রাজধানীর রমনা থানার মৌচাক এলাকার আনারকলি মার্কেটের সামনের একটি গলিতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন তালুকদার (৫৭) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি রমনা থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ছিলেন।সোমবার (৮ জুন) রাত আনুমানিক রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।নিহতকে হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. মোবারক হোসেন আকাশ জানান, রাত ৮টার দিকে রমনা মৌচাক আনারকলি মার্কেটের সামনে রমনা থানার যুবদলের লুৎফুরের নেতৃত্বে অজ্ঞাত ১০–১২ জন ব্যক্তি তাকে বুকের ডান পাশে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।তিনি আরও জানান, নিহত বিল্লাল হোসেন মালিবাগের বাগানবাড়ি এলাকার ৫১২ নম্বর বাসার মৃত ইউসুফ তালুকদারের সন্তান। তিনি পেশায় ইট-বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মোহাম্মদ ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপির রমনা বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মাজাহার বলেন, সালিশকে কেন্দ্র করে বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। তাদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে।জানা গেছে, বিল্লাল হোসেন তালুকদার রমনা থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ছিলেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে মালিবাগে সোহাগ পরিবহণের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের একটি মামলায় তিনি গ্রেফতার হন এবং পরবর্তীতে দলীয় সিদ্ধান্তে তাকে বহিষ্কার করা হয়।এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
১৫ ঘন্টা আগে
খুলনার পাইকগাছায় মাদক কারবার, চুরি ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসান ওরফে কিং (৩৫) নামে এক যুবককে ধরে ‘গণপিটুনি’ দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।রবিবার (৭ জুন) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গরুর হাট এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। এলাকাবাসী জানান, হাসান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবার, চুরি ও নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার এসব কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল এলাকাবাসী। রবিবার বিকেলে উত্তেজিত জনতা তাকে ধরে গণধোলাই দেয়।পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. নয়ন কুমার সরকার বলেন, “রাত ৯ টা ২০ মিনিটে হাসান নামের ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।”পাইকগাছা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজিজুর রহমান মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। তিনি জানান, নিহতের মাথা ও হাতে গভীর ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। এছাড়া তার পায়েও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম কিবরিয়া জানান, “ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
১ দিন আগে
দিনেদুপুরে এবং প্রকাশ্যে রাজধানীর মতিঝিলে লোকমান (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর হাতে ও পায়ে তিনটি গুলি লেগেছে।রোববার (৭ জুন) বিকেল ৩টার দিকে মতিঝিল শাপলা চত্বরে জনতা ব্যাংকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ লোকমানকে মুগদা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ওই ব্যক্তি মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবসায়ী। তিনি মতিঝিল শাপলা চত্বর দিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলে এসে দুর্বৃত্তরা গুলি করে তার সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ওই ব্যাগে ১৭ লাখ টাকা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে ওই ব্যবসায়ীকে পথচারীরা উদ্ধার করে মুগদা হাসপাতালে নিয়ে যান।তিনি বলেন, ওই ব্যবসায়ীর হাতের কনুইর নিচে একটি এবং পায়ে হাঁটুর নিচে দুটি গুলি লেগেছে। কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
২ দিন আগে
রাজধানীর পল্লবী এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে সেলিনা আফরোজ (৫৫) নামে এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩ জুন) রাতে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানায়, পল্লবী থানার সেকশন–৬ এলাকার ওই ফ্ল্যাটে তিনি দীর্ঘদিন ধরে একাই বসবাস করতেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।পল্লবী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হানিফ জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর থানায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেলিনা আফরোজের স্বামী ও দুই সন্তান বর্তমানে কানাডায় বসবাস করছেন। পারিবারিক বিরোধের কারণে প্রায় ১২ বছর আগে তিনি দেশে ফিরে এসে ওই ফ্ল্যাটে একা বসবাস শুরু করেন।পুলিশের ধারণা, ২৬ মে থেকে ৩ জুনের মধ্যে কোনো এক সময়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। কারণ সর্বশেষ ২৬ মে রাতে তার ভাতিজা মোবাইল ফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, এরপর থেকে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি।এদিকে একই এলাকায় সম্প্রতি আরেকটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায়ও চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ফলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
৫ দিন আগে