চলছে বর্ষার মৌসুম। আর বর্ষার শুরুতেই বাড়িতে মশার উপদ্রব বহুগুণ বেড়ে গেছে। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া কিংবা চিকুনগুনিয়ার মতো মারাত্মক মশাবাহিত রোগের ভয়ে আমরা অনেকেই বাজারচলতি কেমিক্যালযুক্ত স্প্রে, লিকুইড বা মশারি কয়েল ব্যবহার করে থাকি। তবে এসব কয়েল বা কেমিক্যাল স্প্রে থেকে নির্গত ধোঁয়া আমাদের ফুসফুসের জন্য অত্যন্ত মারাত্মক ক্ষতিকর, যা শ্বাসকষ্ট, অ্যালার্জি কিংবা হাঁপানির মতো শারীরিক সমস্যা ডেকে আনতে পারে। মশাবাহিত রোগের হাত থেকে পরিবারকে বাঁচাতে ক্ষতিকর কেমিক্যাল কয়েলের মোহ ত্যাগ করে আজই বেছে নিন রান্নাঘরের সহজ উপাদান রসুন। প্রকৃতির এই সহজ টোটকায় আপনার ঘর থাকবে সতেজ, স্বাস্থ্যকর ও পুরোপুরি মশামুক্ত।কিন্তু আপনি কি জানেন? আমাদের রান্নাঘরের অতিপরিচিত একটি মসলা দিয়েই কোনো প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই মশা চিরতরে বিদায় করা সম্ভব? সেটি হলো— রসুন। হাজার বছর ধরে আয়ুর্বেদে রসুনকে বিভিন্ন পোকামাকড় ও মশা তাড়ানোর প্রাকৃতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। রসুনে থাকা বিশেষ সালফার যৌগ এবং এর তীব্র গন্ধ মশার স্নায়ুতন্ত্রে প্রভাব ফেলে, যার ফলে মশা নিমেষে ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়।জেনে নিন কোনো প্রকার কেমিক্যাল ছাড়াই রসুন ব্যবহার করে ঘরকে মশা মুক্ত রাখার কয়েকটি সহজ ঘরোয়া উপায়—১. রসুন মশা তাড়াতে কেন এত কার্যকরী?রসুনের মধ্যে 'অ্যালিসিন' নামক একটি শক্তিশালী সালফারযুক্ত উপাদান থাকে। এই অ্যালিসিনের তীব্র ও ঝাঁজালো গন্ধ মানুষের নাকে সহনীয় হলেও মশা কিংবা অন্যান্য উড়ন্ত পতঙ্গের সংবেদনশীল একেবারেই সহ্য করতে পারে না।মশা মানুষের শরীরের ঘাম ও কার্বন ডাই অক্সাইডের গন্ধ শুঁকে রক্ত চুষতে আসে। কিন্তু রসুনের ঝাঁঝালো বাষ্প বাতাসে ছড়িয়ে পড়লে মশা তার শিকার খোঁজার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং ঘরের কাছাকাছি আসতে ভয় পায়।২. প্রাকৃতিক স্প্রে রসুনের হোমমেড১০-১২ কোয়া রসুন খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে থেঁতলিয়ে নিন। এরপর ১ কাপ পানিতে সেই রসুন সেদ্ধ করে নিন মিনিট পাঁচেক। পানি ঠান্ডা হলে ছেঁকে একটি স্প্রে বোতলে ভরে নিন। এরপর ঘরের কোণে, পর্দা, জানালার ফাঁকে, খাটের নিচে বা বারান্দায় এই পানি স্প্রে করুন। রসুনের প্রাকৃতিক বাষ্পে ঘরের সব মশা সঙ্গে সঙ্গে পালিয়ে যাবে। মশা তাড়াতে রসুন ও নারিকেল তেলের বডি লোশন ব্যবহার করুন। ২ চামচ রসুনের রসের সঙ্গে ৩ চামচ বিশুদ্ধ নারিকেল তেল কিংবা নিম তেল ভালো করে মিশিয়ে নিন। সন্ধ্যায় ঘরে বা বাইরে বেরোনোর সময় হাত-পায়ে হালকা করে মেখে নিন। রসুনের গন্ধের কারণে মশা আপনার কাছাকাছি ঘেঁষতে পারবে না। এই তেল সম্পূর্ণ নিরাপদ ও ত্বকের জন্য উপকারী।রসুন ও লবঙ্গের ধূপ দিয়ে মশা তাড়ানোর যায়। কয়েকটি রসুনের কোয়া খোসাসহ থেঁতলিয়ে একটি ছোট বাটিতে রাখুন। এরপর ৫-৬টি আস্ত লবঙ্গ ও কয়েক ফোঁটা কর্পূরের তেল বা সরষের তেল দিন।এরপর ঘরের কোণে বা জানালার কাছে এ বাটিটি রেখে দিন। লবঙ্গ ও রসুনের সম্মিলিত ঝাঁজালো গন্ধে ঘরে মশা ঢুকতেই পারবে না।আবার রসুন সেদ্ধ বাষ্পীয় পদ্ধতি ব্যবহার করুন। সন্ধ্যার সময় যখন ঘরে মশার উপদ্রব সবচেয়ে বেশি হয়, তখন একটি পাত্রে জল ও এক মুঠো থেঁতো করা রসুন দিয়ে ফুটিয়ে নিন। ফুটন্ত পানির বাষ্প পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়তে দিন। রসুনের এই ভাপ ঘরের বাতাস থেকে মশাকে নিমেষে তাড়িয়ে দেবে।আর সহজ উপায়ে মশা আটকানো বা প্রতিরোধ করতে রসুনের কোয়া মাঝখান থেকে কেটে জানালার গ্রিলে বা দরজার পাশে রেখে দিন। রসুনের কাটা অংশের তীব্র তাজা গন্ধ বাইরের মশাকে ভেতরে প্রবেশ করতে বাধা দেয়।শিশু ও বয়স্কদের জন্য মশা তাড়ানোর নিরাপদ স্থান। ঘরে ছোট শিশু কিংবা হাঁপানির রোগী থাকলেও রসুনের স্প্রে ব্যবহারে কোনো শ্বাসকষ্ট বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নাই।
৩৭ মিনিট আগে
গলা চুলকানোর ভয়ে অনেকেই ওল কচু খেতে চান না। তবে সঠিকভাবে রান্না করলে এই পরিচিত কন্দজাতীয় সবজি শরীরের জন্য নানা উপকারে আসতে পারে। হজমের সমস্যা থেকে শুরু করে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ—ওল কচুর রয়েছে নানা গুণ।বাঙালির খাদ্যতালিকায় পরিচিত একটি সবজি হলো ওল কচু। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই খাবারটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি শরীর সুস্থ রাখতেও নানা ভাবে সাহায্য করতে পারে। গলায় অস্বস্তির কারণে অনেকেই এটি এড়িয়ে চললেও সঠিক নিয়মে রান্না করলে সেই সমস্যা কমানো সম্ভব।বিশেষ করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ওল কচু উপকারী হতে পারে বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া রয়েছে আরও কয়েকটি উপকার।হজমে সাহায্য করেওল কচুতে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য আঁশ রয়েছে। এটি হজমে সাহায্য করে এবং পরিপাকতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও কমাতে সহায়ক হতে পারে এই সবজি।অর্শের অস্বস্তি কমাতে পারেকোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমলে অর্শের অস্বস্তিও কমতে পারে। ওল কচু খেলে মল নরম হতে সাহায্য করে, ফলে অর্শের যন্ত্রণা ও অস্বস্তি থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে।হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সহায়কওল কচুতে থাকা উপকারী চর্বিজাতীয় উপাদান ও রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। এ ছাড়া এতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে।ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে উপকারীওল কচুর শর্করা বৃদ্ধির সূচক তুলনামূলক কম। এতে থাকা কিছু পুষ্টি উপাদান শরীরে ইনসুলিন উৎপাদনে সাহায্য করতে পারে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা সহজে বাড়ে না। এ কারণে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ওল কচু উপকারী হতে পারে।বাড়াতে পারে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাওল কচুতে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ছয় এবং তামা। এসব উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে থাকা প্রদাহনাশক উপাদান শরীরের প্রদাহ কমাতেও ভূমিকা রাখতে পারে।গলা চুলকানো এড়াতে যা করবেনওল কচুতে থাকা ক্যালসিয়াম অক্সালেটের কারণে অনেকের গলায় চুলকানি বা অস্বস্তি হতে পারে। তবে রান্নার সময় লেবুর রস বা তেঁতুল ব্যবহার করলে এবং ভালোভাবে সেদ্ধ করে রান্না করলে এই সমস্যা কমানো সম্ভব।
১৯ ঘন্টা আগে
বর্ষার স্নিগ্ধ হাওয়ায় দুলছে সবুজ পাটক্ষেত। কুমার নদের জলে চলছে পাট ধোয়ার ব্যস্ততা। কৃষকের ঘামে জন্ম নেওয়া সেই ‘সোনালি আঁশ’ এবার যেন নতুন করে ফিরিয়ে দিচ্ছে আশার আলো। ভালো ফলন, অনুকূল আবহাওয়া এবং সন্তোষজনক বাজারদামে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার পাটচাষিদের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ মৌসুমে শৈলকুপা উপজেলায় প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষি বিভাগের নিয়মিত তদারকির ফলে এবার ফলনও সন্তোষজনক হয়েছে। প্রতি হেক্টরে গড়ে প্রায় ২.৯ টন পাট উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। সে হিসেবে চলতি মৌসুমে উপজেলাজুড়ে মোট প্রায় ২৫ হাজার টন পাট উৎপাদনের আশা করছে কৃষি বিভাগ।ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে নতুন পাট উঠতে শুরু করেছে। মানভেদে বর্তমানে প্রতি মণ পাট তিন হাজার আটশ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। উৎপাদন খরচের তুলনায় ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে সন্তুষ্টি দেখা দিয়েছে।উপজেলার পৌরসভার উত্তর পাড়ার কৃষক আনছার আলী বলেন, গত বছর পাটে ভালো লাভ হয়েছিল, তাই এবার আবাদ বাড়িয়েছি। ফলনও ভালো হয়েছে। বাজারে যদি এই দাম থাকে, তাহলে খরচ উঠে ভালো লাভ হবে। পাটই এখন আমাদের সবচেয়ে ভরসার অর্থকরী ফসল।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান বলেন, চলতি মৌসুমে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত মাঠে গিয়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দিয়েছেন। এক সময় পাটে পোকার আক্রমণের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। তবে কৃষকরা আমাদের দেওয়া গাইডলাইন অনুসরণ করায় সেই বালাই থেকে ফসল রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।বর্তমানে আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছি, পাট জাগ দেওয়ার সময় জাগের ওপর পলিথিন বা উপযুক্ত আবরণ ব্যবহার করতে। এতে পাট সমানভাবে পচবে, জাগের ওপর চাপা দেওয়া মাটি, সরাসরি পাটের গায়ে লাগবে না, এতে আঁশের গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে এবং রং হবে আরও উজ্জ্বল সোনালি। এ বছর সময়মতো পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই পাটের আঁশের মান ও রং আরও ভালো হয়েছে। কৃষকরা যদি ন্যায্যমূল্য পান, তাহলে আগামী বছর পাটের আবাদ আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্বজুড়ে পরিবেশবান্ধব প্রাকৃতিক আঁশ হিসেবে পাটের চাহিদা বাড়ছে। উৎপাদনের পাশাপাশি সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে ‘সোনালি আঁশ’ আবারও গ্রামীণ অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে।
২১ ঘন্টা আগে
বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ও বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ড শাওমি বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নতুন স্মার্টফোন রেডমি ১৭ উন্মোচন করেছে। ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনীয় মুহূর্তে নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে ডিভাইসটি তৈরি করা হয়েছে। ডিভাইসে ৭,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ব্যাটারি ও কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭আই ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাটারি সহনশীলতা ও স্থায়িত্বকে আরও সমৃদ্ধ করবে। এছাড়াও, স্মার্টফোনে প্রিমিয়াম লুক দেওয়ার জন্য ডায়নামিক আরজিবি লাইট ব্যবহার করা হয়েছে।প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনের সাথে তালমিলিয়ে চলতে, রেডমি ১৭-এ ৭,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ও এই সেগমেন্টের শক্তিশালী ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের নির্বিঘ্নে ভিডিও স্ট্রিম, অনলাইন ক্লাস ও গেমিংয়ের সুবিধা নিশ্চিত করবে। একইসাথে, ডিভাইসটি একবার ফুল চার্জে ব্যবহারকারীদের দুই দিনেরও বেশি সময় পর্যন্ত কানেক্টেড রাখতে সক্ষম হবে। এছাড়াও, স্মার্টফোনটিতে ৪৫ ওয়াট টার্বো চার্জিংয়ের সুবিধা রয়েছে, যা ৪৫ মিনিটে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ সম্পন্ন করে। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের সময় বাঁচার পাশাপাশি, তারা ঘন ঘন চার্জিংয়ের দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।রেডমি ১৭-এ ৬.৯ ইঞ্চির ডিসপ্লের পাশাপাশি, ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট ব্যবহার করা হয়েছে, যা স্ক্রলিং, ব্রাউজিং ও বিনোদনের ক্ষেত্রে অনবদ্য ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। প্রতিদিনের অনাকাঙ্ক্ষিত স্ক্র্যাচ ও ড্রপ থেকে ফোনকে সুরক্ষিত রাখতে এর ডিসপ্লেতে শক্তিশালী কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭আই ব্যবহার করা হয়েছে।স্মার্টফোনে শক্তিশালী মিডিয়াটেক হেলিও জি৯১-আলট্রা প্রসেসর ও শাওমি হাইপারওএস ৩ ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রতিদিনের ব্যবহার, বিনোদন ও মাল্টিটাস্কিংয়ে চার বছর পর্যন্ত স্মুথ ও নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, রেডমি ১৭-এ ৫০ মেগাপিক্সেল এআই ডুয়েল ক্যামেরা সিস্টেম রয়েছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা প্রতিদিনের অর্থবহ মুহূর্তগুলো ধারণ করতে পারবেন। এছাড়াও, ডিভাইসকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলতে এতে আইপি৬৪ ডাস্ট অ্যান্ড স্প্ল্যাশ রেজিজট্যান্স রেটিং ব্যবহার করা হয়েছে।এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “বর্তমান প্রজন্মের ব্যবহারকারীদের জন্য একটি শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে রেডমি ১৭ তৈরি করা হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ, কর্নিং গরিলা গ্লাস প্রোটেকশন, ফাস্ট চার্জিং, টেকসই ফিচার, নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী পারফরম্যান্স এবং প্রিমিয়াম ডিজাইনের সমন্বয়ে এই ডিভাইস তৈরি করা হয়েছে; যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এখনকার দ্রুততম লাইফস্টাইলের সাথে তালমিলিয়ে চলতে পারবেন; এবং একইসাথে, কোনোপ্রকার ছাড় না দিয়েও প্রতিদিনের কাজ আত্মবিশ্বাসের সাথে সম্পন্ন করতে পারবেন।”ওক গ্রিন, ডিপ ব্লু, ও ব্ল্যাক, এই তিনটি অনন্য রঙে পাওয়া যাচ্ছে রেডমি ১৭। ডিভাইসটি ৪ জিবি + ১২৮ জিবি ও ৬ জিবি + ১২৮ জিবি, দুইটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে, যার দাম ২২, ৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য) ও ২৪,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য) টাকা মাত্র।অনবদ্য ব্যাটারি সক্ষমতা, ফাস্ট চার্জিং, নির্ভরযোগ্য স্থায়িত্ব ও প্রতিদিনের স্মুথ পারফরম্যান্সের নিশ্চিত করতে তৈরি রেডমি ১৭ এখন দেশজুড়ে সকল শাওমি অথোরাইজড স্টোর ও রিটেইল পার্টনারদের কাছে পাওয়া যাচ্ছে।আরও বিস্তারিত জানতে https://www.mi.com/bd/ ভিজিট করুন বা শাওমি বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/XiaomiBangladesh ফলো করুন।
২ দিন আগে