১০ ধরনের টিকার নতুন চালান দেশে পৌঁছেছে। রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন নিজে উপস্থিত থেকে টিকার এই চালান গ্রহণ করেন। আজ বুধবার (৬ মে) বেলা পৌনে ১২টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশে হাম-রুবেলা ও ওরাল পোলিওসহ ১০ ধরনের টিকার এই নতুন চালান পৌঁছায়। এই টিকা চলমান নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির সংকট নিরসনে কাজ করবে। সম্প্রতি হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় এই চালানটি জরুরি ভিত্তিতে আনা হয়েছে। এছাড়াও নিয়মিত স্টকের টিকাগুলো 'জরুরি ক্যাম্পেইনে' ব্যবহার করায় টিকার সংকট তৈরি হয়।
২ ঘন্টা আগে
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩০২ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪১ হাজার ৭৯৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৫৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা পাঁচ হাজার ৪৬৭ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮ হাজার ৮৪২ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৫ হাজার ১৫১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে, এবং ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
১ দিন আগে
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা) আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছিল, আর বাকি ৯ জনের মধ্যে ছিল হামের উপসর্গ। রোববার (৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। একই সময়ে সারা দেশে আরও ১ হাজার ১৬৬ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। মৃতদের মধ্যে হাম শনাক্ত হওয়া শিশুটি ঢাকায় মারা গেছে। আর উপসর্গে বরিশালে ২, চট্টগ্রামে ১, ঢাকায় ৪, খুলনায় ১ এবং সিলেটে ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হামের উপসর্গে ২৪৪ এবং হাম শনাক্ত হওয়ার পর ৫০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ২৯৪ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ের মধ্যে ৪০ হাজার ৪৯১ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এর মধ্যে ২৭ হাজার ৮১৬ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং চিকিৎসা শেষে ২৪ হাজার ৯০ শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এছাড়া এ সময়ে ৫ হাজার ৩১৩ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
২ দিন আগে
হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা) দেশে আরও চার শিশু মারা গেছে। সবাই ঢাকায় মারা গেছে। এ সময়ে সারা দেশে আরও ১ হাজার ২৪ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৭২ শিশু। আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ২৩৫ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৪৯ শিশু। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৩৯ হাজার ৩২৫ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৬ হাজার ৯১১ শিশু। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ২৩ হাজার ২২৫ শিশু বাড়ি ফিরেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে ৫ হাজার ২১৮ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
৩ দিন আগে