বজ্রপাতের সময় যা করবেন
বজ্রপাতে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৪ জন। তাই বজ্রপাতের সময় নিজেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাতে সচেতন থাকার বিকল্প নেই। বজ্রপাতে যে কেবল মানুষ প্রাণ হারায় এমনটা নয়। এর কারণে পেশিতে ব্যথা, হাড় ভেঙে যাওয়া, হকচকিয়ে যাওয়া, কানে কম শোনা, খিঁচুনি, পুড়ে যাওয়া, আচরণগত পরিবর্তন, চোখের ছানি এমনকি কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের মতো ভয়াবহ বিষয়ও ঘটতে পারে।বজ্রপাত থেকে নিজেকে রক্ষা করবেন যেভাবে:গাছের নিচে আশ্রয় নেবেন না ঝড়ের সময় ঘরের বাইরে থাকা হলেও কোনো গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া যাবে না। শুধু বৃষ্টিপাতের সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়াটা বেশ আরামদায়ক, কিন্তু বজ্রপাতের একদমই নয়। খালি পায়ে থাকবেন না অনেকেই বাড়িতে জুতা বা স্যান্ডেল পরে থাকা পছন্দ করেন না। তবে ঝড়-বৃষ্টি, বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় এই অভ্যাসে পরিবর্তন আনাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।ঘরের ভেতর থাকুনআকাশে বিজলী চমকানোর সময়ে ঘরের মধ্যে থাকাটাই নিজেকে নিরাপদ রাখার সবচেয়ে ভালো উপায়। একটু দূর থেকে এই শব্দ বা দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হতেই পারেন। কিন্তু কাছে গেলেই বাঁধবে বিপদ। তাই ঝড় থেমে যাওয়া পর্যন্ত জানালা-দরজা বন্ধ করে ঘরের মাঝে আশ্রয় নিন। কারণ সরাসরি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার আশঙ্কা না থাকলে বিপদ ঘটবে না। গোসল করবেন নাবজ্রপাতের সময় গোসল না করার বিষয়টিকে অনেকেই মান্ধাতার আমলের কথা মনে করলেও এর কিছুটা সত্যতা রয়েছে। বজ্রপাতের কারণে বিদ্যুতের শকওয়েভ যেহেতু বিভিন্ন ধাতব পাইপ, বাথরুমের কলের মধ্য দিয়েও প্রবাহিত হতে পারে, সেক্ষেত্রে যদি কোনো বাড়ি বা ভবনের ওপর বাজ পড়ে, তাহলে সেসময় গোসল করলে কিংবা এসব জিনিস স্পর্শ করলে বিদ্যুতাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। উঁচু স্থান এড়িয়ে চলুনঝড়ের সময় যথাসাধ্য উঁচু স্থান এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এসব স্থানই সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়।