নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬ সকাল ১০:৫৫:০০
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
দেশের বাজারে সর্বশেষ সমন্বয় করা দামেই সোমবার (১০ আগস্ট) সোনা বিক্রি হচ্ছে। শনিবার (৮ আগস্ট) সোনার দাম ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়।
বাজুসের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন ও কারুকাজ অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে।
সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপ্যালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।
এর আগে গত ৭ আগস্ট সোনার দাম ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়েছিল বাজুস। তখন ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা। একই সময়ে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৮ টাকা।
বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১০০ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৯ বার দাম বাড়ানো, ৫০ বার কমানো এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।
এদিকে, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা দরে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৬১ বার সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৩১ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৩০ বার কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ১০ বার দাম বাড়ানো এবং ৩ বার কমানো হয়।