নারীসহ আটক ৫
মো: জাহাঙ্গীর আলম শায়েস্তানগরী, সেনবাগ
প্রকাশ : ৯ আগস্ট ২০২৬ বিকাল ০৩:৫৭:০৭
জামায়াত নেতার মেয়ের জামাইয়ের বাড়িতে অসামাজিক কর্মকান্ড
সেনবাগ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড বিন্নাগুনী মা মঞ্জিলে দেহব্যবসায় লিপ্ত তিন নারী ও দুই যুবককে স্হানীয় লোকজন আটক করেছে।
৬ আগষ্ট বৃহস্পতিবার রাত দুইটায় আটককৃতদের মা মঞ্জিলের মালিক শহিদুল ইসলামের হেফাজতে রাখেন এলাকাবাসী। শুক্রবার সকালে পুলিশে সোপর্দ করার শর্তে এলাকাবাসী যার যার গন্তব্যে চলে যান।
শনিবার সন্ধ্যায় স্হানীয় লোকজন অভিযোগ করেন মা মঞ্জিলের মালিক দেহ ব্যবসায় জড়িত ৫ জনকে থানায় সোপর্দ না করে গভীর রাতে তাদের কে পালিয়ে যাবার ব্যবস্হা করেন।
আজ শনিবার আটককৃত ৩ নারী ও দুই যুবকের একটি ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি জনসম্মুখে প্রকাশ পায়।
স্হানীয় বিন্নাগুনী গ্রামের বাসিন্দা জহির উদ্দিন গনমাধ্যমকে জানান,জামায়াত থেকে সেনবাগ পৌরসভায় সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হাজী বেলাল এর মেয়ের জামাই সহিদুল ইসলামের মা মঞ্জিলে দীর্ঘদিন ধরে দেহ ব্যবসা সহ অসামাজিক কর্মকান্ড চলে আসছে।দেহব্যবসার কারনে বিন্নাগুনি গ্রামের সুনাম ক্ষুন্ন হওয়ায় তিনি এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বিক্ষুব্দ এলাকাবাসী জানান, মা মঞ্জিলে এ রকম অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলার পিছনে ভবনের মালিক নিজেই দায়ী। স্হানীয় লোকজন কে টাকা দিয়ে দফারফা করার চেষ্টা চালিয়েছেন।
তথ্য সংগ্রহ করতে গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্হলে গেলে স্হানীয় একটি চিহ্নিত চক্র এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকদের বাঁধা প্রদান করেন। এক পর্যায়ে তারা সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানান।
মা মঞ্জিলের মালিক সহিদুল ইসলাম জানান, এলাকাবাসীর কতিপয় ব্যক্তি ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আমার নিকট দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন।
সূত্রজানায়, প্রভাবশালী একটি চক্রের ইশারায় আটককৃত তিন মহিলা ও দুই যুবকের নাম পরিচয় গোপন রেখে তাদেরকে পালিয়ে যেতে ব্যবস্হা নেন।
এব্যাপারে জামাত নেতা হাজী বেলালের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিক বার কলে দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
শনিবার রাত সাড়ে সাড়ে ১০ টায় সেনবাগ থানার ওসি আবদুর রহিম সরকার জানান, মা মঞ্জিলে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে ৫ জনকে আটকের বিষয়টি কেউ জানায়নি। এ পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।