শেরপুরে সংঘটিত সাম্প্রতিক সহিংসতায় জামায়াতে ইসলামীর এক রাজনৈতিক কর্মীর মৃত্যুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। সহিংসতার ফলে প্রাণহানি সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং অত্যন্ত দুঃখজনক।বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি সরকারের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।বলা হয়, জাতীয় নির্বাচন আর মাত্র দুই সপ্তাহ দূরে থাকাকালে সরকার বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামসহ সব রাজনৈতিক দলের প্রতি দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রদর্শন এবং তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংযম নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণহানির কোনো স্থান নেই।বিবৃতিতে বলা হয়, শেরপুরে সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে জেলার সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।সব রাজনৈতিক দল, নেতা এবং নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত সবার প্রতি শান্তি বজায় রাখা, আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক উপায়ে ভোটারদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। শান্ত পরিবেশ, শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক আচরণের ওপরই জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।আরও বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
৬ দিন আগে
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
১ সপ্তাহ আগে
রাজধানীর অনেক ঘরে সরকারি পাইপলাইনের গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। মাসের পর মাস বিল পরিশোধ করলেও গ্রাহকরা ন্যূনতম গ্যাস পাচ্ছেন না, এই দিকে এলপিজি সংকট ও দামের ঊর্ধ্বগতি তাদের আরও ভোগান্তিতে ফেলেছে। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে মাটির চুলা বা ইলেকট্রিক চুলার ওপর নির্ভর করছেন। এখনকার সময় বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত দুই চুলার পাইপলাইন গ্যাসের মাসিক বিল ১ হাজার ৮০ টাকা। সরকারি হিসেবে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৩০৬ টাকা। তবে বাস্তবে তা কিনতে হচ্ছে অন্তত ২ হাজার ২০০ টাকায়। ঢাকার মোহাম্মদপুরের কাদেরিয়া মাদ্রাসা রোডে বসবাসরত গৃহিণী পারভীন আক্তার জানান, তাদের বাসায় পাইপলাইন গ্যাসের সংযোগ থাকলেও শীত শুরু হওয়ার পর চুলায় গ্যাসের চাপ একেবারেই কমে গেছে।অনেক সময় সারাদিনই গ্যাস থাকে না। রাত ১২টার পর সামান্য গ্যাস এলেও তাতে ঠিকভাবে রান্না করা সম্ভব হয় না। বাধ্য হয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে হয়েছে গ্রাহকদের। এতে একদিকে সরকারি গ্যাসের বিল, অন্যদিকে এলপিজির অতিরিক্ত খরচ দুটোই বহন করতে হচ্ছে।
৩ সপ্তাহ আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশেই অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের চাহিদা বেড়েছে। ভোটগ্রহণের আগে ও পরে এসব অস্ত্র পেশিশক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি ব্যবহার হতে পারে খুনোখুনিতেওসাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্ত দিয়ে ভারী অস্ত্র এবং পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে তুলনামূলক ছোট আগ্নেয়াস্ত্র ঢুকছে।নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতা উসকে দিতে এসব অস্ত্র দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। শুধু সীমান্তের ফাঁক গলিয়েই নয়; দেশের ভেতরেও অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। যেখানে ওয়ান শুটার গান ও পিস্তলের মতো আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি হতো। ওই ধরনের আরও কারখানা থাকতে পারে বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনের আগে দেশের ভেতরে থাকা অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে সারা দেশে পুলিশের মাঠপর্যায়ের সব ইউনিটকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী অভিযানও চলছে। পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে যাতে অস্ত্র ঢুকতে না পারে, সেজন্য সীমান্তের নির্দিষ্ট কিছু পয়েন্টে বিজিবি কঠোর নজরদারি করছে। পুলিশ সদর দপ্তরের সূত্রগুলো বলছে, সম্প্রতি অপরাধ পর্যালোচনা সভায় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই ধরনের অস্ত্রের পাশাপাশি থানা ও পুলিশ স্থাপনা থেকে লুট হওয়ার পর এখনো উদ্ধার না হওয়া অস্ত্র-গুলির বিষয়টিও চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব অস্ত্র উদ্ধারে দেশের সব পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১ মাস আগে