পোস্ট ঘিরে কৌতূহল আরও বেড়েছে। তবে পোস্টটির প্রকৃত উদ্দেশ্য বা প্রেক্ষাপট কী সে প্রশ্নের উত্তর আপাতত শাবনূরই দেননি।
মাছ-মাংসের চড়া দামের পর রাজধানীর সবজির বাজারেও তৈরি হয়েছে চরম অস্বস্তি। হু-হু করে বাড়তে থাকা দামে বাজারে এসে কার্যত হাঁসফাঁস করছেন ক্রেতারা। বাজারভেদে দামে সামান্য তারতম্য থাকলেও বেশির ভাগ সবজিই বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকায়। মাছ ও মাংসের বাড়তি দামের সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির এই চড়া মূল্যে নাভিশ্বাস উঠছে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের। তবে সরবরাহ বাড়ায় বাজারে কাঁচা মরিচের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, তালতলা বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার ঘুরে সবজির চড়া মূল্যের এই চিত্র দেখা গেছে।সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারে বেগুন, করলা, বরবটি, ঢেঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ বেশির ভাগ সাধারণ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। তবে তুলনামূলক কিছুটা কম দামে শসা ৬০ থেকে ৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বর্ষা মৌসুমেই বাজারে আসা শীতের আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজিতে। এ ছাড়া ফুলকপি ও বাঁধাকপি ১০০ থেকে ১১০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।সবজির উচ্চমূল্যের মধ্যে একমাত্র স্বস্তি এসেছে কাঁচা মরিচের বাজারে। কয়েক সপ্তাহ আগে যে কাঁচা মরিচ কেজিপ্রতি ৪০০ টাকায় ঠেকেছিল, সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় তা এখন মানভেদে ১৪০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।বাজার করতে আসা মধ্যবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষ বাজারের এই পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। তালতলা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মিশু আহমেদ বলেন, ব্যবসায়ীদের ইচ্ছেমতো দাম নির্ধারণের কারণে সাধারণ ক্রেতারা হিমশিম খাচ্ছেন। পরিবার নিয়ে টিকে থাকাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।মোহাম্মদপুর কৃষি বাজারের ক্রেতা হাফিজ উদ্দিন জানান, আগে ১০০ টাকায় কয়েক পদের সবজি কেনা গেলেও এখন এক কেজি সবজি কিনতেই ৮০ থেকে ১০০ টাকা লেগে যায়। ফলে এক হাজার টাকার বাজারে সামান্য পণ্য নিয়েই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।অন্যদিকে বিক্রেতারা দাম বৃদ্ধির পেছনে বৃষ্টি ও আবহাওয়াজনিত কারণকে দায়ী করছেন। কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী হামিদুর রহমান জানান, অতিবৃষ্টির কারণে উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটেছে এবং মোকাম পর্যায় থেকে সবজির সরবরাহ কমে গেছে। পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াও খুচরা বাজারে প্রভাব ফেলেছে। তবে পাইকারি বাজারে সঠিক নজরদারি করা গেলে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দ্রুতই সবজির দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
১৪ ঘন্টা আগে
জুমার দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। এ দিনে জুমার নামাজ আদায়ের জন্য আগে আগে মসজিদে যাওয়ার প্রতি বিশেষ উৎসাহ দিয়েছেন রাসুলুল্লাহ (সা.)। হাদিসে সময়মতো গোসল করে দ্রুত মসজিদে যাওয়ার বড় ফজিলতের কথা বলা হয়েছে।হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—«مَنِ اغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ غُسْلَ الْجَنَابَةِ ثُمَّ رَاحَ فَكَأَنَّمَا قَرَّبَ بَدَنَةً...»অর্থাৎ, যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালোভাবে গোসল করে প্রথম সময়ে মসজিদে যায়, সে যেন একটি উট কোরবানি করল। দ্বিতীয় সময়ে গেলে গরু কোরবানির সওয়াব, তৃতীয় সময়ে গেলে শিংওয়ালা দুম্বা কোরবানির সওয়াব, চতুর্থ সময়ে গেলে মুরগি সদকা করার সওয়াব এবং পঞ্চম সময়ে গেলে ডিম সদকা করার সওয়াবের মতো প্রতিদান পাবে।এরপর ইমাম খুতবার জন্য বের হলে ফেরেশতারা উপস্থিত হয়ে খুতবা শুনতে থাকেন।(সহিহ বুখারি, হাদিস: ৮৮১; সহিহ মুসলিম)কোরআনে যে ৬ ব্যক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত বলা হয়েছেহযরত আওস ইবনে আওস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে, সকাল সকাল মসজিদের উদ্দেশে রওনা হয়, যানবাহনের পরিবর্তে পায়ে হেঁটে যায়, ইমামের কাছে বসে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনে এবং কোনো অনর্থক কাজে লিপ্ত না হয়, তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছর রোজা রাখা ও রাতে নফল নামাজ আদায়ের সমপরিমাণ সওয়াব লেখা হয়।(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩৪৫)জুমার দিন তাই শুধু নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়া নয়, বরং আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া, গোসল করা, দ্রুত মসজিদে পৌঁছানো এবং মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনার মধ্যেও রয়েছে বিশেষ ফজিলত। মুসলমানদের উচিত জুমার দিনের এই মূল্যবান সময়কে গুরুত্ব দিয়ে ইবাদতে কাটানো।
ফ্যাশনে হাই হিল অনেকেরই পছন্দ। পোশাকে বাড়তি সৌন্দর্য আনলেও নিয়মিত ও দীর্ঘ সময় হাই হিল পরার অভ্যাস শরীরের বিভিন্ন অংশে চাপ তৈরি করতে পারে। পায়ের ছোট জয়েন্ট থেকে শুরু করে হাঁটু, গোড়ালি ও কোমরেও দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা।সাজগোজের সঙ্গে মানানসই পোশাক আর হাই হিল—অনেকের কাছেই যেন একে অপরের পরিপূরক। বিশেষ কোনো অনুষ্ঠান কিংবা অল্প সময়ের জন্য হাই হিল পরলে সমস্যা নাও হতে পারে। তবে প্রতিদিন দীর্ঘ সময় হাই হিল পরে হাঁটাচলা করলে শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্যে পরিবর্তন আসতে পারে।গোড়ালি অস্বাভাবিকভাবে উঁচু হয়ে থাকার কারণে হাঁটার সময় পা সহজেই এদিক-সেদিক বেঁকে যেতে পারে। এতে হাঁটু ও গোড়ালিতে বাড়তি চাপ পড়ে। দীর্ঘদিন এমন চাপ চলতে থাকলে হাঁটুর অস্থিসন্ধির পেছনের তরুণাস্থি ক্ষয় হয়ে অল্প বয়সেই অস্থিসন্ধির ক্ষয়জনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।পায়ের ছোট জয়েন্টেও ব্যথাহাই হিল পরে হাঁটার সময় পায়ের স্বাভাবিক ভঙ্গি বদলে যায়। পায়ের পাশের অংশ অনেকটা আড়ষ্ট হয়ে থাকে এবং শরীরের ভারের বড় অংশ হাঁটুর ওপর পড়ে। ফলে পায়ের ছোট ছোট জয়েন্টে ব্যথা ও অস্থিসন্ধির সমস্যা দেখা দিতে পারে।শুধু হাঁটু নয়, গোড়ালিতেও অতিরিক্ত চাপ পড়ে। দীর্ঘদিন হাই হিল ব্যবহারের ফলে পায়ের বিভিন্ন অংশে ব্যথা ও অস্বস্তি তৈরি হতে পারে।পায়ের পেশিতে পরিবর্তনদীর্ঘ সময় হাই হিল পরে থাকলে গোড়ালি সবসময় উঁচু অবস্থায় থাকে। ফলে গোড়ালির সঙ্গে টেনডনের মাধ্যমে যুক্ত পেশিগুলো ধীরে ধীরে ছোট হয়ে যেতে পারে। পেশিতে নানা ধরনের পরিবর্তনের পাশাপাশি পায়ের তলায় থাকা টিস্যু ও গোড়ালির টেনডনেও সমস্যা দেখা দিতে পারে।এর ফলে পায়ের তলায় ব্যথা এবং গোড়ালির টেনডনে প্রদাহের মতো সমস্যা হতে পারে।কোমরেও পড়তে পারে চাপহাই হিল গোড়ালিকে উঁচু করে রাখে এবং শরীরের ভঙ্গিতেও পরিবর্তন আনে। কোমরকে স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় সামনের দিকে ঠেলে রাখতে হয়। দীর্ঘদিন এভাবে হাঁটাচলা করলে মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক বক্রতায় প্রভাব পড়তে পারে।ফলে কোমরে ব্যথা ও অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।পায়ের পাতায় বাড়ে চাপহাই হিল পরার সময় শরীরের ভারের বড় অংশ পায়ের সামনের দিকে চলে আসে। ফলে পায়ের পাতাকে অতিরিক্ত চাপ বহন করতে হয়। দীর্ঘদিন এমন চাপের কারণে পায়ের পাতার নিচের নরম ও মাংসল অংশ ক্ষয় বা সরে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে।গোড়ালি মচকে যাওয়ার আশঙ্কাহাই হিলের কারণে পায়ের পাতা ও গোড়ালির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হয়। শরীরের ভারও গোড়ালির অস্থিসন্ধিতে বেশি পড়ে। ফলে হাঁটার সময় পা বেঁকে গিয়ে গোড়ালি মচকে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।নখকুনির সমস্যাও হতে পারেহাই হিলের সামনের অংশ অনেক সময় সরু ও নৌকার মতো আকৃতির হয়। কিন্তু মানুষের পায়ের আঙুল সাধারণত তুলনামূলকভাবে চওড়া। সরু জুতার মধ্যে পায়ের আঙুলগুলো চাপে থাকে এবং শরীরের ভারও সেগুলোর ওপর পড়ে।দীর্ঘদিন এমন জুতা ব্যবহার করলে পায়ের আঙুলে চাপ বাড়ে এবং নখকুনির সমস্যা হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়।তাহলে কেমন জুতা ভালো?হাই হিল পরার ইচ্ছা থাকতেই পারে। তবে প্রতিদিন দীর্ঘ সময় হাঁটাহাঁটির ক্ষেত্রে সামান্য উঁচু বা সমতল জুতা ব্যবহার করাই তুলনামূলকভাবে ভালো। এমন জুতা বেছে নেওয়া উচিত, যাতে পা স্বাভাবিকভাবে রাখা যায় এবং গোড়ালির ভারসাম্য বজায় থাকে।বিশেষ অনুষ্ঠান বা যেখানে বেশি হাঁটতে হবে না, সেখানে হাই হিল পরা যেতে পারে। তবে দীর্ঘ সময় হাঁটা বা দাঁড়িয়ে থাকার ক্ষেত্রে পায়ের আরাম ও স্বাভাবিক ভারসাম্যকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
আমাদের বেশিরভাগেরই ফোন একপাশে রেখে দেওয়ার পরেও মোবাইল ডেটা সবসময় চালু রাখার অভ্যাস রয়েছে। স্ক্রিন বন্ধ থাকলেই ফোন আর কোনও কাজ করে না—অনেকেরই এমন ভুল ধারণা রয়েছে। কিন্তু এই ছোট্ট অভ্যাসটি কীভাবে আপনার দামি স্মার্টফোন এবং ডেটা প্যাক—দুইয়েরই ক্ষতি করছে, তা আজ বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।মোবাইল ডেটা সবসময় চালু থাকলে ফোনের নেটওয়ার্ক অ্যান্টেনা এবং ট্রান্সমিটার চব্বিশ ঘণ্টাই সচল মোডে কাজ করতে থাকে। এর ফলে স্ক্রিন বন্ধ থাকলেও ব্যাটারি দ্রুত শেষ হতে শুরু করে। বারবার ব্যাটারি চার্জ করতে হওয়ায় ব্যাটারির আয়ু দ্রুত কমে যায়। ফোনের ডেটা সচল থাকলেই একাধিক সামাজিক মাধ্যম এবং কেনাকাটার অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে সক্রিয় থাকে। অজান্তে হওয়া অ্যাপ আপডেট, বার্তা সিঙ্ক এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে ডাউনলোড হওয়া বিজ্ঞাপনের কারণে আপনার প্রতিদিনের ডেটা প্যাক ব্যবহার না করলেও দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে।ইন্টারনেট চব্বিশ ঘণ্টা চালু থাকায় ফোনের প্রসেসর এবং র্যাম এক মুহূর্তের জন্যও বিশ্রাম নেয় না। ক্রমাগত তথ্যের আদান-প্রদান চলতে থাকায় ডিভাইস ধীরে ধীরে গরম হতে শুরু করে। ফোন সবসময় গরম থাকলে ভেতরের যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট হতে পারে এবং ফোন হ্যাং করার প্রবণতাও বাড়ে। অনেক সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপসগুলো আপনার সম্পূর্ণ ডেটা শেষ করে দেয়। আপনি যখন বাইরে থাকেন এবং অনলাইন পেমেন্ট বা গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়, তখন ডেটা শেষ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় পড়তে পারেন। এই ছোট্ট ভুলটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বড় বিপদের কারণ হতে পারে।ডেটা চালু থাকার কারণে সামাজিক মাধ্যম, গেমিং অ্যাপ এবং বিভিন্ন খবরের অ্যাপের শত শত বিজ্ঞপ্তি ক্রমাগত ফোনে আসতে থাকে। রাতেরবেলা ঘুমের সময় বা অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাজের মধ্যে ফোনের বারবার শব্দ বা কম্পন আপনার মনোযোগ নষ্ট করে এবং মানসিক চাপ বাড়াতে পারে। আপনি যখন ফোন ব্যবহার করছেন না বা ঘুমাতে যাচ্ছেন, তখন অবশ্যই মোবাইল ডেটা বন্ধ করে দিন। পাশাপাশি ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ড ডেটা রেস্ট্রিকশন সেটিং চালু করুন এবং প্রয়োজন না থাকলে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপসগুলোর বিজ্ঞপ্তি বন্ধ রাখুন। এতে ডেটা এবং ব্যাটারি—দুইই অনেকটা সাশ্রয় হবে।