পাকা কাঁঠালের সুমিষ্ট গন্ধ অনেককেই আকৃষ্ট করে, অনেকের কাছে এটি আবার ততটা প্রিয় ফল নয়। তবে পাকা কাঁঠাল খান বা না খান, এটি দিয়ে তৈরি পিঠা পছন্দ করবেন যে কেউ। আপনার বাড়িতে যদি চালের গুঁড়া, নারিকেল আর অল্প কিছু উপকরণ থাকে, তাহলে আজই কাঁঠাল দিয়ে তৈরি করে নিন সুস্বাদু পিঠা। চলুন জেনে নেওয়া যাক কাঁঠালের পিঠা তৈরির রেসিপি-তৈরি করতে যা লাগবেপাকা কাঁঠাল- ১৫-২০ কোয়াচালের গুঁড়া- এক কাপচিনি অথবা গুড়- আধা কাপনারিকেল- আধা কাপলবণ- সামান্যপানি- প্রয়োজন অনুযায়ীতেল- ভাজার জন্য।যেভাবে তৈরি করবেনপ্রথমে কাঁঠালের বীজ বাদ দিয়ে রস বের করে নিন। এরপর তার সঙ্গে চালের গুঁড়া, চিনি অথবা গুঁড়, নারিকেল, লবণ এবং প্রয়োজনমতো পানি মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। চুলায় একটি কড়াইতে তেল গরম হতে দিন। গরম হয়ে এলে তাতে মিশ্রণটি থেকে অল্প অল্প গোলা তুলে বড়া পিঠার মতো করে ভেজে নিন।
৫ দিন আগে
তীব্র গরমে নাকাল দেশবাসী। গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে পানিশূন্যতা, ক্লান্তি ও বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই এসময় তাজা ফলের রস শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিছু ফলের রস বা পানীয় রয়েছে যা গরমে স্বাস্থ্য সুরক্ষিত ও শরীর ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে। এই গরমে সুস্থ থাকতে কোন পানীয়গুলো বেছে নেবেন? চলুন জানা যাক- তরমুজের শরবতগরমের এই সময়টায় তরমুজ বেশ সহজলভ্য। এই রসালো ফলটি দেহের জন্যও খুব উপকারী। এর মধ্যে রয়েছে লাইকোপিন, যা সূর্যের কারণে ত্বকের কোষের যে ক্ষতি হয়, সেটি থেকে রক্ষা করে। এর মধ্যে পটাশিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যারোটিনয়েডস, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি৬, ভিটামিন-সি, ক্যালসিয়াম ও ফাইবার রয়েছে প্রচুর। তরমুজের মধ্যে যে জৈব অ্যাসিড আছে তা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে, ফলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। তরমুজ কিডনির জন্য উপকারী একটি ফল, এটি কিডনি ও মুত্রথলিকে বর্জ্যমুক্ত করে। তরমুজের শরবত খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে। আনারসের শরবত আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। এসব উপাদান দেহের পুষ্টির অভাব পূরণ করে। আনারসের শরবত খেলে গরমে স্বস্তি পেতে পারেন। আমের শরবতকাঁচা আম ভিটামিন সি–তে ভরপুর। ভিটামিন সি শরীর খারাপ লাগার বিরুদ্ধে কাজ করে। এটি ত্বক, চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি, নখের ভঙ্গুরতা রোধ করে। কাঁচা আমের শরবতে পানি, লবণ অথবা চিনি থাকে যা আমাদের দেহের পানিশূন্যতা দূর করে। রোগ প্রতিরোধশক্তি বৃদ্ধি ও ক্ষুধামান্দ্য কমাতে সাহায্য করে কাঁচা আমের জুস। ডাবের পানি ডাবের পানিতে পাঁচটি প্রধান ইলেকট্রোলাইট থাকে যেমন পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম ও ফসফরাস। বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত, দীর্ঘক্ষণ ব্যায়ামের পর শরীর দুর্বল হলে তখন ডাবের পানি পান করলে শরীরের তরল ভারসাম্য দ্রুত ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয় এবং শরীর কে শক্তি দেয়। অতিরিক্ত গরমে শরীরে পানি স্বল্পতার কারণে অনেকের প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বা ইনফেকশন হয়, তখন ডাবের পানি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিয়ে আমাদের মূত্রনালি পরিষ্কার রাখে। ডাবের পানিতে থাকা উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই এটি উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। বেলের শরবত বেলে রয়েছে প্রোটিন, স্নেহ পদার্থ, শর্করা, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ফাইবারের পাশাপাশি আরও নানা উপকারী উপাদান। গরমের সময় বেলের শরবত খেলে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। বেলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টাল গুণ ক্যানসার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। বেলের শরবত পাশাপাশি রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে। বেলের শরবত চোখের পুষ্টি জোগায় ও চোখের সুরক্ষায় সাহায্য করে এবং লিভার সুস্থ রাখে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং নিয়মিত খেলে দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস্ট্রিক ও অন্ত্রের সমস্যা কমায়।
২ সপ্তাহ আগে
বছর ঘুরে আবার আসছে ঈদ। সকাল-দুপুর-রাতে পাতে থাকবে গরু-খাসির হরেক রকম পদ। ভুনা, ঝোল, রেজালা এসব তো বহুদিন ধরে চলছেই। তাই গৃহিণীরা ভিন্ন কোনো পদ বানাতে চান। এক্ষেত্রে এবার বানাতে পারেন বিফ কোফতা সালাদ। জেনে নিন রেসিপি- উপকরণ : কোফতার জন্য- গরুর মাংসের কিমা- ২ টেবিল চামচ।আদা পেইস্ট- ১ টেবিল চামচ।রসুন পেইস্ট- ১ টেবিল চামচ।পেঁয়াজ মিহি কুচি- ২ টেবিল চামচ।কাঁচা মরিচ কুচি- ১ টেবিল চামচ।কাবাব মশলা- ১ চা-চামচ।লবণ- স্বাদমতোসসের জন্য- চিলি সস- ২ টেবিল চামচ।টমেটো কেচাপ- ৩ টেবিল চামচ।সয়া সস- ১ টেবিল চামচ।ওয়েস্টার সস- ১ টেবিল চামচ।ব্রাউন সুগার- ১ টেবিল চামচ।লবণ- স্বাদমতোগোলমরিচের গুঁড়া- আধা চা-চামচ।লেবুর রস- ১ চা-চামচ।ড্রেসিং এর জন্য- কাজুবাদাম ভাজা- আধা কাপ।পেঁয়াজ কুচি- ১ টেবিল চামচ।টমেটো কুচি- আধা কাপ।শসা কুচি- ১ কাপ।ক্যাপসিকাম স্লাইস করা- সিকি কাপ।প্রণালি প্রথমে কোফতার সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে পছন্দমতো আকারে কোফতা বানিয়ে নিন। এবার ডুবো তেলে একদম মুচমুচে করে কেটে নিন। আলাদা একটি বাটিতে সসের সবকিছু একসঙ্গে মিশিয়ে সস বানিয়ে নিন। এর মধ্যে ভরে রাখা কোফতাগুলো আর ড্রেসিং-এর উপকরণগুলো মিশিয়ে নিলেই হয়ে যাবে বিফ কোফতা সালাদ।
৩ সপ্তাহ আগে
অনেকেই শরীরকে সতেজ রাখতে ভরসা রাখছেন ডাবের পানি আর মাঠার ওপর। কিন্তু এই দুই জনপ্রিয় পানীয়ের মধ্যে কোনটি বেশি উপকারী, তা নিয়েই রয়েছে অনেকের কৌতূহল।চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতে, গরমে শরীর ঠান্ডা ও হাইড্রেটেড রাখতে দুটিই ভালো, তবে কাজের ধরন ভিন্ন।ডাবের পানি কতটা উপকারী?ডাবের পানি হলো প্রাকৃতিক এক ধরনের এনার্জি ড্রিংক। এতে ক্যালোরি কম থাকে এবং প্রচুর পটাশিয়াম থাকে, যা শরীরের পানিশূন্যতা দ্রুত পূরণ করতে সাহায্য করে। গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে যে লবণ ও খনিজ বের হয়ে যায়, তা ফিরিয়ে আনতে ডাবের পানি খুব কার্যকর।বিশেষজ্ঞদের মতে, খালি পেটে ডাবের পানি খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়। রাস্তায় বের হলে বা দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে এটি শরীরকে দ্রুত সতেজ ও হাইড্রেটেড রাখে।মাঠা কতটা উপকারীবাংলাদেশে দই দিয়ে তৈরি ঠান্ডা পানীয়কে সাধারণভাবে মাঠা বা ঘোল বলা হয়। গরমে এটি শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখে এবং হজম শক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। এতে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং পেটের সমস্যা কমায়।এছাড়া এতে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও অল্প পরিমাণ ফ্যাট থাকে, যা শরীরকে দীর্ঘ সময় শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। খাবারের পর মাঠা খাওয়া শরীরের জন্য বেশি উপকারী বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।পুষ্টিগুণে পার্থক্যডাবের পানিতে থাকে প্রাকৃতিক শর্করা, পটাশিয়াম ও সোডিয়াম, যা দ্রুত শরীরকে হাইড্রেট করে। অন্যদিকে মাঠাতে থাকে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও প্রোবায়োটিক, যা হজম ও অন্ত্রের জন্য বেশি উপকারী।কোনটা কখন খাবেন,বিশেষজ্ঞদের মতে, রাস্তায় বের হলে বা দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে ডাবের পানি সবচেয়ে ভালো পছন্দ। আর ঘরোয়া পরিবেশে বা খাবারের পর মাঠা খেলে শরীর বেশি উপকার পায়।
৩ সপ্তাহ আগে