রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। তবে পদত্যাগ করলেও আমৃত্যু বেশ কিছু রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন সদ্য সাবেক এ রাষ্ট্রপতি।শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে স্পিকারের কাছে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র পাঠানোর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।দেশের প্রচলিত বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে মেয়াদ শেষ করেছেন কিংবা কমপক্ষে ছয় মাস দায়িত্ব পালন করেছেন- এমন ব্যক্তি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রতি মাসে সর্বশেষ যে বেতন পেতেন, তার ৭৫ শতাংশ হারে মাসিক অবসরভাতা পাবেন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।দি প্রেসিডেন্টস (রেমিউনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজেস) অ্যাক্ট, ১৯৭৫ (মে ২০১৬ পর্যন্ত সংশোধিত) এ রাষ্ট্রপতির অবসরভাতা ছাড়াও বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধার কথা উল্লেখ রয়েছে। আইন অনুযায়ী, সাবেক এ রাষ্ট্রপতি একজন ব্যক্তিগত সহকারী ও একজন অ্যাটেনডেন্ট পাবেন। দাপ্তরিক ব্যয়ও পাবেন। যার মোট বাৎসরিক পরিমাণ সরকার নির্ধারণ করবে।পাশাপাশি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য বিনামূল্যে সরকারি যানবাহন ব্যবহার, আবাসস্থলে একটি টেলিফোন সংযোগ পাবেন এবং সরকার নির্ধারিত সীমা পর্যন্ত এর বিল পরিশোধ থেকে অব্যাহতি পাবেন।এছাড়া একজন মন্ত্রীর প্রাপ্য চিকিৎসা সুবিধার সমপরিমাণ চিকিৎসা সুবিধাদি, একটি কূটনৈতিক পাসপোর্টও পাবেন তিনি। আর দেশের ভেতর ভ্রমণকালে সরকারি সার্কিট হাউজ বা রেস্ট হাউজে বিনা ভাড়ায় অবস্থানের সুবিধা পাবেন।
৮ ঘন্টা আগে
শারীরিক গুরুতর অসুস্থতা ও অসামর্থ্যের কারণ উল্লেখ করে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) স্পিকারের উদ্দেশ্যে লেখা ও স্বাক্ষরিত এই পদত্যাগপত্রটি সংসদ সচিবালয়ে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।পদত্যাগপত্রে রাষ্ট্রপতি তার দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতা এবং নতুন করে শনাক্ত হওয়া কঠিন ব্যাধির কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন।স্পিকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্রে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানীং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’ নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই। রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন।তিনি আরও লিখেন, এমতাবস্থায় সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ করছি।
৮ ঘন্টা আগে
রাষ্ট্রপতি পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ফলে সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে দুপুরে স্পিকারের কাছে গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।সংবাদ সম্মেলনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছিলাম, সেদিনই প্রয়োজন হলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের শপথও নেওয়া হয়েছিল। একইভাবে ডেপুটি স্পিকারের শপথের বিধিতে উল্লেখ রয়েছে—কোনো কারণে স্পিকারের পদ শূন্য হলে বা স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে গেলে ডেপুটি স্পিকারই স্পিকারের দায়িত্ব হাফিজ উদ্দিন জানান, সেই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এখন থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, ‘শারীরিক অসুস্থতার কারণেই রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেছেন। তিনি নিজের পদত্যাগপত্রে বিস্তারিত অসুস্থতার কথা লিখিতভাবে জানিয়েছেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, অসুস্থতার দরুন তিনি মাঝে মাঝে অচেতন হয়ে পড়েন। তাই এ বিষয়ে আলাদা কোনো চিকিৎসকের সনদের প্রয়োজন নেই।’তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে এ সংক্রান্ত যাবতীয় ধোঁয়াশা কেটে গেছে। দেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ কখনো শূন্য থাকে না এবং নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়াতেই সার্বিক দায়িত্ব বণ্টন সম্পন্ন হয়েছে।
৮ ঘন্টা আগে
রাষ্ট্রপতি পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ফলে সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে দুপুরে স্পিকারের কাছে গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।সংবাদ সম্মেলনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছিলাম, সেদিনই প্রয়োজন হলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের শপথও নেওয়া হয়েছিল। একইভাবে ডেপুটি স্পিকারের শপথের বিধিতে উল্লেখ রয়েছে—কোনো কারণে স্পিকারের পদ শূন্য হলে বা স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে গেলে ডেপুটি স্পিকারই স্পিকারের দায়িত্ব হাফিজ উদ্দিন জানান, সেই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এখন থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, ‘শারীরিক অসুস্থতার কারণেই রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেছেন। তিনি নিজের পদত্যাগপত্রে বিস্তারিত অসুস্থতার কথা লিখিতভাবে জানিয়েছেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, অসুস্থতার দরুন তিনি মাঝে মাঝে অচেতন হয়ে পড়েন। তাই এ বিষয়ে আলাদা কোনো চিকিৎসকের সনদের প্রয়োজন নেই।’তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে এ সংক্রান্ত যাবতীয় ধোঁয়াশা কেটে গেছে। দেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ কখনো শূন্য থাকে না এবং নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়াতেই সার্বিক দায়িত্ব বণ্টন সম্পন্ন হয়েছে।
৮ ঘন্টা আগে