দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকায়। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকাসোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (৬ মে) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে গতকাল ৫ মে সকাল ১০টা থেকে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমানো হয় ২ হাজার ১৫৮ টাকা। এই দাম কমানোর ২৪ ঘণ্টা পর এখন একই পরিমাণ দাম বাড়ানো হলো। এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে, ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ৪১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা। এর আগে, গতকাল সকাল ১০টা থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ৪১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৭৫০ টাকা কমিয়ে দাম ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা। আজ সকাল ১০টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই সোনা বিক্রি হয়েছে। সোনার দাম বাড়ানোর পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১১৬ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৪৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
৫ ঘন্টা আগে
চলতি মাসের প্রথম ৪ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৫ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ৪০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। মঙ্গলবার (৫ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, চলতি মে মাসের প্রথম ৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ৩১ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৪ মে পর্যন্ত দেশে এসেছে ২ হাজার ৯৭৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ। এর আগে, গত এপ্রিলে দেশে এসেছে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ। গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
২০ ঘন্টা আগে
দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এবার প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৫৮ টাকা পর্যন্ত দাম কমানো হয়েছে। এতে করে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার ভরি কমে দুই লাখ ৪০ হাজার টাকায় নেমে এসেছে। সোমবার (৪ মে) ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম কমানো হয়েছে। বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোনার দাম বাড়ানো হলেই অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বিশ্ব বাজারে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়। এরপর মূল্যসমন্বয় দর ওঠানামা করতে থাকে। বিশ্বজুড়ে সোনা ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, এখন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৪ হাজার ৫০০ ডলার নেমে এসেছে।
১ দিন আগে
দেশে বর্তমানে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি টিন বা টিআইএনধারী আছেন। তাদের মধ্যে এ বছর সাড়ে ৪২ লাখ টিআইএনধারী রিটার্ন দিয়েছেন। কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বা টিন সার্টিফিকেট ছাড়া অনেক কাজ করা সম্ভব না। তাই টিআইএন নেওয়া জরুরি। অনেকে কেবল সেবা নেওয়ার জন্য টিআইএন নিতে বাধ্য হন। তবে অনেক বছর শেষে রিটার্নও দেন না। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ওয়েবসাইটে গিয়ে টিআইএন নেওয়া যায়।টিএন সার্টিফিকেট কীটিন সার্টিফিকেট বা ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) হলো : একটি ইউনিক নম্বর, যা বাংলাদেশে করদাতাদের শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।এটি করদাতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয় হিসাবে কাজ করে এবং আয়কর সংক্রান্তি বিভিন্ন কার্যক্রমে অপরিহার্য ভূমিকা রাখে। এর মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) করদাতার আয়, কর পরিশোধ ও আর্থিক তথ্য সহজে বিশ্লেষণ করতে পারে। টিআইএন বা টিন সার্টিফিকেট ছাড়া বিভিন্ন কাজ বা সেবা নেওয়া যাবে না। প্রায় ৪০ ধরনের কাজে টিআইএন প্রয়োজন।এর মধ্যে অন্যতম হলো-সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন ১৬ হাজার টাকার বেশি হলে এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক ও তদারকি পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী।সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কাছ ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া বা পুনর্নিবন্ধন নিতে হলে টিআইএন লাগবে।সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা নির্দিষ্ট এলাকায় জমি বা ফ্ল্যাটের মালিক হলে টিআইএন থাকতে হবে। কারণ, টিআইএন ছাড়া এসব সম্পদ নিবন্ধন নেওয়া যাবে না।গাড়ির মালিকদের টিআইএন লাগবে।টিআইএন ছাড়া গাড়ির নিবন্ধন, ফিটনেস নবায়ন- এসব হবে না।ডাক্তার, আইনজীবী, প্রকৌশলী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট বা এনবিআরের নিবন্ধনভুক্ত যে-কোনো পেশাজীবীর সনদ নিতে টিআইএন লাগবে।যারা ঋণপত্র (এলসি) খোলেন বা ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট, তাদের টিআইএন লাগবে।সরকারি বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে দরপত্র জমা দিতে টিআইএন লাগে।টিআইএন ছাড়া ক্রেডিট কার্ড নেওয়া যাবে না। ক্রেডিট কার্ডধারীদের টিআইএন থাকতে হবে।ঢাকা ক্লাব, গুলশান ক্লাব, উত্তরা ক্লাবের মতো অভিজাত ক্লাবের সদস্য হতেও টিআইএন দরকার হবে। আবার ছেলেমেয়েদের ইংরেজি মাধ্যমে পড়াতে চাইলে অভিভাবকের টিআইএন লাগবে।ছোট-বড়ো ব্যাবসা করতে টিআইএন লাগবে। যেমন : মুঠোফোনের রিচার্জের ব্যাবসা, মোবাইল ব্যাংকিং, পরিবেশক, এজেন্সি, বিভিন্ন ধরনের পরামর্শক, কেটারিং, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, জনবল সরবরাহ, সিকিউরিটি সার্ভিস।বেশ কিছু সেবা নিতে আপনার টিআইএন লাগবে। যেমন : ঋণপত্র স্থাপন, রপ্তানি নিবন্ধন সনদ নেওয়া, বিমা জরিপ প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, হিসাববিদসহ বিভিন্ন ধরনের পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য, কোম্পানির পরিচালক ও স্পনসর, শেয়ারহোল্ডার, বিবাহ নিবন্ধনকারী বা কাজি, ড্রাগ লাইসেন্সধারী।ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি ঋণ নিলেও টিআইএন থাকতে হবে।জাতীয় সংসদ, সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে টিআইএন থাকতে হবে।
২ দিন আগে