ঢাকা টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬ সকাল ১১:৪৯:৫০
জুতা পরে তওয়াফ ও সাঈ করা জায়েজ
হজ ও ওমরা পালনের সময় দীর্ঘ পথ হাঁটা এবং কাবার চত্বরে (মাতাফ) তওয়াফ ও সাফা-মারওয়া পাহাড়ে সাঈ করার সময় অনেক হাজি পায়ের ব্যথায় ভোগেন। বিশেষ করে বয়স্ক বা অসুস্থদের জন্য খালি পায়ে হাঁটা অনেক সময় কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায়, জুতা বা স্যান্ডেল ব্যবহারের বিধান নিয়ে শরিয়তের দিকনির্দেশনা এবং মসজিদের আদব রক্ষা- উভয় বিষয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ নিচে তুলে ধরা হলো।
বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ব্যবস্থাপনা
আদিকাল থেকেই মাতাফ বা তওয়াফের স্থান মসজিদে হারামের মূল অংশ হিসেবে গণ্য। বর্তমানে সাফা-মারওয়া পাহাড়ও মসজিদুল হারামের সীমানার ভেতরে অবস্থিত। বর্তমান সময়ে মসজিদের আধুনিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার স্বার্থে সাধারণভাবে জুতা খুলে প্রবেশ করাই প্রচলিত এবং অধিক উপযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে শরিয়তের মূল বিধান এবং বিশেষ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে আলেমদের সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে।
জুতা পরে ইবাদতের মূল বিধান
শরিয়তের মূলনীতি অনুযায়ী, জুতা যদি নাপাকি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত ও পবিত্র থাকে, তা পরে ইবাদত করা মূলত জায়েজ। রসুলুল্লাহ (সে.) নিজে জুতা পরে নামাজ পড়েছেন বলে সহিহ হাদিসে প্রমাণিত। (সহিহ শব ৩৮৬ বুখারি : অন্য এক হাদিসে )। (রসুলুল্লাহ.) বলেছেন, ‘তোমরা ইহুদিদের বিপরীত কর। তারা জুতা এবং মোজা পরে সালাত আদায় করে না।’ (সুনানে আবু সে ৬৫২ দাউদ : তওয়াফের বিষয়ে )। (রসুলুল্লাহ.) বলেছেন, ‘বায়তুল্লাহর তওয়াফ হলো নামাজের সে তবে তওয়াফে তোমরা কথা বলতে পারো।’ (তো, ৯৬০ তিরমিজি : এসব দলিল থেকে আলেমরা বলেছেন, জুতা পবিত্র থাকলে তা পরে তওয়াফ করাও মূলত জায়েজ।