অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অভিযান চালিয়ে ১৮৬ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। এদের মধ্যে ১১৮ জন বাংলাদেশি রয়েছে।শুক্রবার (১৯ জুন) মধ্যরাতের পর পুডু মার্কেটের কাছে একটি ভবনে পরিচালিত এইঅভিযানপরিচালনা করা হয়। হারিয়ান মেট্রোর বরাতে ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, ৩২০ বিদেশি নাগরিককে তল্লাশি করা হয়েছে। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া, বৈধ ভ্রমণ নথি বা পাস না থাকার সন্দেহে ১৮৬ জনকে আটক করা হয়েছে।আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১১৮ জন বাংলাদেশি পুরুষ রয়েছেন। এ ছাড়া ২৮ জন ইন্দোনেশীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে, যাদের মধ্যে সাতজন পুরুষ ও ২১ জন নারী।আটকদের মধ্যে আরো রয়েছেন ২৬ জন মিয়ানমারের নাগরিক, যার মধ্যে ১৩ জন পুরুষ ও ১৩ জন নারী। এ ছাড়া পাঁচজন ভিয়েতনামি, চারজন নেপালি, দুইজন ভারতীয়, দুইজন চীনা এবং একজন পাকিস্তানি নাগরিককে আটক করা হয়েছে।
৯ ঘন্টা আগে
আঞ্চলিক অস্থিরতায় নির্ধারিত সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ছাড়তে না পেরে বিপাকে পড়া হাজারো বিদেশির জন্য বড় স্বস্তির খবর এসেছে। ওভারস্টে জরিমানা ছাড়াই ভিসা ও আবাসিক অবস্থার বৈধতা নিশ্চিত করা কিংবা দেশ ত্যাগের সুযোগ দিয়ে ৩০ দিনের বিশেষ গ্রেস পিরিয়ড ঘোষণা করেছে ইউএই কর্তৃপক্ষ।এতে উপকৃত হবেন সেইসব প্রবাসী ও ভ্রমণকারীরা, যারা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে দেশ ছাড়তে পারেননি।আঞ্চলিক অস্থিরতার কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ছাড়তে না পারা বিদেশিদের জন্য ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড ঘোষণা করেছে দেশটির ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটি (আইসিপি)।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।আইসিপির ঘোষণায় বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ১০ জুন থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত এই বিশেষ সুবিধা কার্যকর থাকবে। এ সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জরিমানা ছাড়াই নিজেদের ভিসা বা আবাসিক অবস্থার বৈধতা নিশ্চিত করতে পারবেন অথবা দেশ ত্যাগ করতে পারবেন।এই সুবিধা তাদের জন্য প্রযোজ্য, যারা আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে ইউএই ছাড়তে না পারায় আগে ওভারস্টে জরিমানা থেকে অব্যাহতি পেয়েছিলেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অঞ্চলজুড়ে পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বৈধভাবে দেশটিতে বসবাস ও কাজের সুযোগ বজায় রাখতে কিংবা স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে যেতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।আইসিপি আরও বলেছে, এর আগে ওভারস্টে জরিমানা মওকুফের সিদ্ধান্ত ছিল জরুরি ও ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে ভ্রমণকারী এবং দর্শনার্থীদের সহায়তা করার মানবিক পদক্ষেপের অংশ।সংস্থাটির ভাষ্য, বর্তমানে অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় জরিমানা মওকুফের প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি আর বিদ্যমান নেই।
১ দিন আগে
ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর তুলুজে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য দুই দিনব্যাপী কনস্যুলার সেবা দিয়েছে প্যারিসের বাংলাদেশ দূতাবাস। স্থানীয় সংগঠন তুলুজ বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় গত ১৩ ও ১৪ জুন অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে ই-পাসপোর্ট সেবা পেয়েছেন চার শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি।বাংলাদেশ দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব কে এফ এম শারহাদ শাকিলের নেতৃত্বে দূতাবাসের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তুলুজ ও আশপাশের অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশিদের দীর্ঘদিনের চাহিদার আলোকে এই বিশেষ কনস্যুলার ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।দুই দিনব্যাপী সেবা কার্যক্রমে ৪০০-এর বেশি প্রবাসী ই-পাসপোর্ট সেবা গ্রহণ করেন। এছাড়া ১০০-এর বেশি ব্যক্তি নো ভিসা রিকোয়ার্ড (এনভিআর), জন্ম নিবন্ধন, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, ডকুমেন্ট অ্যাটেস্টেশন এবং ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড কার্ড-সংক্রান্ত সেবা গ্রহণ করেন।ক্যাম্পে সেবা নিতে আসা প্রবাসীরা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও অত্যন্ত কার্যকর বলে অভিহিত করেন। তুলুজের বাসিন্দা আবু শহীদ শরিফ বলেন, ‘পাসপোর্টের কাজের জন্য আগে প্যারিস যেতে হতো। এতে সময় ও অর্থ দুটোই বেশি ব্যয় হতো। এবার তুলুজেই সেবা পাওয়ায় আমরা অনেক উপকৃত হয়েছি।’আরেক সেবাগ্রহীতা আমিনা হোসেন বলেন, ‘দূতাবাসের কর্মকর্তারা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের প্রতি তাদের সহযোগিতামূলক মনোভাব আমাদের মুগ্ধ করেছে।’অনুষ্ঠান সম্পর্কে বাংলাদেশ দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব কে এফ এম শারহাদ শাকিল বলেন, ‘প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে সরকারি সেবা জটিলতামুক্ত ও সহজলভ্য করে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। যারা দূরবর্তী অঞ্চলে বসবাস করেন, তাদের কথা বিবেচনায় রেখেই আমরা নিয়মিতভাবে মোবাইল কনস্যুলার সেবার আয়োজন করছি। তুলুজে প্রবাসীদের ব্যাপক সাড়া আমাদের উৎসাহিত করেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে।’
৩ দিন আগে
মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যে পরিচালিত পৃথক অভিযানে ৩৯ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)।সোমবার (১৫ জুন) সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগের সদস্যরা বাতু কেভস এলাকার একটি নাইট মার্কেট (পাসার মালাম) এবং সেলায়াং বারুর একটি আবাসিক বাসস্থানে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিভিন্ন দেশের মোট ৩৯ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়।আটক ব্যক্তিদের মধ্যে মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।অভিবাসন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিদেশি নাগরিকদের বৈধ কাগজপত্র, ভিসার শর্ত লঙ্ঘন, অবৈধভাবে অবস্থান এবং অন্যান্য অভিবাসন আইন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যাচাই-বাছাইয়ের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন অনুযায়ী তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসী এবং অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, আইন প্রয়োগ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।মালয়েশিয়ায় বৈধ কর্মসংস্থান ও বসবাসের জন্য বিদেশি নাগরিকদের প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র ও বৈধ ভ্রমণ নথি সঙ্গে রাখার বিষয়ে নিয়মিত সতর্ক করে আসছে কর্তৃপক্ষ।
৪ দিন আগে