নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৬ সকাল ১১:১৪:১৮
'দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে ইইউবি'
ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (ইইউবি) এর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আয়োজনে Fresher’s Reception & Farewell Ceremony Summer 2026 অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইইউবির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মকবুল আহমেদ খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম মুরতুজা।
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ মো. মোশাররফ হোসেন সরকার, রেজিস্ট্রার ড. এস. এম. জোবায়ের এনামুল করিম, ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা মো. ইমদাদুল হক, আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক আবু তাহেরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষকবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মকবুল আহমেদ খান বলেন, আমি এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের জন্য, যারা মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও অর্থের অভাবে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। দেশের অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে টিউশন ফি অত্যন্ত বেশি, সেখানে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে নামমাত্র খরচে শিক্ষার সুযোগ প্রদান করা হচ্ছে। আমার লক্ষ্য গ্রামে দরিদ্রতার অভাবে যে শিক্ষার্থীরা অকালে ঝরে যায় সে সকল মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে দেশ ও জাতির উন্নয়নে সম্পৃক্ত করা।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, নেতৃত্বগুণ ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশ গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম মুরতুজা বলেন, বর্তমান বিশ্বে টেকসই উন্নয়ন ও আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণে দক্ষ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক জ্ঞান অর্জন করলেই হবে না, তাদেরকে প্রযুক্তিগত দক্ষতা, গবেষণামুখী চিন্তাভাবনা এবং নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হতে হবে।
অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানো হয় এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য শুভকামনা জানানো হয়। এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অতিথিদের অংশগ্রহণে এক আন্তরিক ও প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।