মোঃ জাহাঙ্গীর আলম শায়েস্তানগরী ,সেনবাগ প্রতিনিধি:
প্রকাশ : ৭ জুলাই ২০২৬ সকাল ০৯:৪৩:৩৯
জয়নুল আবদিন ফারুকের ওপর হামলাকারীদের বিচারের দাবি
নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের ৬ষ্ঠ্য বারের মতো নির্বাচিত এমপি ও সাবেক বিরোধীদলীয় চীফহুইপ এবং বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা জয়নুল আবদিন ফারুকের ওপর ২০১১ সালের ৬ জুলাই হরতাল কর্মসূচি পালন কালে তৎকালিন পুরিশের এডিসি হারুন ও এসি বিপ্লব কর্তৃক বর্বরোচি হামলা ও প্রাণ নাশের চেষ্টার ১৫ বছর উপলক্ষে প্রতিবাদ ও আলোচনা সভা করেছে সেনবাগ উপজেলা, পৌরসভার বিএনপি, যুবদল ছাত্রদল,স্বেচ্চাসেবকদল,শ্রমিকদল ও সহযোগী সংগঠন।
সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে সেনবাগ উপজেলা অডিটোরিয়ামে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোক্তার হোসেন পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে ও সেনবাগ পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব শহীদ উল্লাহ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন-নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও সেনবাগ উপজেলা বিএনপির সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুন।
বিশেষ অতিথি ছিলেস- সেনবাগ পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক ফারুক বাবুল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন বাহার চেয়ারম্যান, উপজেলা বিএনপিন যুগ্ম আহবায়ক আবদুল হান্নান লিটন, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারী ও জেএমআই গ্রুপের পরিচালন মোঃ গোলাম মোস্তফা, পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নুর নবী বাচ্ছু, সেবারহাট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল বাহার, উপজেলা বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক মির্জা মোহাম্মদ মোস্তফা, ছাতারপাইয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল খায়ের, কেশারপাড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সেলিম চৌধুরী, কাদরা ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারী আবুল বাশার লিটন, অজুনতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহাদাত হোসেন খান সাধন, কাবিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখ মোস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারী এইরামুল হক সোহাগ, উপজেলা যুবদল সাবেক সভাপতি সুলতান সালা উদ্দিন লিটন, পৌরসভা যুবদল সভাপতি মোকারম হোসেন, উপজেলা ছাত্রদল সাবেক আহবায়ক মোঃ সানা উল্লাহ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদল আহবায়ক কামরুল হাসান তুহিন, উপজেলা শ্রমিকদল আহবায়ক হাজ্বী জাফর উল্লাহ, পৌরসভা শ্রমিকদল সভাপতি মহিন উদ্দিন মহিন, পৌরসভা ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ কামাল ভূঁইয়া প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, ২০১১ সালের ৬ জুলাই সংসদ ভবনের সামনে তৎকালীন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদীন ফারুকের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হামলার ঘটনা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নৃশংস ও নিন্দনীয় অধ্যায়। দীর্ঘ ১৫ বছর অতিবাহিত হলেও ওই ঘটনার বিচার না হওয়ায় তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, ওই হামলায় জড়িত হারুন, বিপ্লবদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের করে ইন্টাপোলে মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করালধাবী জানান। তারা বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার সময়ের দাবি করেন ও ত্যাগী নির্যাতিত নেতা হিসেবে জয়নুল আবদিন ফারুককে মূল্যয়ন করে তাকে মন্ত্রী সভার সদস্য করার ও দাবী জানান বক্তারা।
আলোচনা সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ রক্তাক্ত ৬ জুলাইয়ের স্মৃতিচারণ করেন এবং ভবিষ্যতে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।