স্যামসাং স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের অনেকেই অভিযোগ করেন যে, ফোন কেনার কিছুদিন পর থেকেই পারফরম্যান্স ধীর হয়ে যায় বা হ্যাং করতে শুরু করে। আসলে ফোনের ডিফল্ট সেটিংসের ওপর এর অনেকখানি নির্ভর করে। সঠিক সেটিংস বেছে নিলে আপনার স্যামসাং ফোনটি আবারও রকেটের গতিতে চলতে শুরু করবে। ফোনের গতি বাড়াতে এবং ব্যাটারি ব্যাকআপ উন্নত করতে নিচে দেওয়া ৫টি পরিবর্তন আজই করে নিন।প্রথমত, ফোনের ব্লোটওয়্যার অ্যাপগুলো সরিয়ে ফেলুন। স্মার্টফোনের সঙ্গে আগে থেকেই অনেক অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ইনস্টল করা থাকে, যা ফোনের স্টোরেজ ও প্রসেসরের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে। অ্যাপ আইকনের ওপর চাপ দিয়ে ধরে রেখে আনইনস্টল বা ডিজেবল করে দিন। কিছু সিস্টেম অ্যাপ পুরোপুরি ডিলিট করা না গেলেও সেগুলো ডিজেবল করে রাখা ভালো।দ্বিতীয়ত, যেসব অ্যাপ আপনি সচরাচর ব্যবহার করেন না, সেগুলোকে ‘ডিপ স্লিপ’ মোডে পাঠিয়ে দিন। ফোনের সেটিংস থেকে ‘ব্যাটারি’ এবং তারপর ‘ব্যাকগ্রাউন্ড ইউসেজ লিমিটস’-এ যান। সেখান থেকে ‘ডিপ স্লিপিং অ্যাপস’-এ গিয়ে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো যুক্ত করে দিন। এতে অ্যাপগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে অকারণে র্যাম ও ইন্টারনেট খরচ করতে পারবে না।তৃতীয়ত, স্যামসাং ফোনের ‘র্যাম প্লাস’ ফিচারটি বন্ধ করে দেখুন। এটি ইন্টারনাল স্টোরেজকে ভার্চুয়াল র্যাম হিসেবে ব্যবহার করে, যা অনেক সময় ফোনকে ধীর করে দেয়। ফোনের ‘ডিভাইস কেয়ার’ থেকে ‘মেমোরি’ এবং ‘র্যাম প্লাস’-এ গিয়ে এটি অফ করে দিন এবং ফোনটি একবার রিস্টার্ট করে নিন।চতুর্থত, লক স্ক্রিনের বিজ্ঞাপন বন্ধ করুন। ফোনের ‘ওয়ালপেপার অ্যান্ড স্টাইল’ থেকে ‘ওয়ালপেপার সার্ভিসেস’ অপশনে গিয়ে সেটিকে ‘নান’ করে দিন। এটি করলে গ্ল্যান্স লক স্ক্রিন ওয়ালপেপার ও বিজ্ঞাপন আসা বন্ধ হবে, ফলে প্রসেসরের ওপর চাপ কমবে।পঞ্চমত, ডিসপ্লে সেটিংস ঠিক করুন। ফোনের ‘ডিসপ্লে’ সেটিংসে গিয়ে ‘মোশন স্মুথনেস’ অপশনটি ‘অ্যাডাপ্টিভ’ বা ‘হাই’-তে সেট করুন। এছাড়া স্ক্রিন রেজোলিউশন অপশন থেকে এফএইচডি প্লাস বা কিউএইচডি প্লাস বেছে নিন। এর ফলে স্ক্রিন যেমন পরিষ্কার দেখাবে, তেমনি ফোনের সামগ্রিক ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও অনেক বেশি স্মুথ হবে।
৩ দিন আগে
অল্প দামে ভালো ফিচারের ফোন কিনতে চান? তবে আপনার প্রথম পছন্দ হতে পারে ইনফিনিক্স স্মার্ট ২০ মডেল। এই ফোনটি ভারতে মাত্র ১২ হাজার রুপিরও কমে বিক্রি হচ্ছে। কম দামি ফোন হলেও এটি প্রিমিয়াম কোয়ালিটির স্মার্টফোন। দারুণ ডিজাইন, শক্তিশালী প্রসেসর এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারিরসমন্বয়ে তৈরি এই ফোনটি বাজেট সেগমেন্টে ক্রেতাদের জন্য নতুন চমক হয়ে এসেছে। সমন্বয়ে তৈরি এই ফোনটি বাজেট সেগমেন্টে ক্রেতাদের জন্য নতুন চমক হয়ে এসেছে।আনুষ্ঠানিকভাবে ফোনটি বাজারে আসার পরপরই এর আকর্ষণীয় ফিচারগুলো টেক প্রেমীদের নজর কেড়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এই স্মার্টফোনটির খুঁটিনাটি।কেন কিনবেন ইনফিনিক্স স্মার্ট ২০ মডেল?১. ডিসপ্লে ও ডিজাইনফোনটিতে রয়েছে ৬.৭৮ ইঞ্চির বিশাল ডিসপ্লে, যা ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে। ফলে গেমিং বা ভিডিও দেখার সময় মিলবে স্মুথ অভিজ্ঞতা। এর পাঞ্চ-হোল ডিজাইন এবং ফ্ল্যাট ফ্রেম এটিকে দিয়েছে প্রিমিয়াম লুক। মাত্র ৭.৭ মিমি পুরুত্বের এই ফোনটি ইনফিনিক্সের অন্যতম স্লিম ডিভাইস। এছাড়া এর পেছনে রয়েছে ৩ডি কম্পোজিট রিয়ার প্যানেল।২. পারফরম্যান্সউন্নত পারফরম্যান্সের জন্য এতে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও জি৮১ আলটিমেট চিপসেট। দৈনন্দিন মাল্টিটাস্কিং বা সাধারণ গেমিংয়ের জন্য এটি বেশ কার্যকর। এতে ৪ জিবি র্যামের পাশাপাশি স্টোরেজ ২ টেরাবাইট পর্যন্ত বাড়ানোর সুবিধা রয়েছে।৩. ব্যাটারি ও চার্জিংফোনটিতে রয়েছে ৫,২০০ এমএএইচের শক্তিশালী ব্যাটারি, যা একবার ফুল চার্জে সর্বোচ্চ ৩৯ ঘণ্টা পর্যন্ত চলার দাবি করছে কোম্পানি। দ্রুত চার্জ করার জন্য এতে ১৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা রয়েছে। বিশেষ ফিচার হিসেবে থাকছে ৫ ওয়াট রিভার্স চার্জিং, যার মাধ্যমে প্রয়োজনে অন্য ডিভাইসও চার্জ দেওয়া সম্ভব। এছাড়া ধুলা ও পানি থেকে সুরক্ষার জন্য রয়েছে আইপি৬৪ রেটিং।দাম ও প্রাপ্যতাইনফিনিক্সের এই স্মার্টফোনটির প্রারম্ভিক মূল্য রাখা হয়েছে ভারতে ১১ হাজার ৯৯৯ রুপি। ফোনটি ইনফিনিক্সের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের পাশাপাশি ফ্লিপকার্ট থেকেও প্রি-অর্ডার করা যাচ্ছে।
১ সপ্তাহ আগে
২০২৭ সালের ২ আগস্ট পৃথিবী সাক্ষী হতে যাচ্ছে এক বিরল ও নজিরবিহীন মহাজাগতিক ঘটনার ২১ শতকের মধ্যে স্থলভাগ থেকে দেখা সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, ওই দিন চাঁদ সূর্যকে টানা প্রায় ৬ মিনিট ২৩ সেকেন্ড পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে ঢেকে রাখবে, ফলে দিনের বেলাতেই নেমে আসবে গভীর অন্ধকার।দীর্ঘতম পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ ২০২৭ সালের ২ আগস্টকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানী, গবেষক এবং সাধারণ আকাশপ্রেমীরা এই বিরল দৃশ্য প্রত্যক্ষ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই দীর্ঘ সময়ের পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের পেছনে রয়েছে এক বিশেষ মহাজাগতিক সমন্বয়। ওই সময় চাঁদ পৃথিবীর তুলনামূলক কাছাকাছি অবস্থানে থাকায় তাকে বড় দেখাবে, আর পৃথিবী সূর্য থেকে দূরতম অবস্থান (অ্যাফেলিয়ন) কাছাকাছি থাকায় সূর্যকে তুলনামূলক ছোট দেখাবে। এই দুই প্রভাব মিলেই গ্রহণের স্থায়িত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেবে।গ্রহণের কেন্দ্রীয় পথ আটলান্টিক মহাসাগর থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ওপর দিয়ে অগ্রসর হবে। স্পেন, জিব্রাল্টার, মরক্কো, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, লিবিয়া, মিসর, সুদান, সৌদি আরব, ইয়েমেন ও সোমালিয়ার কিছু অংশ থেকে এই পূর্ণগ্রাস দেখা যাবে।তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, সবচেয়ে দীর্ঘ ও পরিষ্কারভাবে গ্রহণটি দেখা যাবে মিসরে। বিশেষ করে লুক্সর ও নিউ ভ্যালি অঞ্চলে প্রায় পুরো সময়জুড়ে আকাশ অন্ধকার হয়ে আসবে, যা একে পর্যবেক্ষণের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত করছে বিশেষজ্ঞরা।পূর্ণগ্রাস চলাকালে দিনের আলো হঠাৎ গোধূলির মতো হয়ে যাবে। তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসতে পারে এবং আকাশে উজ্জ্বল গ্রহ-নক্ষত্রগুলো দৃশ্যমান হয়ে উঠবে। এই সময় সূর্যের করোনা, বেইলি’স বিডস এবং ডায়মন্ড রিংয়ের মতো বিরল দৃশ্যও দেখা যেতে পারে।বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, পূর্ণগ্রাসের কয়েক মিনিট ছাড়া সূর্যগ্রহণের অন্য সব পর্যায়ে অবশ্যই নিরাপদ সোলার ফিল্টার বা অনুমোদিত চশমা ব্যবহার করতে হবে।প্রায় ৪০০ কোটির বেশি মানুষ এই আংশিক বা পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখার সুযোগ পাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা একে এই শতাব্দীর অন্যতম আলোচিত মহাজাগতিক ঘটনায় পরিণত করবে।সূত্র: উইয়ন নিউজ
১ সপ্তাহ আগে
কম দামের উইন্ডোজ ল্যাপটপে বড় পরিবর্তন আনতে পারে কোয়ালকম-এর নতুন স্ন্যাপড্রাগন সি চিপ। সংস্থার দাবি, এই প্রসেসরের সাহায্যে বাজেট ল্যাপটপেও মিলবে দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ, উন্নত পারফরম্যান্স এবং আধুনিক ফিচারের সুবিধা।ল্যাপটপ বাজারে দীর্ঘদিন ধরে কম দামি ডিভাইসের ক্ষেত্রে তেমন কোনো বড় পরিবর্তন দেখা যায়নি। বেশিরভাগ সস্তার ল্যাপটপই সীমিত কার্যক্ষমতা এবং গড়পড়তা ব্যাটারি লাইফ নিয়ে আসে। এবার সেই পরিস্থিতি বদলাতে উদ্যোগী হয়েছে কোয়ালকম। সংস্থাটি তাদের নতুন স্ন্যাপড্রাগন সি চিপের ঘোষণা করেছে, যা বিশেষভাবে সাশ্রয়ী মূল্যের উইন্ডোজ ল্যাপটপের জন্য তৈরি করা হয়েছে।দাম ও কার্যক্ষমতার চমৎকার ভারসাম্যস্ন্যাপড্রাগন সি সিরিজকে কোয়ালকম-এর স্ন্যাপড্রাগন এক্স লাইনআপের নিচের স্তরে রাখা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো এমন ল্যাপটপে শক্তি জোগানো, যেগুলোর দাম ৩০০ থেকে ৪০০ ডলার বা প্রায় ২৬,০০০ থেকে ৩৬,০০০ টাকার মধ্যে হতে পারে। সংস্থার দাবি, এই চিপের সাহায্যে বাজেট ল্যাপটপেও আরও ভালো ব্যাটারি লাইফ এবং ভারসাম্যপূর্ণ পারফরম্যান্স পাওয়া যাবে।সারাদিন চলার মতো ব্যাটারি ব্যাকআপকোয়ালকম-এর মতে, নতুন স্ন্যাপড্রাগন সি প্রসেসর দৈনন্দিন কাজ যেমন ইন্টারনেট ব্রাউজিং, অনলাইন ক্লাস, ডকুমেন্ট এডিটিং, ভিডিও দেখা এবং অফিসের কাজ সহজেই সামলাতে পারবে। যদিও সংস্থা ব্যাটারি লাইফ নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি, তবে দাবি করেছে যে এটি সারাদিন চলার মতো ব্যাটারি ব্যাকআপ দিতে সক্ষম হবে।প্রতিযোগিতার বাজারে নতুন কৌশলবিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যাপল-এর সাশ্রয়ী ম্যাকবুক নিও বাজারে আসার পর উইন্ডোজ ল্যাপটপ নির্মাতারাও মোবাইল চিপভিত্তিক ডিভাইসের দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে। স্ন্যাপড্রাগন সি-কে সেই কৌশলেরই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। এই চিপ সম্ভবত কোয়ালকম-এর স্মার্টফোন প্রসেসর আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে, যার ফলে আরও উন্নত শক্তি-সাশ্রয়ী কর্মক্ষমতা পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।এসারের নতুন ল্যাপটপের ঝলকএদিকে এসার-ও স্ন্যাপড্রাগন সি-ভিত্তিক একটি ল্যাপটপের ঝলক দেখিয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই ল্যাপটপে বড় ডিসপ্লে, ৮ জিবি র্যাম, ৫১২ জিবি তথ্য সংরক্ষণের জায়গা বা স্টোরেজ, ওয়াই-ফাই সিক্স-ই সাপোর্ট এবং একাধিক ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট থাকতে পারে। এই কনফিগারেশন ছাত্রছাত্রী, পেশাজীবী এবং সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য যথেষ্ট বলে মনে করা হচ্ছে।ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনাতবে উইন্ডোজ ১১-ভিত্তিক এই বাজেট ল্যাপটপগুলোর ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে একই পারফরম্যান্স ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তবুও কোয়ালকম যদি তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারে, তাহলে আগামী কয়েক মাসে সস্তার উইন্ডোজ ল্যাপটপ বাজারে বড় প্রতিযোগিতা দেখা যেতে পারে। পরিশেষে বলা যায়, স্ন্যাপড্রাগন সি চিপ বাজেট ল্যাপটপ সেগমেন্টের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে, যার ফলে কম দামে আরও ভালো ব্যাটারি এবং আধুনিক ফিচারযুক্ত ডিভাইস গ্রাহকদের হাতের নাগালে আসবে।
২ সপ্তাহ আগে