দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে সোনার এই নতুন দাম কার্যকর করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালঙ্কারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা।২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকা।সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা।এর আগে গত ৬ আগস্ট দেশের বাজারে ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়। একদিন পর ৭ আগস্ট নতুন দাম নির্ধারণ করে ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়।
১ মিনিট আগে
রাজধানীর বাজারে আবারও সয়াবিন তেলের সরবরাহে সংকট দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় ভোজ্যতেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন খুচরা বিক্রেতারা। একই সঙ্গে পোলাওয়ের চাল ও অধিকাংশ শাকসবজির দামও তুলনামূলক বেশি রয়েছে।রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, সয়াবিন তেলের সংকটের কারণে অনেক ক্রেতা বিকল্প হিসেবে সানফ্লাওয়ার ও রাইস ব্রান তেল কিনছেন। তবে এসব তেলের দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।বিক্রেতাদের অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে নানা কারণ দেখিয়ে কোম্পানিগুলো সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমিয়ে দেয়। এবার গ্যাস সংকটকে কারণ হিসেবে দেখানো হলেও সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে বলে দাবি তাদের। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে বাজারের অস্থিরতাও কমে আসবে বলে মনে করছেন তারা।এদিকে চালের বাজারে সাধারণ চালের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও গত এক মাসে পোলাওয়ের চালের দাম বেড়েছে। তবে চাল, ডাল, চিনি, আদা, রসুন ও পেঁয়াজের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি।সবজির বাজারেও ক্রেতাদের স্বস্তি নেই। কাঁচা পেঁপে ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজি কেজিপ্রতি ৮০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। গোল বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়।ডিমের দামও উচ্চপর্যায়ে রয়েছে। প্রতি ডজন মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। পাশাপাশি গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। তবে সোনালি মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।ক্রেতারা বলছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে সরবরাহ সংকট ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করা প্রয়োজন। বিশেষ করে ভোজ্যতেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
১ ঘন্টা আগে
দেশের বাজারে বড় ব্যবধানে সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।
২ দিন আগে
'জুলাই গণঅভ্যুত্থান' দিবস উপলক্ষে আজ (৫ আগস্ট) হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। তবে এই সময়ে আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের মাধ্যমে পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল করছে।হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমান জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে সরকার ছুটি ঘোষণা করায় দুই দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে আজ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আগামীকাল থেকে আবারও পণ্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হবে।এদিকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া জানান, বন্দরে আমদানি- রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ব্যবহার করে বৈধ ভিসা নিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীরা বাংলাদেশ ও ভারতে যাতায়াত করছেন। সপ্তাহের সাতদিনই পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকে।
২ দিন আগে