পদত্যাগ করেছেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘুরেফিরে বিএনপির সিনিয়র তিন নেতার নাম আলোচনায় এসেছে।রাজনৈতিক সূত্রগুলোর দাবি, বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ড. আবদুল মঈন খানের নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিভিন্ন মহলে আলোচিত হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি পদে কে যোগ্য ব্যক্তি? তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের আইন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।তার মতে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ পদে যোগ্য ব্যক্তি। শেখ হাসিনার দুঃশাসনকালে তিনি মহাসচিব হিসেবে দলের হাল ধরেছেন, বহুভাবে নির্যাতিত হয়েছেন এবং অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। রাজনীতিবিদদের মধ্যে তিনি মডারেট, সদাচারী ও সুবক্তা হিসেবে অগ্রগণ্য।আসিফ নজরুল আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ বোঝাপড়ার সম্পর্ক রয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার কাছে তিনি ছিলেন সন্তানসম একজন। বিএনপিতে উপযুক্ত আরও কেউ কেউ আছেন। উল্লেখ্য, গুরুতর স্বাস্থ্যগত কারণে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। শুক্রবার বিকালে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এর আগে মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।পদত্যাগপত্রে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানিং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনমিক নিউরোপ্যাথি নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এ রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই। রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন। এ অবস্থায়, সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ করছি।
১ দিন আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।সাবেক এই মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মুকসেদুর রহমান আবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় রফিকুল ইসলাম মিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা তার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।এর আগে, হঠাৎ অসুস্থবোধ করলে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
২ দিন আগে
বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে সাবেক এক ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার চালিতাবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত আতিকুর রহমান সাগর মন্ডল (২৬) সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের পাঁচবারিয়া গ্রামের শাহাদাত মন্ডলের ছেলে ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ছিলেন।নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের পর স্ত্রী মারজিয়া খাতুনকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি চালিতাবাড়ি এলাকায় বসবাস করতেন সাগর মণ্ডল। বুধবার রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘরে খাবার খাচ্ছিলেন। এ সময় সাগর বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে ছিলেন।হঠাৎ বাইরে হইচই শুনে তার স্ত্রী মারজিয়া খাতুন ঘর থেকে বের হন। তখন সাগরের চাচাতো ভাই জুলহাসসহ ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল টিনের গেট ভেঙে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে সাগরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।একপর্যায়ে সাগর দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে রাস্তায় পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।নিহতের স্ত্রী মারজিয়া খাতুন বলেন, স্বামীকে বাঁচাতে আমি চিৎকার শুরু করলে দুর্বৃত্তরা আমাকেও হুমকি দেয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় সাগরকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সময়ও দুর্বৃত্তরা মানিকচকের শাওনের বাড়ির দিকে আমাদের পিছু নেয় এবং ভয়ভীতি দেখায়। পরে প্রতিবেশীর বাড়ির গলি থেকে সাগরকে উদ্ধার করা হলেও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। নিহতের মা সাজেদা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে খুব নির্মমভাবে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। আহত অবস্থায় আমার ছেলে পানির জন্য ছটফট করলেও খুনিরা তাকে একফোঁটা পানিও দেয়নি। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার ছেলে হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম গণমাধ্যমকে বলেন, রাতেই ঘটনাটি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে সাগর মন্ডলকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শাপলা নামে এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, নিহত সাগর মন্ডলের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।
২ দিন আগে
সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী হলেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। শনিবার (১৯ জুলাই) তাকে নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।রোববার (১৯ জুলাই) তার নিজস্ব ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি জানান রাশেদ খাঁন নিজেই। পোস্টে তিনি প্রজ্ঞাপনের একটি ছবিও শেয়ার করেন।ওই পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে তার সহকারী ( রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ দিয়েছেন। অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশের জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিমূর্তি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্যারকে।তিনি ওই পোস্টে আরও লেখেন, আমি যেন আস্থা ও বিশ্বাসের সঙ্গে আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারি, এজন্য সবার দোয়া ও ভালবাসা চাই। নতুন জীবনের এই পথচলায় সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।
৫ দিন আগে