ঢাকা শনিবার ২৫ আষাঢ় ১৪৩১ সকাল ০৩:১৬:৫৫ (25-Jul-2026)
টানা বৃষ্টিতে তছনছ কৃষি-অর্থনীতি

টানা বৃষ্টিতে তছনছ কৃষি-অর্থনীতি


কয়েকদিন ধরে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে বিরামহীন বৃষ্টি হচ্ছে। কখনো ভারী, কখনো হালকা। বৃষ্টি তছনছ করে দিয়েছে এ অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি। ডুবেছে শত শত একর ফসলি জমি, ভেসে গেছে মাছ। হতাহতও হয়েছেন প্রায় অর্ধশত কৃষক। কৃষি এবং মৎস্য বিভাগের প্রাথমিক জরিপ বলছে, বিভাগের ছয় জেলায় এ দুই সেক্টরে এখন পর্যন্ত মোট ক্ষতির পরিমাণ ৩৮ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। যার মধ্যে শুধু কৃষিপণ্যের ক্ষতি প্রায় ১৮ কোটি টাকার। আরও ২০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে মৎস্য খাতে। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার সোনাতলা গ্রামের আব্দুর রহিম বলেন, ‘মাছচাষিদের স্বপ্ন পানিতে ভেসে গেছে।’ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অবিরাম বর্ষণে বিভাগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নদীতীরবর্তী এবং নিম্নাঞ্চল। এতে পাকা ধান, শাকসবজি, রোপা আমন বীজতলা এবং উদ্যান ফসল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক এলাকার নিচু জমিতে পানি জমে যাওয়ায় সদ্য রোপণ করা চারা পচে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। মাঠের পর মাঠ সবজিক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাজারে।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশাল খামারবাড়ির হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ৯ জুলাই থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিপাত ও নদনদীর পানি বৃদ্ধিতে বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় ৪১ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ২৯ হাজার ৯১৯ মেট্রিক টন ফসল নষ্ট হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ১৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ফসলের ক্ষতি হয়েছে বরগুনা জেলায়। যেখানে ৬ হাজার ৭০৯ হেক্টর জমির ফসল পানিতে ডুবে আছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি পিরোজপুরে, কারণ এ জেলায় ছোট খামারের সংখ্যা বেশি, যেগুলো ভেসে গেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, পিরোজপুরে ২৫ হাজার ৮০০ কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সবচেয়ে কম বরগুনায় ১ হাজার ১২৫ কৃষকের ক্ষতি হয়েছে।অন্যদিকে, বরিশাল মৎস্য ভবনের তথ্য বলছে, কৃষির পাশাপাশি মৎস্য খাতেও ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে। বরিশাল ও ঝালকাঠি বাদে বিভাগের বাকি ছয় জেলায় মৎস্য খাতে এখন পর্যন্ত ২০ কোটি ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করেছে মৎস্য বিভাগ। এর মধ্যে ১৪৪টি ইউনিয়নে ৬ হাজার ৪৬৯ মাছের পুকুর ও খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৪৫৫ হেক্টর পুকুর, ঘের ও অন্যান্য জলাশয় প্লাবিত হয়ে ৭৪৭ টন মাছ এবং ৯৩ লাখ মাছের পোনা, ৪৫ মেট্রিক টন চিংড়ি ভেসে গেছে। বরিশাল আঞ্চলিক মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এসব পুকুর ও ঘেরে চাষকৃত রুই, কাতল, মৃগেল, মাগুর, কইসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বৃষ্টি এবং জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে। অনেক চাষি বৃষ্টির মধ্যে ঘেরের চারপাশে নেট দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বৃষ্টির পরিমাণ এত বেশি ছিল যে, অনেকেই নেট দিয়েও রক্ষা করতে পারেননি।মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, মৎস্য খাতে ক্ষতির পাশাপাশি বিভাগে প্রাণ হারিয়েছেন পাঁচজন জেলে। আহত হয়েছেন ২৫ জন। তারা সবাই পটুয়াখালীর বাসিন্দা। তারা সবাই দুর্যোগকালীন নদী এবং সমুদ্রে মাছ শিকার করতে গিয়ে হতাহত হয়েছেন।বর্ষা মৌসুমের শুরুতে এমন ক্ষতির কারণে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের কৃষক এবং কৃষি উদ্যোক্তারা। অনেকের স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে। এখন লাভের পরিবর্তে দেনা কীভাবে শোধ করবেন, তা নিয়ে ভাবছেন দরিদ্র কৃষক আর উদ্যোক্তারা। বরিশাল সদর উপজেলার চাঁদপুরা ইউনিয়নের কৃষক রিয়াজ বলেন, ‘ধান কাটার সময়ের আগেই ক্ষেত ডুবে গেছে। এখন আধাপাকা ধান কাটতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন এবং চালের মান খারাপ হবে।’ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা ও সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতির কাজ চলছে। অন্যদিকে, মৎস্য খাতে ক্ষতিগ্রস্ত চাষি, উদ্যোক্তা এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তালিকা এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সরকারি বরাদ্দ পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষিদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১ দিন আগে

টানা বৃষ্টিতে তছনছ কৃষি-অর্থনীতি

টানা বৃষ্টিতে তছনছ কৃষি-অর্থনীতি


কয়েকদিন ধরে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে বিরামহীন বৃষ্টি হচ্ছে। কখনো ভারী, কখনো হালকা। বৃষ্টি তছনছ করে দিয়েছে এ অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি। ডুবেছে শত শত একর ফসলি জমি, ভেসে গেছে মাছ। হতাহতও হয়েছেন প্রায় অর্ধশত কৃষক। কৃষি এবং মৎস্য বিভাগের প্রাথমিক জরিপ বলছে, বিভাগের ছয় জেলায় এ দুই সেক্টরে এখন পর্যন্ত মোট ক্ষতির পরিমাণ ৩৮ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। যার মধ্যে শুধু কৃষিপণ্যের ক্ষতি প্রায় ১৮ কোটি টাকার। আরও ২০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে মৎস্য খাতে। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার সোনাতলা গ্রামের আব্দুর রহিম বলেন, ‘মাছচাষিদের স্বপ্ন পানিতে ভেসে গেছে।’ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অবিরাম বর্ষণে বিভাগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নদীতীরবর্তী এবং নিম্নাঞ্চল। এতে পাকা ধান, শাকসবজি, রোপা আমন বীজতলা এবং উদ্যান ফসল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক এলাকার নিচু জমিতে পানি জমে যাওয়ায় সদ্য রোপণ করা চারা পচে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। মাঠের পর মাঠ সবজিক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাজারে।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশাল খামারবাড়ির হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ৯ জুলাই থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিপাত ও নদনদীর পানি বৃদ্ধিতে বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় ৪১ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ২৯ হাজার ৯১৯ মেট্রিক টন ফসল নষ্ট হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ১৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ফসলের ক্ষতি হয়েছে বরগুনা জেলায়। যেখানে ৬ হাজার ৭০৯ হেক্টর জমির ফসল পানিতে ডুবে আছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি পিরোজপুরে, কারণ এ জেলায় ছোট খামারের সংখ্যা বেশি, যেগুলো ভেসে গেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, পিরোজপুরে ২৫ হাজার ৮০০ কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সবচেয়ে কম বরগুনায় ১ হাজার ১২৫ কৃষকের ক্ষতি হয়েছে।অন্যদিকে, বরিশাল মৎস্য ভবনের তথ্য বলছে, কৃষির পাশাপাশি মৎস্য খাতেও ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে। বরিশাল ও ঝালকাঠি বাদে বিভাগের বাকি ছয় জেলায় মৎস্য খাতে এখন পর্যন্ত ২০ কোটি ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করেছে মৎস্য বিভাগ। এর মধ্যে ১৪৪টি ইউনিয়নে ৬ হাজার ৪৬৯ মাছের পুকুর ও খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৪৫৫ হেক্টর পুকুর, ঘের ও অন্যান্য জলাশয় প্লাবিত হয়ে ৭৪৭ টন মাছ এবং ৯৩ লাখ মাছের পোনা, ৪৫ মেট্রিক টন চিংড়ি ভেসে গেছে। বরিশাল আঞ্চলিক মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এসব পুকুর ও ঘেরে চাষকৃত রুই, কাতল, মৃগেল, মাগুর, কইসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বৃষ্টি এবং জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে। অনেক চাষি বৃষ্টির মধ্যে ঘেরের চারপাশে নেট দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বৃষ্টির পরিমাণ এত বেশি ছিল যে, অনেকেই নেট দিয়েও রক্ষা করতে পারেননি।মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, মৎস্য খাতে ক্ষতির পাশাপাশি বিভাগে প্রাণ হারিয়েছেন পাঁচজন জেলে। আহত হয়েছেন ২৫ জন। তারা সবাই পটুয়াখালীর বাসিন্দা। তারা সবাই দুর্যোগকালীন নদী এবং সমুদ্রে মাছ শিকার করতে গিয়ে হতাহত হয়েছেন।বর্ষা মৌসুমের শুরুতে এমন ক্ষতির কারণে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের কৃষক এবং কৃষি উদ্যোক্তারা। অনেকের স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে। এখন লাভের পরিবর্তে দেনা কীভাবে শোধ করবেন, তা নিয়ে ভাবছেন দরিদ্র কৃষক আর উদ্যোক্তারা। বরিশাল সদর উপজেলার চাঁদপুরা ইউনিয়নের কৃষক রিয়াজ বলেন, ‘ধান কাটার সময়ের আগেই ক্ষেত ডুবে গেছে। এখন আধাপাকা ধান কাটতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন এবং চালের মান খারাপ হবে।’ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা ও সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতির কাজ চলছে। অন্যদিকে, মৎস্য খাতে ক্ষতিগ্রস্ত চাষি, উদ্যোক্তা এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তালিকা এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সরকারি বরাদ্দ পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষিদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১ দিন আগে

সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল

সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল


টানা বৃষ্টির কারণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার কাঁচাবাজারে সবজির দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী। সরবরাহ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ সবজির দাম সেঞ্চুরির কোঠায়। আর কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৪০ টাকায়। সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুন, শসাসহ বিভিন্ন সবজির দাম কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। করলার দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১০০ টাকা, ঝিঙা ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং শসা ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কয়েক দিন আগের তুলনায় এসব সবজির দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। লাউ, যা এক সপ্তাহ আগেও ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, এখন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়।বাজারে কাঁচা মরিচের দামও বেড়েছে। কয়েক দিন আগে এক কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায় কেনা যেত। বর্তমানে প্রতি কেজি সাধারণ মানের কাঁচা মরিচ ২৪০ টাকায় খুচরা বিক্রি হচ্ছে। তবে পেঁপের দাম তুলনামূলক কম রয়েছে। প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। আর গাজর ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কাঁকরোল ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।বাজার ঘুরে আরও দেখা যায়, প্রায় সব ধরনের সবজির দামই বেড়েছে। বর্তমানে টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া, মিষ্টি কুমড়া পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।বিক্রেতারা বলছেন, টানা বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় খেত থেকে সবজি সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। বৃষ্টির কারণে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বাড়ছে। ব্যবসায়ীদের আশা, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এবং বাজারে সরবরাহ বাড়লে সবজির দাম আবারও কমতে শুরু করবে। তবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিন বাজারে দামের চাপ আরও বাড়তে পারে।রাজধানীর এক ক্রেতা বলেন, কয়েক দিন আগেও যে সবজি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় কিনেছি, এখন সেটি ১০০ টাকার কাছাকাছি। বিশেষ করে কাঁচা মরিচের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর টাউন হলের এক জন সবজি ব্যবসায়ী বলেন, ভারী বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় সবজির খেত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে বাজারে সরবরাহ সংকট আরও বেড়েছে।

২ দিন আগে

সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল

সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল


টানা বৃষ্টির কারণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার কাঁচাবাজারে সবজির দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী। সরবরাহ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ সবজির দাম সেঞ্চুরির কোঠায়। আর কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৪০ টাকায়। সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুন, শসাসহ বিভিন্ন সবজির দাম কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। করলার দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১০০ টাকা, ঝিঙা ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং শসা ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কয়েক দিন আগের তুলনায় এসব সবজির দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। লাউ, যা এক সপ্তাহ আগেও ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, এখন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়।বাজারে কাঁচা মরিচের দামও বেড়েছে। কয়েক দিন আগে এক কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায় কেনা যেত। বর্তমানে প্রতি কেজি সাধারণ মানের কাঁচা মরিচ ২৪০ টাকায় খুচরা বিক্রি হচ্ছে। তবে পেঁপের দাম তুলনামূলক কম রয়েছে। প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। আর গাজর ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কাঁকরোল ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।বাজার ঘুরে আরও দেখা যায়, প্রায় সব ধরনের সবজির দামই বেড়েছে। বর্তমানে টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া, মিষ্টি কুমড়া পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।বিক্রেতারা বলছেন, টানা বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় খেত থেকে সবজি সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। বৃষ্টির কারণে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বাড়ছে। ব্যবসায়ীদের আশা, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এবং বাজারে সরবরাহ বাড়লে সবজির দাম আবারও কমতে শুরু করবে। তবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিন বাজারে দামের চাপ আরও বাড়তে পারে।রাজধানীর এক ক্রেতা বলেন, কয়েক দিন আগেও যে সবজি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় কিনেছি, এখন সেটি ১০০ টাকার কাছাকাছি। বিশেষ করে কাঁচা মরিচের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর টাউন হলের এক জন সবজি ব্যবসায়ী বলেন, ভারী বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় সবজির খেত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে বাজারে সরবরাহ সংকট আরও বেড়েছে।

২ দিন আগে

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

২১ জুলাই ২০২৬ দুপুর ০১:৪৪:৫৭

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

২১ জুলাই ২০২৬ দুপুর ০১:৪৪:৫৭

জ্বালানি তেলের দাম ৯০ ডলার ছাড়াল

জ্বালানি তেলের দাম ৯০ ডলার ছাড়াল

২০ জুলাই ২০২৬ দুপুর ০১:৪১:৫৫

জ্বালানি তেলের দাম ৯০ ডলার ছাড়াল

জ্বালানি তেলের দাম ৯০ ডলার ছাড়াল

২০ জুলাই ২০২৬ দুপুর ০১:৪১:৫৫

চার জেলায় ব্যাংক খোলা আছে আজ

চার জেলায় ব্যাংক খোলা আছে আজ

১৮ জুলাই ২০২৬ দুপুর ১২:৪১:১৯

চার জেলায় ব্যাংক খোলা আছে আজ

চার জেলায় ব্যাংক খোলা আছে আজ

১৮ জুলাই ২০২৬ দুপুর ১২:৪১:১৯

জুলাইয়ের ১৪ দিনেই দেশে এলো ১৫৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

জুলাইয়ের ১৪ দিনেই দেশে এলো ১৫৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

১৬ জুলাই ২০২৬ সকাল ১১:৩০:৩০

শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

১৫ জুলাই ২০২৬ বিকাল ০৪:০০:১৭

শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

১৫ জুলাই ২০২৬ বিকাল ০৪:০০:১৭

দেশের বাজারে কমল সোনার দাম

দেশের বাজারে কমল সোনার দাম

১৪ জুলাই ২০২৬ সকাল ১১:২৪:৪৪

দেশের বাজারে কমল সোনার দাম

দেশের বাজারে কমল সোনার দাম

১৪ জুলাই ২০২৬ সকাল ১১:২৪:৪৪

1–15 / মোট 224টি সংবাদ  |  পৃষ্ঠা 1 / 15
শিরোনাম
কে হবেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি, আলোচনায় যারা পদত্যাগের পরেও যেসব সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের খাবারের প্রশংসা করেন আতিফ আসলাম পাবনায় স্ত্রী ও বাবাসহ সহকারী খাদ্য পরিদর্শকের ১০ বছর কারাদণ্ড শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব মোদী সরকারের পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে কে হবেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি, আলোচনায় যারা পদত্যাগের পরেও যেসব সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের খাবারের প্রশংসা করেন আতিফ আসলাম পাবনায় স্ত্রী ও বাবাসহ সহকারী খাদ্য পরিদর্শকের ১০ বছর কারাদণ্ড শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব মোদী সরকারের পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে