ঢাকা শনিবার ২৫ আষাঢ় ১৪৩১ সকাল ০২:২২:১৫ (25-Jul-2026)
টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ফিফা

টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ফিফা


বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার তিন দিন পর টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ফিফা। সমর্থকদের ভোটে নির্বাচিত এই একাদশে সবচেয়ে বেশি তিনজন করে জায়গা পেয়েছেন স্পেন ও ফ্রান্সের।রানার্সআপ আর্জেন্টিনা থেকে আছেন দুজন। এ ছাড়া ইংল্যান্ড, নরওয়ে ও কেপ ভার্দের একজন করে ফুটবলার জায়গা পেয়েছেন। ব্রাজিলের কেউ বা স্পেনের লামিনে ইয়ামাল এই একাদশে নেই।৪-৩-৩ ছকে সাজানো এই দলে গোলবারের নিচে আছেন কেপ ভার্দের ভোজিনিয়া। প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা আফ্রিকান দলটির হয়ে দুর্দান্ত সব সেভ করে টুর্নামেন্টের অন্যতম চমক হয়ে ওঠেন তিনি। একাদশে জায়গা পাওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৯.৬ শতাংশ ভোটও পেয়েছেন ভোজিনিয়াই।রক্ষণভাগে জায়গা পেয়েছেন স্পেনের মার্ক কুকুরেয়া ও পেদ্রো পোরো, আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ এবং ফ্রান্সের দায়ো উপামেকানো। পুরো টুর্নামেন্টে এক মিনিটও মিস না করা কুকুরেয়া দুটি সহায়তামূলক পাস করেছেন। স্পেনও বিশ্বকাপ জয়ের পথে পুরো আসরে মাত্র এক গোল হজম করে সাতটি গোলশূন্য ম্যাচ উপহার দিয়েছে।মাঝমাঠে জায়গা পেয়েছেন স্পেনের রদ্রি, ফ্রান্সের মাইকেল ওলিসে এবং ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেনের মাঝমাঠের প্রাণভোমরা ছিলেন রদ্রি। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বলও জিতেছেন তিনি। সেমিফাইনালে খেলা ফ্রান্সের হয়ে সাতটি সহায়তামূলক পাস করেছেন ওলিসে। অন্যদিকে বেলিংহাম ইংল্যান্ডের হয়ে করেছেন সাত গোল।আক্রমণভাগে জায়গা পেয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং নরওয়ের আর্লিং হলান্ড। ১০ গোল করে গোল্ডেন বুট জেতা এমবাপ্পে টুর্নামেন্টে চারটি সহায়তামূলক পাস করেছেন। টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জেতার পথে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাও এখন এমবাপ্পেই। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯.৬ শতাংশ ভোট পেয়েছেন এই ফরাসি তারকা।অন্যদিকে ৩৯ বছর বয়সেও আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রাখেন মেসি। পুরো টুর্নামেন্টে করেন আট গোল ও চারটি সহায়তামূলক পাস। আর নরওয়ের বিশ্বকাপযাত্রা শেষ আটে থেমে গেলেও এর মধ্যেই সাত গোল করেন হলান্ড।ফিফার বিশ্বকাপ সেরা একাদশ—গোলরক্ষক: ভোজিনিয়া (কেপ ভার্দে)রক্ষণভাগ: পেদ্রো পোরো (স্পেন), দায়ো উপামেকানো (ফ্রান্স), লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (আর্জেন্টিনা), মার্ক কুকুরেয়া (স্পেন)মাঝমাঠ: রদ্রি (স্পেন), মাইকেল ওলিসে (ফ্রান্স), জুড বেলিংহ্যাম (ইংল্যান্ড)আক্রমণভাগ: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), আর্লিং হলান্ড (নরওয়ে), কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)

১ দিন আগে

টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ফিফা

টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ফিফা


বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার তিন দিন পর টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ফিফা। সমর্থকদের ভোটে নির্বাচিত এই একাদশে সবচেয়ে বেশি তিনজন করে জায়গা পেয়েছেন স্পেন ও ফ্রান্সের।রানার্সআপ আর্জেন্টিনা থেকে আছেন দুজন। এ ছাড়া ইংল্যান্ড, নরওয়ে ও কেপ ভার্দের একজন করে ফুটবলার জায়গা পেয়েছেন। ব্রাজিলের কেউ বা স্পেনের লামিনে ইয়ামাল এই একাদশে নেই।৪-৩-৩ ছকে সাজানো এই দলে গোলবারের নিচে আছেন কেপ ভার্দের ভোজিনিয়া। প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা আফ্রিকান দলটির হয়ে দুর্দান্ত সব সেভ করে টুর্নামেন্টের অন্যতম চমক হয়ে ওঠেন তিনি। একাদশে জায়গা পাওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৯.৬ শতাংশ ভোটও পেয়েছেন ভোজিনিয়াই।রক্ষণভাগে জায়গা পেয়েছেন স্পেনের মার্ক কুকুরেয়া ও পেদ্রো পোরো, আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ এবং ফ্রান্সের দায়ো উপামেকানো। পুরো টুর্নামেন্টে এক মিনিটও মিস না করা কুকুরেয়া দুটি সহায়তামূলক পাস করেছেন। স্পেনও বিশ্বকাপ জয়ের পথে পুরো আসরে মাত্র এক গোল হজম করে সাতটি গোলশূন্য ম্যাচ উপহার দিয়েছে।মাঝমাঠে জায়গা পেয়েছেন স্পেনের রদ্রি, ফ্রান্সের মাইকেল ওলিসে এবং ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেনের মাঝমাঠের প্রাণভোমরা ছিলেন রদ্রি। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বলও জিতেছেন তিনি। সেমিফাইনালে খেলা ফ্রান্সের হয়ে সাতটি সহায়তামূলক পাস করেছেন ওলিসে। অন্যদিকে বেলিংহাম ইংল্যান্ডের হয়ে করেছেন সাত গোল।আক্রমণভাগে জায়গা পেয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং নরওয়ের আর্লিং হলান্ড। ১০ গোল করে গোল্ডেন বুট জেতা এমবাপ্পে টুর্নামেন্টে চারটি সহায়তামূলক পাস করেছেন। টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জেতার পথে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাও এখন এমবাপ্পেই। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯.৬ শতাংশ ভোট পেয়েছেন এই ফরাসি তারকা।অন্যদিকে ৩৯ বছর বয়সেও আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রাখেন মেসি। পুরো টুর্নামেন্টে করেন আট গোল ও চারটি সহায়তামূলক পাস। আর নরওয়ের বিশ্বকাপযাত্রা শেষ আটে থেমে গেলেও এর মধ্যেই সাত গোল করেন হলান্ড।ফিফার বিশ্বকাপ সেরা একাদশ—গোলরক্ষক: ভোজিনিয়া (কেপ ভার্দে)রক্ষণভাগ: পেদ্রো পোরো (স্পেন), দায়ো উপামেকানো (ফ্রান্স), লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (আর্জেন্টিনা), মার্ক কুকুরেয়া (স্পেন)মাঝমাঠ: রদ্রি (স্পেন), মাইকেল ওলিসে (ফ্রান্স), জুড বেলিংহ্যাম (ইংল্যান্ড)আক্রমণভাগ: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), আর্লিং হলান্ড (নরওয়ে), কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)

১ দিন আগে

সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া থেকে বিশ্বজয়

সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া থেকে বিশ্বজয়


মাঠের খেলায় তারা প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ চূর্ণবিচূর্ণ করে দেন, আর মাঠের বাইরে তাদের নাচ কিংবা খুনসুটি মাতিয়ে রাখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। স্পেনের বিশ্বজয়ী দুই ফুটবল তারকা লামিন ইয়ামাল ও নিকো উইলিয়ামস বর্তমান ফুটবল বিশ্বের অন্যতম আলোচিত দুই নাম। রবিবার রাতে ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের পেছনেও বড় ভূমিকা রেখেছেন এই দুই তরুণ। তবে আজ তারা ফুটবল বিশ্বের চূড়ায় অবস্থান করলেও, এই সাফল্যের পেছনের গল্পটি রূপকথাকেও হার মানায়। এটি মূলত আফ্রিকান অভিবাসী পরিবারের সংগ্রাম, চরম ত্যাগ আর দুই তরুণের অবিশ্বাস্য কঠোর পরিশ্রমের ইতিহাস।মরুভূমি পেরিয়ে নতুন জীবনের খোঁজে উইলিয়ামস পরিবারনিকো উইলিয়ামসের আজকের এই অবস্থানের পেছনে রয়েছে তার বাবা-মায়ের রক্তভেজা এক সংগ্রামের ইতিহাস। ১৯৯৪ সালে ঘানা ছেড়ে এক কাপড়ে ইউরোপের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন তার বাবা ফেলিক্স উইলিয়ামস ও মা মারিয়া। উন্নত জীবনের আশায় সাহারা মরুভূমির তপ্ত বালু পথ পাড়ি দিয়েছিলেন তারা। ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় কাতর মারিয়াকে সেই যাত্রাপথের বেশ কিছু অংশ হাঁটতে হয়েছিল খালি পায়ে।স্পেনের মেলিয়ায় পৌঁছে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য নিজেদের যুদ্ধবিধ্বস্ত লাইবেরিয়ার নাগরিক হিসেবে পরিচয় দেন তারা। পরবর্তীতে বিলবাওয়ে জন্ম নেন নিকোর বড় ভাই ইনিয়াকি উইলিয়ামস। এরপর পরিবারটি পাম্পলোনায় চলে গেলে ২০০২ সালে জন্ম হয় নিকোর।সংসার চালাতে নিকোর বাবা দীর্ঘ ১০ বছর লন্ডনে গিয়ে ক্লিনার ও শ্রমিকের কাজ করেন। বাবার অনুপস্থিতিতে ছোট ভাই নিকোর অভিভাবক হয়ে ওঠেন বড় ভাই ইনিয়াকি। তিনিই নিকোকে খাইয়ে দেওয়া, স্কুলে নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে ফুটবলের হাতেখড়ি দেন। ফুটবলার হয়ে ওঠার পর ২০২১ সালে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের হয়ে এই দুই ভাই একসঙ্গে মাঠে নেমে ইতিহাস গড়েন। নিকো সবসময়ই বলেন, ইনিয়াকি শুধু তার ভাই নন, তার বাবার মতো।রোকাফোন্দার সেই লড়াকু ছেলে ইয়ামাললামিন ইয়ামালের গল্পটাও অন্যরকম সংগ্রামের। তার বাবা মুনির নাসরাউই এসেছিলেন মরক্কো থেকে এবং মা শেইলা এবানা ইকুয়েটোরিয়াল গিনির বাসিন্দা। ইয়ামালের দাদি প্রথমে মরক্কো থেকে স্পেনে এসে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ নেন, পরে পুরো পরিবারকে স্পেনে নিয়ে আসেন। বার্সেলোনার চরম শ্রমজীবী ও অবহেলিত এলাকা হিসেবে পরিচিত ‘রোকাফোন্দা’তেই বড় হয়েছেন ইয়ামাল।শৈশবেই ফুটবলের জাদুকরী প্রতিভা দেখে বার্সেলোনার বিখ্যাত ‘লা মাসিয়া’ একাডেমিতে জায়গা পেয়ে যান তিনি। এরপর বাকিটা ইতিহাস। একের পর এক রেকর্ড ভেঙে মাত্র ১৬-১৭ বছর বয়সেই বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকায় পরিণত হন এই উইঙ্গার। সম্প্রতি ইউনিসেফের একটি দাতব্য অনুষ্ঠানে শিশু ইয়ামালকে লিওনেল মেসির গোসল করিয়ে দেওয়ার একটি ছবি ইন্টারনেটে ঝড় তোলে। অনেকেই মজা করে একে ‘মেসির আশীর্বাদ’ বলে অভিহিত করেন।মাঠের রসায়ন ও গভীর বন্ধুত্বস্পেন জাতীয় দলে আসার পর থেকেই ইয়ামাল ও নিকোর মধ্যে গড়ে ওঠে এক অভেদ্য প্রাচীর। স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে তরুণ ইয়ামালের দেখভালের মূল দায়িত্ব দিয়েছিলেন নিকোকে। সেই থেকে মাঠ এবং মাঠের বাইরে তারা হরিহর আত্মা। গোল করার পর তাদের সিগনেচার নাচ বিশ্বজুড়ে তরুণদের মাঝে দারুণ জনপ্রিয়।বহুসংস্কৃতির আধুনিক স্পেনের নতুন প্রতীকইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটির যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোইসেস রুইসের মতে, ইয়ামাল ও নিকো কেবল ফুটবলার নন, তারা আধুনিক ও বহুসাংস্কৃতিক স্পেনের নতুন প্রতীক।স্প্যানিশ ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, একসময় স্পেনে যারা ছিলেন ব্রাত্য, আজ তাদের হাত ধরেই বিশ্বমঞ্চে স্পেনের পতাকা সবচেয়ে উঁচুতে উড়ছে। ইয়ামাল ও নিকোর এই গল্প প্রমাণ করে—সুযোগ, ত্যাগ ও কঠোর পরিশ্রমের সমন্বয় ঘটলে ফুটবলের সবুজ গালিচায় যেকোনো প্রতিকূলতাকেই জয় করা সম্ভব।

২ দিন আগে

সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া থেকে বিশ্বজয়

সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া থেকে বিশ্বজয়


মাঠের খেলায় তারা প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ চূর্ণবিচূর্ণ করে দেন, আর মাঠের বাইরে তাদের নাচ কিংবা খুনসুটি মাতিয়ে রাখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। স্পেনের বিশ্বজয়ী দুই ফুটবল তারকা লামিন ইয়ামাল ও নিকো উইলিয়ামস বর্তমান ফুটবল বিশ্বের অন্যতম আলোচিত দুই নাম। রবিবার রাতে ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের পেছনেও বড় ভূমিকা রেখেছেন এই দুই তরুণ। তবে আজ তারা ফুটবল বিশ্বের চূড়ায় অবস্থান করলেও, এই সাফল্যের পেছনের গল্পটি রূপকথাকেও হার মানায়। এটি মূলত আফ্রিকান অভিবাসী পরিবারের সংগ্রাম, চরম ত্যাগ আর দুই তরুণের অবিশ্বাস্য কঠোর পরিশ্রমের ইতিহাস।মরুভূমি পেরিয়ে নতুন জীবনের খোঁজে উইলিয়ামস পরিবারনিকো উইলিয়ামসের আজকের এই অবস্থানের পেছনে রয়েছে তার বাবা-মায়ের রক্তভেজা এক সংগ্রামের ইতিহাস। ১৯৯৪ সালে ঘানা ছেড়ে এক কাপড়ে ইউরোপের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন তার বাবা ফেলিক্স উইলিয়ামস ও মা মারিয়া। উন্নত জীবনের আশায় সাহারা মরুভূমির তপ্ত বালু পথ পাড়ি দিয়েছিলেন তারা। ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় কাতর মারিয়াকে সেই যাত্রাপথের বেশ কিছু অংশ হাঁটতে হয়েছিল খালি পায়ে।স্পেনের মেলিয়ায় পৌঁছে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য নিজেদের যুদ্ধবিধ্বস্ত লাইবেরিয়ার নাগরিক হিসেবে পরিচয় দেন তারা। পরবর্তীতে বিলবাওয়ে জন্ম নেন নিকোর বড় ভাই ইনিয়াকি উইলিয়ামস। এরপর পরিবারটি পাম্পলোনায় চলে গেলে ২০০২ সালে জন্ম হয় নিকোর।সংসার চালাতে নিকোর বাবা দীর্ঘ ১০ বছর লন্ডনে গিয়ে ক্লিনার ও শ্রমিকের কাজ করেন। বাবার অনুপস্থিতিতে ছোট ভাই নিকোর অভিভাবক হয়ে ওঠেন বড় ভাই ইনিয়াকি। তিনিই নিকোকে খাইয়ে দেওয়া, স্কুলে নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে ফুটবলের হাতেখড়ি দেন। ফুটবলার হয়ে ওঠার পর ২০২১ সালে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের হয়ে এই দুই ভাই একসঙ্গে মাঠে নেমে ইতিহাস গড়েন। নিকো সবসময়ই বলেন, ইনিয়াকি শুধু তার ভাই নন, তার বাবার মতো।রোকাফোন্দার সেই লড়াকু ছেলে ইয়ামাললামিন ইয়ামালের গল্পটাও অন্যরকম সংগ্রামের। তার বাবা মুনির নাসরাউই এসেছিলেন মরক্কো থেকে এবং মা শেইলা এবানা ইকুয়েটোরিয়াল গিনির বাসিন্দা। ইয়ামালের দাদি প্রথমে মরক্কো থেকে স্পেনে এসে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ নেন, পরে পুরো পরিবারকে স্পেনে নিয়ে আসেন। বার্সেলোনার চরম শ্রমজীবী ও অবহেলিত এলাকা হিসেবে পরিচিত ‘রোকাফোন্দা’তেই বড় হয়েছেন ইয়ামাল।শৈশবেই ফুটবলের জাদুকরী প্রতিভা দেখে বার্সেলোনার বিখ্যাত ‘লা মাসিয়া’ একাডেমিতে জায়গা পেয়ে যান তিনি। এরপর বাকিটা ইতিহাস। একের পর এক রেকর্ড ভেঙে মাত্র ১৬-১৭ বছর বয়সেই বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকায় পরিণত হন এই উইঙ্গার। সম্প্রতি ইউনিসেফের একটি দাতব্য অনুষ্ঠানে শিশু ইয়ামালকে লিওনেল মেসির গোসল করিয়ে দেওয়ার একটি ছবি ইন্টারনেটে ঝড় তোলে। অনেকেই মজা করে একে ‘মেসির আশীর্বাদ’ বলে অভিহিত করেন।মাঠের রসায়ন ও গভীর বন্ধুত্বস্পেন জাতীয় দলে আসার পর থেকেই ইয়ামাল ও নিকোর মধ্যে গড়ে ওঠে এক অভেদ্য প্রাচীর। স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে তরুণ ইয়ামালের দেখভালের মূল দায়িত্ব দিয়েছিলেন নিকোকে। সেই থেকে মাঠ এবং মাঠের বাইরে তারা হরিহর আত্মা। গোল করার পর তাদের সিগনেচার নাচ বিশ্বজুড়ে তরুণদের মাঝে দারুণ জনপ্রিয়।বহুসংস্কৃতির আধুনিক স্পেনের নতুন প্রতীকইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটির যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোইসেস রুইসের মতে, ইয়ামাল ও নিকো কেবল ফুটবলার নন, তারা আধুনিক ও বহুসাংস্কৃতিক স্পেনের নতুন প্রতীক।স্প্যানিশ ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, একসময় স্পেনে যারা ছিলেন ব্রাত্য, আজ তাদের হাত ধরেই বিশ্বমঞ্চে স্পেনের পতাকা সবচেয়ে উঁচুতে উড়ছে। ইয়ামাল ও নিকোর এই গল্প প্রমাণ করে—সুযোগ, ত্যাগ ও কঠোর পরিশ্রমের সমন্বয় ঘটলে ফুটবলের সবুজ গালিচায় যেকোনো প্রতিকূলতাকেই জয় করা সম্ভব।

২ দিন আগে

ফাইনালে মারামারি: তদন্ত শুরু করল ফিফা

ফাইনালে মারামারি: তদন্ত শুরু করল ফিফা

২২ জুলাই ২০২৬ সকাল ১১:৫১:০০

ফাইনালে মারামারি: তদন্ত শুরু করল ফিফা

ফাইনালে মারামারি: তদন্ত শুরু করল ফিফা

২২ জুলাই ২০২৬ সকাল ১১:৫১:০০

আবেগঘন পোস্টে ভক্তদের যে বার্তা দিলেন মেসি

আবেগঘন পোস্টে ভক্তদের যে বার্তা দিলেন মেসি

২১ জুলাই ২০২৬ সকাল ১১:৪৮:০৪

আবেগঘন পোস্টে ভক্তদের যে বার্তা দিলেন মেসি

আবেগঘন পোস্টে ভক্তদের যে বার্তা দিলেন মেসি

২১ জুলাই ২০২৬ সকাল ১১:৪৮:০৪

মেসিকে ছাড়াই দেশে ফিরল আর্জেন্টিনা দল

মেসিকে ছাড়াই দেশে ফিরল আর্জেন্টিনা দল

২১ জুলাই ২০২৬ সকাল ১১:৩৮:০১

মেসিকে ছাড়াই দেশে ফিরল আর্জেন্টিনা দল

মেসিকে ছাড়াই দেশে ফিরল আর্জেন্টিনা দল

২১ জুলাই ২০২৬ সকাল ১১:৩৮:০১

এনজোর লাল কার্ডে আর্জেন্টিনার লজ্জার রেকর্ড

এনজোর লাল কার্ডে আর্জেন্টিনার লজ্জার রেকর্ড

২০ জুলাই ২০২৬ দুপুর ০১:২৭:৫৩

এনজোর লাল কার্ডে আর্জেন্টিনার লজ্জার রেকর্ড

এনজোর লাল কার্ডে আর্জেন্টিনার লজ্জার রেকর্ড

২০ জুলাই ২০২৬ দুপুর ০১:২৭:৫৩

হার মেনে নিয়ে যা বললেন মেসি

হার মেনে নিয়ে যা বললেন মেসি

২০ জুলাই ২০২৬ সকাল ১০:৪৮:৪৩

হার মেনে নিয়ে যা বললেন মেসি

হার মেনে নিয়ে যা বললেন মেসি

২০ জুলাই ২০২৬ সকাল ১০:৪৮:৪৩

গোল্ডেন বল জিতলেন রদ্রি, গোল্ডেন গ্লাভ পেলেন সিমন

গোল্ডেন বল জিতলেন রদ্রি, গোল্ডেন গ্লাভ পেলেন সিমন

২০ জুলাই ২০২৬ সকাল ১০:৩৭:০৮

1–15 / মোট 411টি সংবাদ  |  পৃষ্ঠা 1 / 28
শিরোনাম
কে হবেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি, আলোচনায় যারা পদত্যাগের পরেও যেসব সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের খাবারের প্রশংসা করেন আতিফ আসলাম পাবনায় স্ত্রী ও বাবাসহ সহকারী খাদ্য পরিদর্শকের ১০ বছর কারাদণ্ড শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব মোদী সরকারের পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে কে হবেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি, আলোচনায় যারা পদত্যাগের পরেও যেসব সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের খাবারের প্রশংসা করেন আতিফ আসলাম পাবনায় স্ত্রী ও বাবাসহ সহকারী খাদ্য পরিদর্শকের ১০ বছর কারাদণ্ড শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব মোদী সরকারের পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে