দক্ষিণী সুপারস্টার যশের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’ নিয়ে দর্শকদের উন্মাদনার শেষ নেই। মুক্তির অপেক্ষায় থাকা এই মেগা অ্যাকশন সিনেমাটির ট্রেলারে রীতিমতো ঝড় উঠেছে। ৪ মিনিট ৩২ সেকেন্ডের ট্রেলারে ‘রকিভাই’খ্যাত কন্নড় মেগাতারকা যশ যেন তাণ্ডব মাতালেন।কন্নড় সিনেমার গ্লোবাল আইকন যশ পর্দায় ফিরছেন এক চরম রুদ্ররূপ ও ভয়ংকর অবতারে। ৮ আগস্ট প্রকাশিত হলো তার বহুল প্রতীক্ষিত নতুন থ্রিলারটির অফিসিয়াল ট্রেলার। ট্রেলারটি প্রকাশ্যে আসার পরপরই শোরগোল পড়ে যায়। ২৪ ঘণ্টা না পেরোলেও এরই মধ্যে প্রায় দেড় কোটি মানুষ ট্রেলারটি দেখেছেন।গীতু মোহনদাসের পরিচালনায় নির্মিত সিনেমাটি আগামী ২৬ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। ট্রেলারটি শুরু হয় এক অনিয়ন্ত্রিত তাণ্ডব দিয়ে, যেখানে ভয়াবহ গ্যাংস্টার ড্রামা, জটিল সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে যশের দ্বৈত অবতার দর্শকদের স্তব্ধ করে দেয়।ট্রেলারে যশকে দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন চরিত্রে দেখা যায়। ট্রেলারে একটিতে লম্বা চুল এবং অন্যটিতে ধারালো দাড়ি ও ছোট চুলে দুই ভাইয়ের ভূমিকায় দেখা যায় তাকে। সম্পূর্ণ ভিন্ন আদর্শের এই দুই ভাই রক্তক্ষয়ী এক সংঘাতের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। যশের এই নতুন অবতার তার আগের সব অন-স্ক্রিন চরিত্রকে ছাপিয়ে যাবে বলে ভক্তদের অনুমান, যা সিনেমার উত্তেজনা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।ছবিটিতে সার্কাস শিল্পীর ভূমিকায় কিয়ারা আদভানির উপস্থিতি গল্পে রোমান্সের স্বাদ আনে, তবে সেই প্রেম মোটেও স্বাভাবিক নয়। পাশাপাশি নায়কের জীবনে আসা অন্যান্য নারীদের সঙ্গে তার সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল ও বিপজ্জনক।ট্রেলারে কেবল একগুচ্ছ তারকা নয়, বরং সাজানো হয়েছে রহস্যের এক অদ্ভুত মায়াজাল। নয়নতারা, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়া ও রুক্মিণী বসন্তের সংক্ষিপ্ত কিন্তু রহস্যময় উপস্থিতি পুরো কাস্টিংকে করেছে দারুণ জমকালো।‘কেজিএফ: চ্যাপ্টার ২’-এর অভাবনীয় সাফল্যের পর এটিই তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি। তা ছাড়া চলতি বছরের নভেম্বরে মুক্তি পেতে যাওয়া নীতীশ তিওয়ারির পৌরাণিক প্রজেক্ট ‘রামায়ণ’-এ রাবণ হিসেবে দেখা যাবে তাকে, যেখানে রামের ভূমিকায় রণবীর কাপুর এবং সীতার চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাই পল্লবী।
৩০ মিনিট আগে
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এবং তামিলাগা ভেত্রি কাঝাগম (টিভিকে) প্রধান সি. জোসেফ বিজয়ের সঙ্গে তার স্ত্রী সঙ্গীতা সর্নালিঙ্গম বিবাহবিচ্ছেদের মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।শুক্রবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে হাজির হয়ে তিনি মামলা প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক কারণ জানান। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই পারিবারিক আইনি বিরোধের অবসান ঘটল।মামলার প্রেক্ষাপট ও আইনি প্রক্রিয়া:এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সঙ্গীতা তামিলনাড়ুর চেঙ্গালপাট্টুর একটি পরিবার আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন। আবেদনে তিনি দাম্পত্য জীবনের মতপার্থক্যের কথা উল্লেখ করে সম্পর্কের অবসান, স্থায়ী ভরণপোষণ এবং চেন্নাইয়ের নীলাঙ্কারাইয়ে বৈবাহিক বাড়িতে বসবাস অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছিলেন। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি-এর তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ জুন ও পরবর্তী শুনানিতে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত না হতে পারলেও সঙ্গীতা মামলা প্রত্যাহারের ইচ্ছার কথা জানান। অবশেষে শুক্রবার আদালতের আদেশের মাধ্যমে মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিষ্পত্তি করা হয়।দীর্ঘ তিন দশকের সম্পর্ক ও রাজনৈতিক পটভূমি:১৯৯৯ সালের ২৫ আগস্ট চেন্নাইয়ে ঐতিহ্যবাহী হিন্দু রীতিতে বিজয় ও সঙ্গীতার আন্তঃধর্মীয় বিয়ে হয়। তাদের ঘরে ২০০০ সালে এক পুত্রসন্তান এবং ২০০৫ সালে এক কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ এবং ২০২৫ সালের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সঙ্গীতার অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে তাদের দাম্পত্য কলহ নিয়ে জল্পনা জোরালো হয়েছিল। সম্প্রতি তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে টিভিকে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থনে জোটে সরকার গঠন করে।
১ দিন আগে
বাংলাদেশের সংগীতপ্রেমীদের মন মাতাতে আবারও ঢাকায় এসেছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় গায়ক আতিফ আসলাম। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে একটি সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন তিনি। সেখানে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন জনপ্রিয় এ গায়ক।সংবাদ সম্মেলনে এক সংবাদকর্মী আতিফ আসলামের কাছে জানতে চান, বাংলাদেশের খাবার তার কেমন লাগে? কোন খাবার বেশি প্রিয়? জবাবে গায়ক বলেন, ‘খিচুড়ি। আর আপনাদের একটা চা আছে, সেটা খুবই মজা। এছাড়া আপনাদের বিরিয়ানিরও তুলনা হয় না।’ আতিফ আসলাম বলেন, ‘আমি পৃথিবীর যেখানেই যাই, বাংলাদেশের খাবারের প্রশংসা করি। যখনই আমাকে মানুষ জিজ্ঞেস করে, চাইনিজ, থাই এসব খাবার প্রিয় কিনা? আমি সোজা বলে দিই, একবার আপনারা বাংলাদেশ গিয়ে সেখানকার খাবার খেয়ে দেখুন। তারপর আমাকে বলুন।’ বহু বছর আগে একটি সংগীত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লার সঙ্গে অংশ নেন আতিফ। সে প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে আতিফ বলেন, রুনা লায়লা ম্যামের সঙ্গে একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলাম। আমরা দুজনেই বিচারকের আসনে ছিলাম। তো, প্রসঙ্গক্রমে তিনি গান ধরেন ‘ও লাল মেরি’, খুবই জনপ্রিয় গান। অবশ্যই তিনি অসাধারণ শিল্পী, একজন কিংবদন্তি। তার সঙ্গে কাজ করতে পেরে দারুণ লেগেছে। পাকিস্তানের মানুষ আতিফের বাংলাদেশে কোনো আত্মীয় রয়েছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আপনারা সবাই আমার আত্মীয়। আমার কাছে পরিবারের মতোই। তবে হ্যাঁ, আক্ষরিক অর্থে বলতে গেলে এখানে কাজের সুবাদেই টুকটাক পরিচয়। এর বেশি কিছু নেই।’শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে ঢাকার মাদানি এভিনিউর কোর্টসাইডে হবে আতিফ আসলামের কনসার্ট। এতে তিনি ছাড়াও গান পরিবেশনা করবে বাংলাদেশের ব্যান্ড ‘মেঘদল’ ও ‘লেভেল ফাইভ’।
২ সপ্তাহ আগে
দিল্লিতে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। সম্প্রতি এক পোস্টে ভারত সরকারের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানান তিনি। পোস্টটি প্রকাশের পর নেটিজেনদের একাংশ অভিযোগ করেন, নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী কথা বলেছেন প্রীতি। সমালোচনার মুখে চুপ থাকার পাত্রী নন অভিনেত্রী। সমালোচকদের কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছেন এই তারকা।প্রীতি তাঁর পোস্টে লেখেন, ‘শিক্ষার্থীদের সমর্থন করা এবং শিক্ষার সংস্কার দাবি করা অত্যন্ত জরুরি, যা তরুণদের ভবিষ্যতের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন যেন কোনো দেশবিরোধী গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে, সেদিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।’শিক্ষার্থীদের ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘অনলাইনে এত ঘৃণা ও বিভাজন দেখে আমার মনে প্রশ্ন জাগছে— দেশের ভেতরের ও বাইরের কিছু অপশক্তি কি আমাদের শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ও হতাশাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে কাজ করা শুরু করেছে?’সরকারের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রীতি লেখেন, ‘আমি সবসময় কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাস করি। পাশাপাশি আমাদের গণতন্ত্র, আইনশৃঙ্খলা এবং সরকারের ওপর আস্থা রাখি। তাই আন্তরিকভাবে আশা করি, উভয় পক্ষ অর্থপূর্ণ ও গঠনমূলক আলোচনায় বসবে। আন্দোলনের মাধ্যমে যেকোনো ধরনের অপশক্তিকে ছেঁটে ফেলতে হবে, যাতে আমাদের যুবসমাজ ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হয়। জয় হিন্দ।’পোস্টটি প্রকাশের পর মন্তব্যের ঘরে ক্ষোভ উগরে দেন নেটিজেনরা। একজন লেখেন, ‘বিজেপির কাছ থেকে কি স্ক্রিপ্ট পেয়েছেন?’ জবাবে কড়া ভাষায় প্রীতি লেখেন, ‘না। আমি আমার স্ক্রিপ্ট নিজেই লিখি। আপনার মন্তব্যে আমি মজা পেতে পারতাম, কিন্তু আপনি তো বানানটাই ঠিকমতো লিখতে পারেননি! তাই আপনি চুপ থাকুন।’অন্য একজন লেখেন, ‘স্ক্রিপ্ট পেয়ে গেছেন?’ পাল্টা জবাবে প্রীতি বলেন, ‘স্ক্রিপ্ট চলচ্চিত্রে পাওয়া যায়, বাস্তব জীবনে নয়! এটা আপনার তথ্যের জন্য জানিয়ে রাখলাম।’দীর্ঘদিন পর শিগগির বড়পর্দায় ফিরছেন প্রীতি। সানি দেওল ও শাবানা আজমির সঙ্গে ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ সিনেমার মাধ্যমে প্রত্যাবর্তন করবেন তিনি।
২ সপ্তাহ আগে