বর্তমান সরকার পুলিশ বাহিনীতে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেবে না জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কোনো সদস্য শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সোমবার (১১ মে) পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশের অপারেশনাল কার্যক্রম, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য কাজে স্বচ্ছতা বাড়াতে বডিওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার আমরা বাড়াতে চাচ্ছি। আমাদের কিছু বডিওর্ন ক্যামেরা আছে, ভবিষ্যতে সব পর্যায়ে বডিওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করে তদন্ত-অপারেশন সব কার্যক্রম রেকর্ডের রাখতে পারি, সে ব্যবস্থা নেব।’জাতিসংঘের মানদণ্ড অনুযায়ী ন্যূনতম বলপ্রয়োগের বিষয়ে পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের স্মরণ রাখতে হবে, মানবাধিকারের বিষয়টি এখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অপরাধ কার্যক্রম বন্ধ বা কমাতে গেলে বা প্রসিকিউশন টিমকে সহযোগিতা করতে গলে, তদন্ত কার্যক্রম যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়, সে জন্য কৌশলে যা যা করতে হয়, মানবাধিকার সমুন্নত রেখে সে রকম সব কার্যক্রম চালান।’
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাংবাদিক দম্পতি শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপাকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (১১ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে জামিনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। ফারজানা রুপাকে ৬ মামলায় ও শাকিল আহমেদকে ৫ মামলায় জামিন দিয়েছেন আদালত। তাদের দুইজনকে একটি করে মামলায় জামিন না দিয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। ফলে সব মামলায় জামিন না হওয়ায় তারা এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। ২০২৪ সালের ২১ আগস্ট হজরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপাকে আটক করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার যেমন : চিরস্থায়ী নয়, তেমনি প্রশাসনের কোনো পদই কারো জন্য চিরকাল সংরক্ষিত থাকে না। তিনি বলেন, আমরা চিরস্থায়ী নই। এটি অতীতেও বিভিন্ন সময় প্রমাণিত হয়েছে এবং পৃথিবীর সব দেশেও এটি প্রমাণিত। ঠিক একইভাবে জনপ্রশাসন কিংবা পুলিশ প্রশাসনের কোনো পদও কারো জন্যই চিরস্থায়ী নয়। সোমবার (১১ মে) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘শাপলা’ হলে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
উত্তাপহীন শিরোপা লড়াইয়ের প্রভাবই যেন পড়ল ক্লাসিকোয়। ক্ষীণ আশাটুকু বাঁচিয়ে রাখার মতো কিছুই করতে পারল না রেয়াল মাদ্রিদ। নড়বড়ে প্রতিপক্ষকে অনায়াসে হারিয়ে লা লিগা জয়ের উল্লাসে মাতল বার্সেলোনা। কাম্প নউয়ে রোববার রাতে মৌসুমের দ্বিতীয় ক্লাসিকোয় ২-০ গোলে জিতেছে হান্সি ফ্লিকের দল। মার্কাস র্যাশফোর্ডের চমৎকার গোলে এগিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর, ব্যবধান বাড়িয়েছেন ফেররান তরেস। লা লিগার ইতিহাসে এই নিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯টি শিরোপা জিতল বার্সেলোনা। তবে, এবারই প্রথম ঘরের মাঠে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের হারিয়ে, যা কাতালান ক্লাবটির উৎসবে দিয়েছে নতুন রং।সূত্র : রয়টার্স
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা থালাপাতি বিজয়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রাক্তন প্রেমিকা অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের সঙ্গে তার নাম জড়িয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের ঐতিহাসিক জয়ের পর তৃষার বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস-এ আলোচনায় ঘি ঢেলেছে। বিজয়-তৃষার সম্পর্ক, বিজয়ের ক্ষমতার স্থায়িত্ব নিয়ে এবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন জ্যোতিষী বেণু স্বামী। জ্যোতিষী বেণু স্বামী বলেন, “অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের গ্রহগত প্রভাবের সঙ্গে থালা পাতি বিজয়ের রাশিফল গভীরভাবে যুক্ত। বিজয়ের জীবনে যদি তৃষা না থাকতেন, তাহলে তামিলনাড়ুতে তার রাজনৈতিক সাফল্য সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারত।”তামিলনাড়ুর রাজনীতি নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন জ্যোতিষী বেণু স্বামী। মুখ্যমন্ত্রী থালাপাতি বিজয়ের ক্ষমতার স্থায়িত্ব নিয়ে এ জ্যোতিষী বলেন, “থালাপাতি বিজয় মুখ্যমন্ত্রী হলেও তার সরকার খুব অল্প সময়ের মধ্যে অস্থিরতার মুখে পড়তে পারে। আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যেই তামিলনাড়ুতে আবারও নির্বাচন হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।”থালাপাতি বিজয় ও তৃষা কৃষ্ণানের সম্পর্ক নিয়ে জ্যোতিষী বেণু স্বামী বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। এ জুটির সম্পর্ককে ‘এক নাড়ি কম্বিনেশন’ বলে মন্তব্য করেছেন। জ্যোতিষশাস্ত্রে এক নাড়ি কম্বিনেশন হলো—“বর-কনের জন্ম নক্ষত্র যখন একই নাড়ির অন্তর্গত হয়, তখন তাকে এক নাড়ি কম্বিনেশন বা নাড়ি দোষ বলা হয়।”এ বিষয়ে জ্যোতিষী বেণু স্বামী বলেন, “বিজয়-তৃষার এই যোগ একদিকে যেমন বিশাল সাফল্য এনে দিতে পারে, তেমনই অপ্রত্যাশিত সমস্যাও তৈরি করতে পারে।”
ইরান যুদ্ধ বন্ধে শান্তি আলোচনা ঘিরে অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবার বেড়েছে। রোববার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ দশমিক ১৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৪ দশমিক ৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আর মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম ৩ দশমিক ২১ শতাংশ বেড়ে হয়েছে প্রায় ৯৮ দশমিক ৪৮ ডলার। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা আবারও স্থবির হয়ে পড়েছে বলে মনে হচ্ছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহণ কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ ‘ফক্স নিউজ সানডে’-কে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সর্বশেষ প্রস্তাবে একটি ‘অত্যন্ত স্পষ্ট রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সেই প্রস্তাবের জবাব দিলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেটাকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কোনো শান্তি চুক্তি না হওয়ায় বিশ্বের মোট তেল–গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ, পরিবহণের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সূত্র : সিএনএন
৬ ঘন্টা আগে
হজ ও ওমরা পালনের সময় দীর্ঘ পথ হাঁটা এবং কাবার চত্বরে (মাতাফ) তওয়াফ ও সাফা-মারওয়া পাহাড়ে সাঈ করার সময় অনেক হাজি পায়ের ব্যথায় ভোগেন। বিশেষ করে বয়স্ক বা অসুস্থদের জন্য খালি পায়ে হাঁটা অনেক সময় কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায়, জুতা বা স্যান্ডেল ব্যবহারের বিধান নিয়ে শরিয়তের দিকনির্দেশনা এবং মসজিদের আদব রক্ষা- উভয় বিষয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ নিচে তুলে ধরা হলো।বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ব্যবস্থাপনাআদিকাল থেকেই মাতাফ বা তওয়াফের স্থান মসজিদে হারামের মূল অংশ হিসেবে গণ্য। বর্তমানে সাফা-মারওয়া পাহাড়ও মসজিদুল হারামের সীমানার ভেতরে অবস্থিত। বর্তমান সময়ে মসজিদের আধুনিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার স্বার্থে সাধারণভাবে জুতা খুলে প্রবেশ করাই প্রচলিত এবং অধিক উপযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে শরিয়তের মূল বিধান এবং বিশেষ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে আলেমদের সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে।জুতা পরে ইবাদতের মূল বিধানশরিয়তের মূলনীতি অনুযায়ী, জুতা যদি নাপাকি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত ও পবিত্র থাকে, তা পরে ইবাদত করা মূলত জায়েজ। রসুলুল্লাহ (সে.) নিজে জুতা পরে নামাজ পড়েছেন বলে সহিহ হাদিসে প্রমাণিত। (সহিহ শব ৩৮৬ বুখারি : অন্য এক হাদিসে )। (রসুলুল্লাহ.) বলেছেন, ‘তোমরা ইহুদিদের বিপরীত কর। তারা জুতা এবং মোজা পরে সালাত আদায় করে না।’ (সুনানে আবু সে ৬৫২ দাউদ : তওয়াফের বিষয়ে )। (রসুলুল্লাহ.) বলেছেন, ‘বায়তুল্লাহর তওয়াফ হলো নামাজের সে তবে তওয়াফে তোমরা কথা বলতে পারো।’ (তো, ৯৬০ তিরমিজি : এসব দলিল থেকে আলেমরা বলেছেন, জুতা পবিত্র থাকলে তা পরে তওয়াফ করাও মূলত জায়েজ।
সকালের নাস্তার গুরুত্ব অনেক। কিন্তু ব্যস্ত জীবনে অনেকেই সকালের খাবার এড়িয়ে যান। কেউ তাড়াহুড়া করে শুধু এক কাপ চা বা কফি খেয়েই বেরিয়ে পড়েন, আবার কেউ দীর্ঘ সময় না খেয়ে থেকে দেরিতে সকালের নাস্তা করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাসগুলোই সারাদিনের ক্লান্তি, ঝিমুনি, অতিরিক্ত ক্ষুধা এবং এনার্জির ওঠানামার অন্যতম বড়ো কারণ। পুষ্টিবিদদের মতে, দিনের শুরুতে শরীরকে এমন খাবার দিতে হবে, যা ধীরে ধীরে শক্তি জোগাবে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখবে।যে-সব ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেনঅনেকেই সকালে শুধু চা বা কফির ওপর নির্ভর করেন। কেউ আবার প্যাকেটজাত বিস্কুট বা প্রসেসড খাবার খেয়েই নাস্তা শেষ করেন। এসব খাবার সাময়িকভাবে শক্তি দিলেও শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি দিতে পারে না।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্রেকফাস্ট বাদ দেওয়াও বড়ো ভুল। এতে শরীর দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকে, ফলে পরে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। এতে ওজন বাড়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়।এছাড়া অতিরিক্ত মিষ্টি বা ভাজাপোড়া খাবার সকালের নাস্তায় না রাখাই ভালো। এগুলো দ্রুত এনার্জি দিলেও কিছু সময় পর শরীর আরও ক্লান্ত অনুভব করতে পারে।ব্রেকফাস্টের সঠিক সময়সময়মতো সকালের নাস্তা করাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকদের মতে, ঘুম থেকে ওঠার ১ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যেই ব্রেকফাস্ট করা উচিত। এতে শরীরের মেটাবলিজম সক্রিয় হয় এবং সারাদিন এনার্জি ভালো থাকে।ব্রেকফাস্ট কেমন হওয়া উচিত?বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি আদর্শ সকালের নাস্তায় চারটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকা জরুরি, প্রোটিন, জটিল কার্বোহাইড্রেট, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং ফাইবার। এই চারটি উপাদান একসঙ্গে শরীরে গ্লুকোজ ধীরে ধীরে ছাড়তে সাহায্য করে। ফলে হঠাৎ করে এনার্জি বেড়ে যাওয়া বা দ্রুত কমে যাওয়ার সমস্যা হয় না। এতে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে এবং কাজে মনোযোগও ভালো থাকে। প্রোটিন শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি হজমের গতি ধীর করে এবং দীর্ঘ সময় শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। তাই সকালের নাস্তায় ডিম, দুধ, দই, বাদাম বা মুরগির মাংসের মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখা উচিত। ঘরেই সহজে পাওয়া যায় এমন অনেক খাবার রয়েছে যা স্বাস্থ্যকর নাস্তা হতে পারে।ওটসওটস বর্তমানে জনপ্রিয় একটি স্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্ট। এতে ফাইবার ও প্রোটিন দুটাই থাকে। ওটস দিয়ে খিচুড়ি তৈরি করা যায়, আবার ফলের সঙ্গে মিশিয়েও খাওয়া যায়। এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং হজমের জন্যও ভালো।ফল ও বাদামফল খাওয়া অবশ্যই ভালো অভ্যাস, তবে শুধু ফল খেলে চলবে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফলের সঙ্গে প্রোটিন বা ফাইবারযুক্ত খাবার যোগ করা জরুরি। যেমন : আপেলের সঙ্গে বাদাম, কলার সঙ্গে দই বা চিড়া। কারণ শুধু ফল খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে এবং কিছু সময় পর আবার হঠাৎ কমে যায়। এতে শরীরে ক্লান্তি ও দুর্বলতা তৈরি হতে পারে।সূত্র : ওয়েবএমডি ও হেলথ লাইন, টাইমস অব ইন্ডিয়া।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।